অতঃপর প্রেম পর্ব ৮

0
236

#অতঃপর_প্রেম🍃
#পর্ব_০৮
#লেখিকা_আয়ানা_আরা (ছদ্মনাম)

পরে আর কি হনুমানটার জন্য আমার সকাল সকাল কাজ করতে হলো। মন চাচ্ছে হনুমানটা চুল টেনে ছিড়ে ফেলি। এখন এইসব বলে লাভ কি যা করার করেই ফেলছে।
___________
‘রোদ তুই সত্যি বলছিস তো?তোর বিয়ে হয়ে গেছে।’

চেয়ারের সাথে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে আছিলো রোদ। তার জানের জিগার বন্ধুর কথা শুনে ওর দিকে তাকিয়ে বলে,’আমি কি ফাউল কথা বলছি তুই ভাবছিস?’

রোদের কথা শুনে ওর বন্ধ কৈশিক হচকিয়ে যায়। সে কিছু বলতে যাবে তার আগেই রোদ বিয়ের পেপারস গুলো নিয়ে ড্রয়ারে ঢুকিয়ে রেখে দেয়। কৈশিক বলে,’এখন কি করবি?’

রোদ ভ্রুকুচকে কৈশিকের দিকে তাকিয়ে বলে,’মানে আমি আবার কি করবো?’

কৈশিক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,’একদিন না একদিন সত্যি তো সামনে আসবেই।’

‘শুন এটা কোনো বিয়ে না। ইনফ্যাক্ট আমি আর মেহেক দুইজনেই এই বিয়ে মানি না। তবে..

‘তবে?’

‘ওর সামনে গেলে আমার এক অজানা অনুভুতি জন্ম নেয়। সেই অনুভুতির নাম কি আমি জানি না।’

বন্ধুর কথা শুনে কৈশিক দীর্ঘশ্বাস ফেলে। তারপর বলে,’ভালোবাসা হয় যদি?’

কৈশিকের কথা শুনে রোদ চমকে উঠে।

‘না এটাকে ভালোবাসা বলে না আর ওকে আমি চিনিই বা কতোদিন যে ভালোবাসবো?’

‘ভালোবাসা কাউকে কয়ে আসে না। ভালোবাসার প্রথম ধাপ একটা অজানা অনুভুতি যেটা অনেকে অনেক তাড়াতাড়ি বুঝে আবার দেরীতেও বুঝে।’

এই বলে কৈশিক উঠে চলে যায়। রোদকে এই কথাগুলো অনেক ভাবনার মধ্যে ফেলে দেয়।
___________
আমি কাজ শেষে রুমে যেয়ে শাওয়ার নিয়ে বের হই।অতঃপর বিছানায় গা এলিয়ে দেই আর রোশানকে হাজারো গালি দিতে থাকি। রোশানকে গালি দিতে দিতে এক পর্যায়ে আমি ঘুমিয়ে যাই। রোথির ডাকে আমার ঘুম ভাঙে। সে আমাকে বলে,’মেহু আপু লাঞ্চ করবি না?’

আমি ঘুমু ঘুমু চোখে ওকে বলি,’হুম করবো।’

‘চলো তাহলে।’

রোথি আমাকে টেনে ফ্রেশ হতে পাঠালো। আমি ফ্রেশ হয়ে আসতেই আমরা দুইজন নিচে চলে গেলাম খেতে।খাবার টেবিলে হরেকরকমের খাবার ছিলো। আমি আর রোথি বেশ মজা করে খেতে লাগলাম। খাওয়া শেষে আমরা যার যার রুমে চলে গেলাম রেডি হতে কারণ এখন আমরা ইরহা ভাবিকে আংটি পড়াতে যাবো।আমি রোথিকে বলি,’রোথি জলদি রেডি হো।’

‘আপু তোমরা যাও আমি যাবো না।’

‘আল্লাহ এটা কেমন কথা তুই ননদ তুই যাবি না।’

‘শরীর ভালো লাগছে না আপু তোমরা যাও।’

আমি রোথির গালে হাত রেখে বললাম,’কিছু হয়েছ?কাল রাতেও আজগুবি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছিলি আবার এখন যেতে চাস না’

‘কিছু না আপু।’

‘দেখ তুই আমাকে বলতে পারিস।’

‘না আপু কিছু হয়নি।’

আমি আর কিছু না বলে ওকে একটা ড্রেস হাতে ধরিয়ে দিয়ে রেডি হতে চলে গেলাম। আমরা সবাই রেডি হয়ে নিচে গেলাম। ইরহা ভাবির বাসায় উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম আমরা। ইরহা ভাবির বাসায় পৌছে ভিতরে যেয়ে যাকে দেখতে পেলাম তাকে দেখে অনেক অবাক হয়েছি কারণ আমি আর কাউকে না স্বয়ং রোদ স্যারকে দেখছি। রোদ স্যার আমার আব্বু-আম্মুর সাথে কথা বলছেন তাই খেয়াল করেননি আমাকে। আমি সামনে যেতেই উনি বলেন,’মেহেক তুমি?’

আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বলি,’জ্বী স্যার।’

‘তুমি মেহেদীর কে হও?’

‘বোন।’

‘ওহ।’

আমি আর এক মিনিট ও না দাঁড়িয়ে ভোঁ দৌড় দিলাম। উনার সামনে গেলে আমার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে। এক অজানা অনুভুতির সৃষ্টি হয়।

কথার কথায় জানতে পারি রোদ স্যার ইরহা ভাবির চাচাতো ভাই। ইরহা ভাবি আর মেহেদী ভাইয়ের আংটি বদল হলো। এবং আগামী সপ্তাহে বিয়ে দিন ধার্য করা হলো। অবাক করার বিষয় আমি কোথাও নিশাকে খুজে পেলাম না। তাই রোদ স্যারকে জিজ্ঞেস করি,’স্যার নিশা কোথায়?’

‘ও আসেনি।’

আমি আর কিছু না বলে চলে আসলাম। রোদ স্যার আমার যাওয়ার পানে তাকিয়ে আড়ালে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। আনমনে বললেন,’কি সেই অজানা অনুভুতি?আমি কি সেই অজানা অনুভুতির নাম খুজে বের করতে পারবো?
_____
ইরহা ভাবির বাসা থেকে এসেছি অনেকক্ষন হয়েছে। সবাই বলছে কাল সকালে সবাই শপিং এ যাবে। আমি নিজের রুমে এসে জানালার কাছে বসে ভাবছি যে রোদ স্যারের সামনে গেলে এমন অনুভুতির জন্ম নেওয়ার মানে কি? উনাকে কি আমি নিজের অজান্তেই ভালোবেসে ফেলেছি?না,,না এমন হতে পারে না মেহেক উনি তোর স্যার স্যারের মতোই থাকবে। বুঝি না উনাকে নিশার সাথে দেখলে আমার অনেক রাগ লাগে।
______
রোদ নিজের ফোনে ফেসবুক স্ক্রল করছে হঠাৎই ওর চোখে মেহেকের আইডি এসে পড়ে। রোদ আনমনেই মুচকি হেসে প্রোফাইলে ঢুকে। মেহেকের একটা শাড়ি পড়া ছবিতে অনেক ছেলে লাভ রিয়েক্ট দিয়েছে যা দেখে রোদের অনেক রাগ লাগে। ও ফোন খাটে ছুড়ে ফেলে দেয়।
_____
আমি আর রোথি রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে এসেছি। রোথি হঠাৎই আমাকে জিজ্ঞেস করে,’ভালোবাসা মানে কি আপু?’

আমি ওর দিকে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে বলি,’এক অজানা অনুভুতি’

‘তুমি কি কখনো ভালোবেসেছো?’

‘না।’

রোথি কিছু না বলে শুয়ে পড়লো। আমিও লাইট অফ করে ঘুমিয়ে পড়লাম ওর পাশে। আমার কাছে রোথিকে ইদানিং অনেক আলাদা লাগছে। যে মেয়ে কিনা চঞ্চল আর আজকাল সে চুপ করে আছে। ভালো ঠেকছে না বিষয়টা আমার কাছে। রোথি আর যাই করুক কখনো এতোটা চুপ থাকে না। এইসব ভাবতে ভাবতে আমি ঘুমিয়ে যাই।
______
সকালে আমি মেডিক্যাল যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি। রোথি চুপচাপ বসে আছে পাশে। হঠাৎই রোশান এসে বলে,’আমি তোমাকে ড্রপ করে দেই।’

আমি বলি,’নো থ্যাংক্স আমি একাই যেতে পারবো।’

আম্মু এসে আমাকে ধমক দিয়ে বলে,’রোশান যখন বলছে তুই তাহলে ওর সাথেই যাবি।’

মাঝে মাঝে আমার মনে হয় আম্মু আমার না রোশানের। সবসময় এই হনুমানটার সাপোর্ট নেয় অসহ্য। তারপর আর কি হনুমানটার সাথে যেতে হলো আমাকে মেডিক্যাল। আমি ক্লাসে যেতেই কেউ আমার হাত হেঁচকা টান দিয়ে একটা ফাঁকা ক্লাস রুমে নিয়ে যায়…..

#চলবে

(পড়তে পড়তে অবস্থা খারাপ ছিলো কালকে তাই গল্প দিতে পারিনি।জানি ছোট হয়েছে। রিচেক দেওয়া হয়নি,,ভুলক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। হ্যাপি রিডিং)#অতঃপর_প্রেম🍃
#পর্ব_০৮
#লেখিকা_আয়ানা_আরা (ছদ্মনাম)

পরে আর কি হনুমানটার জন্য আমার সকাল সকাল কাজ করতে হলো। মন চাচ্ছে হনুমানটা চুল টেনে ছিড়ে ফেলি। এখন এইসব বলে লাভ কি যা করার করেই ফেলছে।
___________
‘রোদ তুই সত্যি বলছিস তো?তোর বিয়ে হয়ে গেছে।’

চেয়ারের সাথে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে আছিলো রোদ। তার জানের জিগার বন্ধুর কথা শুনে ওর দিকে তাকিয়ে বলে,’আমি কি ফাউল কথা বলছি তুই ভাবছিস?’

রোদের কথা শুনে ওর বন্ধ কৈশিক হচকিয়ে যায়। সে কিছু বলতে যাবে তার আগেই রোদ বিয়ের পেপারস গুলো নিয়ে ড্রয়ারে ঢুকিয়ে রেখে দেয়। কৈশিক বলে,’এখন কি করবি?’

রোদ ভ্রুকুচকে কৈশিকের দিকে তাকিয়ে বলে,’মানে আমি আবার কি করবো?’

কৈশিক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,’একদিন না একদিন সত্যি তো সামনে আসবেই।’

‘শুন এটা কোনো বিয়ে না। ইনফ্যাক্ট আমি আর মেহেক দুইজনেই এই বিয়ে মানি না। তবে..

‘তবে?’

‘ওর সামনে গেলে আমার এক অজানা অনুভুতি জন্ম নেয়। সেই অনুভুতির নাম কি আমি জানি না।’

বন্ধুর কথা শুনে কৈশিক দীর্ঘশ্বাস ফেলে। তারপর বলে,’ভালোবাসা হয় যদি?’

কৈশিকের কথা শুনে রোদ চমকে উঠে।

‘না এটাকে ভালোবাসা বলে না আর ওকে আমি চিনিই বা কতোদিন যে ভালোবাসবো?’

‘ভালোবাসা কাউকে কয়ে আসে না। ভালোবাসার প্রথম ধাপ একটা অজানা অনুভুতি যেটা অনেকে অনেক তাড়াতাড়ি বুঝে আবার দেরীতেও বুঝে।’

এই বলে কৈশিক উঠে চলে যায়। রোদকে এই কথাগুলো অনেক ভাবনার মধ্যে ফেলে দেয়।
___________
আমি কাজ শেষে রুমে যেয়ে শাওয়ার নিয়ে বের হই।অতঃপর বিছানায় গা এলিয়ে দেই আর রোশানকে হাজারো গালি দিতে থাকি। রোশানকে গালি দিতে দিতে এক পর্যায়ে আমি ঘুমিয়ে যাই। রোথির ডাকে আমার ঘুম ভাঙে। সে আমাকে বলে,’মেহু আপু লাঞ্চ করবি না?’

আমি ঘুমু ঘুমু চোখে ওকে বলি,’হুম করবো।’

‘চলো তাহলে।’

রোথি আমাকে টেনে ফ্রেশ হতে পাঠালো। আমি ফ্রেশ হয়ে আসতেই আমরা দুইজন নিচে চলে গেলাম খেতে।খাবার টেবিলে হরেকরকমের খাবার ছিলো। আমি আর রোথি বেশ মজা করে খেতে লাগলাম। খাওয়া শেষে আমরা যার যার রুমে চলে গেলাম রেডি হতে কারণ এখন আমরা ইরহা ভাবিকে আংটি পড়াতে যাবো।আমি রোথিকে বলি,’রোথি জলদি রেডি হো।’

‘আপু তোমরা যাও আমি যাবো না।’

‘আল্লাহ এটা কেমন কথা তুই ননদ তুই যাবি না।’

‘শরীর ভালো লাগছে না আপু তোমরা যাও।’

আমি রোথির গালে হাত রেখে বললাম,’কিছু হয়েছ?কাল রাতেও আজগুবি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছিলি আবার এখন যেতে চাস না’

‘কিছু না আপু।’

‘দেখ তুই আমাকে বলতে পারিস।’

‘না আপু কিছু হয়নি।’

আমি আর কিছু না বলে ওকে একটা ড্রেস হাতে ধরিয়ে দিয়ে রেডি হতে চলে গেলাম। আমরা সবাই রেডি হয়ে নিচে গেলাম। ইরহা ভাবির বাসায় উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম আমরা। ইরহা ভাবির বাসায় পৌছে ভিতরে যেয়ে যাকে দেখতে পেলাম তাকে দেখে অনেক অবাক হয়েছি কারণ আমি আর কাউকে না স্বয়ং রোদ স্যারকে দেখছি। রোদ স্যার আমার আব্বু-আম্মুর সাথে কথা বলছেন তাই খেয়াল করেননি আমাকে। আমি সামনে যেতেই উনি বলেন,’মেহেক তুমি?’

আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বলি,’জ্বী স্যার।’

‘তুমি মেহেদীর কে হও?’

‘বোন।’

‘ওহ।’

আমি আর এক মিনিট ও না দাঁড়িয়ে ভোঁ দৌড় দিলাম। উনার সামনে গেলে আমার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে। এক অজানা অনুভুতির সৃষ্টি হয়।

কথার কথায় জানতে পারি রোদ স্যার ইরহা ভাবির চাচাতো ভাই। ইরহা ভাবি আর মেহেদী ভাইয়ের আংটি বদল হলো। এবং আগামী সপ্তাহে বিয়ে দিন ধার্য করা হলো। অবাক করার বিষয় আমি কোথাও নিশাকে খুজে পেলাম না। তাই রোদ স্যারকে জিজ্ঞেস করি,’স্যার নিশা কোথায়?’

‘ও আসেনি।’

আমি আর কিছু না বলে চলে আসলাম। রোদ স্যার আমার যাওয়ার পানে তাকিয়ে আড়ালে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। আনমনে বললেন,’কি সেই অজানা অনুভুতি?আমি কি সেই অজানা অনুভুতির নাম খুজে বের করতে পারবো?
_____
ইরহা ভাবির বাসা থেকে এসেছি অনেকক্ষন হয়েছে। সবাই বলছে কাল সকালে সবাই শপিং এ যাবে। আমি নিজের রুমে এসে জানালার কাছে বসে ভাবছি যে রোদ স্যারের সামনে গেলে এমন অনুভুতির জন্ম নেওয়ার মানে কি? উনাকে কি আমি নিজের অজান্তেই ভালোবেসে ফেলেছি?না,,না এমন হতে পারে না মেহেক উনি তোর স্যার স্যারের মতোই থাকবে। বুঝি না উনাকে নিশার সাথে দেখলে আমার অনেক রাগ লাগে।
______
রোদ নিজের ফোনে ফেসবুক স্ক্রল করছে হঠাৎই ওর চোখে মেহেকের আইডি এসে পড়ে। রোদ আনমনেই মুচকি হেসে প্রোফাইলে ঢুকে। মেহেকের একটা শাড়ি পড়া ছবিতে অনেক ছেলে লাভ রিয়েক্ট দিয়েছে যা দেখে রোদের অনেক রাগ লাগে। ও ফোন খাটে ছুড়ে ফেলে দেয়।
_____
আমি আর রোথি রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে এসেছি। রোথি হঠাৎই আমাকে জিজ্ঞেস করে,’ভালোবাসা মানে কি আপু?’

আমি ওর দিকে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে বলি,’এক অজানা অনুভুতি’

‘তুমি কি কখনো ভালোবেসেছো?’

‘না।’

রোথি কিছু না বলে শুয়ে পড়লো। আমিও লাইট অফ করে ঘুমিয়ে পড়লাম ওর পাশে। আমার কাছে রোথিকে ইদানিং অনেক আলাদা লাগছে। যে মেয়ে কিনা চঞ্চল আর আজকাল সে চুপ করে আছে। ভালো ঠেকছে না বিষয়টা আমার কাছে। রোথি আর যাই করুক কখনো এতোটা চুপ থাকে না। এইসব ভাবতে ভাবতে আমি ঘুমিয়ে যাই।
______
সকালে আমি মেডিক্যাল যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি। রোথি চুপচাপ বসে আছে পাশে। হঠাৎই রোশান এসে বলে,’আমি তোমাকে ড্রপ করে দেই।’

আমি বলি,’নো থ্যাংক্স আমি একাই যেতে পারবো।’

আম্মু এসে আমাকে ধমক দিয়ে বলে,’রোশান যখন বলছে তুই তাহলে ওর সাথেই যাবি।’

মাঝে মাঝে আমার মনে হয় আম্মু আমার না রোশানের। সবসময় এই হনুমানটার সাপোর্ট নেয় অসহ্য। তারপর আর কি হনুমানটার সাথে যেতে হলো আমাকে মেডিক্যাল। আমি ক্লাসে যেতেই কেউ আমার হাত হেঁচকা টান দিয়ে একটা ফাঁকা ক্লাস রুমে নিয়ে যায়…..

#চলবে

(পড়তে পড়তে অবস্থা খারাপ ছিলো কালকে তাই গল্প দিতে পারিনি।জানি ছোট হয়েছে। রিচেক দেওয়া হয়নি,,ভুলক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। হ্যাপি রিডিং)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here