আনন্দধারা বহিছে ভুবনে পর্ব ১৬

0
97

#আনন্দধারা_বহিছে_ভুবনে (পর্ব ১৬)
নুসরাত জাহান লিজা

আনোয়ার সাহেবকে নিয়ে দু’দিন হাসপাতালে ছোটাছুটি করতে হলো, তার হার্টের সমস্যা বেশ কিছুদিন থেকেই, হাই ব্লাডপ্রেশার। ডায়াবেটিস নেই যদিও। ডাক্তার টেনশন করতে পুরোপুরি নিষেধ করে দিয়েছে। অয়নের কানে খবরটা পৌঁছাল অনেক পরে, যেদিন হাসপাতাল থেকে তাকে বাড়িতে আনা হয় সেদিন।

সেদিন রাগারাগি করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবার পরে সে সানকিপারায় রনির মেসে গিয়ে ওঠে। বাসা থেকে ছোট চাচা আর অবন্তী অনেকবার কল দিলেও রিসিভ করেনি, ভেবেছে ওকে ফেরাতে কল দিচ্ছে। ফোন বন্ধ করে রেখেছিল, ফেসবুকেও যাওয়া হয়নি। আজ সকালে ফোন সচল করতেই টুং করে মেসেঞ্জারের শব্দ হলো বেশ কয়েকবার। অবন্তীর মেসেজে চোখ আটকে গেল। একদিন আগে সে লিখেছে,

“ফোন না ধরলে সেটা সাথে রাখিস কেন? এতগুলো মানুষ তোকে নিশ্চয়ই ঢং করতে কল দেয়নি? বড়চাচাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হইছে গতকাল। তুই যাওয়ার পরপর। পারলে আসিস।”

আরেকটা মেসেজ ডিলিট করা, হয়তো স্বভাবসুলভ কড়া ভাষায় কিছু লিখেছিল। পরে কিছু ভেবে মুছে ফেলেছে। অয়নের মনে গাঢ় কালো মেঘ ভীড় করল। সেদিন মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে বলে মনে হলো নিজের কাছে। সেইসাথে উদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য নিজেকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালো। আর একমুহূর্তও বসে থাকতে পারল না, উদভ্রান্তের মতো বেরিয়ে এলো।

বাসায় আসতেই অবন্তী দরজা খুলে দিল, চোখে আগুন ঝরছে। অয়ন সেই অগ্নিদৃষ্টি উপেক্ষা করে ভেতরে চলে গেল। কাঁপা কাঁপা বুকে বাবা-মায়ের ঘরে এলো। আনোয়ার সাহেব কিছুই বললেন না, একবার শুধু মুহূর্তের জন্য তাকিয়ে আবার চোখ বুজলেন। আগে অয়নকে দেখলেই তার চোখ দুটো দপ করে জ্বলে উঠত, কিন্তু আজকের চাহনিতে সেই জ্বলন্ত আগুন ছিল না, কেমন নিষ্প্রভ ঘোলাটে একটা দৃষ্টি।

কোনো কথাও বললেন না। তার নীরবতা অয়নের হৃদপিণ্ডটা যেন খামচে ধরেছে। অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া মনটা যেন প্রস্তুত হয়েছিল দুটো কড়া কথা শোনার জন্য, আজ যখন সেটা হলো না, খুব শূন্য লাগল। অয়নের বুকে কেমন খা খা হাহাকার বাসা বাধল। কেন তা জানা নেই।

***
ইদানিং অবন্তীর কাছে এই বাড়িটাকে একটা প্রেতপুরী মনে হয়। কেমন নিথর, নির্জীব হয়ে আছে। আগে প্রতিদিন সকালে বড়চাচার চিৎকার, চেচামেচিতে বাড়িটা মুখর থাকত। ইদানিং তিনি অত্যন্ত শান্ত হয়ে গেছেন। একটা কথাও প্রয়োজন ছাড়া বলেন না। যেটুকু বলেন তাও অত্যন্ত ধীর গলায়। সারাদিন কীসের চিন্তায় ডুবে থাকেন কে জানে! অয়নকেও কিছু বলেন না আর। একসময় যেটাকে বিরক্ত লাগত অবন্তীর, এখন মনে হচ্ছে সেটাতে অন্তত একটা প্রাণ তো পাওয়া যেত!

বড় চাচী আর মা দুপুরে আর সন্ধ্যার পরে কী চমৎকার গল্পের আসর বসাতেন, এখন সেটাও হয় না। রান্নাঘরে টুংটাং কাজের ফাঁকে জমে উঠিত আড্ডা। সব যেন বিলীন হয়ে গেছে। একেবারে অকস্মাৎ সবাই যেন নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে তাদের চলমান জগৎ থেকে। কোনো কিছুই তাদের উপর আর প্রভাব ফেলে না৷

সেদিন ক্যাম্পাসে রেখে আসার পর থেকে অয়নও ওর সাথে কথা আর বলে না। কখনো মুখোমুখি হয়ে গেলে মুখ ফিরিয়ে চলে যায়। এই তো গত পরশু ছাদে অয়নকে পেল, অবন্তী কিছু বলার জন্য মুখ খুলতেই ছেলেটা সিঁড়ি বেয়ে দুদ্দাড় নেমে গেল। অবন্তী মুখ কালো করে দাঁড়িয়ে রইল, তীব্র অপমানে, অবজ্ঞার অনলে দগ্ধ হলো। অয়নের সাথে ওর একটা খুঁনসুটির সম্পর্ক ছিল। নিজের মনের কথা বলাতেই কী আগের সম্পর্কটাও ভেঙে গেল! সে একেবারে অচ্ছুৎ হয়ে পড়েছে অয়নের কাছে!

মা তো সেই কবে থেকেই ওর সাথে ঠিক করে কথা বলেন না। বিয়ে ভেঙে দেবার পর থেকে মায়ের ক্ষোভ জমে আছে ওর প্রতি।

সবমিলিয়ে আচমকা ঝড়ে এই বাড়ির চলমান জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ কোনো এক বিস্তৃত সুদূরে হারিয়ে গেছে। আনন্দ সঙ্গীতের তাল কেটে গেছে, সেখানে কোনো সুর নেই, ছন্দ নেই, হাসি-আনন্দ কিচ্ছু নেই! কোথাও যেন বীণার সরু তাড় ছিঁড়ে গেছে। আপাতদৃষ্টিতে ছোট্ট পরিবর্তন কিন্তু ভেতরটা ভেঙে গুড়িয়ে দেয়।

এই নিস্পৃহ জীবনে অনভ্যস্ত অবন্তীর ভেতরটায় হুহু করে উঠল। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। বালিশে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল সে।

***
শিউলির সময় এখন অন্য সময়গুলোর চাইতে ভালো কাটছে। তুহিনের সাথে ডিভোর্স হয়ে গেছে। তবে তুহিনের কেসটা এখনো চলমান, নারীপাচার চক্রের সাথে সে কতটা জড়িত, তাদের সাথে কীভাবে পরিচয় হয়েছে, আরও কোনো অপকর্মের সাথে জড়িত কিনা এসব নিয়ে তদন্ত চলছে।

সফুরা একদিন ফোন করেছিলেন শিউলিকে৷ খুব হম্বিতম্বি করলেন। এক পর্যায়ে বললেন, “তোমার এই অতিরিক্ত দেমাগই তোমার সর্বনাশ করব। আমার কোল খালি করার মতলব আঁটছো তুমি? তোমার জীবনেও ভালো হবো না।”

এমন শাপশাপান্ত করে ফোন কেটে দিলেন। শিউলি একজন মাতৃস্নেহে অন্ধ মহিলার কথায় কান দিল না। সে নিজের মতো ভালো থাকার চেষ্টা করছে। বাইরের কত মানুষ নানা কথা বলে, বলছে, তাতে কী! তাদের কথায় কান দিয়ে থেমে যেতে আছে নাকি! তাদেরটা খায়ও না পরেও না। তাহলে তাদের এতটা গুরুত্ব কেন দেবে নিজের জীবনে? এমনিতেই করার মতো কত কাজ পড়ে আছে, সেসব ফেলে সারাক্ষণ অন্যকে নিয়ে চর্চা করার মতো সময় কোথায় পায়! এত সময় মানুষের হাতে!

কাছের মানুষগুলো ওকে কতটা ভালোবাসে এটাই সে শুধু অনুভব করে মর্মে মর্মে। এদের জন্য হলেও তো নিজেকে দাঁড় করাতে হবে!

ইন্টারমিডিয়েট পাশ যোগ্যতার সার্কুলার দেখে দেখে এপ্লাই করতে শুরু করল, কিছু জব সল্যুশনসের বই কিনে দিয়েছে শাফিন। সেসব পড়তে শুরু করল। প্রথম দিকে মাথায় কিছু ঢুকল না, মন বসাতে পারত না। পড়ালেখা আগেও সেভাবে ভালো লাগেনি কোনোদিন। তার উপর বহুদিন চর্চা নেই। চাকরির বয়সও আর বেশি নেই। দেড়, দুই বছর হাতে আছে। শেষ পর্যন্ত নিজের ইচ্ছাশক্তির জোরে পড়তে শুরু করল। একসময় মন বসে গেল।

অল্প কয়েকটা জব এক্সামও দিল কিন্তু টিকল না। তবুও লেগে রইল। বিকল্প কিছু ভেবেছিল, কিন্তু সেসবের জন্য বেশ ভালো অঙ্কের পুঁজি প্রয়োজন। তাই সাহস করেনি। বাবা, মা আর শাফিন অনেক বড় শক্তি হয়ে রইল ওর ভেঙে পড়া জীবন গুছিয়ে দেবার ক্ষেত্রে।

***
সফুরা প্রথমদিকে শিউলির উপরে খুব রেগে গিয়েছিলেন। বিড়বিড় করে সারাক্ষণ অভিশাপের বুলি আওড়ে গেছেন। কিন্তু কোর্টে কেস উঠার পরে উনি বেশ বড়সড় একটা ধাক্কা খান। ছেলে তাকে একলা ফেলেই পালাতে চেয়েছিল! যে ছেলের পেছনে তিনি নিজের জীবনের পুরো সময়টা ব্যয় করেছেন, সেই ছেলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ছিল অপকর্ম করে গা ঢাকা দেওয়া। সেখানে তিনি কোথায় ছিলেন!

একটা প্রবল ধাক্কায় তার মোহভঙ্গ হলো। মেয়ে থাকা সত্বেও তিনি যেন ছেলেকেই সবসময় অন্ধের ষষ্টী হিসেবেই দেখতেন। মেয়েকে দিতে কমতি রাখেননি তবুও ছেলের প্রতি তিনি একচোখা পনা করতে কার্পণ্য করেননি। দুই ভাইবোন ছেলেবেলায় ঝগড়া, মারামারি করলেই তিনি মেয়ের দিকে আঙুল তুলে তাকেই বরং সাবধান করেছেন।

ছেলেবেলায় তুহিন স্কুলে পড়ার সময়, বা পাড়ার মাঠে খেলতে গেলে গণ্ডগোল বাধলে কেউ যদি তুহিনের নামে কোনো অভিযোগ নিয়ে আসত তবে তিনি ছেলের দোষ তো শুনতে চাইতেনই না, উল্টো অভিযোগকারীকেই কত গালমন্দ করেছেন। এসব নিয়ে অনেক অভিভাবকের সাথে তার তুমুল কথা কাটাকাটি হয়েছে।

এখন তার আফসোস হচ্ছে, কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল সেই শিক্ষাটা যদি ছেলেকে দিতে পারতেন! তবে আজ এমন বিপর্যয় তার জীবনে আসত না। চোখে অন্ধ স্নেহের ঠুলি সরে যেতেই বুঝলেন কী ভীষণ ভুলের মধ্যেই না বসবাস করেছেন!

শিউলির সাথে ছেলের করা অন্যায়গুলো চোখের সামনে দেখেও দেখেননি। একটা নারী হয়েও তিনি অন্য মেয়ের কষ্টে সমব্যথী হননি। বরং ওই মেয়েকেই কেমন করে গালমন্দ করেছেন! তার আজ সন্তাপের সীমা নেই। নিজের বিবেকের আয়নায় আজ চোখ মেলে তাকাতে পারছেন না। মাটিতে মিশে যাচ্ছেন। অন্ধ মাতৃস্নেহ ভয়ংকর জিনিস! যার প্রতি এই উদ্দাম স্নেহ তাকেই শেষ করে দিতে পারে অনায়াসে।

তুহিনের বিরুদ্ধে সব তদন্ত শেষে শুনানিতে তার অপরাধের ব্যাপারে নারী নির্যাতন, পাচার, জুয়া এসব এলো। রায় হলো সাত বছরের জেল। সফুরা ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়লেন।

অনেক ভেবেচিন্তে শিউলিকে ফোন করলেন, “মা রে, আমারে মাফ কইরে দিস। অতি আদরে পোলাডা কবে যে অমানুষ হয়ে গেছে বুঝি নাই। তোর সাথে অনেক অন্যায় করছি। পারলে এই বুড়ি মায়েরে ক্ষমা করে দিস। অনেক খারাপ খারাপ কথা বলসি। মনে রাখিস না।”

শিউলি বলেছিল, “আপনি আপনার ভুল বুঝতে পারছেন। এইটাই অনেক। তবে অন্ধ হয়ে গেলে সাদা জিনিসও কালো দেখা যায়। তখন সূর্য উঠলেও চোখে ঘুটঘুটে অন্ধকার ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। আপনার চোখের পর্দা সরছে, আমি খুশি হইছি।”

সফুরা ফোনেই কিছুক্ষণ কান্নাকাটি করলেন, এরপর রেখে দিলেন। তার মেয়েটা তাকে ওর সাথে যেতে বলেছে। কিন্তু তিনি রাজি হননি। এই শেষ বয়সে এসে মেয়ে জামাইয়ের ঘাড়ে বসতে চান না। একলা মানুষ তিনি, জীবন চলেই যাবে। কয়দিনই আর বাঁচবেন! শেষ বেলায় এসে কারোর যেন অন্যের উপরে যেন পড়তে না হয়, এমন দোয়া করলেন সফুরা৷

***
সময় যেন চোখের পলকে বয়ে গেল। দেখতে দেখতেই কেমন দুই বছর গড়িয়ে গেল প্রায়। অবন্তী বাড়ির সেই দমবন্ধ পরিস্থিতির সাথেই খাপ খাইয়ে নিয়েছে কিছুটা হলেও। পড়ালেখায় আগের চাইতে বেশি সময় দিচ্ছে। মাস্টার্স প্রায় শেষ। থিসিস সেমিস্টার চলছে। এখন এমনিতও ভয়াবহ ব্যস্ত। সুপারভাইজার স্যার প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কারেকশন দিচ্ছেন। সেসব নিয়ে কাজ করতে করতেই প্রাণ জেরবার। সময় তো কেটেই যাচ্ছে। থেমে নেই কিছুই, তবুও অনুভূতিগুলো কিংবা ভারী দীর্ঘশ্বাস সবটা একই রকম আছে, বদলায়নি কিছুই।

বিসিএসের প্রিলিতে টিকেছিল, রিটেনে টিকতে পারেনি। তবে শাফিন রিটেনে টিকেছে, কদিন আগেই রেজাল্ট হলো। সামনে ভাইভা। এই সেমিস্টারে সে থিসিস জমা দেবে না। পরের সেমিস্টারে দেবে। থিসিস দিয়ে দিলেই আর হলে থাকতে পারবে না। এই মুহূর্তে মেসে উঠে, বা সব গুটিয়ে বাসায় চলে যাওয়া সম্ভব নয়। গেলে পড়াশোনা হবে না। একেবারে ভাইভা দিয়ে তারপর পরের কথা ভাবা যাবে এমনটাই বলেছে অবন্তীকে।

অবন্তী স্যারের চেম্বার থেকে বের হতেই দেখল শাফিন দাঁড়িয়ে আছে।
“বাব্বাহ্! তোরে তো এখন দেখাই যায় না। কী অবস্থা?”

“অবস্থা ভালোই। তোর সাথে দেখা করতে আসলাম। এক সপ্তাহ দেখা হয় নাই। হাঁসফাঁস লাগতেছে। চল, জব্বারে যাই।”

“আচ্ছা, চল।” অবন্তী খেয়াল করেছে বেশ কিছুদিন ধরে শাফিন উশখুশ করে, কিছু একটা যেন বলতে চায়, কিন্তু বলে না। প্রেমে টেমে পড়েছে নাকি! জিজ্ঞেস করবে কিনা ভাবল অবন্তী।

“তোরে একটা সুখবর দেই, শিউলি আপুর একটা চাকরি হইসে। খুব বড় না, তবে ওর নাকি ভাল্লাগছে। সময় কাটতেছে।”

“দারুণ খবর! তুই আগে বলিস নাই তো?”

“ভাবলাম একবারে দেখা করে বলব।” হেসে বলল শাফিন।

“ট্রিট দে দোস্ত। এত খুশির খবর দিলি খালি মুখে?” অবন্তীর গলায় কপট অভিমান, মুখে মিষ্টি হাসি।

“ট্রিট তো দিবই। বল কী খাবি?”

“আপাতত দুধ চা। পরেরটা পরে দেখা যাবে। সারাজীবন আমি বিল দিছি চায়ের বিল। আজকেরটা তুই দিবি!”

“অবশ্যই মহারানী। যথা আজ্ঞা। চলুন।” নাটকীয় একটা ভঙ্গি করল শাফিন। অবন্তী খুব হাসল। বহুদিন পরে সে এমন প্রাণ খুলে হাসতে পারল।

অবন্তী আগে আগে হাঁটছিল, শাফিন একটু পেছনে। বিকেল গড়াচ্ছে, লালচে সূর্যটা ডুবি ডুবি। সূর্যের এক চিলতে লালচে আলো অবন্তীর মুখে এসে পড়ছে, গাছের সাড়ির উপর দিয়ে সূর্যটা ঘরে ফিরছে। কণে দেখা আলোয় সবকিছু স্নিগ্ধ লাগে অবন্তীর চোখে।

সহসা দুই কদম পিছিয়ে থাকা শাফিনের কথা শুনে অবন্তী চমকে উঠে থমকে দাঁড়ায়! হতভম্ব ভাব কিছুটেই কাটছে না। শাফিনের গলায় কথাটা আবার ভেসে এলো,

“আমাকে বিয়ে করবি, অন্তি?”
………..
(ক্রমশ)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here