আনন্দধারা বহিছে ভুবনে পর্ব ৮

0
154

#আনন্দধারা_বহিছে_ভুবনে (পর্ব ৮)
নুসরাত জাহান লিজা

অবন্তী বড়চাচাকে আটকাতে পারল না, ঝড়ের বেগে তিনি অয়নের সামনে এসে দাঁড়ালেন। অয়ন এদিকেই তাকিয়ে প্রথমে আড়ষ্ট হলো কিছুটা, তারপর তড়াক করে উঠে দাঁড়ালো। হাতের সিগারেট কোনোরকমে নিচে ফেলে পা দিয়ে পিষলো। তারপর বড়চাচার দিকে চোখ তুলে তাকাতেই তিনি সর্বশক্তিতে চড় বসিয়ে দিলেন গালে, চড়ের প্রাবল্যে অয়নের ঘাড় কিছুটা ঘুরে গেল। সেভাবেই থাকল কিছুক্ষণ, বড়চাচা রীতিমতো রণহুংকার ছেড়ে বললেন,

“তুই এক্ষণ বাড়িতে যাবি। আজ তেড়িবেড়ি করলে তোরে টুকরা টুকরা করে এই ব্রম্মপুত্রে ভাসায়ে দিমু। কুলাঙ্গার সন্তানের চাইতে নিঃসন্তান থাকাও ভালো। অন্তত বুড়া বয়সে একটু শান্তি তো পামু।”

অয়ন মাথা ঘুরিয়ে আরেকবার এদিকে ফিরে তাকাতেই চোখে পানির অভাস দেখা গেল। হাত মুঠো করে নিজের রাগ, বিষাদ আটকে রাখতে চাইছে যেন।

লোকজন জমতে শুরু করেছে, এরকম পারিবারিক অশান্তি তাদের কাছে ভীষণ কৌতূহলের বিষয়। রাস্তাঘাটে দেখার সুযোগ পেয়ে অনেকেই তাই জমায়েত হতে লাগল।

বড়চাচা অবন্তীর দিকে তাকিয়ে বললেন, “তোর জিনিসপত্র কাল আনলে হবে না?”

অবন্তী শুকনো গলায় ঢোক গিলে উত্তর দিল, “হবে।”

“তাইলে কালকে নিয়ে যাব তোরে।”

তিনি অবন্তীর সাথে কথা বললেন একদম স্বাভাবিক গলায়, যেন কিছুই হয়নি এতক্ষণ! কথা শেষ করেই তিনি বাসার দিকে পা বাড়ালেন। অবন্তী তার পিছু নেবার আগে অয়নের দিকে একবার ফিরে তাকালো। কী অদ্ভুত এক বিষাদের ছাপ পুরো মুখাবয়বে!

অবন্তী অনেক চেয়েও মনকে আটকে রাখতে পারল না, তার হৃদয় সমুদ্রে নিতান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও সহানুভূতির সাথে সাথে এই ছন্নছাড়া ছেলেটার জন্য আরও কয়েক কিউসেক ভালোবাসা জমা হলো।

***
অয়নের মাথা এখনো ভোঁ ভোঁ করছে, মুখ তেতো হয়ে আছে। সারা মন আজ যেন বিদ্রোহ করতে চাইছে। চোখ তুলে আশেপাশে তাকিয়ে দেখল অনেকেই ওর দিকে তাকিয়ে আছে, কারো চোখে সহানুভূতি তো কারো চোখে কটাক্ষ, তাচ্ছিল্য। কেউ কেউ দৃষ্টি দিয়েই যেন উল্লাসে মেতেছে।

অসাড় হয়ে আসা শরীরটা নিয়ে বাসায় যাবার জন্য পা বাড়াল। বিদ্রোহী মনটা আজ কিছু একটা ঘটাতে চাইছে, ভয়ংকর কিছু!

বাসায় ঢুকতে না ঢুকতেই বাবার চেঁচামেচিতে কানে তালা লেগে গেল।
“ওই হারামজাদার সাহস কত? রাস্তায় সিগারেট খাওয়া শুরু করছে। কয়দিন পরে কী করব কে জানে?”

অয়নকে দেখে তার উত্তেজনা সহস্রগুণ বেড়ে গেল, “এত অমানুষ কেমনে তৈরি হইলি? তোর জন্য আমি কারো কাছে মুখ দেখাইতে পারি না। তোর জন্য আমার মাথা হেট করে চলা লাগে।”

অয়ন এবারো নিস্তেজ, আনোয়ার সাহেব বলেছেন, “কথার উত্তর দে হারামজাদা!”

“উত্তর দিতে হবে কেন? আপনি নিজে বুঝতে পারেন না? আমি একটা মানুষ, আপনার দম দেওয়া রোবট না।”

মা সুফিয়া ত্রস্ত পায়ে এগিয়ে এলেন, হাত ধরে অস্থির গলায় বললেন, “অয়ন তুই তোর ঘরে যা। আর কথা বাড়াস না।”

“তোমার মনে হইসে আমি কথা বাড়াইছি? খালি বুক ফুলায়ে হাঁটার স্বপ্ন দেখলে হয় না। তারজন্য সুযোগ দেয়া লাগে। আপনি সেই সুযোগ দিছেন কোনোদিন?” অয়ন বাবার দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে বলল।

“চুপ থাক অয়ন।” সুফিয়া আরেকবার চেষ্টা করলেন। কিন্তু লাভ হলো না কিছুই। আগুন আগেই লেগে গেছে, অয়নের কথাগুলো তাতে ফুয়েল ঢেলে দিয়েছে। এখন সব জ্বলছে, দাবানল বইছে।

আনোয়ার ছুটে এসে অয়নের গায়ে আজকের দ্বিতীয় চড় মেরে দিলেন।
“আর কী সুযোগ চাস তুই? তোর কোন কমতি রাখছিলাম আমি? বল? আবারও এলোপাতাড়ি মারতে থাকলেন।

রোকেয়া এসে বললেন, “ভাইজান, থামেন। এত বড় ছেলের গায়ে হাত তুলতে নাই। থামেন।”

কিন্তু লাভ হলো না, ঘরটা মুহূর্তে কুরুক্ষেত্রে রূপ নিল। অয়ন আজও কোনো কিছু বলল না। নিশ্চল দাঁড়িয়ে রইল। ছোটচাচা বাসায় ফিরেছেন ততক্ষণে, তিনি পরিস্থিতি সামলে নিলেন। অয়ন আবার বাইরে যাওয়ার জন্য পা বাড়াতেই সুফিয়া ওর হাত ধরে কাতর গলায় বললেন,

“কোথাও যাস না এখন। দয়া করে ঘরে থাক। আমারে একটু শান্তি দে তোরা দুই বাপ-বেটা।”

মায়ের অনুরোধ ফেলতে পারল না, দ্রুত পা চালিয়ে নিজের ঘরে ফিরে এলো। দরজা আটকে পুরো জগত থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার একটুখানি প্রচেষ্টা করল। বিছানায় শুয়ে শুয়ে কতটা সময় গেল অয়ন জানে না, তবে বেশ অনেক ক্ষণ কেটে গেছে। ভেতরের উথাল পাথাল ঢেউয়ে কিছুটা যেন ভাটার টান।

বিছানা থেকে নেমে লুকোনো চাবি বের করে ওর ড্রয়ারটা খুলল, এখানে ওর জীবনের অপ্রাপ্তি গুলো সযত্নে ধরে রেখেছে সে৷ প্রথমেই একটা ডায়েরি রাখা, পাশেই ‘তিন গোয়েন্দা’র একটা ছেঁড়া বই। সেটা বের করে হাতে তুলে নিল। পড়ার মতো অবস্থায় নেই বইটা।

মনে পড়ল তখন সিক্সে পড়ত, ‘তিন গোয়েন্দা’র নেশা ধরে গেল। টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে বাঁচিয়ে একটা করে ভলিউম কিনে আনত। শেষ না করে উঠতে পারত না, কেমন বুঁদ হয়ে যেত। নিজেকেই কিশোর পাশা মনে হতো, মূসা আর রবিনও খুব কাছের। একবার পড়া শেষ হয়নি বলে বইয়ের নিচে লুকিয়েই পড়ছিল, শেষের অল্প কয়েক পৃষ্ঠা তখন বাকি। সেটুকু না জানলে পড়ায় মন বসবে না। কিন্তু বিধি বাম, হুট করে মা চলে এলেন এবং ছেলের কাণ্ড ধরে ফেললেন। বইটা নিয়ে বললেন,

“তুই পড়া বাদ দিয়ে লুকায়ে লুকায়ে গল্পের বই পড়িস কোন সাহসে? কয়দিন পরে তোর প্রথম সাময়িক পরীক্ষা না?”

“মা, একটুখানি বাকি। প্লিজ, দাও না।”

“একদম না। কালকে দিনে পাবি, তার আগে পাবি না।”

“আর পাঁচটা মিনিট দাও। আমি শেষ করে নিজেই দিয়ে আসব, প্লিজ মা।”

মা’য়ের মনোভাব আর জানা হয়নি, কারণ ততক্ষণে বাবা এসে এই কাণ্ড দেখে আগুন হয়ে গেছেন। অয়নের চোখের সামনে বইটা টুকরো টুকরো করে ঝুঁড়িতে ফেলে দেওয়া হওয়া হয়েছিল। তাতেও দুর্ভোগ শেষ হয়নি, ওর জন্য বানিয়ে রাখা বাঁশ দিয়ে তৈরি বেতের আঘাত সহ্য করতে হয়েছিল। টিফিনের টাকা তখন থেকেই কমিয়ে দেয়া শুরু হয়, যাতে টাকা বাঁচিয়ে এসব কিনে উচ্ছন্নে যেতে না পারে!

সেই রাতে একফোঁটা ঘুম হয়নি, মাঝরাতে উঠে গিয়ে ময়লার ঝুঁড়ি থেকে বইটা উদ্ধার করে এনেছিল। কিন্তু পড়তে পারেনি আর, না পড়া অংশগুলো পড়ার উপযুক্ত ছিল না। তবুও সেটা রেখে দিয়েছে সযত্নে, এরপর আর কখনো ‘তিন গোয়েন্দা’ পড়া হয়নি।

পাশে এমন আরও কিছু ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের টুকরো টুকরো অংশ রাখা। সেসব এড়িয়ে চোখ চলে গেল ওর সবচেয়ে বড় স্বপ্নের ধ্বংসাবশেষে। একটা ভাঙা ব্যাটের তিনটা টুকরো।

অয়ন তখন টেনে পড়ে, ময়মনসিংহ জেলা দলে খেলত, পাশাপাশি স্থানীয় একটা ক্লাবের হয়ে খেলত, প্র‍্যাকটিস করত। অনূর্ধ্ব ঊনিশের ডিভিশনাল টিমের জন্য প্রাথমিক তালিকায় নাম এসেছিল জেলা দলের হয়ে নিয়মিত খেলার সুবাদে। নিয়মিত খেলায় সময় দিতে গিয়ে প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় ফিজিক্স আর ম্যাথে ফেইল করে বসল। অনেক কান্নাকাটি করেও সায়েন্স নেয়া আটকাতে পারেনি বাবার জেদের কাছে। নাইন কোনোরকমে উতরে গেছে। তখন বাবাকে হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ করে বলেছিল এরপর পড়াশোনা ঠিক রাখবে, তবুও যেন খেলাটা বাদ না দেওয়ান। তিনি নিমরাজি হয়ে বলেছিলেন,

“আমার ভালো রেজাল্ট দরকার, সেটা মাথায় রাখিস তাহলেই হবে।”

কিন্তু সেবার আর শেষ রক্ষা হয়নি। বিকেলে ক্লাবের মাঠে প্র‍্যাকটিস ম্যাচ খেলছিল, সেই মুহূর্তে বাবা হন্তদন্ত হয়ে এসেছিলেন। অয়ন তখন ব্যাটিংয়ে সাতাশি রানে নট আউট ছিল। দলের সবাই ওর সেঞ্চুরির জন্য অপেক্ষা করছিল, নন-স্ট্রাইক এন্ডে দাঁড়ানো অয়ন বাবাকে এভাবে হুট করে মাঠে ঢুকতে দেখে বিচলিতবোধ করল। কয়েকজন তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও তার রুদ্র মূর্তির সামনে দমে গেল। অয়নের কাছে এসে ওর হাতের ব্যাটটা দিয়ে সেখানেই তিনি দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ওকে পেটাতে লাগলেন। অবশেষে কোচ আর কয়েকজন ক্লাব অফিশিয়ালস মিলে থামাতে সফল হন। ততক্ষণে অয়ন প্রায় নিস্তেজ হয়ে মাঠে পড়েছিল। অনেক জায়গা ফেঁটে রক্ত ঝরছিল, কোথাও ফুলে উঠছিল ক্রমশ।

বাবা অন্ধ আক্রোশে ব্যাটটা ভেঙে ফেলেন, কীভাবে ভেঙেছে সেটা অয়ন দেখেনি। দেখার মতো যথেষ্ট সম্বিতে তখন ছিল না। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি না ফিরে প্রথমেই ক্লাবে এসে ভাঙা টুকরোগুলো সংগ্রহ করে বন্ধুর কাছে রাখতে দিয়েছিল। পরে সংগ্রহ করেছে। সেদিন বাসায় আসার পরে গা কাঁপিয়ে জ্বর আসে। বাবা ক্লাব কর্মকর্তাদের সাথে অনেক হম্বিতম্বি করে আসে, ফলাফল সেখানে আর খেলা হয় না।

ঢাকা ডিভিশনাল টিমের চূড়ান্ত তালিকায় নাম যেদিন এলো সেদিন কতটা খুশি হয়েছিল নিজেও জানি না। কেমন অপার্থিব মনে হচ্ছিল সবকিছু। অনূর্ধ্ব ঊনিশ জাতীয় দল, একাডেমি দল… এভাবে আর কয়েক ধাপ পেরুলেই বাংলাদেশ ন্যাশনাল টিম। স্বপ্ন কতটা কাছে মনে হচ্ছিল! ভেবেছিল এই খুশিটা কিছুটা হলেও বাবাকে স্পর্শ করবে, অন্তত এমন বিশাল সুযোগ হাতছাড়া হোক সেটা তিনি চাইবেন না। কিন্তু সেসব কিছুই হলো না।

“ডিভিশনে চান্স পেয়েই এত কী হয়ে গেল? জাতীয় দল ছাড়া ভবিষ্যত আছে এই ক্যারিয়ারের? একটা পারমানেন্ট ক্যারিয়ারের চিন্তা কর জীবনে। এসএসসির রেজাল্ট দিব কয়দিন পরে, সেইটা কী হব সেই চিন্তা কর।”

সেদিন অয়ন বাবার পায়ে পড়ে হাউমাউ করে কেঁদেছিল যেন খেলার সুযোগটা দেয়। কিন্তু তিনি অনড়। অয়ন মরিয়া হয়ে বলেছিল,

“বাবা, একবার সুযোগ দাও প্লিজ। আমি রেজাল্ট ভালো করে দেখাব তোমাকে।”

তিনি সেদিন কিছু বললেন না, কিন্তু চারদিনের মাথায় এসএসসির রেজাল্ট হলে দেখা গেল ‘ফোর পয়েন্ট টু ফাইভ’ পেয়েছে। এতেই সব রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল।

“একসাথে দুই নৌকায় পা দেয়া যায় না। পড়াশোনা ঠিক মতো কর, এইসব লাফাঙ্গামি বাদ দে। খবরদার, আর কোনোদিন যেন তোরে ক্রিকেটের ধারেপাশে না দেখি। ওইদিন থেকে তুই এই বাসার কেউ থাকবি না।

একটা স্বপ্নের মৃত্যুতে সেদিন ভেঙ্গে পড়েছিল অয়ন, সেটাই ছিল ওর শেষ কান্না। খেলা হয়নি আর কোনোদিন, কিন্তু পড়াও সেভাবে হয়নি আর। ইন্টারমিডিয়েটে আর বাবার কথা শুনেনি, কমার্স নিয়ে পড়েছে। এইচএসসি’র রেজাল্ট মোটামুটি মানের হওয়ায় ভালো কোথাও ভর্তি হতে পারেনি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটা কলেজে ভর্তি হয়েছে, এটা তার বাবার আক্ষেপ। এই আক্ষেপে তাকে পোড়াতে পেরে সে ভীষণ স্বস্তি পায়। নিজের আক্ষেপে কিছুটা বোধহয় প্রলেপ পড়ে৷

ভাঙা ব্যাটটায় হাত বুলায় কখনো কখনো। সেটা যেন নিজেরই হৃদয়ের দগ্ধ লাশ। মৃত মন নিয়ে সৃষ্টিশীল কিছু হয় না কোনোদিন। জীবন্মৃত মনের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকেছিল সেদিনই। সেখানটায় সব বড্ড ধূসর, বিবর্ণ!

সেই বিবর্ণ হয়ে আসা হৃদয়ে এক টুকরো সবুজ উঁকিঝুকি দিতে চায় যেন, কিন্তু অয়নের সাহসে কুলোয় না। ব্যর্থ মানুষকে বোধহয় ব্যর্থতায়ই মানায়, পৃথিবীর সুন্দর কিছু অনুভূতি তাদের মৃত হৃদয়ে জন্মাতে নেই। সেই সতেজ অনুভূতি তবে একসময় ভস্ম হয়ে ঝড়ো বাতাসে ভেসে যাবে!

এখন আর কান্না পায় না কিছুতেই, তবে চোখ দুটো জ্বলছে ভীষণ। আজ বহুদিন পরে অয়নের কাঁদতে ইচ্ছে করছে, কান্নার জলে পৃথিবীটা ভাসিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে! কিন্তু চোখে তো জল নেই! ওর শূন্য হৃদয়ের মতো সেখানেও প্রবল খরা। একফোঁটা বৃষ্টির দেখা নেই সেখানে!
……..
(ক্রমশ)
পেইজের রিচ কমে যাচ্ছে, পাঠকের আগ্রহের সাথে সাথে আমার লেখার উদ্দীপনা নিম্নমুখী হচ্ছে। যারা পড়ছেন তারা আজকের পর্ব কেমন লাগল একটু বলে যান। অবশ্য যদি ভালো লাগে তবেই, খারাপ লাগলে এড়িয়ে যান সমস্যা নেই। আজকের পরে এই বিষয় নিয়ে আর কিছু বলব না। নিজের কাছেই অস্বস্তি লাগে, বলার পরেও সাড়া না পেলে বিব্রতবোধ করি ভীষণ, লজ্জিত হই নিজের কাছেই। এই কথাগুলো যারা কখনো ভালো-মন্দ কিছু বলেন না তাদের জন্য। সবার জন্য নয়। ভালো থাকবেন সবাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here