Home গল্প বিভাগ ভুতরে গল্প ঘটনাটি আমাদের গ্রামের

ঘটনাটি আমাদের গ্রামের

ঘটনাটি আমাদের গ্রামের
★লেখা:নীলা ন্জনা

আমি রফিকুল ইসলাম। আমার বাড়ি দিনাজপুরে। সঙ্গত কারণে আমি গ্রামের নাম বলবনা। আমার গ্রামে একটি পালং গাছ আছে। দেখতে বট গাছের মতোই, কিন্তু জোর থাকেনা। সেই পালং গাছের নিচে এক বৃদ্ধ লোককে স্বর্নের হুক্কা খেতে দেখা যেত। গ্রামের অনেক মানুষই দেখেছে তাকে। কিন্তু সবাই জানে জায়গাটা হনটেড। ওখানে রাতের বেলা তো দুরের কথা, দিনেরবেলা সেখানে যেতে সবাই ভয় পায়। ওই পালং গাছের সাথে এক লোকের জমি ছিল। বিকেল বা সন্ধার দিকে ওই জায়গায় সে প্রায়ই যেত। তো একদিন তিনটা জীন তাকে তিনটা টাকার হাড়ি দেখায়। বলে তুমি যদি আমাদের দলেচলে আস তাহলে তোমাকেএই টাকা গুলো দেব। তো যথা রীতি সেই বেক্তি টাকার লোভে হোক আর এমনি হোক রাজি হয়ে যায়।
তো রাজি হওয়ার পরে তাকে আর জীন গুলো টাকা দেয় না। বিভিন্ন ভাবে আজ না কাল বলে ঘুরাতে থাকে। প্রায় এক মাস লোক টাকে ঘুরায় তারা।
তো লোকটা অবশেষে বিরক্ত হয়ে গ্রামের এক জনের কাছে শেয়ার করে যে কিভাবে আমি এই টাকা ঘুলো আনব ? এবং একটা জিনিস বলে রাখি লোকটা যখন জোর করে টাকার হাড়ি আনতেযেত তখন হাড়ি গুলো মাটির নিচে তলিয়ে যেত। সে কোন অবস্থাতেই টাকাগুলোআনতে পারতনা ।
গ্রামের লোকটা এডভাইজ দিলো যে, তুমি একটা কাজ কর, তুমি তিনটা গরুর হাড়সাথে নিয়ে যাবে। যদিতোমাকে টাকা দিতে নাচায় তাহলে তুমি হাড়িতিনটির উপরে গরুর হাড় ( হাড্ডি ) রেখে দিবে।
তো সেদিন সে টাকার হারি আনতে গেল। দুটিজীন রাজি হচ্ছিল, কিন্তু একটা জীন কিছুতেই রাজি হচ্ছিলনা। সে লোকটা কাপর থেকে হাড় তিনটিবের করে যথা রীতি হারি গুলুর উপরে রেখে দিল।
এইবার আগের বারের মতহারি গুলো নিচে তলিয়ে গেলনা। শুধু কাপতে থাকলো এবং জীনতিনটা গায়েব হয়ে গেল।
তো সে যথা রীতি আরাম করে হাড়ি তিনটি উঠিয়ে নিয়ে আসে এবং একটি ঝুপের ভিতর লুকিয়ে রাখে এবং বাড়ী চলে যায়। এরপর রাতে তিনি সেখানে আসে এবং হারি তিনটি নিয়ে নিজের ঘরের খাটের নিচে পুতে রাখে এবং তার স্ত্রীকে বলে জায়গাটা সুন্দর করে ভরাট করেদাও যেন কেও বুঝতে না পারে।
এরপরেরদিন একটি ঘটনা ঘটে। সেই লোকটাকোনো কারণে পাগল হয়েযায়। তখন গ্রাম বাসীতাকে সুস্থ্য করার জন্য একজন হজুর নিয়েআসে। তো সেই হজুরের একটা বিশেষ্য ছিল যেতার দুটি স্ত্রী ছিল। একটি স্ত্রী ছিল মানুষ। আর একটি ছিল জীনদের মেয়ে।
যথা রীতি সেই হজুর চলে আসে এসে একটি বালতি ( পনি রাখার পাত্র ) নেয়। সেই বালটিতে কিছু পানি নেয় এবং…

এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি মাসে জিতে নিন নগদ টাকা এবং বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

গল্পপোকার এবারের আয়োজন
ধারাবাহিক গল্প প্রতিযোগিতা

◆লেখক ৬ জন পাবে ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা
◆পাঠক ২ জন পাবে ৫০০ টাকা করে ১০০০ টাকা।

আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/?ref=share

যথা রীতি সেই হজুর চলে আসে এসে একটি বালতি ( পনি রাখার পাত্র ) নেয়। সেই বালটিতে কিছু পানি নেয় এবং গ্রাম থেকে একজন লোক নেয়। সে লোকের ভালো করে চোখ বেধে বলে সেই পানিতেতাকাও। লোকটি চোখ বাধা অবস্থায় পানিতে তাকায়, আর তিনি সব দেখতে থাকে এবং সব বলে দেয় যে কিঘটেছিল।
তার পরে সেই হজুর বলে আপনারা কি কেও টাকা এনেছেন জীনের কাছ থেকে ? তখন তার স্ত্রী বলে যে আমরা টাকা আনিনি, অর্থাৎ সে অসীকার করে।
তখন গ্রামবাসী মনে করে হয়ত হজুরটা মিথ্যা বলছে। তো যাইহোক তখন সেই হজুরবলে আপনারা যদি আমাকে বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনারা দশ জন আসেন।
আপনারা যদি এই বালতিটা উচা করতে পারেন তাহলে বুঝবেন আমি মিথ্যা বলছি। তোযথা রীতি দশ জন আসে বালটির ভিতরে বাশ ঢুকিয়ে দশ জনে উঠানোর চেষ্টা করে, কিন্তু উঠাতে পারেনা।
তখন হজুর বলে আমি সেই জীন গুলো ধরতে চেষ্টা করতেছি। হয়ত আমি জীনদের ধরতে পারবনা। তখন দেখা গেল ঘরের ভিতরে অনেককিছু ছিল, যেমন ধান আরো কিছু জিনিস পত্রউড়ে উড়ে বাহিরে পড়তেছে একটি নির্দিষ্ট জায়গার ভিতরে।
অবশেসে ঘরটা শান্ত হয়ে গেল। তখন হজুর বললো, আমি ঘরটা শান্ত করে দিয়েছি। কিন্তু টাকা ফিরত দেয়া না পর্যন্ত ওরাছাড়বেনা। যদি টাকা নিয়ে থাকেন ফিরত দেন। এরপর হজুর কে বিদেয় দেয়া হলো
হজুরকে বিদায় দেয়ার পরে ওই লোকটা সম্পূর্ণ রূপে পাগল। লোকটির স্ত্রী কিছু কিছু টাকা নিয়ে গ্রামে জমি কিনতে থাকে।
তখন গ্রামে মানুষ তাকে বলে তোমরা হত দরিদ্র, তোমরা জমি কেনার টাকা পাও কোথায়? তখন লোকটির স্ত্রী বলে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে, আরো আত্মীয় সজনের কাছ থেকে ধার নিয়ে জমি কিনলাম।
তারা রাতা রাতি অনেকবড়লোক হয়ে যায়।
সেই পাগল থাকা লোকটিবাড়ির বাহিরে দড়ি দিয়ে বাধা ছিল। উত্তর অঞ্চলে যারা ছিলেন তারা হয়ত জানেন সেই খানে বৃষ্টির সময় উপর থেকে গোল্ডেন কালারে সাপ পরে। গাছথেকেই হোক বা যেখান থেকেই হোক সাপ গুলো বিষাক্ত, কিন্তু কাওকে সে ছুবল দেয়না।
সেই লোকটা যখন বাধা ছিল তখন একটা সাপ উপর থেকে পরতেছিল। সেই লোকটা তখন বাধন ছিড়ে গিয়ে দৌড় দিয়ে একটা সাপ মাথা ছিড়ে পুরোটা খেয়ে ফেলে।
এর একসপ্তাহ পরে লোকটি মারা যায়।
অনেকের ধারনা যে লোকটিকে সেই গাছ তলাতে হুকা খেতে দেখা যায় সে আর কেউ নয়, সে ওই পাগল লোকটিই।

গল্পের শহর
গল্পের শহরhttps://golpershohor.com
গল্পের শহরে আপনাকে স্বাগতম......... গল্পপোকা ডট কম কতৃক সৃষ্ট গল্পের অনলাইন প্লাটফরম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

ভাবি যখন বউ পর্ব ১৫ ও শেষ

গল্পঃ ভাবি যখন বউ পর্ব ১৫ ও শেষ (জুয়েল) (১৪তম পর্বের পর থেকে) আমি গিয়ে অবন্তীর পাশে বসলাম। অবন্তী আমার কানের কাছে ওর মুখ এনে বললো.... অবন্তীঃ...

ভাবি যখন বউ পর্ব ১৪|রোমান্টিক ভালোবাসার নতুন গল্প

গল্পঃ ভাবি যখন বউ পর্ব ১৪ (জুয়েল) (১৩তম পর্বের পর থেকে) বিকালবেলা অবন্তীকে কল দিলাম, কিছুক্ষণ পর অবন্তী কল ধরলো.... আমিঃ ওই কল ধরতে এতো দেরি করো...

ভাবি যখন বউ পর্ব ১৩|ভালোবাসার রোমান্টিক নতুন গল্প

গল্পঃ ভাবি যখন বউ পর্ব ১৩ (জুয়েল) (১২তম পর্বের পর থেকে) লিমা আমার ডেস্ক থেকে চলে গেলো। আমি অবন্তীকে কল দিলাম। কল দিয়ে কথাটা বললাম, অবন্তী শুনেই...

ভাবি যখন বউ পর্ব ১২

গল্পঃ ভাবি যখন বউ পর্ব ১২ (জুয়েল) (১১তম পর্বের পর থেকে) ৩০ মিনিট পর অবন্তীদের বাসায় গেলাম, কলিং বেল চাপ দিলাম। কিছুক্ষণ পর দরজা খুলে দেয়। তাকিয়ে...

Recent Comments

Mohima akter on Ek The Vampire 18
error: ©গল্পেরশহর ডট কম