তুমি_বৃষ্টি_হয়ে_নামলে পর্ব_৬

0
1547

তুমি_বৃষ্টি_হয়ে_নামলে
পর্ব_৬
#Writer_Nusrat_Jahan_Sara

অনু আরুহির দিকে যাচ্ছিলো হঠাৎ শাড়ির আঁচলে টান অনুভব করে পিছনে তাকিয়ে দেখলো আবির ওর শাড়ির আঁচল ধরে রেখেছে৷ অনুর রাগ এবার সপ্তম আকাশে৷ রেগে তেড়ে গেলো আবিরের দিকে৷

অনুঃএক্সকিউজ মি!যখন আমাকে আজেবাজে কথা শুনান তখন কিচ্ছুনা আর এখন যে আমার শাড়ির আঁচল টেনে ধরেছেন সেই বেলায়৷
.
আবির ওর হাতের দিকে তাকিয়ে দেখলো ওর হাতের ঘড়ির সাথে অনুর আঁচল আটকে আছে৷

আবিরঃআমি তোমাকে আগেও বলেছি আর এখনও বলছি যে তুমি আমাকে যতটা নোংরা মনে করো আমি ততটা নোংরা না।যদিও তোমার কাছে আমি অলওয়েজ নোংরা৷
.
দেখুন বেশি কথা বলবেন না৷ আপনি আমার শাড়ির টেনে ধরেছেন৷ ভালো করে তাকিয়ে দেখুন৷
.
আমি দেখেছি কিন্তু মনে হয়না তুমি ভালো করে দেখেছো৷
.
অনু আবিরের কথা শুনে ওর হাতের দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখলো শাড়ির আঁচল ঘড়িতে আঁটকে আছে৷
আবির অনুর আঁচল ওর ঘড়ি থেকে সরিয়ে সেখান থেকে চলে গেলো৷

অনুঃধুর!!আমি সবসময়ই আবিরকে ভুল বুঝি৷ ভালো করে যাচাই বাচাই না করেই ওর উপরে দোষ চাপিয়ে দেই৷
🍁
আবিরের মামা থেকে যাওয়ার জন্য ওদেরকে খুব রিকোয়েস্ট করেছেন কিন্তু আবিরের বরাবর উত্তর সে থাকবেনা৷ তাই আবিরের জেদের কাছে হার মেনে সবাইকে চলে আসতে হলো৷ অনু গাড়ির পাশে গিয়ে দেখলো এখনও তার জন্য আবিরের পাশের সিটটাই বরাদ্দ রয়েছে৷ অনু ব্যাক সিটে একবার চোখ বুলিয়ে দেখলো ভালো করে৷ শ্রাবন ওকে ইশারায় আবিরের পাশে বসতে বলছে৷অনেক্ষন হয়ে গেছে অনু গাড়ির দরজা খুলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নখ কামড়াচ্ছে৷ আবির রেগে জোড়ে গালির হর্ন বাজালো৷ অনু বুকে ফু দিয়ে তারাতাড়ি গাড়িতে উঠে বসলো৷

গাড়ি চলছে তার আপন গতিতে৷ অনু মাথা বের করে বাইরে তাকিয়ে আছে৷ চারিদিকে অন্ধকার নেমে আসছে৷ একে একে গ্রামের ছোট ছোট ঘরগুলে আলোতে ভরে উঠছে৷ চারিদিকে সবুজ শ্যামল গাছপালা বাতাসে নরছে৷ মৃদু বাতাসের তালে তালে অনুর চুলও উরছে৷ আবির একবার অনুর দিকে তাকিয়ে ড্রাইভিংয়ে মন দিলো৷

ছোঁয়া আর আরুহি গাড়িতে উঠে কিছুক্ষনের মধ্যেই ঘুমিয়ে গেলো৷সামান্তা মন খারাপ করে বসে আছে সাথে অরিজিৎ সিংয়ের স্যাড সং শুনছে৷

আদনানঃকী হয়েছে তোর বলতো সামু৷গাড়িতে বসার পর থেকে দেখছি মন খারাপ করে বসে আছিস আবার এখন অরিজিৎ সিংয়ের ফেমাস স্যাড সংও শুনছিস কী ব্যাপার হুম৷
.
সামান্তাঃআমাকে নিয়ে তোমাকে এত ভাবতে হবে না।আমারটা আমি নিজেই ভেবে নিবো৷ আমার মন চাইছে তাই আমি স্যাড সং শুনছি তোমার কোনো সমস্যা?৷
.
আদনানঃনা না আমার কোনো সমস্যা নেই তুই গান শুন৷
.
এদের ঝগড়ার মধ্যেই হঠাৎ জোড়ে ব্রেক কষে গাড়ি থেমে গেলো।সবাই ভেবেছে সামান্তা আর আদনানের ঝগড়ার কারনে আবির রেগে গাড়ি চালানো বন্ধ করে দিয়েছে৷
সামন্তা কাঁপা কাঁপা গলায় বললো,,,,

সামান্তাঃকী হয়েছে ভাই গাড়ি থামালে যে?
.
আবিরঃআই ডোন্ট নো সামু নেমে দেখতে হবে৷
.
আবির ওর ফোনের ফ্ল্যাশ অন করে গাড়ি চেক করলো৷ না গাড়িতে কোনো প্রবলেম হয়নি৷ গাড়ির চাকা চেক করতেই দেখলো সামনের একটা চাকাতে লোহা ঢুকে গেছে যে কারনে চাকা লিক হয়ে গেছে৷

আবিরঃড্যাম ইট৷
.
আদিলঃকী হইসে আবির৷
.
আবিরঃগাড়ির চাকা লিক হয়ে গেছে৷
.
সামান্তা আরুহি আর ছোঁয়াকে ডাক দিলো৷

সামান্তাঃওই ঘুম থেকে উঠ তোরা আজ কীভাবে বাড়ি যাবি সেটা ভাব৷
.
আরুহিঃকেনো গাড়ির আবার কী হয়েছে৷
.
সামান্তাঃগাড়ির চাকা লিক হয় গেছে৷
.
ছোঁয়াঃওই মাই গড এখন কী হবে৷
.
শ্রাবনঃদাঁড়া দেখছি বাবাকে কল করে৷কোনো গাড়ি পাঠানো যায় কী না?

শ্রাবন ওর বাবাকে ফোন দিলো কিন্তু ফোন যাচ্ছেনা৷ নেটওয়ার্ক চেক করে দেখলো নেটের চিহ্ন পর্যন্ত নেই৷

শ্রাবনঃধুর নেটও নাই৷
.
আবির অনুর দিকে তাকিয়ে দেখলো তার মধ্যে কোনো ভাবান্তরই নেই৷এখনও জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে৷

সামান্তাঃঅনু কী করছিস৷
.
অনুঃকী করবো আবার ন্যাচার দেখছি৷
.
অনেক্ষন হয়ে গেছে সবাই চুপচাপ বসে আছে৷ ছোঁয়া নিরবতা ভেঙে বললো,,

ছোঁয়াঃভাইয়া আমার খুব খিদে পেয়েছে৷
.
সামান্তাঃআামারও৷
.
আরুহিঃআমারও৷
.
অনুঃএক কাজ করি চলো গাড়িতে বসে না থেকে এগিয়ে গিয়ে দেখি কোনো দোকান বা দাবা পাই কী না৷
.
শ্রাবনঃহুম ঠিক বলেছিস৷ আকাশে মেঘে গর্জন করছে যেকোন সময় বৃষ্টি চলে আসতে পারে৷যা করার তারাতাড়ি করতে হবে৷
.
ছোঁয়াঃকেন যে এত দূর আসতে গেলাম আসতে যেতেই দশ ঘন্টা তার মধ্যে আবার গ্রামে৷ খুন করে ফেলে রেখে গেলে ওতো কেউ টের পাবেনা৷
.
আরুহিঃদিলি তো ভয় পাইয়ে৷
.
ছোঁয়াঃএই দেখ গাড়িটা আবার তেঁতুল গাছের নিচে এসে নষ্ট হয়েছে এরমানে বুঝতে পারছিস
.
সামান্তাঃকী
.
ছোঁয়াঃএই তেঁতুল গাছে ভুত আছে৷ আর ভুত গাড়িটা নষ্ট করেছে৷ এখন আমাদের সবাইকে মারবে তারপর আমরা সবাই মরে ওই তেঁতুল গাছে পেত্নি হয়ে ঝুলে থাকবো আর মানুষকে ভয় দেখাবো৷ হিহিহি৷
.
শ্রাবনঃতোর মরার শখ বেশি হইসে গিয়ে তুই মর৷ চল তোকে তেঁতুল গাছের নিচে রেখে দিয়ে আসি৷
.
ছোঁয়াঃআরে কই যাইতাম৷ আমি কোনাক্ষানো যাইতাম না আমি ডরাই৷
.
শ্রাবনঃওরে সিলেটি৷
.
আদিলঃসিলেটির আর দেখলে কী৷আরও অনেক কিছু দেখার বাকি আছে৷
.
আবিরঃতোরা ভাব কম দেখা আর গাড়ি থেকে নাম৷
.
ওরা আটজন গাড়ি থেকে নেমে কিছুটা সামনে এগিয়ে গেলো৷ একটু দূরেই একটা বাড়িতে লাইট জ্বলছে৷ আদিলরা সেই বাড়ির দিকে এগিয়ে গেলো৷ কোনো সাহায্য পাওয়া যায় কী না সেই আশায়

আদনান আদিলদের এক জায়গায় দাঁড় করিয়ে বাড়িতে গেলো।বাড়ির বারান্দায় একজন মধ্য বয়স্ক লোক একটা বেতের চেয়ারে বসে আছে৷ আদনান উনাকে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলো খাবার পাওয়া যায় এমন কোনো দোকান বা দাবা আছে কী না৷
উনি বললেন এখান থেকেই কিছুটা দূরে ডানে গিয়ে বামে একটা ছোটখাটো দাবা আছে সেখানে চা নাস্তা পাওয়া যায়৷ আদনান উনাকে ধন্যবাদ দিয়ে নিজেই দাবায় গেলো৷ দাবায় খাওয়ার মতো শুধু চা আর সিংগাড়াই আছে৷ আদনান একটা আধা লিটারের বোতলে চা নিলো আর আটটা নয়টা সিংগারা নিলো কাগজ মুড়ি দিয়ে৷ সাথে নিলো কয়েকটা ওয়ান টাইম গ্লাস৷

সবাই আবার ইউ টার্ন দিয়ে হাঁটতে লাগলো৷ তার মধ্যেই ঝিরিঝিরি করে বৃষ্টি পরা শুরু হলো৷ আস্তে আস্তে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি মুষলধারে বৃষ্টিতে রুপ ধারন করলো৷ সামান্তা,ছোঁয়া,অনু আর অারুহি ওরা মাথায় আঁচল দিয়ে দৌড়াতে লাগলো৷ সাবাই এক প্রকার দৌড়ে গাড়িতে উঠে গেছে অনুও উঠতে যাবে তার আগেই গাছের শিকরে হোঁচট খেয়ে পরে গেলো৷ পাও মুচড়ে গেছে৷ অনু পা ধরে বসে আছে৷ ভিজেও গেছে খানিকটা৷ আদনান অনুকে টেনে তুলে সিটে বসিয়ে দিলো৷

অনুঃভাইয়া আমি ভিজে গেছি খুব ঠান্ডা লাগছে৷
.
আদিল অনুর কথা শুনে ওর গা থেকে শার্ট খুলে দিলো৷

আদিলঃআাপাতত এটা দিয়েই ডেকে বসে থাক ঠান্ডা কম লাগবে৷ আদনান চা দে যদি চা খেলে বোনের একটু ঠান্ডা কমে৷
.
আদনান সবাইকে ওয়ান টাইম গ্লাস করে চা দিলো৷ সাথে সিংগাড়া৷

আদনানঃখাওয়ার মতো শুধু এগুলোই ছিলো৷
.
আদিলঃকিন্তু পানি কোথায় পাবো৷
.
আবিরঃগাড়ির পিছনে পানির বোতল রাখা আছে৷
.
শ্রাবনঃতাহলে তো আবার গাড়ির পিছন খুলতে হবে৷

শ্রাবন গাড়ি থেকে নেমে পানির বোতল আনতে গিয়ে দেখলো একটা চাকাও আছে৷

শ্রাবনঃআবির ভাইয়া পিছনে তো একটা চাকাও আছে৷
.
আবিরঃতাই৷ তাহলে তো ভালোই৷ লাগিয়ে দেখতো৷
.
শ্রাবন গাড়ির চাকা লাগিয়ে আগের চাকাটা আবার গারির পিছনে রেখে দিলো৷

শ্রাবনঃএবার স্টার্ট দাও৷
.
আবির গাড়ি স্টার্ট দিলো কত সুন্দর করে এখন গাড়ি চলছে৷ অনুর ঠান্ডা এবার ভেরে গেলো৷ সামনে বসার কারনে বাতাসটা বেশি লাগছে৷তারমধ্যে আবার প্রচন্ড ঘুমও পেয়েছে৷ আদিল অনুকে ঝিমুতে দেখে আবিরকে গাড়ি থামাতে বললো,,

আবিরঃকী হয়েছে৷
.
আদিলঃতুই ব্যাক সিটে আয় আমি ড্রাইভিং করছি৷
.
কিন্তু কেন?
.
আয়৷ তুই এতক্ষণ ধরে ড্রাইভিং করছিস৷
.
যাক কেউ তাহলে অন্তত আমার দরদ বুঝলো৷
.
আবির ব্যাক সিটে এসে বসলো আর আদিল ড্রাইভিং সিটে৷
অনু কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুমিয়ে গেলো৷ আদিল আলতো করে অনুর মাথা ওর কাঁধে এনে রাখলো৷ আবিরের কাছে এবার স্পষ্ট আদিল কেন ড্রাইভিং সিটে বসছে৷

আরুহি,সামান্তা, ছোঁয়া একটা একটার ঘাড়ে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে৷ আর আবিররাও ঝিমুচ্ছে৷

প্রায় তিন ঘন্টা পর ওরা এসে বাসায় পৌঁছালো৷অনু পায়ে ব্যাথার জন্য হাঁটতে পারছেনা তখন পা মুচড়ে গেছিলো তাই৷ আদিল অনুর কাছে এসে ওকে পাঁজা কোলে তুলে নিলো৷
.
ছোঁয়াঃভাইয়া তুমি শুধু অনুকে আদর কর আমাকে কেন করোনা৷
.
আদনানঃওরে আমার বোন রে৷
.
আদনানও ছোঁয়ার কাছে এসে ওকে কোলে তুলে নিলো৷

আদনানঃএখন ঠিকাছে৷
.
ছোঁয়াঃহিহিহি একদম৷

আদনান আর আদিল ওদের দুবোনকে কোলে করে বাসায় ঢুকলো৷ ড্রয়িংরুমে ওদের মা বাবা সবাই বসে আছেন৷ অনু আর ছোঁয়াকে কেলে দেখে ওদের মা বাবা খুব ঘাবড়ে গেলেন৷
.
মাঃকী হয়েছে ওদের
.
আদিলঃমা তোমার মেয়ে অনুর পা মুচড়ে গেছে হাঁটতে পারছিলনা তাই ওকে কোলে নিয়েছিলাম এখন তোমার ছোট মেয়ের মন্তব্য হলো তাকে নাকি কেউ ভালোবাসে না৷ তাই আদনানও ওকে কোলে নিয়েছে৷
.
আবিরের মাঃবাহ রুমানা তোর ছেলেগুলো কিন্তু তাদের বোনকে খুব ভালোবাসে৷
.
আদনানঃভালোবাসব না৷ আমাদের দুইবোন আমাদের দুই ভাইয়ের চোখের মনি৷
.
সামান্তাঃহ্যাঁ দেখোনা আমরা তে গাঙ্গের জলে ভেসে ভেসে আসছি৷ দুই ভাই থেকে একটা ভাইয়েরও আমাদের দুইবোনের দিকে নজর পরেনা৷
.
শ্রাবনঃপরে কোলে নিব এখন না একেবারে বিয়ের সময়৷কোলে করে গাড়িতে দিয়ে আসবো৷
.
আরুহিঃলিসেন বিয়ের সময় কোলে নিতে হবেনা আমরা নিজেই হেঁটে যেতে পারব৷
.
অনুর মাঃএই তোরা কী শুরু করেছিস যা গিয়ে চেঞ্জ করে এসে ডিনার কর৷
🍁
রাত সাড়ে বারোটা৷ অনু একের পর এক হাঁচি দিয়ে যাচ্ছে৷ কিছুক্ষণ পর আদনান হাতে করে কয়েকপাতা মেডিসিন নিয়ে এলো৷

আদনানঃবোন এগুলো খা দেখিস বেটার ফিল করবি৷
.
অনু ছলছল চোখে ওর ভাইয়ের দিকে তাকালো৷ খুব ভালোবাসে ওর ভাইরা ওকে৷ অনু আদনানক হাল্কা করে জড়িয়ে ধরলো৷ আদনানও বোনের মাথায় একটা চুমু দিয়ে চলে গেলো৷ আদনান চলে যাওয়ার পরই আদিল হাতে করে চা নিয়ে এলো৷
.
চা কেন বাইয়া
.
আদিলঃচুপ কোনো কথা না৷ আদা দিয়ে কড়া কড়ে চা বানিয়ে এনেছি৷ তুই না আমার হাতের চা খেতে খুব ভালোবাসিস তাহলে এবাট চুপটি করে চা খেয়ে তারপর মেডিসিন খেয়ে শুয়ে পরবি কেমন৷
.
ভাইয়া৷ আসলেই তোমরা খুব ভালো খুব কেয়ারিং৷ তোমাদের মতো ভাই যাতে সবার হয়৷ খুব গর্বিত আমি তোমাদের মতো ভাই পেয়ে৷
.
পাগলি একটা৷
.
আদিল অনুর কপালে একটা চুমু দিয়ে চলে গেলো৷

সামান্তাঃআমার কিন্তু এবার হিংসে হচ্ছে৷
.
কেন৷
.
তোর ভাইরা তোকে কত ভালোবাসে আর আমার ভাইয়েরা৷
.
তোর ভাইয়ারাও তোদেরকে খুব ভালোবাসে কিন্তু আমার ভাইদের মতো প্রকাশ করতে পারেনা৷ চল শুয়ে পর৷

[গল্পটা কী আপনাদের ভালো লাগছেনা৷ কমেন্ট আসে ২৫০+, ৩০০+ কিন্তু গঠনমূলক মন্তব্য মাত্র দুইটা তিনটা।অন্যদের পোস্টে বড় বড় গঠনমূলক মন্তব্যে ভরপুর থাকে৷ আমি কী এতই খারাপ লিখি আমিও কী আপনাদের কাছ থেকে গঠনমূলক মন্তব্য আশা করতে পারিনা😔😔]

চলবে…….

আগের পর্ব https://www.facebook.com/groups/1099991637091029/permalink/1117738821982977/?app=fbl

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here