মনের অন্তরালে পর্ব -০৩

0
43

#গল্পের_নাম_মনের_অন্তরালে
#লেখনীতে_Alisha_Rahman_Fiza
পর্বঃ৩
প্রহেলী নিজেকে শক্ত রেখে পিছন ফিরে কয়েক কদম এগিয়ে প্রলয়ের দিকে শান্ত চোখে তাকালো।প্রলয় এই চাহনির মানে বুঝলো না প্রহেলী কী পাথর হয়ে গেছে নিজ বাবার কথা শুনেও কিছু বলছে না?
প্রহলী শান্ত কন্ঠে বললো,
~জানেন প্রলয়, মানুষ কখন অন্যের ঘরে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে যখন তার নিজ ঘরেই আগুনের গোলা নিক্ষিপ্ত হয়।এখন আপনিও সেই কাজ করছেন নিজের ঘরে কোনো শান্তি নেই তাই আমার ঘরে অশান্তি করতে এসেছেন।আমার বাবা আমার সাথে যা মন চায় তাই করবে বাহিরের মানুষ তাতে নাক গলালে নাক কেটে রাস্তার কুকুরকে দিয়ে দিবো।Got it?
প্রহেলী আর এক সেকেন্ডও সেখানে দাড়ালো না নিজ গন্তব্যে চলে গেলো এই সকল লোককে তার চেনা আছে অন্যের ঘরে আগুন লাগানোই তাদের কাজ।
প্রলয় এখনো সেখানেই দাড়িয়ে আছে প্রহেলী তাকে অনেক কড়া কথাই শুনিয়ে গেছে মন চাইছে এখনই গিয়ে তাকে নাহ আর ভাবতে পারলো না প্রলয় সে গাড়িতে বসে সীটে হেলান চোখ বন্ধ করে বললো,
~তোমার বাবা যে কী কীর্তি করেছে তা জানতে পারলে তোমার বিয়েটাও ভেঙ্গে যাবে।তুমি নিজেই ভেঙ্গে দিবে
প্রলয় বাঁকা হেসে গাড়ি স্টার্ট দিলো কাজ এখনো অনেক বাকি।
পরশ অফিস রুমে বসে কাজ করছে প্রজেক্ট এখন মাথায় চড়ে বসেছে এতোদিনের আশা এই প্রজেক্ট। পরশ ফাইো চেক করছে হঠাৎ দরজায় কেউ কড়া নাড়লো পরশ ফাইলের দিকে তাকিয়ে বললো,
~এসে পরেন।
দরজা ঠেলে রুমে ডুকলেন আমরুল সিকদার পরশ ফাইল থেকে মাথা উঠিয়ে তাকে আপাদমস্তক দেখে আবার ফাইলে মনোযোগ দিলেন।আমরুল সিকদার নিজ থেকেই চেয়ারে বসে বললেন,
~তোমরা বিয়ে কবে করবে?
পরশ হাতের ফাইলটা টেবিলে রেখে বললো,
~যখন প্রহেলী চাইবে।
আমরুল সিকদার মুখ কুচকিয়ে বললেন,
~এই মেয়ের যন্ত্রণা আমি সহ্য করতে পারছিন।যত দ্রুত সম্ভব বিয়ে শেষ করে ফেলো আর আমার জিনিস আমাকে বুঝিয়ে দেও।
পরশ চেয়ার ছেড়ে উঠে দাড়ালো পানির গ্লাস থেকে কিছু পানি পান করে আমরুল সিকদারকে বললো,
~নয়না,মাহিন যেমন আপনার সন্তান তেমনি প্রহেলীও আপনার সন্তান তার সাথে এই আচরণ কেন?
আমরুল সিকদার রেগে গিয়ে বললেন,
~এইসব ভিত্তিহীন কথা আমাকে শোনাবে না আমি তোমার জন্যই চুপ আছে নাহলে সেই মেয়েকে তো
আমরুল সিকদার কথা শেষ করলেন না পরশ বললো,
~প্রহেলীর কিছু হলে সব কিছু থেকে আপনাকে শেষ করে দিবো।মনে থাকে যেন কথাটা
আমরুল সিকদার বললেন,
~তোমার কথা আমার শুনতে ইচ্ছা করে না কেমন পুরুষ তুমি একটা মেয়ের জন্য এমন করছো?আরে মেয়ের কী অভাব আছে নাকি?
পরশ বললো,
~আপনিও কেমন পুরুষ বলেন ঘরে বউ রেখে অন্য নারীতে এখনো মত্ত হোন।আপনার স্ত্রী মারিয়া সিকদার এই খবর রাখে তো?
আমরুল সিকদার চুপ হয়ে গেলেন সে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাড়ালো তারপর বললো,
~আজ আসি আর আমার কথা মাথায় রাখবে।
আমরুল সিকদার চলে যেতেই পরশ তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে বাঁকা হেসে বললো,
~যার নিজের ঘর কাঁচের হয় তাকে অন্যের ঘরে পাথর মারতে নেই সেই পাথর নিজ ঘরে গিয়েই পরে।

_______________

প্রহেলী ভার্সিটির লাইব্রেরিতে বসে আছে অনেক কাজ তার জমা হয়ে গেছে এগুলো সময়ের মধ্যে টিচারদের কাছে জমা দিতে হবে নাহলে পরীক্ষায় লাল দাগ হাজির হবে।প্রহেলী নিজ কাজে ব্যস্ত তখনই তার পাশের চেয়ারে এসে বসে পরলো ফারিহা।প্রহেলী একবার তার দিকে তাকিয়ে বললো,
~হয়েছে কী?
ফারিহা বললো,
~১সপ্তাহ তোর কোনো খোজ নেই ব্যাপার টা কী?
প্রহেলী হাতের কলম টা রেখে বললো,
~বাসায় কাজ ছিল।
ফারিহা বললো,
~তোর প্রতিবারের সেই এক কথা।আচ্ছা শোন ফারহান আমাকে প্রপোজ করেছে।
প্রহেলী বললো,
~ওই ছেলে প্রতি সপ্তাহে একটা মেয়েকে প্রপোজ করে এতে নতুন কী?
ফারিহা বললো,
~ধূর মাইয়া আমি ওর real love.
প্রহেলী হো হো করে হেসে উঠলো তার হাসি দেখে ফারিহা বললো,
~হাসবি না দোস্ত সত্যি সে আমাকে বলেছে।
প্রহেলী হাসি থামিয়ে বললো,
~দোস্ত সিরিয়াস ভাবে বলছি এসব ফাঁদে পা দিবি না দূরে থাক।
ফারিহা বললো,
~তোর জন্য আবারো আমি সিংগেল রয়ে গেলাম।তুই পোলা খুইজা দে নিজে তো পরশ ভাইয়ের মতো হ্যান্ডসাম পোলা নিয়া ঘুরতাসোস।
ফারিহার কথা শুনে প্রহেলী বললো,
~একদম পরশকে টানবিনা আর পরশকে হ্যান্ডসাম বলার অধিকার শুধু আমার আর কারো নয়।
ফারিহা মুখ বাঁকিয়ে বললো,
~তোর কথা শুনে মরে যেতে মন চাইছে।
প্রহেলী ভাবলেশহীন ভাবে বললো,
~তাহলে মরে যা।আচ্ছা আমার সাথে আজ একটু শপিংয়ে চলবি পরশের জন্য গিফট আনতে যাবো ওনার birthday আগামীকাল।
ফারিহা বললো,
~পারতাম না তোর জামাই তুই যা।
প্রহেলী বললো,
~ফুচকা খাওয়াবো যাবি?
ফারিহা কিছুক্ষণ ভেবে বললো,
~আইসক্রিমও খামু।
প্রহেলী হেসে বললো,
~অবশ্যই।
দুই বান্ধবী সব ক্লাস শেষ করে ভার্সিটি থেকে বের হয়ে আসলো মেইন গেইটের সামনে এসে ফারিহা থেমে গেলো।প্রহেলী তার কান্ড দেখে বললো,
~আবার কার উপর ক্রাস খেলি তুই?
ফারিহা প্রহেলীর দিকে তাকিয়ে বললো,
~পাবলিক প্লেস না হইলে তোর চুল টাইনা শাক রাইন্ধা খাইতাম।তোর জামাই আইসল ওই দেখ গাড়ির লগে ফুল লুক লয়া দাড়ায়া আসে।
প্রহেলী সামনে তাকিয়ে দেখলো আসলেই পরশ গাড়ির সাথে হেলান দিয়প দাড়িয়ে আছে। প্রহেলী বললো,
~তাহলে চল এখানে দাড়িয়ে আছিস কেন?
ফারিহা বললো,
~কাবাব মে হাড্ডি হইতে পারুম না।
প্রহেলী ফারিহার হাত ধরে টেনে হিচরে বাহিরে এসে পরশের কাছে চলে যায়।পরশ প্রহেলীকে দেখে সোজা হয়ে দাড়িয়ে পরলো।পরশ বললো,
~প্রহেলী, বাসায় যাচ্ছো নাকি অন্য কোথাও?
ফারিহা মুখ ফসকে বলে উঠলো,
~আরে ভাই আপনার জন্যই তো গিফট নিতে যাচ্ছিলো।
এতটুকু বলে সে নিজেই বোকা বনে যায় তারপর প্রহেলীর দিকপ তাকিয়ে দেখে সে কটমট করে তাকিয়ে আছে।ফারিহা মুখে আঙ্গুল দিয়ে বললো,
~আমি কিছু বলিনি আর পরশ ভাই আপনিও কিছু শুনেন নি।
পরশ আলতো হেসে বললো,
~আমি কিছু শুনিনি don’t worry শালী সাহেবা। প্রহেলী বললো,
~শপিং মলে যাচ্ছি এখন আপনিও চলেন আপনার পছন্দেই গিফটটা কিনে নিয়ে আসি।
পরশ বললো,
~যেটা আপনার হুকুম।
পরশ,প্রহেলী আর ফারিহা রওনা দিলো শপিং মলে।কিছুক্ষনের মধ্যে তারা পৌছে যায় শপিং মলে ফারিহা আর প্রহেলী ব্যস্ত হয়ে যায় শপিংয়ে পরশ তাদের সাথে হেঁটে বেড়াচ্ছে।
প্রহেলী পরশকে জিজ্ঞেস করলো,
~আপনার কী কিছু পছন্দ হয়েছে?
পরশ বললো,
~তোমাকে পছন্দ হয়েছে নিয়ে যাই বাসায় কী বলো?
ফারিহা বললো,
~নিয়ে যান ভাইয়া।একদম ওয়ান পিস কোথাও পাবেন না আমি গ্রান্টি দিচ্ছি।
ফারিহার কথা শুনে দুজনই হেসে উঠলো অবশেষে পরশের জন্য একটা পাঞ্জাবি আর হাতের ঘড়ি কিনে ফেলে প্রহেলী।পরশ তখন প্রহেলীর জন্য শাড়ি খুজতে ব্যস্ত অবশেষে সেও মনের মতো শাড়ি কিনে ফেলে।আর ফারিহা বেচারি প্রহেলীর সাথে ঘুরছে পরশ, ফারিহা, আর প্রহেলী শপিং মল থেকে বের হয়ে গেলো রেস্টুরেন্টের উদ্দেশ্যে।

______________

আমেনা সিকদার সব কাজ শেষ করে রুমে বসে কোরআন তিলওয়াত করছিলেন।তখনই রুমে প্রবেশ করলো আমরুল সিকদার তাকে দেখে আমেনা সিকদার কোরআন তিলওয়াত বন্ধ করে একপাশে রেখে বিছানা ছেড়ে উঠে দাড়ালেন।আমেনা সিকদার অনেকটাই অনাক স্বামীর আচরণে যে মানুষ এতো বছরে এক বাসায় থেকেও কোনো খোজ নেই নি সে আজ তার ঘরে কেন এসেছে?
আমেনা সিকদারের দিকে তাকিয়ে আমরুল সিকদার বিছানায় বসে বললেন,
~বসো তোমার সাথে কথা আছে।
আমরুল সিকদারের কথা শুনে তার ঘোর কাটে আমেনা সিকদার একপাশে বসে পরলেন।আমরুল সিকদার বললেন,
~এক লাখ টাকার প্রয়োজন প্রহেলী কে বলে ব্যবস্থা করে দেও।
আমেনা সিকদার চোখ তুলে তাকালেন আমরুল সিকদারের দিকে আর বললেন,
~তাহলে ওকে আপনি জানিয়ে দিন।আমি এসব ব্যাপারে কথা বলি না।
আমরুল সিকদার বাঁকা হেসে বললেন,
~নাটের গুরু তুমি আর তুমি এসব ব্যাপারে কথা বলো না বেশ ভালোই মজা করতে পারো তুমি।
আমেনা সিকদার বেশ শক্ত কন্ঠে বললেন,
~এসব বলে লাভ নেই প্রহেলীর টাকা সে যদি দিতে চায় তাহলে পাবেন।
আমরুল সিকদার বললেন,
~মা যেমন মেয়েও তেমন লোভী কোথাকার।
বলেই সে উঠে রুম থেকে চলে আসলেন আমেনা সিকদার তার যাওয়ার পাণে তাকিয়ে বললেন,
~আজও মনে এক নতুন ঘর বাঁধতে চলেছিলাম আমি আপনার আগমন দেখে।
আমরুল সিকদার তার রুমে চলে এসে দেখলের মারিয়া সিকদার শপিং ব্যাগ থেকে নতুন শাড়ি বের করছেন।তা দেখে আমরুল সিকদার অবাক হয়ে বললেন,
~তুমি টাকা কোথা থেকে পেলে?
মারিয়া সিকদার ভয় পেয়ে গেলেন তার কথায় সে আমতা আমতা করে বললেন,
~ওই তো জমিয়ে ছিলাম।
আমরুল সিকদার আলমারি থেকে কাপড় নিতে নিতে বললেন,
~এসব স্বভাব পাল্টাও টাকা জমিয়েছো নাকি কোনো আশিক দিয়ে গেছে তা আমি জানি।
স্বামীর মুখে এমন কথায় ধপ করে আগুন জ্বলে উঠলো মাথায় মারিয়া সিকদার উঠে দাড়িয়ে চিৎকার করে বললেন,
~আপনার মতো আমাকে ভাববেন না আপনি যে এই বয়সে কী কী করে বেড়ান তা আমি জানি।লম্পট কোথাকার
মারিয়া সিকদার গটগট করে রুম থেকে বের হয়ে গেলেন আর অন্যদিকে আমরুল সিকদার রাগে ফুসতে লাগলেন।
প্রলয় রুমানা তালুকদারের সাথে বসে আছে অনেক কথাই হচ্ছে তাদের মধ্যে হঠাৎ প্রলয় বলে উঠলো,
~আন্টি,পরশ যেটা করছে সেটা কী ঠিক?
রুমানা তালুকদার ভ্রুকুচকে বললেন,
~কী করেছে?
প্রলয় বললো,
~আন্টি না বোঝার ভান করবেন না আমি প্রহেলীর কথা বলছি।
রুমানা তালুকদার শুকনো ঢোক গিলে বললেন,
~যা হচ্ছে হতে দেও পরশ প্রহেলীকে অনেক সুখী রাখবে।
প্রলয় বললো,
~আপনি কী এটার সাথে সহমত?
রুমানা তালুকদার বললেন,
~যেটায় আমার ছেলে আর প্রহেলী সুখী থাকবে তাই হবে।
এতটুকু বলে রুমানা তালুকদার উঠে রুমের ভেতর চলে আসলেন।প্রলয় বললো,
~আগামীকাল পরশের জম্মদিন গিফট তো দিতেই হয়।

_____________

প্রহেলী,পরশ আর ফারিহা রওনা দিয়েছে বাসার উদ্দেশ্যে ফারিহা তার বাসার সামনে পৌছে গাড়ি থেকে নেমে বললো,
~আমি যাই।
পরশ বললো,
~আগামীকাল তুমি প্রহেলীর সাথে আমাদের বাসায় আসবে আমার জম্মদিন উপলক্ষে মা সবাইকে দাওয়াত করেছে।
ফারিহা বললো,
~অবশ্যই।
পরশ আর প্রহেলী আবারও নিজ গন্তব্যে চলতে শুরু করলো।পরশ প্রহেলীর একহাত ধরে গাড়ি চালাতে লাগলো পরশের হাতের স্পর্শ পেয়ে কেঁপে উঠলো প্রহেলী।পরশ প্রহেলীর হাতে ঠোঁট ছুইয়ে বললো,
~তোমার জন্য আগামীকাল একটা সারপ্রাইজ।
প্রহেলী অবাক হয়ে বললো,
~আমার জন্য
পরশ বললো,
~তো আর কার জন্য?
প্রহেলী বললো,
~ত্যাড়া কথা কেন বলেন?
পরশ বললো,
~তুমি সোজা বলে।
প্রহেলী আর কোনো কথা না বলে মুখ ফুলিয়ে বসে রইলো।আর পরশ তার রাগ ভাঙ্গাতে ব্যস্ত হয়ে পরলো প্রহেলী বাসার সামনে নেমে পরলো গাড়ি থেকে
পরশকে বিদায় জানিয়ে বাসার ভিতর চলে আসলো
তখনই মাহিন দৌড়ে এসে বললো,
~আপু,বড় মা পরে গিয়ে মাথা ফেটে গেছে।
প্রহেলীর প্রাণ পাখি যেন উড়ে গেলো এ কথাটা প্রহেলী দৌড়ে মায়ের রুমে চলে আসলো আর দেখলো আমেনা সিকদারের মাথায় ব্যান্ডেজ করা হচ্ছে জামিলা সিকদার তার মাথার কাছে বসা।আমরুল সিকদার আর মারিয়া সিকদার একপাশে দাড়িয়ে আছে নয়না মুখ চেপে কান্না করছে।প্রহেলী ধীর পায়ে মায়ের কাছে এসে বসে পরলো ডাক্তার নিজ কাজ শেষ করে বললেন,
~তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভালো হয় মাথা ঘুরে তিনি পরে গেছেন কিছু টেস্ট করা দরকার।
প্রহেলী বললো,
~অবশ্যই আমি আজই নিয়ে যাবো।
ডাক্তার বললেন,
~আমি আসি।
ডাক্তার চলে যেতেই এক এক করে সবাই চলে গেলো আর প্রহেলী মায়ের হাত ধরে ঢুকরে কেঁদে উঠলো মা ছাড়া যে সে অসহায় হয়ে পরবে।মায়ের বুকে মাথা রেখে হুহু করে কেঁদে উঠলো প্রহেলী।
সকল টেস্ট শেষ করে বাসায় ফিরে আমেনা সিকদার আর প্রহেলী ৩দিন পর সব টেস্টের রিপোর্ট আসবে মাকে রুমে শুইয়ে দিয়ে নিজ রুমে চলে আসলো মনটা তার বড্ড খারাপ তার প্রিয় মানুষ গুলোর সাথেই এমন কেন হয়?প্রহেলী ওযু করে নামাজের পাটিতে বসে পরে হাত তুলে দোয়া করে মায়ের সুস্থতার জন্য আর তার জীবনের এই কালো রাতটা যাতে খুব তাড়াতাড়ি ভোরের আলো দেখতে পায়।

চলবে

(

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here