রোদের_পর_বৃষ্টি পর্বঃ ০৫

রোদের_পর_বৃষ্টি
পর্বঃ ০৫
লেখকঃ আবির খান

নাদিয়া বুঝতে পারছে না জারিফের কি হয়েছে। নাদিয়া আস্তে করে দরজা ঠেলে ভিতরে যায়। ও ভিতরে ঢুকে দেখে পুরো রুম অন্ধকার। করিডরের আলো রুমের ভিতরে পড়ছে। সে আলোতে কাউকে মেঝেতে অন্যদিকে ফিরে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। নাদিয়া আরো একটু সামনে আগাতেই ওর নাকের মধ্যে বিশ্রী একটা গন্ধ পায়। বমি আসছে রীতিমতো ওর। রুমের মধ্যে কারো উপস্থিতি টের পেয়ে ভাঙা কান্নাসিক্ত অসহায় নেশাকারী এক পরিচিত কণ্ঠ ভেসে আসে নাদিয়ার দিকে।

– রকি তুই আবার আমার রুমে আসছোস। বলছি না আমার কাছে আসবি না। আমি আগুন। আমার কাছে যেই আসবে সেই শেষ হয়ে যাবে।(খুব কান্না করে দেয়) যা এখান থেকে। আমায় নেশা করতে দে। আর আসবি না। যাহহহহহ….(মাটিতে পড়ে যায়)

নাদিয়া নিজের কানকেকে বিশ্বাস করতে পারছে না। এটা কি জারিফ! নাকি অন্য কেউ? ওর যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না৷ নাদিয়া মদের পঁচা বিশ্রী গন্ধ উপেক্ষা করে সব ভুলে জারিফের দিকে এগিয়ে যায়। ততক্ষণে জারিফ আবার উঠে বসেছে। ও নেশাকাতর তবে জ্ঞান হারায় নি। খুব কষ্টে আছে। নাদিয়া নিজেকে বিশ্বাস করাতে নিঃশব্দে জারিফের সামনে মাটিতে গিয়ে বসে। জারিফ ওর পাশে কাউকে দেখে ভালো করে ঘুরে তাকিয়ে দেখে, নাদিয়া। জারিফ মদের বোতলের দিকে তাকিয়ে আবার নাদিয়ার দিকে তাকায়। নাদিয়ার চোখ দিয়ে টপটপ করে অশ্রু ঝরছে। এ অশ্রু জারিফের এ অবস্থা দেখে। ওর মাথা কাজ করছে না জারিফের এ অবস্থা দেখে। জারিফ নাদিয়ার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলে,

– এ রকি দেখ নাদিয়া আসছে। না না। ও কেমনে আসবে। আরে তোর পানিতে এতো নেশা! নাদিয়াকে দেখতাছি আমি হাহা। (মদের বোতলের দিকে তাকিয়ে বলে)

জারিফ আরো এক ঢোক খেয়ে বোতল ফেলে দিয়ে নাদিয়ার দিকে ঘুরে নিঃশব্দে কান্না করতে করতে বলে,

– এই তুই, আমার জীবনে ঝড়ের মতো আইসা সব শেষ করে দিছোছ। তুই আমারে ভালো মানুষ কস? তুই জানস আমি কত খারাপ? কত মেয়ের সাথে রাত দিন দুপুর আমি কাটাইছি। জানস তুই? জানস না। আর আমারে কস আমি ভালো মানুষ। ফা** ইউর ভালো মানুষ। আমিইইইই ভালো মানুষ না। এই যে তুই। তোর সাথে কেন এতো ভালো জানিসসস? কেমনে জানবি। তাহলে শোন, তোর এই নরম কামুক শরীরটার জন্য আমি তোর কাছে ভালো হইছি। যাতে তোর এই শরীরের স্বাদ আমি নিতে পারি। বুঝলি? আর তোরা তোর মাটা আমাকে ভালো মানুষ কয়। আমিইই ভালো মানুষ নায়ায়ায়া। তোর শরীরের জন্যই আমি তোর কাছে গেছি। প্রেম ভালোবাসা এসব কিচ্ছু না আমার কাছে কিচ্ছু না। (কান্নার বেগ বেড়ে যায়)

জারিফ ভেবেছে ও নেশার ঘোরে নাদিয়াকে দেখছে। তাই সব সত্যি বলে দিয়েছে। ও আবার বলতে নিয়ে,

– এই যে তোর এই সুন্দরী কামুক শরী….

জারিফ নাদিয়ার হাত ধরে ফেলে। প্রথমে এক হাত দিয়ে ধরে। ও মুহূর্তেই চমকে যায়। নাদিয়া কাঁদছে বাকরুদ্ধ হয়ে। জারিফ নাদিয়ার দিকে তাকিয়ে দুই হাত দিয়ে ওকে স্পর্শ করে অনুভব করছে। ওর সব নেশা মুহূর্তেই শেষ। ও ভীষণ অবাক হয়ে বলে,

– নাদিয়া! তুমি সত্যি এখানে? কীভাবে?

নাদিয়া আস্তে উঠে দাঁড়ায়। আর নিথর মলিন ভাব নিয়ে দরজার দিকে যায়। জারিফ অস্থির হয়ে বলে উঠে,

– দোহাই লাগে যেও না। প্লিজ আমাকে মাফ করে দেও। যেও না নাদিয়া। আমার কথা শোনো।

হয়তো এসব শুনে নাদিয়া চলে যাবে এটাই স্বাভাবিক। আর জারিফও তাই ভেবেছিলো। কিন্তু সব স্বাভাবিকতাকে অস্বাভাবিক করে দিয়ে নাদিয়া দরজার কাছে গিয়ে রুমের দরজাটা লাগিয়ে দেয়। অার জারিফের দিকে ঘুরে তাকায়। জারিফ স্তব্ধ। দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে। নাদিয়ার মুখটা খুব শক্ত হয়ে আছে। ওর চোখটা নিষ্প্রাণ।

জারিফের সামনে নাদিয়া আস্তে আস্তে ওর হিজাবটা খুলে পাশে ফেলে দেয়। এরপর বোরখাটাও খুলে ফেলে দেয়। এ দৃশ্য দেখে জারিফের চোখ বড় বড় হয়ে যাচ্ছে। গা হাত পা সব আগুন হয়ে যাচ্ছে। কাঁপছে ও। নাদিয়া এখন শুধু স্যালোয়ার আর পায়জামা পরে আছে। আর কিচ্ছু নেই ওর শরীরে। নাদিয়া জারিফের কাছে আসে। ওর সামনে বসে। জারিফ পাথর হয়ে আছে। নাদিয়া জারিফের চোখের দিকে তাকিয়ে আছে। একদম নীরবতা। জানালা দিয়ে দমকা হাওয়ায় রুমের পর্দাগুলো উড়ছে। এসি থেকে মাঝে মাঝে হালকা শব্দ আসছে। এ যেন এক ভয়ানক নীরবতা। এই নীরবতা ভেঙে নাদিয়া আস্তে করে মলিন শুকনো কণ্ঠে বলে উঠে,

~ নিন। আমার সব আপনাকে দিয়ে দিলাম। ইচ্ছে মতো ভোগ করুন। এই যে আমি পরনের শেষ জামা আর পাজামা খুলছি। আমার শরীরটাই তো আপনার চাই? নিন দিয়ে দিলাম। আপনার বাসনা পূর্ণ করুন।

জারিফ বাকরুদ্ধ হতভম্ব স্তব্ধ সব হয়ে গেছে। একি করছে নাদিয়া! জারিফের এখন ব্রেনের স্নায়ুকোষ গুলো বোধহয় কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। বুকের ভিতরে শুধু দুম দুম করে খুব জোরে জোরে হার্টবিট হচ্ছে। দমটা কেমন ঘন হয়ে আসছে। ঠান্ডা এসির ভিতরে ঘেমে পুরো মুখ ভিজে গিয়েছে জারিফের।

এদিয়ে নাদিয়া আস্তে করে ওর পরনের জামা দুহাত দিয়ে উঠিয়ে ফেলছে। জারিফ ওর মাংস চক্ষু দিয়ে নাদিয়ার মেদহীন ফর্সা উম্মুক্ত পেট’টা অলরেডি দেখে ফেলেছে। কিন্তু বাকিটুকু উম্মুক্ত হওয়ার আগেই জারিফ উঠে নাদিয়াকে থামিয়ে ওর জামা নামিয়ে দেয়৷ ও অস্থির হয়ে গিয়েছে। কান্না করতে করতে নাদিয়ার হিজাব এনে ওর বুক ঢেকে দেয়৷ আর বলে,

– প্লিজ আমার এসব চাই না। তুমি চলে যাও। দোহাই লাগে চলে যাও৷

নাদিয়া জারিফের একদম কাছে আসে। বুকের উপর থেকে আবার কাপড়টা ফেলে দিয়ে বলে,

~ কেন চলে যাবো? আমার এই শরীরটাইতো আপনি চেয়েছেন। আচ্ছা কি আছে এই শরীরে যা আপনাকে এতোটা কামুক করে দিয়েছে? মিষ্টি নেশাকাতর ঘ্রাণ, নরম ঠোঁট, মেদহীন শরীর, বুকে দুটো সুন্দর কারুকার্য করা মাংসপিন্ড, আর কোমড়ের নিচে কামুকতার পরিপূর্ণতা। এই তো? ঠোঁট কামড়ে, বুকের মাংসপিণ্ডটাকে খাবলে ধরে কোমড়ের নিচটায় জোর প্রয়োগে স্বতিত্ব হরনেই তো আপনার শান্তি হবে তাই না? চরম সুখ পাবেন আপনি। এর জন্যইতো নারী? নারীকে তো এর জন্যই বানানো হয়েছে। সে ভালবাসা পাওয়ার যোগ্য না। তার শরীরটাই পুরুষের ভালবাসা আর মনটা মূল্যহীন। অস্তিত্বহীন। তাই না? তাহলে আর দেরী কেন? নিন আমায় তাড়াতাড়ি হরন করুন। চরম সুখে মেতে উঠুন। আমি প্রস্তুত।

জারিফ নাদিয়ার কথা শুনে রীতিমতো পাগল হয়ে গিয়েছে। ও দেয়ালে ঘুষি মারতে মারতে বলছে,

– না না না। আর না। আমি সব জানি। নারী কোন খেলার বস্তু না। আমি ভুল করেছি। আমার নিঃসঙ্গতা আমায় আজ এতো খারাপ বানিয়েছে। আমাকে নারী হরনকারী বানিয়েছে। নাহ! আমি অনেক বড় ভুল করেছি। আমি আজ নিজেকে মেরেই ফেলবো। তুমি চলে যাও৷ আমার কিচ্ছু চাই না। নায়ায়া।

জারিফ নিজেকে হারিয়ে ফেলেছে। সমানে দেয়ালে ঘুষি মারছে। হাত দিয়ে রক্ত পড়ছে। নাদিয়া ভীষণ ভয় পেয়ে যায় জারিফকে দেখে। ও কোনরকম জারিফকে ধরে ওর গালে কষিয়ে কষিয়ে কয়েকটা থাপ্পড় মারে। জারিফ স্থীর হয়ে যায়। নাদিয়ার দিকে তাকিয়ে কান্না করে দেয়। নাদিয়া আর না পেরে জারিফের ঠোঁটে ওর ঠোঁট বসিয়ে দেয়। এছাড়া আর কোন উপায় পায় নেই জারিফকে শান্ত করার। অনেকক্ষণ পর নাদিয়া জারিফকে ছাড়ে। জারিফ ঠাস করে ফ্লোরে বসে নাদিয়ার পা জড়িয়ে ধরে কান্না করতে করতে বলে,

– আমাকে ক্ষমা করে দেও নাদিয়া দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দেও। আমি কি করবো না করবো আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না। আমার মরে যেতে ইচ্ছা করছে। আমাকে বাঁচাও নাদিয়া আমাকে বাচাও। না হয় মেরে ফেলো। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।

নাদিয়া কান্না করতে করতে নিচে বসে পড়ে। জারিফের গাল দুটো ধরে কান্নাসিক্ত কণ্ঠে বলে,

~ আপনি শান্ত হন দয়া করে৷ একজন নারী যখন একটা পুরুষকে স্পর্শ করে তার সাথে মিশে যায়, সেখানে কখনো কামুকতা থাকে না। কি থাকে জানেন? ভালবাসা। নারী কোনদিন কামুকতা নিয়ে তার পুরুষকে ছোঁয় না। ভালবেসে তাকে ছোঁয়। এ ভালবাসার পরশ পুরুষটাকে নিস্তেজ করে দেয়। যেমনটা আপনাকে করেছে। আপনি আগুন হলে আমি পানি। আমার এই স্পর্শ আপনাকে নিভিয়ে দিয়েছে। আপনার কাছে আসলে আর কেউ জ্বলবে না। দেখুন আমাকে। আমি কি জ্বলছি?

জারিফ নাদিয়াকে ওর বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে আর কান্না করে। আজ ছেলেটা খুব কান্না করছে। মনের সব কষ্ট গুলো কান্নায় ভেসে যাচ্ছে। জারিফ কান্না করতে করতে বলে,

– তোমাকে আমার প্র‍য়োজন নাদিয়া। তোমার এই ভালোবাসা আমার প্রয়োজন। আমি ভালো হতে চাই। আর তুমি ছাড়া আমাকে কেউ ভালো করতে পারবে না। কারণ তুমি ছাড়া আমার আর কেউই নেই। কেউ নেই।

~ আমি আছি। আর কাউকে লাগবে না। আপনাকে আমি ভালো করবো। সুন্দর একটা জীবন দিব।

– নাদিয়া আমাকে বিয়ে করবে? জানি আমি এ দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ একটা ছেলে। কিন্তু বিশ্বাস করো আমি এখন ভালো হতে চাই। শুধু তোমাকে আমার পাশে চাই। সারাজীবনের জন্য। করবে বিয়ে আমাকে?

নাদিয়া চুপ করে আছে। কিছু বলছে না। জারিফ নাদিয়াকে ওর সামনে আনে। নাদিয়া নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। জারিফ বলে,

– তুমি রাজি নও? তাই তো?

~ আমি এই জারিফটাকে কখনো বিয়ে করতে রাজি না। তবে আপনি যদি একদম ভালো হয়ে যান তাহলে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু আপনি কি পারবেন ভালো হতে?

– তুমি যদি আমার পাশে থেকে ভালবাসা দিয়ে আগলে রাখো আমায় ভালো করতে চাও তাহলে আমি অবশ্যই ভালো হবো।

~ তাহলে এক বছর সময় নিলাম। এই এক বছরের ভিতরে আপনার সব খারাপ অভ্যাস খারাপ কাজ ছাড়তে হবে। আমি ছাড়াবো। যেদিন আপনি সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে মানুষের মতো মানুষ হবেন। সেদিন আবার বিয়ের কথা বলবেন।

– ঠিক আছে তাই ই হবে। শুধু তুমি পাশে থেকো।

এরপর জারিফের নষ্ট পঁচা খারাপ জীবনটা নাদিয়া নিয়ে নেয়৷ ওর মতো করে জারিফের জীবনটা আবার গুছাতে শুরু করে। সবার আগে,

~ আপনি এ যাবৎ কত মেয়ের মন ভেঙেছেন?

– সত্যি বলতে একজনার। আর বাকিরা চাহিদা আর টাকার জন্যই এসেছিলো।

~ যেই মেয়েটার মন ভেঙেছেন আগে ওর কাছে গিয়ে মাফ চান। তারপর বাকি কাজ হবে।

– ঠিক আছে।

জারিফ নওরিনকে কল করে দেখা করতে বলে। আজ প্রায় ১৫ দিন পর নওরিনের সাথে জারিফের দেখা হতে যাচ্ছে। মেয়েটা অসম্ভব এক্সাইটেড হয়ে আছে। ও জানতো জারিফ এতোদিন ঢাকার বাইরে ছিল। জারিফ গাড়ি থামিয়ে নামতেই দেখে নওরিন দাঁড়িয়ে আছে। নওরিন জারিফকে দেখে দৌঁড়ে এসে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে আর বলে,

~ ১৫ টা দিন ধরে তোমার অপেক্ষায় ছিলাম। আজ সে অপেক্ষার শেষ হলো। কেমন আছো তুমি? এতো শুকিয়ে গিয়েছো কেন? আর মুখটাও এমন কেন?

– নওরিন আমি ভালো হতে চাই। এই অন্ধকার জীবন আর ভালো লাগে না।

~ সত্যিইইই। যাক খুব ভালো। আমরা দুজন ভালো হয়ে যাবো। আমি তোমার সাথে থেকে তোমার সব খারাপ অভ্যাস শেষ করে দিব। শুধু ভালবাসবো। লাভ ইউ সো মাচ বেবি। আই মিস ইউ লট।

জারিফের বুক ফেটে যাচ্ছে। কীভাবে আরো একটা বিষাক্ত সত্য নওরিনকে বলবে যেখানে আছে শুধু কষ্ট আর কষ্ট। তাও জারিফ নিজেকে শক্ত রেখে বলে,

– সে দায়িত্ব অলরেডি একজন নিয়ে ফেলেছে নওরিন। আমি তোমার কাছে ক্ষমা আর চির বিদায় নিতে এসেছি।

নওরিন ঝটকা মেরে জারিফের কাছ থেকে দূরে সরে আসে। ও স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে জারিফের কথা শুনে। ও বাকরুদ্ধ। নওরিন আবার জারিফের একদম কাছে এসে বলে,

~ তুমি কি বললে? ক্ষমা বিদায় মানে?

– তাহলে সত্যটা শোনো…

জারিফ নওরিনকে সব বলে। ও যে শুধু নাদিয়ার রেশ কাটানোর জন্য নওরিনের শরীরটা ভোগ করেছে। কিন্তু কখনোই ওকে পছন্দ বা ভালো লাগা হয় নি। নওরিনকে সব সত্য বলে জারিফ লাস্টে অসহায় ভাবে বলে,

– নওরিন আমাকে ক্ষমা করে দেও৷ আমি নতুন একটা জীবন চাই। আমি নাদিয়াকে নিয়ে বাচতে চাই। আমি তোমার মন নিয়ে খেলেছি। আমাকে ক্ষমা করে দেও। প্লিজ নওরিন। প্লিজ।

জারিফের কথা শেষ হলে নওরিন যা করলো তার জন্য জারিফ মোটেও প্রস্তুত ছিল না। নওরিন ওর…

চলবে….

সবার ভালো সাড়া চাই। কেমন লেগেছে জানাবেন কিন্তু। সাথে থাকবেন সবসময়।

আগের ও পরবর্তী পর্বের লিংক কমেন্টে দেওয়া হবে।

গল্পের শহরhttps://golpershohor.com
গল্পের শহরে আপনাকে স্বাগতম......... গল্পপোকা ডট কম কতৃক সৃষ্ট গল্পের অনলাইন প্লাটফরম

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

Latest Articles

error: ©গল্পেরশহর ডট কম