শর্বরী পর্ব ৮

0
104

#শর্বরী
অলিন্দ্রিয়া রুহি

(৮)

“আমার প্রাণ ধরিয়া মারো টান
মনটা করে আনচান!
আমার প্রাণ ধরিয়া মারো টান…..
মনটা করে আনচান!
জোয়ার নদীর….”

গানের মাঝখানে কুসুম উঠে এসে নেহালের ঠোঁটের উপর নিজের আঙুলের ডগা ছুঁয়ে দিলো। জমে গেল নেহাল মুহূর্তেই। মাদক ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো সামনে বসে থাকা নমনীয় শরীরের অধিকারী’র দিকে। কুসুম হো হো শব্দে হেসে ফেলল। ভ্রু কুঁচকে ফেলল নেহাল। কোঁচকানো কপাল নিয়ে প্রশ্ন করল,

“হাসছো কেন?”

“হাসবো না? তুমি আমার বর! অথচ ভং ধরছো এমন যেন প্রেমিক!”

কুসুম জিভ বের করে ভেংচি কাটলো। নেহাল আচানক এক হাতের টানে কুসুমকে নিজের বাহুডোরে আবদ্ধ করে নিলো। থমকে নেহালের মুখপানে চাইলো কুসুম। কপালের উপর একগাছি অবাধ্য চুলের হুটোপুটি। আঙুলের আলতো ছোঁয়ায় সেগুলো সরিয়ে দিতে দিতে নেহাল স্বগতোক্তি করল,

“প্রেম বর্ণনা করা যায় না।

এর কোন আকার নেই, এর কোনও রূপ নেই।

ভালোবাসা কোনো বিষয় নয়।

প্রেমের সাথে সঙ্গতি হয় না।

প্রেম আমাদের জীবনে প্রবেশ করে,

আমাদের জন্মের মুহুর্তটিতেই।

দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত,

সবার মাঝে ভালোবাসা আছে।

ভালোবাসা জ্বলছে মোমবাতির মতো,

যা কখনও কখনো কেঁপে কেঁপে ওঠে কিন্তু কখনো মারা যায় না।

প্রেম অদৃশ্য হতে পারে,

যদিও এটি আপনার চোখের সামনে ঠিক আছে,

ভালোবাসা আপনাকে খালি ছেড়ে দিতে পারে,

প্রেম আপনাকে পুরো করতে পারে।

ভালোবাসা আপনাকে তৈরি করতে পারে বা ভেঙে দিতে পারে,

ভালোবাসা আপনার আত্মা হয়।

ভালোবাসা আপনার অন্তরে আছে,

ভালোবাসা তোমার মনে।

প্রেম বৈষম্য করে না,

প্রেম সবসময় অন্ধ থাকে।

প্রেম সর্বজনীন,

এটি বিশ্বকে ঘিরে রেখেছে।

আপনি যেখানেই থাকুন না কেন,

ভালোবাসার একটি নিজস্ব ভাষা আছে।

আপনার চারপাশে প্রেম,

বাঁচার জন্য প্রচুর ভালোবাসা আছে।

আপনি এটি দেখতে বা স্পর্শ করতে পারবেন না,

তবে ভালোবাসা সর্বত্র।

ভালোবাসা বিধাতার কাছ থেকে একটি উপহার

যা আমাদের সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়া উচিত!”

কুসুম মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় তাকিয়ে রইলো। মিটিমিটি হাসছে নেহাল। তার ওষ্ঠদ্বয়ে চোরা হাসি। নিজের স্ত্রী কে মুগ্ধ করার মাঝে আলাদাই স্বার্থকতা নিহিত! কুসুমকে বসিয়ে রেখে নেহাল উঠে দাঁড়াল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুলে চিরুনী বোলাতে শুরু করল। তখনো কুসুম নিরবে তাকিয়ে…
নেহাল বলল,

“ঘুরতে যাবে কুসুম?”

নড়েচড়ে উঠল কুসুম। উৎফুল্লতার সহিত জবাব দিলো,

“কোথায়?”

“তোমাকে নিয়ে হানিমুনে যাওয়া হয়নি একবারও। এবার যাবো ভাবছি। যাবে আমার সঙ্গে?”

লজ্জায় মাথানিচু করে ফেলল কুসুম। প্রেমিকের কাছে লজ্জা পাওয়া, আর নিজ স্বামীর কাছে লজ্জা পাওয়া- এই দুই অনুভূতি আলাদা। এদের ভাষাও আলাদা। কুসুমের মনে একশো প্রজাপতির ডানা ঝাপটানি। সে মাথা কাত করে ‘হ্যাঁ’ সূচক সম্মতি জানালো। মুখে বলল,

“আপনার সঙ্গে সারাজীবন পাড়ি দিতে রাজী। কোথায় নিয়ে যাবেন? নিয়ে চলুন। আমি অন্ধের ন্যায় আপনাকে অনুসরণ করব।”

“অন্ধ তো আপনাকে হতেই হবে ম্যাডাম। তবে সেটা আমার ভালোবাসায়..”

“দু’জনেই অন্ধ হয়ে গেলে সংসার কীভাবে চলবে শুনি?”

দরজা থেকে মিতুর টিটকারি মিশ্রিত কথার বাণ ছুটে এলে লজ্জা পেয়ে চুপসে গেল দু’জনেই। হেসে উঠল মিতু। ঘরে ঢুকলো এক বোয়াম আচার সমেত। কুসুমের দিকে তা বাড়িয়ে ধরে বলল,

“গতকাল দেখেছি, কীভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে আচার খাচ্ছিলি সন্ধ্যের পর। এখনি এই অবস্থা! তোর জন্য আচার বানাতে বানাতে আমার জান যাবে,বোঝা যাচ্ছে।”

কুসুম অস্ফুটস্বরে বলল,

“দোকান থেকে আনিয়ে নিলেই চলবে। বানাতে হবে না ভাবী।”

“এহ! আমার সন্তান দোকানের জিনিস খাবে কেন? ও খাবে আমার হাতের তৈরি জিনিস। একদম খাটি এবং মজা। কীরে,তোর সন্তান কী আমার সন্তান না?”

কুসুম মুচকি হেসে বলল,

“আমি ওকে শুধু জন্মই দিবো ভাবী। বাদ বাকি সমস্ত দায়িত্ব আপনার আর আম্মার উপর। আমার দ্বারা বাচ্চা মানুষ সম্ভব না।”

“তুই নিজেই তো এখনো বাচ্চা। তুই আর কী বাচ্চা পালবি। নে ধর এটা। বেশি বেশি খাবি। যত ইচ্ছা করবে… শেষ হয়ে গেলে বলবি আমি বানিয়ে দিবো। খবরদার যদি বাহির থেকে আচার আনিয়ে খাস তো…”

কুসুম চওড়া গালে হাসল। আচারের বোয়াম নিয়ে পাশে রেখে দিলো। নেহাল মাথা চুলকে বলে উঠল,

“ভাবী, ভাবছিলাম কী, আমরা যদি একটু ঘুরতে যাই, তাহলে সমস্যা আছে কোনো?”

“না, আমার কী সমস্যা হবে! তবে আম্মাকে আগে জানাও। ও গর্ভবতী। যদিও এটা শুরুর দিক তাও আম্মাই ভালো বুঝবেন। যদি উনার আপত্তি না থাকে,তাহলে দু-চারদিন বেরিয়ে আসো কোথা থেকে। এতে করে তোমাদের ভেতরকার সমস্যাগুলোও আরও ভালো ভাবে মিটে যাবে। যা ঝড় গেল!”

নেহাল দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,

“সেটা কী শুধু আমাদের উপর দিয়ে গেছে ভাবী? আপনাদের উপর দিয়েও সমান ঝড় গেছে।”

“কিন্তু ভুক্তভোগী তোমরা দু’জন বেশি ছিলে। নেহাল, একটা কথা বলব তোমাকে।”

“বলেন ভাবী।”

“তুমি তো তোমার বড় ভাইয়াকে চেনো। কাউকে প্রপার গাইড করতে পারে না সে। কিন্তু তুমি ভালোভাবে বোঝাতে পারো সবাইকে। নয়নকে একটু সাপোর্ট দিও। সব চাইতে বেশি ক্ষতি যদি কারও হয়ে থাকে তাহলে সেটা নয়ন। ও কেমন মুষড়ে পড়ছে দেখছো? গতকাল সকাল, দুপুর ভাত খায়নি। রাতে আম্মা গিয়ে বকে কয়টা খাইয়েছে। আজকে সকাল সকাল সেই যে বেরিয়েছে, আর কোনো খবর নেই। কোথায় আছে,কী করছে,কিছু খাইছে কী-না, এই নিয়ে আম্মার চিন্তার অন্ত নেই। বেচারী মুখ ফুঁটে কাউকে কিছু বলতে পারছে না। কিন্তু উনার কপালের ভাঁজ বলে দেয়,উনি কতটা চিন্তিত। নয়নটা যেন দেবদাস বনে না যায়। একটু বুঝিয়ে বলিও তুমি ভাই। তোমরা বড় ভাই। তোমাদের সাপোর্ট ওর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।”

কুসুম বলল,

“আসলেই তো! আমরা উনার কথা কী করে ভুলে গেলাম! আমরা আমাদের শোক কাটিয়ে উঠতে গিয়ে নয়ন ভাইয়ার শোকের ব্যাপারটা নিয়ে ভাবিইনি! নাহ, এটা ঠিক হয়নি। ভাবী, আমিও নয়ন ভাইয়াকে যতদূর সম্ভব বুঝিয়ে বলব।”

“সবাই মিলে কাউন্সিলিং করলে ও আবার নর্মাল লাইফে ফিরে আসতে পারবে।”

“হুম ভাবী, আমি আজকেই ওর সাথে কথা বলব খোলামেলা ভাবে। আপনি চিন্তা করবেন না।”

বলল নেহাল, ভারমুক্ত হলো মিতু। কুসুমকে ডেকে নিয়ে চলে গেলে নেহাল একা একা ভাবতে লাগল নয়নের কথা। নয়নকে অতিদ্রুত আরেকটি বিয়ে দেওয়া উচিত। নতুন সংসারে মন দিলে পুরোনো ঘা ভুলতে সহজ হবে। কিন্তু এতবড় ধোঁকা খাওয়ার পর নয়ন কী আরেকটি বিয়ে করতে রাজী হবে! নেহালের চিন্তা হলো।

.

নয়ন একটা কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। রোড সাইড চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সিগারেট ফুঁকে যাচ্ছে। কিন্তু তার নেত্র জোড়া একজোঁকে তাকিয়ে আছে কলেজ গেট বরাবর। কে বের হচ্ছে, আর কে ঢুকছে, সবটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আজ চারিদিকে ঝলমলে রোদ থাকলেও ততটা গরম লাগছে না নয়নের। সারা তনুমনে একটা শীতল শিহরণ। বেশ ভালো লাগছে তার কাছে। দু’দিন আগেও যে ঝড় তাকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছিল প্রায়, সেই আবেশের ছিঁটেফোঁটাও তার ভেতরে নেই এখন। সে অন্ধকার আকাশে উজ্জ্বল এক তারার সন্ধান পেয়েছে। যে তারা শুধু নিজেই না,তাকে সহ আলোকিত করে তুলেছে। নিকষ কালো আঁধারের মাঝে মিটিমিটি আলোয় পথ দেখিয়েছে। একজোড়া হাতের তার বড্ড প্রয়োজন। যে হাত তাকে টেনে নিয়ে আসবে আলোয়,অন্ধকার থেকে। সেই হাতের সন্ধান সে পেয়ে গেলেও মালকিন রাজী হবে কী-না,এই নিয়ে একটু না, খুব বেশিই চিন্তিত নয়ন। মেয়েটা যে এই কলেজেই পড়ে,সেটা গতদিন ফলো করতে করতে জেনেছিল। আজ সরাসরি কলেজের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। লক্ষ্য একটাই, মেয়েটা বের হবে। নয়ন যাবে, সোজাসাপটা নিজের পছন্দের কথা জানাবে। যদি রাজী হয়, তাহলে পরিবার সমেত গিয়ে কবুল, কবুল! একবার যে ভুল করেছে সে! দ্বিতীয় বার সেই ভুল করবে না। প্রেম হবে বিয়ের পর। বিয়ের আগে নো প্রেম,নো ছ্যাঁকা। কিন্তু… যদি মেয়েটা রাজী না হয়! নয়নের বুক বিষাদে ছেয়ে গেল। উপরে তাকিয়ে অদৃশ্য বিধাতার উদ্দেশ্যে বিড়বিড়িয়ে প্রার্থনা করল কিছু একটা। এরপর অন্তরীক্ষ থেকে জমিনে চাইতেই দেখতে পেল নীল স্কার্ফ মাথায় জড়ানো তার অগ্নিকন্যা বের হচ্ছে। মেয়েটাও বের হওয়া মাত্র আগুন চোখে নয়নের দিকে তাকিয়েছে বিধায়, নয়ন তাকানো মাত্রই চারজোড়া চোখ এক হয়ে গেল। মুহূর্তেই জমে গেল নয়ন। হাতে জ্বলছে সিগারেট, সেটা ফেলার কথাও মনে নেই আর। কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থাকার পর চোখ সরিয়ে অন্যদিকে হাঁটা শুরু করলে নয়নের সম্বিৎ ফিরে পেল। দ্রুত সিগারেট পেলে পকেট থেকে পাঁচ টাকার একটা নোট দোকানীর উদ্দেশ্যে দিয়ে বেরিয়ে পিছু নিলো মেয়েটার। চললো কতদূর…

রাস্তাটা বেশ নির্জন। রাস্তা না বলে গলি বললে ভালো হয়। দু’পাশে উঁচু প্রাচীর। প্রাচীরের ওপাশে বাড়ির পর বাড়ি। বাড়ির সামনে বড় বড় গাছ,দু’দিকেই একই রকম। রাস্তায় তাই সূর্যের আলো ঠিকভাবে পড়তে পারছে না। ছায়াময় হয়ে আছে। এরকম জায়গাটাই মেয়েটির সাথে কথা বলার জন্য পারফেক্ট। নয়ন মনে মনে ভাবল, এবার ডাকবে মেয়েটিকে। ‘এই যে,শুনুন..’ বললেই মেয়েটি দাঁড়াবে নিশ্চয়ই। কিন্তু নয়নকে অবাক করে দিয়ে মেয়েটি নিজে থেকেই দাঁড়িয়ে পড়ল। ঘুরে তাকাল নয়নের দিকে। সেই আগুন চাউনি… নয়নের পা থেকে মাথা পর্যন্ত সব ভস্ম করে দিলো যেন। জমে গেল নয়ন। ঠোঁট চিঁড়ে বেরিয়ে এলো না একটি শব্দও! মেয়েটি গটগট করে হেঁটে চলে এলো সামনে। আগুন চোখেই তাকিয়ে রইলো নয়নের দিকে। নয়ন বুঝতে পারছে, এভাবে ফলো করার জন্যই হয়তো রেগে আছে মেয়েটা। সরি বলা উচিত তাকে। ফাঁকা ঢোক গিলে সরি বলার জন্য মুখ নাড়াতে যাবে,ওমনি মেয়েটা প্রশ্ন করে বসল,

“কী? পছন্দ হয়েছে আমাকে? ভালোবাসেন? শুধু ভালো বাসলেই তো হবে না। বিয়ে করতে হবে। করবেন বিয়ে?”

নয়নের চোখজোড়া এত বড় হলো যেন এক্ষুনি কোটর থেকে বেরিয়ে আসবে। না চাইতেও মুখ বিকৃতি করে ফেলল সে। মেয়েটি ঠোঁট বাঁকিয়ে হুংকারের ন্যায় বলল,

“জবাব দিন। লেট জবাব পছন্দ করি না আমি।”

“জ..জি। আপনাকে বিয়ে করতে আমি প্রস্তুত।”

তোতলাতে তোতলাতে অবশেষে ঠোঁট ভেঙে কথা ফুঁটলো নয়নের। চুলে আঙুল চালিয়ে আহ্লাদী কণ্ঠে মেয়েটির আদেশ,

“তাহলে আপনার পরিবার কে নিয়ে আসতে বলুন। বাই দ্য ওয়ে,কে কে আছে বাসায়?”

“আব্বা,আম্মা, বড় দুই ভাই। দু’জনেরই বিয়ে হয়ে গেছে। আর.. বড় ভাইয়ের মেয়ে,টুকু।”

“টুকু?”

“ভালো নাম তাশফিয়া।”

“ওহ আচ্ছা!ভাবীরা কেমন? আমার চুল ছিঁড়বে না তো?”

“না, না, ভাবীরা খুব মিশুক আর ভালো।”

“সে গেলেই দেখা যাবে। যাক, সমস্যা নেই। আমার চুল ছিঁড়তে আসলে আমি তো আর হাত গুটিয়ে বসে থাকব না তাই না। চলবে আমার,সমস্যা নাই। কিন্তু…”

“কিন্তু?”

“সিগারেট খান?”

নয়ন লজ্জা পেয়ে মাথা দোলালো।

“সিগারেট ছাড়তে হবে। আই হেইট স্মোকিং।”

“পারব,পারব। নো প্রবলেম।”

সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল নয়ন। এইবার হাসি ফুঁটে উঠল মেয়েটির ঠোঁটে। ব্যাগ থেকে একটা কাগজ বের করে কী যেন গজগজ করে লিখলো দ্রুত। তারপর নয়নের হাতের মুঠোয় গুঁজে দিয়ে বলল,

“এই শুক্রবার, অপেক্ষায় থাকবো আপনার।”

চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালো মেয়েটি। মুঠোয় থাকা কাগজ মেলে দেখলো নয়ন, মেয়েটি তার বাসার ঠিকানা লিখে দিয়েছে। নয়ন তাকালো। মেয়েটি চলে যাচ্ছে। নয়ন চেঁচিয়ে বলে উঠল,

“আপনার নাম টা?”

ফিরে তাকাল মেয়েটি। নমনীয় ঠোঁটের ফাঁক গলে এক চিলতে হাসির সঙ্গে বেরিয়ে এলো জবাব,

“স্নেহা। আমার নাম স্নেহা..”

(চলবে)
[

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here