সাঁঝেরবেলায় তুমি আমি পর্ব ১৩

0
71

#তাসনিম_তামান্না
#সাঁঝেরবেলায়_তুমি_আমি
#পর্ব_১৩

🍁🍁🍁

আরমান আর প্রমি অনেক ছয়টার দিকে এসে পৌঁছেছে। আরমান প্রমিকে গাড়িতে বসিয়ে। এখন বাজে নয়টা। আরমান ক্যাপ্টেন হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করছে। কে কোন গাড়িতে যাবে, কোথায় বসবে সেসব ঠিক করতে ব্যস্ত। আর প্রমি সেগুলো বাসের জানালা দিয়ে দেখছে। এক এক করে সবাই আসছে। একটু পর প্রমি পাশে সাবিহা এসে বসে বলল

-দেখ তো আজ আমাকে কেমন লাগছে? (সাবিহা)

প্রমি বাইরে থেকে চোখ সরিয়ে সাবিহার দিকে তাকালো। সাবিহা পিংক কালারের ওয়ান পিস পড়ছে সাথে মেকাপ দেখ সুন্দর লাগছে। প্রমি মিষ্টি হেসে বলল

-খুব সুন্দর লাগছে (প্রমি)

-তাহলে আজ ও আমার দিক থেকে চোখ ফিরাতেই পারবে না বল (সাবিহা)

প্রমি বুঝতে পারলো না ওটা কে তাই প্রশ্ন করলো

-ও মানে? ও টা কে? (প্রমি)

সাবিহা লজ্জা মিশ্রিত হাসি দিলো। প্রমি বোকার মতো চেয়ে রইলো সাবিহার পানে। ইতিমধ্যে গাড়ি চালাতে শুরু করছে। সাবিহা কিছু বলছে না দেখে প্রমি আবার প্রশ্ন করলো

-কি হইছে এভাবে হাসছ কেনো আর কিছু বলছিস না কেনো? (প্রমি)

সাবিহা লজ্জায় লাল, নীল, হয়ে বলতে লাগলো

-সাদিক, আরমান, আর নয়ন ভাইয়ের সাথে আর একজন থাকে না? ও (সাবিহা)

-মিলন ভাইয়া? (প্রমি)

সাবিহা উপর নিচ মাথা নেড়ে বললো

-হ্যাঁ (সাবিহা)

-এ্যাঁ তা মিলন ভাইয়া তোর দিকে তাকাবে কেনো? (প্রমি)

প্রমির কথা শুনে সাবিহা রেগে বলল

-কেনো তাকাবে না সেটা বল? শালার ব্যাটারে আমি ভালোবাসি আর শালার ব্যাটা আমাকে পাত্তা দেই না? (সাবিহা)

-মানে তুই মিলন ভাইয়াকে ভালোবাসিস? (প্রমি)

-হ্যাঁ খুব ভালোবাসি অনেক বার প্রপোজ ও করছি কিন্তু ঔ-ই আমাকে পাত্তা দেই না ভাব নেই। আচ্ছা বল আমি কি দেখতে খারাপ? (সাবিহা)

প্রমি দু’দিকে মাথা নাড়ালো।

-তাহলে ও আমাকে কেনো একটু ভালোবাসে না একটু ভালোবাসলে কি হয়। আচ্ছা আমি একটু খায় বলে কি ওনি আমাকে পছন্দ করে না? কিছু তো বলে না যখন কথা বলেছে ঝাড়ি ছাড়া কিছু দেই নি (সাবিহা)

কথাগুলো বলেতে বলতে সাবিহার গলা ধরে আসছিলো। সেটা বুঝতে পেরে প্রমি বলল

-মন খারাপ করছিস কেনো? তুই কত ভালো তোকে কেউ ভালো না বেসে থাকতেই পারবে না। ভাইয়াও হয়ত মনে মনে তোকে ভালোবেসে ফেলছে। কিন্তু প্রকাশ করতে পারছে না। সবার ভালোবাসার ধরন এক রকম নয় সবাই প্রকাশে ভালোবাসতে পারে না কেউ গোপনেও ভালোবাসে (প্রমি)

প্রমি কথা শুনে সাবিহা উৎফুল্ল কন্ঠে বললো

-সত্যি তাই যদি হয় তাহলে তো খুব ভালো হবে (সাবিহা)

সাবিহা কথাটা বলে উঠে দাড়িয়ে গাড়ির এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখলো কিছু একটা দেখে ওর ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটলো। সিটে বসে বলল

-শোন আমি একটু আসছি তুই বস হ্যাঁ (সাবিহা)

-আচ্ছা কিন্তু কোথায় যাচ্ছিস? (প্রমি)

-আমার ওনার আছে (সাবিহা)

প্রমি হেসে বলল

-আচ্ছা যা (প্রমি)

আরমান আর মিলন কিছু নিয়ে কথা বলছিল তখন সাবিহা গিয়ে বলল

-ভাইয়া সাদিক ভাইয়া কোথায়? (সাবিহা)

-কেনো? সাদিক, নয়ন, কণা ওরা অন্য গাড়িতে কেনো কোনো সমস্যা? (আরমান)

-না আসলে ভাইয়া মানে (সাবিহা)

-কি আসলে মানে করছো (আরমান)

-আসলে ভাইয়া আমি না জানালা ছাড়া বসতে পারি না আর প্রমিও জানালা ছাড়া বসতে পারে না আর কোনো সিটও খালি নাই তাই বলছিলাম কি….? (সাবিহা)

-ও আচ্ছা বুঝতে পারছি তুমি এখানে বসো আমি ওখানে যাচ্ছি (আরমান)

-তুই যাবি কেনো? আমি যাচ্ছি! এই মেয়ে যদি আমার গায়ে বমি-টমি করে তাহলে আমার পুরো ট্যুর শেষ হয়ে যাবে (মিলন)

সাবিহা মিলনের কথায় কষ্ট পেলেও সেটাকে পাত্তা দিলো না। আরমান মিলনের কথায় আমতা আমতা করে বলল

-তুই এখানে থাক না আবার কষ্ট করে উঠতে যাবি কেনো? আমি যাচ্ছি তো (আরমান)

কথাটা বলে না ওখানে না থেকে চলে আসলো। আরমান যেতেই মিলন বিরক্তির ‘চ’ উচ্চরণ করে উঠে সাবিহার বসার জায়গা করে দিলো। মিলন সাবিহার পাশে বসে কানে হেডফোন গুঁজে গান শুনতে লাগলো। সাবিহা মিলনের দিকে একবার তাকিয়ে বাইরের দিকে তাকালো। সাবিহার চোখ দিয়ে একফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পরলো মেদযুক্ত গাল দিয়ে। চোখের পানি কেউ দেখে ফেলার আগে তাড়াতাড়ি করে মুছে নিলো। সাবিহা আনমনে বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলো।

প্রিয় মানুষটার কাছ থেকে সবাই এটেনশন পেতে চায়। প্রিয় মানুষটার কাছ থেকে যদি শুধু অবহেলায় পেতে থাকে তাহলে। প্রয়িও মানুষটাও ধীরে ধীরে অপ্রিয় হয়ে ওঠে।

সাবিহা বিড়বিড় করে বলল

★বুঝলে প্রিয়…🌼

অবহেলায় ধীরে ধীরে প্রিয় মানুষটাও অপ্রিয় হয়ে যায়!!!🦋🥀★

✍️তাসনিম তামান্না

কথাটা শেষ হতেই মিলন চট করে চোখ খুলে সাবিহার দিকে তাকালো। সাবিহার এদিকে খেয়াল নাই ও বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে। মিলন কাঁপা গলায় আস্তে করে বলল

-কি বললি একটু আগে? (মিলন)

সাবিহা বাইরের দিকে তাকিয়ে বলল

-কই কিছু না তো (সাবিহা)

কিছুক্ষণ চুপ থেকে মিলন বললো

-সাবিহা তোকে কিছু কথা বলবো শুনবি? (মিলন)

সাবিহা আগের মতো করে বললো

-হ্যাঁ বলেন (সাবিহা)

মিলন একটা দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে বলল

-আমার দিকে তাকা (মিলন)

-আপনার দিকে তাকানোর কি আছে কি বলবেন বলেন? (সাবিহা)

-সবসময় ত্যাড়াম না করলে হয় না তোর তাকা আমার দিকে (মিলন)

সাবিহা মিলনের দিকে তাকিয়ে বলল

-হ্যাঁ বলেন ভাইয়া কি বলবেন? (সাবিহা)

-একটা চড় মারবো না তোকে বাপের নাম ভুলে যাবি। আমি তোর ভাই লাগি (মিলন)

-তো জামাই লাগেন? ভাইয়ের ফেন্ড মানে ভাই লাগে (সাবিহা)

-সাবিহা আমাকে রাগাস না (মিলন)

-এতে রাগার কি আছে? (সাবিহা)

-কজ আই লাভ ইউ (মিলন)

সাবিহা মিলনের কথা শুনে থমকে গেলো। সবাই সবার কাজে ব্যস্ত বলে কারোর-ই এদিকে খেয়াল নাই।

-ক ক কি ব বললেন? (সাবিহা)

-যা এতোদিন শুনতে চাইছিলি। হ্যাপি তো এবার জেনে খুশি হইছিস? (মিলন)

-মানে কি বলতে চাইছেন আপনি? (সাবিহা)

-শোন সাবিহা অন্য ছেলের দিকে তাকাবি না চোখ তুলে নিবো একদম আর আমার কাছ থেকে দূরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তোকে মার্ডার করতেও দুবার ভাববো না মনে রাখিস (মিলন)

কথাগুলো বলে জোরে জোরে শ্বাস নিলো মিলন। সাবিহা খুশিতে টগবগ হয়ে বলল

-সত্যি! সত্যি আপনি আমাকে ভালোবাসেন? আমি তো বিশ্বাস করতে পারছি না আচ্ছা আমি কি স্পন দেখছি একটা চিমটি কাটেন তো (সাবিহা)

মিলন সাবিহার চোখে চোখ রেখে বলল

-কিছুক্ষণ আগে যেগুলা বললাম সব ভুলে যা সাবিহা। মন দিয়ে পড়ালেখা কর এসব নিয়ে ভাবিস না সময় হলে সব হবে (মিলন)

-মানে কি? এসব আমার কি বলছেন? (সাবিহা)

-যেটা বলছি সেটাই পড়ালেখাই যেনো অমনোযোগী না দেখি। আর আমি জানি তোকে হারাবো না। (মিলন)

সাবিহা ড্যাবড্যাব করে তাকালো মিলনের দিকে তা দেখে মিলন হেসে বললো

-কিছু বুঝলি না তো (মিলন)

সাবিহা দু’দিকে মাথা নাড়ালো যার অর্থ না। মিলন আবারও হেসে বলল

-একটা গল্প শুনবি (মিলন)

-কিসের গল্প শুনাবে শুনাও (সাবিহা)

-যখন আমি স্কুলে পড়ি তখন কোনো ফেন্ডদের বাসায় যেতাম না। কিন্তু একদিন নোটের খুব দরকার ছিলো তখন আমি এসএসসি পরিক্ষা দিবো তাই একটা ফেন্ডের বাসায় গিয়েছিলাম নোট আনতে ওদের বাসায় গিয়ে বসলাম আর ও ওর রুমে গেলো নোট আনতে ওর মাও আমাকে খুব আপায়ন করতে লাগলো। হঠাৎ কোথা থেকে একটা মেয়ে আসলো দেখতে গলুমলু, একটা লাল জামা পড়া, দুপাশে জুটি করে চুল বাঁধা, আর হাতে আইসক্রিম খেতে গিয়ে সারামুখে লাগিয়েছে দেখতে পুরাই কিউটের ডিব্বা। মেয়েটা ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে। মেয়েটার মা মেয়েটাকে বকছিল আইসক্রিম খাওয়ার জন্য মেয়ে এতোটাই দুষ্টু যে ওর মার বকা শুনে খিলখিলয়ে হাসছিলো ঔ হাসির মধ্যে কি ছিলো কে জানে ঔ হাসিতেই আটকা পড়ে গেলাম কিন্তু তখন বুঝতে পারি নাই। তারপর থেকে মাঝে মাঝে ওদের বাড়িতে যেতাম পিচ্চিটাকে দূর থেকে দেখতাম কিন্তু কাছে যেতাম না যদি পিচ্চিটার নেশায় আসক্ত হয়ে যায় তখন আর ছাড়তে পারবো না। রাতে ঘুমাতে গেলেই পিচ্চিটার কথা মনে পড়ে। পিচ্চিটা আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলো। হঠাৎ একদিন দেখতে পেলাম পিচ্চিটা একটা ছেলের সাথে কথা বলছে আমার মনে ভয় ডুকে গেলো তাকে হারানোর। দু’দিন আর তাকে দেখতে আছি নি। বাসায় আব্বু আম্মুকে বুঝাতে লাগলাম আমার তাকে ছাড়া চলবে না আমার তাকেই লাগবে। অবশেষে আমার জেদে আর পগলামির কাছে হার মেনে তারা রাজি হলো পিচ্চিটার বাড়িতে কথা বললো কিন্তু তারা এতো ছোট মেয়েকে বিয়ে দিবে না তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো পিচ্চিটা পড়াশোনা করে বড় হলে আর আমি ও নিজে কিছু করলে আমাদের বিয়ে দিবে। কিন্তু শর্ত ছিলো মেয়েটার থেকে দূরে থাকতে হবে মেয়েটার জেনো পড়াশোনায় ক্ষতি না হয় আর এসব কিছু সে বড় না হওয়া পর্যন্ত জেনো না জানে। আমিও মেনে নিলাম কিন্তু দূর থেকে মেয়েটার দিকে নজর রাখতাম কোনো ছেলের সাথে দেখলে রাগ হতো তাই ছেলে গুলাকে থ্রেট দিয়ে দূরে রাখতাম (মিলন)

সাবিহা অশ্রু সিক্ত নয়নে তাকালো মিলনের দিকে সেটা দেখে মিলন বলল

-কাঁদছিস কেনো? (মিলন)

-আপনি একটা মেয়েকে ভালোবাসেন? তার সাথে আপনার বিয়েও ঠিক? আপনি আমাকে এভাবে ছেঁকা দিতে পরলেন? একটু ও কষ্ট লাগল না? (সাবিহা)

-উহুম! জানিস মেয়েটা কে? (মিলন)

-না ওমন শাতচুন্নিকে সামনে পেলে খুন করবো। নাম, ফোন নম্বর, বাড়ির ডিটেইলস সব দেন (সাবিহা)

-কেনো কি করবি? (মিলন)

-কি করব মানে মাডার করবো (সাবিহা)

-আচ্ছা নিজেই নিজেকে মাডার কর তাইলে (মিলন)

সাবিহা অবাক হয়ে বলল

-মানে? (সাবিহা)

-মানে হলো মেয়েটার নাম সাবিহা (মিলন)

মিলনের কথা শুনে সাবিহা থমকে গেলো বুঝতে কিছুটা সময় লাগলো। বুঝতে পেরে মুখ চেপে জানালার দিকে তাকিয়ে হু হু করে কেঁদে দিলো এটা কষ্টের কান্না নয় সুখের এতোদিন অযথায় ভুল বুজে আসছেও। মিলন কিছু না বলে এক হাতে আগলে নিলো সাবিহাকে।
.
.
আরমান প্রমির সিটে বসতেই প্রমি প্রশ্ন করলো

-আপনি এখানে? সাবিহা কোথায়? (প্রমি)

-কেনো? সাবিহাই তো বলল তোমরা দুজনের মধ্য কেউ ই নাকি জানালার পাশে ছাড়া বসতে পারো না তাই ও ওখানে গিয়ে বসছে আর আমাকে এখানে পাঠালো (আরমান)

প্রমি বুঝতে পরলো সাবিহা মিথ্যা বলে মিলনের পাশে গিয়ে বসেছে তাই বলল

-ও (প্রমি)

-কিছু খাবে সকালে তো কিছু খাওনি? (আরমান)

-না একেবারে ওখানে পৌঁছে খাবো (প্রমি)

-কেনো? (আরমান)

-খেলে যদি বমি হয় তাই আর এমনিতেই আমার অভাস আছে (প্রমি)

-ও আচ্ছা (আরমান)
.
ঢাকা থেকে সিলেটে যেতে ওদের নয় ঘন্টা লেগেছে। এখন সন্ধ্যা ছয়টা বাজে। তার মধ্যে ওরা কয়েক বার গাড়ি থামিয়ে ছিলো আর জ্যাম তো আছেই। সিলেটে একটা রিসল্টে এসে পৌঁছালো আগে থেকেই সব ঠিক ঠাক করা যেহেতু তাই ওদের সমস্যা হয়নি। কণা, প্রমি, সাবিহা একটা রুমের চাবি নিয়ে চলে গেলো ওরা তিনজন একসাথে থাকবে তাই। সাদিক, আরমান, নয়ন, মিলন সবার রুম ঠিক করে দিয়ে ওরাও চারজন একটা রুমের চাবি নিয়ে চলে গেলো। সবাই টাইয়াড থাকাই আজ রেস্ট নিয়ে কাল বেড়াতে যাবে বলে ঠিক করেছে। এখানে এসে পৌঁছে প্রমি আশার সাথে কথা বলেছে গাড়িতে অবশ্য কয়েকবার কথা বলেছিলো।

★★★

আজ ওরা বিছানাকান্দী আর জাফলং গিয়েছে সেখানে গিয়ে ওরা অনেক মজা করেছে। দুপুরে খেয়ে রেস্ট নিয়ে ওরা বেড়িয়ে পড়লো। এবার ওরা গেলো সিলেটের বড় পাহাড় বিন্দু কালা পাহাড়ে। সেখানে গিয়ে মিলি বলল

-চলো না আমার সবাই মিলে পাহাড়ে ওঠি আর কখনো আসতে পারবো কি না জানি না প্লিজ কেউ না করো না চল প্লিজ (মিলি)

সবাই মিলির বিহেভিয়ার দেখে অবাক না হয়ে পারছে না। যে মেয়ে ধমক দিয়ে ছাড়া কথা বলতো না সে এমন করে কথা বলছে সবার তো অবাক হবারই কথা। কয়েকজন উঠতে রাজি হলো আর বেশির ভাগ নিচে ঘোরাঘুরি করবে ওরা আসলে একসাথে জাবে বলে ঠিক হলো। প্রমি জেতে চাইছিলো না কিন্তু সাবিহার জোরাজোরিতে বাদ্ধ্য হয়ে যাচ্ছে।

ওরা পাহাড়ে যত উঠছে ততো মুগ্ধ চোখে চারিদিকে দেখছে। চারিদিকে সবুজে ঘেরা সাথে টুকরো টুকরো তুলার মতো সাদা মেঘ পাখিরা মাঝে মাঝে উড়ে যাচ্ছে দেখতে অপরূপ লাগছে। সবার মতো প্রমিও মুগ্ধ চোখে এগুলো দেখছিলো হঠাৎ পিছন থেকে কেউ ধাক্কা দেওয়ায় টাল সামলাতে না পেরে সামনে কাউকে আঁকড়ে ধরে পা সিলিপ কেটে পড়ে গেলো…….

#চলবে
#Tasnim_Tamanna

[ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠন মূলক কমেন্ট করবেন। রি-চেক করি নাই ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here