সাঁঝেরবেলায় তুমি আমি পর্ব ১৪

0
67

#তাসনিম_তামান্না
#সাঁঝেরবেলায়_তুমি_আমি
#পর্ব_১৪

🍁🍁🍁

চারিদিকে অন্ধকার ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক ঘরের কোণে মিটমিট করে হারিকেন জলছে কিন্তু তাতে ভালো করে কিছু দেখা যাচ্ছে না। প্রমি নিরবতা ভেঙে চিৎকার করে কাদতে কাদতে বলল

-আপনি কেনো এমন করলেন? কেনো ওদের মিথা কথা বললেন কেনো? কেনো? (প্রমি)

আরমান দাঁতে দাঁত চেপে ধরে বলল

-জাস্ট শাট আপ প্রমি। আস্তে কথা বলো ওরা শুনতে পাবে (আরমান)

-শুনতে পেলে কি হবে? কিছুই তো আর হবে না। যা ক্ষতি হওয়ার সে তো হয়ে গেছে আর কি বাকি আছে? (প্রমি)

আরমান বাঁকা হেসে বলল

-লাভ, ক্ষতি কিছুই হবে না এখন আমাদের বাসর হবে। কজ নিউ ম্যারিড কাপল আমরা যেহেতু আজ আমাদের বিয়ে হয়েছে। সে অনুযায়ী আমাদের বাসররাত সো বি রেডি মাই ডিয়ার ওয়াইফ? (আরমান)

আরমানের কথা শুনে প্রমি ভয়ে শুকনো ঢোক গিলে দুপা পিছনে গেলো। প্রমি কাঁপা গলায় বলল

-ব ব বাসর? ক কি সের? আমি এ বিয়ে মানিই না আমি আপনাকে ভাই মানি (প্রমি)

ভাই কথাটা শুনে আরমান রেগে বলল

-প্রমি আমাকে রাগিও না। রেগে গেলে কিন্তু আমি কি করবো আমি নিজেও জানি না! তাই বিছানায় গিয়ে চুপচাপ ঘুমিয়ে যাও। ভয় নেই তোমার অনুমতি ছাড়া কিছু করবো না আমি (আরমান)

প্রমি আরমানের কথা শুনে ভয় পেলো কিন্তু শেষের কথাটা শুনে একটু ভরসা পেলো তাই বীনা বাক্যে গুটি গুটি পায়ে কাঠের লেপ তোসক বিহিন চৌকিতে এক কোনায় গিয়ে গুটিসুটি মেরে শুয়ে পড়লো। আরমান সেদিকে একবার দেখে কাঠের ব্যড়ার জানালা দিয়ে অন্ধকার প্রকৃতির দিকে তাকালো। আরমানের তখনকার কথা ভাবলেই বুক কেঁপে উঠল

[কিছু বুঝতেছেন না চলুন জেনে নিন পাহাড় থেকে নিচে পড়ার পর কি হইছিলো আর ওরা কেমন করে বেঁচে গেলো🙃]

#ফ্লাসব্যাক

প্রমি টাল সামলাতে না পেরে সামনে আরমান থাকাই আরমানকে আঁকড়ে ধরলো। যখন পা সিলিপ কেটে পড়ে যাচ্ছিলো তখন আরমানকে ছেড়ে দিয়েছিলো। আরমান ততক্ষণে বুঝে গিয়েছিলো কি হতে চলেছে। কিন্তু আরমান প্রমিকে ধরার আগে প্রমি নিচে পড়ে যায়। আরমানও কিছু না বুঝেই প্রমিকে ধরতে ঝাপ দেই। উপস্থিত সবাই হতভম্ব হয়ে যায় এই তো সব ঠিক ছিলো হঠাৎ এইটুকু সময়ের মধ্যে কি থেকে কি হয়ে গেলো। কারোর মুখে কোনো কথা নাই। কিছুক্ষণ সবাই প্রমি আর আরমানকে উপর থেকে দেখার চেষ্টা করলো কিন্তু ব্যাথ হলো উপর থেকে নিচে শুধু সবুজ গাছ পালা ছাড়া কিছুই দেখা যাচ্ছে না। নয়ন, মিলন, সাদিক তিনজন প্রাণ প্রিয় বন্ধুর জন্য ভেঙে পড়েছে। সাবিহা আর কণা কান্না জুড়ে দিয়েছে। সাবিহা কান্না করে বলছে

-সব আমার দোষ যদি প্রমিকে জোর করে না নিয়ে আসতাম তাহলে এসব কিছুই হতো না। ওকে কেনো আনতে গেলাম? কেনো? সব আমার দোষ (সাবিহা)

-এসব কি বলছ তুমি ওদের কিছু হবে না চলো পাহাড় থেকে নিচে গিয়ে পুলিশের খবর দি। ওদের ঠিক সুস্থ ভাবে পাবো দেখো (মিলন)

ওদের সাথে যে গাইট ছিলো তিনি বললেন

-হ্যাঁ তাই চলেন এহান থেহে নিচে পড়লে কেউ বাঁচবার পারবে না। তাও চেষ্টা করে দেহেন যদি লাশ দুডু উদ্ধার করতে পারেন।

গাইটের কথা শুনে ওরা আরো জেনো ভেঙে পড়লো তাও শেষ আশা নিয়ে নিচে এসে পুলিশে খবর দিলো।
.
এদিকে আরমানের জ্ঞান ফিরতেই চারিদিকে প্রমিকে খুঁজতে থাকে কিছুক্ষণ পর প্রমিকে পেয়েও যায়। প্রমির জ্ঞান না থাকাই আরমান ভয় পেয়ে যায় প্রমির কিছু হলো না তো ভেবে বার বার ডাকার পরও যখন প্রমি ওঠে না তখন আরমান ভয়ে ভয়ে প্রমির পালস চেক করে পালস ঠিক আছে দেখে আরমান স্বতির নিশ্বাস নেই। প্রমির পাশেই প্রমির হেন্ডব্যাগ ছিলো আরমান সেটা মধ্যে পানির বোতল খুঁজতে লাগলো। বোতল পেয়েও গেলো আরমান প্রমির মুখে পানির ছিটে দেওয়ার কিছুক্ষণ পর প্রমি পিটপিট করে চোখ খুলে চোখের সামনে আরমানকে দেখে লাফিয়ে বসে চারিদিকে দেখতে লাগলো। আরমান প্রমিকে বুকে চেপে ধরে জোরে জোরে শ্বাস নিলো। প্রমি কাঁপা কাঁপা গলায় বলল

-ব ব বেঁচে আ আছি ন না নাকি ম মরে গে..ছি? (প্রমি)

আরমান প্রমিকে বুক থেকে তুলে বললো রেগে বলল

-এতোটা কেয়ারলেস কেনো তুমি? কোনো ধারণা আছে কি হতে পারতো? একটু দেখে শুনে চলতে পারো না? আবার এখন বোকার মতো কথা বলছ! (আরমান)

আরমানের ধমক শুনে প্রমি চুপসে গেলো। কিন্তু এখনো প্রমি বুঝতে পারছে না কেমন করে বেঁচে গেলো? কোথায় বসে আছে বুঝতে পেরে চোখ বড়বড় হয়ে গেলো। কারণ এখানে কিছু অংশ জুড়ে বিছলি বিছানো। অবাক চোখে আরমানের দিকে তাকিয়ে বলল

-এটা কেমন করে সম্ভব? আর এখানে এতো গুলা বিছলি কে রাখবে? আর এই জঙ্গলের মধ্যে… (প্রমি)

-শাট আপ প্রমি! এগুলা আমি কেমন করে জানবো? যে রেখেছে অনেক ভালো কাজ করছে না হলে ওত উপর থেকে নিচে পড়লে কেউ বাঁচতে পারবে না। শুকরিয়া আদায় করো (আরমান)

-হুম (প্রমি)

কিছুক্ষণ নিরবতা কাটলো নিরবতা ভেঙে আরমান বলল

-চলো এখানে আর কতক্ষণ বসে থাকবে সন্ধ্যা হয়ে আসছে (আরমান)

-কোথায় যাবে? আপনি এখানকার কিছু চিনেন? (প্রমি)

-না চিনি না চিনে নিবো (আরমান)

-যদি হারিয়ে যায় বা ভুল দিকে চলে যায় তখন এর চেয়ে এখানেই থাকুন না নয়ন ভাইয়া, মিলন ভাইয়া, সাদিক ভাইয়ারা তো আমাদের খুজতে আসতে পারে? (প্রমি)

আরমান কিছু না বলে ফোন বের করে ফোন দিলো কিন্তু ফোন যাচ্ছে না নেটওয়ার্ক পাচ্ছে না।

-ডেমিট নেটওয়ার্ক নাই। ফোন করতে পারছি না কারোর কাছে… চ… ওফ্ফ…. প্রমি চলো বসে থেকে কোনো লাভ নাই চারিদিকে অন্ধকার নেমে আসছে রাতের জঙ্গল খুব ভয়ংকর এখানে থাকলে জীবজন্তু খেয়ে ফেলবে, বিপদ হতে পারে চল যায় (আরমান)

প্রমি ভয় পেয়ে আরমানের সাথে হাটতে লাগলো। প্রমি আর আরমান বিছলিতে হাটতে গিয়ে বার বার পা ডেবে যাবায় হোঁচট খাচ্ছিল বার বার কিন্তু সামলে নিয়েছে। হাঁটতে হাঁটতে ওরা বিছলির শেষ প্রান্তে চলে আসলো। আরমান সহজে লাফিয়ে নেমে গেলো কিন্তু প্রমির বেলায় বাঁধলো বিপত্তি। অতি কষ্টে প্রমিকে নামিয়ে হাঁটতে লাগলো ওরা দুজন। আরমান হাঁটতে হাঁটতে ফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়ার চেষ্টা করলো। কিন্তু ফলাফল শূন্য। এদিকে চারিদিকে অন্ধকার হয়ে আসছে প্রমি ভয়ে আরমানের হাত আঁকড়ে। আরমান সেটা খেয়াল করে মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠলো। কিছুক্ষণ হাঁটার পর প্রমি বলল

-আমি আর পারবো না হাটতে কষ্ট হচ্ছে (প্রমি)

-মানে কি এইটুকু হেটে তোমার কষ্ট হচ্ছে (আরমান)

-এইটুকু মানে কতটা হাটাই নিয়ে আসছেন আর পারবো না (প্রমি)

-প্রমি উঠো আর বেশি দূর নেই দেখছো একদম অন্ধকার হয়ে গেছে ফোনের ফ্ল্যাস দিয়ে আর বেশিক্ষণ হবে না ঔ দেখো ওই বাসায় মনে হচ্ছে কেউ আছে চল (আরমান)

প্রমি দেখলো সত্যি আর একটু দূরে আগুনের মতো কিছু জ্বলছে। প্রমি আর কিছু না বলে আরমানের সাথে হাটতে লাগলো। বাড়িটার কাছে এসে বুঝতে পারলো এটা কাঠের বাড়ি আর কাঠের বাড়ির বারান্দায় হারিকেন জালানো। প্রমি আর আরমান বাসার সামনে গিয়ে দাড়িয়ে আরমান বলল

-বাসায় কেউ আছেন? (আরমান)

ডাকার কয়েক সেকেন্ডের মাথায় একটা বয়সক মহিলা আসলো তার পিছনে একজন বয়সক পুরুষ চশমা মুছতে মুছতে আসলো মহিলাটা এসে বলল

-কে তোমরা বাবারা? এই রাইতের বেলায় কোনো দরকার? (মহিলা)

-আসলে চাচি আমরা বিপদে পড়ছি রাস্তা হারিয়ে ফেলছি একটু যদি সাহায্য করতেন! (আরমান)

-ওমা সে কি এ তোমরা ঠিক আছো তো? (পুরুষ)

-হ্যাঁ চাচা আলহামদুলিল্লাহ আমরা ভালো আছি (আরমান)

-যাক আলহামদুলিল্লাহ তা এহন তো রাইত হয়ে যাচ্ছে আর এহন রাইতের বেলা যাওন ঠিক হইবো না রাস্তা ভালা না তোমরা বরং আজ রাইতটা এখানেই থেকে যাও কাল আলো ফুটলে না হয় যেও (পুরুষ)

-আচ্ছা চাচা সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ (আরমান)

-আচ্ছা তার আগে কও তোমরা সম্পর্কে কি হও বাছা? আর এই জঙ্গলে তো কেউ ভালা কাম করতে আহে না তোমরা কি….? (মহিলা)

-আরে চাচি না না আপনি ভুল ভাবছেন আমরা হলো ভ…..(প্রমি)

প্রমিকে বলতে না দিয়ে আরমান বলল

-আমরা স্বামী স্ত্রী হই নতুন বিয়ে তাই আমরা হানিমুনে আসছিলাম আর কি হলো দেখেন চাচি ফোনে নেটওয়ার্ক ও পাচ্ছে না (আরমান)

আরমানের কথা শুনে প্রমি শুকনো ঢোক গিলে বড়বড় চোখ করে তাকালো সবার দিকে। মহিলাটা সন্দিহান চোখে তাকিয়ে বলল

-তোমাদের দেইখা তো মনে হচ্ছে না তোমরা স্বামী স্ত্রী!(মহিলা)

-মনে না হওয়ার কি আছে চাচি (আরমান)

-উহুম মাইয়াডার হাতে চুরি নাই নাকে নাকফুল নাই? (মহিলা)

-চাচি কি যে বলেন না আজ কালকার দিনের মেয়ে এসব পড়ে নাকি (আরমান)

-ও আইচ্ছা তোমাগো বিয়ে হয়ে গেছে তাইলে আরেকবার বিয়ে করতে তো সমস্যা নাই (মহিলা)

আরমান কি বলবে বুঝতে পারছে না তাই বলল

-না না কিসের সমস্যা কোনো সমস্যা নাই (আরমান)

মহিলাটা এবার পুরুষটিকে উদ্দেশ্য করে বলল

-তুমি সব রেডি করো ওদের বিয়ে দিয়ে তারপর থাকতে দেবো বলা তো যায় না আকাম-কুকাম করেও আসতে পারে (মহিলা)

আরমান আর প্রমি হতভম্ব হয়ে গেলো। আরমান আমতাআমতা করে বলল

-এখানে হুজুর কোথায় পাবেন? (আরমান)

-আমাকে কি তোমার চোখে পড়ছে না? (পুরুষ)

-আপনি হুজুর? (আরমান)

-হুম (পুরুষ)

আরমান কি করবে ভেবে পাচ্ছে না এখন ভাইবোন বলেও বিশ্বাস করবে না তাই ভাবলো বিয়েটা করে নেওয়াই ভালো এটাতে ওর বাবা-মা ও আপরতি নেই। প্রমি সত্যিটা বলতে গেলও আরমান বলতে দেই নি বার বার বাঁধা দেই। শেষে আরমানের মতে আর প্রমির অমতে বিয়েটা হয়েই গেলো। আরমান বিয়েটা খুশি মনে করলেও প্রমির মনে ভয় ডুকে যায়। এসব কেউ জানলে ওকে অবিশ্বাস করবে ভেবে, এগুলা আশা, আসাদ জানলে কষ্ট পাবে ভেবে প্রমি আরমানের উপর চিৎকার করছিলো তারপর তো জানেই কি হয়েছিলো।

#বর্তমান

আরমান কথাগুলা ভাবতেই একটা দীর্ঘ শ্বাস বেরিয়ে এলো। জানালা থেকে চোখ সরিয়ে প্রমির দিকে তাকালো প্রমি গুটিসুটি মেরে চৌকির এক কোণে শুয়ে আছে,প্রমির চোখ মুখে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট। আরমান ধীর পায়ে প্রমির দিকে এগিয়ে গিয়ে প্রমির পাশে বসে কপালে ঠোঁট ছোয়ালো। তারপর নিজেও প্রমির পাশে বেশ দূরত্ব বজায় রেখে শুয়ে পড়লো।

★★★

আরমানের সকালে ঘুম ভাঙ্গলে উঠে দেখে প্রমি থম মেরে বসে আছে। আরমান হাই তুলে আলিরছি ছেড়ে বলল

-এভাবে বসে আছো কেনো? (আরমান)

প্রমি কোনো উত্তর দিলো না। আরমান প্রমির দিকে পাত্তা না দিয়ে উঠে ফ্রেশ হতে গেলো। কিছুক্ষণ পর আরমান আর প্রমিকে পুরুষটি মেন রাস্তা পর্যন্ত পৌঁছে দিলো। সকালের নাস্তার জন্য ওরা জোরাজোরি করলেও আরমান আর প্রমি খাই নি। কিন্তু প্রমি পুরোটা সময় চুপ ছিল কোনো কথা বলে নি।
.
.
আরমাব আর প্রমি রিসলটে আসতেই দেখতে পেলো কয়েক জোরা চিন্তিত মুখ। আরমান আর প্রমিকে দেখে যেনো সবাই প্রাণ ফিরে পেলো। সবাই প্রশ্ন করলো কি হয়েছিলো আরমান শর্টকাট করে বলে দিয়েছে কিন্তু বিয়ের ব্যাপারটা চাপা রেখেছে। আরমান বলল

-ওসব ছাড় আব্বু-আম্মুকে কিছু বলিস নি তো (আরমান)

-না আমরা জানতাম তোর মতো শয়তানের কিছু হতেই পারে না তাই শুধু শুধু আঙ্কেল আন্টিকে টেনশন দেওয়ার কোনো মানে হয় না (সাদিক)
.
সবাই লান্সের জন্য ডাকা হয়েছে। কণা আর সাবিহাকে চলে যেতে বলছিলো কাজ ছিলো তাই এখান প্রমি যাচ্ছিল হঠাৎ মিলি সামনে এসে দাড়িয়ে বলল

-তোমার সাথে একটু কথা ছিলো (মিলি)

-আমার সাথে আপনার কি কথা থাকতে পারে আপু? আচ্ছা বলেন কি বলবেন? (প্রমি)

মিলি আমতাআমতা করে বলল

-আসলে আ’ম সরি প্লিজ আমাকে মাফ করে দাও আমি না বুঝতে পারি নাই এমনটা হবে আমি তো জাস্ট তোমাকে ভয় দেখাতে চেয়ে ছিলাম কিন্তু তুমি যে টাল সামলাতে পাড়বে না সেটা বুঝতে পারি নি প্লিজ আমাকে মাফ করে দাও (মিলি)

প্রমি অবাক হলো মিলির কথায়। কড়া কথা বলার জন্য মুখ খুলতেই মিলির মুখ দেখে মায়া হলো মিলির মুখে স্পষ্ঠ অপরাধ বোধ ফুটে উঠেছে। তাই নিজেকে সামলিয়ে বলল

-সমস্যা নেই আপু মানুষ মাত্রই ভুল হয়। আপনারও হয়েছে তাই বলবো পরের বার এমন কিছু করবেন না যাতে অন্যের ক্ষতি হয় বা কোনো মায়ের কোল খালি হয়ে যায় (প্রমি)

-হুম মনে থাকবে (মিলি)

#চলবে
#Tasnim_Tamanna

[ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠন মূলক কমেন্ট করবেন। রি-চেক করি নাই। আর দেরি করে দেওয়ার কারণটাও জানেন তাও আবার ও বলছি সামনে পরিক্ষা চাপের মধ্যে লেখার টাইম পাছি না বেশি তাই যতটুকু পারছি দিচ্ছি]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here