স্নিগ্ধ আবেশে তুমি পর্ব -০৫+৬

0
49

#স্নিগ্ধ_আবেশে_তুমি
#তানজিনা_তিহা (লেখনীতে)
#পর্ব_ (৫+৬)

তূর্য আমার দিকে বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। আমার বেশ অস্বস্তি বোধ হচ্ছে। আমি লজ্জায় মাথা নুইয়ে নিলাম। তূর্য আমাকে আরো লজ্জা দেওয়ার জন্য আমার আরো শক্ত করে জরিয়ে ধরলেন। আমার মুখ এখন তূর্যের মুখের অনেক কাছে। তার দৃষ্টি আমাতেই নিবন্ধ, তার ভারী নিঃশ্বাস গুলো আমার গালে আছড়ে পড়ছে। আমি কি করবো বুঝতে পারছি না। সে বললো, কি করছিলে মেহু?
আমি কি বলবো বুঝতে পারছি না। নিশ্চুপ থাকাটাকেই ভালো মনে করলাম। তূর্য দ্বিতীয় বার একই প্রশ্ন করলেন কিন্তু এবার তিনি আমাকে তার আরো কাছে টেনে নিলেন। আমি লজ্জায় চোখ বন্ধ করে নিলাম। এবার তিনি তার গোলাপি ঠোঁট জোড়া প্রসারিত করে বললেন,
কি ভাবছো তুমি? আমার কথার উত্তর দিচ্ছো না কেন?
আমি কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বললাম, প্লিজ ছাড়ুন। তূর্য আমার অবস্থা দেখে হেসে ফেললেন। তিনি বললেন, এতো ভয় কেন পাও পিচ্চি? আমি কিছুই করবো না। ছিঃ, কি বাজে চিন্তা তোমার। এই বলে তিনি আমাকে ছেড়ে দিলেন। আমি উঠে বলে গায়ের কাপড় ঠিক করে নিলাম। তিনি আবার বললেন, মেহু! তুমি এখনো ছোট, নিজের পড়াশোনার দিকে ফোকাস করো। আমাকে নিয়ে বেশি ভেবো না। এভাবেই হঠাৎ করে বিয়েটা হয়ে গেলো।তোমার ছোট মাথায় বেশি প্রেসার নিও না।

বলেই তিনি ওয়াসরুমের দিকে অগ্রসর হলেন। খানিকক্ষণ বাদে তিনি ওয়াসরুম থেকে বেরিয়ে আসলেন। আমি তাকে দেখে চোখ বন্ধ করে অন্য দিকে ফিরে তাকালাম।

আপনি শার্টলেস কেন?

এমন ভাব করছো মনে হয় অনেক বড় অন্যায় করে ফেলেছি আমি। তুমি তো আমার বউই, তুমি তো সবই দেখতে পারো। এতো লজ্জা পাওয়ার কি আছে?

তার কথায় আমার কান দিয়ে গরম ধোঁয়া বের হওয়ার উপক্রম। নিজেকে সামলে বললাম, তূর্য শার্ট পড়ুন প্লিজ।

আরে ওটাই তো সমস্যা হচ্ছে। হাত কেটে যাওয়ায় অনেক কষ্টে গোসলটা সারতে পারলেও শার্টটা পড়তে পারছি না। ভেবেছিলাম তোমাকে বলবো, কিন্তু তুমি তো এর আগেই,,

তার হাতের কথা মনে হতেই আমি পিছন ফিরে তাকালাম। তার কাছে গিয়ে হাত থেকে ব্লু রঙের শার্টটা নিয়ে নিলাম। শার্টটা গায়ে পড়িয়ে একের পর এক বোতামগুলো লাগিয়ে দিলাম। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছেন। খানিকটা লজ্জা পেলেও আমার মধ্যে সংকোচ কাজ করছে না। তাকে শার্টটা পড়িয়ে দিয়ে ব্যান্ডেজটা চেন্জ করে দিলাম এবার নিচে গিয়ে তার জন্য নাস্তা নিয়ে আসলাম। তূর্য আমার কাজ গুলো পর্যবেক্ষণ করে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। তাকে খাইয়ে দিলে চলে আসছিলাম তখন তূর্য আমায় ডাক দিলেন, মেহু!

আমি পিছন ফিরে তাকালাম।

মাঝে মাঝে তুমি বড় হয়ে যাও তাই না।

কিছুই বুঝতে পারলাম না।

তুমি কবে বড় হবে মেহু?

এবার তো অবাকের চরম শীর্ষে পৌঁছে গেলাম। উনি কি বলতে চাচ্ছেন? তূর্য আমায় দেখে হাসছেন। কিন্তু আমি তো রহস্যের সাগরে ডুব দিলাম। মানুষটাকে বোঝা আমার জন্য বেশ কঠিন হচ্ছে।

বিকেল গড়িয়েছে, একটু আগে তূর্যের ফুফু মানে আমার ফুফু শাশুড়ির আগমন ঘটেছে। আঙ্কেল খানিকটা অসুস্থ থাকায় বিয়ের পর পরই নাকি উনি বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। আজ আমাদের সাথে আবার দেখা করতে এসেছেন। ড্রইং রুমে বসে আছি আমি, মিফতা, ফুফু, আর রেহানা চাচি। তূর্য বিকেলে বেরিয়েছেন বলছিলেন কি যেন একটা আছে ওনার। হাতে ব্যাথা থাকার কারণে তার কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এখন বন্ধ। রেহানা চাচি আর ফুফু কথা বলছেন, মিফতা আর আমি টিভি দেখছি। কিন্তু আমার চোখ দুটো টিভির পর্দায় হলেও মনে মনে সকালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে খানিকটা অস্বস্তি হচ্ছে। কি করছিলাম আমি তখন, তূর্য কি ভেবেছিলেন আমাকে?

আমার ভাবনায় ছেদ ফুটিয়ে তূর্য বাড়িতে প্রবেশ করলেন। তাকে হঠাৎ বিচলিত মনে হচ্ছে। বাড়িতে প্রবেশ করে আমার দিকে একনজর তাকালেন তিনি। আমি লজ্জায় তার থেকে চোখ সরিয়ে নিলাম। সে হালকা হেসে উপরে চলে গেলেন।

আমার ফুফু শাশুড়ি আমাকে বললেন,

বৌমা, কেমন চলছে তোমার সংসার?

জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ ভালো।

তূর্য বাবা কি বকে তোমাকে?

আমি মুচকি হাসলাম, গতকালের ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কিছুই বললাম না। হয় তো আমার হাসিকে সে ভালোর লক্ষন হিসেবে ধরে নিয়েছে। এবার তিনি বললেন,

মা, আমার ছেলেটা একটু রাগী হলেও তোমাকে অনেক ভালোবাসে। ও তোমাকে কখনো কষ্ট দেবে না।

আমি বেশ আশ্চর্য হলাম। ভালোবাসে মানে? কি বলছেন উনি? তবে কি তূর্য আমাকে আগে থেকেই চিনতেন। আমাকে কি করে চিনেন উনি। হাজারো প্রশ্ন এখন মনে দানা বাঁধছে। কি বলবো বুঝতে পারলাম না।

মা, জানিস। ছোট থেকেই আমার তূর্যটা বেশ চঞ্চল স্বভাবের ছিল। পুরো বাড়িটা মাথায় করে রাখতো। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় আমার ছেলেটা একেবারেই গম্ভীর হয়ে গেছে। ওকে তো আমি হাসতেই দেখতাম না। সবসময় কেন যেন হয়ে থাকতো ছেলেটা। প্রাণ খুলে হাসা তো ও প্রায় ভুলেই গিয়েছিলো। তোকে দেখার পর খানিকটা স্বাভাবিক তূর্যকে দেখছি আমরা।

মানে? কিছুই তো বুঝতে পারছি না আমি। কি বলতে চাচ্ছেন উনি। আমাকে দেখার পর? আর কি দুর্ঘটনা ঘটেছে ওনার সাথে? আমার মাথায় হাজারো প্রশ্নের বোঝা, কিন্তু কিছুই বলতে পারছি না আমি। পাশ থেকে মিফতা টিভি বন্ধ করে আমাকে জরিয়ে ধরলো।

ভাবি মণি, তুমি আমাকে আর ভাইয়াকে ছেড়ে যাবে না তো, সত্যি ভাইয়া তাহলে মরেই যাবে।

আমার মাথা ঘুরে আসছে তাদের এই রহস্য জোড়া কথাগুলোতে। কিছুই বুঝতে পারছি না।

এবার আমি ফুফুকে বললাম, কি বলছেন আপনারা? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। একটু খুলে বলুন না প্লিজ, কি হয়েছে ওনার সাথে? কেন এমন উনি?

মিফতা আমার কথা শুনে আমাকে আঠার মতো জরিয়ে ধরলো।

ফুফু বলতে শুরু করলেন,

এটা আজ থেকে ছয় বছর আগের কথা, যখন তূর্যের মা দিলরুবা জীবিত ছিলেন। আমার ভাই তাওহিদ মাহমুদের প্রথম স্ত্রী উনি। এটা তো জানো তূর্য লন্ডন থেকে পড়াশোনা শেষ করেছে। ছোট থেকেই তূর্য মেধাবী ছাত্র হওয়ায় ভাইয়ার অনেক শখ ছিল ওকে বিদেশে পড়ানোর আর আমাদের তো ধনসম্পদের কোন কমতি ছিল না তাই তূর্যকে বিদেশেই বড় করেছেন তিনি। তূর্য আর মিফতা এই নিয়েই ছিলো তাদের সুখের সংসার। তূর্য বাহিরে পড়াশোনা করলেও বছরে তিন বার ও দেশে আসতো। প্রথমতো মিফতার জন্মদিনের দিন, দ্বিতীয় বার ওর মা-বাবার বিবাহ বার্ষিকীতে আর তৃতীয় বার আসতো মায়ের জোরাজুরিতে। ওর বাবা মায়ের ২৫ তম বিবাহবার্ষিকীতে এসে,,,,

ফুফু কি বলছো তোমারা?

তূর্যের কন্ঠস্বর শুনতে পেয়ে ফুফু চুপ হয়ে গেলেন কথা ঘুরিয়ে বললেন, এই তো নতুন বৌমার সাথে গল্প করছিলাম আরকি। বুঝতে পারলাম উনি চাচ্ছেন না তূর্যের সামনে কিছু বলতে। আমি ও আর কিছু বললাম না। কিন্তু প্রশ্ন যেন আমার পিছু ছাড়ছে না। কি হয়েছ ওনার মা-বাবার বিবাহবার্ষিকীতে?

রাত প্রায় বারোটা! তূর্য বাড়িতে নেই। সেই সন্ধ্যায় বেরিয়েছেন ফুফুকে নিয়ে। আঙ্কেল হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তাই ফুফুকে বাসায় দিয়ে আসতে গেছেন তিনি। আমাদেরকে নেন নি, বলেছেন তাড়াতাড়ি ফিরে আসবেন। কিন্তু তার ফিরে আসার কোন হদিস পাচ্ছি না আমি। আমার রাত জাগার অভ্যাস একদম নেই। ঘুমে দু চোখের পাতা এক হয়ে আসছে আমার। আপাতত মিফতার ঘরে আছি আমি। আমায় উনি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন দেরি হলে মিফতার সাথে থাকতে, একা থাকতে নিষেধ করেছেন। মিফতা তো গভীর ঘুমে মগ্ন। আমি বেলকনিতে দাঁড়িয়ে সদর দরজার দিকে তাকিয়ে আছি, কখন ওনার আগমন ঘটবে!

অনেক ঘুম পাচ্ছে এখন আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছি না আমি। বেলকনি থেকে গিয়ে মিফতার পাশে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।

সকালে সোনালি রোদের আলো চোখে পড়তেই হাত দিয়ে চোখ ঢেকে নিলাম। আড়মোড়া ভেঙে বিছানায় বসে পড়লাম। চোখ খুলে নিজেকে তূর্যের ঘরে আবিষ্কার করলাম। আমি এখানে কখন এলাম? কে আনলো? তূর্য কোথায়? আশপাশ তাকিয়ে দেখলাম, তূর্য জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন আমার দিকেই তাকিয়ে আছেন তিনি।

তা ঘুম ভেঙেছে তাহলে? ক’টা বাজে?

আমি এখানে কিভাবে আসলাম?

আমি এনেছি। এবার আমার ধারণা পরিষ্কার হলো।

রাত জাগতে বলেছিলো কে? কয়টায় ঘুমিয়েছিলে?

আপনি কখন এসেছেন? এতো দেরি হয়েছে কেন?

রাফসান বাসায় ছিলো না, আমিই আঙ্কেলের সাথে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। তাই দেরি হয়েছে।

রাফসান কে?

তূর্য আমার দিকে চেয়ে বললেন, আমার ফুফাতো ভাই।

ওহ্, আপনার হাতের অবস্থা কেমন?

তূর্য আমার দিকে এভাবে চেয়ে আছেন যেন আমি তার কাছে কি না কি জানতে চেয়েছি।

এমন করে তাকিয়ে আছেন কেন? আমি কি খারাপ কিছু জিজ্ঞেস করেছি?

আরে না তা না। দেখছি আমার মেহু পরিটা বড় হচ্ছে।

আমি তার দিকে অবাক হয়ে চেয়ে থাকলাম। সে আমাকে বললো, মেহু! আজকে আমায় অফিসে যেতে হবে, ইমপোর্টেন্ট একটা কাজ আছে। তাড়াতাড়ি নাস্তা রেডি করো।

এই অবস্থায় আপনি অফিস যাবেন। হাতের তো বারোটা বাজিয়েছেন।

এবার সে আমার কথায় হেসে ফেললেন। আমায় টেনে তার কাছে বসালেন। এরপর বললেন, ও নিয়ে তোমাকে চিন্তা করতে হবে না পিচ্চি, আমি ঠিকই সামলে নিবো। তুমি নাস্তা রেডি করো।

আমি চলে যেতে নিবো ঠিক তখনই তূর্য আমার কাঁধে মাথা রাখলেন।

জানো, মেহু! আমি ভেবেছিলাম তুমি আমার সাথে আর কথা বলবে না। অনেক রাগ করবে ভেবেছিলাম।

কেন?

ওই যে,,

আমি চুপ করে রইলাম। ঠিকই তো সেদিন যা করেছিলেন উনি অন্য কেউ হলে নিশ্চয়ই এর প্রতিবাদ জানাতো।

মেহু!

হুম,

কিছু না, যাও।

আমি কিছু না বলেই চলে আসলাম।

নিচে গিয়ে দেখলাম মিফতা স্কুলের জন্য রেডি হচ্ছে। আমাকে দেখে বললো, ভাবি মণি! কাল তুমি কখন গিয়েছিলে? তার কথার উত্তরে কি বলবো ভেবে পাচ্ছি না আমি। কিভাবে বলবো আমি নিজেই তো জানি না কিভাবে গেলাম।

মিফতা রেডি হয়ে স্কুলে চলে গেলো। আমি রেহানা চাচির সাথে হাতে হাতে নাস্তা সাজিয়ে নিচ্ছি। রেহানা চাচি আমার কাজে মুগ্ধ, আমার নিপুণ হাতের কাজ তিনি হয় তো আশা করেন নি। টেবিলে খাবার সাজাতে সাজাতে দেখলাম তূর্য সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামছেন। আমি খাবার গুলো রেখে দিলাম। তিনি এসে একটা চেয়ার টেনে বসে পড়লেন। আজ একটা মেরুন রঙের শার্ট আর কালো প্যান্ট পড়েছেন উনি, আর ফর্সা শরীরে এই রংটা বেশ ফুটে উঠেছে। শার্টের হাতা গুলো ফোল্ড করে তিনি খাওয়া শুরু করলেন। একটা রুটির টুকরো মুখের সামনে নিয়েও রেখে দিলেন। আমার দিকে তাকিয়ে আমাকে টেনে পাশের চেয়ারে বসিয়ে দিলেন।

খাওয়া শুরু করো, ফাস্ট।

আরে আরে, আমি পড়ে খাবো। আপনি খেয়ে নিন।

আর একটাও শব্দ না, চুপচাপ খেয়ে নাও।

তার ধমক শুনে আমি কথা না বলে মুখে রুটি পুড়তে লাগলাম। সে একটু পরপর আমার দিকে দেখছে আর মুচকি হাসছে। আমার তো গাঁ জ্বলে যাচ্ছে।

নাস্তা সেরে বেরিয়ে পড়লেন তূর্য। মিফতা তো এর আগেই স্কুল চলে গেছে। রেহানা চাচি রান্না ঘরে দুপুরের রান্নার আয়োজন করছেন। ড্রইং রুমে বসে বোর হচ্ছিলাম আমি, হঠাৎ মনে পড়লো গতকালের কথা। ফুফু তো কথাগুলো অসমাপ্ত রেখেই চলে গিয়েছিলেন। রেহানা চাচি যেহেতু অনেক বছর ধরে এখানে আছেন নিশ্চয়ই তিনি জানবেন। আমি রান্নাঘরের দিকে অগ্রসর হলাম।
রান্না ঘরে গিয়ে দেখলাম চাচি সবজি কাটছেন। আমি গিয়ে তার পাশ ঘেঁষে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে দেখে বললেন,

কিছু বলবা, বউ মণি?

আসলে চাচি, গতকাল ফুফু কি বলছিলো? আপনি কি,,

তার আর বুঝতে বাকি রইল না আমি কি বলতে চাইছি। তিনি বললেন, অনেক আগে থেইকাই এই বাড়িতে থাকি আমি। বড় বউ মণি অনেক ভালো ছিলেন।

উনি কিভাবে মারা গেছেন। কি বলতে চেয়েছিলেন ফুফু?

তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, এগুলো পড়ে কমু বউ মণি। এখন শুনতে চাইয়ো না, তুমি এখনো ছোট।

আমি কিছু ই বুঝতে পারলাম না। তিনি আবার বললেন, বউ মণি সময় হইলেই সবটা জানতে পারবা। শুধু তোমারে এইটুকু বলি, তূর্য বাবারে ছাইড়া যাইয়ো না। ছেলেডা অনেক ভালোবাসে তোমারে।

চলবে……

(রিচেক করা হয় নি! কি লিখেছি বলতে পারি না। অনুগ্ৰহ করে ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা করবেন।)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here