☁ নীল আকাশ 💔 Part : 13

0
167

☁ নীল আকাশ 💔
Part : 13
Writer : Maliha Rahman

আকাশ কে নীলা ধাক্কা মেরে নিচে ফেলে দেয়। আকাশ বেচারা হঠাৎ হওয়াতে বেভাচেকা খেয়ে যায়।
এসব কি নীলা জামাইকে কেউ এভাবে ফেলে দেয়।

ওরে আমার জামাইরে। শোন তুই তো আমাকে জোর করে বিয়ে করেছিছ এভার বুজবি মজা। বউয়ের জালা কত বড় জালা।

তাই এবার তুমিও বুঝবা আমাকে এতদিন কষ্ট দেওয়ার ফল আর অপমান তো বাকী আছে।
কথাগুলো বলে আকাশ নীলার কাছে যায়। নীলাকে বেডের সাথে শক্ত করে চেপে ধরে ঠোঁটে কিস করে।
এরপর গলায় গারে ইচ্ছা মতো কিস করতে থাকে।
নীলা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করাতে আকাশ নীলা কে কামড় দেয়। তাই নীলা আর বাধা দেয় না।

কিছুক্ষণ পরে আকাশ নীলাকে ছেড়ে দেয়।

আকাশ নীলার সামনে দাড়িয়ে আছে আর নীলাকে দেখছে। নীলা লজ্জায় আর রাগে লাল হয়ে আছে।

আকাশ – এভাবে না তাকিয়ে আমাকে পা ধরে সালাম কর। কারন বিয়ের দিন জামাইকে সালাম করতে হয় তুমি জান না বউ।

নীলা – যে না আমার জামাই তাকে আবার সালাম করতে হবে। আমি পারব না সালাম করতে। আর মানুষ রাতে সালাম করে এমন ভরদুপুরে সালাম করে না।

আকাশ – শোন মানুষ দুপুরে বিয়ে করে বউ আনে রাতে। আবার রাতে বিয়ে করে মধ্য রাতে আনে। কিন্তু আমি তো সকালে বিয়ে করছি তো আমাকে এখন সালাম করতে হবে। আর শোন সবার বাসর রাত হয় আর আমার টা দিনে হবে। কোন সমস্যা তোমার।

নীলা – আমি করবনা।

আকাশ – দেখ বউ ভালো ভালো সালাম কর না হলে কিন্তু আবার গতকাল মতো করব এখন তোমার ইচ্ছা।

নীলা আকাশের কথা শুনে ভয় পেয়ে দ্রুত পা ধরে সালাম করে। আকাশ নীলাকে বুকে জড়িয়ে কপালে কিস করে। আর বলে যাও ওযু করে আস নামাজ পরব একসঙ্গে।
নীলা ওযু করে আসে তারপর আকাশ ও ওযু করে আসে। একসঙ্গে নামাজ পরে।

নীলা – মোনাজাত – হে আল্লাহ আমি জানি তুমি যা কর আমাদের ভালোর জন্য কর। কিন্তু এ কেমন ভালো আমার করলা তুমি। এ পাগলের কাছ থেকে আমাকে বাচাও। আমিন

আকাশ – মোনাজাত – হে আল্লাহ আমি জানি আমি অনেক পাপ করেছি। কিন্তু আমি যদি জীবনে কোন ভাল কিছু করে থাকি তাহলে তার বিনিময়ে আমার বউয়ের হায়াত বৃদ্ধি কর। আমি জানি ও আমার ভালোবাসা বুজে না তবে আমি মরার আগে যেন ও আমার ভালোবাসা বুঝতে পারে। আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও আমার বউয়ের হায়াত দান কর।

নামাজ শেষে আকাশ নীলাকে বলে ডয়েরে কাপড় আছে পালটিয়ে নিচে আস।

নীলা আকাশের কথা শুনছে তা না হলে নীলা ভালো করে জানে আকাশ যেকোন কিছু করতে পারে।

আকাশ আর নীলা দুপুরে খাবার খেয়ে নীলাকে নিয়ে বাহিরে চলে যায়।

নীলা – আচ্ছা কোথায় যাচ্ছি আমরা।
আকাশ – তোমাকে বিক্রি করে দিতে। একটা ডেবিল হাসি দিয়ে।
নীলা বেচারি তো ভয়ে ডুব গিলছিল। আর আড় চোখে আকাশ কে দেখছিল।

নীলা – আল্লাহ কেন যে আমি এর সাথে এত জামেলা করেছি এখন সবকিছু প্রতিশোধ নিবে। আল্লাহ তুমি বাচাও আমাকে এ ডেবিল কাছ থেকে।

কিছুক্ষণ পরে একটা শপিং মলের সামনে গাড়ি থামিয়ে নীলা কে ভিতরে নিয়ে যায়। নীলা এখনো ভয়ে আকাশ কে দেখছিল আর আকাশ মুচকি হাসছিল।

এসব গুলো শাড়ী এক এক করে ট্রায়াল দিয়ে আস। আমি দেখব কেমন লাগে তোমাকে।
নীলা আকাশের কথা শুনে মাথায় বাশ। কারণ নীলা এমনিতে শাড়ী পরতে পারে না তারপর (20) টি শাড়ি।
আকাশ নীলার কাছে গিয়ে বলে কি হল দাঁড়িয়ে আছ কেন তোমাকে কোন শাড়িতে ভালো লাগে বেশি দেখতে হবে না আমার তা না হলে বিক্রি করতে পারব না। আর ভালো দাম ও পাব না। চোখ টিপ মেরে নীলাকে বলে কথাগুলো আকাশ।

নীলা – আপনি কি সত্যি আমাকে বিক্রয় করে দিবেন নাকি। দেখন আমি জানি আমি আপনাকে অনেক অপমান করেছি। কিন্তু এখন তো আমি আপনার বউ।
আর আপনি তো আমাকে লাভ করতেন।

আকাশ – মুচকি হেসে বলে ও রেলি জান তুমি বুঝতে পারছ আমি তোমাকে লাভ করি আর এখন থেকে আমার বউ তুমি।

নীলা- কান্না চেহারা নিয়ে হা বলে। না বলে উপায় কি যদি সত্যি বেচে দেয়। আচ্ছা আমাকে কোথায় বেচে দিবেন আপনি।

আকাশ – ও এখন তুই থেকে আপনি। শোন দুবাইয়ে এক বুইড়া বেডার কাছে । এক কোটি টাকা দিব আর তোমাকে দেখে তো আমার থেকেও পাগল হয়ে গেছে।

নীলা আকাশের কথা শুনে শাড়ী সব ফেলে দিয়ে আকাশের পা ধরে কান্না করে। আর বলে দেখেন আপনি আমাকে মাফ করে দিন আর আপনি যা বলবেন আমি তাই করব। দরকার হলে আপনার বাড়িতে বুয়ার কাজ করব তবুও আমাকে ঐ দুবাইয়ে বুইড়া বেডার কাছে বিক্রি করবেন না।

নীলা আকাশের পা ধরে কান্না করছিল আর শপিং মলের ভিতরে মানুষ হা করে তাকিয়ে আছে। আর কিছু মানুষ হাসছিল।

আকাশ মানুষদের দেখে দ্রুত নীলাকে কোলে তোলে নিয়ে কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বলে ওকে তবে আমি যখন যা বলব তখনই তা করতে হবে তা না হলে কিন্তু আমি।
না না আমি সবকিছুই করব আপনার।

আকাশ নীলার সাথে মজা করতে চেয়েছিল জাস্ট কিন্তু কিছু লোকজন তা র বউয়ের মজা নিবে এটা তো আকাশ হতে দিবে না। তাই সবার কাছে নরমাল করতে নীলাকে কোলে তুলে নেয়।

আকাশ – দেখ আমি চাই তুমি প্রতিদিন শাড়ি পরবা আমার সামনে আর না পরতে পারলে সমস্যা নেই আমি তো আছি।

নীলাকে কোল থেকে নামিয়ে বসিয়ে কথাগুলো বলছিল আর নীলা মাথা নাড়াছিল।

আকাশ নীলার সাথে নিয়েকে অনেক কিছু কিনে দেয়।
রাতে একসঙ্গে রেস্টুরেন্টে খেয়ে বাড়িতে ফিরে।

আকাশ রুমে এসে শপিং ব্যাগ রেখে বেডে শুইয়ে পরে।নীলা ফ্রেশ হয়ে এসে নিচে বালিশ নিয়ে চুপচাপ শুইয়ে পরে।

আকাশ – হে বউ তুমি নিচে কেন ওপরে আস আর এসে আমার পা টিপে দেও সারাদিন অনেক দখল গেছে।

নীলা আকাশের কথা শুনে দ্রুত আকাশের পা টিপতে থাকে।। বলা তো যায় না যদি বেচে দেয়।

আকাশ নীলার কানড দেখে মুচকি মুচকি হাসছে।

একটা সময় পরে আকাশ নীলা কে একটানে কাছে এনে নীলার ওপরে ওঠে। নীলা ভয়ে চোখ বন্ধ করে আছে।

আকাশ নীলার পা হতে মাথা পযর্ন্ত ধীরে ধীরে কিস করতে থাকে। আর নীলা আকাশে ছোঁয়া কেপে ওঠছিল।
একটা সময় আকাশ নীলার মাজে ডুবে যায় ভালোবাসার সাগরে।
আর এদিকে নীলা এখনো ভয়ে আছে দুবাইয়ে লোক কে নিয়ে।
একটা সময় আকাশ নীলাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে যায় আর নীলা ও ঘুমিয়ে যায় আকাশের বুকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here