☁ নীল আকাশ 💔 Part: 14

0
184

☁ নীল আকাশ 💔
Part: 14
Writer : Maliha Rahman

খুব সকালেই নীলার ঘুম ভেঙ্গে যায়। নীলা আকাশের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু আকাশ নীলাকে আরও নিজের সাথেই জড়িয়ে ধরে রাখছে আর বলছে – আরও একটু ঘুমাও বউ।

নীলা আকাশকে ধাক্কা মেরে ওঠে যেতেই আকাশ নীলাকে একটান দিয়ে নিজের কাছে এনে বলে কি বলছি কান দিয়ে যায় না কথা তোমার। নাকি দুবাইয়ে বুইড়া কাছে যেতে চাচছ।

নীলা ভয় পেয়ে বলে। আসলে নামাজ পরতে হবে ফজরের। আযান দিছে তাই।

আকাশ নীলার কথা শুনে বলে আচ্ছা ঠিক আছে যাও তবে নামাজ শেষে যেন আমার কাছে পাই তোমাকে।

নীলা হা বলে। আর শাড়ি নিয়ে ওয়াশরুমে গোসল করতে যায়। নীলা ওয়াশ রুমে গিয়ে নিজকে খুব ভালো ভাবে দেখতে থাকে। বিয়ের পরে মেয়েদের শরীর মেয়েদের অধিকার থাকে না। কি করেছে আমার শরীর টা সব জায়গায় কামড়ের দাগ। আর শয়তান টা বলে এগুলো নাকি লাভ বাইট। জামাইয়ের ভালোবাসা।

নীলা গোসল শেষ করে ওযু করে নামাজ পরে নেয়।
কেমন জানি লাগছিল নীলার। বারান্দায় গিয়ে অবাক নীলা। বাড়ির দেয়ালে তারকাটার দিয়ে বেড়া দেওয়া। এতে নীলা তো দূরের কথা কোন চোর ও আসতে যেতে পারবে না। নীলা বুঝতে পারছে এসব কিছু আকাশ করেছে যাতে নীলা পালাতে না পারে।

নীলার আবির কথা অনেক মনে পরছে। কোথায় আবির এত কিছু হয়ে গেল নীলার সাথে কিন্তু আবির একবার ও নীলার সাথে কোন যোগাযোগ করে নাই।

আর ঐদিন ফোন দিয়েছে শুধু আকাশের সাথেই কথা বলেছিল আবির।

জীবনের খারাপ সময় যদি ভালোবাসার মানুষ পাশে না থাকে তাহলে কি দরকার ভালোবাসার।

নীলার অনেক অভিমান হচ্ছে আবিরের ওপর। আবির কাছে অনেক উওর জানার আছে নীলার। কেন এমন করল আবির নীলার সাথেই।

নীলা দেখে আকাশ গভীর ঘুমে আছে। নীলার কাছে ফোন নেই। কিন্তু আকাশের মোবাইল টা পাশে ছিল।
তাই নীলা আকাশের মোবাইল নিয়ে অন্য রুমে চলে যায়।

ইস মোবাইল টা তো পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করা এখন কি করে খুলব মোবাইল টা। অনেক পাসওয়ার্ড দিয়ে চেষ্টা করছিল নীলা কিন্তু পারেনি। হঠাৎ নীলার মনে হল আকাশ তো ওকে অনেক লাভ করে আর বউ বউ করে তাই একবার চেষ্টা করে দেখলে কেমন হয়।

আমার বউ দিতেই পাসওয়ার্ড মোবাইল লক খুলে যায়।
নীলা বলে আকাশ আসলে পাগল একটা। তা না হলে কেউ এমন পাসওয়ার্ড দেয়।

আবির নামবারটা ফোন দিচ্ছে কিন্তু বন্ধ বলছে বার বার। নীলা অনেক বার চেষ্টা করছিল একই কথা বলে বন্ধ।

নীলা আকাশের মোবাইল আকাশের কাছে রেখে সোফায় ঘুমিয়ে যায় কান্না করতে করতে।

সকাল নয়টায় আকাশের ঘুম ভেঙ্গে যায়। তাকিয়ে দেখে নীলা সোফায় ঘুমিয়ে আছে।

আকাশ নীলার কাছে গিয়ে অনেক ক্ষন তাকিয়ে থাকে।
আকাশ লকার থেকে নীলার জন্য কিছু গয়না বাহির করে।

আকাশ নীলার জন্য এগুলো কানাডা থেকে নিয়ে এসেছিল। বিয়ের পরে দিবে তাই রেখেছিল।

আকাশ নীলার কাছে গিয়ে নীলাকে একটা সোনার পায়েল পরিয়ে দেয় আর তখনই দেখতে পায় নীলাকে যে রূপার পায়েল দিয়েছিল তা নীলা এখনো পরে আছে।
আকাশ অনেক খুশি হয়। নীলার পায়ে কিস করে। আর রূপার পায়েল খুলে সোনার পায়েল পরিয়ে দেয় আরও একটা কিস করে পায়ে।

এরপর আকাশ নীলার হাতে সোনার চুড়ি পরিয়ে দেয়। আঙুলে আটিং পরিয়ে দেয়। এরপর

গলায় A অক্ষর রকেট সহ চেইন পরিয়ে দেয়। কানে ছোট দুল পরিয়ে দেয়।

আকাশ নীলার যে সকল জায়গায় গহনা পরিয়ে দিয়েছে সে সকল জায়গায় কিস করছিল।

নীলাকে কোলে করে নিয়ে বেডে শুইয়ে দেয়। আর নিজে ফ্রেশ হয় নিচে যায়।

খালা নাস্তা তৈরি হয়েছে।

হ বাবা একটু অপেক্ষা করেন। আর বউ মা কই বাবাজি।

ও খালা তুমি ওকে ঢেকে আন আমি অপেক্ষা করছি।

ঠিক আছে।

নীলা নিজের থেকে ঘুম থেকে ওঠে নিজকে বেডে দেখে। কিন্তু আমি তো সোফায় ছিলাম তাহলে আকাশ আমাকে।

হঠাৎ নীলা নিজেকে দেখে অবাক এসব কে করল

[ শনিবার আগে আর দিতে পারব না দুঃখিত। পারিবারিক কারণে। আর কেমন হয়েছে বলবেন। sorry ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here