সাঝের_প্রণয়ডোর #সাদিয়া_সুলতানা_মনি #পর্ব_৩৭

0
24

#সাঝের_প্রণয়ডোর
#সাদিয়া_সুলতানা_মনি
#পর্ব_৩৭

হসপিটাল থেকে মাত্রই ফিরল আফিফ। কলিংবেল দিতেই তাদের বাড়ির হেল্পিং হ্যান্ড মহিলাটি দরজা খুলে দেয়। তার কাছে মায়ের ও স্ত্রীর কথা জানতে চাইলে সে জানায় আজ শ্বাশুড়ি তার একমাত্র পুত্র বধূকে নিয়ে কিচেনে কি জানি করছে। কাজটা করার ইচ্ছে প্রথমে রাহাই প্রকাশ করেছে বলে আফরা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে তাকে সাহায্য করছে।

হেল্পিং হ্যান্ডের কাছে এমন উদ্ভট কথা শুনে আফিফের কপালে কয়েকটা ভাজ পড়ে৷ কি করতে চাইছে মেয়েটা? তাও আবার কিচেনে? আম্মুর আবার তাকে শেখাচ্ছে তার মানে মামলা বড়সড় কিছু। সে জিজ্ঞেস করে–

—আপনি দেখেন নি খালা ওরা দুই জন কি করছে?

—না গো আফিফ বাবা। আমারে তো রান্নাঘরে ঢুকবারই দিতাছে না।

—ওহহ।

আফিফ আর কিছু জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন বোধ করে না। তার মা যখন রাহার সাথে আছে তখন কোন গোলমাল হওয়ার চান্স নেই। সে নিজের ঘরে যাওয়ার আগে কাজের খালাকে বলে–

—খালা আমাকে একটা কফি দিয়ে যেয়েন প্লিজ। মাথাটা প্রচন্ড ধরেছে।

—আচ্ছা বাবা। তুমি যাইয়া ফেরেশ হইয়া লও আমি তোমার কপি নিয়া আইতাছি।

কাজের খালার ভুলভাল ইংরেজি শুনে আফিফের হাসিই পায় বটে কিন্তু সে হাসে না। হাসলে খালা লজ্জা পাবে আর তাকে অপমানও করা হবে। আফিফ তার কথার সম্মতি দিয়ে চলে যায় নিজের ঘরে। ব্যাগটা রেখে জামাকাপড় নিয়ে ওয়াশরুমে শাওয়ার নিতে। যদিও গা টা ম্যাচম্যাচ করছে, জ্বর আসার পূর্বাভাস তাও সারাদিনের হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পর একটা ওয়ার্ম শাওয়ার না নিলে ক্লান্তিটা যেনো রয়েই যায় শরীরে।

শাওয়ার নিয়ে চুল মুছতে মুছতে বের হয়ে আসে আফিফ। টাওয়ালটা বেলকনিতে মেলে দিয়ে এসে সোফায় গা এলিয়ে দেয়। মাথা ব্যথায় ছিঁড়ে যাচ্ছে। নিজের হাত দিয়ে নিজের মাথায় হালকা করে ম্যাসাজ করতে থাকে। তখনই রুমে আসে রাহা।

টুকটুক করে কফির কাপটা নিয়ে এগিয়ে আসে আফিফের দিকে। আফিফ তখন চোখ বন্ধ করে তার মাথা ম্যাসাজ করছে। রাহা হালকা করে গলা খাঁকারি দিয়ে বলে–

—আপনার কফি।

আফিফ চমকে উঠে রাহার কণ্ঠ শুনে। বাবার আদরের দুলালি হওয়ায় কিচেনের ধারে কাছেও যেতে দিত না রাহাত তাকে। নিজের পানিটা পর্যন্ত গড়িয়ে খায় না সে। সেই রাহা আফিফের জন্য কফি নিয়ে এসেছে, বিষয়টা তার কাছে বিস্ময়করই বটে। সে হা করে একবার রাহার দিকে আরেকবার তার হাতের মগটার দিকে তাকায়।

রাহা তার এমন রিয়েকশনে একটু বিরক্ত ও অস্বস্তি বোধ করে। সে বলে–

—কি হলো ধরুন।

আফিফ থতমত খেয়ে কফির মগটা হাতে তুলে নেয়। রাহাকে বলে–

—থ্যাঙ্কস।

—মেনশেন নট।

আফিফ একটা সিপ নেয় কফির। এক চুমুক খেয়েই সে বুঝে গিয়েছে কফিটা তার মা বা কাজের খালা বানায় নি, একদমই ভিন্ন স্বাদ কফিটার। পরপর আরো কয়েকবার চুমুক দেওয়ার পর সে শুনতে পায়, তার সামনে দাঁড়ানো রমণীটি বলছে–

—কেমন হয়েছে কফিটা?

আফিফ রাহার দিকে তাকিয়ে দেখে রাহা বেশ উদগ্রীব হয়ে আছে উত্তরটা জানার জন্য। তার মানে কফিটা সে বানিয়েছে? আফিফ রাহা’কে জিজ্ঞেস করে–

—আপনি বানিয়েছেন কফিটা?

রাহা কয়েকবার মাথা উপর নিচ করে। তার মানে সে বানিয়েছে। এবং সে এখন জানতে চাইছে কেমন হয়েছে কফিটা খেতে। আফিফ কথাটা শুনে মুখটা বেশ গম্ভীর করে নেয়। হঠাৎই করে এমন গম্ভীর মুখাবয়ব করায় রাহা ধরেই নেয় খেতে হয়ত ভালো হয়নি কফিটা। মুখটা মলিন করে বলে–

—ভালো হয়নি তাই না? আই এম সরি, আসলে আমি কখনো এসব করিনি তো তাই এমনটা হয়েছে। আন্টি আমায় হেল্প করেছে তাও, দিন আমায় মগটা আমি চেঞ্জ করে আন্টির হাতে বানানো কফি নিয়ে আসছি।

রাহা কথাটা শেষ করে আফিফের হাত থেকে কফির মগটা নিতে গেলে আফিফ সাথে সাথে মগটা সরিয়ে ফেলে। তার এমন কাজে রাহার কপালে ভাজ পড়ে। সে ভ্রু কুঁচকে বলে–

—কি হলো দিন? সরালেন কেনো?

আফিফ তাকে পাল্টা প্রশ্ন করে–

—আমি কি একবারও বলেছি খারাপ হয়েছে খেতে?

—না বলেন নি। কিন্তু আপনার চোখমুখ তো অন্যকিছু বলছে।

—তা কি বলছে শুনি একটু?

বেশ হেঁয়ালি করে বলে আফিফ। আফিফের এমন হেঁয়ালিপূর্ণ কথায় রাহার কেন জানি রাগ হয়। সে তার কোমড়ে দুই হাত রেখে বলে–

—আপনার চোখমুখ বলছে কফিটা ভালো হয়নি। এখন দেন মগটা আমার কাছে।

লাস্টের কথাটা বেশ ধমকের সুরে বলে রাহা। আফিফ তার এমন ধমক শুনে অবাক হয়ে যায়। তার চেয়ে গুণে গুণে সাড়ে আট বছরের এক পুচকি কিনা তাঁকে ধমকাচ্ছে। বিষয়টা বেশ মজার লাগলো। আফিফ কফিতে আরেকটা চুমুক দিয়ে বলে–

—বাহ তুমি দেখি রাগও করতে জানো। তা শুনো পুঁচকি মেয়ে, বেশি রাগ করা স্বাস্থ্যের জন্য কিন্তু ভালো না। চুল পড়ে গিয়ে অকালেই বুড়ি হয়ে যাবে। তখন আমাকে লোকে বলবে, এত সুন্দর-হ্যান্ডসাম ডাক্তারের টেঁকো বউ।

প্রথমে পুঁচকি পরে আবার টেঁকো বউ। আফিফের একের পর এক কথায় রাহার পিনপিনে রাগটা দাবানলের মতো রূপ নেয়। সে তার ওড়নাটা কোমড়ের একপাশে গিট দিয়ে আফিফের কাছে এগিয়ে এসে তার চুল টেনে ধরে। আফিফ রাহার এহেন কাজে হতভম্ব হয়ে যায়। মেয়েটা এতটা রেগে যাবে সে ভাবেনি। রাহা আফিফের চুল টানতে টানতে বলে–

—অসভ্য ডাক্তার। আমায় পুঁচকি আর টেঁকো বলেন, সাহস তো কম না। আজ আপনাকে আমি টেঁকো বানিয়ে ছাড়ব।

রাহার চুল টেনে দেওয়ায় আফিফের অবশ্য ভালোই লাগছে। আগে আদিবা এমন করে চুল টেনে দিত যখন তার মাথা ব্যথা করত, আর আজ রাহা নিজের অজান্তেই আফিফকে প্রশান্তি দিচ্ছে।

আফিফ তার ঘাড়ের দিকে ইশারা করে বলে–

—ঘাড়ের দিকের চুল গুলো একটু টেনে দাও তো। বাহ্! তােমার হাতে তো জাদু আছে। আমার মাথা ব্যথা চলে যাচ্ছে।

আফিফের মাথা ব্যথা শুনে রাহার হাতজোড়া থেমে যায়। মনের মধ্যে খারাপ লাগা কাজ করে। লোকটা সারাদিন হসপিটালে দৌড়াদৌড়ি করে এসে একটু রেস্ট নিচ্ছিল আর সে কিনা তার শরীরের খবর না নিয়ে উল্টো ঝগড়া করছে। যেমন তেমন ঝগড়া না চুলোচুলি মার্কা ঝগড়া।

এদিকে রাহাকে থেমে যেতে দেখে আফিফ বলে–

—কি হলো থামলে কেনো? দাও আরো। ভালো লাগছিল আমার।

আফিফের কথাটা রাহার কাছে ব্যঙ্গাত্বক মনে হলো। সে আফিফের মাথা থেকে নিজের হাতজোড়া সরিয়ে আনে। তারপর অপরাধীর মতো মুখ করে বলে–

—আই এম সরি এগেইন।

—তা কেনো?

—আপনার মাথা ব্যথা করছিল আর আমি একের পর এক ব্লান্ডার করে চলেছি। প্রথমে বাজে কফি এখন আবার চুল টানলাম। আপনার ব্যথা লেগেছে নিশ্চয়ই?

নিচের দিকে তাকিয়ে কথা গুলো বলে রাহা। আফিফ তার কথা শুনে হেঁসে দেয়। তারপর বলে–

—আমার ব্যথা লাগে। বরং ভালো লাগছিল। ডাক্তার হয়েও ঔষধ নেওয়া আমার তেমন একটা পছন্দের না। আগে যখন আমার মাথা ব্যথা হতো তখন তো আদিবা আমার চুল টেনে মাথা ম্যাসাজ করে দিত। তুমি নিজের অজান্তেই আমার পেইন কিছুটা কমিয়ে দিয়েছ।

—সত্যি?

—হ্যা রে বাবা সত্যি।

রাহা চোখ ছোট ছোট করে বলে–

—আমি আপনার বাবা?

আফিফ রাহার কথায় আবারও থতমত খেয়ে যায়। সে রাহাকে কিছু বলবে তার আগেই রাহা হেঁসে দেয়। আফিফ হা করে তাকিয়ে দেখতে থাকে তার হাসি। তাদের বিয়ের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে কাল। এতগুলো দিনে সে কখনোই রাহাকে এমন প্রাণ খুলে হাসতে দেখেনি। তাই আজ তাকে এমন ভাবে হাসতে দেখে আফিফ অবাক হয়ে যায়। রাহা মেয়েটা তার বাবা-মায়ের মতো ভীষণ সুন্দর। হাসলে দুই গালে এক ইঞ্চির মতো ডেবে যায়। মানে টোল পড়ে। টোল পড়া মানুষদের হাসলে কতটা সুন্দর লাগে আশা করি আপনারা জানেন।

রাহা নিজের হাসির প্রকোপ কিছুটা কমিয়ে বলে–

—আপনি কি আমার কথা সিরিয়াস নিয়েছিলেন আফিফ? কেমন থতমত খেয়ে গিয়েছিলেন।

কথটা বলে রাহা আবার হেঁসে দেয়। তার হাসি দেখে আফিফও হেসে দেয়। ঘাড়ের পেছনের দিকে চুলকে বলে–

—তেমন কিছু না।

তাদের হাসাহাসির মাঝেই নিচ থেকে ডাক আসে ডিনার করার জন্য। আফিফের কফি ততক্ষণে প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। রাহা মগটা নিজের হাতে তুলে নিয়ে ঘরে থেকে বের হতে হতে বলে–

—তাড়াতাড়ি নিচে আসুন। সবাই অপেক্ষা করছে।

আফিফ তাকে পেছন থেকে ডেকে বলে–

—রাহা শুনুন।

—জ্বি।

রাহা ঘাড় ঘুরিয়ে আফিফের দিকে তাকায়। আফিফ বলে–

—আপনার হাসিটা সুন্দর। মাঝে মধ্যে এই সুন্দর হাসিটা দেখার সুযোগ এই অধমকেও দিয়েন।

আফিফের কথা শুনে রাহা লজ্জা পেয়ে যায়। সেই সাথে মনের কোণে একটা ভালো লাগাও কাজ করে। সে কোনমতে বলে–

—ধন্যবাদ।

কথাটা বলেই রাহা ফুরুত। আফিফ তার পালিয়ে যাওয়া দেখে বুঝতে পারে তার বউ লজ্জা পাচ্ছে। সে নিজে নিজে কিছুক্ষণ হেঁসে হাটা দেয় নিচের যাওয়ার জন্য।

__________________________________

মাথা নিচু করে অপরাধীর ন্যায় সোফায় বসে আছে মেহরিমা। তার ঠিক বিপরীত পায়ের সোফায় বসে আছে হায়া। তীক্ষ্ণ তার দৃষ্টি। হায়া কোন কথা না বলেই জায়গা ছেড়ে উঠে যেতে নিবে তখনই মেহরিমা তাড়াহুড়ো করে তার কাছে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে। হায়া কয়েকবার মেহরিমাকে নিজের থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে কিন্তু মেহরিমা শরীরের সব শক্তি দিয়ে ধরে রাখায় তেমন একটা সুবিধা করতে পারে না।

হায়া হানিয়াকে বলে–

—আম্মু, তোমার বড় ছেলের বউকে বলো আমায় ছাড়তে মেজাজ খারাপ হচ্ছে কিন্তু আমার। ননদের সাথে এত জড়াজড়ি কিসের আজব তো?

হায়ার কথা শুনে মেহরিমা ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে। মেহরিমার কান্না শুনে হায়ার রাগ কিছুটা পড়ে যায়। কিন্তু পুরোপুরি যায় না। সে মেহরিমাকে জড়িয়ে না ধরেই বলে–

—এখন কাঁদছিস কেন? ছেড়ে যাওয়ার সময় একবারও আমাদের কথা মনে পড়ে নি? আমার কথা বাদ দেয়, আমার ভাই টার কথা তোর একবারও মনে পড়েনি? এতটা কঠোর কি করে তুই হতে পারলি মেহরিমা? এত কঠোর হৃদয়ের মেহরিমাকে তো আমি চিনি না। আমি যাকে চিনতাম তার মনটা ছিল একদম কাদামাটির মতো নরম।

কথাটা বলে এবার জোর খাটিয়ে নিজের থেকে মেহরিমাকে ছাড়িয়ে নেয় হায়া। সোফার উপর একপাশে রাখা নিজের সাইড ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে মায়ের উদ্দেশ্য বলে–

—আমি আসছি। রাত হয়েছে গিয়েছে। উনি আর মাম্মা টেনশন করবে।

কথাটা বলে হায়া হাঁটা শুরু করে মির্জা বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য। হায়া চোখের আড়াল হতেই মেহরিমা প্রচন্ড কান্নায় ভেঙে পড়ে। হানিয়া তার কাছে এসে তাঁকে আগলে নেয় নিজের বুকের সাথে। নানান ধর কথা বলে তাকে শান্ত করতে চেষ্টা করে।

______________________________

—এ কি? আপনি বালিশ নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন?

জাহানকে বালিশ নিয়ে সোফার দিকে যেতে দেখে মেহরিমা তটস্থ গলায় প্রশ্নটি করে। জাহান তার ছোট বক্তব্য দিয়ে বলে–

—সোফায়।

—কেনো? এত বড় বেড থাকতে আপনি সোফায় যাচ্ছেন কেনো?

মেহরিমার একের পর এক প্রশ্নে জাহান কিছুটা বিরক্ত বোধ করে। সে বিরক্তিকর গলায় বলে–

—ঘুমাতে যাচ্ছি। পেয়েছ তোমার প্রশ্ন? এখন আমি যেতে পারি? নাকি আরো প্রশ্ন আছে?

—বেডে কি হয়েছে? বেডে ঘুমান।

—অনেক সমস্যা হয়েছে। বড় সমস্যা হলো তুমি। দেখো আমরা এখন স্বামী-স্ত্রী। এমন একটা বৈধ সম্পর্ক যেটা সমাজ আর ধর্ম দ্বারা স্বীকৃতি প্রাপ্ত। একটা পবিত্র বাঁধনে বাধা এখন আমরা। স্বাভাবিক ভাবেই একটা আকর্ষণ কাজ করবে পাশাপাশি বা কাছাকাছি থাকলে। স্বামীর অধিকারের অজুহাতে, তোমায় হয়ত আমি গভীরভাবে ছুঁয়েও দিতে পারি। সেটা আমার জন্য সুখকর হলেও তোমার জন্য নাও হতে পারে। আফটার অল, তুমি তো আর আমায় ভালোবাসো না। স্বামীর অধিকার ছুতো দিয়ে নিজের স্ত্রীর অনিচ্ছায় তাঁকে কাছে টেনে নেওয়ার মাধ্যমে ম্যারিটাল রে**প করার মতো কাপুরুষ অন্তত আমি নই। ছুঁয়ে দিলাম না তোমায়, তাতে কি হবে? শারীরিক স্পর্শর চেয়ে আত্মা আর মনকে স্পর্শ করা বড় পাওয়া আমার কাছে। তোমার মনকেই তো আমি স্পর্শ করতে পারলাম না, সেখানে শরীর স্পর্শ করা আমার কাছে দুনিয়ার কঠিনতম শাস্তিগুলোর একটি। তুমি চোখের সামনে আছো এটাই অনেক। শুভ রাত্রি।

কথাগুলো বলে জাহান সোফায় গিয়ে শুয়ে পড়ে কপালে হাত রেখে। মেহরিমা শুধু ছলছল চোখে তার বক্তব্য শুনেই গেলো। তার যা বলা উচিত ছিলো এবারও তা বলতে পারল না।

শব্দসংখ্যা~১৬৪৭
~চলবে?

[সবাই বেশি বেশি রেসপন্স করার চেষ্টা করবেন। আপনাদের রেসপন্সের উপর ডিপেন্ড করবে কাল দিবো নাকি গল্পটা।

ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স 🥹😘]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here