চূর্ণচূড়ায়_চাঁদের_পাহাড় লেখনিতে— #সৈয়দ_মারিয়াহ্_হামিদ ১৭.

0
26

#চূর্ণচূড়ায়_চাঁদের_পাহাড়
লেখনিতে— #সৈয়দ_মারিয়াহ্_হামিদ

১৭.
সন্ধ্যা হতেই যে যার মতো কাজে লেগে পরেছে। তুলি সকাল থেকে কৌশলীর সাথে কথা বলতে চেয়েছিল কিন্তু পারে নি। কৌশলী জমিদার বাড়িতে নেই। সাইর জানিয়েছে কৌশলী তার রাজ্যে ফিরে গেছে সকালবেলা। অনেক দিনতো হলো পরী-রাজ্য মরুময় হয়ে আছে। যেহেতু কৌশলী তার নিজের সব শক্তি ফিরে পেয়েছে তাহলে অবশ্যই এখন তাকে নিজ রাজ্য পরিচালনা করতে হবে। তাই সে কাউকে না জানিয়ে চলে গেছে নিজের রাজ্যে।

মন খারাপ নিয়ে জানালায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তুলি। মৃদু বাতাসে তার লম্বা ঘন কালো চুলগুলো এদিক-ওদিক নড়ছে। মাথা এলিয়ে দিলো জানালার কপাটে। অন্ধকার ঘরে হঠাৎই আলো দেখতে পেলো তুলি। আলো বললেও ভুল। আলমারির ফাঁকফোকর দিয়ে সরু আলো বেরিয়ে আসছে। কৌতুহল নিয়ে এগিয়ে গেলো তুলি। আলমারি খুলতেই দৃঢ় আলো ভেসে এলো। কয়েকটা কাপড় সরাতেই একটা পুস্তক পেলো তুলি। ফু দিয়ে উপরের ধুলো সরিয়ে আঁচলের কিছু অংশ দিয়ে পুস্তকটা মুছলো তুলি।

ভালো করে এদিকে সেদিক খুঁজলো আলমারির। কিন্তু কোথাও আর আলো নেই। তুলি সাবধানে পুস্তকটা খুলতেই অন্ধকার ঘর আলোয় ভরে গেলো। পুন্তকের ভেতরের লেখাগুলো জ্বলজ্বল করে আলো ছড়াচ্ছিল। তুলি দ্রুত চৌকিতে বসলো। তারপর পৃষ্ঠা উল্টে পড়তে শুরু করলো„ —“অভ্র রহিম কাদিজ।”

প্রথম পৃষ্ঠায় এই একটা নামই লিখা ছিলো। তুলি বেশ অবাক হলো। পুস্তকটা কার ছিল? আর কে এই অভ্র রহিম কাদিজ? আগ্রহ বসত তুলি আবারও পরের পৃষ্ঠা উলটিয়ে পড়তে লাগলো„ —“অভ্র রহিম কাদিজ এর অর্কা হওয়ার গল্প।”

তুলি নিজের কৌতুহল আর দমিয়ে রাখতে পারলো না। সে দ্রুত অর্কার জীবনী পড়ার জন্য ছটফট করতে লাগলো। পরের পৃষ্ঠা উলটিয়ে পড়তে শুরু করলো„ —“পিতা-মাথা বিহীন অনাথ-এতিম ছেলে অভ্র রহিম কাদিজ। তার দাদা আকবর কাদিজ শখের বসে তার নাম রেখেছিল অভ্র রহিম কাদিজ। কিন্তু তার বয়স যখন তিন বছর তখনই তার পিতা-মাতা মা’রা যায়। মা’রা যায় বললে ভুল হবে। বরং কেউ তাদের মেরে ফেলে। অভ্র’র দাদা আকবর কাদিজ ছিলেন ক্যান্সারে ভুক্তভোগী। নাতিকে পড়াশুনার তাগিদে একটা মাদ্রাসায় ভর্তি করায়। কিন্তু অভ্র’র দুষ্টামিতে সেখানে আর বেশিদিন সে পড়াশুনা করতে পারে নি। পরে তার দাদা তাকে নিজ বাড়িতেই পড়াশুনা শিখাতে শুরু করেন। ফলে বেশি অসুস্থ হওয়ার কারণ তার দাদা আকবর কাদিজ ইন্তেকাল করেন। তখন তার বয়স ছিল আট বছর। অভ্র’র দুর সম্পর্কের চাচা ছিল আব্দুল কাদির। তিনি অভ্র’কে নিয়ে গিয়ে নিজের বাড়ির কাজ করাতেন। তাদের অত্যাচার পীড়ত হয়ে অভ্র সেখান থেকে পালিয়ে আসে। পরে একজন ভিক্ষুকের সাথে দেখা হলে সে ঐ ভিক্ষুকের সাথে একটা এতিমখানায় আশ্রয় নেয়। অভ্র ধীরে ধীরে বড় হয় সেখানে। এতিমখানায় আরও অনেক ছেলেদের সাথে তার শৈশব কৈশোর গড়ে উঠে। দীর্ঘ সাত বছরে কোরআন মুখস্থ করে অভ্র’। তখন তার বয়স ছিল সতেরো বছর। কোরআন খতমের পরে তাকে এতিমখানা থেকে আসতে হয়। কেননা সেখানে তার থাকার মেয়াদ শেষ। এদিকে সেদিক ঘুরতে ঘুরতে একজন অপরিচিত লোকের সাথে তার বাড়ি যায় অভ্র। লোকটা ভালো হলেও মন-মানসিকতা ছিল অতি নিম্ন। অভ্র কোরআনের হাফেজ হয়েও নিজেকে সবার মাঝে উপস্থাপন করতে পারে নি। বারবার ব্যর্থ হয়েছিল সে। ক্ষুধার তাড়নায় অন্যের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে তবুও এক মুঠো ভাত পেটে পরেনি অভ্র’র। পরিশেষে ঘুরতে ঘুরতে একান দরবেশের দেখা পেলো অভ্র। দরবেশ ছিল অত্যন্ত ন্যায়-নিষ্ঠা‚ সৎ লোক। রাস্তার মাঝে দিয়ে দরবেশ যাচ্ছিল। হঠাৎই একটা বড় মালবাহী গাড়ি দরবেশের সোজা বরাবর আসে। অভ্র দূরে থেকে দেখে ছুটে আসে দরবেশকে বাঁচাতে। গাড়ির সামনে দিয়ে দরবেশকে ধাক্কা দিয়ে সে নিজে গাড়ির নিচে চাপা পড়ে। দরবেশ এসব কিছু বুঝতেই দ্রুত অভ্র’কে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিন মাস পরে অভ্র সম্পূর্ণ সুস্থ হয়। দরবেশ আর তখন অভ্র’কে ছাড়ে নি। তাকে দীর্ঘায়ু দান করেছিল। অভ্র’র মাথায় হাতে রেখে বলেছিল„ —“তুমি অমর হও বাবা।”

অভ্র বারবার জিজ্ঞেস করেছিল দরবেশকে। সে কি সত্যি অমর হতে পারবে। উত্তরে দরবেশ জানায়„ —“আমি কখনো মিথ্যে বলিনি বাবা। তুমি অমর হবে ঠিকই তবে এক দেহ বারবার ব্যবহার করতে পারবে না। প্রত্যেক বার মৃত্যুর পরে নতুন দেহ লাগবে তোমার। তার তরুন বয়সের।”

অভ্র সেদিন থেকে দরবেশের সাথে থাকতে শুরু করে। দরবেশও তাকে হাত ছাড়া করে নি কখনো। দরবেশ তাকে ছেলের মতই ভালোবাসে। এমনকি তার সকল কুড়ি-কাটি‚ ঔসুধ‚ ঝাড়ফুঁক সবকিছুই অভ্র’কে শেখায়। তার কয়েক বছর পরেই দরবেশ মারা যায়। দরবেশের সকল কাজের চাপ পরে যায় অভ্র’র ওপরে। দরবেশ বিভিন্ন লোকেদের সেবা করেই দিন পার করতো। অভ্র’ও তাই করতে লাগলো। কিন্তু একদিন বিপদ ঘনিয়ে এলো। একটা মেয়ের জ্বীন ছাড়ানোর জন্য অভ্র’র কাছে নিয়ে আসা হয়। মেয়েটির পরিবার থেকে তাকে বিয়ে দিতে চাচ্ছিল কিন্তু মেয়েটি বিয়ে করবে না বলে দিয়েছিল। তার ঠিক কয়েকদিন পরেই মেয়েটিকে জ্বীন ধরে বলে বাড়ির লোকজন তাকে জ্বীন ছাড়াতে নিয়ে আসে অভ্র’র কাছে। মাটির ছোট্ট খুপরিতে মেয়েটিকে একটা নলের পাটিতে শুতে দিলো অভ্র। মেয়েটিকে চোখ বন্ধ করতে বললে সে মেয়েটি চোখ বন্ধ করে না। অভ্র কিছু একটা দোয়া পরে মেয়েটির চোখে ফুঁক দিলে। সাথে সাথে মেয়েটি ঘুমিয়ে গেলো। অনেক ঝাড়ফুঁকের পরেও কোনো জ্বীন দেখতে পেলো না অভ্র। সে মেয়েটির শিয়রের পাশে বসলো। ডান হাতের বৃদ্ধ আঙুল মেয়েটির কপালে ঠেসে ধরল। তারপর চোখ বন্ধ করে কিছু দেয়া পাঠ করলো। হঠাৎই মেয়েটি চোখ খুলে অভ্র’কে ধাক্কা মেরে দ্রুত উঠে দাড়ালো। দৌড়ে গিয়ে দরজার কপাট খুলে বাইরে বেরিয়ে গেলো। কিছুক্ষণ পরে অভ্র বাইরে আসতেই লোকজনে তার খুপরির বাইরে ভরপুর। এগিয়ে আসতেই মেয়েটির বাবা তেড়ে এসে অভ্র’র ফতুয়া চেপে ধরলো। দাঁতে দাঁত চেপে বলল„ —“তোর ওপরে আমার অনেক আগেই সন্দেহ ছিল। কিন্তু কখনো হাতে নাতে পাইনি তোকে। আজ তোকে কে বাঁচাবে? দরবেশ বাবা তো মরে গেছে গত বছরে? এবার তুই মরবি। তোর বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। দিনের আলোয় ভালো মুখোশ পরে থাকিস? শয়তানের পূজা করিস? মেয়ের সতিত্ব পরীক্ষা করিস? সব তোকে করাবো আজকে। চল। চল বলছি।”

অভ্র’কে আর কিছু বলতে না দিয়ে সবাই টেনে হিঁচড়ে তাকে জঙ্গলে নিয়ে যায়। জঙ্গলের বড় বটগাছের সাথে অভ্র’কে বেঁধে রাখে গায়ের লোকজন। তিনজন লোক পাটের চাবুক দিয়ে তাদের সর্বস্ব শক্তি ব্যয় করে অভ্র’কে মেরেছে সারাদিন। রক্তশূণ্য হয়ে বটগাছেই বাোধা পরে থাকে অভ্র তবুও কেউ এগিয়ে আসে নি তাকে একটু সাহায্য করতে। দশদিন সেখানে বাঁধা পরা থেকে মা’রা যায় অভ্র। তার মৃত্যুতে সেই মেয়েটি এসে তার শরীরকে নিয়ে যায়। মেয়েটির নাম ছিল শান্তা। সে অভ্র’কে আগে থেকেই পছন্দ করতো। কিন্তু কোনোদিন অভ্র’কে বলতে পারে নি। এমনকি তার পরিবারের লোকেরা আর গায়ের লোকেরা মিলে যখন তাকে মারছিল তখন শান্তা মানসিক রোগী হিসেবে ভর্তি ছিল সদরে। সে জানতো না তার মিথ্যে কথার কারণে অভ্র’কে তার জীবন দিতে হবে। সে তো অভ্র’কে বিয়ে করার জন্য মিথ্যে বদনাম কাঁধে নিয়েছিল তবুও অভ্র’কে পেলো না। গায়ের লোকের লাঞ্ছনা আর পছন্দের মানুষের বিদায় যাওয়ায় শোকের কাতারে ভেসে গেছে সে। ঘরবাড়ি সব ছেড়ে অভ্র’র মৃত দেহ নিয়ে একটা গুহায় যায় শান্তা। আগুন জ্বালিয়ে শয়তানের পূজা করতে থাকে। শয়তানকে আহ্বান করতে থাকে যাতে শয়তানি শক্তির সাহায্য অভ্র’র প্রাণ ফিরে পায়।”

পরের পৃষ্ঠা উল্টিয়ে কিছুই চোখে পড়লো না তুলির। হাত রেখে পৃষ্টাটা বুলিয়ে নিলো। না কিছু নেই। পরের পৃষ্ঠা উল্টিয়ে হাত রাখতেই বুঝলো কেউ এখানকার কয়েকটা পৃষ্টা ছিঁড়ে নিয়েছে। তুলি আবারও পরের পৃষ্ঠা উল্টিয়ে দেখলো। এখানে বড় বড় অক্ষরগুলো থেকে আলো আসছে। তুলি পড়তে লাগলো„ —“চল। এবার অর্কা’ হওয়ার গল্পটা শুনি?”

তুলি পরের পৃষ্ঠা উল্টিয়ে পড়তে শুরু করলো„ —“দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরে‚ হাজার হাাার শয়তানদের আহ্বানের পরে অভ্র’র আত্নার সন্ধান পাওয়া যায়। দলা পাকিয়ে একটা আগুনের কুন্ডলী দেখা দেয় শান্তার সামনে। শান্তা দ্রুত উঠে দাঁড়িয়ে পরে। হাত বারিয়ে গোলাটা ধরতেই হাতে ফোস্কা পরে শান্তার। সে ব্যথায় চিৎকার করল„ —“আহহহহহহ।”

উচ্চস্বরে হাসির আওয়াজ ভেসে আসলো কুন্ডলী থেকে। শান্তা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল„ —“অভ্র। তুমি এসেছে? আমি শান্তা। তোমাকে পছন্দ করি আমি। আমার আহ্বানে তুমি আমার কাছে এসেছে।”

—“শয়তান সব ভুলে গেলেও আল্লাহর বান্দাদের ভুলে না। কারণ কি জানো? তারা আল্লাহর বান্দাদের পথ ভ্রষ্ট করে। তেমনি একজন হাফেজ সব ভুলে গেলেও তার আদর্শ ভুলে না। তুই তোর মত মেয়ে আমার আদর্শকে ভেঙে চূড়মার করে দিয়েছিস। তোকে বাঁচিয়ে রাখাও পাপ হবে।”

শান্তা আপত্তি জানালো„ —“এসব কি বলছো তুমি? আমি তোমাকে নিজের করে পাবো বলে আহ্বান করেছি।”

—“আমি অভ্র নই যে তোদের মতো মিথ্যাবাদীর ছলনায় পরবো আবার। আমি অর্কা। আজ থেকে আমি অর্কা। অভ্র রহিম কাদিজ এখন সবমিলিয়ে অর্কা।”

অভ্র’র উচ্চ হাসির শব্দ শুনে চুপসে যায় শান্তা। কিন্তু এভাবে যদি অভ্র’কে ছেড়ে দেয় তাহলে সে সবাইকে মেরে ফেলবে। তাই বুদ্ধি করে বলল„ —“তোমার দেহ চাই না? দেহ তোমার দেহকে ছিঁড়ে খেয়ে নিয়েছে নেকড়ে শেয়াল।”

শান্তার সামনে একটা জঙ্গি নেকড়ে শেয়াল বসে আছে। তার সম্মুখে বিভিন্ন হাড়-গোড় পরে আছে। দেখেই বুঝা যাচ্ছে এতদিন শেয়ালটা অভ্র’র মৃত গোস্ত খেয়ে নিজেকে শান্তার পোষা বানিয়ে রেখেছে। শান্তা লোভ দেখিয়ে বলল„ —“তুমি চাও তো আমি তোমাকে একটা তরুন দেহ দিতে পারি তবে কতদিন তোমাকে এই নেকড়ের শরীরে থাকতে হবে।”

—“আমি রাজি।”

শান্তা নেকড়ে শেয়াল টাকে আরও সামনে আনলো। তারপর শান্তা তার নিজ হাতের বড় বড় নখ দিয়ে খপ করে নেকড়ের গলা চেপে ধরলো। কয়েক মুহুর্তেই নেকড়েটা মৃত্যু যন্ত্রণা কাতর হয়ে মাটিতে পরে গেলো। শান্তা একটু পেছনে সরে গিয়ে রামদা তার শাড়ির আঁচলে গুঁজে নিলো। অভ্র’কে উদ্দেশ্য করে বলল„ —“যাও প্রবেশ করো নেকড়ের দেহে।”

আগুনের কুন্ডলী উড়তে উড়তে নেকড়ের শরীরে প্রবেশ করলো। মৃত নেকড়ে আবারও বেঁচে উঠলো অভ্র’র আত্মা নিয়ে। নেকড়ে সোজা হয়ে বসতেই শান্তা রামদা দিয়ে এক কোপে নেকড়ের ধর হতে মাথা আলাদা করলো।

—“কি করছো তুমি?”

এমন সময় সাইরের গলা শুনে চমকে উঠে তুলি। ভয়ের চোটে হাত থেকে পুস্তকটা পরে যায় মাটিতে। অন্ধকার ঘরে জ্বলজ্বল করছে এক জোড়া চোখ এগিয়ে আসছে তুলির দিকে। ভয়ে পিছু হাঁটতে লাগলো তুলি। মাটির দেয়াল ধরে আষ্টেপৃষ্টে দাঁড়ালো তুলি।

—“কি হয়েছে এমন ভয় পাচ্ছো কেন?”

—“ক কই ন না তো।”

হাসলো সাইর। একটানে তুলিকে নিজের বুকে নিয়ে বলল„ —“ধরা পরা চোরের মতো তোৎলাচ্ছো কেন?”

তুলি মাথা নিচু করলো। তার কাছে কোনো উত্তর নেই। সে কি সাইরকে পুস্তকের কথা বলবে? না থাক আগে তাকে সবকিছু জানতে হবে। টুপুস করে তুলির কপালে অধর ছুঁইয়ে দিলো সাইর। তুলি স্তব্ধ হয়ে গেলো মুহুর্তেই।

—“চল ঘুমাই? অনেক রাত হয়েছে। সারাদিন তো অনেক কিছু সহ্য করেছো?”

তুলি ছোট করে উত্তর দিলো„ —“হুম।”

দুজনের চৌকির দুইপাশে শুয়ে পড়লো। তুলি চোখ বুঝে অপেক্ষা করতে লাগলো সাইরের ঘুমের জন্য। সাইর ঘুমিয়ে পরলেই সে আবারও পুস্তক খুঁজে পড়তে শুরু করবে।

সৈয়দ মারিয়াহ্ হামিদ 🕊️

[ ভুল-ভ্রান্তির সম্ভাবনা আছে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আজকের পর্বটা কেমন হয়েছে অবশ্যই জানাবেন কিন্তু। ভালো থাকবেন‚ সুস্থ থাকবেন‚ ধন্যবাদ ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here