হিপনোটাইজ #তাজনিন_তায়্যিবা পর্ব:19

0
37

#হিপনোটাইজ
#তাজনিন_তায়্যিবা
পর্ব:19
⭕পূনর্জন্ম বা টাইম ট্রাবল কোন ধর্মে গ্রহনযোগ্য
___________________________________________ নয়,এটি কেবল রুপকথার উপমা।
_______________________________⭕

সাল 2018

ত্রিজয় তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ছাত্রজীবনে সে ছিল অত্যন্ত মেধাবী এবং বরাবরই ভালো ফলাফল অর্জনকারি। তার জীবন স্বাভাবিক থাকলেও তার চোখের আধ্যাত্মিক শক্তির রহস্য তাকে আলাদা করে তুলেছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরপরই তার দাদা তাকে এই শক্তির কথা জানিয়েছিলেন। প্রথম প্রথম এই ক্ষমতা কোথাও ব্যবহার করার সাহস বা প্রয়োজন অনুভব করেনি সে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, যেকোনো পরিস্থিতি হোক,বা যে কোনো জায়গা হোক, নির্দ্বিধায় সে তার সম্মোহনী শক্তি ব্যবহার করতে শুরু করে। তার নীল চোখের চাহনিতে তৈরি হওয়া মায়াবী আকর্ষণ, এক রহস্যময় জাদুর আয়নার মতো মানুষকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে বাধ্য করতো।

অথচ এই আধ্যাত্মিক শক্তির ব্যাপারে কেউ কখনো কিছুই জানতে পারে নি। বলা চলে, ত্রিজয় কখনো কাউকে জানতেও দেয়নি।

তার চোখের সম্মোহনী ক্ষমতা ছিল নিখুঁতভাবে গোপন রাখা এক রহস্য, যা সে খুব যত্নের সাথে আড়াল করে রেখেছিল নীরবে, নিঃশব্দে।

ধবধবে ফর্সা নির্লিপ্ত মুখ আর শান্ত স্বভাবের আড়ালে কেউ কল্পনাও করতে পারত না, তার ভেতরে লুকিয়ে আছে অদ্ভুত এক অতিলৌকিক ক্ষমতা।

শান্ত স্বভাবের ছেলেটা হুট করেই প্রেমে পড়ে গিয়েছিলো, নীল চোখের মনি জোড়া স্থির হয়েছিলো এক বোরকা ওয়ালির নিকাবে ঢাকা কাজল কালো চোখের উপর।নিজের সম্মোহনী শক্তি ধারা যাকে তাকে সম্মোহন করতে পারা ত্রিজয়, নিজেই সম্মোহিত হয়েছিলো সেই কাজল কালো চোখের মায়ায়।

হয়তো এটাও নিয়তিতে লেখা ছিলো,জুবাইদার মতোই জান্নাতেরও আসার কথা ছিলো ফ্লোরেন্সার আগে।একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটার কথা ছিলো অন্য নিয়মে।তাইতো এক অভিনব কৌশলে আবারও সবার পূনর্জন্ম হয়েছে, আবারও দেখা হবে, আবারো বাঁধবে সংঘর্ষ।
পালাক্রমে জুবাইদা এসেছিলো জান্নাত হয়ে, ত্রিজয়ের জীবনের একটি অধ্যায় হয়ে জান্নাতের আগমন খুব বেশি প্রয়োজন ছিলো।

অধরা পূনর্জন্ম রটানোর জন্য জান্নাত এসেছিলো এক সুপ্ত অনুভূতির রুপে।

***

ভরদুপুরে ভার্সিটি ছুটির সময়,ত্রিজয় ছুটে এসে পথ আটকে দাড়ালো জান্নাতের।এটাই ছিলো তাদের প্রথম সাক্ষাৎ।তবে দুজনেই দুজনকে কম বেশি চিনতো,চোখাচোখি হতো প্রায়শই।

ত্রিজয় গম্ভীর ছিলো তবে ভেতরকার অনুভূতি চেপে রাখা সম্ভব ছিলো না তার জন্য, তাই নির্দিধায় হাটু গেড়ে বসেছিলো জান্নাতের সামনে, প্রেম নিবেদন করেছিলো আর দশটা প্রেমিক পুরুষের মতোই,

“ভালোবাসবে আমায়?আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।”

নেকাবের আড়ালে মুচকি হাসলো জান্নাত, তবে বুঝতে দিলো না ত্রিজয়কে চোখ মুখ কঠিন করে বললো,

“আপনাদের মতো ছেলেদের কাছে ভালোবাসা ডাল ভাত, অন্য কোথাও গিয়ে চেষ্টা করুন।”

“উঁহু, মন থেকে ভালোবাসি তোমায়, তোমার দুই চোখের মায়ায় ঘায়েল হয়েছি আমি নিঃশ্বব্দে।”

“শুধু চোখ দেখেই প্রেমে পড়ে গেলেন?আমি কিন্তু খুব বাজে দেখতে।”

“তুমি যেমন হও আমার চলবে।”

“আমি আবার বলছি আমার মুখ দেখার পর আমাকে ঘৃনা করে আফসোস করতে হবে।”

“গ্রহণ করে নেও আমার ভালোবাসা, আমি নির্দিধায় সয়ে নিবো সব।”

জান্নাত উত্তর দিলো না, ত্রিজয়কে এড়িয়ে হাটা শুরু করলো নিজ উদ্যমে,ত্রিজয় হতাশ হলো, পেছন থেকে চেচিয়ে ডাকলো ফের,

“এই মেয়ে ভালোবাসতে হবে না, বিয়ে করবে আমাকে?”

ত্রিজয়ের শেষ কথাটুকু থমকে দিলো জান্নাতের পদযুগল, কিছুক্ষণ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থেকে হাঁটা শুরু করলো ফের, ত্রিজয় আবারও ডেকে উঠলো,

“এই মেয়ে কিছু তো বলে যাও।”

জান্নাত মুচকি হাসলো,দূর থেকে চিৎকার করে বললো,

“বেনারসি নিয়ে বটতলায় আসবে ঠিক সকাল দশটায়, আমি অপেক্ষা করবো।”

_________

পরের দিন সকাল বেলা।ত্রিজয়ের বয়স তখন চব্বিশ কি পঁচিশের ঘরে, হাত খরচের টাকাটাই আসে দাদার পকেট থেকে, সে হিসেবে বিয়ের জন্য একটা বেনারসি কেনা অনেক খরচের ব্যাপার।

ত্রিজয়ের কাছে বেনারসি কেনার মতো টাকা নেই, তবে তার মনে ছিলো দাদার আলমারিতে রেখে দেওয়া একটি দামি বেনারসির কথা,অনেক আগে দেখেছিলো একবার, জিজ্ঞেস করার পর দাদা বলেছিলো,

“আছে একজন, সে আসবে এই লাল শাড়ি পড়ার জন্য, তার অধরা ইচ্ছে পূরন করার জন্য, ততদিন এই শাড়ি তার কাছে আমানত হয়ে থাকবে।”

দাদার কথার মানে সেদিন বুঝতে পারে নি ত্রিজয়, নাতো আজ বুঝতে পারছে, তবে শাড়িটার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলো ভিষণ ভাবে।

তবে দাদার আলমারি থেকে শাড়ি টা বেড় করতে গিয়েই বাধলো বিপত্তি,ত্রিজয়ের দাদা কোন যুক্তিতেই এই শাড়ি দিতে রাজি হলো না,

“তুমি আমার গর্দান নেও দাদুভাই, তবুও এই শাড়ি অন্য কারো গায়ে জড়ানোর কথা বলিও না।”

ত্রিজয় কন্ঠে চাপা বিরক্তি নিয়ে বললো,

“কি ফালতু কথা বলছো দাদা?শাড়িটা সেই ছোট বেলা থেকে দেখছি পড়ে আছে,আমি নিলে কি ক্ষতি?”

“এই শাড়ি বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে আমাদের আমার মামা প্রিন্স জোসেফের রানীর জন্য।এই শাড়ি শুধু তার শরীরেই উঠবে।”

“কি যা তা বলছো দাদা?তোমার বয়স দেখেছো?আশি বছরের বেশি মনে হয়, আর তোমার মামা তো মনে হয় মরে পচেও গিয়েছে এতোদিনে, আর তুমি সেই মামার বউয়ের জন্য এই শাড়ি তুলে রেখেছো?আজগুবি কথা না বললেই না?তুমি বোঝাতে চাইছো, তোমার মামা মরে ভুত হয়ে গিয়েছে কিন্তু তোমার হবু মামি এখনো যুবতি আছে ? সে আশি বছর পর ফিরে এসে এই বেনারসি শাড়ি পড়বে?”

“আসবে ভাই আসবে, ভবিষ্যৎবানী যখন হয়েছে তখন সে আসবেই,শালিক বা কাশফুল নয়তো মানুষ রুপে, সে ফিরবে, গায়ে জড়াবে এই বেনারসি।”

“আচ্ছা তোমার কথা মেনে নিলাম, সে আসবে।যখন আসার হয় তখন আসবে,তখনই না হয় এই শাড়ি পড়বে সে, আমি তো আর একেবারে নিয়ে যাচ্ছি না, ধার নিচ্ছি, বিয়েটা শেষ করে বাসর করেই ফেরত দিয়ে যাবো।”

ত্রিজয়ের কথায় তাচ্ছিল্য হাসলো তার দাদা,

“নিয়তিকে খন্ডাতে চাইছো তুমি?তবে তাই হোক নিয়ে যাও এই শাড়ি।যেনে রেখো নিয়তি তোমাকে কিছুতেই জিততে দিবে না,তোমার ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে আরো অনেক আগেই, তুমি বাঁধা পড়েছো অন্য কারো জীবনের সাথে।আজ মহাপ্রলয় হবে, প্রকৃতি আজ ভয়ংকর কিছু করবে।তুমি নিজেকে তৈরি করো।”

ত্রিজয় তোয়াক্কা করলো না এসব আজগুবি কথা,শাড়িটি নিয়ে সোজা বেড়িয়ে গেলো বাড়ি থেকে।

____

সকাল দশটা গড়িয়ে বিকেল চারটে পেরিয়ে গেছে, সময়ের ভার আর অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হয়ে উঠছে পাল্লা দিয়ে, অথচ জান্নাতের আসার নাম গন্ধ অব্দি নেই।

অপেক্ষা করতে করতে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলো ত্রিজয়ের। আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা করা সম্ভব নয়! মনে হাজাটা প্রশ্ন আর উদ্বেগ নিয়ে সোজা রওনা দিলো এমপি তোফাজ্জল তাকরিমের বাড়ির উদ্দেশ্যে।

এমপি তোফাজ্জল করিমের একমাত্র মেয়ে জান্নাত,প্রেম ভালোবাসা তাদের বংশে নিষিদ্ধ। তার উপর এই বয়সে নিজের কেরিয়ারের উপর ফোকাস না করে, বিয়ের সীদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় টা কিছুতেই পছন্দ হয় নি তার বাবা এবং ভাইয়ের।তাই জান্নাতের যা ব্যাবস্থা করার কাল রাতেই করে ফেলেছেন তারা।

____

ত্রিজয় বুক ফুলিয়ে দাড়ালো জান্নাতের ভাই তাওসিফ তাকরিমের সামনে। চোখে চোখ রেখে সে স্পষ্ট জিজ্ঞেস করলো,

“জান্নাত কোথায়?”

দুজনেই উঠতি বয়সের রক্তগরম যুবক। একজনের ধৈর্য কম, আরেকজনের অহংকার বেশি। ত্রিজয়ের উদ্বেগি দৃষ্টিতে, তাওসিফ তীব্র শীতল দৃষ্টি তাক করে উত্তর দিলো,

“মেরে মাটিচাপা দিয়ে দিয়েছি।এই বংশে ভালোবাসা নাজায়েজ, আর ও তো বিয়ে পর্যন্ত চলে গিয়েছে।”

ত্রিজয় রাগে আক্রোশে নিয়ন্ত্রণ হারালো, চেপে ধরলো তাওসিফ তাকরিমের কলার,

“আমার জান্নাত কে কি করেছিস সত্যি করে বল,আমি কিন্তু সব ধ্বংস করে দিবো।”

ব্যাস, ধৈর্য আর অহংকারের সংঘাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলো। কথার লড়াই রুপ নিলো তুমুল হাঙ্গামায়।

হাতাহাতি, মারামারি থেকে শুরু করে পরিস্থিতি আর পরিবেশ হয়ে উঠলো উত্যপ্ত।তাকরিম তার দলবল নিয়ে ত্রিজয়কে খুব বাজেভাবে মারধোর করলো।
ঘুষি, লাথি, লোহার রডের আঘাতে ত্রিজয়ের শরীর ক্ষত-বিক্ষত হলো নিমিষেই। ব্যথায় গা ছটফট করলেও, তার হাতটা শক্ত করে ধরে রেখেছিল লাল রঙের সেই বেনারসি।

ত্রিজয়ের ঝরতে থাকা রক্তের রঙে লাল বেনারসি নতুন রঙ পেলো, লাল টকটকে তাজা রক্তের রঙে উজ্জ্বলতা বাড়লো কয়েকগুণ।

___

প্রায় তিন মাস হাসপাতালের সাদা দেয়ালের মাঝে বন্দি থাকার পর ত্রিজয় বাড়িতে ফিরে এলো । শরীরের ক্ষতগুলো ধীরে ধীরে সেরে উঠলেও, মনের গভীর ক্ষতগুলো হয়তো সারাজীবনও শুকোবে না তার।

তার বেঁচে ফেরার আনন্দও ম্লান করে দিয়ে,তার একমাত্র আপনজন, যে তাকে ভালোবেসে, ছায়ার মতো পাশে ছিল সেই মানুষটা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পারি জমিয়েছে পরপারে,তার বৃদ্ধা দাদা অভিমান করে চলে গিয়েছে তাকে একা রেখে।
__________

“স্যার, স্যার।”

ত্রিজয়ের সাড়াশব্দ না পেয়ে ডেকে উঠলো ইভান।ইভানের ডাকে ভাবনার জাল ছিড়ে বেড়িয়ে এলো ত্রিজয়,হাতে ধরে রাখা লাল বেনারসির দিকে এক ধ্যানে তাকিয়ে অস্ফুটে বললো,

“হু?”

“মেয়েটা, না মানে মেডাম কে কি এই শাড়িটা পড়তে বলবো?”

“নো।” ছোট্ট জবাব দিলো ত্রিজয়।

ইভান চোখ উল্টালো,নড়েচড়ে বললো,

“না মানে স্যার, তবে কি কিছু শপিং করে আনবো?”

“নো,কোন খরচের দরকার নেই।”

“তাহলে? মেডাম কি পড়বে?বললে আমি ব্যাবস্থা করে দিতাম।”

“গত এক বছরে আমার পড়া পুরনো ড্রেস গুলো কি করেছো?”

“কেনো স্যার, সব তো স্টোর রুমে রাখা হয়েছে।”

“ওগুলো নিয়ে এসো, আগামী এক বছরে এই মেয়ের জামা কাপড়ের পেছনে এক টাকাও খরচ করতে হবে না।”

ইভান ভ্যাবাচেকা খেলো, মুখাবয়ব পাল্টে গেলো ত্রিজয়ের কথা শুনে, মনে মনে বললো,

“শালা কিপ্টের বাচ্চা, কিপ্টেমির সব লিমিট ক্রস করে যাচ্ছে দেখছি।তোর টাকা ঘুনে খাবে।”

ত্রিজয় ভ্রু উচালো,জিজ্ঞেস করলো,

“কিছু বলবে?”

“না স্যার।”

“তবে দাঁড়িয়ে কেনো আছো?”

ইভান দ্রুত রুমের বাইরে পা বাড়ালো,তাড়াহুড়োয় বললো,

“যাচ্ছি, যাচ্ছি।”

____________

টেলিভিশনের প্রতিটি নিউজ চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার চলছে নিস্পাপের বাড়ি থেকে। এক হৃদয়বিদারক ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে নিস্পাপের বাড়ি। গলা কাটা এক যুবতী মেয়ের মরদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে চারদিকে। সাংবাদিকদের ভিড়, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, এবং একের পর এক লাইভ রিপোর্ট, মিলিয়ে ঘটনাস্থল রীতিমতো উত্তেজনার কেন্দ্রস্থল।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে তাকরিম। একদিকে নিজের ভালোবাসাকে হারানোর তীব্র যন্ত্রণা, অন্যদিকে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি,সবকিছু মিলিয়ে এক ধরনের মানসিক ট্রমার মধ্যে পড়ে গিয়েছে সে। হৃদয়ে যন্ত্রণা আর মস্তিষ্কে অস্থিরতা কোনোটাই স্বাভাবিক থাকতে দিচ্ছে না তাকে ।

এর মধ্যেই নতুন এক দুশ্চিন্তার কারন হলো,নিস্পাপের বৃদ্ধা দাদি, ফুলমতিও সকাল থেকে নিখোঁজ।”তাকরিমের চারপাশের রহস্য ঘনীভূত হয়ে উঠলো।

তাকরিমের সন্দেহ এই কাজ হয়তো ত্রিজয়ই করেছে,তার সাথে শত্রুতার জের ধরে নিস্পা এবং তার দাদিকে তুলে নিয়ে গিয়েছে।কিন্তু এই মেয়েটাকে কেনো খুন করবে সে?কোন কারণ ছাড়া একটা নিস্পাপ মেয়ের গলা কেঁটে দিলো কোন উদ্দেশ্যে?

টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তব্দা খেয়ে বসে রইলো ত্রিজয়,সে তো কেবল এই অন্ধ মেয়েটাকেই তুলে এনেছে, কিন্তু এই খুন আর মেয়েটার দাদিকে নিখোঁজ করলো কে?
বিস্ময় আর বিভ্রান্তিতে নিজে নিজেই বিরবির করলো ত্রিজয়,

“এই কানার বাচ্চা কোনভাবে কানা নয়তো? নাকি সব দেখতে পেয়ে,ইচ্ছে করেই আমার ঘাড়ে শনির দশা হয়ে এসেছে?”

‼️রেসপন্স না পেলে গল্প লিখতে পাড়বো না, আপনাদের সুন্দর মন্তব্য দেখলে আরেকটি পার্ট দেওয়ার ইচ্ছে হয়।🙂‼️

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here