#শূন্য_অর্থ_পূর্নতা(১৮)(শেষমেশ রোবট কে বিয়ে 🤦)
….
” আপনি?”
আয়ান বাঁকা হেসে চেয়ার টেনে বসে পড়লো , আহিয়া আয়ানের দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে রইল, আয়ান নিজের চুলগুলো এলোমেলো করে আহিয়ার দিকে সাইড আইস দিয়ে বললো- কি হলো টুনির মা আজ আমাকে বেশি সুন্দর লাগছে বুঝি?
আহিয়া কটমট করে তাকিয়ে দাতে দাঁত চেপে বললো- ইউ আর টু মাচ বেয়াদব মিস্টার আয়ান ।
আয়ান টেবিলে দুই হাত রেখে ফোন স্ক্রল করতে করতে বললো- মিস শাকচুন্নি, তোমাকে আমার একটা কাজ করে দিতে হবে ।
আহিয়া উঠে দাঁড়ালো – অসম্ভব, আমার পায়ে ধরলেও আমি আপনার কোনো কাজ করবো না,আপনি চাইলে একটা বিষ এর ইনজেকশন দিয়ে দিতে পারি।
আয়ান মুচকি হেসে বললো – আরে মিস ডাইনি তোমার পা কি এতোটাই সুন্দর যে আমি উত্তেজিত হয়ে যাব সেটা ধরার জন্য? ওয়াক থু,নখে কি ময়লা ।
আহিয়া রাগে ফেটে পড়লো – নখে ময়লা মানে কি , নিজেই তো একটা আনস্মার্ট, ডাস্টবিনের ভান্ডার, কথাবার্তার ও ঠিক নাই ছিহ , বেয়াদব আপনার ব্রেন সবসময় উত্তেজিত মৌলের অবস্থান এই থাকে ।
আয়ান একটা ছবি আহিয়ার সামনে ধরলো – দেখাবো নাকি তোমার বাবাকে।
আহিয়া থতমত খেয়ে থেমে গেলো,ছবিটা সেইদিন এর যেদিন আয়ান আহিয়া কে চুমু খেয়েছিলো সেটা – এটা? আপনি একটা লুচ্চা।
আয়ান – হুম জানি জানি , পরেরবার একটু ব্রাশ করে আসবে মুখ দিয়ে গন্ধ আসে ।
আহিয়া হাতের কফিটা নিয়ে আয়ান এর মুখ বরাবর ছুড়ে মারলো ,চুল থেকে শার্ট প্যান্ট সব ভিজে গেলো ,কফিটা গরম ছিলোনা ,গরম থাকলে আজ আয়ানের দফারফা হয়ে যেত ।
ক্যান্টিন এর সবাই ওদের দিকে তাকিয়ে আছে ,আহিয়া ক্যান্টিন থেকে বেরিয়ে এলো ,আয়ান ও হাসতে হাসতে বের হলো ।
আহিয়া – এমন বত্রিশ পাটি দাত বের করে হাসছেন কেন?কি হেল্প দ্রুত বলে বিদায় হন দ্বিতীয় বার আর চোখের সামনে আসবেন না।
আয়ান – ইয়ে মানে তুমি সবসময় বলতে আমাকে দেখে নেবে ,সেটা কি এতো দ্রুত চাচ্ছো যে আমাকে ভিজিয়ে দিলে , এখন এই লোক সম্মুখে আমাকে উলঙ্গ করতে চাইছো?
আহিয়া চোখ লাল করে তাকালো – আয়াইন্নার বাচ্চা,তোরে আজ আমি মেরেই ফেলবো ,ঐ দেখ রাস্তায় কুত্তার গু দেখা যায় এটার মতো দেখতে তুই শালা গরু ।চল তোরে জামাকাপড় কিনে দেই কখন না বলে বসিস তোর জামাকাপড় নাই , ফকির। লুচ্চার ঘরে লুচ্চা।
আয়ান খুশি হয়ে বললো- আরে টুনির মা সব বুঝে গেলো রে ।চলো চলো ।
আমাকে তুই বলে বললেই সুন্দর লাগে ডিয়ার , যদিও আমি তোমার বড়ো ,কিছু মনে করবো না।
আয়ানের কথা শোনার প্রয়োজন বোধ করলোনা আহিয়া গটগট করে সামনের শপিং মলে ঢুকলো ,গায়ে এখোনোও অ্যাপ্রন জড়ানো ।
সেটা খুলে হাতে নিলো আয়ান কে ড্রেস চেঞ্জ করে আসতে বলে ও বিল পেমেন্ট করে আসলো ।
আয়ান এসে বললো- দেখো তো শাকচুন্নি কেমন লাগে ।
আহিয়া ভ্রু কুঁচকে বললো – একেবারে কালা কাউয়ার মতো ।শালা তোরে আমি এবার চিনছি তুই তো ঐ আয়ান যে স্কুলে থাকতে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলি ।
আয়ান চুপসে গেলো ,ধরে ফেললো কিকরে?
আহিয়া কটকটে চাহুনি দিয়ে বললো – তোর কথাবার্তা শুনে বুঝতে পেরেছি , টুনির মা তো তুই বলতি আমাকে ছোটোবেলায়,জাউরা একটা আমার সামনে আসবি না আর জুতার বাড়ি না খেতে চাইলে ।
আয়ান আহিয়ার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে হতাশ হয়ে বললো – এবারো হাত ফসকে গেলো রে ।তুই পাত্তা না দিলে তোর ছোটোটা আছে না ।
…..
একসপ্তাহ পর,,,
ইয়াসমিনা চৌধুরী আর রেয়ান চৌধুরী মির্জা বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়েছে ,তাদের আর্থার এর সাথে কথা হলেও এখোনো সেই বাড়িতে যাওয়া হয়নি ,তারা আর্থার এর সম্পূর্ণ পরিচয় সম্পর্কে অবগত না ।তারা জানে আর্থার এর আসল নাম নওশাদ সে ছোটোবেলা থেকেই ইতালিতে ছিলো ।
কিন্তু মির্জা বাড়ির সামনে আসতেই অবাক হয়ে গেলো ,কোনো গার্ড নেই পুরো নির্জন বাড়িটা ।
দাড়োয়ান গেট খুলে দিতেই তারা প্রবেশ করলো বাড়িতে ,বাড়ির ভেতরে যেতেই সোফায় বসে থাকা বিষন্ন মনের নওশাদ কে দেখলো ।রেয়ান চৌধুরী ভুল করলেন না ,তিনি চিনতে পারলেন এটা আর্থার না ।
– তুমি কে?
নওশাদ তাকিয়ে দেখলো রেয়ান চৌধুরীর দিকে,ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে বললো- আপনারা? এখানে কেন?
এরপর ই হাসতে হাসতে বললো- ওহ মেয়েজামাই কে খুঁজতে এসেছেন?
রেয়ান চৌধুরী অবাক হলো – তুমি নওশাদ হলে ও কে ?
নওশাদ – আরেহ আপনি তো দেখি ওর থেকেও বড়ো বলদ ।ও কে জানেন ?
রেয়ান চৌধুরী হতবাক হয়ে তাকিয়ে রইল – মানে কি বলতে চাইছো তুমি?
নওশাদ – শোনেন তাহলে আমি আর আর্থার একই ভার্সিটিতে পড়তাম, সেখানে আমি ওর সাথে বন্ধুত্ব করি ,ওর তীক্ষ্ণ বুদ্ধির জন্য,ও কোন মাফিয়ার কাছে যেন ট্রেনিং নিয়েছিল আত্মরক্ষার জন্য।আমি এতটুকুই জানি ।ওর একটা বোন ছিল রাফিয়া নাম ছিলো ।ও ওর প্রানের চেয়েও বেশি রাফিয়া কে ভালোবাসতো ,আমি জানতাম না রাফিয়া ওর বোন ছিল,তাই আমি ওর সাথে সম্পর্কে চলে যাই ,ওকে বিয়ে করার চিন্তা ছিলো না,আমি ওকে জোড় করে আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হতে বাধ্য করি ,মেয়েটাকে ব্লাকমেইল করে ঘনিষ্ঠ হতে বাধ্য করেছিলাম, পরবর্তীতে আমি যখন জানতে পারি ও আমার বন্ধুর বোন আমি দূরে সরে আসি ,কারন আর্থার খুব ভয়ঙ্কর, আমার চরিত্রের সব খবর এর জানা ,ওর বোনের সাথেও এমন করেছি জানলে আমাকে মেরে ফেলতো ।
হঠাৎ একদিন রাফিয়া আমার কাছে আসলো ,কাকুতি মিনতি করে আমাকে বললো বিয়ে করতে ,আমি রাজি হইনি কারন আমার বিয়ের কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না।
আমি জানতাম না ও প্রেগন্যান্ট ছিলো ,ও সেদিন আমার সামনেই আমার বাড়ির ছাদ থেকে লাফ দেয় ।
আর সেদিনের পর থেকে আমি প্রায় দুবছর পালিয়ে ছিলাম , কিন্তু আর্থার আমাকে খুঁজে বের করলো ,আমাকে অত্যাচার করলো ,ও বললো আমার চেহারা পরিচয় ওর দরকার তাই আমাকে আটকে রেখে ও বাংলাদেশ এ চলে আসলো , আমাকে ও বলেছিল ও ওর একটা মিশন এর জন্য আমার পরিচয় নেবে । আমাকে আটকে আমার মতোই সেজে ও বাংলাদেশের চলে আসে ,আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল তবে আমি পালিয়ে বাংলাদেশ এ চলে আসি ।
এরপর জানতে পারলাম আমার পরিবার এ নওশাদ হয়ে আছে , আমার জন্য ঠিক করে রাখা মেয়েকে ও বিয়ে করবে আমি তা মানতে পারিনি আমি নাবিলা কে বিয়ে করলাম, আর্থার কে বেইজ্জতি করার জন্য নাবিলা কে প্রেগন্যান্ট বানালাম, এরপরেও ও সবকিছু সামলে নিলো , আর্থার হয়ে আমার লাইফ লিড করতে লাগলো ।
আমি এসব কিছুই মেনে নিতে পারিনি,তাই ওকে মারতে চাইলাম,ওর রুমে একটা মেয়েকে আটকে রাখতে বললাম যেন ও ফেসে যায় ওর পরিচয় সামনে চলে আসে । কিন্তু ও সেই মেয়েটাকেও বিয়ে করলো ।আমি হুরকে জেনেবুঝেই আটকে দিয়েছিলাম যেন আপনি আর্থার কে মেরে ফেলেন , কিন্তু আপনি সেগুলো কিছুই করেননি । উল্টা আমার কুকীর্তি সব আমার মা জেনে গেলো ।ঐ আর্থার আপনার জামাই সব শেষ করে দিলো , আমার মা আমার নামে কোনো সম্পত্তি না দিয়ে ঐ নূরের নামে দিয়ে আত্মহত্যা করলো।
আর্থার কে পাবেন না ইহজীবনে, আপনার মেয়ের কি হবে আমি তার জানিনা,তবে আপনাদের আটকে আমি আর্থার কে এখানে আনবো ।শালা কুত্তার বাচ্চা আমার সবকিছু কেড়ে নিয়েছে ।
রেয়ান চৌধুরী পায়ের উপর পা তুলে আরামসে বসলো – ওকে তুই পেলে তো? তুই এতগুলো কথা বলে আমার সামনে ভালো হওয়ার চেষ্টা করলি ,নে একগ্লাস পানি খা , কষ্ট কম হবে ।ওর বোনকে তো তুই মেরেছিস সেটা আমি তোর কথা শুনেই বুঝেছি ,আর তুই শালা নারী পাচারেও যুক্ত আছিস এটাও আমার জানা ।
নওশাদ এর গলা শুকিয়ে গেল,ও ধরা পড়ে যাবে এতো দ্রুত ভাবতে পারেনি ।
রেয়ান চৌধুরী হাসলেন – নিজের মাকে লোক দিয়ে মারিয়েছিস ,তোর মেয়ে কি যেন নাম? নূর ?হ্যাঁ নূর ,ওর নামে সম্পদ আর তোর বোনের নামে , ওদের মারতে এসেছিস তাইতো? কিন্তু পেলি না কারন ওরা পালিয়েছে! নিজের বোনকেও পাচার করতে চাইছিলি !
নওশাদ তোতলাতে শুরু করলো – আপনি এসব কি বলছেন? আপনার তো এসব কিছুই জানার কথা না !আপনি কে ?
– তোর যমদূত হারামি! আমি সব জানি,আমি যেখানে যাই একদিন আগেই সব হিসেব শেষ করে যাই ।মেয়ে আমি বিয়ে যেখানে সেখানে না ভেবে দেব না ।তুই জানিস নওশাদ কার কাছে ট্রেনিং নিয়েছিল?শালা শুয়োর তুই যার আন্ডারে কাজ করিস তার বাপ আমি ।
নওশাদ দরদর করে ঘামছে , নিজের ঠিক করে রাখা গার্ড গুলো কে বের হ্ওয়ার সাইরেন দিলো , একসাথে অনেকগুলো গুন্ডা মাস্তান এর মতো কতগুলো মানুষ বের হয়ে আসলো ।
রেয়ান চৌধুরী ডা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ালো,- টাকা চাও না মৃত্যু চাও ।
সবাই অস্র ফেলে দিলো ,রেয়ান চৌধুরী কে চেনে না এমন কেউ নেই ।
রেয়ান চৌধুরী ইয়াসমিনা চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো- মাই ডিয়ার পিএ তোমার মেয়েকে এই নওশাদ বিয়ের স্বপ্ন দেখে এতো গল্প সাজালো ,তুমি কি চাও ? আমি একটু আরাম করে বসি ,তুমি তোমার কাজ করো ।
ইয়াসমিনা চৌধুরী উঠে দাঁড়ালো কোমড়ে গোঁজা রিভলবার টা বের করলো , নওশাদ এর মাথা বরাবর রেখে বললো- আর্থার ট্রেনিং নিয়েছে স্বয়ং রেয়ান চৌধুরীর কাছে , বাকিটা তোর জানার দরকার নেই তুই সাসপেন্স নিয়েই মর । আর্থার এর কথা তোর না ভাবলেও চলবে ।
বলেই নওশাদ এর কপালে শ্যুট করে দিলো ।
ইয়াসমিনা চৌধুরী রেয়ান চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে বাঁকা হাসলো ,রেয়ান চৌধুরী এসে ইয়াসমিনা চৌধুরীর কোমরে হাত রেখে ভ্রু নাচিয়ে বললো – চলো যাওয়া যাক প্রিয়তমা,মেয়ে অপেক্ষা করছে ।
ইয়াসমিনা চৌধুরী মুচকি হেসে বললো – চলুন । এখানের কাজ আপাতত শেষ,এই শয়তান টা খুব বাড় বেড়েছিল ।
….
” হ্যালো ,এস এ আর্থার স্পিকিং”
ওপাশ থেকে হাসির শব্দ হলো ,” হ্যাঁ আর্থার তোমার মিশন সম্পূর্ণ হয়েছে ,এখন কি চাও?”
মিসেস ইয়াসমিনার কন্ঠ শুনে আর্থার মুচকি হেসে বললো” গেইম টা ভালোই খেলেছেন মিসেস চৌধুরী,মেয়েকে লুকিয়ে রেখেছেন,খুব ভালো , ভেবেছেন ধরতে পারবো না, আপনার মেয়েকে এখন দরকার ও নেই ”
ইয়াসমিনা চৌধুরী – তো তোমার হাতে আমার মেয়েকে তুলে দিতাম? ভুলে যেও না রেয়ান এর থেকে পাঁচ বছর ট্রেনিং নেওয়ার পর ,তুমি যখন মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়েছিলে তখন সেখানে থেকে আমি বাঁচিয়েছি,দশ বছর আমার আন্ডারে কাজ করেছো তুমি, তোমাকে স্নেহ করি , ইতালির সবচেয়ে বড়ো সিক্রেট এজেন্ট হিসেবে গড়ে তুলেছি ।
আর্থার মুচকি হাসলো – আপনার হাসবেন্ড কি জানে যে আপনি একজন ইন্টেলিজেন্স অফিসার ইউনিটের হেড যে কিনা মাফিয়া কে ধরতে গিয়ে তার প্রেমেই হাবুডুবু খেয়ে বিয়ে করে বসে আছেন । আপনার প্রিয় স্বামী জানলে কি হবে?
ইয়াসমিনা চৌধুরীর হাসি হাসি মুখ শক্ত হয়ে এলো – কি চাও তুমি?
আর্থার হাসলো – আমাকে কি বোকা পেয়েছেন? একটা রোবট কে পাঠিয়েছেন আমার সাথে , ছাড়বো না কাউকে ।
ইয়াসমিনা চৌধুরী – ভুলে যাও হুরকে ওটা একটা অংশ ছিলো মিশন এর ,আমিই তোমাকে ঐ পাচারকারী মাধ্যম ধরতে পাঠিয়েছিলাম, এখন সেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে ,ফিরে যাও । আমার মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকালে সেই চোখ আমি শেষ করে দেব ।
আর্থার গমগমে স্বরে বললো- আপনি জানেন এই কাজটায় কেবল আমিই করতে পারবো , আমার শত্রুতা আছে নওশাদ এর সাথে তাই আমাকে আপনি এই কাজ দিয়েছিলেন ,ডিল ছিলো কি? আপনার মেয়েকে আমাকে দিয়ে দেবেন। এবার আমি যা করবো আপনি চুপ করে দেখবেন কিছু করতে পারবে না, দেখবেন আর জ্বলবেন ,ছাই হবেন , আপনার মেয়েও লাগবেনা আপনার স্বামীর সাথে বোঝাপড়া হবে সব ।নাহলে আমিও আর্থার না ।
ইয়াসমিনা চৌধুরী হেসে উঠলেন – ওকে চিনিস তো তুই ! রেয়ান তোকে ছিঁড়ে খাবে এদিক ওদিক করলে ,সাধারন একটা চুনোপুটি তুই আমার মেয়ের জামাই হ্ওয়ার যোগ্য না তুই ।কোনো যোগ্যতাই নেই তোর ।
আহা আমার ই কষ্ট হচ্ছে,একটা রোবট কে বিয়ে করলি , চিন্তা করিস না তোর স্ট্যান্ডার্ড এর মেয়ে তোকে খুঁজে দেব।
আর্থার – ডিয়ার শাশুড়ি আম্মা, আপনার ফিডার খাওয়া মেয়েই আমার চাই ,আমি যেমন থার্ডক্লাস আপনার মেয়েকেও তেমন বানিয়ে নেব ।নো চিন্তা আমি আসছি কাল , আমাকে আটকে রাখার ফল খুব শীঘ্রই পাবেন।
#মিহিকা_রোজা
চলবে,,,,
যে নেক্সট নেক্সট করবি সেই তেলাপোকার গু খায় ,আর আজকের পর্ব টা সম্পর্কে মন্তব্য না করলে কিন্তু খবর আছে ।
গাইল দিবেন জানি , কিন্তু কি জানেন ইয়াসমিনা চৌধুরী যেমন ভয়ঙ্কর রেয়ান চৌধুরী তেমন ভয়ঙ্কর।
আর আর্থার (ভাই কিছু কমু না ,ও তো আরোও ভয়ঙ্কর)
সাদিক ,আয়ান নিস্পাপ শিশু।হুরকে খুঁজবে এখন সবাই🤦
হুমায়রা কোথায়? নূর কোথায়? মেহেরিন মির্জা কিকরে মারা গেলো ? নাবিলা কোথায় ?
সব প্রশ্নের উত্তর সামনে পাবেন 😀
না বুঝলে দুইবার পর্ব টা পড়ুন।

