#বলো_কোন_প্রিয়_নামে_ডাকি:~
#পর্ব_৩০
#সমৃদ্ধি_রিধী
বকুলের বাসার ড্রয়িংরুমে বৈঠক বসেছে। রহমান, বকুল, হাসনাহেনা, আরিফ, আলামীন এবং নওশাদ গোল হয়ে বসে আছে। আরিফ সোফার হাতলে কনুই ঠেকিয়ে ঠোঁটের লাছে আঙুল চেপে ফেসবুক স্ক্রল করেছে। ওর কাছে ফেসবুক স্ক্রল করার চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এখন আর কিছুই নেই। বকুলের কপাল কুচকানো। আলামীন নাকি রহমানকে কল করে বলেছে বাসার আসবে। তারপর এসেই আগে পিছে কোনো কথা না বলে সরাসরি রুমঝুমের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। বকুল মোটেই প্রস্তুত ছিলো না এই প্রস্তাবের জন্য। রহমানও চুপচাপ বসা।
আলামীন গলা খাঁকারি দিয়ে বলে, “আমি ছেলের বিয়ে ঠিক করেছিলাম ঠিকই, কিন্তু জানতাম না আমার ছেলে রুমঝুমকে পছন্দ করে। রুমঝুমও যেহেতু আরিফকে পছন্দ করে আমি এই শুক্রবারে ওদের বিয়ে দিতে চাই।”
রহমান বকুলের দিকে তাকিয়ে বলে, “আমাদের রুমঝুমের আরিফকে পছন্দ?”
বকুলের কপাল কুচকানো। মেঝের দিকে তাকিয়ে বলে,
“বলে তো।”
“জানতে?”
বকুল জবাব দিলো না। রহমান দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,
“বলার প্রয়োজনবোধ করোনি?”
বকুলের মুখে কথা নেই। আলামীন বলে,
“ভেবে দেখো। আমি ছেলের ভালো জন্য সব করতে পারি। যেহেতু ওরা একজন আরেকজনকে পছন্দ করে…”
বকুল মাঝপথে বলে উঠে, “বিয়েটা না ভাঙলে তো আপনি আসতেন না দুলাভই।”
আলামীন তাকিয়ে থাকে। রহমান নড়েচড়ে বসে বলে,
“আমি আমার মেয়ের সাথে কথা অবশ্যই বলবো। রিমি ওর পছন্দের কথা জানিয়েছে। নওশাদ বলেছে ছেলে ভালো আমি খুশিমনে ফারহানের সাথে রিমির বিয়ে দিয়েছি। রুমঝুমও একজনকে পছন্দ করে, যাচাই বাচাই করে দেখতাম ছেলে ভালো হলে আমার আপত্তি থাকতো না। আরিফের যদি সেদিন ইমার্জেন্সি সিলেট না যাওয়া লাগতো, বিয়ে যদি না ভাঙতো তাহলে তো আরিফের সাথে তৌহিদার বিয়ে হয়ে যেতো। আমার মেয়ের সাথে ওর বিয়ের কথা উঠতো না। এমনকি ও যে আরিফকে পছন্দ করে কিংবা আরিফ ওকে পছন্দ করে সেই বিষয়েও জানতাম না। আপনি আগে প্রস্তাব নিয়ে আসেননি কেনো?”
পুনম রুমঝুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে সবই শুনছিল। এই কথা শুনে রিমি, রুমঝুমের দিয়ে তাকিয়ে বলে, “এইজন্যই ভয়টয় ছাড়াই প্রেম করেছো? আমি প্রেম করলে আমাকে মেরে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতো।”
রিমি বলে, “আমাদেরকে আব্বু আমাদেরকে কখনোই কিছুতে জোর করেনা।”
পুনম আবারও আড়ি পাতে। আলামীন মানসম্মানে লাগে, তবে ছেলেমেয়ের জন্য উনি সব করতে পারে। চুপ করে বসে রইলেন। রহমান বলে,
“শুরুতেই তো একটা সমঝোতায় আসা উচিত ছিল ভাই।”
আলামীন কপাল কুচকে বলে, “আরিফ আমাকে আগে জানায়নি।”
রহমান কাটকাট গলায় বলে, “জানায়নি নাকি জানতে চাওয়া হয়নি?”
আলামীনের ভীষণ রাগ লাগলো। ইসরাত ইচ্ছে মতে ঝেড়ে আলামীনকে রুমঝুমের ব্যাপারে বলেছে। এটাও বলেছে রুমঝুমের সাথেই আরিফের বিয়ে না হলে ও আর কখনো আলামীনের সাথে যোগাযোগ রাখবে না। তাই আলামীন এসেছে। একটা মাত্র মেয়ে ওনার। কত আদরের মেয়ে। এই মেয়ে হওয়ার পরই তো উনি লাভের মুখ দেখেছে। মেয়ে হওয়ার পর থেকেই পনার সব দুঃখ শেষ। কন্যা সন্তান যে আল্লাহর রহমত এটা উনি ইসরাতের জন্মের পর হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন। আলামীন আর যাই হোক ইসরাতের সাথে যোগাযোগ না করে থাকতে পারবে না। আলামীন আরিফের দিকে তাকায়। আরিফ এক ধ্যানে মোবাইল টিপছে। মামার মতো হয়েছে বলে মনে মনে গালি দেয়।
রহমান বলে, “যাই হোক। জেনেছি। আমি রুমঝুমের সাথে কথা বলবো। ওর মত থাকলে ভেবে দেখবো।”
বকুল রেগে বলে, “তুমি রাজি হচ্ছো কেনো?”
রহমান বলে, “পরে কথা বলবো আমরা।”
আলামীন বলে, “শুক্রবারে আয়োজন করি?”
“মেয়ের সাথে কথা বলে দেখি ভাই। আমি আপনাকে জানাবো। আমাদেরকেও তো কথাবার্তা বলতে হয়।”
আলামীন মাথা দুলিয়ে বলে, “ভেবে দেখো।”
বকুল ঘরে চলে গেল। হাসনাহেনা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। রহমানের সাথে কথাবার্তা বলে হাসনাহেনা, আলামীন বেরিয়ে গেল। আরিফও ওনাদের সাথে বেরিয়ে যায়। তবে নওশাদকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার আগে ফিসফিস করে বলে,
“আয়হায়! এটা কি হলো? আপনি তো প্যাঁচ লাগাতে পারলেন না। আপনার ডিগ্রির কি হবে?”
নওশাদ রাগি চোখে তাকায়। আরিফ সালাম দিয়ে বেরিয়ে পড়ে। ওরা সবাই যেতেই রহমান নওশাদের সাথে আলাপ আলোচনা করে। বকুলের মত নেই, নেই, নেই। এদিকে রুমঝুম লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে মা, বাবা, মামা, মামি, বড় বোনের সামনে বলেই ফেলেছে আরিফকে বিয়ে না করলে আর কাউকে বিয়ে করবে না। পুনম মনে মনে ব্যঙ্গ করে।
ওদের পারিবারিক আলোচনার মধ্যেই নওশাদ আর পুনম বেরিয়ে পড়ে। আগামীকাল নওশাদের আবার কলেজ আছে। এখন না গেলেই নয়। বাসা থেকে বের হতেই পুনম একরাশ বিরক্তি নিয়ে বলে,
“এভাবে মাঝপথে চলে আসলেন কেনো?”
“দেখছো না ঝামেলা শুরু হয়েছে?”
“এটাই তো মহা। ভীষণ ইন্টারেস্ট পাচ্ছিলাম।”
নওশাদ অবাক হয়ে বলে, “ঝগড়া হচ্ছিলো আর তুমি ইন্টারেস্ট পাচ্ছিলে?”
“তো? ধুমতানা পর্ব চলছিলো। নিয়ে এলেন।”
নওশাদ হাঁটতে হাঁটতে বলে, “যাও তাহলে। থাকো ওখানে। উপভোগ করো।”
“না থাক।”
নওশাদ পকেটে হাত গুঁজে হাঁটতে থাকে। পুনম নওশাদের হাত ধরে। নওশাদ পকেট থেকে এয়ারপড বের করে বলে,
“এই সময় লাগবে গান শুনবে?”
“না। গল্প করবো।”
“কি গল্প?”
“কত গল্প আছে।”
“তোমার গল্পই ফুরায় না?”
“না।”
নওশাদ এয়ারপড পকেটে ঢুকিয়ে ফেলে। পুনম বলে,
“আমাকে একটা কথা বলুন।”
“তোমাকে অনেক কথাই বলছি, বলেছি আমি।”
“এভাবে কথা বললে কিন্তু আমি বলবো না।”
“আচ্ছা বলো।”
“রুমঝুমের সাথে আরিফের বিয়ে হবে? কি মনে হয়?”
“হতে পারে।”
“ওদের কাছে আজব লাগবে না?”
“মানে?”
“মানে ওরা তো কাজিন!”
“হুহ?”
“তো মানে এতদিন ভাই, বোন ছিল!”
“ইয়াহ?”
“তো এখন আজব লাগবে না হাসবেন্ড ওয়াইফ হলে?”
ভ্রু কুচকে বলে, “কি বলতে চাচ্ছো?”
“বুঝেছেনই তো। মামা হয়ে বেশি ডিপ কথা কেনো শুনতে চাচ্ছেন?”
“পাঁচ, ছয় প্রেম করতে পারলে বিয়ে করা কোনো ব্যাপার না।”
“বিয়ে করা ব্যাপার না। আমি বোঝাতে চেয়েছি.. মানে..”
“তোমার মানে তুমি ওদেরকে জিজ্ঞাসা করো। আমি কিছু জানি না।”
“ধরুন আপনি আমার কাজিন হলে আপনাকে বিয়ে করতে কিন্তু আমার অদ্ভুত লাগতো।”
“তুমি সব নিজের লাইফের সাথে মিলাও কেনো?”
“ওমাহ তাহলেই না গভীর ভাবটা বুঝতে পারবো!”
“চুপ করো। রাস্তায় সিএনজি নেই কেনো একটাও?”
“রেগে আছেন?”
“আরিফ উল্টাপাল্টা কথা বলে মাথা গরম করে দেয়।”
পুনম পায়ে ভর দিয়ে নওশাদের গাল টেনে দিয়ে বলে,
“কুচুপু রাগ করে না।”
নওশাদ কপাল কুচকে তাকায়। “এইসব কি ভাষা?”
“সিনেমায় দেখেছি।”
নওশাদ কপাল কুচকে অন্যদিকে তাকিয়ে থাকে। সিএনজি নেই, মাথা গরম। নওশাদের কিছু ভালো লাগছে না। পুনম নওশাদের গাল টেনে দিয়ে বলে,
“রেগে থাকবেন না।”
নওশাদ পুনমের হাত ধরে চোখ রাঙিয়ে বলে,
“রাস্তায় কি করছো?”
পুনম হাসে। নওশাদ বলে, “পাগল।”
“রাগ ভাঙাচ্ছি, এমন করতে হয়? রাস্তায় করবো না তো কোথায় করবো?”
“বাসায় রাগ ভাঙিয়েছো।”
“তখন তো আপনার মধ্যে শয়তান ভর করে।”
নওশাদ আবারও চোখ রাঙিয়ে বললো, “বাড়াবাড়ি হচ্ছে।”
পুনম হাসতে থাকে। “সত্যি বললেই দোষ না?”
সিএনজি পেতেই নওশাদ দামাদামি না করেই উঠে পড়ে। এমনিতেই সিএনজি নেই, এর উপর দামাদামি করতে গেলে দেখা যাবে পাবেই না কিছু। পুনম ওড়না সামলে উঠে বসে। মিনিটের মাঝেই কোমরে হাতের স্পর্শ পায়। পুনম চট করে নওশাদের দিকে তাকায়। হেলান দিয়ে বসে সোজা তাকিয়ে আছে। একটু পর পুনম কাতুকুতু অনুভব করে। পুনম না পারে সইতে, না পারে কিছু বলতে। মনে মনে নওশাদকে বকতে থাকে।
“শয়তান ভণ্ড একটা।”
নওশাদের হাতে চাপড় মেরে হাত সরিয়ে নেয়। শয়তানি ভালোই জানে, শুধু ভালো মানুষির মুখোশ পরে থাকে এই যা।
____________
শুক্রবার। রুমঝুমের জীবনের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনটার জন্য অনেক নাটক, তামাশা তো দেখলো। সেদিন সকলে যাওয়ার পর রুমঝুমের উপর ভীষণ চোটপাট হয়েছে। রহমান কথার কথা দুটো শুনিয়ে দিয়েছে কিন্তু বকুল রেলগাড়ীর মতো বলেছেই তো বলেছে। রুমঝুম তাও আরিফকে বিয়ে করবে বললে বকুল মেয়ের সাথে কথা বলাই বন্ধ করে দিয়েছে। কাটকাট গলায় এটাও বলে দিয়েছে কখনো কোনো সমস্যা হলে যেন বকুলকে কিছু না বলে।
রুমঝুমও মেনে নিয়েছে। বলবে না কাউকে কিছু। নিজের হ্যাপা নিজেই সামলাবে। সবাইকে দাম দিতে গেলে নিজের ভালোবাসা পাবেই না। রহমানও মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে আলামীনের সাথে কথাবার্তা এগিয়েছে। আলামীন মানুষ হিসেবে ভালো না হলেও আরিফ ভালো। আরিফকে ব্যক্তিগতভাবে ওনার ভীষণ পছন্দ। এখন বকুলের কথা অনুযায়ী আরিফও আলামীনের মতো সেই কথায় রহমান বিশ্বাসী নয়।
আরিফ খারাপ, ভালো হোক, রুমঝুম নিবোর্ধ হোক, বোকা হোক, আত্মসম্মানহীন হোক, কাণ্ডজ্ঞানহীন হোক রুমঝুম জানে ও আরিফকে ভালোবাসে। আরিফও ওকে ভালোবাসে। আরিফ অন্য কাউকে বিয়ের করার মতো দুঃসাহস দেখেয়েছি সেটা অন্য কথা। রুমঝুম বিয়ের পর সেই শোধ তুলবে। কিন্তু রুমঝুম পারতোই না আরিফের জায়গায় অন্য কারো বউ হতে।
রুমঝুম মেরুন রঙের শাড়ি পড়েছে। রুমঝুমের অনেক আগে থেকেই ইচ্ছে ছিল বিয়েতে মেরুন রঙের শাড়ি পড়ার। সেই ইচ্ছে পূরণ হচ্ছে ঠিকই কিন্তু মূল ইচ্ছে ছিল আরিফের দেওয়া মেরুন রঙের শাড়ি পড়া। তা না হয়ে এখন পড়তে হচ্ছে পুনমের দেওয়া মেরুন রঙের শাড়ি। যদিও শাড়িটা সুন্দর, তাও আরিফ দিলে বেশি ভালো হতো না? রুমঝুম গাড়িতে বসে আছে। ওদের বিয়েটা মসজিদে হবে। বিয়ে পড়ানো শেষ হলে ওরা কমিউনিটি সেন্টারে যাবে। ওখানে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
রুমঝুমে বিরক্ত হয়ে জানালার গ্লাস খুলে বাইরে তাকালো। সব আয়োজন শেষ, সব প্রস্তুতি শেষ। আরিফ আসলেই রুমঝুমকে গাড়ি থেকে নামানোর ফটোশুট করে বিয়ে পড়ানো হবে। কিন্তু আরিফই আসছে না। হাতের ইশারায় জাইমা, জেরিনকে ডাক দিয়ে জিজ্ঞাসা করে, “ইসরাত আপুরা এসেছে?”
জেরিন বলে, “হুম।”
“খালামণিরা?”
“সবাই এসেছে। আরিফ ভাইয়ার ফুফুরা, চাচারা সবাই।”
“তোদের আরিফ ভাইয়া?”
জাইমা খিকখিক করে হেসে বলে, “আরিফ ভাইয়া তো তোমারও ভাইয়া।”
রুমঝুম বিরক্ত হয়ে বলে, “ফাজলামো করিস না। আরিফ ভাইয়া এসেছে?”
“না। মামা এটা নিয়ে বড় খালামণির সাথে চিল্লাচিল্লি করছে।”
“কল দিয়েছিস? আমাকে যে ব্লক মেরেছিল এখনও খুলেনি।”
“না। মামাকে বল কল দিতে।”
“আচ্ছা।”
জেরিন, জাইমা চলে গেল। নওশাদকে গিয়ে বলে আরিফকে কল দেওয়ার কথাটা। নওশাদ এমনিতেই রেগে আছে। জেরিন, জাইমাকে ধমকে সামনে থেকে সরিয়ে দিয়েছে। জেরিন, জাইমা সোজা গিয়ে বিচার দেয় পুনমের কাছে। পুনম কিছুক্ষণ পর নওশাদের কাছে আসে।
“মাথা গরম কেনো? কি হয়েছে?”
“বেয়াদবটার কাণ্ডজ্ঞান দেখেছো? ও সময় জানে না? কাজির আর কাজ নেই? ওর জন্য সারাদিন ধরে আজাইরা বসে আছে না?”
“কল করেছেন?”
“করেছি। ফোন বন্ধ বেয়াদবটার।”
“আশ্চর্য! মজা পেয়েছে নাকি?”
“আমি যদি সবার সামনে চড় থাপ্পড় না দিয়েছি!”
“বড় দুলাভাই কোথায়?”
“উনি তো সেন্টারে। ওখানের দিকটাও তো সামলাতে হয়। আরিফ আসলে ওনাকে কল দেওয়ার কথা। সেজো আপা রাগারাগি করছে।”
“ওর কোনো বন্ধু-বান্ধব বা কলিগের নাম্বার আছে?”
“না।”
“মাহতাবকে জিজ্ঞাসা করুন না?”
“পারবো না আমি। এমনি এমনি বলি বেয়াদবটা ওর বাপের মতো হয়েছে?”
পুনম নওশাদের দিকে চোখ সরিয়ে বাইরে তাকায়। মাহতাব তখন হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে গেল। পুনম অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে মাহতাবের তাড়াহুড়ো দেখে। নওশাদকে বলে,
“মাহতাব ওভাবে কোথায় গেল?”
“ও যেখানে ইচ্ছে যাক। ওই বেয়াদবটা বিয়ের দিনও টাইম মতো আসতে পারে না। ওর সাথে রুমঝুমের বিয়ে হবে না। ধূরর!”
নওশাদ বোনেরা যেদিকে ওপাশে চলে গেল। পুনম কপাল কুচকে তাকিয়ে থাকে। মাথা গরম না করে একটু এগিয়ে গিয়ে দেখলে কি এমন হতো?
চলমান……
(হ্যাপি রিডিং)

