#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_১১
#লেখিকা_ছায়ালিপি
তূবা ফ্রেশ হয়ে এসে শুয়ে আছে গালিবের রুমে,অনির জন্য অপেক্ষা করছে কিন্তু অনি টায়ার্ড হয়ে ওখানেই ঘুমিয়ে পরেছে-
গালিব ঢুলতে ঢুলতে নিজের রুমে আসে, তূবা ঘুমিয়ে পরেছে তার টি-শার্ট একটু উপরে উঠে ফর্সা পেট বের হয়ে আছে।
গালিব তূবার পেটের তিলটা দেখে আরো বেশি নেশা হয়ে গেলো। গালিব আসতে আসতে তূবার কাছে চলে আসে।
তূবার গোলাপি ঠোঁট গুলো যেনো গালিব কে টানছে কাছে, গালিব তূবার খুব কাছে চলে যায় গালিবের ভাড়ি নিশ্বাস তূবার গোলায় পরছে। গালিব নিজেকে সামলাতে না পেরে যেই তূবার ঠোঁটে ঠোঁট বসাবে ওমনি তূবা চোখ খুলে। লাফ দিয়ে বিছানার উপরে উঠে পড়ে
তূবা: আপনি এখনি কি কি করতে যাচ্ছিলেন।
গালিব: তোমাকে আদর করতে চেয়েছিলাম একটু।
তূবা: আপনি ড্রিংকস করেছেন?
গালিব: হ্যাঁ একটু করেছি, কিন্তু তোমাকে দেখে নেশাটা আরো বেরে গিয়েছে।
তূবা: ভাইয়া এটা বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে না।
গালিব বিছানায় উঠে চাইলে তূবা বলে খবদ্দার উপরে উঠবেন না উপরে উঠলে কিন্তু আমি বালিশ দিয়ে আপনার মাথা ফাটিয়ে দিবো বলে দিলাম।
গালিব: বেবি তুমি এত পিচ্ছি হয়ে আমাকে ভয় দেখাচ্ছো,
এই বলে তূবাকে নিজের কাছে টেনে নেয়। তুমি কি বুঝো তোমার জন্য আমার ভিতরে কি বয়ে যায়, আজ এত সেজে কেনো এসে ছিলে আমার কাছে।
তূবা: ভাইয়া আমাকে ছেরে দিন প্লিজ,
গালিব তূবাকে বেডে শুয়ে দিয়ে তূবার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবালো, তূবা হাত পা ঝটপটাতে শুরু করে তাতে কোনো লাভ হয়নি।
১০ মিনিট পরে গালিব তূবার ঠোঁটে ছেরে দেয়, তূবার দুই হাত মাথার উপরে গালিব শক্ত করে চেপে ধরে হিসহিসিয়ে বলে লিটিল বার্ড নিজেকে কন্ট্রোল কররে পারছি না, প্লিজ আমার সাথে একটু কো-অপারেট করো, গালিব তূবার গলায় বাইট বসিয়ে দেয়। তূবা ব্যাথায় কুকিয়ে উঠে, তূবা সব টুকু শক্তি দিয়ে গালিবকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে কিন্তু পারে না।
গালিব তার কোমরের বেল্ট খুলে সেটা দিয়ে তূবার হাত বেধে দেয়। এবার তূবার পেটের সেই তিল টারতে কামর বসিয়ে দেয়, তূবা জোরে জোরে কান্না করছে থাকে কিন্তু কেউ তার কান্না শুনতে পায় না।
—————————————————-
সকাল সকাল গালিবের ঘুম ভেঙে যায়, তূবা কান্না করতে করতে চোখ মুখ লাল করে ফেলেছে-
গালিব: ও শিট শিট শিট!!! এটা আমি কি করেছি, আমি এতটা জানোয়ার হয়ে গিয়েছিলাম কাল রাতে। এটা আমি কিভাবে করলাম।
গালিব তূবার দিকে তাকাতে পারছে না, এটা সে কিভাবে করে ফেললো, তূবা কান্না করেই যাচ্ছে।
গালিব তূবার হাতের বাধন খুলে দেয়, কিন্তু কোনো কথা বলে না। তূবা এই অবস্থায় বাইরে যেতে পারবে না তাই এখানেই বসে আছে। গালিব ফ্রেশ হয়ে রুম লোক করে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলো। রাস্তায় দারিয়ে সে ভাবছে কি করবে এখন সে, কিছু একটা ভেবে সে গাড়ি স্টাড দিয়ে চলে গেলো শপিং মলে গিয়ে একটা লাল রঙ এর লেহেঙ্গা নিয়ে নিলো, সাথে কিছু জুয়েলারি নিয়ে নিলো।
গালিব রুমে ডুকে ভিরর থেকে দরজা লক করে তূবাকে শপিং ব্যাগ গুলো দিলো।
গালিব: এগুলো পড়ে রেডি হয়ে নাও।আমি তো তোমার সম্মান ফিরিয়ে দিতে পারবো না, কিন্তু তোমার দিকে যেনো কেউ আংগুল তুলতে না পারে তার ব্যবস্থা আমি করবো।
তারাতাড়ি রেডি হয়ে না,
তূবা ব্যাগ গুলো দেখে বলে এগুলো তো বউ এর জিনিস এগুলো আমি কেনো পরতে যাবো।
গালিব: কারণ আজ তুমি বউ
তূবা: মানে, আমি বউ মানে কি? আর কার সাথে আমার বিয়ে?
গালিব: কেনো আমার সাথে!
তূবা: আমি কোনো দিন আপনাকে বিয়ে করবো না,আপনি অনেক খারাপ নিজের স্বার্থে আপনি যাই ইচ্ছে করতে পারেন।
গালিব: হ্যাঁ আমি খারাপ , আর তাই তোমার সাথে যা করেছি তার জন এটা একটা বেস্ট সলিউশন। ছো গেট রেডি লিটিল বার্ড।
তূবা: আমি মরে যাবো আপনাকে বিয়ে করবো না।
গালিব: লিটিল বার্ড তুমি এত বোকা কেনো, তুমি কি জানো আজ তুমি বিয়ে না করলে তোমার বোনেরও বিয়ে হবে না।
তূবা: আমি কখনো বিশ্বাস করি না নিলয় ভাইয়া নিলা আপু কে ঠোকাবে।
গালিব: ও র্যালি! অকে ফাইন!! তোমাকে তো তাহলে প্রুভ দিতে হয়।
গালিব নিলয়কে ফোন দিলো-
গালিব: হ্যালো দোস্ত একটা কথা বলবি,
নিলয়: হ্যাঁ বল,
গালিব: তোকে যদি আমার আর নিলার মধ্যে একজন কে বেছে নিতে হয় তাহলে তুই কাকে বেছে নিবি?
নিলয়: এটা কোনো বলার কথা, অবশ্যই তুই। তুই আমার প্রথম এবং শেষ চয়েজ।
গালিব: তাহলে নিলার কি হবে?
নিলয়: আগে যেমন ছিলো তেমন থাকবে,
আচ্ছা দোস্ত ঠিক আছে, তুই সেরা বন্ধ, গালিব ফোন কেটে দিলো। এবার নিলাকে ফোন দিলো,
গালিব: হ্যালো নিলা!
নিলা: হুম,
গালিব: তোকে যদি তোর ফ্যামিলি আর নিলয় এর মধ্যে একটা চুজ করতে হয় তাহলে তুই কাকে চুজ করবি?
নিলা: ফ্যামিলি কে!
গালিব: কেনো?
নিলা: কারণ আমি আমার ফ্যামিলিকে অনেক ভালোবাসি, আমি হাসতে হাসতে জীবন টা দিয়ে দিতে পারি।
গালিব: আচ্ছা আচ্ছা জীবন দিতে হবে না, তোর সব কিছু তোরি থাকবে।
তূবার চোখে পানি তার বোন তাদের জন্য এত কিছু করতে পারছে আর সে তার বোনের জন্য এই টুকু করতে পারবে না।
তূবা: আমি বিয়েতে রাজি, আপনি বাইরে যান আমি রেডি হয়ে আসছি।
গালিব বিজয়ের হাসি দিয়ে বের হয়ে চলে গেলো।
তূবা: ( একবার আপুর বিয়েটা হয়ে যাক তার পরে এমন খেল শুরু করবো না নিজেই ভয়ে ডিভোর্স নিয়ে দিবে)
—————————————————-
গালিব ভাবছে কিছুক্ষণ আগের কথা, যখন নিলাকে গালিব সব কিছু খুলে বলে। নিলা তখন নিলয়কে সব কিছু খুলে বলে, নিলয় একটু রাগ হয় কারণ এত বছর ধরে এত কথা গুলো লুকিয়ে রেখে। নিলা গালিবকে বিয়ের আইডিয়া দেয় কিন্তু গালিব প্রথমে রাজি হয় না, বলে তূবা এতে আরো বেশি তাকে ঘৃনা করবে।
নিলা/ নিলয় দুই জন তখন এই প্লান টা দেয় গালিব কে, তার আগে গালিব তূবার বাবার লাছে যায়-
গালিব: আংকেল একদিন তো আমি আপনার ছোট মেয়ের জীবন বাচিয়েছি। আজ আমি আপনার ছোট মেয়েকে ভিক্ষা চাইছি আপনার কাছে প্লিজ ফিরে দিবেন না।
ফিরোজ আহমেদ : বাবা তুমি ছেলে হিসেবে খারাপ না, আমি রাজি তোমাদের বিয়ে দিতে কিন্তু এত তারাহুরো কি আছে।
নিলার বিয়ের পরে না হয়।
গালিব: না আংকেল বিয়ে আমি আজ করবো আর পরে না হয় আবার বড় করে অনুষ্ঠান করে বিয়ে করবো। কিন্তু আমাই আমার লিটিল বার্ড কে হারাতে চাই না।
এতক্ষণ গালিব দারিয়ে দারিয়ে কথা গুলো ভাবছিলো তার মধ্যে তূবা রুম থেকে বেরিয়ে আসে বউ সাজে।
তূবার বিশ্বাস সবাই মেনে নিলেও তার বাবা এই বিয়ে মেনে নেবে না, তুবও একটা রিক্স নিতে চায় তূবা।
গালিব তূবার হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে, তূবার বউ সাজ দেখে সবাই বলা বলি করছে এই মেয়ে কেনো বউ সেজেছে। নিলা তূবাকে দেখে একটু অভাক হওয়ার অভিনয় করলো। তূবা একটু হেসে নিলার পাশে বসে পরলো।
তূবা বউ সাজলেও গালিব কিন্তু বর সাজেনি সে নরমাল একটা ব্লাক শুট পরে নিয়েছে।
তূবা: আপু তোমার সাথে আমার কিছু জরুরি কথা আছে প্লিজ একটু সাইডে চলো।
নিলা: আচ্ছা চল,
তূবা: আপু ঐ মনস্টার টা আমাকে জর করে বিয়ে করতে চাচ্ছে, বিশ্বাস করো আপু আমি অকে বিয়ে করতে চাই না। ও বলেছে আমি তাকে বিয়ে না করলে ও নাকি তোমাদের বিয়ে হতে দিবে না।
নিলা: কি সব যাতা বলছিস এই সব।
তূবা: তুমি চিন্তা করনা আপু আমি আব্বুকে ডেকে এসে সব সত্যি বলে দিবো তার পরে দেখি কিভাবে ঐ মনস্টার তোমাদের বিয়ে আটকায়।
তূবা যেতে নিলে নিলা তূবাকে আটকে দেয়-
নিলা: শোন তাহলে, গালিব তোকে সে ৭ বছর আগে থেকে ভালোবেসে গেছে। সব সময় তোকে আগলে রেখেছে। কাল রাতে ও তোর সাথে কি করেছে ওর কিছুই মনে নেই কিন্তু ও তবুও তোর চোখে পানি দেখতে না পেরে তোকে আজ বিয়ে করতে চেয়েছে। আমি জানি এই কথা গুলো বলা আমার ঠিক হচ্ছে না তবে বোন একটা কথা বলে রাখি। তোকে যদি কেউ ভালোবেসে থাকে তাহলে সেটা গালিব। আর এই যে বাড়িটা দেখছিস এটা তোর ড্রিম হাউজ, ও সব কিছুই তোর পছন্দের কিনেছে শুধু তুই ওর পছন্দ বলে। ছোট বেলা থেকে বাবা মায়ের আদর পায়নি, কিন্তু তুই পারিস ওকে এখন এই ভালোবাসা দিয়ে শুন্য স্থান পূরণ করতে। আমি জানি তুই আমাদের নিরাস করবি না।
তূবা : আমি সত্যি বোকা, এই মানুষ টা আমাকে এত ভালোবাসে আর আমি কি না তাকে সব সময় ভুল বুঝে যাই।
কিন্তু উনি যা ভাবছে কালকে তো তেমন কিছুই হয় নি। এভাবে উনি আমাকে বিয়ে করলে তো উনাকে ঠোকানো হবে। আমার সব কিছু জানাতে হবে।
তূবা গালিবের কাছে গিয়ে –
তূবা: শুনুন আপনার সাথে আমার কিছু কথা আছে,
গালিব তূবাকে নিয়ে রুমে চলে গেলো,
তূবা: ভাইয়া কালকে আমাদের মাঝে তেমন কিছুই হয় নি, তাই প্লিজ এভাবে বিয়ে করার প্রয়োজন নেই।
গালিব ছোট করে চুমু দিয়ে দিলো তূবার ঠোঁটে।
তূবা: ভাইয়া কি করছেন।
গালিব আবার চুমু দিয়ে দিলো,
গালিব: যত বার ভাইয়া ডাকবে ততবার চুমু দিবো! হুম ডাকো ডাকো ভাইয়া ডাকো।
তূবা হাত দিয়ে ঠোঁট ঢেকে নেয়।
গালিব: কি যেনো বলছিলে, কালকে রাতে কিছু হয় নি। তাহলে তোমার গোলায় ঐটা কিসে দাগ দেখা যাচ্ছে।
তূবা: কই দেখি ( তূবা কালকে থেকে আয়নায় নিজের চেহারা দেখেই নি আর বলবে কি করে কি হয়েছে) এমা সত্যি তো কিসের দাগ এটা, মশা কামরালে তো এমন হয় না তাহলে কি এমন করলো।
গালিব: হুম এটা হচ্ছে ছেলে মশা তাই এমন হয়েছে।
বোকা মেয়ে এগুলোকে লাভ বাইট বলে।
তূবা এবার লজ্জা পেয়ে যায়, ছি এই লোকটার মুখে দেখি কিছুই আটকায় না। ছেলেরা মনে হয় এমনি ঠোঁট কাটা হয়।
তূবা: এগুলো ছাড়া আর কিছু হয় নি তো, তাহলে কেনো বিয়ে করবেন আপনি আমাকে।
গালিব: আচ্ছা যা যা হয়নি আজ রাতে বাকি কাজ সেরে নিবো অকে।
তূবা:……….
গালিব: লিটিল বার্ড আমাকে বিয়ে করতে সমস্যা কোথায়? বলবে প্লিজ?
তূবা: চুপ করে থাকে।
গালিব ঘর থেকে বের হয়ে চলে গেলো, তূবা পিছু পিছু গেলো। প্রথমে নিলা ও নিলয়ের বিয়ে হল তার পরে। গালিব আর তূবার বিয়ে শুরু হলো, অনি চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে তারি বড় ভাই তারি বান্ধবীকে বিয়ে করছে আথচো কেউ একজন জানানোর প্রয়োজন মনে করলো না।
জিসান: বিয়ে করতে চাইলাম তার বোনকে, আর সে কি না আজ আমার বোনকে বিয়ে করে নিচ্ছে। তবে আমি খুশি, যে আমার বোন গালিব ভাইয়ের মত একজন জীবন সাথী পেয়েছে।
কাজি সাহেব: বাবা কাবিন কত গুলো রাখবা?
গালিব: শুনেছি কাবিন শোধ করে নাকি বউকে তূলে নিতে হয়, তাই আমি ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে এসেছি সাথে আমার মনটা।
কাজি সাহেব : সব কিছু বলে তূবাকে কবুল বলতে বলে, তূবা তার বাবা মার দিকে তাকিয়ে আছে, তারা দুজনি চোখের ইশারা নিয়ে সমর্থন জানায়..
তূবা: তিন বার, আলহামদুলিল্লাহ কবুল, কবুল, কবুল।
এবার গালিবকে বলতে বললে –
গালিব: আলহামদুলিল্লাহ কবুল, আলহামদুলিল্লাহ কবুল, আলহামদুলিল্লাহ কবুল।
বিয়ে সম্পূর্ণ হলো,
গালিব আর তূবা সালাম করলো তূবার বাবা মা কে। তূবা অনিকে খুজতে লাগলো বিয়ের কথা শুনার পর থেকে তূবা অনিকে আর কোথাও দেখতে পাচ্ছে না।
গালিব একটা বক্স নিয়ে নিলার কাছে গিয়ে বলল, ধন্যবাদ তোকে আজ তোর বিয়েতে আমাকে এত বড় একটা গিফট দেয়ার জন্য।
আর এটা আমার আর আমার বউ এর তরফ থেকে তোর জন্য গিফট। নিলা গিফট টা নিয়ে গালিবকে ধন্যবাদ জানালো,
নিলা: আমার বোনটা অনেক ছোট রে ঐ ছোট ছোট ভুল গুলো পারলে মাফ কিরে দিস।
গালিব: তুই জানিস টিচার রা কেমন হয়, ভুল করলে যেমন শাস্তি দেয় ঠিক সেই ভাবে আদর করে। তাই আমার থেকে এর থেকে বেশি কিছু আশা করিস না।
নিলা: কি বিয়ে করেই রুপ চেঞ্চ করে নিলি, যা আমার বোনকে পাঠাবো না তোর কাছে।
গালিব: হ্যালো মেডাম! আমার বউ আমার বাড়িতে আছে, আর কোথায় যাইতে হবে না অকে।
—————————————————
অনি গাল ফুলিয়ে বসে আছে, ভাইয়ের বিয়ে নিয়ে কত প্লান করে রেখেছিলো আর তার ভাই কিনা না জানিয়ে বিয়ে করে নিলো। তূবা অনি অনি করে চিল্লায় চিল্লায় ডাকতে থাকে, রূমে এসে ধপ করে বসে পরে এত ভারি লেহেঙ্গা পরে হাটা অনেক কষ্টের।
অনি কোনো কোথা না বলে চুপ করে আছে।
তূবা: কি রে রেগে আছো কেনো?
অনি: কে আপনি আমি তো আপনাকে চিনিনা! আপনি কি আমাকে চিনেন?
তূবা: আমি আপনার বান্ধবী তূবা।
অনি: আচ্ছা আপনি আবার আমার বান্ধবী আপনি না বললে তো আমি জানতামি না আমি আপনার বান্ধবী হই, তা বান্ধবী বুঝি বান্ধবীকে না জানিয়ে বিয়ে সেরে ফেলে তাও আবার তার বান্ধবীর ভাইয়ের সাথেই।
তূবা: বিশ্বাস করো আমি নিজেও একটু আগেই জানতে পেরেছি আমার বিয়ে। আর সব কিছু এত তারাতাড়ি হয়ে গেছে এ আমি বুঝতেই পারিনি। আচ্ছা তুমি চাইলে আমি এই বিয়ে ভেঙ্গে দেই।
চলবে………….

