আকাশ_জুড়ে_একা_আমি #লামিয়া_ইসলাম #পর্ব_৩

0
42

#আকাশ_জুড়ে_একা_আমি
#লামিয়া_ইসলাম
#পর্ব_৩
(শব্দসংখ্যা ১৫০০+)

ফরেনসিক টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে রিপোর্টের পাতা উল্টাচ্ছিলেন ডা. সিনথিয়া জামান। ল্যাবের বাতাসে কেমিক্যালের গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছে।এএসপি আরশাদ তার পাশে হাত গুটিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।ডা. সিনথিয়া শান্ত স্বরে বললো,

“দেখুন, আমরা এখনো পর্যন্ত কোনো ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাইনি। কিন্তু একটা বিষয় আমাকে ভাবাচ্ছে,খুনগুলো হয়তো একজনের কাজ না-ও হতে পারে।”

আরশাদ ভ্রু কুঁচকে তাকালো।

“কিন্তু প্যাটার্ন তো এক। মডাস অপারেন্ডি একই। তাহলে একাধিক খুনি কীভাবে?”

“আমি নিশ্চিত বলছি না। শুধু সম্ভাবনার কথা বলছি। আপনি জানেন মানুষ সাধারণত ডমিন্যান্ট হ্যান্ড ব্যবহার করে। কেউ ডানহাতি, কেউ বাঁহাতি। আঘাতের অ্যাঙ্গেল, প্রেসারের দিক এসব থেকে আমরা সেটা আন্দাজ করি।”

একটু থেমে তিনি রিপোর্টে আঙুল রাখলেন।

“১৬টা খুনের মধ্যে ১০টায় আঘাতের প্যাটার্ন লেফট-ডমিন্যান্ট, আর ৬টায় রাইট-ডমিন্যান্ট।”

“মানে হয় দুইজন… না হয় একজন যে দু’হাতই সমানভাবে ব্যবহার করতে পারে?”

“একদম তাই। অ্যাম্বিডেক্সট্রাস হলে দুটোই সম্ভব।”

খুনির সাইকোলজি কেমন মনে হয় আপনার কাছে?”

“পেশাদার না, রাগী, ইম্পালসিভ। একটা মানুষকে মারতে যতটা দরকার, তার চেয়ে অনেক বেশি আঘাত করা হয়েছে। খুনি কোনো পেশাদার খুনি না। কিছুটা অপরিপক্ক ও বলা যায়। কারণ সে যতবার ভিক্টিমের গলায় স্ট্যাব করেছে আসলে একটা মানুষকে শেষ করতে অতগুলো স্ট্যাব করা লাগে না। খুনি পেশাদার হলে খুব সহজেই বুঝে যেত যে ভিক্টিম কে কয়বার স্ট্যাব করতে হবে। তবে খুনির খুব ক্ষোভ রয়েছে ভিক্টিমদের উপর। কারণ সে খুনির প্রাইভেট পার্ট আর চোখ এর উপর খুব বাজে ভাবে অত্যাচার করেছে তখন যখন খুনি জীবিত ছিলো। বার বার অত্যাচার করার পর গলায় স্ট্যাব করে মার্ডার করেছে।”

“কিন্তু ভিক্টিমরা কেউ চিৎকার করেনি। কোনো স্ট্রাগল সাইন নেই। আসলে স্পট থেকে লোকালয় যে খুব দূরে ছিলো তা কিন্তু নয়।ওনারা যদি বাঁচার জন্য চিৎকার করতো তাহলে তো কেউ না কেউ শুনতে পেতো।”

“কারণ তারা তখন কথা বলার বা নড়ার অবস্থায় ছিল না।”

“সেডেটিভ?”

“হ্যাঁ। এমন কিছু এটা শরীরকে অবশ করে দেয়,কিন্তু সেন্সেশন ব্লক করে না।একদম ভিন্ন ধরণের একটা ড্র্যাগ,Scopolamine-9। যেটা শরীরে প্রয়োগ করলে শরীর অবশ হয়ে যায়। যাকে প্রয়োগ করা হবে সে নড়াচড়া করতে পারবে না তার পুরো শরীর অবশ হয়ে যাবে কিন্তু সে তার উপর কোনো অত্যাচার করা হলে ব্যথাটা সে স্পষ্টভাবে অনুভব করতে পারবে।

“এই ধরণের ড্র্যাগ কোথায় পাওয়া যায় সাধারণত?”

“এটা খুব কম পরিমানেই বাংলাদেশে আসে। যেটুকু আসে সেটাও জাস্ট ল্যাব রিসার্চের জন্য। তবে ব্ল্যাক মার্কেটে এটা পাওয়া যায়। তবে সেটাও খুব কম পরিমানে।”

“ওকে তাহলে ফুল রিপোর্ট রেডি হলে অফিসে পাঠিয়ে দিবেন।”

“জি অবশ্যই।”

ডা. সিনথিয়ার সাথে কথা শেষ করে বের হতেই সাব ইন্সপেক্টর সাদাতের কল এলো। আরশাদ ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে বলতে শোনা গেলো,

-“স্যার, পূর্বাচলে যে লাশটা পাওয়া গেছে ঐ স্পটে সিসি ক্যামেরায় একটা গাড়ি ট্রেস করা গিয়েছে। একটা ব্ল্যাক রঙের মার্সিডিজ।”

“গুড জব, গাড়িটার পুরো ডিটেইলস বের করো। আমি আধা ঘন্টার মধ্যে অফিসে পৌছাচ্ছি।”

——————–

মেঘলা আজ সন্ধ্যায় বাঙালিয়ানার ধানমন্ডি ব্রাঞ্চে এসেছিল। সারাদিন ধরে চলা ডিপ ক্লিনিং শেষে ঠিক রাত ন’টার দিকে রেস্টুরেন্টটা যেন একদম হালকা হালকা লাগছে।। চকচকে মেঝেতে আলো ঝিলমিল করছে, রান্নাঘর থেকে কেমিক্যাল আর কাঁচা মসলার মিশ্র গন্ধ ভেসে আসছে। চেয়ার–টেবিলগুলো একেবারে সোজা করে সাজানো, শাটার নামানোর আগের শেষ প্রস্তুতি চলছে। এর মধ্যেই কালো হুডি পড়া এক আগন্তুক ব্যক্তি রেস্টুরেন্টের কাচের দরজা ঠেলে ভিতরে প্রবেশ করলো।তার উপস্থিতিতে ঘরের আলো যেন খানিকটা ম্লান হয়ে এলো। মাথার উপর হুডির বিশাল টুপিটা এমনভাবে নামানো, মুখটা প্রায় আড়াল হয়ে রয়েছে।ক্যাশ কাউন্টারে বসে থাকা মেঘলার দিকে তাকিয়ে খুব নিচু স্বরে বললো,

“আজকে আপনাদের অনলাইন অফ কেন?”

মেঘলা পেশাদার ভদ্রতায় উত্তর দিলো,

“সরি, স্যার। আজকে ডিপ ক্লিনিং হয়েছে। তাই অনলাইন সার্ভিস অফ রাখা হয়েছে।”

লোকটা একটু থেমে আবার জিজ্ঞেস করলো,

“ওহ। এখন কি কোনো অর্ডার প্লেস করা যাবে?

মেঘলা এবার একটু ইতস্তত বোধ। সময়টা রাতের, তাই রেস্টুরেন্ট প্রায় ফাঁকা। দিনের কোলাহল পেরিয়ে সব স্টাফই প্রায় চলে গেছে এখন মাত্র দু’জন লোক রয়েছে। ঢাকার মতো শহরে, যেখানে প্রতি মোড়ে মোড়ে রেস্টুরেন্ট, সেখানে ঠিক এই সময় এই জায়গাতেই অর্ডার দেওয়ার জন্য লোকটার এমন ব্যস্ততা তার মনে কিছুটা সন্দেহ জাগালো।লোকটার আচরণও স্বাভাবিক লাগছিল না। কালো হুডির বিশাল টুপিটা সে এমনভাবে টেনে রেখেছে মুখটা প্রায় অন্ধকারে ঢাকা। কথাও বলছে খুব নিচু স্বরে, সব কিছু মিলিয়ে লোকটাকে কেমন যেনো একটু সন্দেহজনকই মনে হচ্ছিল।

মেঘলার চোখের দৃষ্টি আর মুখের অস্বস্তি লোকটার নজর এড়ালো না। লোকটাও বুঝতে পারলো তার এইরকম বেশভুষা সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে। সে ধীরে ধীরে মাথা থেকে হুডির টুপিটা সরিয়ে বললো,

“জাস্ট সিম্পল কিছু। ভাত আর সরিষা ইলিশ হলেই হবে।”

মুহূর্তের মধ্যেই মেঘলার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল। রেস্টুরেন্টের বাকি দুইজন স্টাফও দৌড়ে এসে ফিসফিস করে বলাবলি শুরু করলো,

“আরেহ! এটা তো সিঙ্গার রওনক হাসান! চল একটা সেলফি নেই!”

মেঘলা চোখের ইশারায় ওদের থামাল। তারপর রওনকের দিকে তাকিয়ে শান্ত স্বরে বললো,

“সরি স্যার, বুঝতে পারিনি যে আপনি ছিলেন। আমি এখনই খাবার রেডি করতে বলছি।”

কিচেনে গিয়ে সে দ্রুত নির্দেশ দিয়ে এলো। এরপর হাতে করে ওয়েলকাম ড্রিংকস নিয়ে এসে রওনকের দিকে গ্লাসটা এগিয়ে দিলো। গ্লাসটা হাতে নিয়ে রওনক হালকা হেসে বললো,

“আই থিংক আপনার নাম মিস মেঘলা। যদি মাইন্ড না করেন, আমি একটু আপনার সাথে কথা বলতে চাই।”

মেঘলা কিছুটা অবাক হলো, অচেনা মানুষ, তার উপর দেশের জনপ্রিয় একজন সংগীত শিল্পী তার কী-ই বা কথা থাকতে পারে তার সাথে? তবু নিজের জড়তাকে গুটিয়ে রেখে সে একটা চেয়ার টেনে তার সামনে বসলো।

“জি, বলুন।”

“আমি লাইফে অনেক জায়গার খাবার ট্রাই করেছি। কিন্তু আপনার রেস্টুরেন্টের মতো খাবার আর কোথাও পাইনি। জানেন, আমি প্রায় সাত বছর ধরে এখানে আসছি।”

“তাহলে তো আপনি আমাদের একদম প্রথম দিকের কাস্টমার।”

“হ্যাঁ। তখন রেস্টুরেন্টটা আরও ছোট ছিল। আমি তখন ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট। বাজেট খুব টাইট থাকতো, তাই এমন জায়গা খুঁজতাম যেখানে কম দামে ভালো খাবার পাওয়া যায়। আপনাদের প্রাইস সবসময়ই রিজনেবল ছিল। কিন্তু একটা প্রশ্ন আপনাদের খাবারে এই ঘরোয়া ফ্রেশনেসটা আসে কিভাবে? বড় বড় রেস্টুরেন্টেও তো এই ফ্রেশনেসটা থাকে না।”

মেঘলা হালকা হেসে বললো,

“অন্য সব রেস্টুরেন্ট এর মতো দিনে আমরা দুইবার রান্না করি না। আমরা তিন ঘণ্টা পর পর রান্না করি। ম্যারিনেট একবারেই করা হয়, কিন্তু রান্নায় ফ্রেশনেস এর জন্য ৩ ঘন্টা পর পর রান্না করা হয়। এতে খাবার নষ্টও কম হয়, আর স্বাদটাও একদম ঘরের মতো থাকে।”

“দ্যাটস রিয়েলি গ্রেট। এত টেস্টি খাবার আপনাদের … আমি সত্যিই আপনাদের খাবারের উপর অবসেসড।আপনি রিয়েলি অনেক ট্যালেন্টেড।”

মেঘলা একটু লজ্জা পেয়ে বললো,”এত প্রশংসা করবেন না। আমি জাস্ট একজন একজন সিম্পল রেস্টুরেন্ট ওনার।”

“একদমই না। আপনি তার চেয়েও বেশি। যে মানুষ খাবারের ভেতর ঘরের উষ্ণতা ঢেলে দিতে পারে, সে আরও অনেক বেশি প্রশংসার যোগ্য।”

————–

“গাড়িটা কার?”

আরশাদ বেশ থমথমে কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলো।

“স্যার রওনক হাসানের। ওনার নামেই রেজিস্টার করা।”

“তো কালকে অফিসে আসার জন্য খবর পাঠাও।”

“কিন্তু স্যার….”

সাদাত বলতে কিছুটা ইতস্তত বোধ করলো। তারপর ও সে বললো,

“স্যার উনি জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী রওনক হাসান। এরকম ভিআইপি পার্সনকে কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদ করাটা কি ঠিক হবে?”

” আমি যতদূর শুনেছি উনি মানুষ হিসেবে ভালোই।আর আমরা তো আর ওনাকে সাসপেক্ট হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করবো না। সেদিন উনি ঐ জায়গায় সন্দেহজনক কিছু দেখেছিলো কিনা তাই নিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করবো।তুমি ওনার ম্যানেজার এর সাথে সাথে বলো। আই থিংক উনি আমাদের সাথে কথা বলতে রাজি হবেন।”

“ওকে স্যার।”

সাদাত চলে যেতেই ঘরটার ভেতর হঠাৎ করে একধরনের নিস্তব্ধতা নেমে এলো।আরশাদ ধীরে ধীরে হাতে থাকা কাগজগুলো টেবিলে রেখে কফির কাপটা তুলে নিলো। কফির গরম ভাপ তার আঙুল ছুঁয়ে উঠে মিলিয়ে গেল, ঠিক যেমন তার মাথার ভেতরের অসংখ্য প্রশ্ন কোনো উত্তর না পেয়ে মিলিয়ে যাচ্ছিল।
সে জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়ালো। বাইরে কুয়াশা এমনভাবে ঘন হয়ে আছে দেখে মনে হচ্ছে আকাশ আর মাটির মাঝখানে যেন এক অদৃশ্য দেয়াল তুলে দিয়েছে কেউ। দূরের লাইটপোস্টগুলো কুয়াশার ভেতর আধখানা দেখা যাচ্ছে।আরশাদের চোখ স্থির হয়ে রইলো সেই কুয়াশার দিকে। তার মনে হলো, সে নিজেও এই কুয়াশার মাঝেই দাঁড়িয়ে আছে চারপাশে অসংখ্য পথ, কিন্তু কোনটা সঠিক, কোনটা ভুল, বোঝার উপায় নেই। পুরো ক্যারিয়ারে বহু কঠিন কেস এসেছে, অনেক ভয়ংকর অপরাধীকে সে সামনে থেকে দেখেছে; কিন্তু এই কেসটা যেন আলাদা। এটা কোনো সোজাসাপটা গোলকধাঁধা নয়, বরং আয়নার তৈরি গোলকধাঁধা একেকটা মোড়ে দাঁড়ালে নিজেরই প্রতিচ্ছবি ফিরে তাকায়, সত্য আর বিভ্রম গুলিয়ে যায়।কফির এক চুমুক নিয়ে সে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। গরম কফি গলার ভেতর দিয়ে নামলেও বুকের ভেতরের ঠান্ডাটা কাটলো না।

—————–

” সালাম ভাই, আমি আপনাকে আমার বড়ো মেয়ের জন্য প্রস্তাব আনতে বলেছি, ছোট মেয়ের জন্য না। ”

“আহা আপা বুঝতে পারছেন না, ওরা নিজে থেকে মাহিরার কথা বলেছে। ছেলে ডাক্তার। ছেলের হাসপাতাল থেকে আপনার মেয়ের ইউনিভার্সিটিতে মেডিকেল ক্যাম্পে গিয়েছিলো সেখান থেকেই ওকে দেখে পছন্দ করেছে।”

“না, এই প্রস্তাবে ওনাদের না বলে দিন। বড়ো মেয়ের বিয়ে না দিয়ে আমি ছোট মেয়ের বিয়ে দেবো না।”

“একদম ঠিক, আপার আগে আমি বিয়ে করবো না।”

মাহিরাও নাজমা বেগমের কথায় সায় দিলো। এর মধ্যেই মেঘলা সালাম সাহেবের জন্য চা নিয়ে ড্রয়িং রুমে প্রবেশ করলো,

” মামা, আপনি ওনাদের সাথে কথা বলুন। জানান যে ওরা কবে মেয়ে দেখতে আসবে। ”

নাজমা বেগম আর মাহিরা মেঘলার মুখের দিকে তাকালো।

“এভাবে তাকিয়ে আছো কেনো তোমরা?”

“তোর বিয়ের আগে ওর বিয়ে কেনো দেবো?”

” মা এখনো কোন যুগে পড়ে আছো তুমি? কোন শাস্ত্রে লেখা আছে যে বড়ো মেয়ের আগে ছোট মেয়ের বিয়ে দেয়া যাবে না। ”

এবার মেঘলার কথায় সায় দিয়ে সালাম সাহেব বললো,

‘তাই তো। আর মেঘলা মায়ের জন্য ও আমি অনেক ভালো প্রস্তাব নিয়ে আসবো। কোন দিক থেকে ও কম। বর্তমান যুগে এরকম মেয়ে খুঁজে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। আমি তাহলে ওনাদের সাথে কথা বলে দিন তারিখ জানিয়ে দেবো। ”

“জি মামা। অবশ্যই।”

সালাম সাহেব চলে যেতেই মেঘলা নাজমা বেগমকে বললো,

“মা তুমি এমন ছেলেমানুষি কেনো করছো?”

“কি করেছি আমি?”

“ওর জন্য আসা বিয়ের প্রস্তাব না করে দিচ্ছিলে কেনো?”

“তোর আগে ওর বিয়ে দেবো না।”

“এসব জেদ ছাড়ো।ছেলে পক্ষকে ভালো করে আপ্যায়ন করতে হবে। আর মাহিরা আমার কথা শুনবি। ছেলেপক্ষের সামনে কোনো ঝামেলা করবি না।”

“ঠিক আছে।”

মাহিরা মুখ গোমড়া করে উত্তর দিলো। সে মনে মনে বললো ধ্যাত এতো তাড়াতাড়ি কেউ বিয়ে করে নাকি? আজকে একটা বয়ফ্রেন্ড থাকলে সেই বাহানা দিয়ে বিয়েটা ভেস্তে দেয়া যেত।

চলবে……..

রাতে আরেক পর্ব পোস্ট করবো নাকি? জানাবেন কিন্তু….

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here