#আকাশ_জুড়ে_একা_আমি
#লামিয়া_ইসলাম
#পর্ব_৪
(শব্দসংখ্যা ১৫০০+)
“নাফিজাকে না বলে জায়গা বিক্রি করা ঠিক হলো তো?”
“এখানে ঠিক ভুলের কী আছে?” নাবিলের গলায় দায়সারা ভঙ্গি। “ওকে বিয়ে দিতে আমার পাঁচ লাখ টাকা লেগেছে। জায়গায় ওর যে অংশীদারিত্ব ছিল, তা ওর বিয়েতেই খরচ হয়ে গেছে।”
“কাউন্সিলর সাহেব কল করেছিলো। বললো পরশু যেতে। ঐদিন নাকি বিয়ের পাকা কথা বলতে চায়।পরশু তুই ফ্রি থাকবি ?”
“হ্যা, ফ্রি আছি।”
“শোন তানিয়ার একটু মন জুগিয়ে চলিস। তানিয়া ওর বাবার একমাত্র মেয়ে। ওর বাবার যা আছে সব তো তোরই হবে। ”
এই কথাটার সাথে সাথে লাজু বেগমের চোখে একটা লোভের ঝিলিক দেখা গেলো। ভবিষ্যৎটা তিনি আগে থেকেই দেখে ফেলেছেন—জমি, ফ্ল্যাট, প্রভাব, ক্ষমতা সবকিছু তো একসময় নাবিলেরই হবে। তার কথায় সায় জানিয়ে নাবিল মাথা নাড়লো।
“তা তো ঠিক। তবে তানিয়া একটু বেশিই আহ্লাদ করে। তাই একটু মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়। ”
“তো এই বয়সী মেয়ে তো আহ্লাদ করবেই। সবাই কি তোর ঐ বুড়ি মেঘলার মতো নাকি। ব্যাটা মানুষের মতো সকাল বিকাল ব্যাগ নিয়ে ভাতের হোটেলে ছুটতো। আর কথাও বলতো পুরুষের মতো। মেয়ে মানুষের মতো কোনো হাবভাব ছিলো না। ভালো হয়েছে আপদ বিদায় হয়েছে।”
লাজু বেগম মুখ বিকৃত করে তাচ্ছিল্যর সাথে কথাগুলো বললো। যেন মেঘলা কোনো মানুষ না, কোনো বোঝা ছিল যা প্রয়োজন শেষে ঝেড়ে ফেলা হয়েছে।নাবিল তার মায়ের কথায় বাধা দিয়ে বললো,
“আহা মা পুরানো কাসুন্দি ঘাটছো কেনো?”
“শোন তোকে সাবধান করে দিচ্ছি ঐ মেয়ের পাল্লায় যেনো আবার না পড়িস। ”
“মা এমন কিছুই হবে না। তুমি নিশ্চিন্তে থাকতে পারো।”।
ছেলের কথা শুনে লাজু বেগম সন্তুষ্টির নিঃশ্বাস ফেললেন। কারণ অবশেষে ঐ উড়নচন্ডী মেয়েটাকে তার ছেলের জীবন থেকে তিনি একবারে সরিয়ে ফেলতে পেরেছেন।
——————-
রওনককে আজ পিবিআই এর সদর দপ্তরে খবর দিয়ে আনা হয়েছে। এএসপি আরশাদ ফরাজী এখনো এসে পৌঁছায়নি। তাই রওনক কেবিনে বসে অপেক্ষা করছে।আরশাদ ফরাজী আসতেই জিজ্ঞাসবাদ পর্ব শুরু হলো।
“২০ তারিখ রাত ১১ টার দিকে আপনার গাড়িটাকে পূর্বাচল ফ্লাইওভারে দেখা গিয়েছে। ঐদিন কি গাড়ি আপনি ড্রাইভ করছিলেন?”
“জি, ঐদিন গাড়ি আমি ড্রাইভ করছিলাম।”
“আপনার সাথে কি সেদিন গাড়িতে অন্য কেউ ছিলো?”
“না, আমি একাই ছিলাম। ”
“এতো রাতে ঐ জায়গায় কি প্রয়োজনে গিয়েছিলেন? ”
“আসলে আমি ইনসোমোনিয়ার পেশেন্ট। তাই রাতে মাঝে মাঝে একা লং ড্রাইভে বের হই। আপনি চাইলে আমার মেডিকেল ডকুমেন্টস চেক করে দেখতে পারেন।”
“দেখুন ঐদিন ফ্লাইওভার শেষ প্রান্তে যে নীরব জঙ্গলের মতো জায়গাটা রয়েছে ঐখানে একটা খুন হয়েছে। কো ইন্সিডেন্টলি আপনার গাড়ি ও সেই সময় ঐ স্পটে ছিলো। যেহেতু আপনি ড্রাইভ করছিলেন আপনি কি সেদিন সন্দেহজনক কিছু দেখেছিলেন। ”
“আমার ঠিকমতো মনে পরছে না এখন। তবে সেই স্পটে আমি একটা অটো দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলাম। ”
“অটোর নাম্বারটা মনে আছে আপনার?”
“না। তবে অটোর পিছনে একটা সাইন ছিলো। যেটা আসলে এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে না।”
“এটা আমার ভিজিটিং কার্ড। আপনার যখনি মনে পড়বে কাইন্ডলি আমাকে জানাবেন।”
“জি অবশ্যই।”
আরশাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রওনক কেবিন থেকে বেরিয়ে যেতেই আরশাদ সাব-ইন্সপেক্টর সাদাতকে ডাকলো।
” এই গায়কের উপর নজর রাখো।”
” কেনো স্যার?সন্দেজনক কিছু ট্রেস করেছেন?”
” ডাক্তার সিনথিয়া বলেছিল খুনির দুই হাতই সমান ভাবে চলে। আমি যতদূর খেয়াল করলাম এই রওনক হাসানের দুই হাত ও সমানভাবে চলে। সো আমাদের সাসপেক্ট লিস্টে ওনাকেও রাখতে হবে। ”
” ওকে স্যার আমি এখনই কিছু কনস্টেবল এর ব্যবস্থা করছি। ওরা ২৪ ঘন্টা ওনার উপর নজর রাখবে। ”
———————
” কি তোমার হলো? আর কত সাজবে? তোমার ছেলের জন্য মেয়ে দেখতে যাচ্ছো,কিন্তু তুমি এমন ভাবে সাজছো যেন মনে হয় তোমাকেই কেউ দেখতে আসবে।”
” আমাকে দেখতে তো হুট্ করে এসে পড়েছিলে তাই তো তখন সাজতে পারিনি। ”
নিজের ৫০ বছর বয়স্কা স্ত্রীর এরকম ছেলেমানুষি কথা শুনে আদনান ফরাজী হো হো হেসে দিলেন।
“এরকম পাগলের মতো হাসছো কেনো?”
“সেই ৩২ বছর আগে হুট্ করে দেখতে গিয়েছিলাম, আর আজকে পর্যন্ত তুমি সেই দুঃখ ভুলতে পারোনি। তা এই বুড়ো ফরাজীকে আরেকবার বিয়ে করবে নাকি?”
“ইশ, বুড়োর শখ কত। একবার বিয়ে করে ফেঁসে গিয়েছি দ্বিতীয়বার আর এই ভুল করবো না।”
“আমি বুড়ো হলে তুমি তো বুড়ি।”
“আমাকে কোন দিক থেকে বুড়ি লাগে? তোমার ছোট ছেলের বন্ধুরা এখনো আমাকে দেখে ক্রাশ খায়।”
মিতু ফরাজী বেশ গর্বের সাথে কথাগুলো বললেন। আদনান ফরাজীর স্ত্রী মিতু ফরাজী। বয়স ৫০ হলেও তার মন এখনো ১৫ তেই আটকে আছে। তাই তো কোনো উপলক্ষে পেলেই কোমর বেঁধে সাজগোজ করতে বসে যান। আদনান ফরাজী নিজের স্ত্রীর এই অভ্যাস সম্পর্কে খুব ভালো করেই অবগত। তারপর ও সুযোগ পেলেই স্ত্রীর সাথে খুনসুটি করতে থাকেন। তাঁদের এই দুষ্টু মিষ্টি সম্পর্কের জন্য বিয়ের ৩২ বছর পরেও তাঁদের দেখতে নিউলি ম্যারিড কাপলের মতো লাগে। তাঁদের খুনসুটির মাঝেই দরজায় নক করার শব্দ হলো।
“ফুপি আসবো?”
“হ্যা, ভিতরে আয়। তোরা সবাই রেডি তো?”
“হ্যা।”
“আচ্ছা, রাসেলকে গাড়ি বের করতে বল। আর দেখ তো আদিব রেডি হয়েছে কিনা?বাই দ্যা ওয়ে তুই কি পিকু না মিকু? ”
“ফুপি সেই ছোট বেলা থেকে আমাদের দেখছো? এখনো তুমি আমাদের গুলিয়ে ফেলো কেনো?”
“ও মিকু।
পাশে থেকেই আদনান ফরাজী উত্তর দিলো। মিতু ফরাজী বেশ কৌতূহলের সাথে তাকে জিজ্ঞেস করলো,
“এই তুমি ওদের এতো তাড়াতাড়ি চিনে ফেলো কিভাবে?”
” পিকু খুব দ্রুত কথা বলে আর মিকু কথা বলে একদম ধীরে সুস্থে। ”
ইতিমধ্যে মিকুর জমজ বোন পিকু ও এসে দরজায় উপস্থিত হলো। পিকু ও মিকুর ভালো নাম প্রিয়া আর মিরা। ওরা মিতু ফরাজীর দূরসম্পর্কের ভাইয়ের মেয়ে। ছোটবেলায় এক্সিডেন্টে ওদের বাবা মা মারা যাওয়ার পড়ে ফরাজী দম্পতি তাঁদের নিজের মেয়ের মতো করে মানুষ করেছে।
—————–
আদিব আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে গলার টাই ঠিক করছিলো। এমন সময় তার রুমে পিকু আর মিকু উপস্থিত হলো।
“ছোট ভাইয়া তোমাকে তো সেই হ্যান্ডসাম লাগছে।”
“সত্যি বলছিস?”
“হ্যা, তিন সত্যি। হবু ভাবী তোমাকে দেখে পুরো লাট্টু হয়ে যাবে।”
“ধ্যাত এত প্রশংসা করিস না। আমার লজ্জা লাগছে।”
“হয়েছে হয়েছে তোর আর লজ্জা পাওয়া লাগবে না। সব লজ্জা তুই পেয়ে গেলে তোর হবু বউ কি করবে। এদের দুইটাকে নিয়ে তাড়াতাড়ি গাড়িতে ওঠ।”
মিতু ফরাজী দরজার বাহির থেকে উচ্চস্বরে কথাগুলো বললো। মায়ের মেজাজ গরম বুঝতে পেরেছি আদিব নিচু স্বরে পিকুকে জিজ্ঞেস করলো,
“কিরে মায়ের মেজাজ গরম কেনো?”
“বড়ো ভাইয়া সকালে বলেছিলো ডিরেক্ট পাত্রীদের বাসায় আসবে। একটু আগে ফোন করে বলেছে আসতে পারবে না। তাই ফুফি রাগে ফায়ার হয়ে আছে।”
“ভাইয়া ও না। সারাদিন শুধু কাজ আর কাজ। তাড়াতাড়ি গিয়ে গাড়িতে ওঠ। নইলে মা পাত্রী দেখতে যাওয়াই ক্যান্সেল করে দিবে।”
——————-
মেঘলাদের বাসায় আজ উৎসব উৎসব ভাব। মেঘলাদের টুকটাক আত্মীয় স্বজন ও এসেছে। মেঘলা আজ রেস্টুরেন্টে যায়নি। আজকে সব রান্না সে নিজেই করেছে। রান্না করতে করতে প্রায় ১ টা বাজলো। সব রান্না শেষ এখন শুধু সালাদ কাটা বাকি। নাজমা বেগম ও এর মধ্যেই রান্না ঘরে ঢুকলেন।
“রান্না শেষ তোর? যা গিয়ে তাড়াতাড়ি গোসল করে নে।ছেলেপক্ষের লোকজন এসে পড়লো বলে।”
“মা এখনো সালাদ কাটা বাকি আছে। তারপর গোসল করতে যাচ্ছি।”
“আমি সালাদ কাটছি। তুই গিয়ে গোসল করে নে। আর আজ একটা শাড়ি পড়িস।”
“মা মাহিরাকে দেখতে আসছে আমাকে না।আমি কেনো শাড়ি পড়বো?”
“তুই পাত্রীর বড়ো বোন তাই শাড়ি পড়বি। ইরিনাও আজ শাড়ি পড়েছে।”
নাজমা বেগম মেঘলাকে জোর করে রান্না ঘর থেকে বের করে দিলো। মেঘলা নিজের রুমে এসে আলমারি থেকে একটা ল্যাভেন্ডার রঙের শাড়ি বের করলো।শাড়িটা ৩ বছর আগে বাণিজ্য মেলা থেকে কিনেছিলো। নাবিলের ল্যাভেন্ডার রঙ পছন্দ ছিলো না তাই কখনো সে শাড়িটা পড়েনি। কিন্তু আজ সে পড়বে। জীবন থেকে সব টক্সিক মানুষ দূর করে দিয়েছে। এখন সে তার জীবন নিজের পছন্দের রঙে সাজাবে।
————–
“সাদাত এদিকটা একটু তুমি সামলে নিও। আমি একটু বের হবো। আজকে আদিবের জন্য মেয়ে দেখতে যাবে। সেখানেই একটু যেতে হবে।বেশি আর্জেন্ট কিছু হলে আমাকে কল দিও।”
“সমস্যা নেই, স্যার আমরা এদিকটা সামলে নিবো।”
আরশাদ গাড়ি স্টার্ট করে আদিবকে কল দিলো।
“ভাইয়া তুমি কই আছো? তুমি কি আসবে না? মায়ের মাথা গরম হয়ে আছে?”
“হ্যা আসবো, আমি বের হয়েছি। তোরা কোথায় আছিস?”
“ভাইয়া আমরা ওদের বাসার কাছাকাছি আছি।”
“আচ্ছা তুই আমাকে লোকেশনটা শেয়ার করে দে। রাস্তায় জ্যাম আছে, আমার আসতে আধা ঘন্টা লেট হবে।”
“ওকে।”
—————-
নাফিজা আজ আবার তার মায়ের বাসায় এসেছে। লাজু খাতুন অসময়ে মেয়েকে দেখে একটু অবাক হলেন।
“তুই এই সময় এলি? সব ঠিক আছে তো? ”
“হ্যা, ঠিক আছে। তোমার জামাই অফিসের কাজে ঢাকার বাহিরে গিয়েছে। বাসায় একা ছিলাম তাই চলে এলাম।”
“ভালোই করেছিস। দুপুরের খাবার নিয়ে আসি তোর জন্য।”
“আমি দুপুরের খাবার খেয়েই এসেছি। মেঘলাদের বাড়ির সামনে ২-৩ টা বেশ দামি গাড়ি দেখলাম। কারা এসেছে ওদের বাসায়?”
“শুনলাম মাহিরাকে ছেলে পক্ষ দেখতে এসেছে। শুনেছি ছেলে নাকি ডাক্তার। ছেলের বাবার ও নাকি অনেক বড়ো ব্যবসা আছে।”
“বড়ো মেয়েকে রেখে এখন ছোট মেয়েকে বিয়ে দিচ্ছে।”
“কি আর করবে? বড়ো মেয়ের জন্য পাত্র খুঁজে পেতে খবর হয়ে যাবে।”
“তা অবশ্য ঠিক বলেছো।তা ভাইয়ার বিয়ের জন্য টাকা যোগাড় হলো?”
“হ্যা, হয়েছে।”
“এতো টাকা এতো তাড়াতাড়ি কিভাবে যোগাড় হয়ে গেলো? ”
মেয়েকে এবার কি উত্তর দিবেন তা লাজু খাতুন বুঝতে পারলেন না।
“ঐ কয়েকজন বন্ধুর কাছ থেকে ধার করেছে।”
“তাহলে তো ভালোই। বিয়েতে তোমার জামাইকে একটা ঘড়ি গিফট দিও। বিয়ের সময়ের দেয়া ঘড়িটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে।”
“ঠিক আছে,দেখি তোর ভাইয়ের সাথে কথা বলে।”
“মা তানিয়াকে কি তোমার কাছে একটু অহংকারী মনে হয় না?”
“তা তো একটু হবেই। কাউন্সিলরের মেয়ে তার উপর সুন্দরী।”
“বিয়ের পর দেখো না আবার তোমার সংসারের চাবি ধরে টান দেয়।”
“এমন কিছু হবে না। এজন্যই তো কম বয়সী মেয়ে আনলাম। বেশি বুঝবে না আর ঝামেলাও করতে পারবে না।”
“তা তুমি ঠিক কাজ করেছো। ভাইয়ের আগের প্রেমিকা তো একটু বেশিই চালাক ছিলো। ঐ সংসারটাকে ৭ বছর যাবত একা সামলাচ্ছে।আমার কাছে আবার এতো চালু মেয়ে মানুষ ভালো লাগে না।”
“তাই তো ওকে বিদায় করলাম। জামাই আসবে কবে ঢাকায়? পরশু তো নাবিলের এনগেজমেন্ট।”
“কাল এসে পড়বে। ও সোজা এখানে চলে আসবে।”
————–
ফরাজী পরিবার মেঘলাদের বাসায় পৌছালো দুপুর ২ টায়। নাজমা বেগমের সাথে টুকটাক পরিচয় পর্ব শেষ হওয়ার পর মেঘলা আর ইরিনা মাহিরাকে ড্রয়িং রুমে নিয়ে এলো। নাজমা বেগম মাহিরাকে তাদের সামনের চেয়ারে বসিয়ে বললেন,
“ও আমার ছোট মেয়ে মাহিরা।”
পাত্রীর জায়গায় মাহিরাকে দেখে আদিবের চক্ষু চরকগাছ। সে বেশ জোরেই বলে উঠলো,
“আপনারা এ কাকে নিয়ে এসেছেন? আমি তো অন্য একজনকে পাত্রী হিসেবে পছন্দ করেছি।
কথাটা বলেই আদিব মাহিরার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ইরিনা আর মেঘলার দিকে আঙ্গুল তাক করে বললো,
-আমি তো ওনাকে পছন্দ করেছি। ওনাকেই আমি ইউনিভার্সিটিতে দেখেছিলাম।
রুমের সবাই যেনো এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলো, কারো মুখে কোনো কথা নেই। আদিবের কথা শুনে সবাই যেনো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গিয়েছে।
চলবে………..

