#বিপরীত_মেরুর_টানে
#পর্ব_৩৭
#লেখনীতে_আরিবা নাওশীন
সেদিন আকাশটাও যেন শোকের চাদরে ঢাকা পড়েছিল। ঝমঝমে বৃষ্টির বদলে এক গুমোট অন্ধকার চারপাশকে ঘিরে রেখেছে। চৌধুরী বাড়ির সেই উঠান, যেখানে ফাহিমের দুষ্টুমি আর রিন্নির হাসিতে সবসময় উৎসব লেগে থাকত, আজ সেখানে সারিবদ্ধভাবে রাখা দুটি লা*শ। সাদা কাপড়ে ঢাকা রিন্নি আর ফাহিমকে একনজর দেখার জন্য পাড়ার মানুষের ঢল নেমেছে, কিন্তু কারও মুখে কোনো কথা নেই আছে শুধু গুমরে ম*রা কান্নার শব্দ।
আরাভ চৌধুরীর দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। সে পাথরের মতো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রিন্নির লা’শের পাশে। ওর চোখ দুটো র-ক্তের মতো লাল, কিন্তু পানি নেই। রিন্নির সেই শুভ্র মুখটা এখন বরফের মতো শীতল। আরাভ ওর কানের কাছে গিয়ে খুব নিচু স্বরে বলল, “জেরি, আজ থেকে আর কফি খাওয়া হবে না? আজ থেকে আর কখনও ঝগড়া করা হবে না? ”
রিন্নির মাথায় শান্তভাবে শেষবারের মতো হাত বুলিয়ে দিল। “এবার শান্তি লাগছে? হিটলাটের জালাতন শেষ। তুমি, তোমার সন্তান আর ফাহিম জান্নাতে একসাথে থাকবে। লাগছে শান্তি। আমার কেন লাগছে না? আমি কেন তোমার সুখ দেখে খুশি হতে পারচ্ছি না। তার মানে আমি কি ভালো স্বামী না যে নিজের বউয়ের সুখ সহ্য করতে পারে না। এই দুদিনে বার বার প্রমাণ হচ্ছে আমি একটা ব্যর্থ স্বামী, ব্যর্থ বাবা আর ব্যর্থ ভাই”
পাশে বসে রোকেয়া বেগম পা*গলিনীর মতো বিলাপ করছেন, “ওরে আমার কলিজার মানিক ফাহিম! ওরে আমার মা রিন্নি! তোরা একসাথে কেন চলে গেলি রে? আমার কোলটা কেন মরুভূমি করে দিলি?” আফজাল চৌধুরী তাঁর স্ত্রীকে ধরে রাখতে পারছেন না, নিজের বুকটাও যেন ফেটে যাচ্ছে শোকে।
রিন্নির মা বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন আর রিন্নির বাবা শুধু শূন্য দৃষ্টিতে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন যেন স্রষ্টাকে জিজ্ঞেস করছেন, এই শাস্তি কি আসলেও প্রাপ্য ছিল?
আজকের এই নিস্তব্ধ শ্মশানের মতো বাড়িটার দিকে তাকালে বিশ্বাসই হয় না যে মাত্র কয়েক মাস আগে এখানে হাসির জোয়ার বইত। বিয়ের পর যখন ফাহিম আর রিন্নি একসাথে হতো, চৌধুরী ভিলা যেন একটা আস্ত কমেডি থিয়েটারে রূপ নিত।
সেদিন ছিল এক মেঘলা বিকেল। পাহাড়ের রিসোর্টে ওরা চারজন ঘুরতে গিয়েছিল। আরাভ একটা গাছের নিচে বসে গম্ভীর মুখে ল্যাপটপে কী যেন করছিল, আর নয়না ওর পাশে বসে একটা বই পড়ার চেষ্টা করছিল।
কিন্তু ওদের এই শান্তি নষ্ট করার জন্য দুই মূর্তিমান আতঙ্ক ‘ফাহিম আর রিন্নি’ তখনো ছিল সক্রিয়।
রিন্নি হঠাৎ একটা আইসক্রিমের কোণ নিয়ে আরাভের ল্যাপটপের ঠিক ওপরে ধরল। আরাভ বিরক্ত হয়ে চোখ তুলে তাকাল।
“জেরি! আইসক্রিমটা সরাও। এক ফোঁটা ল্যাপটপে পড়লে তোমার খবর আছে।”
রিন্নি দুষ্টুমি করে জিভ বের করে বলল, “ওরে আমার প্রফেসর সাহেব! এই ল্যাপটপ কি আপনার দ্বিতীয় বউ? সারাক্ষণ এর সাথেই প্রেম করছেন? আজ কোনো কাজ নেই, আজ শুধু আড্ডা।”
ঠিক তখনই ফাহিম পেছন থেকে এসে নয়নার হাত থেকে বইটা কেড়ে নিয়ে দৌড় দিল। “নয়না, তুই কি এখন থেকেই বুড়ি হওয়ার প্র্যাকটিস করছিস? বই রাখ, চল আমরা ওই ঝর্ণার কাছে যাই!”
নয়না চিৎকার করে উঠল, “ফাহিম! বইটা দাও বলছি! ওটা আমার ফেভারিট বই!”
ফাহিম হাসতে হাসতে রিন্নির পেছনে গিয়ে লুকাল। “ভাবী, বাঁচান! আপনার জা তো এখনই আমাকে চিবিয়ে খাবে!”
রিন্নি তখন ফাহিমের সাথে হাত মিলিয়ে বলল, “একদম ঠিক করেছিস ফাহিম। এই এক জোড়া গম্ভীর মানুষ আমাদের জীবনটা অতিষ্ঠ করে দিল।”
রিন্নি আর ফাহিম মিলে এক মগ পানি এনে হুট করে আরাভ আর নয়নার ওপর ছিটিয়ে দিল। আরাভ ভিজে একাকার হয়ে ল্যাপটপটা বাঁচাতে বাঁচাতে চিৎকার করে উঠল, “রিন্নি! ইউ আর গান! আজ তোমাকে আমি আমি ছাড়ব না।!”
নয়নাও ভিজে গিয়ে হাসতে হাসতে ফাহিমকে তাড়া করল। পাহাড়ের সেই নির্জনতায় তখন চারজনের কলহাস্য ধ্বনিত হচ্ছিল। ফাহিম নয়নাকে মাঝপথে জাপটে ধরে থামিয়ে দিয়ে ওর কানের কাছে ফিসফিস করে বলেছিল, “নয়না, আর মাত্র একটা মাস। তুই এই বাড়িতে আসার পর রিন্নি ভাবীর সাথে মিলে আমরা ভাইয়াকে প্রতিদিন এভাবে ভেজাব। দেখিস!”
রিন্নি তখন আরাভের কাঁধে মাথা রেখে আলতো করে বলেছিল, “স্যার, আপনার এই গম্ভীর মুখটা না দেখলে আমার দিন কাটে না। কিন্তু আপনাকে হাসলে বেশি সুন্দর লাগে, যেটা দেখার ভাগ্য আবার মাঝে মাঝেই হয়। তাও আবার খুব কম। তবে মনে রাখবেন, আমি আর ফাহিম আছি বলেই আপনার এই লজিক্যাল লাইফে একটু ম্যাজিক আছে।”
আরাভ সেদিন রিন্নির মায়াবী চোখের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসেছিল। ও জানত না, এই ম্যাজিকটা একদিন ব্ল্যাক ম্যাজিকের মতো ওদের পুরো জীবনটা পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে।
—-
বর্তমান
নয়না তখন কবরের পাশে ভেজা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিজের নখ দিয়ে মাটি খামচে ধরছিল। ওর গগনবিদারী চিৎকারে মনে হচ্ছিল আকাশটা বুঝি এখনই ছিঁড়ে পড়বে। ওর পরনের সেই শুভ্র বসন এখন কাদা আর চোখের জলে মাখামাখি। যে নয়না সবসময় পরিপাটি থাকতে ভালোবাসত, সে আজ এক উন্মাদিনী।
“ফাহিম! ওরে আমার পা-গলটা, তুই আর একটা সপ্তাহ সবুর করতে পারলি না? আর মাত্র সাতটা দিন রে ফাহিম! তারপর তো তুই আমাকে এই কবরের মতো অন্ধকার ঘরে নয়, বরং তোর নিজের ঘরে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল!” নয়না নিজের কপালে সজোরে আঘাত করতে করতে বিলাপ করছিল।
নয়নার চোখের সামনে ফাহিমের সেই দুষ্টুমি মাখা চেহারাটা বারবার ভেসে উঠছিল। ফাহিম সুযোগ পেলেই নয়নাকে ফোন করে বা আড়ালে ডেকে ওর স্বপ্নের বাসর রাতের গল্প শোনাত। ফাহিম বলত, “নয়না, আমাদের বাসর ঘরটা আমি নীল অপরাজিতা আর বেলী ফুলে ভরিয়ে দেব। তুই বেলী ফুল পছন্দ করিস না? দেখিস, সেই রাতে আমি তোকে এক সেকেন্ডের জন্যও ঘুমাতে দেব না।”
নয়না তখন লজ্জায় কান লাল করে বলত, “ফাহিম, ছিঃ! এসব কথা কেউ বলে? বড় হতে দাও আমাকে।”
ফাহিম তখন হাহাহা করে হেসে উঠত। তারপর হঠাৎ গম্ভীর হয়ে ওর হাতটা জড়িয়ে ধরে বলত, “জানিস নয়না, আমার আর তর সইছে না। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় ঘড়ির কাঁটাগুলো কেন এত আস্তে ঘোরে? আমি আর এক মুহূর্তও তোকে ছাড়া থাকতে চাই না। মনে হয় এখনই তোকে তুলে নিয়ে আমার বুকে লুকিয়ে রাখি।”
ফাহিমের সেই আকুতি, সেই ত্বর সইতে না পারা আজ এক বীভৎস উপহাসে পরিণত হয়েছে। নয়না কবরের মাটির দিকে তাকিয়ে ডুকরে কেঁদে উঠল “তোর খুব তাড়া ছিল না ফাহিম? তুই বলতি না যে তোর আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা করতে ইচ্ছে করছে না? তাই কি তুই বাসর রাতের বদলে এই মাটির বিছানায় শুয়ে পড়লি? আমাকে নীল অপরাজিতার বদলে কেন এই সাদা কাফন দিয়ে গেলি রে ফাহিম?”
নয়নার মা-বাবা ওকে জড়িয়ে ধরে তোলার চেষ্টা করলে ও চিৎকার করে উঠল, “ছাড়ো আমাকে! আমাকে ওর কাছে যেতে দাও! ও একা থাকতে পারে না, ও অন্ধকারে ভয় পাবে! আজ ও এই সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে কী করে ঘুমাবে? ফাহিম, তুই কি শুনতে পাচ্ছিস? তোর নয়না এসেছে রে! ওঠ!”
নয়নার এই বুকফাটানো হাহাকারে উপস্থিত সবার চোখে যেন র*ক্ত ঝরছিল। আফজাল চৌধুরী নিজের মুখ চেপে ধরে অন্যদিকে ঘুরে দাঁড়ালেন। যে ফাহিম ছিল বাড়ির আনন্দ, তার এমন বিদায় কোনো বাবা সহ্য করতে পারে না।
একপাশে আরাভ দাঁড়িয়ে সব দেখছিল। ওর ভেতরের সাইকো সত্তাটা নয়নার এই হাহাকার শুনে আরও বিষাক্ত হয়ে উঠছিল। ওর মনে হচ্ছিল, এই কান্নার প্রতিটা ফোঁটা র*ক্ত হয়ে ঝরবে ড্রাগনের শরীর থেকে।
আরাভ ধীর পায়ে এগিয়ে গিয়ে নয়নার মাথায় হাত রাখল। কিন্তু ওর স্পর্শে কোনো মায়া ছিল না, ছিল এক ঠান্ডা প্রতিহিংসা। আরাভ বিড়বিড় করে বলল
“নয়না, আর কেঁদো না। যারা তোমার বাসর রাত কেড়ে নিয়েছে, তাদের জন্য আমি এক অনন্ত অমানিশা তৈরি করছি। ফাহিমের সেই নীল অপরাজিতার বদলে আমি ওদের র*ক্ত দিয়ে এই শহর রাঙাব।”
—–
দুদিন পর
শহরের কোলাহল থেকে মুক্ত হয়ে একটু দূরে এক জঙ্গলে পাওয়া গেছে একটি লা-শ। এটা কোনো খু’ন না যেন এক শিল্পকার্য। যা কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে কল্পনা করাও অসম্ভব। শহরের এক পরিত্যক্ত চার্চের অন্ধকার গর্ভগৃহে ল-াশটা যখন পুলিশ খুঁজে পেল, তখন অভিজ্ঞ গোয়েন্দাদেরও পাকস্থলী উল্টে এল।
লা-শটা একটা ক্রুসের মতো করে দেওয়ালে গেঁথে রাখা হয়েছে। তার দুই হাতে পেরেক বিঁধিয়ে নয়, বরং তার প্রিয় কিবোর্ডের ধারালো তারগুলো এমনভাবে শিরা-উপশিরা দিয়ে চালানো হয়েছে যে দেখে মনে হবে সে কোনো জীবন্ত যন্ত্র। চোখ দুটো আর নেই; সেই গর্তে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে দুটো জ্বলন্ত লাল এলইডি (LED) বাল্ব, যা এখনো ধিকধিক করে জ্বলছে। ওর মুখে একটা স্থায়ী হাসি এঁকে দেওয়া হয়েছে ছুরির ফলা দিয়ে যেন সে মৃ*ত্যুর পরও তার কৃতকর্মের জন্য হাসছে।
সবচেয়ে বীভৎস দৃশ্য ছিল লা-শের বুক। সেখানে চামড়া নিখুঁতভাবে চিরে রাখা হয়েছে, যেন কেউ পরম যত্নে ব্যবচ্ছেদ করেছে। কিন্তু ফরেনসিক ডাক্তাররা এক জায়গায় এসে থমকে গেলেন। লা-শের শরীরে দুধরনের ক্ষত। একদিকের ক্ষতগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম, গাণিতিক হিসেবে করা যা কোনো দক্ষ সার্জেন বা হ্যাকারের কাজ। অন্যদিকের ক্ষতগুলো বুনো, হিংস্র এবং অনিয়ন্ত্রিত যা কেবল প্রচণ্ড ঘৃণা আর উন্মাদনা থেকেই আসা সম্ভব।
তদন্ত কর্মকর্তা সুরাইয়া ম্যাম লা-শের পাশে হাঁটু গেড়ে বসলেন। তাঁর কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ। তিনি বিড়বিড় করে বললেন, “খু-নটা একজন করেনি। দুজন মিলে এই নারকীয় উৎসব করেছে। একজন করেছে ঠান্ডা মাথায় হিসেব কষে, আর অন্যজন করেছে আদিম হিংস্রতায়।”
একপাশে লা-শের রক্ত মাখা ড্রেসের ওপর রাখা ছিল সেই চিরকুট:
“হিরোর জয় কেবল মুভিতেই হয়। বাস্তবে কেবল ভিলেনই জিতে। আসছি নতুন রূপে ধ্বংসের বীজ নিয়ে।”
পুলিশ যখন লা-শ উদ্ধার করছিল, তখন সেই অন্ধকার চার্চের চিলেকোঠায় দাঁড়িয়ে ছিল দুটো ছায়া।
একজনের গলায় রিন্নির সেই রক্তমাখা ওড়না, অন্যজনের হাতের চুড়ির ঝনঝনানি আজ আর সুর তোলে না, বরং তা কোনো ধারালো অস্ত্রের মতো শোনায়।
আরাভ আর নয়না।
একজন তার ভালোবাসা হারিয়েছে, অন্যজন তার অনাগত স্বপ্ন আর জীবনের ম্যাজিক। একজন এখন ডিজিটাল দুনিয়ার ডার্ক লর্ড, অন্যজন এক উন্মাদিনী। যারা একসময় একে অপরকে শান্ত করত, আজ তারা একে অপরের প্রতিশোধের ধার। আরাভ নয়নার দিকে তাকিয়ে একটা পৈশাচিক হাসি দিল। নয়নাও ওর র*ক্তমাখা হাতে চুড়িগুলো একটু ঠিক করে নিল।
ওরা আর চৌধুরী বাড়ির ছোট বউ আর বড় ছেলে নেই। ওরা এখন এক বীভৎস গেমের কো-প্লেয়ার। ড্রাগনের সাম্রাজ্য ধ্বংস করতে আজ থেকে এক নয়, দুই ভিলেনের তান্ডব শুরু হলো।
লেখিকার নোট:
প্রিয় পাঠক-পাঠিকা,
এতক্ষণ যারা রিন্নি আর ফাহিমের জন্য চোখের পানি ফেলেছেন, এবার সেই চোখের পানি মুছে ফেলুন। কারণ, গল্পের পরবর্তী ধাপে আর কোনো কান্না থাকবে না। শুরু হতে যাচ্ছে এক বিধ্বংসী প্রতিশোধের অধ্যায়। যেখানে ভালো মানুষ আরাভ আর মিষ্টি মেয়ে নয়না হারিয়ে গিয়ে জন্ম নিয়েছে দুই সাইকো খ-ুনি।
প্রতিশোধের এই আগুন কি আসলেও শান্তি এনে দেবে? নাকি ধ্বংসের এই খেলায় ওরাও শেষ হয়ে যাবে? এই বিষাদ আর তান্ডবের মিশেলে দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে আপনাদের স্বাগতম। যদিও দিন দিন আপনারা যা ব্যবহার করছেন তাতে আমার আর লেখতেই ইচ্ছে করছে না। লেখার থেকে বিরতি নিব কয়দিন। মন-মানসিকতা একদম নষ্ট হয়ে গেছে। কাল্পনিক চরিত্রের প্রতি আপনাদের অনেক ভালোবাসা আমি বুঝি বাট তাই বলে আপনারা বাস্তবে থাকা একটা মানুষের সাথে যা নয় তা ব্যবহার করতে পারেন না। আর এটা কেমন কথা যে, লেখিকা বলে আমি যা মন চায় তাই করি। মানে কি? আমাকে শেষ করতে তো দিন। আপনারা বার বার বুঝিয়ে দিচ্ছেন লেখিকাদের চোখ-কান বন্ধ করে লেখা উচিত। পাঠিকাদের মতামত নেওয়া উচিত নয়। আমি আপনাদের গুরুত্ব দি তার মানে এই নয় আপনারা ইনবক্সে এমন ব্যবহার করবেন। নায়িকা আবারও আসবে এটা তো শেষ নয়। কেবল শুরু।
[প্রথম পরিচ্ছেদ সমাপ্ত]
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদের জন্য অপেক্ষা করুন। আসছে খুব শীঘ্রই…

