বুকের_পাঁজর #লেখনিতে:#ভরসা_জান্নাত (শ্যামকন্যা) #পর্ব:১২

0
2

#বুকের_পাঁজর
#লেখনিতে:#ভরসা_জান্নাত (শ্যামকন্যা)
#পর্ব:১২

হামিম হাবিবা দুজনের বিয়ে গ্রামে এক সাথেই হবে। অন্তত পক্ষে গ্রামে দশ বারো দিন আগে যেতে হবে।বিয়েতে দাওয়াত করার দায়িত্ব শুধু বড়দের। তাছাড়া বিয়ের যত কাজ সব হিমের ওপর।সে নিজেই এ দায়িত্ব নিয়েছে।

“আমাদের কিন্তু অনেক কিছু কেনার আছে। প্লানিং করতে হবে কোন দিন কি কালারের কি পড়ব।আর বিয়েতে সব অনুষ্ঠান হওয়া চাই ই চাই। মেহেদি, হলুদ সন্ধ্যা,গায়ে হলুদ, বিয়ে, রিসেপশন সব হওয়া চাই।আর চাইলে ভাইয়া তোমরা ব্যাচেলর পার্টিও করতে পারো,হে হে ”

“উফ হি… সরি ভা… না মানে ভালো আপু কি দারুন আইডিয়া ই না দিলে,ঝাক্কাস!”

হিরা কথার জবাবে বলে উঠল শিহাব।কালকে হিমের সব বন্ধুরা চলে গেলেও শিহাব যায়নি।একা একটা ফ্লাটে থাকার চেয়ে একটা দিন না হয় শিকদার বাড়িতেই থেকে গেল।

বর্তমানে সবাই খাবার টেবিলে খাবার খাচ্ছে।আর পরষ্পরের সাথে নিজেদের ছেলে মেয়ের বিয়ে নিয়ে টুকটাক কথা বলছে। খাবার খেয়েই যে যার কাজে চলে যাবে। কলেজ ভার্সিটি বন্ধ থাকায় মেয়েরা সব বাড়িতেই থাকবে।

খাবার খেয়ে উঠতে গিয়ে হিরা আবার বসে পড়ল পেট ধরে। তলপেটে যন্ত্রনা হচ্ছে যা সহ্য সীমার বাইরে।না চাইতেও মুখ দিয়ে ‘আহ’ শব্দটা বেরিয়েই গেল।চোখে পানি চলে এসেছে বেচারির।অল্পতেই কাহিল হয়ে পড়ে হিরা,সহ্য ক্ষমতা মেয়েটার নেই বললেই চলে।আর তার সাথেই সবসময় এমন হয়।পিরিয়ডের সময় আসলেই কেঁদে কেঁদে বালিশ ভেজায়।

“আরে আরে কি হয়েছে কি? কাঁদছো কেনো”
চিন্তিত হয়ে জিজ্ঞেস করল শিহাব।সবাই হিরার দিকে চিন্তিত চোখে তাকিয়ে আছে,কি হলো কি মেয়েটার।

“ও কিছু না।ও হয়ত পায়ে ব্যথা পেয়েছে।দেখে শুনে না চললে যা হয় আরকি।চল তোকে আমি রুমে দিয়ে আসি,মলম লাগালেই ঠিক হয়ে যাবে”

হাবিবার কথায় মাথা নাড়ল হিরা।হাবিবা আর মা চাচিকে চোখের ইশারায় কিছু বুঝিয়ে হিরা কে ধরে নিয়ে যেতে লাগলো। হাঁটতে পারছে না মেয়েটা। ততক্ষণে হালিমাও যোগ দিয়েছে ওদের সঙ্গে।দুই বোনে হিরাকে নিয়ে যাচ্ছে।

“বেশ ব্যাথা পেয়েছে মেয়েটা। হাঁটতেই পারছে না।হিম খাবার খেয়ে মেয়েটাকে একবার দেখে হাসপাতালে যাস তো”

বাবার কথায় মাথা নাড়ালো হিম।হাওয়া নূর দ্রুত খেয়ে উপরে চলে গেল।বাকিরা সবাই খেয়ে অফিস চলে গেলেও হিম গেল রেডি হতে।ও খেয়ে তবেই রেডি হয়।শিহাব হামিমদের সাথেই বেরিয়ে গেছে।

সবাই খাবার টেবিল থেকে উঠতেই রোকেয়া বেগম দ্রুত পানি গরম দিলেন,আসমা বেগম আর
রাবেয়া বেগম উপরে চলে গেলেন। হট ব্যাগে গরম পানি নিয়ে রোকেয়া বেগম হিরার কাছে গেলেন।

মিনিট পাঁচ পর দরজায় নক করার শব্দ এলো।হিম এসেছে।হিরার ব্যাপারে রোকেয়া বেগম কথা বলেছিলেন হিমের সাথে।তারা নিজেরা যদিও ডাক্তার তারপরেও ভালোর শেষ নেই।অনেক চেষ্টা করেও এ ব্যাপারে সফল হতে না পারায় হিম কে জানাতে হয়েছিল ডাক্তারও দেখিয়েছে হিম।তাতে ব্যাথা আগের থেকে কমলেও পিরিয়ডের শুরুর দিকের ব্যাথা টা খুব একটা কমেনি।আগে তো যতদিন পিরিয়ডের সময় চলতো ততদিন ব্যাথায় কাহিল হয়ে থাকতো মেয়েটা।

“ডাক্তারের সাথে কথা হয়েছে আমার।একটাই সাজেশন দিয়েছেন তিনি।তাতে উপকার হলেও হতে পারে।”
“কি সাজেশন আর আগে বলেনি কেনো?”
“আগেও বলেছিল তবে আমি বলিনি তোমাদের”

“হিম,এটা কি খামখেয়ালি করার জিনিস,মেয়েটা ব্যাথায় কাহিল হয়ে পড়ে আর তুই বলছিস এর সাজেশন তুই জেনেও জানাস নি!!”

“ডক্টর বলেছে ওকে বিয়ে দিতে।বিয়ে দিলে এই সমস্যা গেলেও যেতে পারে”

বলার মতো কিছু খুঁজে পেলেন না রোকেয়া বেগম।এর বিপরীতে কি ই বা বলা যায়। এটা তো তাদেরও জানা।এত তাড়াতাড়ি মেয়েটাকে বিয়ে দেবে না তো তারা, মনে মনে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন।কিন্তু রোকেয়া বেগম থামলেও হিরা থেমে থাকলো না।

“বিয়ে কি করে এর সমাধান হতে পারে?বড়মা তুমি কিন্তু বিশ্বাস করবে না।আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে তোমার ছোটো ছেলে।তোমার ছেলের চুল কেটে দিয়েছিলাম না তাই প্রতিশোধ নিচ্ছে।আর একবার ভুল করে তার টাকা চুরি করেছিলাম,তাই আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইছে তোমার ছেলে বড়মা।”

রাবেয়া বেগমের বুকে মাথা রেখে কেঁদে কেঁদে কথা গুলো বলল হিরা।হাওয়া ওর পেটে হট ব্যাগ ধরে আছে। আসমা বেগম কোমড়ে ম্যাসেজ করে দিচ্ছিলেন তবে হিম আসায় সেটা বন্ধ রয়েছে।

হিরার কথায় কিছু বলল না হিম।পাগলের সাথে কে ই বা তর্কে যাবে।তার জরুরি কাজ আছে।তাই কিছু না বলেই বেরিয়ে গেল।

কেউ কিছু না বললেও আসমা বেগম ধমক দিতে চেয়েছিলেন তবে বড় জা নিষেধ করায় সেটা আর করেননি। উনাকে সরিয়ে রোকেয়া বেগম বসলেন হিরার পাশে।পিরিয়ডের সময় পেটে ব্যাথার পাশাপাশি কোমড় যন্ত্রণাও হয়।মনে হয়ে কেউ বোধ হয় কোমড় থেকে পা টা ছিঁড়ে নিচ্ছে। ম্যাসেজ করে দিলে ভালো লাগে মেয়েটার।

হিরার কোমড় ম্যাসেজ করতে করতে বললেন,
“তোমাকে কিন্তু দ্রুত ই এক রাজপুত্রের কাছে তুলে দেব সোনা মা।তৈরি থেকো কিন্তু।”
“আমি বিয়ে করব না বড়মা”

“তুমি না করার কেউ না মা।যখন তোমার বিয়ের সময় আসবে তখন তা এমনিতেই হয়ে যাবে।তোমার জন্য রাজপুত্র কিন্তু আমরা ঠিক করে রেখেছি।তুমি তৈরি থেকো।মেঝ চল, হাসপাতালে যেতে হবে।ছোটো তুই না হয় ওর পাশে থাক”

“না গো বড় ভাবী।মেয়ে হয়েছে একটু যন্ত্রণা সহ্য করতেই হবে।অত আহ্লাদ দিও না তো।আর বিয়ে না করার ও কে,আমরা যখন বলব তখন ওকে বিয়ে করতেই হবে।এই তোরা সব থাক এখানে আমরা যায়”
হাবিবাদের বলে চলে গেলেন তিন গিন্নি।

“আমি বিয়ে করব না।তোমরা সবাইকে বলো না প্লিজ,আমি বিয়ে করব না।”

“নাটক করিস না তো।তোকে কেউ এখন ই বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে না।চুপ থাক”
নূরের কথায় দমে গেল মেয়েটা।

“এই হিরা,আগে এটা বলতো তুই কবে হিম ভাইয়ার টাকা চুড়ি করেছিস আর চুল ই বা কেটেছিলি কেনো?”

“জানিস ই তো,আমি সবসময় তোদের সবার ব্যাগ থেকে টাকা নি।হামিম ভাই হাসিব ভাইয়ার ড্রয়ার থেকেও টাকা নিয়েছি কত।দেশে আসার পর একদিন হিম ভাই কে কফি দিতে গিয়েছিলাম,তো টেবিলের উপর মানি ব্যাগ দেখে নিজেকে সামলাতে পারিনি।অনেক গুলো হাজার টাকার নোট ছিল,সেখান থেকে মাত্র দুইটা নোট নিয়েছিলাম।কীভাবে ধরে ফেললো আল্লাহ জানে,হাত লাল করে দিয়েছিল আমার।তখন মাত্র এগারো বারো বছর বয়স আমার।আর একদিন চুল কেটে কোমড় সমান চুল গুলো পিঠ সমান করতে চেয়েছিলাম কিন্তু ঐ লোকের জন্য পারিনি। তার জন্য আমাকে এত বড় চুল ক্যারি করে বেড়াতে হয়।কত কষ্ট হয় সামলাতে।তাই মাঝে মাঝে তার মাথা টেপার জন্য আমার ডাক পড়ত,ঐদিনও মাথা টেপার জন্য ডাক দিতেই লুকিয়ে একটা কাঁচি নিয়ে চলে গেছিলাম তার রুমে।মাথা টিপতে টিপতে যখন সে ঘুম পড়ল তখন অনেকগুলো চুল কেটে দিয়েছিলাম।পরে এমন একটা চড় মেরেছিল যে জ্ঞান ই হারিয়ে ফেলি। সামান্য কিছু ভুল হলেই মার খাই আমি,তার থেকে ঐ টাই ভালো হবে।বিয়ে করে চলে যাব আমি।তখন দেখবো কাকে মারে সেই লোক।”
___________________________________________________________________________
“ভাই তুই তাড়াতাড়ি তোর গবেষণাগারে চলে আয়। শিহাব অজ্ঞান হয়ে গেছে,আরো ঝামেলা হয়েছে আগে আয় তুই”

বলেই কল কেটে দিল আহাদ।কেবল ই একটা সার্জারি করে বের হয়েছে ও। হাসপাতাল টা ওদের পরিবারের।তাই তো এত সুযোগ পাই ও, গুরুত্বপূর্ণ সার্জারি থাকলেই এখানে আসা হয় ওর।
ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে গেলো।সাথে সবাইকে ইনফর্ম করে গবেষণাগারে আসতে বলল।
___________________________________________________________________________
কাজের ব্যাপারে সবাই সিরিয়াস। এমনি সময় যে যায় করুক,যায় বলুক না কেনো হিমের কাজের জায়গায় তারা সবাই সমান, একমাত্র খেয়াল থাকে হিমের কথায়।হিম যখনই ওর গবেষণাগার এ যাওয়ার কথা বলল তখন ই হামিম হাসিব রওনা দিয়েছে।নীড় হিমের ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানায় ছিল।সবকিছুর দেখভাল করছিল,হিমের ফোন পেতে সেখান থেকে রওনা দিয়েছে।

বর্তমানে শিহাব আহাদের কাঁধে মাথা দিয়ে রেখেছে।হামিম,হাসিব,নীড়,আকাশ,আবির,আহাদ আর শিহাব সবার চোখ একদিকে।আট জন ছেলে কে নিজের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখেও অরিনের মধ্যে কোনো ভাবান্তর নেই।আজকে তার ডিউটিতে প্রথমদিন ছিল, কিন্তু কোথা এই আপদগুলো এসে তাকে চেয়ারে বেঁধে রেখেছে, শুধু তাই নয়,হাত পা মুখ সব বেঁধে রেখেছে।ভেতরে ভেতরে বিরক্তিতে ফেটে পড়লেও বাইরে সে একদম শান্ত।ওদিকে গবেষণাগারে কাজ করতে থাকা মানুষগুলোর চারপাশে কোনো খেয়াল ই নেই বোধ হয়।

হঠাৎ দরজা খোলার শব্দ কানে এলো।তারমানে হিম চলে এসেছে।হিম কে আসতে দেখেই শিহাব দৌড়ে ওকে জরিয়ে ধরল।

“ভাই রে ভাই,তোর সব পরিশ্রম টাকা বৃথা গেলো রে।যে সিকিউরিটির জন্য এত টাকা খরচ করলি তা তো কোনো কাজেই আসলো না রে।কোথা থেকে কোন চোর চলে এসেছে রে ভাই।”

শিহাবের ন্যাকা কান্নায় বড্ড বিরক্ত হিম।একে তো হঠাৎ করে গায়ে পড়া মেয়েদের মতো জরিয়ে ধরেছে আবার ন্যাকা কান্নাও জুরে দিয়েছে। শুধু শিহাব কেনো,ওর বাপের বাপও জানে এখানে হিমের অনুমতি ছাড়া কেউ ঢুকতে পারে না।তারপরেও নাটক করতে হবে।

“হি*জ*ড়া*র বাচ্চা ছাড় আমারে।”

“আমার মা বা বাবা কেউ যদি হি*জ*ড়া হয়েও থাকে তাইলে আমি পয়দা হলাম কোথা থেকে?তার মানে তুই আমাকে অবৈধ বলছিস!!!এটা বলতে পারলি হিম?”

হিম কে ছেড়ে দিয়ে ব্যাথা ভরা বুক নিয়ে কথাগুলো বলল শিহাব।এ ব্যাথা চেনে হিম,তাই পাত্তা দেওয়ার কোনো কথায় হয়না।

হিম সোজা অরিনের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো।ওকে আপাদমস্তক দেখে শান্ত চোখে বাকি সাতজনের দিকে তাকালো।

“আমার,হামিম আর নীড়ের কোনো দোষ নেই।আমরা এসেই একে এই অবস্থায় পেয়েছি।তুই আসার এক মিনিট আগেই আমরা এসেছি।যা জিজ্ঞেস করার তা এই চার গাধা কে জিজ্ঞেস কর”

আগেই গরগর করে বলে গেল হাসিব।নিজে বেঁচে বাপের নাম!!নিজের সাফাই গাওয়া শেষ, এবার সে নিশ্চিন্ত।

হিম আকাশের দিকে তাকাতেই ও গড়গড় করে বলে উঠল,

“ঐ লাশগুলোকে নিতে এসেছিলাম আমরা। বিশ্বাস না হলে বাইরে দেখ গাড়ি দাঁড় করানো।তো এখানে এসেই দেখি এই অচেনা মেয়েটা ঢুকে পড়ছে।শিহাব চোর মনে করায় আমারও মনে হয়েছে চোর।তাই তো আমরা চারজনে ধরে বেঁধে ফেলেছি।না না,এই বাঁধার প্লান টা শিহাবের ছিল,আমি তো তোকে ফোন করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু শিহাবের বাচ্চা করতে দেয়নি,এই চোর কে বেঁধেই অজ্ঞান হয়ে যায় ও,তাই বাধ্য হয়ে তোকে কল দিছি ভাই বিশ্বাস কর।”

“তোর এখানে চোর ঢুকবে আর আমরা কি বসে বসে দেখবো?কি আটটা রোবট পালিশ ভাই, একটা চোর ঢুকে পড়ল কিন্তু কাউকে বললও না।তোর সিকিউরিটিও কোনো কাজের না।যায় হোক,চোর কে এমনি এমনি যেতে দি কি করে,তাইতো বেঁধে ফেলেছি।তোর ভালোর জন্য কত চিন্তা করি আমি দেখেছিস?”

বুক ফুলিয়ে বলল শিহাব। কিন্তু হিমের দিকে তাকাতেই হাওয়া ফুসস!!

“খোল ওকে,don’t want to hear any more!!”

হিমের কথায় শিহাব খুলে দিল অরিন কে।চেয়ার থেকে উঠে হাত পা একটু নড়াচড়া করল মেয়েটা।হঠাৎ একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিল শিহাবের গালে।এবার হাত থেমেছে কাজ করা চার জনেরও।হিম বাদে সবাই অবাক হয়েছে।শিহাব তো ভাষায় হারিয়ে ফেলেছে।

“ওর নাম অরিন।আজকে থেকে ও এখানেই কাজ করবে অন্যদের সাথে।বড় বড় বিজ্ঞানী দের সাথে কাজ করেছে ও।কালকে সকালে বাংলাদেশ এ এসেছে আর আজ এখানে যুক্ত হওয়ার কথা।সবাই ওর সাথে পরিচিত হ”

“তোমাদের সবাইকে চিনি আমি।যায় হোক,আমার নাম অরিন হলেও সবাই অরি বলেই ডাকবে।”

“আমি পারব না অরিইই বলে ডাকতে।একে তো আমার মতো কিউট, সুদর্শন ছেলেকে চড় মেরেছো,আবার এটিটিউডও দেখাচ্ছো। তোমাকে তো আমি রিনা খান বলেই ডাকবো।তুমি চাইলে রিন পাওডার বলেও ডাকতে পারি।”

দাঁত কেলিয়ে বলল শিহাব।কটমট করে চাইলো অরিন। কিন্তু নীড় এগিয়ে এসে সামান্য কথা বলা শুরু করায় আর কিছু বলল না ও।

#চলবে?

#বিঃদ্রঃ প্রতিদিন গল্প দেওয়া হয়ত আমার পক্ষে আর সম্ভব হবে না। দেড় দিন বা দুদিনের মধ্যেই গল্প এসে যাবে।আর আমার কাকিমা অসুস্থ,ডাক্তারের ধারণা ডেঙ্গু হয়েছে।সবাই তার জন্য দোয়া করবেন প্লিজ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here