#কথা_দিল_রোদ্দুর (২৭)
#তুসিকা
ধরনীতে তখন টুপটাপ বৃষ্টি। বৃষ্টি হচ্ছে টানা দুদিন ধরে,, নীল আকাশে জায়গা দখল করে নেয় ধূসর বা কালচে রঙা মেঘ পুঞ্জি। জৈষ্ঠ্যের মাঝামাঝি সময়ে কাঠ ফাটা রোদ্দুরে ধরনীতে বাসি কে শীতল করতে , আর ধরনী তলে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে নেমে আসে বৃষ্টি। প্রথমে টুপটুপ লাজুক, এরপর এর ছন্দ বেড়ে ঝুম বরষায় ঢেকে যায় চারিপাশ।
কারো কাছে এই বৃষ্টি ভালো লাগার হলে ও কারো কাছে হয়ত এটি সবথেকে বিরক্তিকর এটা বস্তুর মতো। যেমন অর্থি ই এই তালিকায় সর্ব প্রথম। মেঘের আগডুম বাগডুম শব্দ, ঘন কালো মেঘ তার একদমই পছন্দ নয়। তার উপর আবহাওয়া পাল্টানোর কারনে আজ তিন ধরে জ্বরে ভুগছে। না ঠিক মতো খেতে পারছে, না মাথা তুলে বসতে পারছে। এই অবস্থা বাইরে যে বৃষ্টি হচ্ছে তাতে শরীরে কাটা দিচ্ছে রীতিমত। তাই এই ঝুম বৃষ্টিতে বাইরে ডাক্তার দেখাতে যাবে না বলেই দুটা লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে।
সকালে জাবের সাহেব অফিস যাওয়ার সময় অবশ্য বলেছেন জ্বর যদি না কমে তাহলে তিনি বাসায় এসে আবার অর্থি কে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন।
কিন্ত বাবার কষ্ট হবে দেখে রেবেকা বেগম কে নরমাল থার্মোমিটার দেখিয়ে বললো মোটামুটি সে এখন ঠিক আছে,, কিন্ত গায়ে তখন ও জ্বর ছিল। কিন্ত মা বাবা কে হয়রানি করতে তার ইচ্ছা হলো না। এই যে গত দুই দিন কঠিন জ্বরে পড়েছে তাতে তার মা বাবা দুই জন ই রাত জেগে সেবা যত্ন করেছে। ঘরের সমস্ত কাজ সেরে তার মা যখন তার মাথায় কাছে বসেছিল তখন ক্লান্তি নিয়ে দেখা গেছে তিনি সেখানেই ঘুমিয়ে পড়েছেন। তখন অর্থির মনে হয়েছে এই মায়ের প্রতি তার কতশত অভিযোগ, কিন্ত মা ছাড়া এখন একদন্ড ও টিকতে পারে না।
তাই তো প্যারাসিটামল খেয়ে কখন যে বৃষ্টির ঝুম শব্দ কানে মেখে ঘুমিয়ে পড়েছে বুঝতেই পারেনি। জ্বর কমেছে ততক্ষণে তাই হয়ত রেবেকা বেগম ও তাকে ডাকেনি। আর ঘুম ভাঙে সন্ধ্যার পর জাবের সাহেব আসলে।
ঘোলা চোখে যখন তাকায় তখন বাবার মুখ দেখে কি নিদারুণ মিষ্টি এক হাসি দেয় অর্থি। যা দেখে জাবের সাহেব তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। আর জিজ্ঞেস করলেন শরীর কেমন লাগছে।
অর্থি ও মাথা নাড়ল,, শরীর সুস্থ লাগছে কিছুটা,, তাই তো হাত মুখ ধুয়ে সামনে রুমে গেল। আর নাস্তা ও খেল সবার সাথে বসে।
জাবের সাহেব অর্থির মাথাটা নিজের কোলের উপর রেখে চুলে বিলি কেটে দিল,, কপাল টিপে দিল যেন আরাম লাগে,, আর অর্থি ও বাবার যত্ন পেয়ে মহা আবেশে এই যত্ন টুকু উপভোগ করতে লাগলো।
___________
তবে এইদিকে সাম্য নামক মহাশয় পড়েছে মহা বিপাকে,,, ফারিশের বিয়ের পর থেকেই তার সাথে অর্থির দেখা মিলে নি,, মেসেজ দিয়েছিল কিন্ত সে যখন দেখেছে অর্থি মেসেজের কোনো উওর করেনি তখন মনটা ভীষণ খারাপ হয়েছে,, সাম্য তো আর জানে না অর্থি জ্বরে কাবু হয়ে আছে,, তাই মনে করছে অর্থি হয়ত তাকে এড়িয়ে চলছে।
তার উপর কাল তাদের বাসায় মেহেদী এসেছে,, বন্ধুদের কথার মাঝে কথা উঠলে মেহেদী জানায় তাদের ফ্যামিলি তে হয়ত আরেকটা বিয়ে লাগতে চলেছে,, সাম্য ভেবেছিল মেহেদী হয়ত নিপা র কথা বলছে,,তাই সাম্য হাসি মুখ নিয়ে বলে;
—” যাক! আরো কিছুদিন একটু মজা করতে পারবো,, আর সকলের সাথে দেখা ও হবে। কিন্তু নিপা কে কোথায় থেকে দেখতে এসেছে,, ছেলে ভালো কিনা খোঁজ নিয়েছিস তো।
তখন মেহেদী সাম্যের কথার পিঠে তাকে বলে;
—” আরে নিপার জন্য না,, অর্থির জন্য। মাহা র খালা শাশুরির ছেলে রাতুল আছে না,, ওই নাকি অর্থি কে দেখে পছন্দ করেছে,, এখন ও ওরা অর্থিদের কে কিছু বলেনি,, ব্যাপার টা শুধু আমরা ই জানি।
মেহেদী মুখে কথাটা শুনে সাম্যের মনে হলো এই জীবনে তার বুঝি আর প্রেম করা হবে না,, যখনই মনে হয় জীবন সুন্দর ভাবে এগোচ্ছে তখনই সামনে উটকো একটা ঝামেলা এসে দাঁড়িয়ে যায়,, আর এখন এই উটকো ঝামেলার নাম রাতুল নামক ব্যাক্তিটি,, এই লোককে তার আগেই সন্দেহ হয়েছিল কিন্তু এই লোক যে তার থেকে এতদূর এগিয়ে যাবে তা সাম্য কল্পনা ও করেনি। তাই কূল কিনারা না পেয়ে সে মেহেদী কে বলে সে অর্থি কে পছন্দ করে,, মেহেদী একটু অবাকই হয়,, তবে সাম্য ওকে সবটা বুঝিয়ে বলে।
আর এই ও বলে মেহেদী যেন ব্যাপারটা একটু সিরিয়াস নেয়,, আর ওই রাতুলের ব্যাপার টা যেন অর্থিদের কাউকেই না জানায়। সবটা শুনে মেহেদী ও বুঝতে পারে বন্ধু তার ডুবে ডুবে ভেসে গেছে। তাই মুসাব আর মেহেদী সাম্য কে বলে অর্থির সাথে সে যেন সরাসরি কথা বলে।
কিন্ত তখন সাম্য হতাশা সহিত বল;
—” এক কালে চিঠি একটা দিয়ে মনের কথা জানিয়ে ছিলাম,, আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার মেসেজের রিপ্লাই তো দূর,, ওদিন যে ফারিশের বিয়েতে গেলাম আমার দিকে তাকালো না পর্যন্ত। এই দুঃখ কোথায় রাখবো বল!
মেহেদী আর মুসাব হাসতে হাসতে লুটোপুটি খাচ্ছে,, সাম্য কে তো তারা কখন থেকেই চেনে। যে কোনও কিছু নিয়ে কোনোদিন আফসোস করেনি,, পরীক্ষার রেজাল্ট হোক বা কোনো বিপদ যে ছেলে বিন্দাস হাসি মুখে সবটা সামলেছে আজ কিনা সামান্য একটা কারনে এত হতাশায় ভুগছে,,, তাই মেহেদী সাম্য কে বলল;
—” এত টেনশন নিচ্ছিস কেন,, তুই অর্থি কে সরাসরি গিয়ে বলবি তুই ওকে ভালবাসিস ব্যস হয়ে গেল।
সাম্য মুখ বাঁকিয়ে বলল;
—” এত সহজ নাকি,,, বলেছি আর ও আমাকে নাচতে নাচতে হ্যাঁ বলে দেবে,, শোন অর্থির মতো মেয়েরা অনেক সংবেদনশীল বুঝেছিস,, আমরা যেটা সহজে নিতে পারি ওরা অনেকটা সময় নিয়ে সেটা বিবেচনা করে। কারো মুখের উপর তেমন কিছু বলে ও না,, চুপচাপ নিজের মতো থাকে। তাই ওর থেকে আমি রিজেক্ট হতে পারবোনা।
মেহেদী সাম্যের কাঁধে হাত রেখে শান্তনা স্বরূপ বলছে;
–” বাবাহ এই কয়মাসে এতটা বুঝে ফেলেছিস,,,
সাম্য এবার কাঁদো কাঁদো মুখ নিয়ে বলল;
—” হ্যাঁ অনেক ভালো বুঝেছি,, আর এই ও বুঝেছি প্রেম করা থেকে বিয়ে করা অনেক সহজ,, যে মেয়েকে পছন্দ ফ্যামিলিকে গিয়ে বল, ফ্যামিলি মানলে আলহামদুলিল্লাহ আজ বৃহস্পতিবার গায়ে হলুদ, কাল শুক্রবার বিয়া।
মুসাব তখন বলে;
—” তো বিয়েই করে নে,, আমার ও মনে হয় হা’রাম প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে কষ্ট না পেয়ে বিয়ে করা ঢের ভালো। অন্তত আমার মতো তুই কষ্ট পাবি না।
তিন বন্ধুর আলোচনায় সাম্য বোধ হয় ব্যাপার টা অনেক বেশি সিরিয়াস নিয়ে নিয়েছে,, তাই তো পরদিন সে আরেক মহা আশ্চর্য জনক কান্ড ঘটিয়ে বসলো,,,,
—” আঙ্কেল,, দেখুন আমি আপনার মেয়েকে ভীষণ ভালোবাসি,, এখন আপনি কি আপনার মেয়ের হাত আমার হাতে তুলেন দিবেন….
ইশ না না কথা গুলো মিলছে না,,, মেয়েকে দিলে তো মেয়ের হাত আপনা আপনিই আসবে,,, দূর।
অন্য কাউকে না জানিয়ে আজ সাম্য নিজেই জাবের সাহেবের সাথে কথা বলতে যাচ্ছে,, মেহেদী কে না বললেও মুসাব কে সে বলেছে আজ অর্থির বাবা জাবের সাহেবের সাথে সে সরাসরি কথা বলবে,, অর্থির একমাত্র ভরসা হলো জাবের সাহেব,, তাই মেয়ে না পটলে মেয়ের বাপকে পটিয়ে ছক্কা মারবে। পছন্দের মানুষ থেকে প্রত্যাখ্যান হবার থেকে ভালো তার বাবার থেকে প্রত্যাখ্যান হবে। এর থেকে ভালো কিছু হয় নাকি আর।
তাই রিকশা দিয়ে যেতে যেতে সাম্য নিজের মাঝেই কথা গুলো বিরবির করছে,, কিন্ত কিছুতেই যেন সে ছন্দ মেলাতে পারছে না,,, তাই আবার বললো;
—” আঙ্কেল আপনার বাগানে ১৮ বছর ধরে যত্নে বড় করা ফুল টা আমি চাইবো,, প্রয়োজনে নিজে মালি হয়ে সেই ফুলের যত্ন নেব, কিন্ত অন্য মৌমাছি কে সেখানে বসতে দেব না।
এই কথা বলে সাম্য নিজেকে নিজেই গা’লি দিল,, এমন কথা শুনলে কোন মেয়ের বাপ রাজি হবে বলে মনে হয়,, তাই সাম্য একটু ভীত হলো জাবের সাহেবের সাথে দেখা করার কথা ভেবে।
কিন্ত যা হবার দেখা যাবে এই বলে আল্লাহ র নাম নিয়ে গেল জাবের সাহেবের সামনে। জাবের সাহেব সাম্য কে প্রথম দেখে ঠান্ডা একটা হাসি দিল,, যা দেখে সাম্য একটু নার্ভাস হলে ও নিরিবিলি একটা জায়গায় বসলো,,
কথা প্রথম সাম্য ই উঠায়।
—” ভালো আছেন আঙ্কেল,,
—” জ্বি আলহামদুলিল্লাহ। তা বলো হঠাৎ এভাবে ডাকলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কি বলবে,,,
—” জ্বি আঙ্কেল,, আসলে একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথা বলবো বলে এসেছি,, আশা করি আমি যে কারনে এসেছে তাতে সফল হয়েই ফিরবো।
জাবের সাহেব সাম্যের দিকে তাকালেন,, বিচক্ষণ চোখ দুটো কিছু বোঝার চেষ্টা করলো,, আর বুঝলেন ও অনেক কিছু,, কিন্ত সাম্যের কথা শোনার অপেক্ষায় রইলেন।
—” আসলে আঙ্কেল,, কিভাবে বলবো জানি না,, আধে ও বলা ঠিক হবে কিনা জানি না,, তবু ও বলবো আমি অর্থি কে অনেক পছন্দ করি।
জাবের সাহেব যা ভেবেছিলেন, তার সন্দেহ তাই হলো,, বয়স টা যে তিনি ও পার করেছেন,,, তাই সাম্য কে দেখে তিনি বললেন;
—” আমার মেয়ে কে পছন্দ করো তা আবার আমাকে ই বলছো,,
—” আমি আপনার প্রাণ প্রিয় মেয়েটিকে বলতে পারতাম,, কিন্ত আমার মনে হলো হারাম সম্পর্কের থেকে আমি যদি হালাল ভাবে কিছু পেতে পারি তার আত্নতৃপ্তি বেশি।
—” আমি যদি না মানি,,,
—” তা আমার দুর্ভাগ্য। তবে আমার মনে হলো আপনিই আমার দিকটা বুঝবেন,, প্রয়োজনে আমার আম্মু আপনার সাথে কথা বলবে।
জাবের সাহেব শান্ত চোখে সাম্যের দিকে তাকালন; আর বললেন;
—” তুমি কি বিয়ের কথা বলছো,,
সাম্য মাথা নত হয়ে বলল;
—’ জ্বি আঙ্কেল,,, এখন আপনার থেকে যদি সম্মতি পাই তবে আমি আমার আম্মুকে জানাবো,,,, আর আপনার যদি আমাকে যোগ্য মনে হয় তবেই না কথা এগোবে না হলে তো….
এইটুকু বলে সাম্য চুপ করে রইল,, আর জাবের সাহেব ও কোনো উওর করলো না,, এতে সাম্য ভেবেই নিল হয়ত এটা আরেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে,,, কিন্ত তখন অবাক করার মত এক কথা বলেন জাবের সাহেব।
—” তোমার আম্মুকে জানাও,, আর নাশিদা বেগম তো তোমার ফুফু,, তাহলে আমি ফারুক ভাইয়ের সাথে কথা বলবো,, বাকিটা সিদ্ধান্ত নেব আমার অর্থি আম্মা যদি মত দেয়।
কথাটা শুনে সাম্য চমকে জাবের সাহেবের দিকে তাকালেন,, ঢোক গিলল সাথে সাথে,, মনে হলো কাটা গলা থেকে নামলো। তাই বললো;
—” আঙ্কেল আপনি কি সত্যিই এই কথা বললেন,,
—” হ্যাঁ…..
সাম্য যেন নিজের উৎসাহ ধরে রাখতে পারলো না,, তৎক্ষণাৎ জাবের সাহেব কে বলল;
—’ঠিক আছে আঙ্কেল, আমি আজই আম্মুকে জানাবো,, এরপর নিজের উৎসাহ টিকে রাখতে না পেরে বলল;
—” আচ্ছা আঙ্কেল ডাকটা একটু বোরিং হয়ে যাচ্ছে না,, আমি আপনাকে শশুরআব্বা বলে ডাকি।
______________
এরপর কি হলো,,,,
সাম্য সাধারণ ভাবে তার মাকে বলল অর্থির কথা,, কিন্ত সে যে জাবের সাহেবের সাথে একান্তই কথা বলেছে সে বিষয়টা সম্পূর্ণ চেপে গেল,, আর ফাতেমা বেগম কে জানালো মাহা র বিয়েতে দেখেই পছন্দ করেছে এখন তিনি যদি হ্যাঁ বলেন তাহলে কথা এগোতে পারে।
ফাতেমা বেগম সাম্যের কথা স্বাভাবিক ই নিল,, আর সাম্যের যেহেতু পছন্দ তাই ফাতেমা বেগম আপত্তির কোনো কারণ দেখলেন না,, তবে খোঁজ খবর নিতে তিনি ফারুক সাহেব কে ফোন দিয়ে অর্থিদের সম্পর্কে সবটা জানলেন। ফারুক সাহেব তো খুব খুশি হলেন কথাটা শুনে,, তিনি তো উৎসুক হয়ে সব কিছু বলেন ফাতেমা বেগম কে।
কিন্ত এদিকে নাশিদা বেগম কেমন যেন রাগে ফুঁসছে সাম্যের মা অর্থির সাথে সাম্যের বিয়ে দেবার কথা শুনে। আবার তিনি কিছু বলার আগে ফারুক সাহেব তো এই কথা শুনে যেন এক পায়ে তাদের বিয়েটা করানো জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এমন ভাবে অর্থির আর তার পরিবারের প্রশংসা করছে যেন অর্থির মতো মেয়ে তিনি জীবনে আর দুটো দেখেনি। তাই তাদের কথা শেষ হলে তিনি গিয়ে সাম্যের ফোনে কল দেন। সাম্য কে জিজ্ঞেস করেন;
—” এই সাম্য তুই নাকি নিজে বলেছিস ওই মেয়ে কে বিয়ে করবি,, কেন রে বাপ দুনিয়া তে কি মেয়ের কমতি ছিল।
—” কেন ফুফু! ওর মাঝে কি সমস্যা,, আমার তো ভালোই লেগেছে।
—” এমন সাদামাটা মেয়ে কে আজ কাল কেউ পছন্দ করে বল; ওর সাথে তোকে মানাবে না,, কোথায় তুই আর কোথায় ওর মতো সাধারন একটা মেয়ে।
—” সমস্যা নেই ফুফু,, আমি নিজেই এত অসাধারণ আমার জীবন সঙ্গী সাধারণ হলেই চলবে।
চলবে।
( অনেকেই বলবেন এমনটা কেন করলাম,,, কিন্ত এর পেছনে খুব সুন্দর একটা কাহিনী দেব,, তাই আজকের পর্ব টা এমন করে সাজিয়েছি,, আর এমন সাহসী ছেলে দেখেছেন মেয়ের জায়গায় সোজা গিয়ে মেয়ের বাপের সাথে কথা বলছে,,,,
সাম্যের ব্যাপারে অনেকে অভিযোগ দিতে পারেন,, কিন্ত এমন একটা পরিনতি যেখানে সম্পর্ক টা সুন্দর ভাবে এগোবে এতে আপনারা খুশি হবে না। )
যাক গে অনেক কথাই বলছি,,, বাকি সুন্দর পর্ব পরে দেব,,,
আপাতত রেসপন্স নাই, পড়েন অথচ রেসপন্স করেন না,, এতে পেইজে র অবস্থা অনেক খারাপ,, অনেক পাঠক তো গল্প ই খুজে পান না,, কি বলবো আর দুঃখের কথা।

