শিশির_ভেজা_রোদ্দুর Part_44

0
211

শিশির_ভেজা_রোদ্দুর
Part_44
#Writer_NOVA

এনাজ সেদিকে তাকিয়ে আর কোন কথা বললো না। বালুর মাঠেই তায়াং ভাইয়া ও নূর আপিকে দেখা যাচ্ছে। তাদের কিছুটা সামনে গিয়ে দেখলাম তায়াং ভাইয়া কানে ধরে দাঁড়িয়ে আপির রাগ ভাঙানোর চেষ্টা করছে। আমি তা দেখে জোরে হেসে উঠলাম। ভাইয়া আমাদের দেখে দ্রুত কান ছেড়ে এগিয়ে এসে বললো,

— সব দোষ তোর শাঁকচুন্নি। তুই ভিডিও কেন করছিস? করছিস ভালো কথা তা নূরকে দেখানোর কি দরকার ছিলো?

— একদম ঠিক করেছি। খাওয়ার সময় এসব কথা মনে ছিলো না।

— ভিডিও জলদী ডিলিট কর।

— একটুও করবো না। এগুলো প্রমাণ। তোরা যে কত ভালো মানুষ তার প্রমাণ রেখে দিয়েছি।

এনাজ কাঁদো কাঁদো মুখ করে বললো,
— ভাই, ভাবীর রাগ ভাঙছে?

— না, নূর কিছুতেই মানতাছে না।

— আমাকে দশবার কান ধরে উঠবস করাইছে। না করলে আমার সাথে কথাই বলতো না।

— এই ছেমরি যত নষ্টের মূল।

আমি রেগে দুই হাত কোমড়ে রেখে বললাম,
— একদম আমার সাথে রাগ দেখাবি না। নয়তো আগুনে আরো ঘি ঢালবো। নূর আপি ও নূর আপি। দেখো তায়াং ভাইয়া আমাকে বকছে। তোমাকে ভিডিও দেখাইছি বলে।

তায়াং ভাইয়া খাইয়া ফালামু লুক দিলো।তাতে আমি একটুও ভয় পেলাম না। নূর আপি গতকাল রাতে আমাদের সাথে ছিলো না। পরে আমি তাকে ভিডিওটা দেখিয়েছিলাম। তাতে আপি ভাইয়ার ওপর হেব্বি রেগে আছে। আমার মন বলে নূর আপিও ভাইয়াকে পছন্দ করে। কিন্তু প্রকাশ করে না। নূর আপি সামনে এসে বললো,

— কি হয়েছে নোভা?

— দেখো না নিজেরা খেয়েছে তাতে দোষ হয়নি। আমি ভিডিও করে তোমাকে দেখিয়েছি তাতে দোষ হয়ে গেছে।

— ছাইপাঁশ গেলার সময় মনে থাকে না। এখন ভিজে বেড়াল সাজা হচ্ছে।

তায়াং ভাইয়া আমার হাত ধরে অন্য দিকে টেনে নিয়ে গিয়ে নরম সুরে বললো,
— বোইন ভিডিওটা ডিলিট করে দে না।

— গলার স্বর এতো মিষ্টি কেন ভাইয়া? তুই ঠিক আছিস তো? তিতা করলা আজ মধুর মতো মিষ্টি লাগছে। কুছ তো গড়বড় হে 🤔।

— যা বলছি তা শুন।

— একটুও ডিলিট করবো না। খালুর ইমো তে পাঠিয়ে দিবো। তাকে দেখাতে হবে তো তার গুণধর ছেলে কিভাবে তার মুখ উজ্জ্বল করছে।

— এখন কি তোর পায়ে ধরতে হবে?

— কিছুই করতে হবে না।

— কত টাকা লাগবে তোর?

আমি রেগে বললাম,
— ঐ পাইছিস কি? সবসময় টাকার গরম দেখাস কেন?

— তুই ঘুষ নিস তাই আরকি।

— তুই কিন্তু আমায় ইনসাল্ট করছিস পাঠা।

—আচ্ছা চল এখুনি তোকে আর নূরকে নিয়া মাওয়া ঘুরতে যাবো। এখান থেকে তো সামনেই।তাও তুই ভিডিও ডিলিট করে দিস।

— তোর বাইক আনছিস?

— হ্যাঁ, সকালে ঢাকায় ফুল আনতে গিয়েছিলাম।তখন নিয়ে আসছি।

— ঠিক আছে মাওয়া ঘুরতে নিয়ে গেলে ভেবে দেখবো ভিডিও রাখবো নাকি রাখবো না। তবে নূর আপিকে রাজী করার দায়িত্ব তোর।

— আচ্ছা৷ তবে ভিডিও ডিলিট তোকে করতে হবে।

— আগে তো ঘুরতে নে তারপর।

ভাইয়া ও এনাজ অনেক কষ্ট করে নূর আপিকে রাজী করালো। আমরা বাড়ির দিকে গেলাম। বিদায়ের পালা ঘনিয়ে আসছে। মামী ওরফে ভাইয়ার শাশুড়ী কান্না জুড়ে দিতেই একে একে সব কান্না শুরু করলো। আমি সেদিক থেকে সরে এলাম। আমি এখানে থাকলে ইমোশন হয়ে যাবো। সব একে একে বেরিয়ে পরলো। রাস্তার আসার ভাবীকে ধরে তার দুই ভাই সেকি কান্না। আমার চোখ দুটো টলমল করে উঠলো। আমিও তো একদিন সবাইকে ছেড়ে এভাবে চলে যাবো। তায়াং ভাইয়া এক দৃষ্টিতে ভাই-বোনের কান্নার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি ওর সামনে গিয়ে বললাম,

— ভাইয়া, একদিন আমি ও তন্বীও তোকে ছেড়ে এভাবে চলে যাবো। সেদিন তুইও এভাবে কাঁদবি। এক হিসেবে তোর ভালো হবে। তোকে কেউ ডিস্টার্ব করবে না, জ্বালাবে না। তোর শান্তির দিন চলে আসবে। আদোও কি শান্তিটা তোর ভালো লাগবে?

ভাইয়া উত্তর দিলো না। গোমড়া মুখে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো। আমি চোখের কোণে থাকা পানিটা ওর আড়ালে মুছে এনাজের বাইকে উঠে বসলাম। হাইস, বাইক একসাথে চলতে লাগলো। শ্রীনগর মেইন রাস্তায় এসে হাইস পূর্বে বাড়ির দিকে ছুটলো। আর আমরা দক্ষিণে মাওয়ার দিকে। একটানে বাইক এসে থামলো মাওয়া ফেরি খাটে। বাইক পাশে রেখে আমরা চারজন নেমে দাঁড়ালাম।

মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। সেই তালে পদ্মা নদীর ঢেউগুলো নাচছে। দুই হাত বাড়িয়ে ওড়নাটাকে মেলে দিয়ে টাইটানিক পোজে দাঁড়ালাম। পেছনে এনাজ দাঁড়িয়ে। সাথে নূর আপি। তায়াং ভাইয়া আমাদের জন্য কোল্ড ড্রিংকস আনতে গিয়েছে। একটু আগের মন খারাপ লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। নদীর বড় বড় ঢেউগুলো পাশে এসে আছড়ে পরছে।এনাজ সেদিকে তাকিয়ে বললো,

— ওয়েদারটা কি জোস তাই না? সন্ধ্যা হওয়ার আগ মুহুর্ত। পাখিরা তার নীড়ে ফিরছে। আবছা হালকা কুয়াশার চাদরে চারিপাশ ঢেকে আছে। আমার তো এমন ওয়েদার দেখে প্রেম প্রেম পাচ্ছে।

আমি ও নূর আপি মিটমিট করে হাসলাম। চোখ বন্ধ করে আবারো হাত দুটো মেলে দিয়ে বড় করে শ্বাস নিলাম। মনে হচ্ছে টাইটানিক জাহাজেই আছি। নদীর ঢেউগুলো উপভোগ করছি। তায়াং ভাইয়া চারটা সেভেনআপের ক্যান নিয়ে এসে বললো,
— আজকের ওয়েদারটা কিন্তু সেই লাগছে।

এনাজ তার সাথে গলা মিলিয়ে বললো,
— আমিও তাই মাত্র বললাম। এর আগেও কয়েকদিন তোর সাথে যে মাওয়া ঘাটে ঘুরতে এলাম তখন এতটা ভালো লাগেনি। আজ খুব ভালো লাগছে।

— ভালো লাগলেও বেশি সময় থাকতে পারবো না।

আমি ও নূর আপি একসাথে বলে উঠলাম
— কেন?

💖💖💖

তায়াং ভাইয়া আমাদের হাতে ক্যান দিয়ে নিজেরটা ভেঙে মুখে দিয়ে বললো,
—সামাদ ভাইয়া কল করেছিলো। আমরা কোথায় তাই জিজ্ঞেস করছে। বাসরঘর সাজার দায়িত্ব আমাদের। এখন না গেলে সারারাত লাগবে বাসরঘর সাজাতে। তাহলে বেচারা ভাইয়ের বাসরই মাটি।

আমি জিজ্ঞেস করলাম,
— বাসরঘর কে কে সাজাবে?

এনাজ বললো,
— তুমি, আমি, নূর আপি, তায়াং, অনন্যা, মুহিন।

— তাহলে তো অনেক মানুষ। বেশি সময় লাগবে না। আরেকটু থেকে যাই।

তায়াং ভাইয়া ক্যানের সবটুকু সেভেন আপ এক চুমুকে খেয়ে ক্যানটাকে লাথি মেরে দূরে ফেলে বললো,
— ওকে। তবে বেশি সময় নয়।

নূর আপি অপরাধী সুরে বললো,
— তন্বী যদি জানতে পারে ওকে ছাড়া আমরা মাওয়া ঘুরতে এসেছি তাহলে নির্ঘাত আমাদের সাথে রাগ করবে। ওকে কেউ ভুলেও বলেন না যে ঘুরতে এসেছি এখানে।

তায়াং ভাইয়া এনাজের হাত থেকে ক্যানটা ছোঁ মেরে নিয়ে দুই ঢোক খেয়ে বললো,
— জানলে জানবে। বলবা তোর বয়ফ্রেন্ড থাকলে তোকে নিয়ে যেতাম। কিন্তু তোর তো বয়ফ্রেন্ড নেই তাই তোকে নেইনি।

নূর আপি তায়াং ভাইয়ার দিকে রাগী চোখে তাকাতেই ভাইয়া বেক্কল মার্কা হাসি দিলো।আমি মিটমিট করে হেসে বললাম,
— তুই কি বড় ভাই নাকি অন্য কিছু?

— অবশ্যই বড় ভাই।

এনাজ পশ্চিম দিকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বললো,
— তায়াং চল ঐদিকটায় যাই।

আমরা পশ্চিম দিকে চলে গেলাম। নদীর পাড়ে নেমে লেহেঙ্গা উচু করে ধরে পানিতে পা ভেজাতে লাগলাম। ইস, কত দিন পর এতো মজা করতে পারছি।ভাবতেই মন খুশি হয়ে গেলো।খুশিতে বালুর ওপর কয়েকটা লাফও দিলাম।এনাজ তায়াং ভাইয়াকে উদ্দেশ্য করে বললো,

— তোর বোনকে টিডি পোকা কি আমি সাধে বলি? দেখ কেমন টিডি পোকার মতো লাফাচ্ছে। লেহেঙ্গা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সেদিকেও খেয়াল নেই।

আমি জিহ্বা বের করে এনাজকে ভেংচি কেটে নদীর পাড়ে হাঁটতে লাগলাম। এনাজ আমাদের ছবি তুলছে। তায়াং ভাইয়া ও নূর আপির অনেকগুলো ছবি তুলে দিলো। তারপর তায়াং ভাইয়ার হাতে মোবাইল দিয়ে বললো,

— এবার আমাদের দুজনের ছবি তুলে দে।

আমার পাশে এসে দাঁড়ালো। আমি কিছুটা দূরে সরে যেতে চাইলে বাহুতে ধরে তার পাশে দাঁড় করে রাখলো। চারজন মিলে অনেক ছবি তুললাম। পশ্চিম আকাশে সূর্য ঢলে পরেছে সেই কবে। আজানও দিয়ে দিছে বহু আগে। বেশি দেরী না করে বাড়ির রাস্তা ধরলাম। বেশি রাত হয়ে গেলে সমস্যা। এখান থেকে যেতে ইচ্ছে করছিলো না। তবুও মাওয়াকে বিদায় জানিয়ে ফিরতেই হবে। মাওয়ার রাস্তাটা দিনের থেকে রাতে বেশি সুন্দর লাগে। দুইপাশের আলোক বাতি গুলো সৌন্দর্য দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়।আসার সময় সারা রাস্তায় মন খারাপ ছিলো। এনাজ আমার মন খারাপ দেখে বাইক চালাতে চালাতে বললো,

— মন খারাপ করো না। আমরা আবার আসবো।

তার আশ্বাসেও মন ভালো হলো না। বাসায় আসতেই সামাদ ভাইয়া বকা শুরু করলো। এশারের আজান দিয়েছে কিছু সময় আগে। কোনরকম ফ্রেশ হয়ে তার বাসরঘর সাজাতে ঢুকলাম। তায়াং ভাইয়া, এনাজ শুধু কোর্টটা খুলে কাজে লেগে পরেছে। আমি ও নূর আপি ফ্রেশ হয়ে রুমে ঢুকতেই অনন্যা চেচিয়ে বললো,
— এই তোমাদের আসার সময় হলো? অন্য দিকে আমার ছোট মামা পাগল হইয়া যাইতাছিলো। ওরা আসে না কেন? কবে আসবো? আমার বাসরঘর কি সাজাইবো না ওরা।

আমি ফুলের মালায় গিট দিতে দিতে বললাম,
— বুড়ো বয়সে বিয়ে করলে যা হয় আরকি?

এনাজ স্টেন্ডে ফুলের মালা লাগিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
— কথাটা ঠিক নয়। নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে বিয়ে করতে পেরেছে বলে তার এমন এক্সপেরিমেন্ট কাজ করেছে। বয়সের জন্য না।

এনাজের কথার মাঝেই তার পকেটে থাকা মোবাইল চিৎকার করে উঠলো। এনাজ মোবাইল বের করে তায়াং ভাইয়াকে বললো,
— ইমরান কল দিয়েছে।

তায়াং ভাইয়া ফুলে টেপ পেঁচাতে পেঁচাতে বললো,
— রিসিভ করে কথা বল। লাউড বাড়িয়ে দিস।

এনাজ কল রিসিভ করে লাউড স্পিকার বাড়িয়ে দিয়ে বললো,
— হ্যাঁ ভাই বল। কি অবস্থা তোর?

— তুই এখন কোথায়?

— গুলিস্তানে ওভার ব্রীজের নিচে ফুটপাতে বইসা জামা-কাপড়ের বেচতাছি। বাইছা নেন ১০০, বাইছা নেন ১০০ যেটা নিবেন সেটাই ১০০। তুইও আয়। একসাথে বিক্রি করি ভালো লাভ হবে।

— কবের থেকে শুরু করলি এই ব্যবসা?

— এই তো তিনদিন ধইরা।

— ভালো ভালো ব্যবসা কর তাহলে।

— কানের নিচে দুইটা দিয়া বয়রা বানাবো শালা। তুই জানিস না আমি কোথায় আছি?

আমি আর ওদের কথায় মনোযোগ দিলাম না। ইতিমধ্যে আমি, অনন্যা, নূর আপি হাসির প্রতিযোগিতা লাগিয়েছি। এনাজ ইমরান হাশমি ভাইয়াকে বেশ কিছু সময় ঝেরে কল কেটে দিলো। সাড়ে সাতটার সময় ঢুকেছি। এখন দশটার বেশি বাজে। তবুও মনে হচ্ছে শেষ হচ্ছে না কাজ। এরা একটা বোকামি করেছে। ফুলের মালা কিনে না এনে বস্তা ভরে ফুল কিনে এনেছে। সেগুলো মালা করতে গিয়ে সবার দফারফা। আমি ও নূর আপি তো মুহিন, এনাজ, তায়াং ভাইয়াকে মালা বানাচ্ছি আর বকছি। মুহিন বললো,

— আমাকে বকবি না। আমার কোন দোষ নাই। আমি তাদের বলছিলাম মালা কিনে আনতে। কিন্তু এরা আমার কথা শুনেনি।

আমি দাঁতে দাঁত চেপে বললাম,
— সবাই ভালোর ছালা। আমাদের হাত দুটো আর রইলো না। কতগুলো সুচের খোচা খাইছি। হাত এখন জ্বলতাছে।

এখন রাগ লাগছে। আমরা মেয়ে তিনজন মালা বানাচ্ছি আর ছেলে তিনটা সেগুলো দিয়ে সাজাচ্ছে। তন্বী,অর্থি, ইভার খবর জানি না। সেই যে সাতটায় ঢুকছি তারপর বাইরের সাথে আমাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। সবাই এখন বউ নিয়ে ব্যস্ত।তাই এদিকে তেমন কেউ আসেও না। সাড়ে এগারোটার নাগাদ রুম পুরো কমপ্লিট করে বের হলাম। বসে থাকতে থাকতে কোমড় ধরে গেছে। মুহিন, তায়াং ভাইয়া, এনাজ তিনটা ঘেমে গোসল করে ফেলছে। ওরা ফ্রেশ হতে চলে গেল। গরমে একেকটা সিদ্ধ হইছি। ফ্যানের সাথে গোল করে ফুলগুলো সাজানোর দরুন ফ্যান অফ ছিলো। এতে একেকটা গরমে শেষ। ১২ টা বাজে ভাবীকে বাসরঘরে বসিয়ে দিয়ে ভাইয়ার থেকে রুম সাজানোর পারিশ্রমিক নিয়ে তবেই তাকে ভেতরে ঢুকতে দিলাম।

ওরা তিনজন ফ্রেশ হয়ে আসতেই আমরা সবগুলোতে উঠোনে চেয়ার পেতে বসে গল্পের আসর জমালাম। এক পাশে মহিলারা আগামীকালের রান্নার জন্য পাটায় মসলা বাটছে, আরেক দিকে পেয়াজ, মরিচ কাটছে। উত্তরপাশে মুরগী জবাই করছে। সেখানে বসে আব্বু, চাচ্চুরা পুরনো দিনের গল্পের আসর বসিয়েছে। অপরপাশে আমরা।আজ দেরী করে ঘুমাবো। রাত দুটো অব্দি গল্প করে তারপর ঘুম। এর আগে নয়।

#চলবে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here