একদিন তুমিও ভালোবাসবে ‘ 🌸❤️ ||পর্ব~৭||

0
259

‘ একদিন তুমিও ভালোবাসবে ‘ 🌸❤️
||পর্ব~৭||
@কোয়েল ব্যানার্জী আয়েশা

১৪.
‘জিয়া, জিয়া? কোথায় তুই?’

আদিত্য বারবার এদিক ওদিক তাকিয়ে জিয়া কে খোঁজার চেষ্টা করছে কিন্তু খুঁজে পাচ্ছে না। জিয়াই ওকে টেক্সট করলো যে ইউনিভার্সিটির ওয়াশরুমের আগে যে ফাঁকা করিডোরটা আছে ওখানে আস্তে। কি জানো খুব দরকার কথা আছে। এমনিতেই জিয়া ঠিক নেই তার উপর যদি এখন ওর কথা না শোনা হয় তাহলেই হয়েছে! তাই আর আদিত্য দেরী করেনি, টেক্সট পেয়েই চলে এসেছে।

‘কোথায় গেলো এই মেয়েটা, যা অবস্থা করেছে নিজের তাতে না কিছু বাঁধিয়ে বসে।’

আদিত্য এক হাত কোমরে আরেক হাত মাথার পিছনে দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এমন সময় কেউ পিছন দিয়ে ওর শার্ট টেনে, যে হাত কোমরে ছিলো সেই হাত ধরে ফেরালো। ব্যক্তিটির দিকে ফিরতেই আদিত্য কিছু বলবে তার আগে ব্যক্তিটি ওর বুকে ঢলে পড়লো।

‘জিয়া, জিয়া? তুই ঠিক আছিস? কি হয়েছে?’

হ্যাঁ, ব্যক্তিটি আর কেউ নয় জিয়া। জিয়া ধীরে ধীরে শক্ত করে আদিত্য কে জড়িয়ে ধরলো কোনো কথা না বলে কারণ জিয়া ঠিক মতো দাঁড়ানোর অবস্থাতেই নেই।

আমি আদিত্য কে খুঁজতে খুঁজতে ওনার পিছু নিয়েছিলাম কিন্তু জিয়ার সাথে ওনাকে এভাবে দেখবো ভাবিনি। জিয়ার অবস্থা এমন কেন? এটাই ভাবছেন তো? তাহলে চলুন জেনে আসা যাক।

কিছুক্ষণ আগে,

ভার্সিটির হল রুমে ফ্রেশারস পার্টি আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ভালোই স্টুডেন্টসদের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। আমি পার্টির এক কোণে একা দাঁড়িয়ে আছি। এমন নয় যে আমি একা এসেছি, আমার সাথে কোয়েল এসেছে কিন্তু ওর দরকারি কল আসায় ও একটু অন্যদিকে গেছে। ভাগ্যিস ফ্রেশারস পার্টির আগেই কোয়েল সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছে নাহলে আমি যে কীভাবে একা একা থাকতাম কে জানে? এখনই তো কেমন একটা বোর লাগছে।

‘কি ম্যাডাম? এখানে একা দাঁড়িয়ে আছেন যে?’

আমি পাশে তাকিয়ে দেখলাম সৌভিক দা আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। হয়তো উত্তরের আশায়, আমি উত্তর দিলাম,

‘কোয়েল একটু অন্যদিকে গেছে তাই অপেক্ষা করছি ওর।’

‘সারাটা সময় কোয়েলের সাথে থাকলে হবে? আমাদেরকেও তো একটু চান্স দিতে হবে তাই না? আব, শুধু আমাকে দিলেই হবে।’

‘আপনি কি কোয়েলকে লাইক করেন?’

আমার প্রশ্নে উনি বাঁকা হেসে বললেন,

‘বুঝে গেছো তাহলে? কিন্তু তোমার বান্ধবী তো আর পাত্তা দেয় না তাই তুমিই দাও। আমার তো মেয়ে হলেই হলো।’

শেষের কথাটা সৌভিকদা বিড়বিড় করে বললেও কথাটা আমার কানে ঠিকই এসেছে। ওনার কথার উত্তর মৃদু হেসে বললাম,

‘আপনি যেমন ধরণের মেয়ে খুঁজছেন সেই ধরণের মেয়ে আমি নই আর কোয়েলও না। তাই চান্স টা অন্য জায়গায় নিন, বেটার হবে।’

‘আচ্ছা তা তুমি কেমন ধরণের মেয়ে? বলো একটু। তোমার ধরণের কথা শুনে হয়তো আমার টেস্ট চেঞ্জ হয়ে গেলো।’

হঠাৎ করেই সৌভিকদা আমার দিকে এগোতে শুরু করলে আমি পিছতে থাকি। পিছতে পিছতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে উনি আমার মাথার দু-পাশে হাত রেখে আমার সামনে ঝুঁকে দাঁড়ান। বুঝতে পারি উনি নেশা করে আছেন।

‘কি হলো কিছু বলো?’

উনি আমার মুখের দিকে আরো এগিয়ে এলে আমি ওনাকে ধাক্কা দিতে যাবো এমন সময় ওনার কলার ধরে কেউ পিছন থেকে টেনে নিলো। উনি পুরোপুরি সরে যেতে দেখলাম আদিত্য দাঁড়িয়ে আছে আর আদিত্যের পিছনে কোয়েল। কোয়েল আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস করলো,

‘কোনো অসভ্যতামি করেছে নাকি? আদিত্যদা কে বল তাহলে।’

কোয়েল বেশ জোরে কথাটা বলায় উনিও শুনতে পেয়েছেন আর তাই কোয়েলের কথা শেষ হতেই উনি আমার দিকে তাকালেন উত্তরের আশায়,

‘করতে চেয়েছিল।’

এটুকু বলতেই আদিত্য ঠাস করে চড় বসিয়ে দিলো সৌভিকেদার গালে। আমি অবাক হয়ে মুখ ঢাকলাম কিন্তু কোয়েলের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।

‘তোকে সাবধান করেছিলাম আমি যে, এইসব অসভ্যতামির থেকে দূরে থাকতে নাহলে ফল ভালো হবে না। কিন্তু তুই শুনলি না।’

‘আদি! আদি কি করছোটা কি তুমি? সৌভিকদা তোমার ছোটবেলার বন্ধু আর তুমি ওর গায়ে হাত তুলে তাও আবার এই মিডল ক্লাস মেয়েটার জন্য?’

‘জাস্ট শাট ইউর মাউথ জিয়া, নাহলে তোকেও পস্তাতে হবে।’

আদিত্যের কথা শুনে জিয়া প্রায় তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলো। সৌভিকদা কে আদিত্যের হাত থেকে জোর করে ছাড়িয়ে নিয়ে বললো,

‘এখন এই মিডল ক্লাস মেয়েগুলো তোমার জন্য ইম্পরট্যান্ট হয়ে গেছে তাই না? আগে তো শুধু কোয়েল ছিলো এখন এই মৌমিতা এসে জুটেছে। তুমি কি ভুলে যাচ্ছ তুমি কোন বাড়ির ছেলে? কী তোমার স্টাটাস? তোমার, আমাদের স্ট্যাটাস দেখো আর এই মেয়েগুলোর স্ট্যাটাস দেখো। তাহলেই বুঝতে পারবে তুমি কি করছো।’

‘আমি খুব ভালো ভাবেই জানি আমি কি করছি। তুই প্লিজ তোর স্ট্যাটাসের সাথে ওদের স্ট্যাটাসের তুলনা করে ওদের অপমান করিস না। তোর স্ট্যাটাসের মেয়েদের সাথে থাকা তো দূর কথা বলতেও আমার ঘেন্না করে। সারাদিন ক্লাব, পার্টি, টাকা উড়ানো, ছেলেদের সাথে ঘুরে বেড়ানোর ছাড়া আর কিছু জানিস? ওহ হ্যাঁ, বাবার টাকায় ফুটানি মেরে অন্যদের হ্যারাস করাটা সবথেকে বড় ট্যালেন্ট তোর। আর স্বভাব হলো যেসব ছেলেদের তোর থেকে বেশি টাকা আছে তাদের পিছন পিছন ঘোরা, তারা পাত্তা না দিলেও তাদের গায়ে পরে ঘোরা যেটা কি না তুই আমার সাথে করিস। যেই কথাগুলো বললাম সেগুলো মাথায় রেখে দ্বিতীয় বার আমার সাথে কথা বলতে আসবি না। যদি নিজেকে চেঞ্জ করতে পারিস তাহলেই আসবি।’

আদিত্য জিয়ার পিছন থেকে আবার সৌভিকের কলার ধরে বললো,

‘আজকে বেঁচে গেলি পার্টির জন্য। নেক্সট দিন থেকে যদি আবার এমন কিছু দেখেছি তো তুই শেষ।’

সৌভিকদা এতটা সময় ধরে মুখ দিয়ে টু শব্দটুকুও করেনি। আদিত্য সৌভিকদার কলার ঝাড়া মেরে ছেড়ে দিয়ে আমাদের দিকে ফিরলে সৌভিকদা বলে,

‘তা কোনটা তোর প্রেমিকা? নাকি দুটোই…

‘সবাইকে নিজের মতো মনে করিস না সৌভিক। লোককে অপমান করার আগে নিজের ভুলগুলো শুধরানোর চেষ্টা কর নাহলে পস্তাবি।’

আদিত্য আমাকে একহাতে জড়িয়ে নিয়ে অন্যহাতে কোয়েলের হাত ধরে ওখান থেকে চলে আমাদের নিয়ে চলে এলেন। হলের অন্যপ্রান্তে এসে আমাদেরকে দাঁড় করিয়ে রেখে উনি চলে গেলেন সেই দেখে আমি কোয়েলকে বললাম,

‘কোয়েল আমি আসছি একটু।’

কোয়েলকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই আমি ওনার পিছনে চলে এলাম। ওনার মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছিল উনি কতটা রেগে আছেন। ওনার পিছন করে ব্যালকনিতে এসে দেখি উনি দেয়ালে সজোরে একটা ঘুষি মারলেন।

‘আরে আপনি কি করছেন টাকি? মাথা খারাপ হয়ে গেছে আপনার?’

আমি সঙ্গে সঙ্গে এসে ওনার হাত ধরে আমার দিকে ঘুরিয়ে নিলে উনি আমার হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বললেন,

‘আমাকে একা ছেড়ে দাও। তুমি যাও এখান থেকে।’

আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম,

‘আমার জন্য নিজের বন্ধুদের সাথে এভাবে ঝগড়া করবেন না। আমি আপনার তেমন কেউ হইনা যে আমার জন্য আপনার সম্পর্ক নষ্ট করবেন। উনি কোয়েলকে নিয়ে তেমন খারাপ কথা বলেননি আর ওর সাথে তো কোনো অসভ্যতাও করেনি তাহলে কেন এভাবে রিয়াকট করলেন? আমার সাথে অসভ্যতামি করেছিলো আমি বুঝে নিতাম, আমার জন্য আপনি কেন..??

‘তোমার জন্য নয়। তোমার জায়গায় যেই মেয়েই থাকতো তার জন্যেই আমি এটা করতাম। সত্যি তুমি আমার কাছে স্পেশাল কেউ নও কিন্তু তারমানে তো এই না যে সব দেখে অন্ধ হয়ে থাকবো। অন্যায় যে করে অন্যায় যে সহে, দুজনেই সমান দোষে অপরাধী। সৌভিক আমার বন্ধু বলে কোনো ছাড় পাবে না, অন্যায় যখন করেছে শাস্তি তো পেতেই হতো।’

হয়তো ওনার প্রথম কথায় কষ্ট পেয়েছি কিন্তু শেষের কথাগুলো শুনে ভালো লাগলো। ওনার মন-মানসিকতা যে এত ভালো ভাবিনি। আমি কথা না বাড়িয়ে কিছু বলতে যাবো তার আগেই উনি ব্যালকনিতে রেলিংএ দু-হাত ভর করে, ঝুঁকে বলতে লাগলেন,

‘সৌভিক আমার ছোটবেলার বন্ধু জানো? ওর আর আমার একসাথে বড়ো হওয়া। সেই ছোটো থেকে স্কুল আর এখন ইউনিভার্সিটি, সব সেইম। শুধু চিন্তা-ধারাটাই সেইম হলো না, হলে হয়তো আজ এই দিন আসতো না। অনেক আগে থেকেই ওকে আমি বারণ করেছিলাম, শোনেনি। আমি জানি আজ ও শুনবে না ও আমার দেওয়া ওয়ার্নিং। ও জানে না এর ফল কতটা ভয়ানক হতে পারে।’

কথা শেষ করে আদিত্য একটা নিশ্বাস ফেলে আমার দিকে ঘুরে কিছু বলবেন তার আগেই আমি ওনার হাত দেখে বললাম,

‘আপনার হাতটা তো লাল হয়ে গেছে।’

আমার কথা শুনে উনি নিজের হাতের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে আমাকে বললেন,

‘ও কিছু হবে না, একটু বরফ দিয়ে নেবো। তুমি যাও, কোয়েল ওখানে একা আছে।’

উনি আমার দিকে এগিয়ে এসে আমার হাত নিজের হাতের মাঝে নিয়ে হাঁটতে শুরু করলেন। আমাকে কোয়েলের কাছে রেখে উনি ওনার বন্ধুদের কাছে যাবেন সে সময় আমি বললাম,

‘বেশি মাথা গরম করবেন না। রাগের বশে ক্ষতি হয় শুধু, লাভ না।’

আগের দিনের মতো আমার কথা শুনে শুধুই হাসলেন। উনি যাবেন ঠিক সেই সময় জিয়া টলমলে পায়ে ওনাকে জড়িয়ে ধরলো।

‘জিয়া? তুই, এভাবে?’

‘ইয়েস! আমি, এভাবে। আমি ছাড়া তোমার কাছে তো দূর আশেপাশেও কেউ আসতে পারবে না, আমি দেবো না। তুমি শুধু আমার বুঝেছো? শুধু আমার। এইসব মিডল ক্লাস মেয়েরা তোমার জন্য নয়, শুধুমাত্র আমি ডিসার্ভ করি তোমাকে।’

কথাটা বলেই আদিত্যকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে জিয়া চলে যায়। কোয়েল আদিত্যের কাছে এগিয়ে গিয়ে বলে,

‘নাও, আবার একটা ঝামেলা।’

‘এই মেয়েটাকে নিয়ে যে আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারিনা।’

‘ছেড়ে দাও। সব ঝামেলার শেষ।’

‘পারছি আর কোথায় ছাড়তে? আর মনেও হয়না পারবো বলে।’

‘মান..??

কোয়েলের প্রশ্ন শোনার আগেই আদিত্য চলে গেলেন। আমি কোয়েলের কাছে এগিয়ে গিয়ে বললাম,

‘বাদ দে। ওনাদের ব্যাপার ওনারা বুঝে নেবেন।’

‘তাই বলে জিয়া তোকে এভাবে সবসময় অপমান করবে সেটা তো হতে পারে না তাই না?’

‘বেকার ঝামেলা করিস না। আস্তে আস্তে হয়তো সবটা ঠিক হয়ে যাবে। আজকে উনি যেভাবে জিয়াকে অপমান করেছেন তাতে ওর এমন রিয়াকট করাটা স্বাভাবিক।’

বর্তমান সময়ে,

জিয়া আদিত্যকে ছেড়ে ওনার দিকে তাকিয়ে বললো,

‘কেন এতটা প্রটেক্টিভ তুমি ওদের জন্য? কই আমার জন্য তো এরকম রিয়াকট করো না কোনো সময়। শুধু অপমান করো আর দূরে সরিয়ে দাও আমায়।’

‘জিয়া এসব কথা পরে হবে। এখন তুই বাড়ি চল, কে বলেছিল এভাবে ড্রিংক করতে?’

‘তোমার জন্য করেছি। তুমি আমাকে অনেক অনেক হার্ট করেছো আজকে ওই মিডল ক্লাস মেয়েটার জন্য।’

‘ওকে ফাইন তুই চল এখন।’

‘নোও! আগে বলো তুমি আমাকে ভালোবাসো? তা নাহলে আমি কোথাও যাবো না। কিছুতেই না, আজকে তোমাকে বলতেই হবে।’

জিয়ার কথা শুনে আমার মনটা কৌতূহলে ভরে উঠলো। আমার মনও হয়তো আদিত্যের উত্তরের অপেক্ষা করছে।

‘ইয়াহ, আই লাভ ইউ!’

আদিত্যের কথা শুনে আমি দু-কদম পিছিয়ে এলাম। যেই দেয়ালটার আড়ালে ছিলাম সেখান থেকে ভুলবশত বেরিয়ে এলাম যার ফলে জিয়া আমাকে দেখে ফেললো। ও আদিত্যকে ছেড়ে আমার দিকে এগোতেই আদিত্য আমায় দেখতে পেলেন। জিয়া আমাকে এসে বললো,

‘খুব ভালো হয়েছে তুমি এখানে এসেছো। শুনেছো আদি কি বললো? হি লাভস মি! অনলি মি। তাই ওর থেকে দূরে থাকো ওকেই?’

জিয়ার কথার উত্তর না দিলে জিয়া পিছিয়ে গিয়ে একবার আমার দিকে তাকিয়ে বললো,

‘হেই আদি, ওর দিকে একবার তাকিয়ে দেখো। ওর ড্রেস আপটা একবার দেখো জাস্ট! ফ্রেশারস পার্টিতে বেহেনজিদের মতো চুড়িদার পরে এসেছে তাও সস্তার। ওহ মাই গড! এরকম একটা ক্ষ্যাত মেয়ে তোমাকে ডিজার্ভই করে না ব..বুঝলে? তোমাকে শুধু আমি.. আমি ডিজার্ভ ক..

কথা শেষ করার আগেই জিয়া পরে যেতে নেয় আর আদিত্য ওকে ধরে ফেলে। এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে জিয়াকে কোলে তুলে নেন আদিত্য, আর চলে যান। এতক্ষন নিজেকে সামলে রাখতে পারলেও আর পারিনি নিজেকে সামলে রাখতে। দু-হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠি। কাঁদতে কাঁদতে ওখানে বসে পড়ি। ফোনের রিংটোনে ঘোর কাটলে দেখি কোয়েল কল করেছে। কল কেটে দিয়ে উঠে বেরিয়ে যাই ভার্সিটি থেকে, গন্তব্য কোথায়? জানা নেই।

[#ফিরে_আসবো_আগামী_পর্বে 🥀]

বি:দ্র: আমি কিন্তু তেমন রেসপন্স পাচ্ছি না পাঠকগণ। নতুন গল্প নিয়মিত দেওয়ার পরও এমন অবস্থা কেন? কেমন লাগছে, সবার মন্তব্য চাই কিন্তু।

আইডি- কোয়েল ব্যানার্জী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here