অনুভবে আজো তুমি🍁🍁 পর্ব-২৭

0
230

#অনুভবে_আজো_তুমি🍁🍁
ফাবিহা নওশীন
পর্ব-২৭

ফায়াজ পাগলের মতো এলোমেলো ভাবে গাড়ি চালাচ্ছে।কোথায় যাচ্ছে নিজেও জানেনা।শুধু জানে যেতে হবে।চোখের পানি শুকিয়ে গেছে।গালে শুকনো পানির দাগ বসে আছে।হটাৎ নিরিবিলি জায়গায় গাড়ি থামলো।রাস্তার দুপাশে অসংখ্য গাছ।মানুষ নেই বললেই চলে।ফায়াজ গাড়ি থেকে নেমে মাটিতে বসে জোরে চিতকার করলো,,

–মেহেরররররর,,,,!!
তুমি আমাকে ক্ষমা করোনা।কোনোদিন ক্ষমা করোনা।শুধু ফিরে এসো।ফিরে এসো প্লিজ।ফিরে এসে আমাকে শাস্তি দেও।আমি তোমার সাথে অনেক অন্যায় করেছি।অনেক।তোমাকে ভালোতো বেসেছি কিন্তু বিশ্বাস করিনি।বিশ্বাস করেছি ওই বিশ্বাসঘাতক বন্ধুদের।তুমি কতবার বলেছো,কতবার কেদেছো।বারবার মিনতি করেছো।আমি কেন শুনি নি।
দুহাত দিয়ে মাটিতে আঘাত করছে।

আমি নিজের কষ্ট নিয়ে এতটাই অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম যে তোমার কষ্টতা বুঝতে চাইনি।তোমাকে বুঝতে চাইনি।তুমি কতটা কষ্টে ছিলে দেখতে চাইনি।আমি কি করে এতটা স্বার্থপর হতে পারলাম।কি করে??
হে খোদা তুমি আমার মেহেরকে সুস্থ করে দেও।সারাজীবন শুধু এটাই ভেবেছি আমি যেটা চাই সেটা আমার।আমি পাবোই কিন্তু সব কিছুর মালিক তো তুমি।তুমি না চাইলে কি করে পাবো।তুমি ওকে ফিরিয়ে দেও।আমি আর কিছু চাইনা।

ফায়াজ কাউকে ফোন করলো।তারপর এক জায়গায় গেলো।সেখানে তিনজন ছেলে অপেক্ষা করছিলো।ফায়াজ ওদের দেখেই আরো রেগে গেলো।ওর মাথায় খুন চেপে গেলো।গিয়ে সব কয়টাকে ইচ্ছেমতো মারধর করলো কিন্তু ওরা কেউ বিপরীতে আঘাত করেনি।বরং ওকে থামানোর চেষ্টা করেছে।
–ফায়াজ কি করছিস?মাথা খারাপ হয়ে গেছে??
–হ্যা।মাথা খারাপ হয়ে গেছে।তোদের মতো বন্ধু থাকলে কেউ সুস্থ থাকতে পারে না।

এই তিনজন হলো জিসান,ইমরুল, শিশির।
–তোরা আমাকে মিথ্যা বলেছিস।আমি তোদের বিশ্বাস করে ঠকে গেছি।তোরা আমার ছেলেবেলার ফ্রেন্ডস।তোদেরকে আমি নিজের চেয়েও বেশি বিশ্বাস করতাম আর তোরা আমার বিশ্বাস নিয়ে এভাবে খেলতে পারলি?কেন এমন করলি?

জিসান অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো,
–কি করেছি আমরা?

–কি করেছিস?আমার জীবন ধ্বংস করে দিয়েছিস।আমাকে মেহেরের নামে মিথ্যা বলেছিস।তোদের আমি বলেছিলাম ঠিকঠাক খোজ নিতে।তোরা ঠিকমতো খোজ না নিয়েই মেহেরের নামে মিথ্যা বলেছিস।সারাক্ষণ আমার কানে ওর নামে বিষ ঢেলেছিস।

ওরা সবাই মাথা নিচু করে আছে।
,–কি হলো উত্তর দে?চুপ করে আছিস কেন?তোরা যদি সেদিন আমাকে ভুলভাল খবর না দিতি তাহলে আমার জীবনটা এমন হতোনা।এভাবে ধ্বংস হয়ে যেতোনা।তোরা বন্ধু নামের কলংক।মেয়েটা আমাকে কতবার বলেছে বিশ্বাস করিনি।তোদের করেছি।

শিশির বললো
–আমরা জানতে পেরেছিলাম মেহেরের বিয়ে হয়ে গেছে।আমরা ভেবেছিলাম বিয়ে যখন হয়ে গেছে তখন আর খোজ নিয়ে কি হবে।এত কিছু যে হয়ে যাবে বুঝতে পারিনি।বিশ্বাস কর।তাই আমরা নিজেদের মতো করে তোকে সব বলেছি।আমরা ভেবেছিলাম তুই এসব শুনলে তাড়াতাড়ি ওকে ভুলতে পারবি।আমরা তোর ভালোই চেয়েছিলাম।

–এত ভালো চেয়েছিস যে আজ মেহের মরতে বসেছে?
সবাই একসাথে,,, কি!!!!

–হুম।আমি না জেনে মেয়েটার উপর কি টর্চারটাই না করেছি।সহ্য করতে না পেরে সুসাইট করে হসপিটালে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে।
ফায়াজ কিছুক্ষণ থেমে চোখ মুখ শক্ত করে বললো,
–আমার মেহেরের যদি কিছু হয়,তবে আমি তোদের একটাকেউ ছাড়বোনা।পুতে ফেলবো।

ইমরুল বললো,ফায়াজ ওর কিছু হবেনা।তুই ওর কাছে যা।

ফায়াজ হসপিটালে এসে দেখে মেহেরের আম্মু,আব্বু আর কিছু আত্মীয় স্বজনরা এসেছে।মেহেরের আম্মু কেদেই চলেছে।মেহেরের আব্বু তাকে শান্তনা দিচ্ছে।মিহু কেমন পাথরের মতো হয়ে আছে।মেহেরের ফুপি ফায়াজকে দেখেই তেরে আসে।নানান কথা বলে।কিন্তু ফায়াজের কানে কিছুই ঢুকছেনা।আহিল ফায়াজকে সরিয়ে নিয়ে যায়।
এক জায়গায় বসিয়ে দেয়।
–ভাই প্লিজ ভেঙে পড়বেন না।ওদের কথায় কিছু মনে করবেন না।আসলে এমন অবস্থায় ওরা তো বলবেই,,
ফায়াজ আহিলকে জড়িয়ে কেদে দিলো।কেদে কেদে বললো,
–আমি কাউকে,কারো কথার কোনো পরোয়া করছিনা।আমি শুধু মেহেরকে সুস্থ দেখতে চাই।আর কিছু চাইনা।

প্রায় ৩ঘন্টা পর ডাক্তার এসে বললো,
পয়জন সাকসেসফুলি ওয়াশ করা হয়েছে এখনো জ্ঞান ফিরেনি।কেবিনে শিফট করা হলে দেখতে পাবেন।
সবার মুখে হাসি ফুটলো।মিহু খুশিতে আবারো কেদে দিলো।আহিল ওকে শান্তনা দিচ্ছে।ফায়াজ চোখের পানি মুছছে।আহিল এসে ফায়াজের কাধে হাত রেখে বললো,
–ভাই শুকরিয়া করেন।আপু ঠিক আছে।

জ্ঞান ফিরার পর একে একে সবাই মেহেরকে দেখে এলো।মেহের কারো সাথে কোনো রুপ কথা বলেনি।চুপ করে আছে।হয়তো বেচে গেছে এটা মানতে পারছেনা।তাই কেউ ওকে অতটা ঘাটেনি।মিহু ফায়াজকে এসে বললো,
–আপনি প্লিজ আপির সামনে যাবেন না।আমরা চাইনা আপি এই অবস্থায় আপনাকে দেখে কোনোরোপ রিয়েক্ট করুক।

ফায়াজ ঠান্ডা গলায় বলল,
–চিন্তা করোনা।আমি ওর সামনে যাবোনা।

–আপিকে রিলিজ করলে আমাদের বাসায় নিয়ে যাবো।আপনার বাসায় না।
ফায়াজ কিছু বললো না।ভিতর থেকে একটা চাপা নিশ্বাস বেরিয়ে এলো।কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো,
–আমি ওকে দূর থেকে দেখেই চলে যাবো।
ফায়াজ মেহেরের কেবিনের দরজার সামনে গিয়ে দাড়ালো।
মেহের ঘুমিয়ে আছে।ঘুমের মাঝে দীর্ঘ করে শ্বাস নিচ্ছে।মুখটা কেমন শুকিয়ে গেছে।ফায়াজ আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেনা।
হসপিটাল থেকে বেরিয়ে গেলো।বাসায় যেতেই ফোন বেজে উঠলো।ওর মম ফোন করেছে।ফায়াজ বুঝতে পারছে কেন তিনি এসময়ে ফোন করছেন।ফোন তুলার ইচ্ছে কিংবা মানসিকতা কোনোটাই এখন ফায়াজের নেই।
ফোনটা সোফায় রেখে রুমের দিকে পা বাড়ালো।বিছানার পাশে এখনো কফির মগ পড়ে আছে।ফায়াজ মগটা হাতে নিলো।আর বিরবির করে বললো,
–যে কফিতে বিষ মিশানোর মিথ্যা অপবাদে তোমাকে কফি খাওয়াতাম তুমি সত্যি সত্যিই সে কফিতে বিষ মিশালে।মিশিয়েছিলে আমাকে কেন খাওয়ালে না।খেয়ে একটু শান্তি পেতাম।
ফায়াজের বুকের ভিতর জ্বলে যাচ্ছে।বারান্দায় গিয়ে সিগারেট ধরালো।ধোঁয়া উড়াচ্ছে।

মেহের চোখ খোলে মাঝবয়সী একজন নার্সকে দেখতে পেলো।ওর খুব ফায়াজের কথা জানতে ইচ্ছে করছে।জিজ্ঞেস করবে না করবে না করেও অভিমান জমিয়ে রাখতে পারেনি।
–শুনুন।
নার্স একগাল হাসি দিয়ে বললো,
–হ্যা,বলুন।
–আমার হাসব্যান্ড কোথায় বলতে পারবেন?উনি কি এসেছিলো?
–না,ওনি ভিতরে আসেননি।হয়তো উনার উপর আপনার বাড়ির মানুষ রেগে আছে।তাই আপনার সাথে দেখা করতে দেন নি।
–ওহহ,
–কিছু না মনে করলে একটা প্রশ্ন করবো?
মেহের আমতা আমতা করে বলল,
–হ্যা,,,বলুন,,।
–আপনার হাসব্যান্ড কি আপনার সুসাইটের জন্য দায়ি?
–নাহ,,
–আমিও তাই ভাবছি।উনি পুরোটা সময় যেভাবে কাদছিলেন।তাতে,,,
তাহলে উনার উপর সবাই রাগ করছিলো কেন?
–জানিনা।
–আপনি কি উনার সাথে দেখা করতে চান?
–নাহ।
বলেই মেহের চোখ বন্ধ করে নিলো।ওর আর কথা বলতে ইচ্ছে করছেনা।

গভীর রাত ফায়াজ মদের বোতল থেকে মদ ঢালছে আর চুমুক দিচ্ছে কিন্তু কিছুতেই ওর নেশা হচ্ছেনা।পুরো ঘর শূন্য শূন্য লাগছে।ওর এখন মেহেরকে প্রয়োজন।ফায়াজ বোতল রাখে উঠে দাড়ালো।মেহেরের কাছে যেতে হবে।
এই অবস্থায় ড্রাইভ করা ঠিক হবে না যেনেও নিজেই গাড়ি চালিয়ে হসপিটালে পৌছে গেলো।চারদিকে সুনসান নীরবতা।অনেক রাত হয়েছে তাই হয়তো এই ব্যস্ত হসপিটালেও নীরবতা নেমে এসেছে।মাঝে মাঝে বাচ্চাদের কান্নার শব্দ ভেসে আসছে।ফায়াজ মেহেরের কেবিনে ঢুকে দেখে মেহের ঘুমিয়ে আছে।পাশের সোফায় নার্স ঘুমিয়ে আছে।ফায়াজ গিয়ে মেহেরের পাশে বসে।তারপর ওর দিকে কিছুক্ষন অপলক চেয়ে থাকলো।

ওর মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল,
–তুমি ছাড়া ও-বাড়িটায় আমি থাকতে পারছিনা।শূন্য শূন্য লাগছে।তবে আমি এই শূন্যতা নিয়েই থাকবো।এটা আমার শাস্তি।শুধুমাত্র এইটুক শাস্তি নয়,,আমি কঠিন থেকে কঠিন শাস্তি প্রাপ্য।তুমি সুস্থ হও।তারপর তুমি আমাকে যে শাস্তি দিবে আমি মেনে নিবো।আমি তোমার সাথে অনেক অন্যায় করেছি যা ক্ষমার অযোগ্য।আমাকে তুমি ক্ষমা করোনা।কখনো ক্ষমা করোনা।
ফায়াজ মেহেরের কপালে চুমু খেয়ে বললো,ভালোবাসি।
চোখ মুছতে মুছতে উঠে চলে গেলো।মেহের চোখ খোলে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদছে।আর অস্ফুট স্বরে বলে,
ফায়াজ,,,।

ফায়াজ রোজ মেহেরের আড়ালে মেহেরকে দেখে যায়।সামনে আসেনা।
আজকে মেহেরকে হসপিটাল থেকে ছেড়ে দিচ্ছে।মেহেরের চোখ ফায়াজকে খোজছে।মেহের গাড়িতে উঠে বসেছে।ফায়াজ দূর থেকে মেহেরকে দেখছে।মেহের একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সবার সাথে বাসার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

মেহের নিজের রুমে বসে আছে।কারো সাথে প্রয়োজন ছাড়া কথা বলেনা।মিহুকে আগেই বলে দিয়েছে ও যেন ফায়াজের ব্যাপারে কাউকে কিছু না বলে।তাই বাসার কাউকে কিছু বলেনি।তবে এটুকু সবাই বুঝতে পারছে ফায়াজের সাথে কোনো সমস্যা হয়েছে তাই মেহের এমন একটা ঘটনা ঘটিয়েছে।কেউ ওকে কিছু জিজ্ঞেস পর্যন্ত করছেনা।

ফায়াজ মেহেরের বাসার ড্রয়িং রুমে বসে আছে।
–দেখো ফায়াজ,আমি জানিনা তোমাদের মধ্যে কি হয়েছে?তবে এটুকু অবশ্যই বুঝতে পারছি গুরুতর কিছু হয়েছে তাই মেহের এমন একটা ডিসিশন নিয়েছে।আমি মেয়েটাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি।সব সময় নিজের সিদ্ধান্ত ওর উপর চাপিয়ে দিয়েছি।কিন্তু আর না।এবার সিদ্ধান্ত যা নেওয়ার মেহের নিবে,যা চাইবে তাই হবে।আমি ওকে জোর করবোনা।সেটা তোমার সাথে দেখা করা হোক কিংবা তোমার সাথে যাবে কিনা সেটা হোক।
মেহেরের আব্বু ফায়াজকে বলল।

মেহেরের আম্মু ঠান্ডা গলায় বলল,
–বাবা,ওকে একটু সময় দেও।একটু নরমাল হোক তারপর না হয়,,,

–আর তাছাড়া আপি এই এক সপ্তাহে আপনার কথা একবারের জন্যেও বলেনি।আপনি প্লিজ আপিকে আপির মতো থাকতে দিন।আপনি আমাদের জন্য অনেক করেছেন এজন্য আমরা আপনার কাছে কৃতজ্ঞ কিন্তু আপির ব্যাপারে কোনো কম্প্রোমাইজ করতে পারবোনা।আপনার আপির সাথে দেখা হবেনা।

ফায়াজ দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বাইরের দিকে হাটা ধরলো।ও চাইলেই মেহেরের সঙ্গে অন্য ভাবে দেখা করতে পারে কিন্তু ফায়াজ কোনোরুপ বেয়াদবি করতে চায়না।
ফায়াজ নিজের গাড়িতে উঠে চলে গেলো।মেহের জানলার পর্দার ফাক দিয়ে ফায়াজের যাওয়া দেখছে।

ফায়াজ হেলেদুলে আনমনে বাসায় ঢুকছে।লিভিং রুমের দিকে চেয়ে থ,,,।
ওর বাবা,মম আর বোন ফাইজা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।ফায়াজকে দেখেই সবার তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে।(মেহেরের আব্বু সব ফোন করে জানিয়েছে।)ফায়াজকে দেখেই বাবা এগিয়ে এলো।
–তুমি ফোন তুলছিলে না কেন?সমস্যা কি তোমার?তোমাকে নিজের ছেলে ভাবতেও লজ্জা হয়।আর কত অশান্তি করবে?কত ছোট হতে হবে তোমার জন্য?

ফায়াজের মম এগিয়ে এসে বললো,
–তুমি কি চাও?তোমাকে আমি বারবার বুঝিয়ে গেছি তোমার যদি ওকে পছন্দ না থাকতো তাহলে বিয়ের কথা কেন বলেছিলে?সংসার যখন করবেইনা তবে কেন বিয়ে করেছিলে?কি করেছো তুমি ওর সাথে?কেন মেয়েটা এমন একটা ডিসিশন নিলো?উত্তর দেও চুপ করে থেকোনা।

ফায়াজ হাটু গেড়ে বসে পড়লো।তারপর দুহাত চেপে কান্না করছে।

ফায়াজের মম কঠোর ভাবে বললো, এখন কেন কাদছো?এভাবে কোনো মেয়ের জীবন ধ্বংস করার অধিকার নেই তোমার।
বাবা মার এমন কঠোরতার মাঝে নিজেকে এলিয়েন মনে হচ্ছে ফাইজার।ভাইয়ের দিকে এগিয়ে গিয়ে বললো,
–মম,পাপা প্লিজ চুপ করো।
ফাইজা গিয়ে ভাইয়ের পাশে বসে পড়লো।ফায়াজের মা-বাবা দুজনই স্থান ত্যাগ করলো।
–ভাইয়া,চুপ কর।তুই কাদছিস কেন?আমাকে বল,,কি হয়েছে?
–আই ওয়ান্ট মেহের।আই জাস্ট ওয়ান্ট হার।আই কান্ট লিভ উইথআউট হার।
কথাটা বলেই ফায়াজ বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো।
ফাইজা অবাক হয়ে ভাইয়ের যাওয়া দেখছে আর ভাবছে এটা কি শুনলাম,,,,

চলবে,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here