হিংস্র_ভালোবাসা🌹 #Season_2 #Writter_Farhana_Chobi #পর্ব-৫২

0
906

#হিংস্র_ভালোবাসা🌹
#Season_2
#Writter_Farhana_Chobi
#পর্ব-৫২
🌿
🌺
🌿
ফারহা জেরিন ফাহিম মোহনা আশিকুর কে রেখে বাড়ির উদ্দ্যশ্যে বেরিয়ে পরে ….. বাড়িতে ঢুকে ফারহা আদিল কে সুস্থ স্বাভাবিক দেখে ফারহা ছুটে আদিল কে জরিয়ে ধরে বলে…..

—“” আদিল তুই ঠিক আছিস??”(জরিয়ে ধরে বললো ফারহা)

—“” আরে আপু এতো হাইপার হচ্ছিস কেন দেখ আমি একদম ঠিক আছি ,,, কিন্তু তুই ,,,,আর বলতে পারলো না আদিল কারন তার আগে ফারহা জ্ঞান হারিয়ে ফেললো ,,,, আদিল ফারহা কে এভাবে জ্ঞান হারাতে দেখে আদিল ভয় পেয়ে আপপপপপপু বলে চিৎকার করে ওঠে………….
.
🌺
.
আদিল জ্যাক আসলাম মিহু আফিফ ফারহার বেডের পাশে দারিয়ে আছে … ডক্টর ফারহার চেকয়াপ করছে…. আদিল মিহুর হাত চেপে ধরে আছে … ছল ছল চোখে ফারহার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে আদিল…. মিহু আদিলের চোখে মুখে ফারহা কে হারানোর ভয় স্পষ্ট …. মিহু আদিল কে ভরষা দিতে অন্য হাত দিয়ে আদিলের হাত শক্ত করে ধরে চোখের ইশারায় বলে সব ঠিক হয়ে যাবে…..

—“” ডক্টর বনু সেন্সলেস হয়ে গেল কেন???””(আসলাম)

—“”” উনি মানুষিক চাপ আর দুর্বলতার জন্য এমন টা হয়েছে,,, আমি কিছু মেডেসিনের নাম লিখে দিচ্ছি আপনি এগুলো আনিয়ে নিয়ে ওনাকে খাইয়ে দিবেন আর একটা কথা ওনার এই প্রেগন্সির সময় এতোটা মানুষিক চাপ নেওয়াটা ওনার আর বাচ্চার জন্য ডেন্জারাস হতে পারে … আপনারা খেয়াল রাখবেন উনি যেন হাসি খুশি থাকে আর ঠিক মতো খাবার খায়….””(ডক্টর)

—“” ইয়েস ডক্টর আমরা ভাবির আর বেবির খেয়াল রাখবো ..তবে ভাবির এখনো জ্ঞান ফিরছে না কেন???””(মিহু)

—“” কিছুক্ষণের মধ্যে জ্ঞান ফিরে আসবে আপনারা টেনশন করবেন না..””(ডক্টর)

—“” আপনি (ডক্টর কে উদ্দেশ্যে করে ) আপনি আমার সাথে আসুন আর প্রেসক্রিপ্‌শন টা আমাকে দিন আমি মেডিসেন নিয়ে আসছি…””(জ্যাক)

—“” ওকে চলুন””

জ্যাক ডক্টর কে নিয়ে বেরিয়ে যায়,,, আসলাম আফিফ আদিল মিহু রুম থেকে বেরিয়ে আসে যাতে ফারহা কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিতে পারে…

—“” আদিল আপনি ভাবির পাশে গিয়ে বসুন আমি ভাবির জন্য চিকেন স্টু বানিয়ে নিয়ে আসছি… “”(মিহু)

—“” হ্যা আপু কে এই সময় একদম একা রাখা যাবে না,,, ঝাসিকা রানী জ্ঞান ফিরে আসার সাথে সাথে না যুদ্ধ শুরু করে দেয়…”””

—“” হ্যা ঠিক বলেছো ,,, যেমন আমার ভাইয়া কিং তেমন ভাবি তার কুইন মেইড ফর ইচ আদার …””(মিহু)

–“” রাইট ,, আচ্ছা আমি আপুর কাছে যাচ্ছি তুমি খাবার টা রেডি করে নিয়ে আসো…”””

আদিল ফারহার রুমে যেতে মিহু লাগাতার মেঘ কে ফোন কল করতে থাকে কিন্তু প্রতিবারি ফোন অফ পাচ্ছে…. মিহু মেঘ কে একটা মেসেজ সেন্ড করে কিচেনে চলে গেল…..

🌿
🌺
🌿

—“” ওয়েলকাম মিস্টার আগুন খান ,,, আপনাকে স্বাগত জানানোর জন্য আমি অপেক্ষা করছি…””(সামিরা)

—“” তুমি এখানে?? আমার ফ্লাটে কি করছো আর চাবি পেলে কোথায়???””(আগুন)

আগুন প্রথমে চেয়েছিল নিজের বড় বাড়িটায় যাবে কিন্তু সামিরার মখোমুখি হতে চাই না বলে নিজের অন্য ফ্লাটে চলে আসে ,,, কিন্তু এখানে সামিরা কে দেখে আগুন বেশ অবাক হয়ে যায়…..

—“” ওহহ আগুন মেরি জান তুমি আমাকে জ্বিগাসা করছো আমি কি করে তোমার ফ্লাটে এলাম সিলি কোশ্চেন জান,,,,তুমি জানো জান তুমি যখন আমেরিকা থেকে বিডির মাটিতে পা রাখো তখন থেকে তোমার সব খবরা খবর আমি রাখছি ,,, আর পরে রইল ফ্লাটে ঢোকার তাহলে এই দেখো ,,,,মাস্টার কি বের করে আগুনের সামনে রাখলো সামিরা….

—“”” ওহ তার মানে তুমি ডুব্লিকেট কি দিয়ে ফ্লাটে ঢুকেছো নাইস,,,, বাট তোমার এখানে আসার কারন টা কি জানতে পারি…”””(আগুন)

আগুনের এমন গা ছাড়া কথা শুনে সামিরা সারা শরীলে যেন কেউ আগুন ধরিয়ে দিলো … সামিরা কোমর থেকে গান বের করে সোজা আগুনের কপালে তাক করলো …. আগুন প্রথমে ঘাবড়ে গেলে ও পরে কি যেন ভেবে মুচকি হেসে সামিরার গান ধরা হাত টা শক্ত করে নিজের কপালের মাঝ বরাবর ধরে বলে……

—“”” শুট মি বেবি যাস্ট শুট মি…””(টেডি স্মাইল দিয়ে সামিরা কে বললো আগুন)

—“”” আর ইউ আউট অফ মাইন্ড ,,, গানের সামনে দারিয়ে আছো ,, মার হাতের একটা ফ্রিগার টিপলে যেখানে মুহূর্তে তোমার মৃত দেহ মাটিতে লুটিয়ে পরবে সেখানে তুমি আমাকে টেডি স্মাইল দিয়ে শুট করতে বলছো ,,, আই কান্ট বিলিভ দিস…””(সামিরা)

—“”” বিলিভ তো তোমাকে করতেই হবে বেবি ,,, আমি তোমার হাতেই মরতে চাই ,,, তাই বলছি শুট করো লেট করো না…””(আগুন)

সামিরা আগুন কে মৃত্যুর ভয় দেখাতে গিয়ে যেন নিজেই নিজের জালে আটকে গেল…. সামিরা আগুনের হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে গান টা আবার কোমরে গুজে নিলো…..

—“” জান আমি চাইলেও তোমাকে নিজ হাতে শুট করতে পরবো না কারন তুমি আমার জান তোমাকে আমি ভালোবাসি আর যাকে ভালোবাসি তাকে কি করে আমি নিজ হাতে খুন করি বলো..??””(সামিরা)

—“” বাট আই ক্যান ডু ইট সামিরা খান্না যাষ্ট ওয়েট এন্ড ওয়াচ…””(মনে মনে বললো আগুন)

“”সামিরা আমি ফারহা কে ভুলে যেতে চাই ,,, তুমি কি ফারহা কে ভুলতে আমাকে হেল্প করবে???”

আগুনের কথা শুনে সামিরা যেন হাতে চাঁদ পেল…. খুশিতে গদগদ হয়ে সামিরা আগুন কে জরিয়ে ধরে…..

—“” আই লাভ ইউ জান ,,, ট্রাস্ট মি আমি তোমার মন থেকে ফারহার নাম টা চিরদিনের জন্য মুছে ফেলবো…. তোমাকে কখনো কষ্ট পেতে দিবো না আমি….””(আগুন কে জরিয়ে ধরে বলতে লাগলো সামিরা)

—“” Thank you So Much বেবি আই নো দ্যাট তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিবে না কখনো….(এবার তুমি বুজবে মিস সামিরা খান্না বিশ্বাস ঘাতকতা একটা মানুষ কে কতোটা কষ্ট দেয় কি ভাবে তিলে তিলে মরতে হয়!!!””(আগুন মনে মনে কথা গুলো বলে মুখে এক রহস্যময় হাসি ফুটে উঠল )

🌿
🌺
🌿

রাত দুটোয় মেঘ প্লেন থেকে নেমে ফোন অন করে… সাথে সাথে মিহুর জ্যাক আসলামের ২০০+ মিসড কল ভেষে উঠলো … এতো গুলো মিসড কল দেখে মেঘের মনের কোনে ভয়ের সৃষ্টি হয় মেঘ মিহুর নাম্বারে ডায়াল করতে যাবে ঠিক সে সময় মিহুর মেসেজ টা ফোনের স্কিনে ভেষে ওঠে … ফারহার উপর রাগ অভিমান মুহূর্তে যেন সব হাওয়ায় মিলিয়ে গেল…… মেঘ মেসেজ টা দেখে আর এক মুহূর্ত দেরি না করে পাগলের মতো গাড়ি ড্রাইব করে দু ঘন্টার রাস্তা আদ ঘন্টায় পৌছে যায় বাড়িতে …. মেঘ ভিতরে ঢুকতেই দেখে মেইন ডোর খোলা মেঘ ভিতরে ঢুকতে ড্রইং রুমে আদিল মিহু আর আফিফ কে দেখতে পেয়ে মেঘ মিহুর কাছে ছুটে যায় …..

—“” মিহু প্রেয়শী কোথায় ?? ও কেমন আছে এখন ??? কি হলো বল বেবির কোন ক্ষতি হয়নি তো???””(এক নিশ্বাসে মেঘ কথা গুলো বলতে লাগলো)

—“” কাম ডাউন ভাই ,, ভাবি এখন ঠিক আছে ,,, রুমে যাও ভাবি রুমে শুয়ে আছে…আমি তোমার আর ভাবির জন্য খাবার রেডি করছি তুমি আর ভাবি খেয়ে নিও…””(মিহু)

—“” প্রেয়শী খেয়ে নিবে মানে ও এই অবস্তায় এতো রাত পর্যন্ত না খেয়ে আছে !! এতোটা রেসপন্সিবল তুই ??,,, (রেগে বললো মেঘ)

মেঘের কথা শুনে মিহুর মন খারাপ হয়ে গেল ,,, ভাই ভাবলো কি করে এতো রাত পর্যন্ত আমি ভাবিকে না খাইয়ে রাখবো..?? এটা ভেবেই মিহুর চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পরতে লাগলো…. আদিল এতোক্ষন মেঘ মিহুর কথা শুনছিল কিন্তু যখন দেখলো মিহুর চোখে পানি তখন আর আদিল চুপ করে থাকতে পারলো না……

—“” সরি জিজু আপনাদের ভাই বোনের মধ্যে কথা বলার জন্য,,, জিজু মিহু আপু কে রাতে খাবার খাইয়ে মেডিসেন নিজের হাতে খাইয়ে দিয়ে ঘুম পারিয়ে দিয়েছে ,,, আর এখন আবার আপু কে খেতে বললো কারন ডক্টর বলেছে আপুর শরীল অনেক দূর্বল ঠিক মতো খেতে বলেছে তাই মিহু আপনার দ্বারা আপু কে আবার খাওয়াতে চেয়েছিল দ্যাট’স ইট … বাট আপনি তো কিছু না বুঝেই ওকে বকা ঝকা করলেন…””(আদিল)

– আদিলের কথা শুনে মেঘের মন খারাপ হয়ে গেল যে বোন কে ছোট বেলা থেকে কখন মারা তো দুরে থাক বাজে কথা বলেনি আজ বিনা দোষে কতো গুলো কথা শুনিয়ে দিলো ভাবতে মেঘের মন টা ভেঙে গেল….

—“”” মিহু ..আ’ম স..বাকি টা বলতে পারলো না তার আগে মিহু বলে উঠলো ….

—“” ইট’স ওকে ভাইয়া ,,, আমি বুজতে পারছি তোমার মনের অবস্তা তুমি রুমে গিয়ে ফ্রেস হয়ে নেও আমি রুমে খাবার নিয়ে আসছি,,,,”””

-মিহুর কথা শুনে মেঘ মিহু কে জরিয়ে ধরে কপালে চুমু দিয়ে বলে….””” সরি বোন ,,,মাফ করে দে তোর ভাইয়া কে ,,আমি আর কখন তোকে বকবো না ,,,”””

—“” হয়েছে আর ইমোশনাল হতে হবে না ,,, শোন ভাইয়া রুমে গিয়ে আগে ফ্রেস হবে তারপর ভাবিকে টার্চ করবে তার আগে না ,,, আর আমাকে ও ছাড়ো বাইরে থেকে এসেছো না জানি কতো জাম্স নিয়ে এসেছো যাও ফ্রেস হয়ে আসো…”” কোমরে হাত দিয়ে বলতে লাগলো মিহু ,,, মিহুর এমন পাকা পাকা কথা শুনে মেঘ আদিল হু হা করে হাসিতে ফেটে পরে … মিহু ওদের হাসি দেখে রাগে গজ গজ করতে করতে কিচেনে চলে যায় খাবার গরম করতে…….. মেঘ হাসতে হাসতে রুমের দিকে এগিয়ে যায়….. আর আদিল… প্রত্যেকটা মুহূর্ত মিহুর দিকে মুগ্ধতার দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে……..

🍂
🌺
🍂

মেঘ রুমে ঢুকে শু খুলে সোজা ওয়াসরুমে ঢুকে যায়…. শাওয়ার নিয়ে রুমে এসে টাওয়েল দিয়ে চুল মুছতে থাকে … মেঘের চুলের পানি ছিটে ফারহার মুখে পরতে ফারহা জেগে যায় ,,, চোখ মেলে মেঘ কে দেখতে পেয়ে ঘাবড়ে যায় ফারহা…. মেঘ চুল মুছতে মুছতে ফারহার দিক তাকাতে দেখে ফারহা ভয়ার্থ মুখ নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে আছে…. মেঘের মুহূর্তে মনে পরে গেল আমেরিকার কথা ,,, মেঘ চোখ মুখ শক্ত করে হাতে থাকা টাওয়েল টা বেডের উপর ছুড়ে মেরে কাবার্ড থেকে ট্রাউজার আর টি-শার্ট নিয়ে ওয়াসরুমে গিয়ে চেন্জ করে রুমে আসে ততোক্ষনে ফারহা মেঘের ভয়ে ঘুমের ভান ধরে চোখ বন্ধ করে রইল…. ফারহার চোখের পাতা নরতে দেখে মেঘ বুজতে পারলো তার প্রেয়শী ঘুমায় নি বরং তার ভয়ে ঘুমের ভান ধরে চোখ বন্ধ করে রয়েছে….. মেঘ মনে মনে ঠিককরে রেখেছে ,,, ফারহা কে আজ নয় কাল ওর থেকে সব কিছুর কৈফত চাইবে কেন এতো লুকোচুরি আমাদের মাঝে ,,, শুধু মাত্র এই লুকোচুরির জন্য কেন যেন মেঘ মনে করে তার প্রেয়শী তার থেকে দুরে সরে যাচ্ছে …….

—“” ভাইয়া আসবো??””(মিহু)

—“” হুম ,,,””

—“” খাবার রেখে যাচ্ছি ,, আর শোন ভাবি কে খাবার সবটা খাওয়াবি ……ওকে আমি যাচ্ছি আর খাওয়া হয়ে গেলে রুমে পেলেট গুলো রেখে দিস বের হতে হবে না ৷ আমি ঘুমাতে গেলাম…””(মিহু)

—“” ওকে আমার মা ,,, আপনি ঘুমাতে যান আপনার ভাবির খেয়াল আমি রাখছি,,, গুড নাইট””

–“” গুড নাইট “”

মিহু চলে যেতে মেঘ দরজা লক করে খাবার নিয়ে বেডের কাছে এসে বসে….

—“” আই নো প্রেয়শী তুমি ঘুমিয়ে নেই জেগে আছো তাই ঘুমানোর ভান না করে উঠে পরো ,,, খাবারটা খেতে হবে…””(মেঘ)

—“” না না পাগল নাকি আমি হু ,,, এখন এই সব হাবিজাবি খাবার খাওয়ার জন্য উঠবো আর উনি আমাকে বকা দিক তাই না,,?? না তা হবে না আমি উঠবো না এমন ভেটকাইয়া শুয়ে থাকমু উঠুম না…””(চোখ বন্ধ করে মনে মনে বললো ফারহা)

—“” এভাবে হবে না অন্য পথ নিতে হবে …প্রেয়শী আমি জানি তুমি জেগে আছো ,,, এখন যদি তুমি খাবার টা খেয়ে ফিনিশ না করো তাহলে সহজ শাস্তি দিতাম তা দিবো না ,,, কঠিন শাস্তি দিবো …. তাও এই মাঝরাত্রিতে ..!!!””

—“” হায় হায় কই কি রাক্ষস টা ,, সত্যি সত্যি মনে হয় আমাকে শাস্তি দিবে ,,, আর খিদেও তো ভিষন লেগেছে .. বরং উঠে পরি পরে না হয় দুটো কিসি দিয়ে রাক্ষস টার রাগ ভাঙানো যাবে…””(ফারহা)

ফারহা উঠতে যাবে ঠিক তখনি ফারহা মনে হলো কেউ ওর দু ঠোট জোড়া কামড়ে ধরেছে … ফারহা ভর্য়াথ চোখে তাকিয়ে দেখে অন্য কেউ না মেঘ ওর ঠোট জোড়া নিজের ঠোটের আয়ত্তে নিয়ে নিয়েছে………..
.
🍂
🌺
🍂
#চলবে……………………
[বিঃদ্রঃ গতকাল রাতের ছ্যাকা খাওয়া পোষ্ট টা ডেয়ার ছিলো🙄]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here