প্রেমের পাঁচফোড়ন💖 #সিজন_২ #পর্ব_৪

0
2154

প্রেমের পাঁচফোড়ন💖
#সিজন_২
#পর্ব_৪
#Writer_Afnan_Lara
🌸
ভোর ৫টা বাজে,হাতে আম গাছের পাতা নিয়ে আহানা হাঁটতেছে তাও ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে,দাঁত ঘষতে ঘষতে বাতাসে ওড়না উড়িয়ে এবার সে ফ্লাইওভারে উঠেছে
এই সময়টা হলো আহানার সময়,সে এসময়ে নিজের মন মতো করে কাটায়,৬টা বাজা পর্যন্ত
হেলেদুলে হাঁটতেছে সে,বাসার পাশে বলেই এখানে সে হাঁটতে আসে
ভোরের আলো চারিদিকে,দু একটা গাড়ী দেখা যাচ্ছে অনেকক্ষণ বাদে বাদে দেখায় যাচ্ছে দূর পাল্লার বাস,মালবাহী ট্রাক
প্রাইভেট কার খুব কমই দেখা যায়,এসময়ে কোন বড়লোকে বাসা থেকে বের হতে যাবে!
আহানা এবার ফ্লাইওভারে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করে রইলো,বড় করে একটা শ্বাস নিয়ে ভাবলো দুনিয়াটা কত সুন্দর তাই না?আর আমি কিনা মরতে চাই!
সুন্দর পৃথিবীটা দেখার সৌভাগ্য সবার থাকে না,যেমন আমার নেই তাই আমি চলে যেতে চাই
আহানা আম পাতার ঢালটা নাড়াতে নাড়াতে ভাবতেছিলো উল্টা পাল্টা সব ভাবনা
হঠাৎ ঢালটা গেলো হাত থেকে পড়ে
নিচু হয়ে আম গাছের ঢালটা হাতে নিতে যেতেই এবার হাতের আম পাতাটাই উড়ে গিয়ে রোডের মাঝখানে চলে গেলো
.
ধুর!এসব কি হচ্ছে,একটু শান্তিতে চিন্তাভাবনা করতে চাচ্ছিলাম তা আর হলো না!
আহানা বাম পাশে তাকালো একবার
না কোনো গাড়ী নেই,ডান পাশেও নেই,এক দৌড়ে পাতাটা নিয়ে চলে আসবো তারপর নিচে নেমে যাবো
আহানা ঢাল আর ওড়নাটা নিয়ে ফ্লাইওভারের কিনারায় রেখে মাঝখানের দিকে দৌড় মারলো

আমি বুঝি না সকালবেলায় কাজ কেন থাকবে,কোথায় ভাবছিলাম একটু ঘুমাবো,তারপর ঘুম থেকে উঠে ৯/১০টার দিকে অফিসে যাওয়া যাবে তা না সকাল সকাল কাজ এসে ঘাড়ে পড়লো আমার!
ক্লাইন্টটা ৭টার আগেই ফ্লাইট ধরে চলে যাবে লন্ডনে,তাই তার সুবিধামতন আমাকেও এখন এত ভোরবেলা মিটিংয়ের জন্য বের হতে হচ্ছে!!অসহ্যকর!
শান্ত একটা সফট মিউজিক প্লে করে সামনে তাকিয়ে দেখলো একটা মেয়ে রোডের মাঝখানে
চোখ বড় করে দমটম সব বন্ধ করে গাড়ী থামিয়ে ফেললো শান্ত
আহানা ভয়ের চোটে এক দৌড়ে কিনারায় চলে গেছে ততক্ষণে
আমপাতাটা আর নেওয়া হলো না তার
শান্ত গালি দিতে দিতে গাড়ী থেকে নামতেই দেখলো আহানা তড়িগড়ি করে ওড়না পরতেছে
.
আপনি!!
আপনার সমস্যা কি বলুনতো!!ঘুরে ফিরে আমার সামনেই মরতে আসেন আপনি,আসলে আমি যদি জানতাম আপনি রোডে তাহলে উপর দিয়া গাড়ী চালায় দিতাম,আপনার তো মরার অনেক শখ
.
আহানা ব্রু কুঁচকে চেয়ে আছে তারপর চোখটা হালকা বড় করে বললো”শুনুন,আমি মরতে চাইনি,আমি তো”
.
কাজের বাহানা দিবেন না একদম,আপনাকে আমি হারে হারে চিনি
.
কাজের বাহানা দিচ্ছিনা আমি,আমি আম পাতা নিতে গেসিলাম,ঐ যে আপনার গাড়ীর নিচে তাই দেখাতে পারছি না আপাতত
.
আর ইউ কিডিং উইথ মি?
.
নো!কিডিং কেন করবো,আপনি কি কিড?যে আপনার সাথে বাচ্চামো করবো
.
আপনার মতন বেয়াদব মেয়ে আমি আর দুইটা দেখিনি,আপনার তো মরে যাওয়াই উচিত
.
মরবো না,কি করবেন??জোর করে মারবেন?
.
হ্যাঁ,সেটাই করতে হবে,সবসময় আমার সামনেই মরতে আসেন আর আমি বাধ্য হয়ে আপনাকে বাঁচাতে হয়,আজ এই খোলা ফাঁকা ফ্লাইওভার থেকে ফালাই দিয়া আমার অসম্পূর্ণ কাজটা পূর্ণ করবো
শান্ত গায়ের কোর্টটা খুলে কারের ভিতর ছুঁড়ে ফেলে এগিয়ে গেলো
আহানা ভয় পেয়ে দৌড় মারতে যেতেই শান্ত ওর হাত মুঠো করে ধরে ফেললো সাথে সাথে
.
কই পালাও চান্দু!তোমার না মরার শখ??দাঁড়াও তোমার জীবন নিচ্ছি আমি
.
আমাকে তুমি বলতেছেন কেন,আদরকদর কিছু শিখেন নাই দেখছি
.
লাইক সিরিয়াসলি??ফ্লাইওভারে সাহস ছাড়া মানুষ উঠে না,আর আপনি বলছেন আপনি আম পাতার জন্য রোডের মাঝখানে এসেছেন তাও ফ্লাইওভারের উপর আর সেটা আমাকে বিশ্বাস করতে হবে!!
.
হাত ছাড়ুন,দেখুন আমি মরতে চাই না,অন্তত আপনার হাতে না
.
আপনি মরতে চান নাকি মরতে চান না তা ভালো করে জানা হয়ে গেছে আমার
আমাকে আর সার্টিফিকেট দিয়ে বুঝাতে হবে না,চলুন নিজেও একটু হালকা হোন আমি আপনাকে উঁচু করে ফ্লাইওভার থেকে ফেলতেছি
.
না একদম না,বাঁচাও!!মায়ায়ায়ায়া,!!খালায়ায়ায়ায়ায়া
.
বাবায়ায়ায়ায়ায়া এটা কইবেন না?
.
বাবা এখানে নাই,যারা আছে তাদেরই তো ডাকবো
.
শান্ত আহানাকে ফালানোর জন্য শক্ত করে ধরতেই ফোনটা বেজে উঠলো তার
তারপর আহানাকে ছেড়ে ফোন রিসিভ করলো সে
.
আমার আম পাতা!!ঢালে একটা পাতাও নেই,আম পাতা ঐ একটাই ছিল কত কষ্ট করে গাছে উঠে নিয়েছিলাম
আহানা হামাগুড়ি দিয়ে কারের নিচে উঁকি দিলো,পাতাটা চাকার সামনে আর একটু চাকারের নিচে,হাত দিয়ে টান দিলে ছিঁড়ে যাবে
.
শান্ত কথা বলা শেষ করে দেখলো আহানা কোমড় উপরে তুলে মাথা রোডে লাগিয়ে রোডে শুয়ে ওর কারের নিচে উঁকিবুকি দিয়ে যাচ্ছে
.
এই মেয়েটা!!!
সরেন এখান থেকে,আপনার জন্য আমার অফিসে লেট হয়ে গেলো
.
শুনুন না,আমার আম পাতা আপনার কারের চাকার সামনে
একটু কারটা পিছনে নেন না আমি পাতাটা নিব
.
আহা!!আপনি আমার রিলেটিভ হোন নাকি বন্ধুবান্ধব? কোনটা?
আপনার জন্য আমি এত কষ্ট কেন করবো!এমনিতেও আমার অফিসে লেট হচ্ছে বাই
সি ইউ নেভার!
.
তার মানে আপনি আমার আম পাতাটা মাড়িয়ে যাবেন?
.
দরকার হলে ঘষে রোডের সাথে মিশিয়ে তারপর যাবো
.
শান্ত কারের দরজা খুলে ভিতরে বসে সিট বেল্ট লাগাচ্ছে
আহানা মুচকি হেসে ফ্লাইওভারের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়ালো
শান্ত আহানার হাসির কারণ কি বুঝলো না
গাড়ী স্টার্ট দিয়ে জাস্ট ৬সেকেন্ড গিয়ে কারটা থেমে গেছে
টায়ার পাঞ্চারড,এতক্ষণ তো ঠিক ছিলো
শান্ত কার থেকে নামতেই দেখলো আহানা দাঁত কেলিয়ে ওর দিকে চেয়ে আছে
.
শান্ত টায়ারটা ভালো করে চেয়ে দেখলো একটা পিন আটকে আছে
.
আহানা পিছোতে পিছোতে বললো”আমপাতাটা নিতে দিলে হয়তবা আপনার টায়ার পাঞ্চার হতো না!”
.
তার মানে আপনি!!
.
আহানা এক দৌড় দিলো আর পিছনে তাকালো না
সে কারের সামনে পিনটা ছুঁড়ে মেরে ভালো মানুষের মত দাঁড়িয়ে পড়ছিল যার কারণে কার পিনের উপর দিয়ে যেতেই পিনটা টায়ারে লেগে পাঞ্চার হয়ে যায়
পিনটা দিয়ে তার জামার ছেঁড়া অংশ জোড়া তালি দিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল সে
.
এই মেয়েটা এত বেয়াদব,আমার জীবনে আমি এরকম মেয়ে দেখিনি,আজ নির্ঘাত দেরি হয়ে যাবে
শান্ত আপাতত ১০মিনিট অপেক্ষা করে একটা রিকসা নিয়ে অফিসে গেলো আর তাহসিনকে ফোন করে বললো যেন সে এসে এখান থেকে কারটা নিয়ে যায়

আহানা হাঁপাতে হাঁপাতে ফ্লাইওভার থেকে নিচে নেমে গলির দিকে গেলো,ভালো করে মুখ ধুয়ে পড়াতে আসতে হবে আবার
কিছুদূর যেতেই সামনে পড়লো রতন,এই পাড়ার এক নাম্বারের বখাটে সে
পরনে ফ্লাওয়ার ফ্রিন্টের লুঙ্গি,আর একটা পাতলা শার্ট,দাঁত কেলিয়ে সে আহানার পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখতেছে
আহানা ব্রু কুঁচকে বললো”সামনে থেকে সরবি না লাত্তি মেরে তোর এই হাড্ডি মুখ ভেঙ্গে গুড়োগুড়ো করে দিব”
.
দে না আহানা!!তোর শরীরের ছোঁয়া পাইলে আমার অনেক ভালা লাগবে,দে না দে,কলিজাটা একটু জুড়াক
.
আহানা দাঁতে দাঁত চেপে পাশ দিয়ে চলে গেলো
একটা বেয়াদব!!এরে বিয়ে করার চেয়ে আমি বরং সেদিনই মরবো!
আহানা পুকুর ঘাটে গিয়ে মুখ ধুয়ে দৌড় মারলো বাচ্চাদের পড়াতে
ওদের পড়িয়ে তারপর ভার্সিটিতে যেতে হবে
.
শান্ত মিটিংটা শেষ করে কলার টানতে টানতে চেয়ারে এসে বসতেই শুনতে পেলো নওশাদ আর রিয়াজ,সূর্য আসতেছে তেড়ে
.
স্যার উনাদের কি ভিতরে আসতে বলবো?
.
এটা জিজ্ঞেস করার কি আছে ঊষা??আসতে দাও ওদের
.
দোস্ত,গেস হোয়াট!!!
.
ঊষা কফির ব্যবস্থা করো,আমার জন্য বড় মগে দিও,,আমার মাথা ধরেছে
আর শুন নওশাদ গেস করার মুড নাই তুই বল আমি শুনি
কথাটা বলে শান্ত ল্যাপটপ টিপায় মন দিলো
.
আরেহ শুনস না,আমাদের ইউটিউব ব্লগটা একটা কন্সার্ট পার্টি দেখেছে
.
তো?
.
তো তারা তোর ভয়েস শুনে মুগ্ধ!! আজকে বিকালে যমুনা ফিউচার পার্কে যে কনসার্ট হবে সেখানে তোকে গান গাওয়ার জন্য ইনবাইট করেছে
এই দেখ আমরা তাদের সাথে কন্টাক্ট করে ইনভিটেশান কার্ড ও নিয়ে এসেছি😎
.
জি না,আমার সময় নাই,আর আমার গলা এত আহামরি না যে কনসার্টে গান গাইবো
আমার কাছে এত সময় ও নাই
.
প্লিস প্লিস রাজি হয়ে যা
তুই কনসার্টটা করলে আজকেই 200k এর মত সাবস্ক্রাইবার পেয়ে যাবো আমরা তাহলে বুঝতে পারছিস??200k প্লাস করলে আমাদের আজকেই 2M ডান হয়ে যাবে,ও মাই গড আমি তো ভাবতেই পারছি না তার উপর ১০হাজার টাকার চেক এডভান্স করেছে তারা
টাকাটা সামান্য আমাদের কাছে বাট মজা হবে এটাই অনেক,প্লিস শান্ত রাজি হ
.
না,বের হও এখান থেকে,আমার এমনিতেও অনেক কাজ
.
আন্টিকে বান্দরবনের সেই মেয়েটার পিক দেখাই দিব
.
শান্ত ল্যাপটপ থেকে চোখ উঠিয়ে রিয়াজের দিকে তাকালো
.
৩জন মিলে ওর দিকে দাঁত কেলিয়ে চেয়ে আছে
.
তোরা ওর পিক পাইলি কই?
.
মনে আছে সে ওড়ানায় করে পানি এনে তোর গায়ে ঢালতেছিলো?তখন আমাদের ক্যামেরা অন ছিল কারন তুই তখন ব্লগটা করতেছিলি,😎এন্ড আমি ভিডিওটা থেকে সেই মেয়েটার ছবি নিয়ে নিয়েছি,হুহাহাহা
.
হারামি!!তোর মত বন্ধু থাকলে আর মানুষের শত্রু লাগে না
.
আমরা এটাও জানি তোর আজকে ভোরবেলায় মিটিং ছিল
আপাতত আজ আর মিটিং নাই,ঊষা বলছে
.
আমাকে ব্ল্যাকমেইল করতেছিস!
.
প্লিস শান্ত,মজা হবে একটু,চল না প্লিস,তুই আজকে গান গাইলে বিজন্যাসম্যান শাহরিয়ার শান্ত থেকে সবাই তোকে গায়ক শান্ত হিসেবে চিনবে
.
ফাইন,যা তোরা,আমি নিতুকে নিয়ে চলে আসবো
.
ইয়াহু!!!!!
.
শান্ত মাথার চুল টানতে টানতে কফি খাচ্ছে,কি একটা ঝামেলা!

হ্যালো আহানা!কিরে ভার্সিটিতে আসবি না?
.
আসবো!আমার পায়ে ব্যাথা পেয়েছি পড়ে গিয়ে,ঠিকমত হাঁটতে পারি না,তাও আসবো,তেমন একটা মারাত্মক না
.
ওকে,বাই
.
আহানা ব্যাগটা নিয়ে বেরিয়ে পড়লো বাসা থেকে
তারপর ভার্সিটিতে আসতেই রুপা ঝাপটে ধরেছে
ঝাপটে ধরার কারণ হলো তার সাথে আজ একজায়গায় যেতে হবে
আহানা বলছে তার বিকাল থেকে টিউশনি,রুপা বললো টিউশনির সময়ের আগেই ঘুরাফিরা শেষ করে বাড়ি ফিরবে
||
কন্সার্ট রেডি
মানুষে হইহই রইরই,তার উপর নওশাদ একটা পোস্ট দিয়ে চ্যানেলের সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে তারা আজ যমুনা ফিউচার পার্কের কনসার্টে আসতেছে আবার শান্ত গান ও গাইবে
দলে দলে সব আসতেছে কনসার্টটায়
শান্ত বাসায় এসে রিপাকে বললো নিতুকে তৈরি করে দিতে,সে নিতুকে নিয়ে ঘুরতে যাবে
তারপর নিজের রুমে এসে একটা ব্ল্যাক টি শার্ট আর খয়েরী রঙের জ্যাকেট বের করে পরে নিলো,সাথে ব্ল্যাক জিন্স
সানগ্লাস হাতে নিয়ে ফোনটা পকেটে ঢুকিয়ে নিতুকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লো সে
ঐদিকে রুপা আহানাকে নিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে এসে সবে থেমেছে
আহানা মুচকি হেসে বললো”বাবার সাথে শেষবার এখানে এসেছিলাম!”
.
এখন আমার সাথে আসলি
.
এখান থেকে শপিং করবি?একটা হালকা গেঞ্জির দাম ৫০০০টাকা এখানে
.
জানি জানি!আসছি তো কনসার্ট দেখতে,চল!আজ নাকি কনসার্টে শাহরিয়ার শান্ত আসবে গান গাইতে
.
কে সে?
.
আরে ঐ যে Shanti Group of industry এর মালিক সে
আর সে একজন ইউটিউবার ও
.
শান্তি?কিন্তু তার নাম তো শান্ত বললি
.
হয়ত বোন বা মায়ের নামটাম হবে,শান্তর গানের গলা জাস্ট ওসাম!আর তার বেস্টফ্রেন্ডের মধ্যে একজন আছে,নাম নওশাদ শেখ!!
কি বলবো!আমি তো এই দুটোর উপর ক্রাশিত,তবে যা মনে হয় মেইন শান্তকে পটানো আমার দ্বারা পসিবল না বাট নওশাদকে পটাতে পারবো
.
তুই সারাদিন এসব নিয়েই পড়ে থাকিস!
.
আচ্ছা চল যাই
.
শান্ত স্টেজে উঠে দাঁড়িয়েছে
তার সামনে ৩০০/৪০০জনের মতন দর্শক
গিজগিজ করতেছে,সবার মুখে শান্ত নাম
শান্তর গিলটি ফিল হচ্ছে না কারণ সে একবার সিরাজগঞ্জ গেছিলো সেখানে ওর চ্যানেলের অনেক সাবস্ক্রাইভার এসেছিল হাতে ফুলের মালা নিয়ে তার সাথে দেখা করতে
সেদিনও এমন মানুষ ছিল
নিতু দূরে চেয়ারে বসে তার ভাইয়ের গানটা ভিডিও রেকোর্ড করতেছে হাতে জুস নিয়ে
পরনে সাদা ফ্রক আর জিন্সের কোটি,শান্তর বোন বলে কথা
একটু স্টাইলিশ তো হতেই হবে
শান্ত জিভ দিয়ে ঠোঁটটা ভিজিয়ে গানটা শুরু করলো

চাই না মেয়ে তুমি অন্য কারো হও
পাবে না কেউ তোমাকে, তুমি কারো নও
চাই না মেয়ে তুমি অন্য কারো হও
পাবে না কেউ তোমাকে, তুমি কারো নও
তুমি তো আমার-ই, জানো না হো-ও-ওও
এ হৃদয় তোমার-ই
ও-হো-ওও
তোমাকে ছাড়া আমি, বুঝি না কোনো কিছু যে আর
পৃথিবী জেনে যাক, তুমি শুধু আ..মার
তোমাকে ছাড়া আমি, বুঝি না কোনো কিছু যে আর
পৃথিবী জেনে যাক, তুমি শুধু আমার
(C’mon, yo yo)
হৃদয়ের নীল আকাশে স্বপ্ন আমার ওড়ে
ভেঙ্গে যায় আমার-ই মন অভিমানী ঝড়ে
হৃদয়ের নীল আকাশে স্বপ্ন আমার ওড়ে
ভেঙ্গে যায় আমার-ই মন অভিমানী ঝড়ে
তুমি তো আমার-ই, জানো না হো-ও-ওও
এ হৃদয় তোমার-ই, ও-হো-ওও…
(এটা প্রেমের পাঁচফোড়ন সিজন ২ এর থিম সং
সূচনা পর্বে যেটা দিয়েছিলাম সেটা নয়)
চলবে♥

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here