প্রেমের পাঁচফোড়ন💖 #সিজন_২ #পর্ব_১০

0
1921

প্রেমের পাঁচফোড়ন💖
#সিজন_২
#পর্ব_১০
#Writer_Afnan_Lara
🌸
বেশি না,শুধু ২টা পাতা ছিঁড়সি
.
থাকো ওখানে,আমি আসতেছি,একদম নড়বা না
.
শান্ত রুম থেকে বেরিয়ে বাগানে এসে দেখলো আহানা উধাও,ছিটেফোঁটা চিহ্ন ও নেই
শান্ত রেগে মেগে বাসার দিকে গিয়ে বুয়াকে বললো বিরিয়ানি রাঁধতে আজকে দুপুরের জন্য আর এখন রুটি ভাজি,ডিম এসব তৈরি করতে ওর ক্লাইন্ট আসতেছে তাই
.
আহানা বাসার বাইরে লুকিয়ে পড়ছিলো,শান্ত চলে গেছে দেখে সে ভিতরে চলে আসলো আবার
বাপরে বাপ এক বাঁচা বেঁচেছি আর একটুর জন্য জ্যান্ত কবরই দিয়ে দিতো আমাকে
একটা ক্যাব এসে থামলো শান্তদের বাসার গেটের বাইরে
আহানা পিছন ফিরে সেদিকে তাকিয়ে আছে
একটা বেলু লোক বের হয়েছে ক্যাব থেকে,পরনে কোর্ট প্যান্ট আবার ছাগইল্লা দাঁড়িও আছ দেখছি,!
লোকটা আসতেই দারোয়ান গেট খুলে দিলো
আহানা এখনও লোকটাকে দেখে যাচ্ছে পা থেকে মাথা পর্যন্ত
লোকটা ভিতরে ঢুকে আহানার দিকে তাকিয়ে দেখে নিলো একবার
আহানার গায়ে হালকা সবুজ রঙের থ্রি পিস একটা আর হাতে আম পাতা,চুল উসকো খুসকো
লোকটা তার টাই ঠিক করে বললেন “สวัสดีคุณเจ๋ง(আপনি শান্তর কি হোন?)
.
আহানা চোখ বড় করে তাকিয়ে বললো”কি?কি বললেন
এটা আবার কোন দেশের ভাষা?”
.
লোকটা হেসে বললো”ฉันชื่อเจมส์สตีเวน(আমি জেমস স্টেভেন)
.
কি কয় এই বেডা কিছুই তো বুঝি না😒
.
শান্ত দূর থেকে জ্যাকেট পরে আসতে আসতে বলতেছে”
ยินดีต้อนรับสู่บ้านของเรา Mr. James Steven(আপনাকে স্বাগতম মিঃ জেমস স্টেভেন)
.
আহানা চোখটা বড় করে ভাবলো তারে কি ঘুমে ধরলো নাকি
চোখ ভালো করে ডলে আবার ভাবলো হঠাৎ করে মানুষের মুখের ভাষা উল্টা পাল্টা শুনতেছি কেন
কানে আঙ্গুল দিয়ে খুঁচিয়ে আবারও শুনার চেষ্টা করলো সে
লোকটা এবার বলতেছে”ผู้หญิงคนนี้คือสิ่งที่คุณเป็น(এই মেয়েটা তোমার কি হয়”
.
শান্ত গুগল সার্চ করে কথাটার মানে বের করে মুচকি হাসলো তারপর বললো”ญาติของฉัน(আমার রিলেটিভ)”
.
লোকটা Ohh বলে শান্তর সাথে বাসার দিকে চলে গেলো
আহানা ব্রু কুঁচকে ভাবতেছে এলিয়েনের মত কি কথা বললো এরা এতক্ষণ ধরে কিছুই তো বুঝলাম না আমি
.
শান্ত মিঃ জেমসকে সোফায় বসতে বলে বুয়াকে ডাক দিলো
আহানা চোরের মত পা টিপে টিপে সামনে দিয়ে হেঁটে মায়ের কাছে চলে এসেছে
তারপর মাকে সবটা খুলে বলার পর থেকে মা হাসতেছে ওর কাজের কথা শুনে
শান্ত মিঃ জেমসকে নিয়ে আলোচনা করতে করতে নাস্তা করতেছে
আহানা দরজার কোণায় উঁকি দিয়ে তাদের কথাবার্তা শুনে এর অর্থ বের করায় ব্যস্ত পরে আগামাথা কিছু না বুঝে একটু একটু করে পা বাড়িয়ে সে শান্তর রুমের দিকে চললো
প্রতিদিন শান্ত দরজা লক করে রাখে কেন এতে সে রহস্যের গন্ধ পেয়েছে তাই একবার শান্তর রুমটা ভালো করে দেখবে সে
রুমে ঢুকে দরজাটা আলতো করে আটকে ফেললো আহানা
যাতে কেউ সন্দেহ না করে
তারপর চোখ বুলিয়ে রুমটা দেখায় মগ্ন হলো সে
পুরো রুমটার দেয়ালে হলুদ কালারের রঙ করা,আর বিছানার চাদরটাও পুরো হলুদ রঙের,গন্ডারটার মনে হয় হলুদ অনেক পছন্দের
আহানা এবার আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো,তারপর নিজেকে একবার দেখে নিয়ে চুল ঠিক করে দাঁত কেলিয়ে বারান্দার দিকে চললো
শান্ত খাওয়া শেষ করে জেমসকে বসতে বলে নিজের রুমের দিকে আসতেছে
আহানা চারিদিক হেঁটে হেঁটে দেখে চলে যাওয়ার জন্য দরজা খুলতেই দেখলো শান্ত আসতেছে করিডোর দিয়ে
শান্তকে আসতে দেখে চোখ বড় করে সে দরজার পিছনে লুকিয়ে পড়লো জলদি করে
শান্ত রুমে এসে আলমারি থেকে একটা ফাইল বের করে তারপর অফিসে পরে যাওয়ার শার্ট বের করলো
এরপর বিছানায় সেগুলো রেখে গায়ের জামা সব এক এক করে খুলতেছে সে,রেডি হয়ে অফিসে যাবে
আহানা গভীর ভাবনায় আছে, কোনদিকে যাবে কি করবে সেটাই ভেবে যাচ্ছে সে
শান্ত গায়ের জ্যাকেটটা খুলতেই ওর মনে হলো রুমে অন্য কেউ আছে,কড়া দৃষ্টিতে সে দরজার পিছনের দিকে তাকালো
আহানা দুহাত দিয়ে মুখ ঢেকে দাঁড়িয়ে আছে
.
তুমি!!
.
আহানা শান্তর ধমকে মুখ থেকে হাত সরিয়ে বললো”সরি!এক্সিডেন্টলি আপনার রুমে ঢুকে পড়েছি আর এক্সিডেন্টলি আটকেও গেসি,বাই বাই
কথাগুলো বলে আহানা এক দৌড়ে পালালো
শান্ত হাতে শার্ট নিয়ে ব্রু কুঁচকে সেদিকে তাকিয়ে আছে
এই মেয়েটার মাথা পুরাই নষ্ট!
.
আহানা হাঁপাতে হাঁপাতে ড্রয়িং রুমের সামনে দিয়ে মায়ের কাছে যাচ্ছিলো তখনই মিঃ জেমস হেসে ওর দিকে তাকালো কিছু বলার জন্য
আহানা প্রচণ্ড রেগে আছে, জেমস কিছু বলার আগেই সে বললো”তাইল্লা দোলা চুপ থাক,তোর লটরপটর ভাষা আমি বুঝবো না,হুদাই আমাকে এসব ভাষায় কিছু বলতে আসবি না,বেইল্লার ঘরের বেইল্লা!হুহ!”
কথা শেষ করে আহানা ভিতরের রুমে চলে গেলো
মিঃ জেমস থ হয়ে বসে আছেন
আহানা কি বললো তার এক শব্দ ও তিনি বুঝলেন না এখন তার মনে হচ্ছে শান্তকে যখন তিনি তার ভাষায় কথা বলেন তখন শান্তর কেমন মনে হয়,তারপরে গুগল ট্রান্সলেট বের করে আহানা যা বললো তার থেকে “বেইল্লা”শব্দটা মনে আছে তার
সেটা লিখতেই থাইল্যান্ডের ভাষায় অনুবাদ হলো বেইল্লা অর্থ বেলু
উনি তো চোখ বড় করে কিছুক্ষন চেয়ে রইলেন,এই মেয়েটা তাকে বেলু বললো!
.
শান্ত রেডি হয়ে এসে জেমসকে নিয়ে অফিসের দিকে চলে গেছে
মা আর আহানার আম্মু গল্প করতেছেন
আহানা রুমের দরজা ভালো করে লাগিয়ে শাড়ী পরা প্র্যাকটিস করতেছে
সবই ঠিক আছে কিন্তু শাড়ীর কুচি সমান সমান হয় না কেন?
আর আঁচলটা বারবার পড়ে যাচ্ছে কেন,কি ঝামেলা!
আহানা এই নিয়ে ১৭বার ট্রাই করেছে
একবার কুচি ঠিক হয় না তো একবার আঁচল পড়ে যায় আর নয়ত আরেকবার দেখে পুরা শাড়ীই সে উল্টা পরেছে
হাঁপাতে হাঁপাতে আবারও চেষ্টা করছে সে
এক দুই তিন চার!কুচি তো ঠিক হলো তবে কুচি গুছিয়ে কোমড়ে গুজে দিলে এমন ফুলে থাকে কেন?
মনে হয় যেন আমি গর্ভবতী,মাকে কত করে বললাম শিখায় দাও কিন্তু না মা তো গল্প করায় ব্যস্ত!
রিপা আপু বুয়ার সাথে রান্নাঘরে কাজ করছে তাকে জ্বালানো যাবে না
করবো তো কি করবো??
আমি বরং এক কাজ করি আমাদের বাসায় গিয়ে আমার আরেকটা জামা নিয়ে আসি তাহলেই হলো!
আহানা শাড়ীটা রেখে তার জামা পরে মাকে বলে বেরিয়ে পড়লো
বাসা থেকে একটা জামা নিয়ে ফেরত আসবে আবার
শান্তর মা বলেছে আজও এখানে থেকে যেতে
আহানা বাসায় এসে দরজা খুলে নিজের একটা জামা নিয়ে আবার বের হয়ে দরজায় তালা লাগিয়ে পিছন ফিরতেই দেখলো রতন দাঁড়িয়ে আছে ওর সামনে,পান চিবাচ্ছে
আহানা ব্রু কুঁচকে পাশ দিয়ে হেঁটে চলে যেতে নিতেই রতন পথ আটকালো ওর
.
কি ব্যাপার আহানা!!কাল রাতে নাকি তোমরা বাসায় ছিলা না?তো এখন এলা তো আবার কই যাচ্ছো?
.
কোথাও না,সর আমার পথ থেকে
.
আগে আমার কথার উত্তর দাও তারপর যেতে দিব
.
আহানা রেগেমেগে রতনকে এক ধাক্কা দিয়ে বললো”আমি যেখানে খুশি সেখানে থাকবো তাতে তোর কি?বেয়াদব!জাহান্নামে যা তুই!”
.
রতন চুপ করে তাকিয়ে রইলো আহানার দিকে
আহানা আর পিছন ফিরে তাকালো না,রতনকে মনে মনে বকতে বকতে সোজা শান্তদের বাসায় ফিরে আসলো সে
রতন আজ কয়েকবছর ধরে ওকে জ্বালাচ্ছে,ওদের এলাকার এক নাম্বারের ছেঁচড়া একটা ছেলে
দালালি করে সংসার চালায়,কত মেয়েকে উঠায় নিয়ে গেছে কিন্তু সে আহানার প্রতি দূর্বল,আহানার রাগ তার ভালো লাগে সবসময়,মোট কথা আহানাকেই ভালো লাগে তার
আহানা ওকে দুচোখে দেখতে পারে না,কারণ এর চরিত্র সম্পর্কে এ টু জেট জানে সে
আহানা বাসায় ফিরতেই দেখলো শান্ত অফিস থেকে ফিরে এখন জেমসকে তার সূর্যমুখী বাগান দেখাচ্ছে
আহানা গাল ভেটকিয়ে পাশ দিয়ে চলে গেলো
রুমে এসে তার জামাটা নিয়ে পরতে নিতেই মা বললো শাড়ীটা পরিয়ে দিবে
আহানা তো মহা খুশি
মা ওকে খুব সুন্দর করে খয়েরী রঙের শাড়ীটা পরিয়ে দিলো
আহানা আয়নার সামনে নিজেকে দেখে বললো”মা আমাকে তো সেই লাগতেছে”
.
এই জন্যই তো বলে “শাড়ীতে নারী”
.
আমি আন্টিকে দেখিয়ে আসি?
.
আচ্ছা যা
.
আহানা খুশি হয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে শান্তর মায়ের রুমের দিকে চললো
উনি আহানাকে দেখে মুচকি হাসলেন তারপর তার বিছানার পাশের ছোট্ট ৪তাকের ড্রয়ার থেকে একটা কাজল বের করে আহানার কানোর পাশে ফোঁটা দিয়ে দিলেন
আহানা উনাকে দেখিয়ে এবার যাচ্ছে রিপাকে দেখাতে
তখনই শান্তর সামনে পড়লো
আহানা দাঁত কেলিয়ে বললো”দেখছেন?আমি শাড়ী পরসি হুহ!”
.
ওহ আচ্ছা তুমি?আমি তো ভাবলাম পাগলা গারতের পাগল বাসায় ঢুকে পড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে এক রুম থেকে আরেক রুমে যাচ্ছে
.
আমি পাগল?
.
যাক তাহলে স্বীকার করলে যে তুমি পাগল
.
আপনি পাগল!সাথে করে পাগল নিয়ে ঘুরেন,বেইল্লা!
.
জেমস আবারও বেইল্লা কথাটা শুনে বুঝলেন তাকে আবারও বেলু বললো আহানা
তাই সে ব্রু কুঁচকে তাকালো আহানার দিকে
.
আহানা মুখ বাঁকিয়ে বললো”কি?বেইল্লা কইলাম যে তোর গায়ে লাগছে,বুঝছিস তোরে বেইল্লা কইসি যে?”
.
লোকটা মুখ বাঁকিয়ে শান্তর দিকে তাকিয়ে বললো”เบลูบอกว่าฉันเข้าใจแล้ว แต่ตอนนี้เขาพูดอะไรอีก(বেলু বললো আমাকে সেটা তো বুঝলাম কিন্তু এখন আবার কি বললো)”
.
শান্ত পড়লো মহাবিপদে,কারণ তার ফোন তার রুমে,এখন জেমস কি বললো তার আগা মাথা কিছুই বুঝলো না সে
.
আহানা দাঁত কেলিয়ে বললো”হয়ত আপনি বুঝেননি আপনাকে কি বলেছে কিন্তু আমি বুঝেছি”
.
কি বলেছে?
.
বলেছে”ফাটা টিশার্ট😂!”
.
শান্ত রেগে আহানার চুল টেনে ধরে বললো”ভাগো এখান থেকে,সারাদিন বাঁদরামি করে বেড়ায়”
.
আহানা নিজের চুল থেকে শান্তর হাত ছাড়িয়ে মুখ বাঁকিয়ে রান্নাঘরে চলে গেছে
.
বিরিয়ানি রান্না হচ্ছে,তার সাথে ইলিশ মাছের দো-পেঁয়াজা,চিঁড়ি মাছের মালাইকারি,ভাত ও আছে
আহানা সব দেখে আবার মায়ের কাছে চলে আসলো

জেমস বাঙালী খাবার খেয়ে অনেক খুশি,সে খুশি খুশি চলে ও গেছে,ডিল ফাইনাল
বিকাল হয়ে গেছে,,আহানা টিভি খুলে বসে একটা মুভি দেখতেছে,নিতু পপকর্ণ নিয়ে এসে ওর সাথে বসে আলাপ শুরু করেছে
মা আর শান্তর মা বাগানের ঘুরতে গেছেন
আর শান্ত নিজের রুমে টিভি দেখছে
.
নিতু আহানার হাত ধরে সোফা থেকে নামিয়ে বললো তাকে ছবিতে যে গান চলছে সেই গানের নাচটার কপি শিখিয়ে দিতে
আহানা বললো পারবে না এখন
তাই নিতু কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে
আহানা বাধ্য হয়ে বললো তাকে কপি করতে,তারপর শাড়ীর আঁচল কোমড়ে গুজে সে ফ্লোরে দাঁড়িয়ে মুভির নায়িকাটার মত নাচা শুরু করলো
সাথে নিতু ও নাচতেছে
দুমদুম আওয়াজ পেয়ে শান্ত টিভি অফ করলো,টিভি অফ করায় আওয়াজটা আরও জোরে শোনা যাচ্ছে,তাই সে রুম থেকে বেরিয়ে ড্রয়িং রুমে এসে দেখলো আহানা নিতুকে নাচ শেখাচ্ছে
শান্ত ব্রু কুঁচকে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে নাটক দেখে যাচ্ছে
আহানা বলতেছে”প্রথমে ডান পা উঁচু করবি তারপর বাম পা
.
শান্ত হাসতে হাসতে বললো”তারপর ধপাসসসসস”😂
.
আহানা নাচ শেখানো থামিয়ে পিছন ফিরে শান্তর দিকে তাকালো,নিতু ও হেসে দিয়েছে শান্তর সাথে সাথে
আহানা মুখ বাঁকিয়ে বললো”তো আপনি শেখান তাহলে,নিজেকে কি মনে করেন?নাচের “ন” ও তো জানেন না আর আপনি আসছেন আমাকে ভেটকাইতে
.
তোমার চাইতেও জোস নাচ আমি নিতুকে শেখাতে পারবো
.
তে শেখান দেখি কেমন অস্কার জেতা নাচ শেখাতে পারেন আপনি
.
শান্ত নিজের ফোনে একটা ইংলিশ গান প্লে করে নিতুকে বললো ওরে কপি করতে
.
নিতু!!প্রথমে হাত এটা ঘুরিয়ে এখান দিয়ে এনে ওখান দিয়ে আনবা
.
তারপর ঘুরিয়ে তোমার ভাইয়ার গালে চড় বসিয়ে দিবা😂
.
শান্ত আহানার দিকে তাকিয়ে রেগে এক দৌড়ানি দিলো
আহানা শাড়ীর কুচি ধরে দৌড় মেরেছে ততক্ষণো
.
এই খবরদার দৌড়াতে দৌড়াতে আমার সূর্যমুখী ফুলের বাগানে ঢুকবা না বলে দিচ্ছি
.
তাহলে আমাকে দৌড়ানি দেওয়া অফ দেন
.
ফাইন,যাও মাফ করে দিলাম
.
আহানা থেমে গিয়ে বললো”মাফ?কিসের মাফ?আমি আপনার থেকে মাফ চাইনি”
.
তাহলে আজ তোমার রক্ষে নেই
.
কি করবেন?আমাকে কিছু করলে আপনার সূর্যমুখীর বাগান আমি ধংস করে দিবো
.
তারপর তোমাকে আমি ছেড়ে দিব তাই না??তোমাকেও ধংস করে দিব
.
আপনাকে আমি বিদ্দবস্ত করে দিব
.
বিদ্দবস্ত মানে?সেটা কি আবার?
.
আপনি বিদ্দবস্ত চিনেন না?
.
বিদ্দবস্ত মানে,ওহহহ আচ্ছা ইউ মিন “বিধ্বংস “??
খোদা!
এই মেয়েটা এসব কি আউলাঝাউলা কথা বলে,আমার মগজ তার জায়গা থেকে নড়ে গেছে এই মেয়েটার কথার মানে বের করতে যাইয়া
এই পাগলের সাথে আর দুলাইন কথা বললে আমিও পাগল হয়ে যাবো
.
আহানা তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে বললো”আমি পাগল হলে আপনি পাগল হোল স্কয়ার”
.
আমার মধ্যে পাগলের কি দেখলে তুমি?
.
যে মানুষ সেধে পাগলের সাথে কথা বলতে আসে সে হলো আসল পাগল
.
তাহলে তুমি স্বীকার করছো তুমি পাগল?
.
তার মানে আপনি স্বীকার করছেন আমার সংস্পর্শে এসে আপনিও পাগল হয়ে গেছেন?
.
এই তোরা দুজন থামবি??
এরকম ঝগড়া তো শত্রু শত্রু ও করে না যেটা তোরা করিস
বাপরে বাপ!!আমি আর বুবু দূর থেকে তোদের ঝগড়া দেখতেছিলাম
আমরা নিজেরাই এখন পাগল হয়ে যাবো মনে হয়
চলবে♥

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here