#দৃষ্টির_আলাপন
#পর্বঃ৯
#আদওয়া_ইবশার
জানা নেই চেনা নেই এমন একটা মেয়ে এসে হুট করে রক্তিম শিকদারের কপাল ছুঁয়ে দিল বিষয়টা হজম করতে কষ্ট হচ্ছে সকলের। অত্যাধিক বিস্ময়ে যেন চোখের পলক ফেলতে ভুলে গেছে উপস্থিত প্রতিটা মানুষ।
“কি চাই?”
কয়েক মুহূর্তের নিরবতা টুকু চূর্ণবিচূর্ণ করে জলদগম্ভীর কন্ঠে কপাল কুঁচকে প্রশ্ন করে রক্তিম। ঠিক তখনই যেন চৈতন্যের উন্মেষ ঘটে দৃষ্টির। বুঝতে পারে অজানা এক ঘোরের মধ্যে থেকে কেমন বোকামিটা করেছে। সহসা লজ্জায় মাথা নত করে ফেলে। কয়েক পল সময় নিয়ে নিজেকে ধাতস্থ করে মাথা তুলে তাকায় আবার। স্বভাবে চঞ্চলতা এনে জড়তা কাটিয়ে বলে,
“নিশ্চয়ই চিনতে পারেন নি আমাকে! আচ্ছা অসুবিধা নেই। আমিই চিনিয়ে দিচ্ছি।মনে আছে তিন-চার মাস আগে আপনার কাছে এসেছিলাম একটা ছেলে আমাকে বিরক্ত করে সেই বিচার নিয়ে!”
“তা মনে থাকবেনা আবার! ভাইয়ের মনে না থাকলেও আমাদের খুব ভালো করেই মনে আছে তোমাকে।যে হারে বিনা দোষে অপমান করেছো মেয়ে তা এ জন্মে ভোলার নই”
রাকিবের কথায় চোখ ঘুরিয়ে সেদিকে তাকায় দৃষ্টি। মিটিমিটি হেসে বলে,
“এই না হলে রক্তিম শিকদারের চমচা! আপনাদের কাজই তো হলো রক্তিম শিকদার ঘটিত খুটিনাটি সব কিছু নখদর্পণে রাখা। আপনার কাজে আমি খুবই আপ্লুত মিস্টার চামচা।”
আবার! আবারও এই মেয়ে সয়ং রক্তিম শিকদারের সামনে তার ছেলেদের অপমান করে যাচ্ছে! তাও যে সে অপমান না। একেবারে সরাসরি চামচা পদবিতে অপমান। অপমানে মুখটা থমথমে হয়ে আছে রাকিবের। মাথা ঘুরিয়ে এদিক-ওদিক তাকিয়ে দলের অন্য ছেলে গুলোকেও তার অপমানে মিটমিট হাসতে দেখে ফুঁসে ওঠে রাকিব। ঔদ্ধত্য হয়ে কিছু বলতে যাবে তখনই হাত টেনে আটকে দেয় মেহেদী। মজার ছলে দৃষ্টির দিকে তাকিয়ে বলে,
“তা এতোদিন পর কিজন্যে এসেছো? মাঝে যে বিরাট একটা সময় পেরিয়ে গেল সেই সময় টুকুতে তো আমার মনে হয় ঐ ছেলেটার সাথে তোমার ভাব-ভালোবাসা হয়ে একেবারে বিয়ের পিরিতে বসে যাবার কথা।”
মাথাটা অল্প কাত করে লাজুক হাসে দৃষ্টি। রক্তিমের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে বলে,
“আপনার মুখে ফুল চন্দন পরোক ভাইয়া। যদি এমন হতো তবে আমার থেকে খুশি বোধহয় আর কেউ হতনা।”
“তারমানে একপাক্ষিক ভাব-ভালোবাসা হয়ে গেছে! তাহলে আবার রক্তিম শিকদারের কাছে কেন এসেছো?”
ভ্রু নাচিয়ে জানতে চায় মেহেদী। এবার একটু তমসা দেখা দেয় দৃষ্টির মুখের আদলে। অভিযোগের স্বরে বলে,
“হোক ভাব-ভালোবাসা। তাই বলে কি ভুলে যাব ঐ লোকটা আমাকে কি পরিমাণ জ্বালিয়েছে? অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করতে নেই তাইনা ভা-ই-য়া!”
শেষের কথাটুকু রক্তিমের দিকে তাকিয়ে টেনে টেনে বলে দৃষ্টি।এবার যেন রাকিব একটু সুযোগ পেল দৃষ্টিকে নাস্তানাবুদ করার। তাচ্ছিল্যের সাথে বলে ওঠল,
“ইভটিজারের উপর ক্রাশ খাইয়া তলে তলে টেম্পু চালাও আবার ভাইয়ের কাছে আসো বিচার চাইতে? দুই মুখো সাপ তো কয় এই তোমার মতো মাইয়া গুলারেই। আমি বুঝিনা বা’ল ক্যান যে বিজ্ঞানীরা তোমাদের মতো ইচ্ছাধারী রেখে অবলা প্রাণীদের দুই-মুখো সাপ বলে চিহ্নিত করল!”
আবার এই দুটোতে সেই প্রথম দিনের মতো ঝগড়া বেঁধে যাবে বুঝতে পেরে রাকিবকে ঝাড়ি দিয়ে থামিয়ে দেয় মেহেদী। সেই প্রথম দিনের মতো আজও রক্তিম নির্বিকার। চা শেষ করে টানটান হয়ে দাঁড়িয়ে সিগারেট ফুঁকে যাচ্ছে। রক্তিমের হয়ে মেহেদী’ই জানতে চায়,
“আচ্ছা বলো। তা কি শাস্তি চাও সেই ছেলের? আর কে সে? এবার নাম-ঠিকানা জেনে এসেছো তো?”
“শুধু নাম-ঠিকানা নই। একদম হালচাল সবই জেনে এসেছি। তার থেকেও বড় কথা সে এই মুহূর্তে আমার চোখের সামনেই আছে।”
স্বাভাবিক স্বরে জবাব দেয় দৃষ্টি। তার এহেন কথায় আবারও অবাক হয় প্রত্যেকে। এখানেই আছে মেয়েটার সামনে! কই এখানে তো তারা ছাড়া আর কেউ নেই। তাহলে কি তাদের মাঝেই কেউ সেই ছেলে! হতবম্ভ হয়ে একে অপরের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে প্রত্যেকে। রক্তিম ও এক নজর নিজের ছেলেদের দিকে তাকায়। সে নারী বিদ্বেষী হলেও তার দলের একটারও যে চরিত্র ঠিকঠাক নেই তা খুব ভালো করেই জানে রক্তিম। এজন্যই মেয়েটার কথা একদম ফেলে দেওয়া যায়না। এই ভেজাল দ্রুত দূর করতে শেষমেশ রক্তিম নিজেই মুখ খুলে,
“কে সেই ছেলে?”
হাত উচিয়ে রক্তিমের দিকে তাক করে দৃষ্টি। তৎক্ষণাৎ যেন ছোটখাট একটা বিস্ফোরণ ঘটে যায় সেখানে। নিরুদ্যম প্রতিটা দৃষ্টি এসে স্থির হয় রক্তিমের দিকে। সেই সাথে রক্তিম নিজেও চমকায়। হাতে থাকা সিগারেট ঠোঁটের কাছে নিতে গিয়েও থেমে যায়। সেসবে কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনা দৃষ্টি। নিজ মনে বলতে থাকে,
“এই লোকটাই আমাকে গত তিনটা মাস যাবৎ বিরক্ত করে যাচ্ছে। আমার রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। সবটুকু শান্তি কেড়ে নিয়েছে আমার জীবন থেকে। রাতের পর রাত শেষ হয়ে যায় এই লোকের চিন্তা আমাকে ঘুমাতে দেয়না। খেতে গেলে গলা দিয়ে খাবার নামেনা। পড়তে বসলে বইয়ের পাতায় তার ছবি ভেসে ওঠে। আমাকে এতো এতো অশান্তির মাঝে ডুবিয়ে রেখে সে ঠিকই নিশ্চিন্তে গুন্ডামি করে বেড়াচ্ছে। আমার প্রতি এতো বড় অন্যায় করে কি ওনি পাড় পেয়ে যাবে? আমি এর বিচার চাই। কঠোর বিচার চাই।”
এতো বড় চমক! এতো বড় ভেলকি বাপ জীবনেও দেখেনি কেউ। মাথাটা কেমন ভনভন করে ঘুরছে। নেশা না করেও মনে হচ্ছে নেশা ধরে গেছে প্রত্যেকের
আবারও বলতে শুরু করে দৃষ্টি,
“প্রেম-ভালোবাসার সংজ্ঞা আমি জানিনা। তাই ঠিকমতো বলতেও পারছিনা আপনার প্রতি আমার এই অদ্ভুত অনুভূতির আসল নামটা কি। যেটা বলতে পারব বা বলতে চাই সেটা হলো আমার আপনাকে প্রয়োজন। একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য, শান্তিতে নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য আপনাকে আমার প্রয়োজন। এলাকার সবার কাছে গুন্ডা হিসেবে পরিচিত এই আপনিটা সময়ের সাথে সাথে আমাকে একদম নিঃশেষ করে দিচ্ছেন। আমার জীবনটা খুব বাজে ভাবে আপনি কেন্দ্রিক হয়ে ওঠেছে। আমি নিরুপায়। একদম অসহায় হয়ে আপনার কাছে এসেছি। মনের ভিতর চলা অশান্ত ঝড়টুকু এলোমেলো শব্দে আপনার কাছে ব্যক্ত করার প্রয়াস চালাচ্ছি। কিন্তু সেটাও পারছিনা। ঠিক কিভাবে কোন শব্দে বললে আপনি আমাকে বুঝবেন তা ভাবতে ভাবতেই মাথার ভিতর সব জট পেকে গেছে। আপনি কি আমার এই এলোমেলো শব্দ গুলোর মাঝে কোথাও আপনার প্রতি আমার হৃদয়ে তৈরি হওনা প্রগাঢ় অনুভূতিটুকু খোঁজে পাচ্ছেন না? যদি পেয়ে থাকেন তবে আমার হাতটা ধরুন। আপনার উষ্ণ স্পর্শে একটু বাঁচার কারণ খোঁজে নিতে দিন আমাকে। বিনিময়ে আজীবন এই ছন্নছাড়া আমিটা আমার ভিতরে জমিয়ে রাখা সবটুকু ভালোবাসা উজাড় করে দিব আপনাকে। একবার শুধু আমার বাড়িয়ে দেওয়া হাতটা ধরুন! কথা দিচ্ছি কখনো এই হাত ছাড়তে পারবেন না। আমি ছাড়তে দিবনা। শেষ নিঃশ্বাস পযর্ন্ত সবটুকু শক্তি দিয়ে আকড়ে ধরব আপনাকে।”
পূর্ণ দৃষ্টিতে রক্তিমের চোখের দিকে তাকিয়ে এক নাগাড়ে কথা গুলো বলে থামে দৃষ্টি। ডান হাতটা বাড়িয়ে ধরে রক্তিমের দিকে বুক ভরা আশা নিয়ে। চোখে তার আকুতি। রক্তিম স্থির থাকতে পারেনা আর। দৃষ্টির হৃদয় নিংড়ানো আকুল আবেদন আর অনুভূতিতে ঠাসা চোখের চাহনি কিছুই রক্তিমকে এলোমেলো করতে পারেনা। এই সব কিছু ছাপিয়ে শক্ত, পাষাণ হৃদয়ের মানুষটাকে এলোমেলো করে দেয় এক বিবর্ণ অতীত। দৃষ্টির প্রতিটা কথার তালে রক্তিমের চোখের তারাই স্পষ্ঠ হয়ে ভাসে অতীতের টুকরো টুকরো কিছু স্মৃতি। হাঁসফাঁস লাগে রক্তিমের। হৃদয়ে জ্বালা ধরে। সাথে জ্বলে ওঠে চোখ দুটো। থরথর করে কেঁপে ওঠে পুরুষালী শরীরটা। একটু একটু করে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে সে বুঝতে পারে তা। সহসা চোখ দুটো বন্ধ করে সর্ব শক্তি দিয়ে মুঠো করে নেয় হাত দুটো। বুক ফুলিয়ে শ্বাস নেয় ঘনঘন। সে চায়না। কিছুতেই চায়না ঐ সর্বনাশা অতীত আবার সামনে আসুক। নতুন করে আবার শুকিয়ে যাওয়া ক্ষত তাজা হোক। মুঠো করে রাখা হাত দুটো দিয়ে নিজের মাথার চুল টেনে ধরে। পাগলের মতো আশেপাশে তাকায়। রক্তিমের এমন অস্থিরতা ভয় ধরিয়ে দেয় দৃষ্টির মনে। সাথে উপস্থিত রক্তিমের ছেলে গুলোও আৎকে ওঠে। সর্বদা শান্ত মাথায় সব কিছু হেন্ডেল করা রক্তিম শিকদার একবার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খ্যাপা রক্তিমে পরিণত হলে কতটা দুর্ভোগ নেমে আসতে পারে তা একমাত্র দৃষ্টি ছাড়া উপস্থিত কারো অজানা নই। অবুঝ দৃষ্টি বুঝতে পারেনা রক্তিমের হঠাৎ এমন আচরণের কারণ। কিছুটা ভয় পেলেও সেই একইভাবে হাতটা বাড়িয়ে রাখে রক্তিমের দিকে। সেদিকে এক পলক তাকিয়ে শুকনো ঢোক গিলে মেহেদী। মনের মাঝে অল্প সাহস সঞ্চয় করে এগিয়ে যায় রক্তিমের দিকে। সংকোচ নিয়েই হাত রাখে অশান্ত রক্তিমের কাঁধে। সহসা হিংস্র চোখে পিছু ফিরে তাকায় রক্তিম। কিছুটা ভয় পেয়ে কাধ থেকে হাত নামিয়ে পিছু হটে যায় মেহেদী। আবারও চোখ দুটো বন্ধ করে নেয় রক্তিম। জোড়ে জোরে কয়েকটা শ্বাস নিয়ে শুকনো ঠোঁট দুটো ভিজিয়ে নেয় জ্বিভের ডগায়। এতোক্ষন ধিকিধিকি জ্বলতে থাকা চোখ দুটো নিমিষে একদম স্বাভাবিক, শীতল করে ফিরে তাকায় দৃষ্টির দিকে। সরাসরি রক্তিমের নজর তার দিকে পরায় একটু কেঁপে ওঠে দৃষ্টি। এলোমেলো হয় ভিতরে ভিতরে। বা-হাতে পরনের জামা খামচে ধরে সামলে নেয় নিজেকে। দৃষ্টিতে দৃষ্টি মিলিয়ে অটল হয়ে তাকিয়ে থাকে রক্তিমের শীতল চোখে। তার এমন সাহসে অভিভূত হয় রক্তিম। চরম ভাবে আশ্চর্য হয়ে ভাবে, তার চোখে চোখ রাখার মতো এতো সাহস এই মেয়ে পেল কোথায়। কিন্তু সেটা প্রকাশ করেনা মুখে। ভয়ংকর শীতল কন্ঠে জানতে চায়,
“বাড়ি কোথায়?”
উত্তর দিতে গিয়ে একটু টালমাটাল হয় দৃষ্টি। যথাসম্ভব নিজেকে সামলে বলে,
“ময়মনসিংহ।”
“এখানে কি?”
“খালার বাসা।”
এবার যেন সবটা সচ্ছ জলের মতোই পরিস্কার হয়ে যায় রক্তিমের কাছে। বিদ্রুপাত্বক হেসে ভাবে, মেয়ে তাহলে কিছুই জানেনা তার সম্পর্কে, তার অতীত সম্পর্কে। জানলে নিশ্চয়ই আগুনের সামনে এসে বলতনা “আমাকে পুড়াও।” ঘাড় নাড়িয়ে ঠোঁট গোল করে একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে রক্তিম বলে,
“আমার এলাকার অতিথির অসম্মান হোক তা আমি চাইনা। বেড়ানো শেষে চুপচাপ লক্ষি মেয়ের মতো বাবা-মায়ের কোলে ফিরে যাবে।”
হিমশীতল কন্ঠে ঠান্ডা হুমকি ছুড়ে বাইকে ওঠে বসে রক্তিম। যেই স্টার্ট দিয়ে এখান থেকে যেতে নিবে ঠিক তখনই শুনতে পায় দৃষ্টির অবিচল কন্ঠ,
“আর যদি না যায় কি করবেন তবে?”
এতোক্ষনের ধরে রাখা মেজাজটা আর ঠিক রাখতে পারেনা রক্তিম। তড়িৎ বাইক থেকে নেমে কোনো আগাম বার্তা ছাড়াই গলা চেপে ধরে দৃষ্টির। দূর থেকে তা দেখে আৎকে ঔঠে তুসী। ফুপিয়ে ওঠে মুখে হাত দিয়ে। বলশালী হাতের বাঁধনে কন্ঠনালী চেপে আসে দৃষ্টির। চোখ দুটো বড় বড় হয়ে যায় আকম্মিক আক্রমণে। হিতাহিত জ্ঞান ভুলে আশ্লেষে ফেটে পরে রক্তিম। হুঙ্কার ছুড়ে বলে,
“খুন করে ফেলব একদম। দুটো খুনের রেকর্ড অলরেডি হয়ে আছে। এবার না হয় তিন নাম্বারটাও হয়ে যাবে। জানের মায়া থাকলে আর কখনো আমার সামনে আসবেনা।”
কথাটা শেষ করে এক প্রকার ছুড়ে ফেলে রক্তিম দৃষ্টিতে। গলায় রক্তিমের জানামতে খুব শক্ত করে না ধরলেও দৃষ্টির নাজুক শরীর ঐটুকু আঘাতই নিতে পারেনা। কাশির সাথে চোখ গড়িয়ে পানি পরে অনর্গল। শখের পুরুষের থেকে ভালোবাসার বদলে এমন আঘাত উপহার পাবে কল্পনায় ছিলনা তার। জ্বালা ধরে অন্তঃকরণে। তবুও হাসে দৃষ্টি। হাসি-কান্নার সংমিশ্রণে বলে,
“মারুন। ভালোই হবে আমার। ধুকে ধুকে মরার থেকে না হয় আপনার হাতে একেবারেই মরলাম। এই উছিলায় হলেও তো আপনার একটু স্পর্শ পাব। ভালোবাসার মানুষের হাতে মৃত্যু সবার ভাগ্যে জুটেনা। আমি না হয় হলাম সেই ভাগ্যবতী। যার মরন অস্ত্র হবে ভালোবাসা।”
চলবে….

