‘ কথা দিলাম ‘ 🌸❤️
||পর্ব ~ ৪৯||
@কোয়েল ব্যানার্জী আয়েশা
সিয়ারা একভাবে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে। এক মনে সে কাচের ওপাশে থাকা ব্যক্তিকে দেখছে যে নির্জীব ভাবে শুয়ে আছে। একটা সময় পর সিয়ারা ডুকরে কেঁদে উঠলো। সঙ্গে সঙ্গে ওর কাঁধে কেউ হাত রাখলো ও সেদিকে না তাকিয়েই বললো,
সিয়ারা: আমার একদম ভালো লাগছে না মা কে এভাবে দেখতে দিয়া। এমনটা কেন হলো বল ত? কেন হলো?
দিয়ারা: যেটা হওয়ার ছিলো সেটা হয়ে গেছে দি। তুই ভিতরে চল। মা তোর উপস্থিতি টের পাবে। এতে মা ভালো হয়েও উঠতে পারে। চল তুই, আর জেদ করিস না।
দিয়ারা এক প্রকার জোর করেই সিয়ারাকে টেনে কেবিনের ভিতর নিয়ে গেলো। সিয়ারা ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়ে বসলো ওর মায়ের পাশে। কিছুক্ষণ দেখার পর ওর মায়ের হাতটা নিজের হাতের ভাঁজে নিলো। নিজের কপালে মায়ের হাতটা ধরে বললো,
সিয়ারা: মা, আমি এসেছি। আমি এসেছি তোমার সাথে দেখা করতে। আমার ভুল হয়ে গেছিলো সেদিন ওভাবে চলে যাওয়া, তোমাদের সাথে যোগাযোগ না রাখা। আমার ভাবা উচিত ছিল তুমি যখন কাজটা করেছো তখন নিশ্চয় কিছু ভেবে চিন্তেই করেছো। আমার ভুল হয়ে গেছে মা, প্লিজ ওঠো এবার।
সিয়ারা কেঁদে ফেললে দিয়ারা চোখে জল নিয়েই সিয়ারার কাঁধে নিজের ভরসার হাত রাখে পিছন থেকে দাঁড়িয়ে থেকে। সিয়ারা নিজেকে একটু সামলে নিয়ে বলে,
সিয়ারা: প্লিজ তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠো মা। অনেক তো এভাবে শুয়ে রইলে। আমার ভালো লাগছে না তোমাকে এভাবে দেখতে। তুমি সুস্থ হয়ে ওঠো, তারপর আমাকে বলো তুমি কেন করেছিলে অমন? আমার যে বিষয়টা জানা খুব দরকার মা, খুব দরকার। প্লিজ ঠিক হয়ে যাও, প্লিজ!
সিয়ারা আরও কিছুক্ষণ ওভাবে বসে থাকে ওখানে। দিয়ারা বেরিয়ে যায় কেবিন থেকে সিয়ারাকে চুপ করে বসে থাকতে দেখে। সে কেবিনের বাইরে চুপচাপ একা নিজের মতো করে দাঁড়িয়ে থাকে। সিয়ারা বেরিয়ে এসে সেটা দেখতে পেলে একটু অবাক হয়। আজ সকাল থেকেই সে দেখছি দিয়ারা কেমন জানো একটা মনমরা হয়ে আছে। গতকাল সারাদিন ফোন ধরেনি, কথা বলেনি। অর্জুনের কাছ থেকে জেনেছে গতকাল সকালে অফিসে গেছিলো ঠিকই কিন্তু কোনো কিছু না বলেই বেরিয়ে গেছে। সব কিছু ভেবেই সিয়ারা বোনের কাঁধে হাত রাখলো আর জিজ্ঞেস করলো,
সিয়ারা: কি ব্যাপার বল তো তোর? সকাল থেকে দেখছি আপসেট হয়ে আছিস। কি হয়েছে? মন খারাপ?
দিয়ারা: (স্বাভাবিক ভাবে) আমার আবার কি হবে দি? মা কে নিয়েই একটু মনটা খারাপ। দেখতে দেখতে দু বছর হয়ে গেল এখনও কোনো ইমপ্রুভমেন্ট নেই। ভালো লাগে না মা কে ওভাবে শুয়ে থাকতে দেখে।
সিয়ারা: না খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে দেখিস। (জড়িয়ে ধরে)
দিয়ারা: হ্যাঁ। (মনে মনে — আমার মন খারাপের কথা আমার কাছেই থাক দি। সদ্য তুই একটু শান্তি পেয়েছিস, ভালো আছিস। আমি আর চাই না এখন তুই আমার বিষয় নিয়ে ভাবতে শুরু করিস। আর যেখানে আমি যাকে ভালোবাসি সে আমাকে ভালোই বাসে না সেই বিষয় নিয়ে না ভাবাটাই ভালো।) আচ্ছা, চল এখন। আমাকে একটু অর্জুনের অফিসে যেতে হবে কালকে ট্রায়াল দেওয়া হয়নি। আমি এগোচ্ছি তুই আয়।
দিয়ারা এগিয়ে গেলে সিয়ারা ওর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে। একবার মায়ের কেবিনের দিকে তাকিয়ে, কাচের ভিতরে মা কে দেখে নিয়ে আবার দিয়ারার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে নিজের মনে মনে বলে,
সিয়ারা: আমি তোর দিদি দিয়া। তুই সবার সাথে অভিনয় করতে পারলেও আমার সাথে অভিনয় করতে পারবি না। আমি ভালো ভাবেই বুঝতে পারছি কিছু একটা হয়েছে আর তুই সেটা এড়িয়ে যেতে চাইছিস। আর বিষয়টা খুব সম্ভবত দেবকে নিয়ে। নাহ, আমাকে জানতেই হবে ব্যাপারটা কোনো ভাবে।
সিয়ারার ফোন বেজে ওঠে। ফোনটা চোখের সামনে ধরতেই স্ক্রিনে নাম ভেসে ওঠে “আভি”। হালকা হেসে কল রিসিভ করে এগিয়ে যায় দিয়ারা যেদিকে গেছে সেদিকে।
কিছু সময় পর,
অর্জুনের অফিসে এসে দেবাংশু ব্যালকনি সাইডে দাঁড়িয়ে আছে চুপচাপ। ওর দৃষ্টি বাইরের দিকে। মাথায় জানো অনেক চিন্তা চলছে। একটা সময় গিয়ে দেবাংশু নিজের মুখ ঢেকে নেয় দুহাত দিয়ে। মনে মনে ভাবতে থাকে,
দেবাংশু: (মনে মনে — দিয়া যাওয়ার সময় বলেছিলো ও ভেবেছিলো আমি ও’কে ভালোবাসি। তার মানে এই জন্যেই ও আমাকে আটকায়নি। এটার মানে এটাই দাঁড়াচ্ছে যে, দিয়াও আমাকে ভালোবাসে। কিন্তু আমি তো ভেবেছিলাম দিয়া আমাকে ভালোবাসে না, আমি ফোর্স করেছিলাম তাই হয়তো আমাকে আটকাতে পারেনি। ওর কাছেও এটা একটা মিসটেক। আমার মাথাতেই আসেনি যদি ওর কাছে এটা মিসটেক হতো তাহলে ও ওভাবে আমাকে বলত না রাতটা ওর কাছে স্পেশাল ছিলো। কেন যে আমার মাথা কাজ করছিলো না গতকাল ভগবান জানে।)
দেবাংশু মুখ থেকে হাত সরিয়ে রেলিংয়ে দুহাত ভর দিয়ে দাঁড়ালো। বাইরের দিকে তাকাতেই আবারও ওর চোখের সামনে নিজের অতীতের ঘটনাগুলো ভেসে উঠলো আর সাথে সাথে ও নিজের চোখ বন্ধ করে মাথা ঝাঁকিয়ে নিলো।
দেবাংশু: আজ নিজের অতীতের জন্য আমি দিয়াকে এতটা হার্ট করে ফেললাম? ওর সামনে দাঁড়ানোর মত মুখ নেই আমার কথা কি করে বলবো আর ক্ষমা কীভাবে চাইবো? যেখানে ক্ষমা পাওয়ারই যোগ্য না আমি সেখানে ক্ষমা চাইতে যাওয়ার পথও বন্ধ করে দিয়েছি আমি নিজে। কীভাবে ওরকম খারাপ কথা গুলো ওকে বললাম আমি? কীভাবে? ওর ইমোশানকে, ফীলিংস কে মিসটেক বলেছি আমি। ওর আত্মসম্মানে আঘাত করেছি তারপরেও ও আমার সাথে কথা বলেছে এটাই তো অনেক। ওর জায়গায় অন্য কেউ থাকলে হয়তো সেই মুহুর্তে আমাকে যোগ্য জবাব দিতো আর কখনও কথা তো দূর মুখও দেখতো না আমার। সেখানে ও তো আমাকে কিছুই বলেনি আর…আচ্ছা দিয়া কি আর কথা বলবে না আমার সাথে? আর সামনেও আসবে না নিশ্চয়ই আমার?
দেবাংশুর চোখটা জলে ভরে উঠলো নিমিষে। দিয়ারা ওর সাথে কথা বলবে না, ওর সামনে আসবে না, ও আর দিয়ারাকে কাছ থেকে দেখতে পাবে না কথাটা ভাবতেই দেবাংশুর বুকটা মোচড় দিয়ে উঠছে। গতকাল থেকে সব কিছু ভাবার শেষে বারবার এই কথাটা মনে পরলেই দেবাংশুর চোখ থেকে জল পরছে আপনাআপনি। সারারাত সে ঘুমাতে পারেনি এইসব নিয়ে ভেবে ভেবে।
দেবাংশু: আজ শুধুমাত্র ওই মানুষের জন্য আমার জীবনটা আবারও নরকে পরিণত হলো। সারাজীবনের জন্য অপরাধী হয়ে গেলাম নিজের কাছে।
নিজের চোখের জলটা মুছে নিলো দেবাংশু। একটা বড়ো নিশ্বাস নিয়ে পিছন ফিরতেই দেখলো দিয়ারা দাঁড়িয়ে আছে। ওর সাথে চোখে চোখ পড়তেই দিয়ারা হুড়মুড় করে চলে গেলো স্টুডিওর দিকে।
দেবাংশু: দিয়া, দিয়া এসেছে? আমাকে ওর সাথে কথা বলতে হবে। আমি পারছি না, আমি পারছি না আর এভাবে থাকতে।
দেবাংশুর মাথায় এতক্ষণ যা কিছু চলছিলো, যেই ঝড় ওর মনে উঠেছিলো সেটা দিয়ারাকে দেখতেই এক নিমিষে থেমে গেলো। ওর মনে হলো ওর সব প্রশ্নের উত্তর এবং সব সমস্যার সমাধান একমাত্র দিয়ারার সাথে কথা বলা, ওর কাছাকাছি থাকা। একপ্রকার ছুটে চলে গেলো দেবাংশু দিয়ারার পিছনে। স্টুডিওতে দেবাংশু প্রবেশ করতেই সবাই এক এক করে বেরিয়ে গেলো। দেবাংশু দিয়ারার দিকে এগিয়ে গিয়ে ওর সামনে দাঁড়ালো কিন্তু দিয়ারা অন্য দিকে তাকিয়ে আছে।
দেবাংশু: তুই, তুই যে আসবি আমি ভাবতে পারিনি। গতকাল ওভাবে চলে যাওয়ার পর, আমি ভেবেছিলাম তুই আসবি না। (আমতা আমতা করে)
দিয়ারা: আমি মনে করি আমি কোনো ভুল করিনি তাই আমি এসেছি। তাই আমি মুখোমুখি হওয়ার ক্ষমতা রাখি। এমন কোনো কাজ আমি করিনি বা কোনো কথা আমি বলিনি যাতে আমাকে পালিয়ে বেড়াতে হয় কিংবা আমার কথা বলার মুখ না থাকে, দুবার ভাবতে হয় কি মুখ নিয়ে যাবো কথা বলতে।
দেবাংশু আর কি বলবে ভেবে পেলো না। সে ধীরে ধীরে পিছিয়ে গেলো কারণ দিয়ারা ওর মনের অপরাধ বোধটা আবারও জাগিয়ে তুলেছে। মনে করিয়ে দিয়েছে ও ঠিক কতটা ভুল করেছে, অন্যায় করেছে কিংবা বলা ভালো অপরাধ করেছে। অর্জুন সেই মুহূর্তে ওখানে প্রবেশ করতেই দেবাংশু পিছন ফিরে গিয়ে নিজের চোখের কোণ থেকে জলটা মুছে নিলো।
অর্জুন: কি ব্যাপার দিয়া? এনি প্রবলেম?
দিয়ারা: না না। আমি চেঞ্জ করতে যাচ্ছি।
অর্জুন: ওকেই দ্যান, আমি আসছি। আমি জাস্ট দেখতে এসেছিলাম কোনো প্রবলেম হচ্ছে কি না বা হেল্প লাগবে কি না।
অর্জুন চলেই যাচ্ছিলো ঠিক সেই সময় দিয়ারা বললো,
দিয়ারা: আব অর্জুন! তুমি কি আমাকে একটা হেল্প করতে পারবে?
অর্জুন: ইয়াহ সিওর, বলো?
দিয়ারা: আমি চাই তুমি আমার ড্রেসটা সিলেক্ট করে দাও। আমি কনফিউজ কোনটা পরলে ভালো লাগবে।
অর্জুন: ওকেই, হোয়াই নট?
দিয়ারা: ওকে। আর আজকে একবার রাম্প ওয়াকটা করে নেবো এই আউটফিটে। ঠিক আছে?
অর্জুন: ফাইন!
দিয়ারা অর্জুনের সাথে ব্যস্ত হয়ে গেলো, লক্ষ্য করলো না একজন রাগ ও কষ্ট দুই নিয়ে ওর দিকে একভাবে তাকিয়ে আছে। অর্জুন দিয়ারাকে ড্রেস সিলেক্ট করে দিলে দিয়ারা চেঞ্জ করতে চলে যায় আর অর্জুন দেবাংশুর দিকে তাকায় যে কি না ক্যামেরা সেটআপ করছে।
ফটো সেশন শেষ হয়ে গেলে দিয়ারা আর অর্জুন রাম্প ওয়াকের প্র্যাকটিস শুরু করো সেটাও আবার দেবাংশুর চোখের সামনেই। দিয়ারার অর্জুনের সাথে হেসে কথা বলা, অর্জুনের দিয়ারাকে বারবার স্পর্শ করা এই সব কিছু জানো দেবাংশুর সহ্যের সীমা অতিক্রম করে যায় তাই ও দ্রুত বেরিয়ে যায় ওখান থেকে।
দেবাংশু বেরিয়ে যেতেই দিয়ারা সরে আসে অর্জুনের থেকে আর বলে,
দিয়ারা: আজ এতটুকুই থাক অর্জুন? আমার খুব টায়ার্ড লাগছে। কালকে ঘুমটা ঠিক হয়নি।
অর্জুন: ইয়াহ ওকে, বাট তুমি ঠিক আছো তো?
দিয়ারা: হ্যাঁ, একটু রেস্ট প্রয়োজন। আমি আসি?
অর্জুন: ওকে।
দিয়ারা ড্রেস চেঞ্জ করতে চলে গেলো। নিজের ড্রেস পরে বেরিয়ে এসে আর এক মুহুর্ত অপেক্ষা না করে বেরিয়ে গেলো ওখান থেকে। পার্কিং লটে যেতেই দেখলো দেবাংশু দিয়ারার গাড়ির সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মাথা নীচু করে। অবাক হয়ে গেলো যখন দেবাংশুর হতে সিগারেটের সাথে সাথে নীচে সিগারেটের ফিল্টার পরে থাকতে দেখে। এই মানুষটাই একদিন ও’কে বলেছিলো সিগারেট খেতে না আর আজ এই মানুষটাই ওর জন্য সিগারেট খাচ্ছে?
দিয়ারা: (মনে মনে — সত্যি কি আমাদের মধ্যে যা হয়েছে সেটা মিসটেক ছিলো দেবদা? যদি তাই হয়ে থাকে, যদি তুমি আমাকে ভালো নাই বেসে থাকো তাহলে কেন আমার প্রতি তোমার এই অধিকার বোধ? কেন তুমি আমাকে অন্য ছেলের সাথে সহ্য করতে পারো না? আমি জানি, শুধু অর্জুন না। যেকোনো ছেলে আমার দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকালে তুমি সহ্য করতে পারো না। এর প্রমাণ আগেও আমি পেয়েছি আর এখনও চাইলেই আমি পেতে পারি কিন্তু আমি সেটা করবো না। কারণ এমনিতেই তোমার আমাকে খারাপ মেয়ে মনে হয়েছে আর ঠিক কি কারণে তোমার আমাকে খারাপ মেয়ে মনে হয়েছে এটা আমাকে জানতে হবে।)
দেবাংশু মাথাটা তুলতেই দিয়ারাকে দেখতে পেলো আর হাত থেকে সঙ্গে সঙ্গে সিগারেটটা ফেলে দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। দিয়ারা সেদিকে না তাকিয়ে এগিয়ে গিয়ে ওর সামনে এসে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলো,
দিয়ারা: কি দরকার? না জেনে বুঝে এখনও অপমান করা, অসন্মান করা বাকি আছে?
দেবাংশু: (তাচ্ছিল্য হেসে) যাঁর কথা বলারই মুখ নেই সে আর অপমান, অসন্মান কীভাবে করবে? চোখে চোখ রাখার মতো ক্ষমতাটাও আর বেঁচে নেই নিজের অপরাধে।
দেবাংশু দিয়ারার সামনে থেকে সরে দাঁড়ায়। দেবাংশু এগিয়ে গেলে দিয়ারা পিছন ফিরে তাকায় আর কাকতালীয় ভাবে দেবাংশুর সাথে চোখে চোখ পরে যায়। দেবাংশু এইবার মুখ ঘুরিয়ে নেয় আর পকেট থেকে একটা সিগারেট বার করে সেটা জ্বালিয়ে নেয়। তারপর এগিয়ে যায় নিজের গাড়ির দিকে।
দিয়ারার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পরে দেবাংশু চোখের আড়াল হতেই। দিয়ারা তা মুছে নিয়ে ওখান থেকে বেরিয়ে গেলো ঠিকই কিন্তু দেবাংশুর ব্যবহার দিয়ারার মনে একটা আলাদাই ঝড় তুলে দিয়েছে।
[#ফিরে_আসবো_আগামী_পর্বে🥀]
অর্জুনকে নায়ক করেদি পাঠকগণ? দেবাংশু তো অপরাধ করেছে। কি বলেন?

