মন_শহরে_বসন্ত_হাওয়া |১২| #কে_এ_শিমলা ®

0
442

#মন_শহরে_বসন্ত_হাওয়া |১২|
#কে_এ_শিমলা ®

ছুটির দিন। সকালে নামাজ পড়ে কিছু সময়ের জন্য ঘুমিয়ে পড়েছিল রণয়ী। গতকাল রাতে বেশ রাত অব্দি জেগে কাজ করতে হয়েছে। তাই ঘুমঘুম লাগছিল। ঘুম ভাঙ্গলো সকাল নয়টার দিকে ভাইঝি রাইজুর ডাকে। বিছানা ছেড়ে উঠতেই সে উৎফুল্ল হয়ে বললো, ফুপমনি আমরা ঘুরতে যাবো।”

রণয়ী খানিকটা ঝুঁকে তাঁর মাথার চুল ঠিক করতে করতে বললো, ‘হঠাৎ ঘুরতে! আব্বু বলেছেন বুঝি।”

‘না আব্বু তো যাবেন না। আম্মুর বান্ধবীর নিরা আন্টির বাসায় যাবো। আব্বু আম্মু বলেছেন আমাদের সাথে তুমিও যাবে।”

‘আমি! আমি গিয়ে কী করবো মা? ফুপির তো তাঁর বান্ধবীর সাথে যেতে হবে। না গেলে তো সে কষ্ট পাবে।”

‘আমাদের সাথে না গেলে আমিও কষ্ট পাবো‌। ভাইও কষ্ট পাবে‌। আম্মুও কষ্ট পাবেন।”

‘না মামনি! এভাবে বলে না। ফুপিমনি তোমার আম্মু কে বুঝিয়ে বলবো‌।”

‘কী বুঝিয়ে বলবে তুমি? ঘরে প্রবেশ করতে করতে কথাটি বললো রিদিমা।”

‘রণয়ী তাঁর উদ্দেশ্যে বললো, কোথায় নাকি যাবে?”

‘হ্যাঁ নিরার বাসায়। অনেকদিন থেকে দেখা সাক্ষাৎ নেই। তাই বললো, আজ তো ছুটির দিন। গেলে খুশি হবে। তোমার ভাই তো ঠিক আছে বললো। এবার তুমিও ঠিক আছে বলো দেখি। আর হ্যাঁ তুমি কিন্তু অবশ্যই আমাদের সাথে যাচ্ছো। নিরা বলেছে। এখন তুমি না গেলে আমিও যাবো না।”

‘কী অবুঝের মতো করছো ভাবী তুমি? আমি না গেলে তুমিও যাবে না? নিরা আপু কী বলবেন তাহলে?”

‘তাহলে তুমি যাবে না কেন বলো‌ দেখি?”

‘আমি যেতাম। কিন্তু রোজার সাথে বের হতে হবে। ও খুব করে বলেছে। প্লিজ!”

‘তাহলে রোজাও আমাদের সাথে যাবে। বেশিক্ষণ তো থাকবো না। আজানের সাথে সাথেই চলে আসবো‌। এসে নামাজ পড়ে না হয় তোমরা বের হবে। ওকে বলে দেখো।”

রণয়ী কার কথা ফেলবে কার কথা রাখবে বুঝতে পারলো না। তাই কল করলো রোজা কে। সে বললো, অতঃপর রিদিমা বুঝানোর পর রাজি হলো‌। ওরা যাওয়ার সময়ে ওকে তুলে নিবে। তৈরি হয়ে থাকবে সে।”
রণয়ী নাস্তা করে তৈরি হতে লাগলো। রাবিয় খানম যাবেন না। সবাই তো আর একসাথে যাওয়া যায় না। তাছাড়া রনক আছে বাসায়‌।‌ মা ছেলে থাকবেন। ওরা ননদ ভাবী বাচ্চারা ঘুরে আসুক।”

যথাসময়ে ওরা বের হয়ে গেল বাসা থেকে। গাড়ি আসলে উঠে বসলো তাতে। রণয়ী জানিয়ে দিল রোজাকে। সে ও বললো, সে দাঁড়িয়েছে রাস্তার পাশে। গাড়ি আসলে উঠে বসলো রোজাও। নিরার বাসায় পৌঁছাতে ওদের ঘন্টা খানেকের মতো লাগলো। সবাই কে দেখে প্রচন্ড খুশি হলো নিরা। জড়িয়ে ধরলো সে শক্ত করে রিদিমা কে।”

একে অপরের বেস্ট ফ্রেন্ড তারা। নিরার বাড়িও রাজশাহীতে। তবে বিয়ের পর থেকেই ঢাকায় থাকতে হয় স্বামীর সাথে। দেখা সাক্ষাৎ হয় না দুজনের বহুদিন কয়েকবছর যাবত। আজ দেখা হলে দু’জনেই খুশি হলো। কাঁদলও কিছুক্ষণ দু’জন। রোজা রণয়ীর সাথেও সে কুশল বিনিময় করলো। রাইজু রাজন নিরার মেয়ের আহানার সাথে খেলা জুড়ে দিয়েছে। আহানার বয়স ছয় বছর। তাঁর সাথে বসে বসার ঘরে খেলা পেতে দিয়েছে দু’জন। দুই ভাইবোন অবশ্য খেলার মস্ত পাগল। নিরা কয়েক প্রকার নাস্তা দিল। এটা সেটা বলছে করছে। বসে বসে কতশত আলাপ আলোচনা তাদের। রণয়ী রোজা উঠে পড়লো তাদের পাশ থেকে। নিরা বললো, ‘ছাদে যেতে পারো তোমরা। ভালো লাগবে! আমিও অবসর সময়ে গিয়ে বসি ওখানে।”

রণয়ী তাঁর কথায় সায় জানিয়ে চলে গেল ছাদের দিকে। তাদের সঙ্গ দিল রাইজু রাজন ও। রণয়ী’রা যেতেই নিরা বললো, ‘কী রে! রণয়ীর কী খবর? বিয়ে শাদি দিবি না ওকে আর?”

‘দেওয়া তো প্রয়োজন। তবে ও সময় নিক। সামলাক নিজেকে।”

‘ তিন বছর হয়ে গেছে। এখনো সামলাবে? একা থাকলে সামলাবে কীভাবে? তোরা কাউকে দেখা। ও দেখুক নতুন মানুষ কে নিয়ে ভাবুক। তবেই না পুরনো জনকে ভুলবে।”

‘রনক তো খোঁজে পাত্র! কিন্তু এরকম বিয়ে হয়েছে শুনলে অনেকেই পিছিয়ে যায়। ওরা অবশ্য ভালোই করে। যদি বিয়ের পরে সমস্যা করে তবে তো ভালো হবে না।”

‘ হুম! আমার একজন দেবর আছে। সেও এরকমই। বিয়ের তিন মাসের মাথায় বউ তাঁর প্রেমিকের সাথে চলে গেছে। ছেলে ভালোই‌। সেও বিয়েশাদীর ধারে কাছে নেই আর। পরিবার খুঁজে মেয়ে। যদি তুই বলিস তবে…!

রিদিমার কেন যেন নিরার কথা ভালো লাগলো না। সে সরাসরিই বলে দিল, ‘না না! এখন এসব বলিস না। ওর ভাই বলেছেন ছেলে আছে উনার কাছেও। তবে আগে রণয়ীর সাথে কথা বলতে হবে। সে যদি না করে দেয়। তবে তোরই সমস্যা হবে।”

‘আচ্ছা! তবে অদ্য সদ্য হলে বলিস। রনক ভাই কথা বলার পর যদি রণয়ী রাজি হয় আমাকে জানাস।”

‘আচ্ছা দেখা যাক ও কী বলে। এসব রাখ এখন! তোর কী অবস্থা বল। তোর ননদের কী অবস্থা? শ্বাশুড়ি এখানে থাকেন না?”

‘আর বলিস না। মা মেয়ে আলাদা থাকেন। সিমা চাকরি করছে। সুমন মাসের খরচ পাঠিয়ে দেয়। মা মেয়ের সাথে থাকবেন। সুমন নিজেও কিছু বলে না। যার যেখানে ইচ্ছা হয় থাকুক।”

‘ওহ! তাঁর তো বিয়ে হলো না। আন্টি আর ভাই কী বলেন?”

‘তাঁর মতামত নেই। বিয়ে সংসার তাঁর দ্বারা হবে না। সুমন এসব নিয়ে আর কথা বলে না। তাঁর নিজেরই সময় নেই। নিজের সংসার! কাজ নিয়েই ব্যস্থ। যে বুঝালেও বুঝে না তাকে বলে কয়ে লাভ নাই।”

দুজনে আরো কিছুক্ষণ কথা বললো। সময় কাটলো। সুমন বাসায় এলো। তাদের সাথে কথা বলে গোসল সেরে নিল। আজান হলে মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। তাঁর সাথে গেল রাজন ও। আজানের সময়ে যাওয়ার কথা থাকলেও নিরা যেতে দিল না ওদের। মেয়েরা বাসাতে নামাজ আদায় করে নিল। খাওয়া দাওয়া সেরে কিছুক্ষণ সবাই বিশ্রাম করলো। প্রায় আড়াইটা হয়ে গেল গল্প গুজব করার মধ্য দিয়ে। বিদায় নিল ওরা নিরা সুমনের থেকে। ওরা নিজের বাসায় দাওয়াত দিয়ে গেল। সুমন বললো অবশ্যই সময় করে একদিন যাবে।”

মধ্য পথে এসে রোজা রণয়ী চলে গেল। রাইজু যেতে চাইলো তাঁর সাথে। কিন্তু রাত হবে বিধায় নিল না। দুজনে ঘুরলো ফিরলো। পার্কে গিয়ে ঘুরে এলো। কুপোত কুপোতীর ভীরে দু’জন। তবুও এক কোনার বেঞ্চে বসে রইলো। অতঃপর সেখান থেকে লেকের পাড়ে গেল। সেখান থেকে ঘুরতে ঘুরতে শপিং মল। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। কফি শপে বসে আড্ডা দিল দু’জন অনেক্ষণ। তাদের সাথে অবশ্য যোগ দিয়েছিল রোজার কলেজের বন্ধু তিনজন। সনিয়া, হৃদয়, মিহাদ। তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল রোজা রণয়ী কে।
তাদের সাথে আড্ডায় গল্পে অনেকটা সময় কেটে গেল। অতঃপর দু’জনে শপিং এ মন দিল। শপিং প্রায় শেষের দিকে তখনই দুজনের দেখা মিললো আবু সাঈদ এবং দুর্জয়ের সাথে। দুজনেই সালাম করলো।”

সালামের জবাব দিয়ে দুর্জয় বললো, ‘কী অবস্থা আপনাদের? শপিং এ আপনারাও।”

রোজা হাসিমুখে জবাব দিল, ‘জ্বী স্যার। ঘুরে ঘুরে এসে এখন শপিং করছি। আজ সারাদিন অবশ্য ঘুরেছি আমরা।”

আবু সাঈদ তার হাসিমুখের হাসি কেড়ে নিয়ে বললো, ‘ভালো করেছেন। এখন বাসায় গিয়ে মেইল পাবেন। কাইন্ডলি কাজ গুলো সম্পন্ন করে দিবেন।”

রোজা মুখটা এটুকু করে বললো, ‘কিন্তু আজ তো ছুটির দিন।”

‘একটু কাজ করলে কিছু হবে না মেডাম। এই সপ্তাহে এমনিই বন্ধ পাবেন। স্যারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তো বন্ধ।”

‘জ্বী আচ্ছা করে‌ নেবো।”

আবু সাঈদ এবার দুর্জয়ের উদ্দেশ্যে বললো,’স্যার আমি যাই তবে এবার। ব্যাগ গাড়িতে রেখে দিয়েছেন এমদাদ সাহেব।”

‘আমার সাথে যেতে।”

‘সমস্যা নেই স্যার। চলে যাবো আমি। আম্মু কল করলেন না হলে তো থাকতেই পারতাম।”

দুর্জয় কিছু বলার আগেই রোজার ফোনে কল এলো। রোজা খানিকটা অপ্রস্তুত হয়ে এক্সকিউজ মি বলে পাশে সরে গেল। কিয়ৎক্ষণ কথা বলে এসে খানিকটা মলিন মুখে এবং উদ্বিগ্ন কন্ঠে বললো, ‘রণয়ী! চলো আমরাও চলে যাই। গ্রাম থেকে আমার ভাই এসেছে। বাসার চাবি তো আমার কাছে। বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে এখন।”

‘ওহ! তোমার তো কেনাকাটা ও শেষ হয়নি। আচ্ছা তুমি যাও। আমি যেতে পারবো চিন্তা করো না। জার্নি করে এসেছেন তোমার ভাই। তুমি যাও দ্রুত। আমি যখন বের হয়েছি এক সাথে সবকিছু নিয়েই যাও।”

‘আচ্ছা! যাচ্ছি তবে। আ’ম সো স্যরি ডিয়ার।”

‘ইটস্ ওকেই।”

দুর্জয় শুনলো তাঁর কথা। একা যাবে। তাই বললো, ‘মিস রোজা! আপনি তবে আবু সাঈদের সাথে চলে যান। আপনাদের দুজনের বাসাই তো এক দিকে।”

রোজা না করতে পারলো না।‌ মাথা নাড়িয়ে বললো, ‘ঠিক আছে স্যার।”

ওরা দুজন একসাথে চলে গেল। রণয়ী রোজার যাওয়া দেখলো। অতঃপর ঘড়িতে সময় দেখে দুর্জয়ের উদ্দেশ্যে বললো, ‘আসছি স্যার।”

‘আপনার কেনাকাটা বাকি এখনো?”

‘জ্বী!”

‘ওহ! চলুন তবে। আমারো বাকি আছে কিছু।”

রণয়ীর আর কী বলার। দুজনে ঘুরে ঘুরে এটা ওটা কিনলো আলাদা আলাদা। হঠাৎ একটি শুভ্র চুড়িদারের উপর নজর গেল রণয়ীর। শুভ্র রঙ বরাবরই ওর ভালো লাগে। তাই চুরিদারটা নিল। আয়নার সামনে গিয়ে দেখলো নিজের সাথে লাগিয়ে। বেশ গর্জিয়াস। পাথর বসানো। অনেক ভারী। তখন সে স্থান ফাঁকা। দুর্জয় কয়েকটি ফুলহাতা টিশার্ট নিয়ে এদিকে এলো। আয়নায় শুভ্র ওড়না মাথায় দেওয়া রণয়ী কে দেখে না চাইতেও দৃষ্টি আটকে যায় তাঁর। অজান্তেই বলে উঠে, ‘সুন্দর!”

রণয়ী ফট করে পাশে তাকাতেই খানিকটা হকচকিয়ে গেল দুর্জয়। তাঁরপর বললো,’না মানে! ড্রেস সুন্দর! আপনাকে মানিয়েছে। নিতে পারেন।”

রণয়ীর ভালো লাগলো। বহুদিন যাবৎ এমন গর্জিয়াস ড্রেস কেনা হয় না। এখন নিবে কী না এ বিষয়ে দ্বিধায় থাকলেও এখন পুরোপুরি কেটে গেল।‌ হিজাব এবং ড্রেস গুলো নিয়ে কাউন্টারে গেল। সব মিলিয়ে প্রায় সতেরো হাজারের মতো হলো। রণয়ী জিভ কাটলো‌‌। সে বের করেছে পনেরো হাজার। কখন কী নিল এতো! এর আগে তিন হাজার টাকা জুতো, ঘড়ি এসব নিয়ে শেষ। আঠারো হাজার পাঁচ শো নিয়ে এসেছিল। এবার কোনটা রাখবে কোনটা বাদ দিবে বুঝতে পারলো না। দ্রুত মোবাইল বের করে একাউন্ট দেখবে, তখনই পাশ থেকে দুর্জয় তিন হাজার টাকা রাখলো তার রাখা টাকা গুলোর সাথে।”

রণয়ী জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালে দুর্জয় আস্বস্ত করলো। রণয়ী অস্বস্তি নিয়েও টাকা গুলো এগিয়ে দিল। কেশ বের করেছে। ক্রেডিট কার্ড এমনিতেও বাসায়। কয়েক হাজার টাকা মাত্র তাতে। সাথে নিয়ে আসেনি। রাখেও না। এখন একাউন্ট থেকে বের করবে… হেনতেন। স্যারের টাকা পরে দিয়ে দিবে। আপাতত এখান থেকে উদ্ধার হতে হবে।”

সবকিছু মিটমাট করে বের হয়ে এলো রণয়ী। পাশ কেটে বের হলো দুর্জয় ও ফোন টিপতে টিপতে। রণয়ী বাকি এক হাজার টাকা টুক করে যেই রাখতে যাবে দুর্জয়ের একটি ব্যাগে, তখনই ফিরে তাকালো তার দিকে দুর্জয়। রণয়ী ঢোক গিললো। বেঁচে গেল।‌ টাকা দেওয়ার এখন আর প্রয়োজন নেই। গাড়িতে বসে পাঠিয়ে দিবে। নাম্বার তো জানাই আছে। তবে সাহস করে আজ বলেই দিল, ‘স্যার! আমার পক্ষ থেকে এক কাপ কফি আপনার জন্য। হবে?”

দুর্জয় কিছু একটা ভেবে বললো, ‘শিওর! হোয়াই নট।”

রণয়ী হাফ ছেড়ে বাঁচলো। সংশয় ছিল। যদি না করে দেয়। দুজনে নিচে গিয়ে বসলো কফি শপে। টুকটাক কথাবার্তা বিনিময়ের সাথে কফি শেষ হলো। সাথে হালকা স্ন্যাক্স ও ছিল। খাওয়া দাওয়া শেষে বের হয়ে এলো দুজন একসাথে মল থেকে। রণয়ী দাঁড়ালো সামনে রিকশার জন্য। কয়েকটা ব্যাগ হাতে থাকায় ভারী লাগছে। ভাবছে সে আসলো কার সাথে! আর এখন শেষ হলো কার সাথে।”

রণয়ীর সামনে এসে গাড়ি থামে দুর্জয়ের। গাড়ির কাঁচ নামিয়ে বললো, ‘চলে আসুন মিস রণয়ী রহিম।”

‘ধন্যবাদ স্যার! তবে আমি রিকশা পেয়ে যাবো।”

‘লেট হবে! অলরেডি সাড়ে নয়টা।”

সময়ের কথা মাথায় আসতেই রণয়ী হাত ঘড়ি দেখলো। অতঃপর দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে উঠে বসলো গাড়িতে। সেখানে বসেই রণয়ী দুর্জয়ের নাম্বারে টাকা সেন্ড করে দিল‌। দুর্জয় পাশ ফিরে তাকালে রণয়ী বললো, ‘ধন্যবাদ স্যার তখন দেওয়ার জন্য। একাউন্টে ছিল তবে!”

দুর্জয় দৃষ্টি ফিরিয়ে নিল। মনে মনে বললো, আধা ঘন্টা হয়ে দুই ঘণ্টা হতে চললো সাথে আছি। মুখটা সেই এক! ভুল করেও তো হাসতে পারো মেয়ে। একটু হাসলে কিছু কিছু মানুষ কে আরো সুন্দর দেখায়।”

চলবে!

|আজ বোধহয় বিয়ের মার্কেটই শেষ।|🙄

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here