#ভালোবাসার_কাব্য_গাঁথবো
(১০)
বিকাল হতে না হতেই ফাহাদ এসে বসে আছে। লাবিবাকে নিয়ে ঘুরতে যাবে। সাবিনা গলা হাঁকিয়ে লাবিবাকে একটু পর পর ডাকছে। ফাহাদ সোফায় বসে পা দোলায়। সাবিনাকে থামতে বলে,
” থাক না আন্টি ও রেডি হোক। আমি অপেক্ষা করছি সমস্যা নেই। ”
” কিছু মনে করো না বাবা। মেয়েদের তৈরী হতে একটু টাইম লাগে।”
কিন্তু মনে রেগে বোম হয়ে যায়। লাবিবার মোটেই এতো টাইম লাগেনা। পাঁচ দশ মিনিটের বেশি তো কখনো লাগেইনি । মেয়েটা মান সম্মান ঢুবিয়ে ছাড়বে আজ। যা ভেবেছিলো ঠিক তাই। লাবিবা রেডি হয় নি। জামা কাপড় একটু আগে যেটা বের করে রেখে গিয়েছিলো সেভাবেই আছে।
” তুই কি যাবিনা?”
কোমড়ে হাত রেখে প্রশ্ন করে সাবিনা। লাবিবা কম্বলের নিচ থেকে মুখ বের করে। মুখ ঝাড়া দিয়ে বলে,
” আমি কি বলেছি আমি যাবো? দূর হও এখান থেকে। আমার আগলা দরদ লাগে না। ”
“তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হ। ছেলেটা কখন থেকে বসে আছে।”
” দরদ ঐখানে গিয়ে দেখাও তাহলে। আমার কাছে কি?”
” দুদিন থেকে দেখছি এরকম ব্যবহার করছিস। একদম মেরে মুখ ফাটিয়ে দিবো। উঠ বেয়াদব মেয়ে। ”
সাবিনা টেনে কম্বলের নিচ থেকে লাবিবাকে বের করে। জামা টেনে ধরে।
” হাত উপরে তুল। ”
লাবিবা দু হাত উপরে তুলে। সাবিনা জামা খুলে নিয়ে আলমারি থেকে নামিয়ে রাখা জামাটা পরাতে যায়। লাবিবা ছিটকে উঠে।
” উহু। এই জামা আমি পরবোনা। ”
” কেন কি হয়েছে এই জামাতে?”
” এই জামাটাই কয়েকদিন আগে একটা মেয়ে পরেছিলো। আমি এটা পরবোনা। কাউকে দিয়ে দিও।”
” কোথায় লেখা আছে যে একজামা দুজন পড়তে পারবেনা? ফ্যাক্টরি মালিক কি তোর জন্য এক্সটা করে ড্রেস বানায়? অন্য কারো গায়ে যে জামা দেখবে সেই জামা আর পরবেনা। বড়লোক গিরি দেখানো!”
” একদম না। এক জামা পরতেই পারে। কিন্তু আমার শহরে পরবেনা। আমি বরাবরই ইউনিক। আর সবার আগে ইউনিক ডিজাইন গুলো আমিই পরবো এখানে।”
” আচ্ছা। অন্য জামা পর। ”
” কোনটা পড়বো? সব জামা পড়া শেষ। আব্বুকে বলো কবে ঢাকা নিয়ে যাবে? আমিও জামা কিনতে যাবো।”
” ত্যাড়ামি করবি না। আচ্ছা অন্য জামা পর। ”
” সব জামাই নষ্ট হয়ে গেছে। আমি কোন জামা পরবোনা।”
“তো কি পরবি? শাড়ি পরবি?”
” না। বোরখা। যাতে ঐ হাদারামটা আমার দিকে কুনজর না দিতে পারে।”
” এসব কি কথা লাব্বু? দুদিন পর তোমার হাজব্যান্ড হবে সে। ”
” হ্যা। তারপর চারদিন পর তোমার মেয়ের লাশ ও পাঠাবে। ”
বলতে না বলতেই গালে সজোরে একটা চড় পরে। লাবিবা গালে হাত দিয়ে কেঁদে উঠে। সাবিনা শাষিয়ে বলে,
” আর একটা কথা বলবিতো আরেকটা চড় খাবি। কিছু বলিনা বলে বড় বার বেরেছো তুমি। একরম কয়টা ছেলে আমাকে এনে দিতে পারবি? চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাক। নড়বিনা। আমি রেডি করিয়ে দিচ্ছি।”
লাবিবাকে বোরখাতে দেখে ফাহাদ আশ্চর্য হয়ে যায়। ফ্যালফ্যালিয়ে তাকিয়ে থাকে। লাবিবা ‘ আসুন ‘ বলে হ্যান্ডব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে যায়। ফাহাদ ও পিছু পিছু ছুটে।
” এই আমরা কি লুকিয়ে প্রেম করতে যাচ্ছি নাকি? মুখ টুক ঢেকে কি অবস্থা করেছো!” বলে ফাহাদ।
” বক বক করবেন না। আপনার সাথে কথা বলতে চাইছিনা।”
” কেনো আমি কি কোন ভূল করেছি? এই লাবিবা তুমি কেঁদেছো নাকি?”
” আপনার জন্য। ”
“হায় আল্লাহ আমার কি সৌভাগ্য। এতো ভালোবাসো! ”
লাবিবা থামে। রাগী চোখে তাকায়। আবার হাটতে শুরু করে। ফাহাদ বেচারা মুখ কাচুমাচু করে। বিরবিরিয়ে বলে, ” ওতো বড় বড় চোখে এভাবে তাকাও কেন? খেয়ে ফেলবে নাকি!”
লাবিবার ইচ্ছে করছে একটা শট মারতে। বেটা এতো বেশি বুঝিস কেনো? আমি কি তোকে বলেছি তোকে আমি ভালোবাসি?
ফাহাদ লাবিবাকে নিয়ে বাইপাসের পাশে রেস্টুরেন্ট টিতে গিয়ে বসে। সেখানে ফাহাদের পরিচিত অনেকে ফাহাদকে দেখে এগিয়ে এসে করমর্দন করে। লাবিবা ফাহাদকে রেখে কোনায় একটা টেবিলে গিয়ে বসে। এদিকে বাইরে থেকে হাওয়া আসছে। সবুজ বনের হাওয়া। পার্পেল বোরখাটা হাওয়ায় উড়ে গায়ের সাথে মিশে যাচ্ছে। লাবিবা সরে বসে। খোলা রেস্টুরেন্টের বাইরে পার্কিং রাখা। সাদা নোহা কারটা চোখে পরে। বুক ধরফড় করে উঠে লাবিবার। অবাধ্য চোখ দুটো ভেতরে কাঙ্খিত পুরুষটিকে খুঁজে বেড়ায়। পেয়েও যায়। অপজিটে দূর এক টেবিলে বসে কফিতে চুমুক দিতে ব্যস্ত সে। তাকে চেনা যাচ্ছেনা। চিরাচরিত ফরমাল গ্যাটাপে দেখা তানভীর খানের সাথে এই তানভীর খানের মিল নেই। হাফ হাতা মাস্টার্ড কালার টি শার্টে ইয়েলো সানগ্লাসে একদম অন্যরকম। বুকের উপর দুটো বোতাম দুটোই খোলা। হালকা উকি ঝুকি দিচ্ছে লোম কালো জায়গাটা। উহুম তা নয়। লাবিবার দূর্বলতা। দ্রুত চোখ সরিয়ে নেয়। চোখ বন্ধ করে পড়ে
” আসতাগফিরুল্লাহ। আল্লাহ আমার চোখ দুটোকে হেদায়েত করো। এতো কেনো বেহায়া পনা করছে আজকাল! রক্ষা করো আল্লাহ। ”
” কি বিরবির করছো?”
চোখ খুলে দেখে ফাহাদ মুখের উপরে ঝুঁকে লাবিবাকে আবিষ্কার করতে ব্যস্ত। ঠিক হয়ে বসে লাবিবা। আস্তে করে বলে,
” কিছুনা।”
” আচ্ছা। অর্ডার দাও কিছু। কি খাবে বলো। ”
লাবিবা একপলক তানভীরের দিকে তাকায়। চোখাচোখি হয় দুজনের। তানভীর এদিকেই তাকিয়ে আছে। পাশের চেয়ারে কনুই রেখে এক পা আরেক পায়ের উপর তুলে রাজকীয় ভঙ্গিতে লাবিবার চোখে চোখ রেখে একটু পর পর কফিতে চুমুক দিচ্ছে। লাবিবা সেদিকে তাকিয়ে থেকেই বলে,
” কফি। ”
” আর?”
” কিছুনা। ”
লাবিবা কি তানভীর কেউ চোখের পলক ফেলে না। লাবিবার চোখ দুটো জ্বলজ্বল করে উঠে। তবুও চোখ সরিয়ে নেয় না। লাবিবা ভাবে তানভীর হয়তো তাকে চিনবে না। ফাহাদ কে দেখলে চিনতে পারে। ফাহাদ সেদিকে পিঠ দিয়ে বসেছে। তাহলে এভাবে কি দেখছে? কিন্তু লাবিবার ধারনা নেই সে যতই নিজেকে আবৃত করুক তার পরিচিতি তার ঐ দুটি চোখ। এমন চোখ আর কারো সাথে মিল পাওয়া যায়না। সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতে যেনো বানিয়েছে সেই চোখ জোড়া। অসংখ্য মায়া ঢেলে দিয়েছে। দিয়েছে বিশেষত্ব। যে একবার ঐ চোখ অবলোকন করে সেই এক দেখাতেই বলে দিতে পারবে এই চোখের মালিকিন কে। সেখানে তানভীর তো বেশ কয়েকবার সেই চোখ অবলোকন করেছে। দেখেছে তার একেকটি রুপ। কখনো ভিতু হয়ে পড়ে ঐ চোখ, কখনো উচ্ছাসিত হয়ে হেসে উঠে কখনো অসহায়ত্ব কুঞ্জসীত হয় আবার কখনো অভিমানে বিন্দু বিন্দু ফোয়ারা ছুঁড়ে।
” এই যে মেডাম। এখনো কি আপনার চাদঁমুখ খানা দেখার সৌভাগ্য হবে না? কফি কি ঠান্ডা করার ইচ্ছা আছে?”
ফাহাদের কথায় ধ্যান ভাঙে।
” হু?”
“কখন থেকে ডাকছি। ঐদিকে কি? ”
ফাহাদ পেছনে তাকায়। পরিচিত কাউকেই পায়না। লাবিবাও তাকায়। ততোক্ষনে তানভীরের জায়গাটা খালি হয়ে গেছে। অন্যজন সেখানে বসে গেছে। না চাইতেও লাবিবার মনটা খারাপ হয়ে গেলো। বিরবির করলো,
” চোখের ভ্রম! নাকি সত্যিই চলে গেলো?”
” লাবিবা।এখানে কেউ কি তোমার পরিচিত? ”
” না।”
“এবার মুখটা খুলো। কফি নাও ।”
‘ হু। ‘
নেকাপ সরাতেই প্রদর্শিত হয় গালের উপর টকটকে পাঁচ আঙুলের ছাপ। ব্যস্ত হয়ে পড়ে ফাহাদ।
” লাবিবা কি হয়েছে গালে? আঙুল বসে গেছে। দেখি?”
চেয়ার ছেড়ে এগিয়ে আসে ফাহাদ। লাবিবার গাল ছুবে সাথে সাথেই লাবিবা সরে দাঁড়ায়। কাপা গলায় বলে,
” আমাকে ছুঁবেন না। আমি পবিত্র। ”
“লাবিবা? কি হয়েছে তোমার? আমি তোমার হবু হাজবেন্ড। ”
“আমি বাড়ি যাবো। ”
“শোন আমার কথা।”
“আমি বাড়ি যাবো। ”
“যাবোতো আমরা বাড়িতে। তুমি কাঁদছো কেনো? কে মেরেছে তোমাকে? ”
“আমি বাড়ি যাবো। ”
পর পর দুজন ওয়েটার এসে দাঁড়ায়। ফাহাদ কে বলে,
“স্যার ম্যামকে বরং আপনি বাড়িতেই নিয়ে যান। কেমন হাপাচ্ছে।”
আরেকজন বলে,
“স্যার ম্যামের বোধহয় শরীর খারাপ লাগছে। বাসায় নিয়ে যান। ”
ফাহাদের ও তাই মনে হয়। লাবিবাকে বলে,
“তোমার শরীর খারাপ লাগছে বলবে না? তাহলেই তো আমি আর তোমাকে নিয়ে বেরোতাম না। থাকো আমি বিলটা দিয়ে আসি। ”
ওয়েটার জানায়, “বিল দিতে হবে না স্যার। আপনারা তো কফিটা টাচ করেননি দেখা যাচ্ছে। আমরা নিয়ে নিচ্ছি। ”
“ওকে। থ্যাংকস। ”
“ওয়েল কাম স্যার। আবার আসবেন। ”
লাবিবা ফাহাদ বেরিয়ে যেতেই তানভীর এসে সেই টেবিলে বসে যেখানে লাবিবা বসে ছিল। ফেলে যাওয়া কফি মগে চুমুক দেয়। ওয়েটার এসে বিলের কার্ড এগিয়ে দেয়। তানভীর পরিশোধ করে দিয়ে কফিতে আবার চুমুক দেয়। ফ্রেন্ডসদের সাথে হ্যাং আউট করতে এসেছিল। আর এখন চোখে মুখে চিন্তার ছাপ। চোখে ভেসে উঠছে লাবিবার গাল। টকটকে স্কিনে কিভাবে দাগ হয়ে আছে। দেখলেই বুকটা কেঁপে উঠে। ভুল হয়ে যাচ্ছে নাতো বড় সড়?
“কিরে আবার কফি! উঠ। ”
আশিক টেবিলে থাপ্পড় বসিয়ে ডাকে। তানভীর এক পলক তাকিয়ে বলে ,
” বস।”
” বাকিরা গাড়িতে ওয়েট করছে। ”
“হুম। ”
” কোন বিষয়ে টেন্সট ?”
“একটা মেয়ে। বিয়ে করতে চাই না। তবে তার বিয়েটা জরুরি। বাবা মা বাধ্য করছে বিয়েটা করতে। গায়ে হাত ও তুলছে। যার সাথে বিয়ে হচ্ছে সে মেয়েকে দেখে পুরো দিওয়ানা। দুই পরিবার ই রাজী। ডেট ফিক্সড আর আমি হচ্ছি সেই বিয়ের মাধ্যম। এক্ষেত্রে তুই কি বলবি?”
“মেয়েটা কেনো বিয়ে করতে চায় না?”
“মেয়েটার মনে হচ্ছে এটা তার বিয়ের জন্য উপযুক্ত সময় নয়। মেয়েটার যুক্তি কেউ মানতে রাজী নয় । মনের বিরুদ্ধে হচ্ছে সব। আমার কাছেও সাহায্য চেয়েছে। আমি কি করতে পারি?”
“মেয়েটার ফ্যামিলি কে বোঝা। তোর কথা মানতেও পারে। ”
“সব কিছু হাতের বাইরে বেরিয়ে গেছে। ”
“তো এখন কি করতে চাস? ”
“মেয়েটা যা চায়। ”
“কি চায়?”
“মেয়েটাই জানে। ”
“হেয়ালি করছিস কেনো?”
“একটা সিদ্ধান্ত নিতে চাই। আশা করি উত্তম হবে। ”
“চল। ”
“হুম।”
বিয়ের আছে মাত্র তিন দিন। লাবিবার সকল চেষ্টা ব্যর্থ। বাবা মার সাথে চলছে বিরাট দ্বন্দ। বার বার বোঝাতে গিয়েও ঠেকে গেছে। তার উপর এই ফাহাদ। লাবিবার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। এর সাথে মতই ত্যাড়ামি করা হোক সেই ত্যাড়ামির ই প্রেমে পরে। ইসমাইল ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোক। মেয়ে কি করতে পারে আর না সবটাই জানে। আত্মহত্যা পর্যন্ত গিয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। ইসমাইল শক্ত ভাবে বলে দিয়েছে
” তুমি যদি ভেবে থাকো এ বিয়েটা করলে তোমার লাইফ শেষ হয়ে যাবে তাহলে ইহকালের অর্ধেকটাই শেষ হবে। আবার যদি ভাবো আত্মহত্যা করবে তাহলে ইহকাল পরকাল সবটাই শেষ হবে। ডিসিশনস
ইয়্যুরস। ”
কলেজেও এলাও করছে না। খুব ইমপর্টেন্ট ক্লাস আছে বলে বেরিয়েছে। নাকিব উর্মিলাতো জানে পানি ফিরে পেয়েছে। লাবিবাকে জড়িয়ে ধরে বলে,
” দোস্ত। ফাইনালি তোর বাপ তোরে ছাড়ছে। ”
লাবিবা উর্মিলাকে সরিয়ে দিয়ে নাকিবকে বলে,
” আমার জন্য কি করতে পারবি?”
“তুই খালি ক কি করা লাগবো। ”
” আয় পালিয়ে যাই।”
“দোস্ত! আমাক বিয়া করবি?”
“তোক কেনো বিয়া করবো? ভাই লাগোস না?তুই ছাড়া আর কে আছে যার সাথে পালাতে পারমু।”
“শালার গাদী। একটা প্রেম ও তো করতে পারলি না জীবনে। তুই বাইচা থাকি কি করবি? মইরা যা চল্লিশা খাই। ”
“ফালতু কথা বলবিনা। তোরে নিয়া পালাইলে জীবনে কোন মেয়ে আমারে বিয়া করবো? কেলেঙ্কারি হয়ে যাবো না? গার্লফ্রেন্ডের সামনে কোন মুখ নিয়ে দাড়ামু?”
” তাহলে আমি কিভাবে বিয়ে টা আটকাবো?”
“তোর ঘটক রে বল।”
” স্যারকে বলেছিলাম। স্যার আরো পথ সাফ করে দিয়েছে। এই স্যারের জন্য ই এতো কিছু। উনি যদি এর মধ্যে না থাকতেন না তাহলে আডুলি বাডুলি সব ঘটককে তুরি মেরে আমি তাড়াতাম। ”
“তাহলে চল তুড়ি মারার ব্যবস্থা করি।”
“কিভাবে?”
“স্যারের বউকে ম্যানেজ করি। বাইরে মতই বাঘ হোক না কেনো সব পুরুষই বউয়ের পোষা ঘোড়া। ”
“ম্যাম কে কিভাবে ম্যানেজ করবি? উনি কি উনার হাজবেন্ড ছাড়া আমাদের কথা বিশ্বাস করবে?”
” না করলে প্রমান দেখাবো। তবুও বিশ্বাস করতে হবে। কোন মেয়েই এতো বড় একটা ঘটনা শোনার পর কোন মেয়ের ক্ষতি করতে চাইবে না। ”
” আমাদের আরো আগে উনার কাছে যাওয়া উচিত ছিলো। উনার কাছে কাজ না হলে পাগলের ডাক্তারকেও ম্যানেজ করবো। উনি বোধহয় তানভীর স্যারের ফ্রেন্ড হবে। সেদিন উনার চ্যাম্বারে কথা বার্তা শুনে তো তাই মনে হলো। ”
” এখন চল। নয়তো দেড়ি হয়ে যাবে। লাব্বুকে আবার বাসায় ফিরতে হবে। ”
চলবে ___
®লাবিবা তানহা এলিজা