তৃপ্তিতে_আসক্ত_নিদ্র🧡 #DcD_DaS #পর্ব__________4

0
1741

#তৃপ্তিতে_আসক্ত_নিদ্র🧡
#DcD_DaS
#পর্ব__________4

এই কথা সুনার পর নিদ্রর দু’চোখ দিয়ে
আরো দু’ফোটা চোখের পানি গরিয়ে পরলো ।
জেসিকাকে এখন জরিয়ে ধরতে তার গা
ঘিন ঘিন করছে । কিন্তু কিছু করার নেই ।
কারন জেসিকা নিদ্রর একে বারে কাছের ফ্রেন্ড
ছিল । শত খারাপ হলেও তার ফ্রেন্ড তো ।

:+জেসিকা ফিরে আয় না এই পথ থেকে ।(নিদ্র)

:+পারবো নারে নিদ । তোর লেট হচ্ছে চলে
যা এখান থেকে । আর কোন দিনও আসিস না
এখানে । ছার আমায় ।(জুথি)

:+প্লিজ আমার একটা কথা রাখ । ফিরে আয়
এই পাপের রাজ্য থেকে ।(নিদ্র)

:+পাপ না শুখ এটা আমি ভালো করেই যানি বেবি ।
তুমি তারাতাড়ি এখান থেকে কেটে পরো ।
নাহলে কিছু খন পর তুমি এই পৃথিবীতে শেষ
নিশ্বাস তেগ করবে ।(জুথি)(মনে মনে বলল)

:+পারবো নারে নিদ । আমি এখন পুরো
আসক্ত এতে ।(জুথি)

এই কথা সুনার পর নিদ্রর মাথা গরম হয়ে গেল ।
ভেবে ছিল জেসিকাকে সুজুক দিবে ভালো হওয়ার
জন্য । কিন্তু না এ ভালো হওয়া যগ্য না ।
নিদ্র জেসিকাকে এক যাটকায় নিজে থেকে
ছারিয়ে নিলো । চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো নিদ্র ।

:+থাক তুই এই পাপের রাজ্য । এই পাপ তোকে
শেষ করবে এই আমি বলে দিলাম । নিজের
খেয়াল রাখিস বায় । মরন তোর খুব নিকটে ।(নিদ্র)

এই বলে ড্রেসিং টেবিলের উপর থেকে গারির চাবি
নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে এলো নিদ্র । নিদ্র
বেরিয়ে যেতেই জুথি জোরে একটা নিশ্বাস ফেললো ।
আনমনেই বলে উঠলো ।

:+যাক বাবা বাচলাম । অল্পের জন্য নিজের
পায়ে নিজে কুরোল মারতে গিয়ে ছিলাম আমি ।
ভাগ্য ভালো হালায় কিছু যানে না ।(জুথি)

কিন্তু জুথি তো আর যানে না যে নিদ্র সবই
যেনে গেছে । রুম থেকে বেরিয়ে সিরি বেয়ে নিচ
তলায় নামলো নিদ্র । নিচ তলায় নামতেই নিদ্র
চোখ কপালে উঠে গেল । তিন জন ছেলে নিচ
তলায় সোফার উপর বসে আড্ডা দিচ্ছে । তারা
যখন এসে ছিল তখন কেও ছিল না এখানে ।
হঠাৎ এতো তারাতাড়ি এই তিন’টা ছেলে কোথা
থেকে চলে এলো । নিদ্র কোন কথা না বলে
বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল । ছেলে তিন’টা নিদ্রর
দিকে কেমন করে যেন তাকিয়ে ছিল ।
নিজের গারিতে আবার উঠে বসলো নিদ্র ।
গারি ঘুরিয়ে আবার রওনা দিল নিজের গন্তব্যে ।
ড্রাইভ করছে আর চোখের পানি মুছে নিদ্র ।
চোখের পানি ফেলতে ফেলতে কাকে যেন
কল করলো নিদ্র ।

:+হ্যালো জেক ।(নিদ্র)

+———————–+

:+এই জেক আবার কে ।(রনি)

:+আরে বাপ তুই চুপ চাপ সুন পুরো গল্প’টা
তারপর বুঝবি এই জেক কে । নাহলে কিছুই
বুঝবি না ।(আরিয়ান)

:+ঠিক আছে তুই বল।(রনি)

:+হুম তুই চুপচাপ সুনতে থাক।(আরিয়ান)

+—————————-+

:+হুম বল । কোথায় আছিস এখন ।
পোচ্ছে গেছিস তোদের গ্রামের বাড়ি ।(জেক)

:+নারে আরো তিন চার ঘন্টা লাকবে ।(নিদ্র)

:+কিরে তোর কথা এমন সুনা যাচ্ছে কেন ।(জেক)

:+আমার তিন বন্ধু খুনিকে আজ খুঁজে
পেয়েছি জেক।(নিদ্র)

গারি’টা জোরে ব্রেক করে চিৎকার দিয়ে বলে
উঠলো নিদ্র ।

:+কি বলছিস তুই নিদ্র । কোথায় ওই
সালি লোকেশন বল তারাতারি ।(জেক)

:+লোকেশন পাঠিয়ে দিয়েছি আমি তোকে ।
এই লোকেশনে ২০/২৫ টা ছেলে নিয়ে চলে যা ।(নিদ্র)

:+ঠিক আছে যাচ্ছি । আর তুই ঠিক আছিস
তো তোর কিছু করে নিতো ও ।(জেক)

:+না আমার কিছু করেনি । করবে কি করে
আমি তো ওকে বুঝতেই দেইনি যে আমি
সব যানি ।(নিদ্র)

:+ওওও । এখন কোথায় আছিস তুই ।(জেক)

:+গারিতে আছি ।(নিদ্র)

:+ঠিক আছে তুই সাবধানে গারি ড্রাইভ করে
তোর গ্রামের বাড়ি চলে যা । আর বাকি’টা
আমি দেখছি ।(জেক)

:+ঠিক আছে । আর একটা কথা ওকে মারার
আগে আমার সাথে একটু কথা বলাস । ওর
সাথে আমি কিছু কথা বলবো ।(নিদ্র)

:+আচ্ছা রাখি তাহলে । সাবধানে যাস গিয়ে
আবার ফোন করিস আমায় ।(জেক)

কল কেটে দিয়ে আবার গারি ড্রাইভ করার দিকে
মন দিলো নিদ্র । চোখের পানি ফেলতে ফেলতে
আবার একটা রেস্টুরেন্টের সামনে এসে গারি
পার্ক করলো ।গারি থেকে নেমে রেস্টুরেন্টের
ভিতরে গেল নিদ্র ।

:+কি নিবেন স্যার বলুন ।(ওয়েটার)

:+আসলে আমি আগে ওয়াসরুমে যাবো
একটু দেখিয়ে দিতেন যদি ।(নিদ্র)

:+আমার সাথে আসুন(ওয়েটার)

নিদ্র ওয়েটারের পিছু পিছু গেলো ।

:+এই যে ।(ওয়েটার)

:+থ্যাংস ।(নিদ্র)

ওয়েটার একটা হাসি দিয়ে চলে গেল ।
নিদ্র ওয়াসরুমে ভিতরে গেল । ওয়ারুমের
ভিতরে বেসিংএর সমনে আয়নায় নিজের মুখ
দেখে আবার চোখের পানি ফেলে দিলো নিদ্র ।
কারন জুথির ঠোঁটে থাকা লাল লিপস্টিক নিদ্রর
ঠোটে লেগে আছে । এজন্য হয়তো ওই ছেলে
তিন’টা আর ওয়েটার তার দিকে এমন ভাবে
তাকিয়ে ছিল । তারাতাড়ি চোখে মুখে পানি দিয়ে ।
ফ্রেশ হয়ে ওয়াসরুম থেকে বেরিয়ে আসলো ।
একটা টেবিলে বসে এক কাপ কপি অডার
করলো নিদ্র । কপির বিল দিয়ে রেস্টুরেন্টে
থেকে বেরিয়ে আসলো আবার । রাত ১০টা বেজে
গেছে । গারিতে উঠে গারি ড্রাইভ করা সুরু
করলো নিদ্র । অবশেষে নিজ গন্তব্য এসে
পোছালো নিদ্র । তিনতলা একটা বাড়ির
গেটের সামনে এসে গারি দার করালো নিদ্র ।
গারির হন বাজাতেই একটা লোক এসে গেট
খুলে দিলো । গারি ভিতরে ডুকিয়ে পার্ক করলো
নিদ্র । তিন’তলা বাড়ির মেন দরজায় সামনে
গালে হাত দিয়ে বসে আছে তৃপ্তি ।

(তৃপ্তির পরিচয় কিন্তু আপনাদের প্রথম
পর্বে দিয়ে দিয়েছি । তবুও আবার দিচ্ছি ।
বজলুর আহমেদ । সালমা আক্তার শিউলির
একমাত্র মেয়ে তৃপ্তি । তৃপ্তির ছোট একটি আছে ।
বজলুর আহমেদ আর নিদ্রর বাবা ফরহাদ
আহমেদ তারা দুই ভাই ।)

(যারা কিছু বুঝতে পারছেন না তারা পুরো
গল্প’টা না পরলে কিছুই বুঝবেন না ।
আর যারা বলবেন তৃপ্তির এন্ট্রি তো পথমেই
হয়েছে তাহলে এখন আবার নতুন করে এন্ট্রি কেন ।
ভাই প্রথম পর্ব ভালো করে পরেন তাহলে বুঝতে পারবেন ।)

সেই দুপুর থেকে তিন’তলা বাড়ির মেন দরজায়
সামনে গালে হাত দিয়ে বসে আছে তৃপ্তি ।
আজ তার SSC পরিক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে ।
সেই সুবাদে নিদ্র আজ এসেছে তাদের গ্রামের
বাড়িতে । তৃপ্তিকে অনেক বার বজলুর আর
সালমা বাড়ির ভিতরে নিয়ে যেতে চেয়েছিল ।
কিন্তু তৃপ্তি নিদ্রর উপর রাগ করে কিছু না খেয়ে
সেই দুপুর থেকে এখন প্রজন্ত বসে আছে ।
নিদ্রর উপর অনেক রাগ যমে আছে তৃপ্তির ।
গারি পার্ক করে গারি থেকে নামতেই ।
উরাধুরা মাইর পরতে লাগলো নিদ্রর পিঠে ।

:+কুতা,হারামি, বান্দর, শিয়াল ।
এখন আসার সময় হইছে তোর ।(তৃপ্তি)

সমনের দিকে ঘুরতেই বড় রকমের
একটা টাস্কি খেলো নিদ্র । তৃপ্তিকে সে
শেষ পাচ বছর আগে দেখেছে ।
তারপর আর দেখা হয়নি কিন্তু তাদের মধ্যে
কথা হতো । নিদ্রর চাচা বজলুর আহমেদের
ফোন দিয়ে তৃপ্তি প্রায়ই কল করে নিদ্রর সাথে
কথা বলতো । খালি হাতে থাপ্পড় ঘুসি দিতে
দিতে হাপিয়ে যায় তৃপ্তি । নিদ্রর পায়ে একটা
লাথি মেরে নিদ্রর সামনে বসে পরে তৃপ্তি । নিদ্র
হাসতে হাসতে সেও তৃপ্তির সামনে বসে পরে ।
একটু দুরে দ্বারিয়ে বজলুর সলমা আর তৃপ্তির
ছোট ভাই সজিব । দেখছে তৃপ্তি আর নিদ্রর কান্ড ।
তৃপ্তির কান্ড দেখে বজলুর সলমা সজিব তিন
জনে হাসতে লাগলো,,,,,,,,,,,।

#চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

((কপি করা নিষেধ))

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here