কার্নিশ_ছোঁয়া_অলকমেঘ লেখনীতে: মিথিলা মাশরেকা ১৩.

0
414

#কার্নিশ_ছোঁয়া_অলকমেঘ
লেখনীতে: মিথিলা মাশরেকা

১৩.

তাশদীদ বাস্কেটবল কোর্টের এককোনে পেছনে হাত রেখে বসে। কোর্টের মাঝে ওদের দল হৈ হুল্লোড় করছে। আনন্দের মাত্রাটা ওদের একটু বেশিই। অবশ্য তার কারনও আছে। প্রথমার্ধের খেলায় যে দল ১৬-৯ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলো, সেই দলই দ্বিতীয়ার্ধের পর ২১-৩২ এ এগিয়ে যাবে, তা কারোরই কল্পনায় ছিলো না। কিন্তু সেটাই হয়েছে। তাও আবার কার জন্য? যে তাশদীদ প্রথমার্ধে একটা বলও বাস্কেট করেনি, সেই তাশদীদের জন্য। দ্বিতীয়ার্ধে হওয়া ২৩ টা বলের ১৭ টা বাস্কেট তাশদীদ একাই করেছে। ওদের টিমের ক্যাপ্টেন ছিলো শান্ত। জয়ের আনন্দে সবাই মিলে কোর্টে নাচানাচি করছে। তাশদীদ নিচে বসে জুতা খুললো। তারপর আশেপাশে তাকিয়ে তাথৈ-তুল্যকে খুজলো। দুই ভাইবোন পুরোটা খেলা দেখেছে। ওর জয়টা যে ওদের দুজনের কারো হজম হয়নি, সেটা খুব ভালোমতোই জানে তাশদীদ। অগ্নিশর্মা মুখদুটো দেখার খুব ইচ্ছে করছিলো ওর। কিন্তু দুভাইবোনের একটাও নেই আশেপাশে। হঠাৎই পাশ থেকে আওয়াজ এলো,

– জিতে তো গেলেন ভাইয়া। এবার?

তাশদীদ ঘাড় ঘুরিয়ে পাশে তাকালো। কমলা রঙের পান্জাবী পরিহিত রুমনকে দেখে কপাল কুচকে একটা জোরালো হাসি দিলো ও। বললো,

– হ্যাঁ? কিছু বলতে চাও তুমি?

প্রশ্নটা শুনে রুমনের হাসি সবটুকো গায়েব হয়ে যায়। গলার দুপাশে ঝুলানো খয়েরি সরু চাদরটা টেনে বরাবর করে ও। এরইমাঝে টিটু এগিয়ে আসে। রুমনকে দেখে হেসে বলে,

– কিরে সুন্দরী কমলা? তুই তাথৈয়ের বান্ধবী না?

তাশদীদ কিছুটা শাষনমিশ্রিত চাওনিতে ওর দিকে তাকালো। টিটু সামলে যায়। গলা ঝেড়ে আবারো বললো,

– কিরে রাজকুমার কমলালেবু? তুই তাথৈয়ের বন্ধু না?

– হ্যাঁ।

জবাব দিয়ে মুখ ভেঙচালো রুমন। বুকে হাত গুজে অন্যদিক তাকালো। টিটু শব্দ করে হেসে দিলো ওর ভঙিমা দেখে। তাশদীদ কোনোমতে হাসি আটকে পাশ থেকে পানিরবোতল ছুড়লো ওর দিকে। ইশারা করলো কোর্টে যেতে। টিটু হাসতে বোতলটা ক্যাচ করে নিয়ে চলে গেলো। তাশদীদ উঠে দাড়ালো। রুমনকে বললো,

– তুমি তাথৈয়ের ফ্রেন্ড? তাহলে তো মনেহয় তুমি তুল্যরও ফ্রেন্ড?

হুট করেই লাজুকলাজুক ভঙি দেখাতে শুরু করে রুমন। কানের পিঠে চুল গোজার মতো করে বলে,

– হুম। তুল্যবাবুরও ফ্রেন্ড আমি।

– আর তোমার এই দুই ফ্রেন্ড কোথায়? কিছুক্ষণ আগেই তো খেলা দেখছিলো।

– ওরা চলে গেছে।

তাশদীদ মৃদ্যু হাসলো। নিচে থাকা ব্যাগটা তুলে কাধে নিলো। তারপর রুমনের কাধে হাত রেখে বললো,

– ওকে। ভালো থেকো তবে। আমাকে যেতে হবে এখন।

রুমন মাথা ওপরনিচ করলো। তাশদীদ আগে কোর্টের মাঝে গেলো। সবার সাথে সেকেন্ড পাঁচেক নাচানাচি করে ড্রেসিং রুমে চেইন্জ করে নিলো। চেইন্জ করতে গিয়ে আবারো বুকের দাগটা চোখে পরে ওর। তাশদীদ নিশব্দে হেসে নিজেনিজেই বললো, ‘আমাকে যন্ত্রণা দিয়ে আঘাত করতে আসলে আমি ভালোবেসে আঘাত করতে জানি ম্যাডাম। তোমার দেওয়া আঘাত ক্ষণস্থায়ী। বাট ট্রাস্ট মি, আমার দেওয়া আঘাত হবে এভারলাস্টিং। চিরস্থায়ী।’
মাগরিবের কিছুটা আগে তাশদীদ বাড়ি পৌছালো। ঘরে না ঢুকে বারান্দায় ব্যাগটা রাখলো ও। তামজীদ তখন ওয়াশরুমে ওযু করছিলো। ওযুশেষে বেরিয়ে দেখে তাশদীদ ভেতরে না ঢুকে টিশার্ট গ্রিলে ঝুলাচ্ছে। তামজীদ তোয়ালেতে হাতমুখ মুছতে মুছতে বললো,

– বাইরে কেনো চেন্জ করছিস?

– পুকুরে যাবো। আজ পুকুরে গোসল করবো।

– কি এমন হয়েছে টিউশনিতে যে তোর বাসায় ফিরেই গোসল করতে হবে?

তাশদীদ কেবল একটা লুক দিলো। তামজীদের আর জবাবের প্রয়োজন হলো না। বিরবিরিয়ে ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ পরে আবারো ওয়াশরুমের দিকে এগোলো ও। ওযু করতে। বাহ্যিক ওযু না ভাঙলেও ওর মনের ওযু ভেঙে গেছে। তাশদীদ গলা উচিয়ে বললো,

– মা? বাবার পলিশ করা জুতাটা বের করে রেখো।

তামজীদ কুলি করতে করতে ট্যাপের পানিই কয়েকঢোক খেয়ে নিলো। আজ আর রক্ষে নেই। পলিশ করা জুতা আজ কপালে নাচছে ওর। তাশদীদ বাড়ির পেছনদিকটায় চলে আসলো। সন্ধ্যের আগের লাল আভায় গোটা পশ্চিম আকাশ ভরে আছে। সিড়ি বেয়ে নেমে, ঝাঁপ দিলো ও পুকুরের পানিতে। তামজীদ ওযু শেষ করে বেরোতেই শোনে বারান্দায় থাকা ব্যাগে, তাশদীদের ফোনটা বাজছে। হাতমুখ মুছে ফোনটা বের করে ও। কিন্তু নম্বরটা দেখেই খিচে চোখ বন্ধ করে নিয়ে বলে, ‘আরেক আসতাগফিরুল্লাহ!’ তামজীদ ফোন হাতে মায়ের ঘরের দিকে এগোতে এগোতে বললো,

– মা? রিংকি আপু ফোন করেছে।

মিসেস ওয়াসীর জামাকাপড় ভাজ দিচ্ছিলেন। ছেলের কাছ থেকে ফোন নিলেন উনি। হ্যালো বলার আগেই ওপাশ থেকে রিংকি বললো,

– আজকে পড়াতে আসবেন না তাশদীদ ভাই?

– আব্ রিংকি? আমি আন্টি বলছি। কেমন আছো?

– ওহ আন্টি? স্লামালাইকুম। কেমন আছেন?

– হ্যাঁ মা আছি ভালোই। তেমার বাসার সব ভালো?

– জ্বী আন্টি। আন্টি তাশদীদ ভাই?

– তাশদীদ তো গোসলে। সবেই ফিরেছে বাসায়।

– ও। আচ্ছা আন্টি। ভাইকে একটু বলবেন আমি কল করেছিলাম।

– হ্যাঁ। বলবো। আর তোমরা সময় করে এসো প্রীতিকার্নিশ। অনেকদিন আসোনা।

‘খাল কেটে কুমির’ আনা ব্যাপারটা চাক্ষুষ দেখতে পেয়ে তামজীদের মুখ বড়সর হা হয়ে যায়। মাকে থামাতে যাবে, পরপরই ওর পলিশ করা জুতার কথা মনে পরে। আর মাকে বারণ করলো না তামজীদ। বিশ্বজয়ের হাসি দিয়ে টুপিটা নিয়ে রওনা হলো মসজিদের দিকে। মনেমনে মনেমনে বলতে লাগলো, যেহেতু মারের হাত থেকে বেচে গেছি, আজকে দু রাকাত নফল বেশি পরবো। ওপাশে রিংকিও খুশি হয়ে যায়। উচ্ছল কন্ঠে বলে,

– বলছেন প্রীতিকার্নিশ আসতে?

– হ্যাঁ। আর বলতে হবে কেনো? যখন ইচ্ছে করে চলে আসবে।

– ঠিকাছে আন্টি।

কল কেটে ফোন কান থেকে নামিয়ে নিলো রিংকি। নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে কিছু একটা ভাবলো ও। পরে গলা উচিয়ে ডাক লাগালো মাকে। রিংকির মা তখনতখন ছুটে আসলো। এসে দেখে রিংকি আয়নার সামনে দাড়িয়ে চুল ঠিক করছে। লিপস্টিক দেওয়া শেষে মাকে দেখে রিংকি বললো,

– রেডি হও। প্রীতিকার্নিশ যাবো।

– এখন? এখন প্রীতিকার্নিশ কেনো?

– আজকে তো তাশদীদ ভাইয়ের পড়াতে আসার কথা। উনি আসলেন না। তাই আমিই দেখা করতে যাবো।

– কিন্তু তোর বাবা তো বাসায় নেই। বাসায় রোজি একা।

– কই ও?

– ঘুমাচ্ছে।

– ঘুমাতে দাও। ও ঘুম থেকে উঠতে উঠতেই আমরা চলে আসবো।

– কিন্তু রিংকি…

রিংকি মায়ের কথাকে পাত্তা দিলো না। পার্স আর মোবাইলটা হাতে নিয়ে রুম থেকে বেরোতে বেরোতে বললো,

– তুমি না গেলেও সমস্যা নেই। আমি একাই যেতে পারি। যদি যাও পাঁচমিনিটে নিচে আসো।

রিংকি বেরিয়ে গেলো। ভদ্রমহিলা পরলেন মহাবিপাকে। রিংকিকে ছোটবেলা থেকে স্কুলকলেজে তিনিই আনা নেওয়া করেছেন। বেলা ডুবেছে। মাগরিবের আযান পরবে। এসময় মেয়েকে একা ছাড়া মোটেও তার পক্ষে সম্ভব না। এদিকে রোজিকেও একা বাসায় ছাড়া যাবেনা। উপায়ন্তর না দেখে স্বামীকে কল লাগালেন তিনি।

সন্ধ্যেবেলা তৈয়ব আলফেজ বাসায় ঢুকে দেখেন তুল্য ড্রয়িংরুমে সোফায় বসে টম এন্ড জেরি দেখছে আর সিগারেট টানছে। সামনের টি টেবিলে এ্যাশট্রে। সেখানে শেষ হওয়া ছয় সাতটা সিগারেট। পুরো ড্রয়িংরুম সিগারেটের গন্ধ ভরে আছে। দুবার কাশি দিলেন তৈয়ব আলফেজ। ঘাড় উচিয়ে তাকালো তুল্য। হাতের সিগারেট নিভিয়ে, পাশ থেকে এয়ার ফ্রেশনার নিলো ও। সোফায় বসে আশেপাশে স্প্রে করলো ওটা। তারপর উঠে এলোমেলো পায়ে বাবার পাশে আসলো। হেলতেদুলতে বাবার আশেপাশেও স্প্রে করলো কয়েকবার। তারপর কয়েকপা পিছিয়ে আতকে ওঠার মতো করে বললো,

– ওপস্! তৈয়ব আলফেজের তো সিগারেটের গন্ধ সহ্য হয়না। এবার ঠিকাছে মিস্টার আলফেজ? আর স্মেল পাচ্ছেন সিগারেটের?

তৈয়ব আলফেজ জবাব দিলেননা। তুল্যর খোচাটা গায়েও লাগালেন না। কেননা দৈনিক তুল্যর সমসংখ্যক সিগারেট তিনি নিজেও শেষ করেন। ভারী গলায় বললেন,

– তাথৈ কোথায়?

– হেহ! আমার সামনে নাটক করবেন না তো মিস্টার আলফেজ। ফর গডস সেক! আমার সামনে নাটক করবেন না। মেয়ের খবর নেওয়ার ঢংটা আমার সামনে না দেখালেও চলবে!

তাচ্ছিল্য করে বললো তুল্য। আবার গিয়ে বসলো সোফায়। টিভির সাউন্ড বাড়িয়ে দিয়ে স্প্রাইটের কাচের বোতলে চুমুক দিলো। তৈয়ব আলফেজ পুরো অম্বুনীড় কাপিয়ে হুংকার ছাড়লেন,

– রফিজ?

মধ্যবয়স্ক একটা লোক ছুটে আসলেন। তৈয়ব আলফেজ তাকে বললেন,

– তাথৈ ফেরেনি?

– ফিরেছিলো ভাই। এসে দেখে ওর গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে। গাড়ি নিয়ে আবার বেরিয়েছে।

এটুক শুনে আর দাড়ালেন না তৈয়ব আলফেজ। সিড়ি বেয়ে নিজের ঘরে চলে গেলেন তিনি। তুল্য টিভির দিকে তাকিয়ে। কিন্তু ওর মন অন্যত্র। তাশদীদের খেলার পদ্ধতি ওর মাথায় চিন্তা ঢুকিয়ে দিয়েছে। স্প্রাইটের বোতলে চুমুক দিতে দিতে মনেমনে ভাবতে লাগলো, ফাইনালে গেইমপ্লান কি রাখবে। এটাক নাকি ডিফেন্ড। ঠিক সেসময়েই কল আসে ওর নাম্বারে। সেখানে থাকা নামটা দেখে মেজাজ আরো বিগড়ে যায় তুল্যর। আফিফ। পড়াশোনা বা অন্যকোনো কারনে তুল্যর তেমন কারো সাথে যোগাযোগ নেই। কিন্তু বাস্কেটবল টিমে আছে বলে ওর সাথে যোগাযোগ রাখতে হয়। কল রিসিভ করলো তুল্য। ওপাশ থেকে আফিফ বললো,

– এই মুহুর্তে আমার নাম্বারে পনেরো হাজার টাকা সেন্ড মানি কর তুল্য। তোর বোন আমার গাড়ির পেছনের দুটো হেডলাইটই ভেঙে দিয়েছে।

বলা শেষ করার আগেই আবারো কাচভাঙা আওয়াজ আসে আফিফের কানে। চমকে উঠে গাড়ির সামনের দিকটায় তাকায় ও। স্কেটিং স্টিক মাটিতে ঠেকিয়ে, একপায়ে আরেকপা মুড়িয়ে দাড়িয়ে আছে তাথৈ। সামনের হেডলাইটদুটোও ভাঙা আফিফের চোখ বেরিয়ে আসার উপক্রম হয়। তাথৈ স্বাভাবিক গলায় বললো,

– পনেরো হাজার আরো এড কর। তোর গাড়ির সামনের হেডলাইটদুটোও…

বলা শেষ না করে শীষ বাজিয়ে শেষ বুঝায় তাথৈ। ওর গলা শুনেই তুল্য কল কেটে দেয়। আপনাআপনিই কান থেকে ফোন নেমে আসে আফিফের। তাথৈ বললো,

– তুই আমার গাড়িতে হাত লাগাবি, আর আমি তোর গাড়িকে ছেড়ে দেবো, তা কি করে হয় বলতো আফিফ?

– আ্ আমি তোর গাড়ি ধরতে যাবো কেনো?

প্রশ্ন করে বিচলিত হয়ে পরে আফিফ। তাথৈ সোজা হয়ে দাড়ায়। এগিয়ে এসে ওর গাড়ির জানালায় স্টিক ঠেকায়। আস্তেআস্তে ঠুকাতে ঠুকাতে বলে,

– ধরিসনি?

– তুই করিসনি? তাহলে কে করেছে? তোর ছুটকো চেলা নয়ন?

আফিফ বিস্ময়ে তাকালো। নয়ন নামক এক মেকানিককে দিয়ে তাথৈর গাড়িতে সাতপাঁচ ওই করিয়েছিলো। আর সত্যিটা তাথৈ জানে এটাতে আর সন্দেহ নেই ওর। তাথৈ কিছু করার আগে ওই দ্রুততার সাথে বললো,

– দ্ দেখ তাথৈ…

তাথৈ ওকে সুযোগ দেয়না। জোরেসোরে বারি লাগায় গাড়ির কাচে। গাড়ির জানালা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। স্তব্ধ হয়ে দাড়িয়ে রইলো আফিফ। আজকের দিনের ওর সবচেয়ে ভালোলাগা ছিলো তাথৈকে ক্যাম্পাসে গাড়ি ছাড়া দেখা। মনের সুখে লংড্রাইভে বেরিয়েছিলো ও। কিন্তু এখন ওর গাড়িটারই বেহাল দশা৷ তাথৈ ওর হতভম্ভ অবস্থাকে বিন্দুমাত্র পাত্তা দিলো না। গিয়ে নিজের গাড়িতে ওঠে ও। ড্রাইভ করে আফিফের পাশে এসে থেমে বললো,

– লোকে বলে ইটটা মারলে পাটকেলটা খেতে হয়৷ এসবে বিশ্বাস করে আমাকে ইট মারতে আসিস না আফিফ। ইট খেয়ে আমি তোকে ইটের টুকরো ছুড়তে যাবো না৷ আমার জবাবের পরিধি আরো বিস্তর। বি কেয়ারফুল আফিফ। ইট মারার দায়ে, পুরো ইটের দালানটাই না তোর ওপর ধ্বসে পরে।

চোয়াল শক্ত করে গাড়ি স্টার্ট দিলো তাথৈ। তীব্র গতিতে গাড়ি চালাতে লাগলো। সবই ঠিক আছে। তারপরও কোথাও কিছু একটা ঠিক নেই। সত্যিই তো এটাই, ওর জবাবের পরিধি আর বিস্তর নেই। ওর অজান্তেই সে সীমার ব্যতিক্রম ঘটেছে। আর সে ব্যতিক্রমী সীমার নাম, তাশদীদ ওয়াসীর।

#চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here