শুনলাম_বসন্ত_নাকি_আবার_এসেছে #লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান #পর্বঃ৩০

1
1269

#শুনলাম_বসন্ত_নাকি_আবার_এসেছে
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ৩০

গেস্টরুমে না গিয়ে তুলি বেগম আর তুবা নিচতলার একটা রুমে বসে আছে ৷ কারন গেস্টরুম তিনতলায় , ওখানে ওঠার মতো শক্তপোক্ত হাড়হাড্ডি তুলি বেগমের শরীরে নেই ৷ জোর করে উঠতে গেলে মড়মড় করে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল!

তুবা মনোযোগ দিয়ে একটা খবরের কাগজ পড়ছে ৷ এই বর্তমান সময়ে খবরের কাগজ খুব বেশি দেখা যায় না ৷ একটা পুরাতন খবরের কাগজ দেখে সেটা তুলি বেগম তুবাকে পড়তে দিয়েছে কারন তাহির ইসলাম খবরের কাগজ পড়ার সময় দিন দুনিয়া ভুলে থাকে ৷ অবশ্য খবরের কাগজটা পুরাতন হওয়ায় আরো একটা লাভ হয়েছে কারন তাহির ইসলাম আই মিন তুবা যদি দেখে সাল ২০৪৮ তাহলে বিশাল ঝামেলা শুরু হয়ে যাবে ৷

হঠাৎ করে তুলি বেগম একদৃষ্টিতে তুবার দিকে তাকিয়ে থাকলেন ৷ হঠাৎ উনার তাহির ইসলামের কথা খুব মনে পড়ছে ৷ তুবাকে হঠাৎ তাহির ইসলাম মনে হচ্ছে উনার কাছে ৷ স্বামীকে বড্ড ভালোবাসতেন তিনি ৷ সবসময় দোয়া করতেন যেন নিজের জীবদ্দশাতে স্বামীর মৃ*ত্যু দেখতে না হয় কিন্তু আল্লাহ অন্যকিছুই ভাগ্যে রেখেছিল উনার ৷ তুলি বেগমের চোখ ঝাপসা হয়ে গেল ৷ সেই কালো দিনের কথা মনে পড়ে গেল যেদিন তাহির ইসলাম সকলকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আল্লাহর কাছে চলে গিয়েছিল ৷

তুবার আওয়াজে উনি ঘোর থেকে বেরোলেন,,, আচ্ছা তুলি আমি চশমা ছাড়াই লেখাগুলো এতো স্পষ্টভাবে কেন দেখছি বলো তো? আমার চোখ হঠাৎ ভালো হয়ে গেল কিভাবে?

কথাটা বলতে বলতে তুবা তুলি বেগমের দিকে তাকাতেই চুপ করে গেল ৷ তুলি বেগম দ্রুত নিজের চোখের পানি মুছে নিল ৷ তা দেখে তুবা বলে উঠল,,,

আরে আমাকে সবার সামনে ধ*মক দিয়েছো জন্য খারাপ লাগছে? সমস্যা নেই আমি মাফ করে দিয়েছি ৷

তুলি বেগম গলা খাকারি দিয়ে বললেন,,, এ্যাহহহ আমার বয়েই গেছে সেজন্য মন খারাপ করতে ৷ আপনাকে তো আরো কয়েকটা হিং*স্র ধমক দেওয়া উচিত ছিল আমার ৷

তুবা আফসোসের সুরে বলে উঠল,,, আমাকে একটুও ভালোবাসো না তুমি ৷ সবসময় এমন করতে থাকো ৷

তুলি বেগম হঠাৎ তুবার অস্তিত্বের কথা ভুলে গিয়ে ওকে তাহির ইসলাম ভেবে ওকে জরিয়ে ধরে বলতে লাগলেন,,,,

আমার ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না প্লিজ ৷ আমি আমাদের সাংসারিক জীবনে কখনোই আপনাকে অসম্মান করে কথা বলিনি কিন্তু বুড়ো হওয়ার পর থেকে আপনার বেহুদ্দা কাজ কারবার দেখে না চাইতেও ধমক দিয়ে ফেলি ৷

তুবা তুলি বেগমের পিঠে হাত রেখে মুচকি হেসে বলল,,, আমি জানি তো ৷ আমার বউ সবথেকে বেস্ট ৷ আমার বাচ্চাদের কত সুন্দর শিক্ষা দিয়ে বড় হয়েছে ৷ আমাদের তানজিদ আর তানিয়ার শিক্ষার প্রতি আঙুল তোলার মতো একটা মানুষও পাব কিনা সন্দেহ!

তুলি বেগমও হাসলেন সামান্য ৷ কিছুক্ষণ ঠান্ডা আর ভালোবাসাময় পরিবেশ বিরাজমান থাকল ৷ কিন্তু পর মুহূর্তে তুলি বেগম মুখ ভেংচি কেটে বললেন,,,

কিন্তু দোষ তো বুড়ো আপনার ৷ সবসময় শুধু ঝামেলা তৈরি করতে থাকেন ৷

তুবার হাসিহাসি মুখটা মিলিয়ে গেল ৷ থমথমে মুখে বসে থাকল ৷ হঠাৎ কিছু একটা মাথায় আসতেই ও বলে উঠল,,,,

আচ্ছা ভালো কথা আমি আমার নাতজামাইয়ের ঘরে কি করছিলাম বলো তো? যেখানে তুবার থাকার কথা সেখানে আমি কি করছিলাম? তুবা তখন কোথায় ছিল? আর আজকে তুবা মুখ ঢেকে রেখেছিল কেন? আর কথাই বা বলল না কেন?

তুলি বেগম হড়বড় করে তুবার থেকে সরে গেলেন ৷ উনার মুখে চিন্তার ছাপ ৷ এসব প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে আসবেই সেটা অস্বীকার করার কোনো কারন নেই কিন্তু এগুলোর উত্তর দেওয়া তো তার মতো মর্মর বুড়ির মাথায় আসার কথা না ৷

লজিক্যাল কোনো উত্তর খুঁজে না পেয়ে তুলি বেগম খেকিয়ে উঠে বললেন,,,, জানেন কি জন্য ওখানে ছিলেন আপনি? জানেন কি জন্য?

তুবা তৎক্ষণাৎ জবাব দিল,,, না জানি না ৷

তুলি বেগম নিজের রাগী মুখটা আচমকা স্বাভাবিক করে বলল,,, আমিও জানি না ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

তুলি বেগমের সাথে তুবার আজকের এই কথোপকথন টা বেশ কার্যকরী ছিল ৷ যদিও তুলি বেগম শেষের দিকে তুবার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারেননি তবুও উনার প্রথমের কথাগুলো তুবার স্বাস্থ্য আর মনস্তাত্ত্বিক দিকের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে ৷ সহজ ভাষায় বলতে গেলে তুবা তৃপ্ত হয়েছে ফলে ওর নরমাল হওয়ার সময়টা ঘন হয়ে আসছে ৷

কিছুক্ষণ পর স্বাধীন কিছু ওষুধ হাতে ওদের কাছে চলে আসল ৷ একেবারে তুবার সম্মুখে গিয়ে বসে বলতে লাগল,,,

তুব.. আই মিন দাদু আপনার জন্য এই ওষুধগুলো এনেছি ৷ আপনার স্বাস্থ্যের জন্য এসব ভালো ৷

তুবা ভ্রু কুঁচকে বলল,,,, তোমার দেওয়া ওষুধগুলো কেন খাব বলো তো? কে বলতে পারে তুমি আমাকে বি*ষ খাইয়ে আমার বউয়ের থেকে আলাদা করতে চাইছো না?

স্বাধীন মনে মনে ব্যঙ্গ করে বলল,,, এই কথাটা তো আমার বলা উচিত ৷ আপনি আমার বউকে বাসর রাতেই আমার থেকে কেড়ে নিয়েছেন দাদু! ফুলগুলো তো শুকিয়েই গেছে , এখন টাটকা ফুল কেনার টাকা আমি আপনার কাছে থেকেই নিব ৷

কিন্তু মুখে বলল,,, দাদু আমি ডাক্তার ৷ আমার দেওয়া ওষুধের উপর বিশ্বাস করতে পারেন ৷ সবচেয়ে বড় কথা আপনাকে আমি মা*রতে যাব কেন? আমার বউ আপনার জন্য এই দুনিয়ায় এসেছে ৷ আই মিন আপনি যদি দাদীকে বিয়ে না করতেন তাহলে তানজিদ বাবা পৃথিবীতে ল্যান্ড করত না আর তানজিদ বাবা ল্যান্ড না করলে আমার ভবিষ্যৎ পোটলাদের মাম্মাও ল্যান্ড করত না তাই আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ ৷

তুবা হেসে উঠে বলল,,,, দারুন দু*ষ্টু ছেলে তো তুমি! আচ্ছা দাও ওষুধ ৷ নিজের ডাক্তার নাতজামাইয়ের হাতে ওষুধ খেয়ে যদি একটু ফিট হই তাহলে আরেকটা বিয়ে করব ৷

তুলি বেগম তৎক্ষণাৎ তুবার পেটে চি*মটি কেটে দাঁতে দাঁত চেপে বললেন,,,, আহ ম*রণ! যার দাঁত নেই একটাও সে নাকি বিয়ে করবে আরেকটা ৷

তুবা ব্যা*থা পেয়ে পেটে হাত বুলিয়ে চাপা আ*র্তনাদ করতে লাগল ৷ স্বাধীন আ*হত চোখে সেদিকে তাকিয়ে থেকে তুলি বেগমের দিকে শীতল চোখে তাকিয়ে কাটকাট গলায় বলল,,,

দাদী এটা আমার বউ ৷

তুলি বেগম ৩২ পাটি দাঁত বের করে হাসলেন অবশ্য উনার এখন নিজস্ব দাঁত নেই সব ভাড়া করা দাঁত ৷ তুবা নিজেকে সামলে নিয়ে বলল,,,

কে তোমার বউ নাতজামাই?

স্বাধীন থতমত খেয়ে গেল, গলা খাকারি দিয়ে বলল,,, কে আবার? আমার বউই আমার বউ ৷ কোনো সন্দেহ আছে এতে?

তুবা ভ্রু কুঁচকে ওর দিকে তাকিয়ে ওষুধ খেয়ে নিল ৷ তা দেখে স্বাধীন স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলল ৷ তুবা কিছুক্ষণ বসে থেকে বিছানা থেকে নেমে বাথরুমে যাওয়ার জন্য পা বাড়াল ৷ কিন্তু হঠাৎ মাথা চক্কর দিতেই ও মাথা চেপে ধরে আ*র্তনাদ করতে লাগল ৷ স্বাধীন উ*ত্তেজিত হয়ে ওর দিকে এগিয়ে গিয়ে বলল,,,

তুবা আমার তুবা তুমি ঠিক আছো?

তুবা এতো য*ন্ত্রণার মাঝেও কপাল কুঁচকে স্বাধীনের দিকে তাকিয়ে বলল,,, আমি তুবা না ৷

স্বাধীন এতোটাই চিন্তিত হলো যে তুবার কথায় ও কোনোরুপ ভ্রুক্ষেপ করল না ৷ তুবার চিৎ*কারে সবাই ওখানে ছুটে চলে আসল ৷ আ*র্তনাদ করতে করতে তুবা এক সময় জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল ৷ এতে করে স্বাধীন কম্পিত হাতে দ্রুত তুবাকে পাজাকোলা করে তুলে ওকে বিছানায় শুইয়ে দিল ৷ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে স্বাধীন চিৎ*কার করে বলতে লাগল,,,

ডাক্তার কোথায়? ডাক্তারকে ফোন দিচ্ছেন না কেন আপনারা? তুবার জন্য কি আপনাদের একটুও চিন্তা হচ্ছে না? কি আজব ফোন দিন ৷

সবাই আহাম্মক হয়ে ওর পাগলামো দেখতে লাগল ৷ সবার হয়ে সাভাশ বলে উঠল,,,,

ডাক্তার নিজেই যদি ডাক্তারকে ডাকতে বলে তাহলে আমরা ডাকব কিভাবে?

স্বাধীন থতমত খেয়ে বলল,,, ও তাই তো আমিই তো ডাক্তার ৷ মাথা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল ৷

স্বাধীন বড় করে একটা শ্বাস নিয়ে নিজেকে স্বাভাবিক করল ৷ তারপর ঠান্ডা মাথায় সবকিছু ভাবতে লাগল ৷ মাথায় সবকিছু গোছানো হয়ে আসতেই স্বাধীন উচ্ছ্বসিত কন্ঠে বলে উঠল,,,

চিন্তার কোনো কারন নেই ৷ তুবা অজ্ঞান হওয়ার মানে হচ্ছে ও নরমাল হতে চলেছে ৷

সবার মনে আশার আলো জেগে উঠল ৷ আরো কিছুক্ষণ পর তুবার জ্ঞান ফিরতে লাগল ৷ সবাই দম আটকে ওর দিকে তাকিয়ে থাকল ৷ তুবা চোখ পিটপিট করে সবার দিকে তাকাতে লাগল ৷ সর্বশেষে উদিগ্ন মুখের স্বাধীনের দিকে তাকিয়ে ক্ষীণ কন্ঠে বলল,,,

আমি আবারও দাদু হয়ে গিয়েছিলাম?

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

বারিশ আর আয়েশা বিকেলের দিকে হাসান ভিলা থেকে প্রস্থান করল ৷ তুবাকে নিয়ে স্বাধীন নিজের বাড়িতে ফিরে যাবে সন্ধ্যার দিকে ৷ ওদের চারজনের বিয়ের অনুষ্ঠান হবে আরো দু দিন পর ৷ শুধুমাত্র ওদের পরিবারের রিইউনিওন আরকি, বাড়তি কোনো আত্মীয় স্বজন থাকবে না সেখানে ৷

আয়েশা ফ্রেশ হয়ে শাড়ি পাল্টে একটা কালো সালোয়ার কামিজ পড়ে নিল ৷ অতঃপর বর্ষার সাথে কিছুক্ষণ খোশগল্প করতে লাগল ৷ বারিশ ওদের কাছে গিয়ে বলল,,,

আয়েশা চলো পড়তে বসবে ৷

আয়েশার মাথায় বাজ পড়ল ৷ আঁ*তকে উঠে বলল,,, পড়া পড়ব মানে?

হ্যাঁ পড়বে ৷ সামনে ফাইনাল পরীক্ষা ৷ আমি চাই না আমার বউয়ের সিজিপিএ এতোটাই খারাপ হোক যে লজ্জায় জনসম্মুখে মুখে আনা না যায়!

আয়েশা নাছোড়বান্দা হয়ে বসে থাকল ৷ বারিশ কপাল কুঁচকে ওর হাত টানতে টানতে নিয়ে যেতে যেতে বলল,,,

মানুষ এতোটা পড়াচো*র হতে পারে সেটা তোমাকে না দেখলে জানতেই পারতাম না! একমাত্র তোমার মুখেই শুনলাম পড়াশোনা নাকি অ*শ্লীল কাজ ছ্যাহ!

আয়েশা নিজেকে ছাড়াতে ছাড়াতে বলল,,, তা নয় তো কি? মানুষের জীবনে অযথা নাক গলানো, অন্যের বানানো সূত্রগুলো জোর করে মুখস্ত করা , গণিতে তো আরো ধরাধরি, মনে মনে করাকরি , আবার কে কয়টা আপেল খেল কমলা খেল সেগুলো হিসাব করে তার খাওয়ায় নজর দিয়ে তার পেটের অসুখ বাঁধানো ছিহ!

বারিশ হতভম্ভ হয়ে আয়েশার দিকে তাকাল কিন্তু কিছু বলল না ৷ ওকে নিজের রুমে নিয়ে গিয়ে পড়ার টেবিলে বসাল ৷ তারপর একটা বই বের করে বলল,,,

এই চ্যাপ্টার টা আমি এখন বোঝাব যদি একটু মনোযোগ সরাও তাহলে সত্যি বলছি তোমাকে আমার স্পেশাল শা*স্তিগুলো দিতে শুরু করব ৷

আয়েশা হঠাৎ ভদ্র হয়ে গেল আর বারিশও সুন্দর করে পড়া বোঝাতে শুরু করল ৷ যত সময় গড়াতে লাগল আয়েশার কপালের ভাঁজ তত বাড়তে লাগল ৷ এক পর্যায়ে ও ক*র্কশ কন্ঠে বলে উঠল,,,

এসব কিছু হলো? এটার আগামাথা তো কিছুই বুঝতে পারছি না!

কোনটা বোঝোনি বলো ৷

আয়েশা আঙুল তাক করে একটা টপিক দেখাল ৷ বারিশ সেই টপিক আবারও বোঝাতে লাগল ৷ আয়েশা ওকে থামিয়ে দিয়ে বলল,,,

আবার তো একই কথাই বলছেন ৷ আমি বুঝতে পারছি না ৷ এটা এতো কঠিন কেন?

কোথায় কঠিন? এতো সহজ ভাবে বললাম তাও বুঝতে পারছো না?

আয়েশা ঠোঁট উল্টে বলল,,, এটা সহজ? এতো বি*শ্রি টপিক আমি আজ অবধি পড়িনি ৷

বারিশ ভ্রু কুঁচকে আয়েশার দিকে তাকিয়ে থেকে আবারও বুঝাতে লাগল ৷ আয়েশা এবার চিৎ*কার করে বলতে লাগল,,,

দুররর বুঝিনা ৷ কিসব ছাতার মাথা বলছেন?

বারিশ আয়েশার মাথায় কলম দিয়ে টোকা মে*রে বলল,,, মাথামোটার মাথামোটা এই সিলি জিনিস বুঝতে পারছো না?

আয়েশা আচমকা বারিশের মাথার চুল টেনে ধরে বলল,,, হ্যাঁ বুঝতে পারছি না কারন আপনি বোঝাতে পারেন না ৷ আপনাকে টিচার কে বানিয়েছে?

বারিশ নিজের চুল ছাড়িয়ে নিয়ে গমগম কন্ঠস্বরে বলল,,, আর তোমাকে স্টুডেন্ট কে বানিয়েছে গা’ধা?

চলবে,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here