শুনলাম_বসন্ত_নাকি_আবার_এসেছে #লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান #পর্বঃ২৪

0
833

#শুনলাম_বসন্ত_নাকি_আবার_এসেছে
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ২৪

ড্রয়িংরুমে বসে বড়রা কিছু শলা পরামর্শ করছে ৷ তাদের চারজনের চোখে মুখে চাপা উত্তেজনা আর খানিকটা শ*ঙ্কা খেলা করছে ৷ সিনু চিন্তিত স্বরে বলে উঠল,,,

সাজিদ শুনুন মেয়ে যদি আমাদের ভুল বোঝে তাহলে?

বুঝবে না ভুল ৷ আমার মেয়েকে আমি খুব ভালো করেই চিনি ৷ ও অনেক বুদ্ধিমতী ৷

আয়েশা সদর দরজা দিয়ে ক্লান্ত শরীরে ভিতরে প্রবেশ করতেই চার জোড়া উৎসুক চোখ সেদিকে তাকিয়ে থাকল ৷ আয়েশা সবার চাহনি ওর দিকে নিবদ্ধ দেখে খানিকটা ভড়কে গেল ৷ ভার্সিটি থেকে কোনো নালিশ টালিশ আসেনি তো আবার? আয়েশার বুক ধুকপুক করে উঠল যখন সাজিদ বলল,,,

বড় আম্মুজান একটু এদিকে শুনে যাও তো ৷ তোমার সাথে কিছু জরুরি কথা আছে ৷

আয়েশা ঢোক গিলে ওদের দিকে চলে গেল ৷ এমন সময় সাভাশ, তুষার আর শেহনাজও নিচে চলে আসল ৷ পরিস্থিতি জমজমাট দেখে দ্রুত সিড়ি ভেঙে নিচে নামতে লাগল ৷ তা দেখে তুষার শেহনাজকে উদ্দেশ্য করে বলল,,,

তুই একটু আস্তে দৌঁড়া ৷

শেহনাজ ওর কথামতো ধীরে ধীরে নিচে নামল ৷ আয়েশার দম আটকে যাওয়ার উপক্রম হলো যখন বড়রা একে অপরের দিকে তাকিয়ে মুখ চাওয়াচাওয়ি করে একে অন্যকে কথাটা বলতে বলছে ৷ কেউ বলতে রাজি না হওয়ায় শেষে সাজিদ গলা খাকারি দিয়ে বলল,,,

তোমার জন্য একটা ছেলে পছন্দ করেছি ৷ অনুমতি দিলে আমরা সামনে এগোতে চাই ৷

সাভাশের এতো জমজমাট পরিবেশ পছন্দ না তাই ও অন্যদিকে যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়েছিল কিন্তু বাবার বলা কথাটা কর্ণগোচর হতেই ওর কদম থেমে গেল ৷ চকিতে পিছু ঘুরে একবার বাবা মায়ের দিকে তাকাল তো একবার বোনের দিকে তাকাল ৷ আয়েশা স্বাভাবিক মুখভঙ্গিতে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে ৷ তা দেখে সাভাশ ভ্রু কুঁচকে বলল,,,,

অনুমতি দিলে আগাতে চাও মানে কি? ছেলেটাকে আয়েশা এখনও দেখেনি পর্যন্ত ৷ ওই ছেলের বিষয়ে কিছুই জানে না ও ৷ কিভাবে অনুমতি দিবে ও? আমি বুঝলাম না বাবা ৷

সাজিদ শান্ত স্বরে বলল,,, আমি সেই অনুমতিই চাচ্ছি সাভাশ ৷ ও কি ছেলেটাকে দেখতে চায়? এখন বিয়ে করতে চায়? এসবের ক্ষেত্রে অনুমতি চেয়েছি ৷ ছেলেটাকে বিয়ে করতেই হবে এই অনুমতি কিন্তু চাইনি ৷

সাভাশ কিছু বলার আগে আয়েশা বলে উঠল,,, আমার সমস্যা নেই বাবা ৷ তুমি যখন দেখেছো তো ছেলে নিঃসন্দেহে ভালো হবে ৷ এতে কোনো সন্দেহ নেই ৷

বড়দের মুখের চিন্তারা গায়েব হয়ে গেল ৷ মেহমেত উচ্ছ্বসিত হয়ে বলল,,, Whatever কতদিন পর বিয়ে খাব, কি মজা! একটা বিয়ে খাওয়ার জন্য এতোটাই ডেসপারেট হয়ে ছিলাম যে মনে হচ্ছিল নিজেই আরেকটা বিয়ে করে নিই ৷

তানিয়া কটমট দৃষ্টিতে মেহমেতের দিকে বলল,,, এই ছিল আপনার মনে? এর হিসাব কিন্তু আমি পরকালে গিয়ে নিব ৷

Whatever এই ভয়েই তো করিনি মিস ত্যানাত্যানা ৷

ওদের কথা শুনে আয়েশা আর সাভাশ ব্যতীত সবাই হেসে উঠল ৷ আয়েশা ক্ষীণ কন্ঠে বলল,,,

আমি খুব ক্লান্ত ৷ একটু বিশ্রাম নিতে চাই ৷

অনুমতি পাওয়া মাত্রই আয়েশা দ্রুত সিড়ি বেয়ে নিজের রুমের দিকে চলে গেল ৷ সাভাশ সুক্ষ্ম দৃষ্টিতে বোনের গমনপথের দিকে তাকিয়ে থাকল ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

আয়েশা আজ অনেক সময় নিয়ে গোসল করল ৷ গোসল শেষে ভেজা চুলগুলো পিঠের উপর এলোমেলো করে ছড়িয়ে রেখে রুমের এসি অন করল ৷ ওর দৃষ্টি জানালা দিয়ে দৃশ্যমান ভাসমান রুপালী চাঁদটার দিকে ৷ ওর মনে কি চলছে তা বাইরে থেকে দেখে বোঝার সাধ্য নেই কারো ৷ দরজায় টোকা পড়তেই আয়েশা সেদিকে তাকাল ৷ সাভাশ আলতো করে দরজা টা খুলে ভিতরে প্রবেশ করল ৷ সোজা এসে বোনের পাশে হাত পা ছড়িয়ে বসল ৷

ক্ষণকাল দুজনেই নিশ্চুপ ৷ অতঃপর সাভাশ বলে উঠল,,,, দেখ আয়েশু মত না থাকলে বল আমায় ৷ আমি এক চুটকিতে ওই ছেলের সাথে দেখা করা বাঞ্চাল করে দিব ৷

আয়েশা ভ্রু কুঁচকে ওর দিকে তাকিয়ে বলল,,, মত থাকবে না কেন রে? আমি কি বিয়ে করব না?

করবি তো কিন্তু তোর জন্য এখনও পেট মোটা কালাচাঁদ খুঁজে পাইনি রে ৷ তাই সময় চাচ্ছি একটু ৷

আয়েশা চোখ পাকিয়ে ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বলল,, জীবনেও তোর পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করব না আমি হুহ ৷

সাভাশ সামান্য হাসল ৷ আবারও দুজনের মধ্যে নিরবতা নেমে আসল ৷ সাভাশ বারবার আড়চোখে বোনের দিকে তাকাচ্ছে ৷ কিছুক্ষণ পর ফোঁস করে একটা শ্বাস ফেলে বলল,,,

এই প্রথমবার আমি তোকে বুঝতে সক্ষম হচ্ছি না আয়েশা ৷ তোর তো কোনো পছন্দ থাকার কথা না তাহলে আমার কেন মনে হচ্ছে তুই মনে মনে কাউকে খুব করে চাস ৷

আয়েশা চকিতে ভাইয়ের দিকে তাকাল ৷ ক্ষণকাল চুপ থেকে বলল,,, বে*দ্দব ছেলে ভাগ এখান থেকে ৷ আমার পছন্দ থাকতে পারে কিভাবে? বাবার উপর আমি এই দায়িত্বটা ছেড়ে দিয়েছিলাম ৷

সাভাশ বসা থেকে উঠে বলল,,, হ্যাঁ হ্যাঁ যাচ্ছি ৷ আমারও ঠ্যাকা পড়েনি বিয়ে আটকে তোকে আজীবন এ বাড়িতে বস করে রাখার! আমার লাল টুকটুকে মিষ্টি বউটাকে আনার আগেই তোকে বিদায় করতে হবে নয়তো তুই যে ডা*য়নি , আমার ছোট্ট বউটাকে জ্বা*লিয়ে মা*রবি!

আয়েশা রে*গে গিয়ে ওর মুখে বালিশ ছুঁ*ড়ে মা*রল ৷ সাভাশ যদিও সেটা ক্যাচ করে নিয়েছে ৷ আয়েশা দাঁতে দাঁত চেপে বলতে লাগল,,,,

তুই এখান থেকে ভাগগ নয়তো তোর জিহ্বা টেনে জিরাফের গলার মতো লম্বা করে দিব!

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

আজ বীরকে পড়াতে আসার পর থেকেই আয়েশা সবার মধ্যে অদ্ভুত আচরণ খেয়াল করল ৷ সবাই কেন জানি ওর দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে বারবার তাকাচ্ছে ৷ আয়েশা জিজ্ঞাসা করেছিল কিন্তু কেউ উত্তর দেয়নি ৷ আবারও বীরকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকাতে দেখে আয়েশা ভ্রু কুঁচকে বলল,,,

কি ব্যাপার বাছা? আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছো কেন?

বীর ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে বলল,,,তোমাকে কেন বলব? উত্তর দিলে কি আমাকে নোবেল দিবে তুমি? তাছাড়াও আমার চোখ আর চাহনির কৈফিয়ত তোমাকে কেন দিব?

আয়েশা আহাম্মক হয়ে গেল এমন ট্যারাট্যারা উত্তরে ৷ এবার বর্ষা পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আয়েশার দিকে একদৃষ্টিতে তাকাল ৷ তা দেখে আয়েশা নিজের মুখে হাত দিয়ে বলল,,,,

আমার মুখে কি কিছু লেগে আছে? ভার্সিটি থেকে আসার পথে কোনো কাক এসে তার মূল্যবান সম্পদগুলো আমাকে পাবলিক টয়লেট ভেবে রেখে যায়নি তো? না না ওদের জন্য একটা পক্ষী টয়লেট না বানালেই নয়!

এতোকিছুর মধ্যে বারিশের আচরণ ছিল একদম স্বাভাবিক ৷ অন্যদিনের মতো এসে এক কাপ কফি বানাল ৷ সোফায় বসে কফি খেতে খেতে দু একটা ম্যাগাজিন পড়ল তারপর এসে বীরের পড়া দেখল ৷ ব্যাস এইটুকুই ৷ আয়েশা ওর অস্তিত্বকে খুব একটা পাত্তা না দিয়ে বীরকে দ্রুত পড়ানো শেষে ফ্লাট থেকে বেরিয়ে গেল ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

আমিও যাব ওর সাথে ৷

সাভাশের কথা শুনে সিনু ভ্রু কুঁচকে বলল,,, তুমি যাবে মানে? আয়েশা যাবে ছেলেটার সাথে দেখা করতে ৷ সেখানে তুমি গিয়ে কি করবে শুনি?

কেন যাব না মাম্মা? যদি ওই ছেলে ব্যাগে করে ব*ম নিয়ে এসে আয়েশাকে ব*ম দিয়ে উড়িয়ে দেয় তখন? তুমি এমন পা*গল আর ঝ*গড়ি মেয়ে আর কোথায় খুঁজে পাবে? আমি আয়েশাকে ওই ছেলের সাথে একা একা দেখা করতে দিব না ৷

সিনু তর্ক করতে যাবে তার আগে সাজিদ বলে উঠল,,, হয়েছে সিনু থামো ৷ ও যখন যেতে চাইছে তো যেতে যায় ৷

তুষার আর শেহনাজও আস্কারা পেয়ে বলে উঠল,,, তাহলে আমরাও যাব ৷

ঠিক আছে যাও ৷

মেহমেত হঠাৎ বলে উঠল,,,তাহলে নীর আর তুবা কেন বাদ থাকবে? Whatever ওদেরকেও ফোন করে ডেকে নাও ৷ তারপর সবাই ওই ছেলের অন্ত*রাত্মা পর্যন্ত কাঁপিয়ে দিয়ে আসবে , ঠিক আছে বাচ্চারা? Whatever আমাদের বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করা কি এতোই সোজা নাকি? ছেলেকে কাঁদো কাঁদো করে তবেই ফিরবে ওকে?

তানিয়া অ*গ্নিদৃষ্টিতে মেহমেতের দিকে তাকিয়ে থেকে সকলকে উদ্দেশ্য করে দাঁতে দাঁত চেপে বলল,,, খবরদার এই ব্রয়লার মুরগির কথা শুনবে না ৷ যাচ্ছ ঠিক আছে কিন্তু ছেলেটাকে বি*ব্রতিতে ফেলবে না বলে দিলাম ৷ নয়তো সবার হিসাব আমি পরকালে গিয়ে কড়ায় গন্ডায় নিব ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

সব আন্ডা বাচ্চাগুলো একটা ফাইভ স্টার রেস্টুরেন্টে বসে আছে ৷ একটা টেবিলে আয়েশা, সাভাশ বসে আছে আর ওদের সম্মুখের টেবিলে তুষার, শেহনাজ, তুবা , নীর বসে আছে ৷ সবাই চাতক পাখির ন্যায় দরজার দিকে তাকিয়ে আছে ৷ কে সেই ছেলে তাকে দেখার জন্য যেন আর তর সইছে না!

হঠাৎ একটা গাড়ি এসে থামতেই সকলের চোখ জ্বলজ্বল করে উঠল ৷ উৎসুক নজরে দরজার দিকে তাকিয়ে থাকল ৷ কিন্তু দরজা দিয়ে একটা পেট মোটা টাকলা মানুষকে প্রবেশ করতে দেখে ওরা এক সেকেন্ড চুপ থেকে জোরে হেসে উঠল ৷ সাভাশ হাসতে হাসতে বলল,,,

এটা তোর জন্য একদম পারফেক্ট হতো ৷

আয়েশা ভ্রু কুঁচকে ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে মাথা নিচু করে বসে থাকল ৷ অস্থিরতায় ও ক্রমাগত আঙুল ফুটাতে লাগল ৷ আয়েশা দরজার দিকে পিঠ করে বসে আছে তাই কে কে আসছে সেটা ওর নজরে আসছে না ৷

কিছুক্ষণ পর দরজা ঠেলে যে ভিতরে প্রবেশ করল তাকে দেখে সাভাশের সবেমাত্র মুখে দেওয়া জুস সব বের হয়ে আয়েশার মুখে গিয়ে পড়ল ৷ ওদিকে তুবা আর তুষার চোখ বড় বড় করে আগন্তুক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে থাকল ৷ ওদের গলায় খাবার আটকে গেছে ৷ নীর আর শেহনাজ ওদের হঠাৎ এমন আচরণে অবাক হয়ে গেল ৷ ছেলেটাকে দেখে এমন করার কারন ওরা বুঝতে পারছে না ৷

আয়েশা রা*গে গিজগিজ করতে করতে ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বলল,,, এইই তুই চোখে দেখিস না? জুস দিয়ে আমার মুখ আর বোরকা সব শেষ করে দিলি বে’য়াদব ছেলে! কোন বা*লকে দেখেছিস যে জুস বেরিয়ে গেল তোর মুখ থেকে!

বারিশ অত্যন্ত শান্ত স্বরে বলল,,, আই থিংক সেইটা আমি ৷

আয়েশার রা*গ হারিয়ে গেল ৷ হতভম্ভ হয়ে পিছু ঘুরে তাকাল ৷ বারিশ অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ওর দিকে তাকিয়ে আছে ৷

হতভম্ভ ভাব এখনও কাটেনি কারো ৷ এটা ‘বারিশ স্যার’ শুনতে পেরে শেহনাজ আর নীরও হতভম্ভ হয়ে আছে ৷ এই স্যারের কথা ওরা অনেকবার শুনেছে আয়েশার মুখে তবে বেশির ভাগই খারাপ দিক ৷ বারিশ আর আয়েশা মুখোমুখি বসে আছে ৷ আয়েশা টিস্যু দিয়ে নিজের মুখ মুছে নিয়েছে ৷

সাভাশ ভ্রু কুঁচকে একদৃষ্টিতে ওদের দিকেই তাকিয়ে আছে ৷ ওর চোখে মুখে রা*গের ছটা ৷ ওদের দিকে দৃষ্টি অব্যাহত রেখেই সাভাশ একটা বার্গার নিয়ে সমস্ত রা*গটা বার্গারের উপর ঝেড়ে চিবিয়ে চিবিয়ে খেতে লাগল ৷ হঠাৎ কারো কন্ঠস্বর শুনতেই ওর রা*গ কিছুটা ঠান্ডা হলো ৷

ভাইয়া এটা আমার বার্গার ছিল ৷

নীর অস্ফুট স্বরে কথাটা বলল ৷ সাভাশ এক পলক ওর দিকে তাকিয়ে বলল,,,সমস্যা নেই ৷ এখন এটা আমার ৷ তোর মানেই তো আমার ৷

শেহনাজ নিজের বার্গারটা নীরকে দিতে যাবে তার আগেই তুষার নিজের বার্গারটা নীরকে দিয়ে মুচকি হেসে বলল,,,

নে তুই আমার টা খা ৷

শেহনাজ নিজের বার্গারটা সরিয়ে মাথা নিচু করে রাখল ৷ সবার দৃষ্টি আবারও সামনের টেবিলে ৷ তুষার হতাশ স্বরে বলতে লাগল,,,

বাবা বলেছিল ছেলেকে কাঁদো কাঁদো করে তবেই বাড়ি ফিরতে কিন্তু এখানে ছেলেই আমাদের কাঁদো কাঁদো করে ফেলেছে রীতিমত! অন্যদিকে মাম্মা বলেছে ছেলেকে বি*ব্রত না করতে এদিকে আমরাই বি*ব্রত হয়ে বসে আছি! শেষে কিনা স্যারের সাথে বোনের বিয়ে দেওয়া লাগবে ছিহ! আয়েশা আপুর পড়াশোনার ভাগ্যে এবার সবুজ বাতি জ্বলবে মনে হচ্ছে ৷ এবার একটু পরীক্ষায় মান সম্মান নিয়ে পাশ করা শিখবে ৷

চলবে,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here