শুনলাম_বসন্ত_নাকি_আবার_এসেছে #লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান #পর্বঃ২৮

0
881

#শুনলাম_বসন্ত_নাকি_আবার_এসেছে
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ২৮

পাখিরা কিচিরমিচির করে ডেকে সকালকে আহ্বান করল ৷ ফজরের নামাজ পড়ে সাজিদ ক্লান্ত পায়ে রুমে আসল ৷ সিনু জায়নামাজ টা গুছিয়ে রেখে একপলক সাজিদের দিকে তাকাল ৷ কালকে মেয়ে বিদায়ের পর থেকেই সাজিদ কেমন নিশ্চুপ হয়ে গেছে ৷ সিনু ওকে একলা ছেড়েছিল কালকে কিন্তু আজ আর পারল না ৷ স্বামীর কাধে আলতো করে মাথা রেখে বলল,,,

আপনি ঠিক আছেন?

সাজিদ ক্ষণকাল চুপ থেকে বলল,,, আমি পারছি না সিনু সত্যিই পারছি না মেয়েকে ছাড়া থাকতে ৷ বিয়ে হলে কেন মেয়েদের অন্যের বাড়িতে রেখে আসতে হবে বলো তো? এতো নি*ষ্ঠুর নিয়ম কেন?

সিনু সাজিদকে পাশ থেকে শক্ত করে জরিয়ে ধরে ধীর গলায় বলল,,,, কি করব বলুন? মেয়েকে তো বিয়ে দিতেই হতো একদিন ৷ শেহনাজকেও তো দিতে হবে ৷

সাজিদ হঠাৎ আঁ*তকে উঠে বলল,,, এক মেয়েকে বিয়ে দিয়ে আমি পাগলপ্রায় হয়ে যাচ্ছি ৷ আমার ছোট্ট শেজু কে বিয়ে দিলে আমি ম*রেই যাব!

সিনু হঠাৎ সামান্য হেসে উঠে বলল,,, তো বেশ ৷ মেয়েকে আজীবন এখানেই রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা করব আমি ৷ আপনি কোনো চিন্তা করবেন না ৷

সাজিদ ভ্রু কুঁচকে বলল,,, ঘরজামাই আনার চিন্তা করছো না তো আবার?

সিনু মুচকি হেসে বলল,,,,সেটা পরের বিষয় ৷ এখন চলুন অনেক কাজ করতে হবে ৷ দুই মেয়ে তাদের নতুন মানুষকে নিয়ে আসবে আজ ৷ কতকিছু করতে হবে চলুন চলুন ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

ড্রয়িংরুমে বসে নাভিন একটা গল্পের বই পড়ছে আর নীর বাবার কাঁধে মাথা দিয়ে মনোযোগের সহিত গল্পটা শুনছে ৷ সিড়ি বেয়ে নামতে নামতে দৃশ্যটা দেখতেই তানজিদের বুকটা খা খা করে উঠল ৷ গতকালকেও তার মেয়ে তার কাছেই ছিল অথচ আজ নেই ৷ কি আজব!

সকলের জন্য চা নাস্তা বানানো শেষে চার বান্ধবী একলা একলা নিজেদের মধ্যে খানিকটা সময় কাটাল ৷ অনেকদিন পর একসাথে হয়েছে কিনা ৷ যদিও সিনু আর রাইশার মনটা বেজার তবুও রাইমা, তানিয়ার হাসি ঠাট্টায় মন ভালো না করে পারল না ৷ কিন্তু এই আনন্দ বেশিক্ষণ টিকল না ৷ স্বাধীনের ফোন পেয়ে সকলের মুখে অমাবস্যার চাঁদ ছেঁয়ে গেল ৷ তার পাশাপাশি মানসিকভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে লাগল ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

বেলা এগারোটা নাগাদ স্বাধীন তুবাকে নিয়ে হাসান ভিলায় পদার্পণ করল ৷ সবাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল কিন্তু তুবাকে দেখেই ঢোক গিলল ওরা ৷ তুবা এসেই তুলি বেগমের দিকে বুলেট ট্রেনের গতিতে ছুটে গিয়ে বলল,,,,

তুমি কিভাবে পারলে আমাকে নাতনির বিয়েতে কফিনে বন্দী করে রাখতে? কি দোষ করেছিলাম আমি?

তুলি বেগম আহাম্মক হয়ে সকলের দিকে তাকাতে লাগলেন ৷ স্বাধীন মুখ লুকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কারন এই গ্যানজ্যাম টা ও নিজেই সৃষ্টি করেছে ৷ তুলি বেগমের থেকে উত্তর না পেয়ে তুবা পুনরায় দ্বিগুন অভিমান নিয়ে বলে উঠল,,,

এখন চুপ করে থেকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাচ্ছ? তা হচ্ছে না , আমি স্পষ্ট জবাব চাই তুলি ৷

তুলি বেগম সাহায্যের জন্য আশেপাশে তাকাতে লাগলেন ৷ তানজিদ ইশারায় বলল ‘যা কিছু একটা বলে দাও মা’ ৷ তুলি বেগম গলা খাকারি দিয়ে কিছু একটা ভেবে বলে উঠল,,,,,

তুবা তোমাকে বিয়েতে অনুপস্থিত রাখতে বলেছিল ৷ আমি কিছু করিনি ৷

তুবা মনে হচ্ছে বড় একটা ধা*ক্কা খেল ৷ হতবিহ্বল হয়ে বলে উঠল,,,, আমার নাতনি আমার সাথে এমন আচরণ করতেই পারে না ৷ তুমি মিথ্যা বলছো ৷ তুবাকে আমার সামনে নিয়ে আসো ৷ ওই বলবে কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যা?

সবার মাথায় যেন বাজ পড়ল ৷ তানজিদ কটমট দৃষ্টিতে মায়ের দিকে এগিয়ে গিয়ে বিরবির করে বলল,,,

আর কিছু বলা যেত না? এখন তুবাকে কোথা থেকে পারো হাজির করে আনো দেখি ৷ যাও তুবাকে নিয়ে গিয়ে ফটোকপি মেশিনে ঢুকিয়ে দিয়ে আরেকটা তুবা তৈরি করে আনো ৷ যাও যাও ৷

তুলি বেগম ছেলের দিকে তাকিয়ে দাঁত কেলালেন ৷ অন্যদিকে তুবা গলা উচিয়ে বারবার বলতেছে,,,,

তুবা মামনি কোথায় তুই? এসে বলে দে তো সোনা তোর দাদী মিথ্যা কথা বলছে ৷ তুই আমাকে এভাবে নিজের বিয়ে থেকে দূরে রাখার কথা ভাবতেই পারিস না ৷ এসে বলে দে ৷

সবাই একে অপরের দিকে অস্থিরভাবে তাকাতে লাগল ৷ হঠাৎ তুষার সকলকে ইশারা করে নিজের দিকে ডাকল ৷ সবাই কাছে যেতেই ও মৃদু স্বরে বলে উঠল,,,,,,

আমার কাছে একটা আইডিয়া আছে ৷ তার জন্য সবার একটু সাহায্যের প্রয়োজন ৷

সবাই সম্মতি জানাতেই তুষার নিজের আইডিয়াটা বলল ৷ সবাই তাতে বেশ সন্তুষ্টও হলো ৷ সাভাশ হাই তুলে বলে উঠল,,,

বাড়িতে একটা আইনস্টাইন থাকতে আমাদের এতো চিন্তা কিসের? জিও তুষু ৷

সাভাশের কথার প্রেক্ষিতে মেহমেত সন্দিহান কন্ঠে বলল,,, Whatever এটা কি আসলেই আমার ছেলে?

তানিয়া খেকিয়ে উঠে বলল,,, চুপ থাকুন!

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

আয়েশা চোখের ব্যা’থায় শুরুতে চোখ খুলতে না পারলেও এখন খুলতে পারছে ৷ সারা রাত ধরে কান্না করার ফল সুদে আসলে পেয়েছে ও ৷ বর্ষা একটা গাঢ় সবুজ রঙের শাড়ি ওকে পড়িয়ে দিয়েছে ৷ ফর্সা শরীরে শাড়িটা বেশ মানিয়েছে ৷ বর্তমানে ও ড্রয়িংরুমে বসে চা খেয়ে মাথার ব্যাথাটা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে ৷

বারিশ টি শার্ট আব ট্রাউজার পড়ে ড্রয়িংরুমে এসে আড়চোখে বউয়ের দিকে তাকাল কিন্তু কিছু বলল না ৷ আয়েশা একটু চোখ বন্ধ করেছিল তাই বারিশকে দেখতে পায় নি ৷ চোখ খুলে সামনে ওকে দেখতেই আয়েশা শাড়ি ঠিক করে গুটিশুটি মেরে বসে থাকল ৷ এমন সময় বীর দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে এসে আয়েশার কোলে বসে পড়ল ৷ আয়েশা প্রথম দফায় হকচকিয়ে গেলেও পরমুহূর্তে হাসিহাসি মুখে বীরের গাল টেনে দিয়ে বলল,,,

বাছা এতো জোরে কেউ দৌঁড়ায়?

বীর অত্যন্ত ভাব নিয়ে বলল,,,, আমি জোরে দৌঁড়াব না তো কে দৌঁড়াবে? কচ্ছপ? জানো উসাইন বোল্ট আমার শিষ্য ৷ আমার থেকেই দৌঁড়ানো শিখেছে ও ৷

আয়েশা জোরে হেসে উঠল ৷ বারিশ আয়েশার পাশে গিয়ে ধপ করে বসে বলল,,,

চাপা কম করে মা*রো নয়তো জানোই তো আমি তোমার কি লাল করে দিতে পারি?

বীরের হাসিহাসি মুখটা মুহূর্তেই নিস্তব্ধ অমানিশায় ছেঁয়ে গেল ৷ অন্যদিকে আয়েশা আরো গুটিয়ে গেল ৷ বারিশ ওর একদম কাছাকাছি এসে বসেছে তাও কতটা স্বাভাবিক ভাবে ৷ কোনো জড়তাই দেখতে পারছে না আয়েশা ওর মুখে ৷ বীর কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে উঠল,,,

তোমাকে আজ অন্যদিনের তুলনায় অনেক বেশি সুন্দর লাগছে সুন্দরী ৷

বারিশ গলা খাকারি দিয়ে উঠল ৷ আর সাথে সাথেই বীর নিজেকে শুধরে নিয়ে বলল,,,

সরি মামীমনি ৷

আয়েশা ভ্রু কুঁচকে বারিশের দিকে তাকাল ৷ বারিশ আপন মনে কফির কাপে চুমুক দিয়ে চলেছে ৷ আয়েশার দৃষ্টি বারিশের থেকে অব্যাহতি পেল ফোনের কর্কশ শব্দের আওয়াজে ৷ বীরকে কোল থেকে নামিয়ে আয়েশা ফোন রিসিভ করতেই অপর পাশ থেকে নীর বলে উঠল,,,

আয়েশা আপু বারিশ ভাইয়াকে নিয়ে দ্রুত আসো ৷ এদিকে মা*রাত্মক ঝামেলা হয়ে গেছে ৷

আয়েশা উ*ত্তেজিত হয়ে বলল,,, কি হয়েছে নীর? বাবা অসুস্থ হয়েছে?

তুমি দ্রুত আসো প্লিজ ৷

বলে নীর ফোন কেটে দিল ৷ সাভাশ, তুষার আর শেহনাজ ওর পাশেই ছিল ৷ সাভাশ দাঁতে দাঁত চেপে বলল,,,,

নিক্কির বাচ্চা বললেই তো হতো তুবা আবার এবনরমাল হয়ে গেছে ৷ অযথা বিরাট,বিশাল, মা*রাত্মক, ভ*য়ঙ্কর, প্রল*য়ঙ্কারী, বিস্তৃত, ব্যাপক ঝামেলা হয়েছে বলে ওর হার্ট এ’ট্যাক ধরানোর মানে কি?

নীর মাথা চুলকে লজ্জিত ভঙ্গিতে হাসল ৷ তুষার সামান্য হেসে বলল,,,

হয়েছে কিছু বলিস না ওকে ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

আধাঘন্টার পথ মাত্র পনেরো মিনিটেই অতিক্রম করে এসেছে বারিশ আর আয়েশা ৷ আয়েশার চোখ টলমল ৷ এসেই সোজা গিয়ে বাবাকে জরিয়ে ধরে বলল,,,

বাবা তুমি ঠিক আছো?

সাজিদ হতবাক হয়ে বলল,,, আমার কি হবে বড় আম্মুজান? সমস্যা হয়েছে তো তুবার ৷

আয়েশা আহাম্মক হয়ে সাজিদকে ছেড়ে দিয়ে বলল,,, তাহলে যে নীর বলল তুমি অসুস্থ ৷

নীর তৎক্ষণাৎ বলে উঠল,,, আমি তো এটা একবারও বলিনি যে সাজিদ খালু অসুস্থ ৷

আয়েশা কপট রা*গ দেখিয়ে বলল,,, কিন্তু ওটাই তো বুঝিয়েছিস গা*ধী!

নীর মাথা নিচু করে বলল,,,আফওয়ান আপু ৷

তুষার গলা খাকারি দিয়ে বলল,,, নীরের কথা না ভেবে তুবার কথা ভাব তো ৷ তোকে একটা কাজ দিব ৷

আয়েশা চোখ মুছে বলল,,, কি কাজ?

তুই আর তুবা প্রায় একই রকম মানে হাইট আর বডির দিক দিয়ে ৷ তাই আমরা চাচ্ছি তুই তুবা সেজে একটু নানুরুপী তুবাকে সামলা ৷

কিন্তু আমি কথা বললেই তো বুঝে ফেলবে ৷

সাভাশ বলে উঠল,,,তো চুপ থাকবি ৷ এটাও কি বলে দিতে হবে? আগে থেকেই মাথামোটা ছিলি এখন বিয়ের পর দেখছি আরো বেশি মাথামোটা হয়ে গেছিস ৷

আয়েশা চোখ পাকিয়ে সাভাশের দিকে তাকিয়ে বলল,,,তুইও নিজের মুখটা বন্ধ রাখ ৷

তুবা বর্তমানে তুলি বেগমের সাথে ছাদে আছে ৷ এদিকে সবটা সামলে নিয়ে সিনু গিয়ে ওদের ছাদ থেকে ডেকে নিয়ে আসল ৷ আয়েশার পড়নে ওই সবুজ শাড়িটাই রয়েছে তবে ঘোমটা এখন গলা বরাবর টেনে রাখা ৷ মানে পুরো মুখ ঢেকে রেখেছে ও ৷

তুবা এসেই ব্যস্ত হয়ে বলতে লাগল,,,, কোথায় আমার নাতনি? তুবা কোথায়?

স্বাধীন হতাশ কন্ঠে বলল,,, ওই যে গাছের রঙের মানুষটা বসে আছে আপাতত ওটাই তুবা ৷

বারিশ চকিতে ভ্রু কুঁচকে স্বাধীনের দিকে তাকাল কিন্তু কিছু বলল না ৷ তুবা এতোটাই উ*ত্তেজিত হয়ে ছিল যে স্বাধীনের বলা ‘আপাতত তুবা’ কথাটা খুব বেশি পাত্তা দিল না ৷ সোজা আয়েশার দিকে এগিয়ে গিয়ে বলল,,,

সত্যি করে বল তো মা তুই কি আমাকে কফিনে বন্দী করে রাখতে বলেছিলি?

আয়েশা ডানে বামে মাথা ঘুরিয়ে না বোঝাল ৷ তা দেখে তুবা গর্বের সহিত বলল,,,

দেখলে আমার নাতনি এমন করেনি ৷ তুমিই আমাকে হিং*সা করে বন্দী করে রেখেছিলে তুলি ৷ ছিহ! বুড়ো বয়সে এসে এসব করতে তোমার দম আটকালো না?

তুলি বেগম আগে থেকেই মনে মনে উত্তর সাজিয়ে রেখেছিলেন ৷ তাই তৎক্ষণাৎ বলে উঠলেন,,,

হ্যাঁ মিথ্যা বলেছি আর কফিনেও বন্দী করে রেখেছিলাম তো? কি করবেন আমাকে? বিয়েতে অনেক বুড়ি বুড়ি মহিলা এসেছিল তাই আপনাকে লুকিয়ে রেখেছিলাম ৷ আপনার উপর কোনো দাঁত থাকা বুড়ি নজর দিক আমি সেটা চাইনি ৷

তুবা হঠাৎ লাজুক হেসে বলল,,,, আহা তুলি তুমিও না! এখনও আমাকে এতো ভালোবাসো?

সবাই আহাম্মক হয়ে তুবার দিকে তাকিয়ে থাকল ৷ অন্যদিকে স্বাধীন কপালে হাত রেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে ফেলতে বিরবির করে বলল,,,,

এই প্রশ্নটা করা উচিত ছিল আমাকে!

কিছুক্ষণ শান্ত পরিবেশ ৷ হঠাৎ কিছু একটা স্মরণ হতেই তুবা ভ্রু কুঁচকে বলল,,,

এক মিনিট তুবা ওভাবে গায়ে মাথায় কাপড় দিয়ে আছে কেন? আর কথাই বা বলছে না কেন?

আয়েশা ঘোমটার নিচে ঘামতে লাগল ৷ যদি কোনোভাবে ঘোমটা টা তুলে ফেলে তাহলেই তো সব শেষ! সবাই যখন দিশেহারা তখন সাভাশ বাদাম খেতে খেতে বলল,,,

প্রথমবার বিয়ে করেছে তো তাই লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছে না ৷ ওর লজ্জা কাটতে কাটতে এক বছর অন্তত লেগে যাওয়ার কথা ৷ আর ও এতোটাই লজ্জা পেয়ে আছে যে বাংলা ভাষা ভুলে গেছে ৷ ও কথা বললেই কেমন চাইনিজ ভাষার ফিল পাওয়া যাচ্ছে ৷ তাই নিজেদের কানকে অ*ত্যাচারের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য ওকে চুপ থাকতে বলেছি ৷

চলবে,,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here