সাঝের_প্রণয়ডোর #সাদিয়া_সুলতানা_মনি #পর্ব_২৪

0
21

#সাঝের_প্রণয়ডোর
#সাদিয়া_সুলতানা_মনি
#পর্ব_২৪

তিনটি হৃদয়, তিনটি গল্প—তবু এক সুতোয় বাঁধা প্রেমের রঙিন দিনগুলো। তাদের প্রতিটি সকাল শুরু হয় মিষ্টি এক হাসিতে, আর প্রতিটি রাত শেষ হয় ভালোবাসার মানুষটির নিরব চুম্বনে।

তবে সেই গল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলাদা, সবচেয়ে হৃদয়ছোঁয়া যদি কোনোটা হয়, সেটা নিঃসন্দেহে আশিয়ান ও হায়ার।

এক সময়ের ঠুনকো কথোপকথন এখন গভীর হয়ে উঠেছে। যাদের মাঝে একসময় নিঃশব্দ যুদ্ধ চলত চোখে চোখে, তাদের চোখেই আজ প্রেম খেলা করে। হায়ার হৃদয়ে আশিয়ানের জন্য যে ভালোবাসা জন্ম নিয়েছিলো পাঁচ বছর আগে, সেটি কখনোই ফুরিয়ে যায়নি। বরং অভিমানের আবরণে সে অনুভব চাপা পড়ে ছিলো, অপেক্ষায় ছিলো সঠিক মুহূর্তের—যখন কোনো আদুরে স্পর্শ, কোনো ভালোবাসাময় দৃষ্টিতে আবার জেগে উঠবে।

বিয়ের পর আশিয়ান সেই অপেক্ষার শেষ টেনে দেয়। তার নিঃশব্দ ভালোবাসা, নরম শাসন, এবং অসীম যত্ন হায়ার ভেতরের বরফ গলিয়ে দিয়েছে ধীরে ধীরে।
হায়া’র প্রতি ছোট্ট বিষয়ে খেয়াল রেখে সে নিজের বেখেয়ালিতে হায়া’র হৃদ কুঠুরিতে পুনরায় নিজের জন্য জায়গা করে নিয়েছে।

এখন তাদের সম্পর্ক আর কেবল দায়িত্ব বা সামাজিক পরিচয়ে আটকে নেই, বরং প্রতিটি দিন যেন এক নতুন প্রেমপত্র। হায়া জানে, আশিয়ান বদলে গেছে না, বরং সে ঠিক সেই মানুষ—যার মাঝে ভালোবাসার ভাষা শুধু প্রকাশ পেতে সময় নিয়েছে।

তারা প্রেমিক, তারা সঙ্গী। আর প্রেমের এই নতুন অধ্যায়ে, তারা প্রতিদিন একে অপরকে নতুন করে আবিষ্কার করে—আর প্রতিবারই আরও গভীরভাবে প্রেমে পড়ে যায়।

এখন তারা দু’জনই চায় তাদের সম্পর্কটাকে আর পাঁচটা স্বাভাবিক সম্পর্কের মতো রূপ দিতে। খুব কাছে এসে সীমাহীন ভালোবাসা দিয়ে একে অপরকে নিজের করে নিতে। একটা সঠিক সময়, আর তারা একে অপরের ভালোবাসা চিরকালের জন্য বিভোর হয়ে যাবে।

________________________

ফোনের ভাইব্রেশনের আওয়াজে আশিয়ানের ঘুমটা ভেঙে যায়। চোখ বন্ধ রেখেই হাতড়িয়ে হাতড়িয়ে ফোনটা খুঁজে বের করে। এক চোখ খুলে দেখে ভার্সিটি থেকে কল এসেছে। আশিয়ান চোখ ভালো করে খুলে ফোনটা রিসিভ করে কানে ধরে।

তার নড়াচড়ায় বুকের উপর শুয়ে থাকা হায়াও নড়েচড়ে উঠে, কিন্তু তার ঘুম ভাঙে না। ভাঙবে কি করে? কাল গভীররাত পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। সারা বছর যায় হেলে ফেলে, পরীক্ষার আগের দিনে তার হুশ ফিরে এমন একটা অবস্থা হয়েছে হায়া’র। তার সাথে আশিয়ানও রাত জেগে বসেছিলো। হায়া কত করে বললো তাকে ঘুমিয়ে পড়তে কিন্তু আশিয়ান তার কথা শুনলে তো।

হায়া’র পড়া শেষ হয় ফজরের আজানের দিকে। আজান পরার আগেই আউয়াল ওয়াক্তেই নামাজ পড়ে দুই জামাই বউ ঘুমে ঢলে পড়েছে। সারা রাত না ঘুমানোর কারণে এখন ঘুমটা একটু গভীরই।

আশিয়ান হায়া’র খুলে রাখা কেশে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে শুনতে পায়, ফোনের অপর পাশের ব্যক্তিটি তাকে বলছে–

—আশিয়ান স্যার, হিস্ট্রি সাবজেক্টের প্রফেসর আবদুস সাত্তার স্যার অসুস্থতার কারণে আজ তার ক্লাসটা নিতে পারবেন না। তিনি আপনার নাম রেফার করেছেন তার ক্লাসটা নেওয়ার জন্য। যদিও আজ আপনি ছুটিতে আছেন, তাও জিজ্ঞেস করছি আপনি কি তার ক্লাসটা নিতে পারবেন?

আশিয়ানের একজন পছন্দের মানুষ হলো তার কলিগ এই আবদুস সাত্তার। লোকটা তার বাবার বয়সী হলেও তার সাথে আশিয়ানের বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্ক। আশিয়ানকে বিভিন্ন বিষয়ে হেল্প ও পরামর্শ করে থাকেন উনি। সেই ব্যক্তি আজ নিজ থেকে তার নাম প্রেফার করেছে এটা তার জন্য অনেক বড় সম্মানের বিষয়। কিন্তু আজ হায়া’র প্রথম পরীক্ষা বলে সে ছুটি নিয়েছিলো। এখন যদি সে ক্লাস নিতে চলে যায় তাহলে হায়া’র সাথে যাওয়া হবে না তার।

আশিয়ান কলদাতাকে এক মিনিট হোল্ড করতে বলে ফোনটা মিউট করে হায়া’কে নিজের বুক থেকে সরিয়ে বালিশে শুইয়ে দেয়। হায়া ঘুমের ঘোরেই বলে উঠে–

—আমার ঘুম হয়নি। যেয়েন না প্লিজ আপনি।

আশিয়ান হায়া’র কপালে পড়ে থাকা চুল গুলো সরিয়ে দিয়ে সেখানে আলতো করে একটা চুমু দিয়ে বলে–

—যাচ্ছি না। একটা কল এসেছে, কথা বলে আবার আসছি। তুমি ঘুমাও।

হায়া ফিরতি কোন জবাব দেয় না। আশিয়ান বেড থেকে নেমে বেলকনিতে গিয়ে দাঁড়ায় ফোন নিয়ে। জিজ্ঞেস করে–

—ক্লাস কয়টায় শুরু হবে?

—লাঞ্চের পর। দু’টো বাজে শুরু হবে।

টাইমিংটা একদম পারফেক্ট আশিয়ানের জন্য। হায়া তখন এক্সাম দিবে আর এই ফাঁকে তার ক্লাস টাও নেওয়া হয়ে যাবে। আশিয়ান ইতিবাচক উত্তর দিয়ে ফোনটা কেটে দেয়। কল রেখে ফোনটা সামনে আনতে একটা ইমেইল চোখে পড়ে। আবদুস সাত্তার স্যার তাকে বিষয়টা সম্পর্কে ভোরে ই-মেইল করেছেন। সে তার জবাব ফিরতি ইমেইলে জানিয়ে দেয়। আশিয়ান বেডে এসে শুবে তখনই দরজায় কে জানি নক করে।

বিরক্তিতে আশিয়ান “চ” জাতীয় শব্দ করে। মাথাটা টিসটিস করছে ব্যথায়। আশিয়ান পা চালিয়ে হেঁটে এসে দরজা খুললে দেখতে পায় তার প্রাণপ্রিয় জন্মদাত্রী দাঁড়িয়ে আছেন।

স্পর্শ কোমল গলায় জিজ্ঞেস করে–

—আটটা বাজতে চললো আব্বু, নাস্তা করবে না তোমরা?

—এখন করবো না আম্মু। কাল হায়া রাত জেগে পড়েছিলো আর আমি ওকে বসে বসে পাহারা দিয়েছি। ঘুমিয়েছি ফজরের পর দিয়ে। ঘুম হয়নি আমাদের। আরেকটু ঘুমাই, দশটার দিকে উঠবো আমরা। তখন করবো।

—আচ্ছা।

স্পর্শ উত্তর শুনে চলে যায় নিজের কাজে। আশিয়ান দরজা লাগিয়ে দিয়ে এসে পুনরায় হায়া’কে কোলবালিশের মতো জাপ্টে ধরে চোখ বন্ধ করে।হায়াও আদুরে বিড়ালের মতো তার বুকে এসে মুখ গুঁজে।

_______________

গলির মুখে হোয়াইট কালারের দাঁড়ানো গাড়িটা মেহরিমা সহজেই চিনতে পেরে যায়। বিরক্তির মাঝেও একটা ভালো লাগা ঘিরে ধরে। হায়া আর জাহান তাকে প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশিই ভালোবাসে।

কাল হায়া’কে পইপই করে মানা করার পরও আজ সে গাড়ি নিয়ে মেহরিমার হোস্টেলের সামনে এসে হাজির। দু’জনের সিট একই জায়গায় পড়ায় হায়া বলেছে তাকে তার সাথে যেতে কিন্তু মেহরিমা তা নাকচ করে দেয়।

কিন্তু হায়া বরাবরের মতো বান্ধবী ও একমাত্র হবু ননদ হওয়ার অধিকারের পূর্ণ ফয়দা তুলে আজ এসে হাজির। মেহরিমা টুকটুক করে গাড়ির সামনে এসে হাজির হলে হায়া দরজা খুলে গাড়িতে তুলে নেয়। মেহরিমা আশিয়ানের সাথে কুশল বিনিময় শেষে হায়া’র দিকে তাকালে দেখতে পায় হায়া বইয়ে মুখ ডুবিয়ে বসে আছে।

মেহরিমা এমন দৃশ্য দেখে অবাক হয় না। গতবারও এমনটাই করেছিলো এই মেয়ে। হায়া একবার এই পৃষ্ঠা থেকে পড়ছে তো আরেকবার ঐ পৃষ্ঠায় নজর বুলচ্ছে। মেহরিমা আস্তে করে বলে–

—এত টেনশন নিস না তো। তুই পারবি সব ইনশা আল্লাহ।

হায়া বই থেকে মুখ তুলে ভীত কণ্ঠে বলে–

—দোস্ত রে, মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি।

মেহরিমা কিছু বলার আগে সামনে থেকে আশিয়ান কড়া গলায় ধমক দিয়ে বলে–

—আরো পড়ো তাহলে ভুলবে না। কাল থেকে বলছি রিল্যাক্স থাকতে, এত টেনশন না করতে কিন্তু আমার একটা কথা শুনো না তুমি। এই বইটা দাও আমায়। আর একটা অক্ষরও পড়বে না তুমি। মাইন্ড টাকে একটু রেস্ট দাও।

আশিয়ান পেছন ঘুরে বইটা নিতে গেলে হায়া দূরে সরে গিয়ে বইটা বুকের সাথে চেপে ধরে। ভাঙা ভাঙা গলায় বলে–

—দিবো না। আরেকবার রিভিশন দিবো।

আশিয়ান চোখ গরম করে বলে–

—দাও বলছি। সারা বছর পড়ালেখার ধারে কাছে দেখা যায় না,পরীক্ষার আগে যতসব ঢং।

আশিয়ান জোর করে টেনে বইটা নিয়ে নেয় হায়া’র থেকে। হায়া ঠোঁট উল্টে ছলছল চোখে তাকিয়ে থাকে। এমনিতেই তার ভয় লাগছে তার উপর আশিয়ানের এমন ধমকাধমকিতে তার খারাপ লাগছে।

হায়া মুখ গোমড়া করে জানালার বাহিরে তাকায়। মেহরিমা তার সাথে দুই একটা কথা জিজ্ঞেস করলে সে হ্যা না তে জবাব দেয়। আশিয়ান সবটা দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। কাল থেকে অনেক আদুরে গলায় বুঝিয়েছে, কিন্তু এই বাদর আদর নেওয়ার মানুষ না। যদি এখন সে বইটা না নিতো তাহলে হায়া আরো পড়তো আর নার্ভাস হয়ে সব ভুলে গোঁজামিল করে দিতো।

__________________________

জাভিয়ান নতুন একটা ডিল সম্পর্কে ম্যানেজারের সাথে ছোট্ট একটা মিটিং শেষ করে মাত্রই রিল্যাক্স হয়ে বসেছিলো তখনই কেউ একজন দরজায় নক করে। জাভিয়ান পারমিশন দিলে লোকটি ভেতরে প্রবেশ করে।

জাভিয়ান আগত লোকটিকে দেখে খানিক অবাক হয়ে বলে উঠে–

—তুমি??

_______________

আফরা আদিবাকে সেই কখন থেকে বকেই যাচ্ছে। তাকে বকার কারণ হলো, আজ তারও পরীক্ষা ছিলো আর সে জাস্ট পাশ নাম্বার উঠিয়ে চলে এসেছে। এসো তো তার মধ্যে কোন অনুতাপের ছায়া টুকু নেই উল্টো শুয়ে শুয়ে কার্টুন দেখছে।

আফরা আদিবা’র পিঠে ঠাস করে একটা বসিয়ে দিয়ে রাগী গলায় বলে–

—এই নির্লজ্জ মেয়ে, একে তো পরীক্ষায় পাশ নাম্বার উঠিয়ে চলে এসেছিস তারউপর এখন শুয়ে শুয়ে কার্টুন দেখছিস আর দাত ক্যালাচ্ছিস। লজ্জা করে না এত বড় হয়ে কার্টুন দেখতে?

আদিবা নিজের পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে বলে–

—আম্মাজান, কার্টুনের শুরুতে তো বলে দেওয়া হয়নি যে কার্টুন শুধু ছোটরা দেখতে পারবে বড়রা না। তাই আমি দেখছি। আর পরীক্ষার কথা বললে, আচ্ছা তুমিই বলো দুনিয়ায় সবাইকে দিয়ে কি সবকিছু হয়? সবাই যদি সব বিষয়ে যোগ্যতা সম্পন্ন হতো তাহলে দুনিয়ায় ডিপ্রেশন তথা হতাশা নামক কোন বস্তুই থাকত না আর নাই বা দিনকে দিন সুইসাইড নামক নির্মম কাণ্ড হতো।

ভীষণ জ্ঞানী ভাব ধরে কথাগুলো বলে আদিবা। আফরা চোখ গরম করে বলে–

—ওরে আমার ফিলোসফার আসছে রে!!! এমন পাকা পাকা কথা না বলে একটু বইয়ের পাতা উল্টে দেখলেও তো পারিস।

—পড়ালেখা আমার ভালো লাগে না আম্মু। বিয়ে দিয়ে দাও। বিয়ে করে গুছিয়ে সংসার করি।

—তবে রে!!! বিয়ের করাচ্ছি তোকে।।

আফরা স্কেল এনে আদিবাকে মারতে নিলে আদিবা চোখ বড় বড় করে চিৎকার করে বলে উঠে–

—ও আব্বু গোোোোোোোো

বলেই ফুরুৎ। আফরাও আদিবার পেছন পেছন ছুট লাগায় তাকে মা”রতে। আদিবা এক দৌড়ে নিচে বাবার কাছে ছুটে গিয়ে তার পেছনে লুকায়। আফরা আদিয়াতের পেছন থেকেই আদিবাকে মারতে গেলে আফরা আদিয়াতকে ধরে একবার এদিক যায় তো আরেকবার ঐদিক যায়। আদিয়াত এই মা-মেয়ে খুনসুটি পূর্ণ ঝগড়া দারুণ ভাবে উপভোগ করতে থাকে।

আফরা রাগী গলায় বলে–

—আফিফের বাবা, আপনি সামনে থেকে সরুন তো। এই মেয়েকে মুখের কথায় সোজা করা যাবে না। বলে কিনা পড়া লেখা ভালো লাগে না বিয়ে দিয়ে দাও। সে গুছিয়ে সংসার করতে চায়। এই মেয়ে (আদিবাকে ধমক দিয়ে) এখন বাপের পিছনে লুকিয়েছিস কেন? সামনে আয়।

—আহ আফরা! এমন করো না তো মেয়েটার সাথে। সবাই কি আর সব বিষয় পারদর্শী বলো? আমাদের আদিবাও তেমন। ও যতটুকু পারে ততটুকুই আলহামদুলিল্লাহ।

আফরা ছুটাছুটি বন্ধ করে এক হাত কোমড়ে রেখে রাগী গলায় বলে–

—আহা রে!! মেয়ের প্রতি ভালোবাসায় উতলে পড়ছে। আর বউয়ের বেলা কানাকড়িও ছিলো না। বিয়ের পর কত করে বললাম আমি পড়ালেখা করবো না, করবো না শুনে ছিলেন আমার কথা? আফিফকে ৮মাসের পেটে নিয়েও পরীক্ষা দিতে পাঠিয়েছিলেন। কি মনে করেছেন, ভুলে গিয়েছি আমি?

এই রে! একসময় বউয়ের উপর পড়ালেখা নামক অত্যাচার করলেও মেয়ের উপর এখন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না আদিয়াত।

এদিকে আদিবা বাবা-মায়ের ঝগড়ার ফয়দা নিয়ে আবারও ফুড়ুৎ করে উড়াল দেয়। আফরা আদিবার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে বলে–

—আমি আপনার উপর প্রচন্ড রেগে আছি আফিফের বাবা। আজ আমি আম্মার সাথে ঘুমাবো। আপনি একা ঘুমাবেন রাতে।

কথাটা বলে আফরা হনহনিয়ে চলে যায় কিচেনের দিকে। সন্ধ্যার নাস্তা বানাতে। আর এদিকে অবাকের সমুদ্রে হাবুডুবু খেতে রেখে যায় আদিয়াতকে। কিছু না করেও আজ তাকে শাস্তি পেতে হবে।

শব্দসংখ্যা~১৫৬৬
~চলবে?

[আপনারা আলরেডি জানেন আমার পরীক্ষা চলছে। এই সপ্তাহ ও সামনের সপ্তাহের শুরুর কয়েকটা দিন একটু অনিয়ম হবে গল্প দিতে। তারপর ইনশা আল্লাহ চেষ্টা করবো রেগুলার গল্প দেওয়ার।

ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। হ্যাপি রিডিং পাই লাভিং রিডার্স ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here