প্রণয়ের_রূপকথা (৪৫)

0
55

#প্রণয়ের_রূপকথা (৪৫)

হোটেলের বাজার করে যে ছেলেটা, তার নাম সাগর। বয়স চব্বিশ-পঁচিশের ঘরে। বাজার নিয়ে ফিরেছে। সপ্তাহে দুদিন শুকনো জিনিস বাজার করতে হয়। রিকশাটা থামিয়ে সে গলা ছেড়ে ডাকতে লাগল।

“কাকি ও কাকি, বাজার আনছি।”

হোটেলের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলেন ববিতা। বাজারের মোট ছয়টা ব্যাগ। হোটেল চালানো আসলেই সহজ বিষয় নয়। রোজ কাজ শেষে হিসেব মিলাতে হয়। পরেরদিন কি কি বাজার লাগবে, কোনটা কতটুকু আছে, কি আইটেম রান্না হবে, সব নিয়ে বসতে হয়। পরিশ্রম যায় খুব। তবে দিনকে দিন সুনাম বাড়ছে। এর কারণ অল্প দামে ভালো খাবার। ববিতা খাবারে ভেজাল মেশান না। একদম ঘরোয়া ভাবে রান্না হয় সব। ব্যাগ গুলো নামিয়ে সাগর হি হি করে হাসল। ববিতা পার্স থেকে রিকশা ভাড়া মিটিয়ে দিল।

“সব ঠিক ঠাক এনেছিস তো?”

“হ, কাকি। সব ঠিক ঠাক আছে।”

বলে পকেট থেকে সে লিস্ট বের করল। একে একে পড়তে লাগল। ওর পড়ার মাঝেই থামিয়ে দিলেন ববিতা।

“আর পড়তে হবে না। এগুলো সব ভেতরে নিয়ে যা।”

“আচ্ছা কাকি।”

বলে দুটো ব্যাগ তুলল ও। ওমনি ববিতা বললেন,”খোলা জিনিস আর আনব না। প্যাকেটের জিনিস আনব। দাম একটু বেশি হলেও সমস্যা নেই।”

এ কথায় সাগরের চোয়াল ঝুলে গেল। ববিতা বললেন,”দাঁড়িয়ে আছিস কেন? নিয়ে যা বাপ। কত কাজ বাকি।”

ববিতা হনহনিয়ে চলে গেলেন। সাগরের মুখটা আকাশে ভেসে থাকা মেঘের মতন অন্ধকার হয়ে রইল। বহু কষ্টে কপালে এক প্রেমিকা জুটেছিল। সেই প্রেমিকাকে রোজ এটা সেটা উপহার দিত। সেই উপহারের টাকা আসত বাজারের টাকা মা রা থেকে। এখন সে জোগান ও বন্ধ হলে, কে জানে প্রেমিকা টিকবে কি না।

বাকি অংশ @Fatema’s story discussion গ্রুপে ফাতেমা তুজ নৌশি আইডি থেকে দেয়া হয়েছে। গ্রুপে জয়েন করে পড়ে নিন।

পর্বের লিংক :
https://www.facebook.com/groups/2944711092471263/permalink/4171140096495017/

লেখা: ফাতেমা তুজ নৌশি

(৪৬)
https://www.facebook.com/100076527090739/posts/849223024305260/

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here