#হিপনোটাইজ
#তাজনিন_তায়্যিবা
পর্ব:26
⭕পূনর্জন্ম বা টাইম ট্রাবল কোন ধর্মে গ্রহনযোগ্য
___________________________________________ নয়,এটি কেবল রুপকথার উপমা।
_______________________________⭕
ঘরের ভেতর কিছু একটা নিয়ে সমানে পাইচারি করে যাচ্ছে ত্রিজয়।নীল নেত্রমনির পুরোটা জুড়ে ঢেউ খেলছে অজস্র ভাবনা। কিছু একটা চিন্তা করছে গভীর ভাবে, হাতে ধরে রাখা পেন টা দিয়ে দেয়ালে সেট করা বোর্ডের উপর কিছু একটা লিখছে তো আবার মুছে ফেলছে।
একই নিয়মে কয়েকবার পাইচারি করে থমকে দাড়ালো ত্রিজয়,হাতের পেন্সিল টা ছুড়ে ফেলে দিয়ে বড় বড় পা ফেলে বেড়িয়ে গেলো ঘরের বাইরে।
ত্রিজয়ের পরনে একটা টাউজার আর সাদা স্কিন-ফিট সেন্ডো গেঞ্জি। মাথার চুল এলোমেলো , অলসতার কারণে হয়তো গত দুই দিন ধরে চুলে হাতই দেয়নি। গালের খোচাখোচা দাড়ি গুলো ফর্সা ত্বকের উপর রাফ অথচ আকর্ষণীয় আভা তৈরি করেছে। শক্তপোক্ত বাহুর পেশিগুলো স্পষ্ট, দেহের প্রতিটি শিরা-উপশিরা টান টান। এমন ভাবগম্ভীর অস্থিরতায়ও তার গাঠনিক সৌন্দর্য ধরে রেখেছে এক অদ্ভুত আকর্ষণ।
নিস্পাপের ঘরে ঢোকার জন্য একটুও ভাবতে হয় নি ত্রিজয়কে,কোন মেয়ের ঘরে হুটহাট ঢুকে যাওয়ার বিষয় টা তার কাছে নরমাল,ওসব ফর্মালিটি তার পোষায় না।নিজের বাড়ি নিজের ঘর যা করবে যেখানে যাবে নিজের মর্জি মতো করবে ,কারো সুবিধা অসুবিধা দেখার সময় বা ইচ্ছে তার নেই।
নিস্পার ঘরে ঢোকার সাথে সাথেই চোখ বড় বড় করে ফেললো ত্রিজয়,নিস্পার পরনে নিজের টিশার্ট টা দেখে জাস্ট বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো।অতুলনীয় সুন্দরী মেয়েটাকে যেনো আরেকটু বেশিই সুন্দর লাগছে কালো খয়েরী রঙের হাটু সমান টিশার্ট টায়।
নিস্পার ভেজা চুল বেয়ে টুপটাপ ঝড়ে পরছে পানির ফোটা,মাত্রই স্নান সেরে বেড়িয়েছে বোধহয়, ভেজা স্নিগ্ধ শরীর টা টান টান।হাটু অব্দি পরিহিত ঢিলেঢালা টিশার্ট টায় ঝলসে উঠছে তার সৌন্দর্য।ত্রিজয় বশিভূতের ন্যায় এগিয়ে এলো নিস্পার কাছে। নিস্পার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সজাগ হলো, ঘরের ভেতর কারো উপস্থিতির স্পন্দন মিশে গেলো বদ্ধ বাতাসে,কড়া পারফিউমের ঘ্রাণ সাই সাই করে প্রবেশ করলো তার নাসিকা গ্রন্থে।
নিস্পা সামনের দিকে দু হাত বাড়ালো,হাতরে এগিয়ে এলো কিছুটা,উদ্বিগ্ন কন্ঠে বললো,
“কে?কে এসেছে আমার ঘরে?”
ত্রিজয় নিঃশব্দে এগিয়ে এলো নিস্পার একদম কাছে, তার উষ্ণ নিঃশ্বাস মিশে গেল নিস্পার স্নানসিক্ত ত্বকের ওপর। ত্রিজয় দ্বিধাহীন হাত বাড়িয়ে আলতো স্পর্শ করলো নিস্পার কোমরে।
নিঃশব্দ, নিস্তব্ধ ঘরে অযাচিত স্পর্শ বিদ্যুতের মতো ছড়িয়ে পড়ল নিস্পার শরীরে। স্নানের পর শরীরটা এমনিতেই সংবেদনশীল ছিল, তার ওপর ত্রিজয়ের স্পর্শে খেলে গেল এক নতুন শিহরণ ।শ্বাস অগোছালো হয়ে এলো, বুকের ভেতর গর্জে উঠলো ঢেউ, তড়িৎ প্রশ্ন করলো,
“আপনি এ-সময় কেনো?”
ত্রিজয়ের চোখে এক অদ্ভুত নেশা,অপ্রকাশিত কিছু বলার আকুতিতে ঠোঁট নাড়ালো,মাদকিয় কন্ঠে বললো,
“এ-সময় তো স্নানের নয়।”
নিস্পা ভ্রু গোটাল,ভাবুক কন্ঠে বললো,
“আমি এ-সময়ই স্নান করি।”
“আমাকে হিপনোটাইজ করার উদ্দেশ্যে? ”
“এমন জঘন্য উদ্দেশ্য আমার নেই।”
“অথচ জঘন্যভাবে সম্মোহন করে ফেললি আমার দুচোখের নীল নেত্রমনিকে।”
“সেটা আপনার ব্যার্থতা,নিজেকে সংযত রাখতে অক্ষম আপনি।”
“বৈধ স্ত্রীর নিকট নিজেকে সংযত রাখতে বয়েই গেছে আমার।”
নিস্পা বিরক্ত হলো, নিজের হাত উঠিয়ে ছাড়াতে চাইলো ত্রিজয়ের হাত, একটু রাগী স্বরে বললো,
“ছাড়ুন আমাকে,বিরক্ত লাগছে।”
ত্রিজয় ছাড়লো না, উল্টো আরেকটু শক্ত করে চেপে ধরলো নিস্পার কোমর,ফিসফিসিয়ে বললো,
“কানা না হলে বিশ্ব সুন্দরীর এওয়ার্ড টা তুইই পেতি।”
“ওসব আজাইরা জিনিসের প্রতি আগ্রহ নেই আমার।”
ত্রিজয় ভ্রু উচালো,চোখ ছোট ছোট করে একটু দাম্ভিক কন্ঠে বললো,
“ভাব বেড়ে গেলো নাকি?ওসব ভাব পকেটে রাখ,যতই সুন্দরী হোস তোর প্রতি চুল পরিমাণ ফিলিংস আসে না আমার।জাস্ট বোন মনে করে প্রসংশা করলাম।”
“নিজেকে আপনার বোন ভাবতেও রুচিতে বাঁধবে আমার।”
“তোকে আমার আপন বোন ভাবতে বয়েই গিয়েছে ।আমার দজ্জাল ফুফির মেয়ে মনে করি তোকে, যতবার ওই জংলী মহিলার কথা মনে পড়বে ততবার তোকে ঠাটিয়ে চড় মারতে পারবো।”
“আপনি এসব বলার জন্য এই সময়ে এখানে এসেছেন?”
“আমাকে এসব বলানোর জন্য তোকে এই সময়েই আমার টিশার্ট টা পড়তে হলো?”
নিস্পা রেগে উঠলো এবার, কর্কষ কন্ঠে বললো,
“তো কি করতাম?বিয়ে করেছেন ছয়দিন হলো ছয় টাকা দিয়েও একটা ড্রেস কিনে দেওয়ার মুরোদ হয় নি আপনার, আমি তো আর ড্রেস না পরে ছয়দিন কাটিয়ে দিতে পারি না।”
“ড্রেস না পরে থাকলেই বা কি?আমি কি তোর উপর নজর দেওয়ার জন্য বসে আছি নাকি?”
“ছিঃ, নির্লজ্জ লোক।”
“তোর সাথে নির্লজ্জ হতে বয়েই গিয়েছে আমার, নির্লজ্জ হতে হলেও ফিলিংস লাগে।”
নিস্পা বিরক্তিতে গিজগিজ করে উঠলো, রাগান্বিত কন্ঠে বললো,
“ছাড়ুন আমায়, আমার কোমর থেকে হাত সরান।”
ত্রিজয় হাত সরালো না,বরং দাম্ভিক ভঙিতে বললো,
“আমার বাড়ি আমার হাত আমি যেখানে ইচ্ছে রাখবো, তুই সরাতে বলার কে?”
নিস্পা দাঁতে দাঁত চেপে বললো,
“আপনার বাড়ি আপনার হাত, কিন্তু রাখার জায়গাটা আমার কোমর।”
“তাতে কি?এই শরীরের প্রতিটি অংশ আমার মালিকানার অন্তর্ভুক্ত।”
নিস্পা কপাল কুচকালো, অস্ফুটে জিজ্ঞেস করলো,
“কিভাবে?”
“কবুল বলে।” ত্রিজয়ের ছোট্ট সংক্ষিপ্ত উত্তরে ভড়কালো নিস্পা,তাড়াহুড়ো কন্ঠে বললো,
“কবুলের দোহাই দিয়ে এই বাড়িতে আটকে রেখেছেন এতটুকুই যথেষ্ট, এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করাটা আপনার ভুল হবে।”
ত্রিজয় ডোন্ট কেয়ার ভাব নিলো,আরেকটু শক্ত করে চেপে ধরলো নিস্পার কোমর,নিজের অধর যুগল ধীরে ধীরে নিস্পার কানের কাছে এগিয়ে নিয়ে বললো,
“আমি ইচ্ছে করলে ছয় দিনে মিনিমাম ষাট বার বাসর সেড়ে ফেলতে পারতাম,ভাগ্যিস তোর মতো কানার প্রতি ফিলিংস আসে না আমার।”
“ছিঃ,আপনার মতো জঘন্য মানুষের সাথে কথা বলা পাপ হয়েছে আমার।”
“তাহলে প্রায়শ্চিত্ত কর,আমার কেসের সাক্ষী হয়ে যা।”
“কোন দরকার নেই।”
“তুই চাস না তোর মা বাবা ন্যায় বিচার পাক।”
“আমি নয়, বলুন আপনি চান না,এ কয়দিনে আপনাকে যা চিনেছি, সবকিছুতে আপনি নিজের স্বার্থ টা আগে খুজেন, কে বলতে পারে আমি কেসটা রি ওপেন করার পর আপনি আপনার স্বার্থ চরিতার্থ করে আমাকে বিপক্ষদলের কাছে বিক্রি করে দিলেন।”
ত্রিজয় নিস্পার কথাকে পাত্তা দিলো না,বরং বড্ড সাবলীল কন্ঠে বললো,
“নিজেকে কি ভাবিস তুই?তোকে বিনেপয়সাতে দিয়ে দিলেও তো কেউ নিবে না,বিক্রি করার তো প্রশ্নই আসে না।”
নিস্পা রাগে কপাল চাপড়ালো,তিরিক্ষি কন্ঠে বললো
“ওহ, আপনি একজন অসহ্যকর মানুষ।”
“আমাকে সহ্য করার জন্য তোর পায়ে পড়ি নি আমি।”
“আমি পড়ছি, আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে রেহাই দিন,এই ঘর থেকে বের হোন প্লিজ।”
ত্রিজয় ছেড়ে দিলো নিস্পার কোমর, গা ছাড়া ভাব নিয়ে বললো,
“যাচ্ছি,তোর সাথে এক ঘরে থাকার জন্যেও ফিলিংস দরকার, আফসোস আমার সেটুকুও নেই।”
কথাটা বলেই বের হওয়ার জন্য পা বাড়ালো ত্রিজয়,নিস্পা হাপ ছেড়ে বাঁচলো,ফোস করে নিঃশ্বাস নিলো স্বস্তির। বিছানায় বসার জন্য পেছনে ঘুরতেই হাতে টান অনুভব করলো,ত্রিজয়ের হাতের মুঠোয় পুনরায় আটকা পরলো তার কোমল হাত।
ত্রিজয়ের নীল নেত্রমনি ভাষাহীন, উপছে পড়ছে অজ্ঞাত আবেগের জলরাশি।নিস্পা হতহ্বিবল হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো,অস্ফুটে জিজ্ঞেস করলো,
“যান নি এখনো?”
ত্রিজয় কথা বললো না, হেচকা টানে নিস্পার মাথাটা এনে ফেললো নিজের চওড়া বুকের উপর,ভাবগুরে কন্ঠে বললো,
“পূনর্জন্মে বিশ্বাস করিস?”
ত্রিজয়ের কথায় কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো নিস্পা,মঅনে পড়লো সত্যবীনা পাখির কথা, পূনর্জন্মে যে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে সে কথা আড়াল করে রিনরিনিয়ে বললো,
“সময়ের হিসেবে বোধহয় আপনি কাঁচা।”
ত্রিজয় কপাল কুচকে বললো,
“একথা বলার কারণ?”
“কারণ আপনি 2025 সালে দাঁড়িয়ে পূনর্জন্ম বিশ্বাসের কথা বলছেন।”
“তার মানে বলতে চাইছিস পূনর্জন্ম বলতে কিছু হয় না?”
নিস্পা ঠোঁট এলিয়ে রহস্যময় হাসলো, ছোট্ট করে বললো,
“হয়তোবা।”
ত্রিজয় অনুরাগী কন্ঠে বললো,
“যদি জান্নাতের আগে তোর সাথে দেখা হতো তবে বোধহয় নিয়তি পাল্টে যেতো।”
“ভাগ্যিস দেখা হয় নি,নয়তো নিয়তি পালটানোর অপরাধে মহাপ্রলয় বেঁধে যেতো।”
“ফেনসিডিলেত মতো বিষাক্ত তুই,নেশার বাক্স,তোকে পাওয়ার জন্য দু একবার মহাপ্রলয় ঘটালেও মন্দ হতো না।”
__________________
রাত সাড়ে আটটা।এশার আজান পড়েছে চারদিকে।তাকরিমের বাড়ি পুরোপুরি খালি।একটা কাক পক্ষিও নেই।বাড়ির সামনে পাহারারত খাম্বার মতো দাঁড়িয়ে থাকা গার্ড গুলোও নেই।
সন্ধ্যার দিকে তাকরিমের মায়ের শরীর খারাপ হওয়ায়,তাকে নিয়েই সবাই মিলে ছুটে গিয়েছে হসপিটালে।অনুকে সারাদিন চোখে চোখে রাখা ওই অদ্ভুত চাহনির মেয়েটা প্রভাও নেই বাড়িতে, সেও গিয়েছে হসপিটালে।
এই সুযোগ টাকেই কাজে লাগালো অনু,এই বাড়ি থেকে পালানোর মতো সুন্দর সুযোগ আর পাওয়া যাবে না ভেবেই নিজের ব্যাগ পত্র গুছিয়ে বেড়িয়ে গেলো বাড়ির বাইরে।
কিন্তু বাড়ির গেটের কাছে আসতেই চুপসে গেলো সে,পালানোটা যতটা সহজ ভেবেছে ততটাও সহজ হবে না তার জন্য,গেটের কাছে গার্ড গুলো না থাকলেও একজন দারোয়ান দাঁড়িয়ে আছে নিরলস ভঙিতে।
তাই বাড়ির মেইন গেট দিয়ে পালানোর চিন্তা বাদ দিলো অনু,দৃষ্টি ঘুরিয়ে তাকালো উঁচু দেয়ালের দিকে।ব্যাস দ্রুত চলে গেলো সেদিকে,দেয়াল টপকে পালানোর প্লেনটাই এই মূহুর্তে যুতসই মনে হলো তার কাছে।
যেই ভাবা সেই কাজ,দেয়ালের এপাশে দাঁড়িয়ে অনু তার হাতের ব্যাগটা ছুড়ে ফেললো দেয়ালের ওপাশে।ঠিক সেই মূহুর্তটাকে পাল্লা দিয়ে এলোমেলো পায়ে বাড়ির দিকে এগিয়ে এলো ছন্নছাড়া সুপুরুষ।তাকরিমকে আসতে দেখেই হকচকালো বাড়ির দারোয়ান, ছুটে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
“স্যার!স্যার আপনি এভাবে?গাড়ি কোথায়?আর গার্ডরা?”
তাকরিম হাত উঁচিয়ে থামিয়ে দিলো দারোয়ানকে,অস্ফুটে বললো,
“আমি খুব সাধারণ, কোন এক জন্মে খেটে খাওয়া শ্রমিক ছিলাম, এসব বিলাশিতা পোষাবে না আমার।”
দারোয়ান ভ্যাবলার মতো তাকিয়ে রইলো তাকরিমের কাছে,নাক খাড়া করলো গন্ধ শুখার উদ্দেশ্যে, এমপি তাওসিফ তাকরিমের মুখে কিসব আবল তাবল কথা শুনে দারোয়ান ধরেই নিয়েছে এমপি মশাই বোধহয় ড্রিংক করে এসেছেন।তাই আর ঘাটলেন না,ভ্যাবলার মতো মাথা নাড়ালো সম্মতিতে।
তাকরিম নিঃশব্দে পা বাড়ালো, ভেতরে ঢুকতে গিয়েও কিছু একটা পড়ে যাওয়ার শব্দ পেয়ে থামালো পা,কপাল গুটিয়ে কান খাড়া করলো, শব্দের উৎস অনুসরণ করে এগিয়ে গেলো বা দিকের উঁচু দেয়ালটার কাছে।
কয়েকপা এগিয়ে যেতেই পায়ে বিধলো অনুরিকার ছুড়ে ফেলা ব্যাগটা।কপালে ভাজ পড়লো তাকরিমের। সুঠাম দেহ টা ঝুকিয়ে নিয়ে তুললো ব্যাগটা।সন্দিহান দৃষ্টিতে উল্টে পাল্টে তাকাতে লাগলো, ঠিক সেই মূহুর্তে নিজের মাথার উপর কারো ভর অনুভব করলো তাকরিম। অনুরিকা দেয়াল টপকে নিজের শরীরের ভার ছেড়ে দিয়েছে নিচের দিকে,গাছের খুটি ভেবে পায়ের সমস্ত ভর রেখেছে তাকরিমের মাথার উপর।
তাকরিম চোখ উল্টে উপরের দিকে তাকালো,অনুরিকার পা নিজের মাথার উপর দেখতেই রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে উঠলো সে,প্রচন্ড ক্রোধিত কন্ঠে চেচিয়ে উঠলো,
“ব্লাডি বাস্টার্ড,,,,,,,,
অনুরিকা কেঁপে উঠলো, ব্যালেন্স হারালো হাত,নিচের দিকে তাকাতে গিয়েই ঘটলো দূর্ঘটনা,মুখ থুবড়ে পড়লো সোজা তাকরিমের গায়ের উপর।
চলবে,,,,,,,,,

