#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২২|
#শার্লিন_হাসান
“এই মেলিচা একদম তুই তোকারী করবি না।”
“আমার পার্সোনাল ব্যপারে নাক গলাবি না।”
কথাটা বলে ইলমা চলে আসে। আদনান ইলমার যাওয়া দেখে মৃদু চিৎকার দিয়ে বলে, “প্রেমিকনারী বেশি বেড়েছিস তুই।”
আদনানের কথাটা শেষ হতে তৃপ্তি পানির গ্লাস নিয়ে হাজির হয়। আদনান রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে পানি পান করে। শব্দ করে গ্লাসটা টেবিলের উপর রাখে। বাইকের চাবি নিয়ে রুমে আসতে রিয়ানার কল পায়। মূহুর্তে মেজাজ আর খারাপ হয়ে যায়। চোয়াল শক্ত করে কল রিসিভ করে আদনান। রিয়ানা অপরপ্রান্ত থেকে শুধায়, “আমার ব্রেকআপ লাগবে।”
“ওই তোর সাথে এখন আমি রিলেশনে আছি নাকী যে ব্রেক আপ দেব? কথা যেদিন থেকে বন্ধ হয়েছে সেদিন থেকেই ব্রেকআপ ধরে নিয়েছি। এখন রঙ্গ করার জন্য কল দিয়েছিস?”
আদনানের কথায় রিয়ানা রেগে জবাব দেয়, “এতো তেজ কেন? তোর সাথে যে আমি রিলেশনে ছিলাম সেটাও তোর সাত কপালের ভাগ্য।”
“এ্যাই চোপ। তোর মতো মেয়ের সাথে যে,আমি আদনান এতোদিন ছিলাম সেটা তোর সাত কপালের ভাগ্য।”
“নিজেকে কী ভাবিস?”
“কেন? আমার বউয়ের ভবিষ্যৎ বর।”
“এই তোকে বিয়ে করবে কে?”
“নিজের দিকে তাকা আর ভাব তোকে কে বিয়ে করবে।”
“এই তুই আমার হোয়াটসঅ্যাপ, ইন্সটাগ্রাম, ফেসবুক দেখেছিস? কত ছেলেরা ম্যাসেজ দেয়।”
“মাথা মোটা! ছেলেরা তোকে বিয়ের জন্য ম্যাসেজ দেয়না,টাইমপাসের জন্য ম্যাসেজ দেয়। আর কী বলত, বউ হিসাবে ব্যাকডেটেড মেয়েরাই পারফেক্ট তোদের মতো মা’তারী রা না।”
“ঠিকই তো আমাদের কাছেই আসতে হয় প্রেমের জন্য। তা তোর ব্যাকডেটেডের কী হয়েছিলো এতোদিন? যে মাতারীদের কাছে আসতে হয়েছে। নিজে তো একটা বারো বাতারী।”
“এ্যাই শালী তুই কল রাখ।”
কথাটা বলে আদনান কল কেটে দেয়। ফোনটা বিছানায় ছুঁড়ে ইজি চেয়ারটায় বোসে। মাথা গরম হয়ে আছে। তারউপর মানুষ কল করার আর সময় পায়না। আদনান চুলগুলো পেছনে হ্যান্ডব্রাশ করে। কপাল স্লাইড করে কিছু চিন্তা করে।
★★★
চলে যাওয়া সময় যেন এক অদ্ভুত অনুভূতি—কখনো ভালো তো কখনো খারাপ কাটে সময়। তবে, মাঝে মাধ্যে আমরা সেই সময়ের কাটিয়ে আসা কিছু ঘটনা স্মরণ করতে গিয়ে কখনো মলিন হাসি আবার কখনো আনন্দ নিয়ে হাসি। আমাদের পুরনো স্মৃতিগুলো এক ধরনের মিষ্টি বেদনা। মনে হয়, ‘যত কিছু হারিয়েছি, তার চেয়ে বেশি পেয়েছি’। কিন্তু তারপরও, কিছু মুহূর্ত থাকে, যখন সময়ের হাত থেকে কিচ্ছু ফেরানো যায় না। যেই ক্ষণগুলো আমরা ফিরে চাইলেও, তা আর ফিরে আসে না। কিন্তু তাতে কি? আমাদের ভেতরের স্মৃতি, হাসি-কান্নার মিশ্রণ, আমাদেরকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।
এভাবেই, চলে যাওয়া সময়—ভালো খারাপ সবকিছু মিলিয়ে আমাদের জীবনে এক নতুন দিশা তৈরি করে। যে দিশায় মাঝে মাঝে চোখে অশ্রু, মাঝে মাঝে মুখে হাসি, কিন্তু সবসময়েই হৃদয়ে একটা অদ্ভুত শান্তি থাকে।
তৃপ্তি এবং ইলমার টেস্ট পরীক্ষা শেষ। কয়েকদিনের ভেতর রেজাল্টও দিয়ে দিবে। যেহেতু এক্সাম শেষ সেজন্য তাঁদের কলেজও অফ।
ইলমা,তৃপ্তি দু’জনেই আজকে সকাল,সকাল ঘুম থেকে উঠেছে। ঈশিতাকে নাশতা বানানোর কাজে সাহায্য করেছে দু’জন। ফাইজা কিচেনে আসেওনি। চট্টগ্রাম থেকে আসার পর থেকে ফাইজা নিজের মতোই থাকে। তেমন কারোর সাথে কথাবার্তা বলেনা। ইলমা যেখানে সে সেখান থেকে দশহাত দূরে থাকার চেষ্টা করে। তবুও খাবার টেবিলে বা নাশতা খেতে বসলে মুখোমুখি হতে হয়। তবে দু’জনের একজনও কেউ কারোর সাথে কথা বলেনা।
ইনান শেখ নাশতা খেতে তারেক মাহমুদের পাশের চেয়ারে বোসেছেন। বাকীরাও চুপচাপ নাশতা খাচ্ছে। চামচ আর পানি ঢালার আওয়াজ ছাড়া তেমন কোন শব্দ হচ্ছে না। বলা যায় সবাই নিরব ভাবেই নাশতা খাচ্ছে। এরই মাঝে ইলমা ইনান শেখকে বলে,
“বাবা তুমি ফ্রি আছো কবে?”
মেয়ের কথায় ইনান শেখ জবাব দেন, “ফ্রাইডে ছাড়া তো ফ্রি নেই।”
ইলমা জবাব দেয়না। বাকীরা তার দিকে তাকায়। আদনান একবার ইনান শেখকে তো আরেকবার ইলমাকে পরখ করে। তখন তারেক মাহমুদ বলেন, “কেন কিছু লাগবে?”
ইলমা মাথা নাড়ায়। আওড়ায়, “ওই নতুন বাড়ি দেখবো।”
তখন ইনান শেখ বলেন, “একবারে কমপ্লিট হলে যেও। এখন তো পসিবল না। দিনের বেলায় ছেলেপেলে থাকে কাজ করে। শুক্রবার দিন এমনিতেও সময় চলে যায় টের পাওয়া যায়না।”
ইলমা অস্পষ্ট স্বরে বলে, “আচ্ছা।”
বাকীরা খাওয়ায় মনোনিবেশ করে। আদনান ইলমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। পরক্ষণে বিরক্তি নিয়ে বিড়বিড় করে বলে, “নাটকের শেষ নাই।”
নাশতা শেষ হতে তারেক মাহমুদ এবং ইনান শেখ বেরিয়ে যান। ইজাজও তার স্কুলের জন্য তাঁদের সাথেই যায়। ঈশিতা, ফাইজা কিচেনে। তৃপ্তি তার দাদীর সাথে রুমে গেছে। ইলমা এসে সোফায় বসে। আদনান পানির গ্লাস টেবিলে রেখে ইলমার সামনে আসে। আদনানকে দেখে ইলমা বিরক্ত হয়। আদনান নিজেও মুখশ্রীতে বিরক্তি ভাবটা ফুটিয়ে তোলে। দু’জন দু’জনকে দেখে বিরক্ত।
আদনান ইলমার সামনের সোফায় বোসতে বোসতে বলে, “বাড়ি দেখতে যাবি?”
“নিয়ে যাওয়ার মতো কেউ নেই। তাই যাবো না।”
“আমার সাথে যাবি?”
আদনানের কথায় ইলমা হকচকিয়ে যায়। সন্দিহান দৃষ্টিতে তাকায়। ইলমার বিশ্বাস হচ্ছেনা এটা আদনান। বেটা এতো রুপ কীভাবে দেখায়? ইলমার অবস্থা বুঝে আদনান গম্ভীর কন্ঠে বলে, “সেদিন আমার সেবা করার জন্য ধরে নে এটা তোর জন্য উপহার।”
“তুমি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছো? আমি তো ভেবেছিলাম এক নাম্বারের অকৃতজ্ঞ।”
“এই মেলিচা মুখ সামলে কথা বল।”
মূহুর্তে রেগে উঠে আদনান। ইলমা মুখ বাঁকিয়ে বলে, “এই রাগবি না।”
ইলমার কথায় আদনান রেগে প্রতিত্তোরে বলে,
“কথাবার্তা ঠিকঠাক করে বলবি। নাহলে খবর আছে।”
“এই কথায় কথায় থ্রেট দিলে তোর খবর আছে।”
“তুই আমাকে তুইতোকারি করছিস কেন?”
“তাহলে কীভাবে বলব? ওগো শুনেছো? শুনে যাও! এভাবে বলব?”
“বেয়াদব একটা। সবই ছেলে ফ্রেন্ড রাখার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।”
“এই ছেড়া তোরও তো মেয়েফ্রেন্ড আছে। তাহলে আমার ছেলেফ্রেন্ড নিয়ে তোর এতো ঝামেলা কিসের?”
“দাদীইইই।”
আদনান চেঁচিয়ে ডাকে। ইলমা নিজেও চিৎকার করে বলে, “দাদীইইই শুনে যাও।”
দু’জনের ডাক শোনে ফরিদা পারভীন এবং তৃপ্তি ছুটে আসে। তখন ইলমা বলে, “তোমার নাতি এমন ঝগড়ুটে কেন?”
“দাদী মেলিচাকে বলো মুখ সামলে কথা বলতে। নাহলে চড় থাপ্পড় খাবে।”
“নিজের মুখ সামলে রাখো। আমার পার্সোনাল ব্যপারে নাক গলাবে না।”
“পার্সোনাল ব্যপার মাই ফুট। মেয়েমানুষের আবার কিসের ছেলেফ্রেন্ড। তৃপ্তি যে ছেলেফ্রেন্ড নেই তাতে কী হয়েছে?”
“এই তোমার মেয়েফ্রেন্ডদের ও তো ছেলেফ্রেন্ড আছে। তুমি নিজের দিকে একবার দেখো। একশ একটা প্রেম করো, মেয়েফ্রেন্ড রাখো তাতে কিছু না। আমরটা নিয়ে এতো সমস্যা কিসের?”
“এই বেশি বকবক করবি না।”
“কেন কেন? উফসস স্যরি ভুলে গিয়েছিলাম। তুমি তো নারী দরদি সমাজসেবক। নাহ্! ঠিক আছে,ঠিক আছে।”
“সদরঘাটের প্রেমিকনারী উল্টাপাল্টা বলবি তো খবর আছে।”
“নারী দরদি সমাজসেবক মুখ বন্ধ রাখ।”
ওদের দু’জনের ঝগড়া দেখে ফরিদা পারভীন এবং তৃপ্তি নাক মুখ কুঁচকে তাকায়। দু’টোই সেই ঝগড়া পারে। কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছেনা। কিন্তু এখন না থামালে ঝগড়া করতেই থাকবে। সেজন্য ফরিদা পারভীন বলেন, “থামো তোমরা। ছেলেমানুষ এতো ঝগড়া করে?”
দাদীর কথায় আদনান প্রতিত্তোরে বলে, “আর মেয়েমানুষ?”
“ওরা একটু ঝগড়ুটে হয়।”
“সবই ছেলেফ্রেন্ড রাখার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।”
কথাটা বলে আদনান উঠে দাঁড়ায়। ইলমা কুশন আদনানের দিকে ছুঁড়ে মারে। আদনান সেটা হাতে নিয়ে ইলমার মুখ বরাবর ছুঁড়ে মারে। দু’জনের ঝগড়াঝাঁটি দেখে ফরিদা পারভীন কপালে হাত দেন। ইলমা কুশন হাতে নিয়ে আদনানকে বলে, “অসভ্য একটা।”
আদনান কথা বাড়ায়না। সে নিজের রুমে চলে যায়। ইলমা তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রাগে ফুঁসে উঠে। এই আদনানের খোঁচা মারা কথা এই জীবনেও যাবেনা। ইলমার ইচ্ছে করছে তার ছেলেফ্রেন্ডদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে। নিজের মেয়েফ্রেন্ড আছে সেসবে সমস্যা নেই। তারটায় কেন এতো সমস্যা? দুইদিন পর দেখা যাবে, ইলমা বিয়ে করলে তার জামাই হবে। জামাইয়ের সাথে পাশাপাশি সোফায় বোসলো। তাতেও বেটা আদনানের সমস্যা হবে। বলবে, পুরুষ মানুষের সাথে বসবে কেন? ভালো মেয়েরা পুরুষদের পাশে বোসে না। ইলমা ধরে নিয়েছে আদনানের মাথার তার ছিঁড়া।
সব ভাবনার মাঝে ইলমার মনে পড়ে, আদনান তাকে বলেছিলো, বাড়ি দেখতে যাওয়ার কথা। কিন্তু কখন? কীভাবে? দিনের বেলায় যাওয়া যাবেনা। রাতে তো একেবারেই না।
ইলমা আড়মোড়া ভেঙে উঠে দাঁড়ায়। এসব নিয়ে আস ভাবছে না সে। নিজের রুমে এসে, রুম গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
রুম ঝাড়ু দেওয়া শেষ করে ব্যালকনিতে আসে ইলমা। টবের গাছে গুলো দেখছে সে। নয়নতারা,অপরাজিতা,গোলাপ ফুলের টব। গোলাপ ফোটেনি, তবে নয়নতারা এবং অপরাজিতা ফুটে আছে। ইলমা একটা নয়নতারা ফুল ছিঁড়ে নিজের কানের পিঠে গুঁজে দেয়। বাইরে তাকাতে খালি মাঠটা চোখে আসে। তখন আদনান তাকে ডাক দেয়। ইলমা পাশে ফিরতে দেখে আদনান ব্যালকনিতে দাঁড়ানো। এই না ঝগড়া করে আসলো। এখন আবার ডাক দিচ্ছে। আদনানর ডাকে সারা দিয়ে ইলমা জবাব দেয়, “কী বলবে বলো?”
“সাড়ে চারটায় ঘুম থেকে উঠে রেডি হয়ে থাকবি। কেউ জেগে উঠার আগে আবার ফিরতে হবে।”
“এই তোমার সাথে রাত বিরাতে আমি কেন যাবো? কোন ভরসায়?”
“না গেলে নাই। আমার কী ঠেকা নাকী তোকে ধরে বেঁধে বাড়ি দেখাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। শোন, তোর মতো ঝগড়ুটে, ছেলেফ্রেন্ড রাখা মেয়ের প্রতি আমি আগ্রহ নেই। কত সুন্দর, সুন্দর এক্স পড়ে আছে তাঁদের প্রতি আগ্রহ নেই। তুই কোথাকার কে?”
“যাবো না। দেখা লাগবেনা বাড়ি।”
“তোরই লস। একঘন্টার ব্যপার। ভেবে দেখ, বাইরে একটা সুন্দর সকাল পাবি। বাড়িটাও ভালোভাবে ঘুরে দেখতে পারবি।”
“এই একদম লোভ লাগাবেনা।”
“জানতাম তোর লোভ আছে। সেজন্যই লোভ লাগাচ্ছি। এমনিতেও ছেলেফ্রেন্ড থাকা মেয়েরা একটু লোভি হয়।”
“যাবো না। তুই যা তোর বাড়িতে।”
কথাটা বলে ইলমা রুমে চলে আসে। আদনান ইলমার যাওয়া দেখে হো হো করে হেঁসে উঠে। বাইরে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বলে, “পাগ’ল একটা।”
মূহুর্তে সিরিয়াস হয়ে যায় আদনান। প্রেমিকনারীর মন মর্জি বোঝা দায়। এখন বলছে যাবেনা। আদনান সকালে ঘুমের ঘোরে থাকলে আবার যদি বলে যাবো।
সেদিন ইলমা ভেবে পায়নি কী সিদ্ধান্ত নিবে। আদনানের সাথে যাবে? নাকী যাবে না। আবার ভাবে কেউ দেখে নিলে তো ঝামেলা। কী করবে? কিন্তু আদনান যে ছেলে,কেউ তাঁদের একসাথে দেখে নিলে টু শব্দও করতে দিবেনা। পারলে চোখটাই হাতে ধরিয়ে দিবে। ইলমা রুম জুড়ে পায়চারি করছে অবিরত। অনেক চিন্তা করে মাথা হ্যাং করে ফেলেছে। সেজন্য এসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিকেলের দিকে গল্পের বই হাতে ইলমা ব্যালকনিতে যায়। বেতের চেয়ারে বসে গল্প পড়ায় মনোযোগ দেয়। বইয়ের নাম : “বুকপকেটের মায়াবিনী” লেখনীতে : শার্লিন হাসান বইটা বেশ মনোযোগ সহকারে পড়ছে ইলমা। তবে মাথার ভেতর একটা পোকা ঘুরঘুর করছে। সেটা হলো আদনানের সাথে যাবে কী যাবে না।
#চলবে
যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1
(ভেবেছিলাম আজকের পার্টে স্পেশাল কিছু দেব। হচ্ছেনা। আগামী পার্টে পাবেন ইনশাআল্লাহ।)
গ্রুপ লিংক
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

