গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২৩| #শার্লিন_হাসান

0
37

#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২৩|
#শার্লিন_হাসান

(একটি অলীক ধ্রুব 🤍)

ভোরের আলো ফুটেনি তখনো। চারপাশ তমসাচ্ছন্ন। আদনান ইলমাকে ম্যাসেজ পাঠায়, “কিয়ো প্রেমিকনারী ঘুম ভাঙেনি?”

এলার্মের আওয়াজে কিছুক্ষণ আগে ঘুম থেকে উঠেছে ইলমা। চোখ মুখ ধুয়ে বসেছিল সবে। তখনি আদনানের ম্যাসেজ আসে। ইলমা সীন করে কিছুক্ষণ রেখে দেয়। পরক্ষনে রিপ্লাই করে, “এখন বেরবো?”

আদনান ঘড়িতে সময় দেখে। চারটা পয়তাল্লিশ মিনিট। এখন রওনা হলে যেতে দশমিনিট আসতে দশমিনিট। পাঁচটা বিশ বেজে যাবে। কেউ টের পাওয়ার আগেই চলে আসতে হবে। সেজন্য ইলমাকে সাবধানে বেরুতে বলে আদনান। নিজেও বাইকের চাবি নিয়ে রুম লক করে বাইরে আসে। তখন ইলমাও রুম থেকে বেরিয়েছিল। পুরো লিভিং রুমে হলুদ রঙের ড্রিম লাইট জ্বলছে। আদনানের অবয়ব দেখে ইলমা স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ে। দু’জনে মেইন দরজার দিকে এগিয়ে যায়। এক্সট্রা চাবি থাকায় বেশি সমস্যা হয়নি। দু’জনে বাইরে এসে তালা লাগিয়ে দেয়।

আকাশের অন্ধকার কিছুটা কেটে এসেছে। কিছুক্ষণ পর ভোরের আলো ফুটবে। আদনান বাইক বের করে গার্ডেনে আসে। ইলমার দিকে তাকাতে দেখে চোখেমুখে এখনো ঘুমের রেশ। আদনান ইলমাকে একবার পরোখ করে। সুতির থ্রি-পিসের সাথে মাথায় গোমটা টানা। চোখেমুখে ঘুমঘুম ভাব। দেখেই আদনাম মুচকি হাসে। বাইক স্টার্ট দিয়ে এগোতে ইলমা চেঁচিয়ে বলে, “আমাকে রেখে চলে যাচ্ছ?”
আদনান গেটের বাইরে এসে বাইক থামায়। ইলমা দ্রুত পায়ে হেঁটে বাইরে আসে। আদনান ইলমাকে দেখে বলে, “প্রেমিকনারী একটা রিকশা নিয়ে আমাকে ফলো কর।”

আদনানের কথায় ইলমার রাগ হয়। ঝাঁঝাল কন্ঠে বলে, “নূন্যতম জ্ঞান থাকলে এই কথা বলতে না। এই অন্ধকারে কী তোমার শ্বশুর আমার জন্য রিকশা নিয়ে আসবে? যাব না আমি। দরজার চাবি দাও।”

“আমার বাইকে মেয়েমানুষ নেইনা। তোর জন্য রুলস ব্রেক করতে পারব না।”

“চাবি দাও।”

হাত পেতে কথাটা বলে ইলমা। কণ্ঠস্বরে তেজ সুস্পষ্ট। আদনান একনজর ইলমার রাগী মুখটার দিকে তাকায়। পরক্ষণে বলে, “উঠে বোস।”
“যাব না।”
“এতো তেজ কেন তোর? দেখ তোর সাথে ঝগড়া করতে করতে দশমিনিট ওভার। ধরা পড়লে তোর বাপ যাতে আমায় কিছু না বলে। তার মেয়ের ইচ্ছে পূরণ করতে গিয়ে, সকালের ঘুম সেক্রিফাইস করে এসেছি।”

ইলমা আদনানের পেছনে উঠে বসে। বিড়বিড় করে বলে, ‘মাতাল।’
আদনান বাইক স্টার্ট দিতে,দিতে বলে, “প্রেমিকনারী সুন্দর ভাবে ধরে বসবি। বাইক এক টান দিলে আবার না রাস্তায় পড়ে যাস।”

“এই মাতাল বেশি জোরে বাইক চালাবি তো মাথার চুল টেনে ছিঁড়ব।”

আদনান মিডিয়াম স্পিডে বাইক চালায়। যাতে ইলমার অসুবিধা না হয়। দু’জন অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশে নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্য ছুটে চলেছে। শেষ রাতের শীতল হাওয়া ইলমার চোখেমুখে এসে উপচে পড়ছে। মূহুর্তে মূহুর্তে কেঁপে উঠছে ইলমা। ঠান্ডা এখনো যায়নি। তারউপর বাইকে বসলে যেই বাতাস চোখেমুখে আসে। না জানি ঠান্ডাই লেগে যায়। এসব চিন্তা করেও ইলমা প্রাণ ভরে শ্বাস নেয়। এই সকালের সূচনার ঘ্রাণ এতো মিষ্টি কেন? ইলমার একহাত আদনানের কাঁধে। কিছুক্ষণ পরপর সেটার বাঁধন হালকা হয়। ভয় পেলে আবার জোরে চেপে ধরে ইলমা।

মিনিট দশেকের মাঝে তারা পৌঁছায় অর্ধকৃতির দালানের সামনে। ইলমা বাইক থেকে নেমে চারপাশে চোখ বুলায়৷ বাড়িটার দিকে নজর যেতে একরাশ ভালো লাগা কাজ করে। আদনান বাইকের সামনে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরিয়ে সেটা টানছে। যার গন্ধ ইলমার নাকে ঠেকতে ইলমা কেঁশে উঠে। আদনান সিগারেট লম্বা টান দিয়ে ধোঁয়া গুলো শূন্য ছেড়ে দেয়। ইলমা নাকে কাপড় দিয়ে এগিয়ে এসে বলে, “সকাল বেলা এসব ছাইপাঁশ না খেলে হয়না। সরাও এটা নাহলে বমি করে দেব।”

আদনান সেসবে ভ্রূক্ষেপ করেনা। নিজের মতো করে সিগারেট টানতে থাকে। ইলমা কানের কাছে চেঁচিয়ে বলে, “কথা কানে যায়নি? সিগারেট ফেলো আর কখনো এসব মুখে তুলবেনা।”

আদনান বিরক্ত হয়ে অর্ধেক টানা সিগারেটটা মাটিতে ফেলে পা দিয়ে পিষে নেয়। চকিত তাকায় ইলমার দিকে। মৃদু হেঁসে বলে, “আমি সিগারেট খেলে তোর কী সমস্যা?”

“এসব খেয়ে লাভ কী? নিজের ক্ষতি আর টাকা নষ্ট এছাড়া আর কী?”

“এতো লাভ করে কী করব?”

“বেশিদিন বাঁচবে। এখন সবকিছু হেলাফেলা মনে হয় সেজন্য নিজের ক্ষতি নিজে করছ। একটা সময় দেখবে বাঁচার তীব্র আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হবে। তখন ভাববে, সিগারেট একটু কম করে খেলে হয়ত আরেকটু আয়ুকাল বেঁচে থাকত।”

“আরেহ্! প্রেমিকনারী ভালো জ্ঞান দিতে পারে দেখি। শোন মেলিচা,তোর জ্ঞান তোর কাছে জমা রাখ। এসব জ্ঞান আদনান মাথায় রাখেনা।”

ইলমা জবাব দেয়না। আদনান দু’হাত বুকে গুঁজে ইলমাকে দেখছে। ইলমা হেঁটে হেঁটে বিল্ডিংয়ের চারপাশ দেখছে। প্রকৃতি তখনো শীতল। চারদিকে আজান পড়ছে। ইলমা এগিয়ে এসে আদনানের পাশে দাঁড়ায়। হুট করে ইলমা বলে বোসে, “আশেপাশে মসজিদ আছে?”

“জানি না।”
“সত্যি নেই?”
“মসজিদ দিয়ে কী করবি?”
“নামাজ পড়ব।”
“বাড়ি গিয়ে পড়িস। দেরি করতে পারব না।”

“না। তুমিও নামাজ পড়বে মসজিদে।”

“পারব না।”

“কয়বছর হলো সেজদা দেওনা?”

“সেটা তোর জানতে হবেনা।”

“সৃষ্টিকর্তা মানো তো?”
আদনান নিশ্চুপ। ইলমা একটা দীর্ঘ শ্বাস ছাড়ে। চারপাশে আজানের ধ্বনি কানে বাজছে। ইলমা আদনানের চোখের দিকে তাকায়। আদনান অন্যমনস্ক। কারোর মাঝেই বাসায় ফেরার তাড়া নেই। জেনো এই জায়গায় এই সময়টা থেমে যাক। আরো কিছুক্ষণ সুন্দর, মিষ্টি শীতল সকাল উপভোগ করা যাক। আকস্মিক ইলমা বিশেষ আবদার করে বসে। যেটা মানা আদনানের পক্ষে অসম্ভব কিছু। তবুও ইলমা সাহস করে বলে, “আজকে মসজিদে নামাজ পড়তে যাবে— প্লিজ।”

“তোর কথা আমি কেন শোনবো।”

আদনানের কথায় ইলমা খানিক ভেবে জবাব দেয়, “না শোনলেও সমস্যা নেই। মর্জি তোমার, অনুরোধটুকু আমার।”

আদনান কথা বলেনা। সোজা বাইকে উঠে বসে। ইলমাকে বলে, “বাড়ি আর দেখবি ?”

“নাহ।”
“বাইকে উঠে বোস।”
ইলমা মাথা নাড়ায়। আদনানের পেছনে বসে।তখন আদনান ইলমাকে বলে, “তোর ঠান্ডা লাগছে?”

ইলমা মাথা নাড়ায়। আদনান বুঝতে পারছেনা কেমন ঠান্ডা পড়ছে কারণ তার পরনে জ্যাকেট আছে। ইলমা আদনানের কাঁধে হাত রেখে বলে, “বাইক স্টার্ট দাও।”

“এখন কিন্তু জোরে চালাবো বাইক। বাতাসে জ্বর চলে আসবে।”

“আরে আসবেনা।”
আদনান ইলমাকে ধমকে বলে,
“এ্যাই চোপ। তুই বড় না আমি বড়?”
“তুমি।”
“তাহলে?”
“বয়সে বড় তুমি কিন্তু বুদ্ধিতে বল’দ একটা।”

“প্রেমিকনারী মুখ সামলে কথা বলবি।”

“পারব না।”

“সবই ছেলেফ্রেন্ড রাখার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।”
এবার ইলমা আদনানের মাথার চুল টেনে ধরে। আদনান ইলমার হাতের মুঠো থেকে নিজের চুল ছাড়িয়ে নিতে নিতে বলে, “দেখ কত অধঃপতন তোর। সাহস বেশি বেড়ে গেছে না?”

“কথায় কথায় খোঁচা মারবিনা।”
“তুই তোকারী করবি না।”

ইলমা চুপ। আদনান কথা না বাড়িয়ে গায়ের জ্যাকেট খোলে ইলমাকে দেয়। ইলমা বিরক্ত হয়ে সেটা গায়ে জড়িয়ে নেয়। একহাত আদনানের কাঁধ ধরে রেখেছে। আদনান বাইকের লুকিং গ্লাসে একনজর ইলমাকে দেখে ঠোঁট কামড়ে হাসে। পরক্ষণে বাইক স্টার্ট দেয়। ভাবছে তার পাঁচ বছরের রুলস আজকে ভে’ঙে গুড়িয়ে দিলো। শেষমেশ মেয়েমানুষ বাইকের পেছানে বসালো। আদনান নিজের অধঃপতনের কথা ভেবে মৃদু হাসে। অথচ তার দীর্ঘশ্বাস ফেলার কথা ছিলো। কিছু,কিছু সঙ্গ ভালো কিছু বয়ে আনে। আবার কিছু কিছু সঙ্গ সর্বনাশ ডেকে আনে। যেমনটা আদনান এবং ইলমার ক্ষেত্রে। এই দু’জনের সঙ্গ দু’জনের জন্য বিপরীত কিছু। আদনানের ক্ষেত্রে সেটা ভালো কিছু বয়ে আনলেও,ইলমার ক্ষেত্রে সর্বনাশ বৈকি কিছু না। আদনান সূক্ষ্ম দীর্ঘ শ্বাস ছাড়ে। মনকে মানায়! তার জীবনে একটা সুন্দর সকালের সূচনা হবে আজ। একজন শুদ্ধ এবং পবিত্র নারীর হাত ধরে। এটা আশীর্বাদ ছাড়া আর কী? আদনানের মাঝে আলাদা ভালো লাগা কাজ করছে। এই শুদ্ধ এবং পবিত্র নারীর সঙ্গটা জীবনের শেষ পর্যন্ত থাকলে খুব কী ক্ষতি হবে? কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ আলাদা। আদনানের কথিত পবিত্র নারী তার সাধ্যের বাইরে।

ইলমা পুনরায় সকালের ঠান্ডা হাওয়া গায়ে মাখে। শরীর,মন দু’টোই জেনো প্রাণবন্তর হয়ে উঠেছে। আদনান বাইক এনে থামায় একটা মসজিদের সামনে। দোতালা বিশিষ্ট মসজিদ। নিচের তালায় ছেলেরা নামাজ পড়ে। উপরে মহিলাদের জন্য। মসজিদ গেটের সামনে বাইক থামিয়ে ইলমাকে নামতে বলে। ইলমা আদনানের কথা অনুযায়ী বাইক থেকে নামে। কোন কিছু বলার মতো শব্দ খুঁজে পাচ্ছেনা। এটা সত্যি আদনান? ইলমার কথা রেখেছে? ইলমার চোখেমুখে মুগ্ধতার রেশ। আদনান কিছুটা আঁড়চোখে ইলমাকে পরখ করে নেয়। পরক্ষণে তাড়া দিয়ে বলে, “যা। নামাজের সময় চলে যাবে।”

“তুমি পড়বে না?”
আদনান চুপ। ইলমা পুনরায় বলে, “নামাজ পড়ে দেখো শান্তি লাগবে। মনটা হালকা হয়ে যাবে।”

“যা, তোর মন হালকা করে আয়। আমারটা নিয়ে ভাবতে হবেনা।”

ইলমা হতাশ হয়। আদনান এতো সহজে হার মানবে না। খারাপ পথ থেকে এতো সহজে ফিরবে না। কিন্তু ইলমা জোর করার অধিকার নেই। শুধু মনে মনে একটাই প্রার্থনা, বিশেষ কেউ আসুক আদনানের জীবনে। যে তাকে সঠিক পথে আনবে। যার কথা আদনান একটু হলেও শোনবে। আদনানের ভালোর জন্য সেই বিশেষ মানুষটার আসা খুবই প্রয়োজন। ইলমা মলিন হেঁসে বলে, “নামাজ পড়ার জন্য জোর করব না। মর্জির অধিকার তোমার,আনুষঙ্গিক অনুরোধটুকু আমার।”

আদনান নিশ্চুপ। কয়েক মূহুর্ত কেটে যাওয়ার পর আদনান স্মিত হেসে বলে,
“আচ্ছা পড়লাম নামাজ। তুই খুশি?”

ইলমা আদনানের প্রশ্নের জবাব দেয়না। নতুন করে আদেশ করে,
“আগে পকেট থেকে সিগারেট আর লাইটার ফেলে দাও।”

আদনান ইলমার কথায় চোখ রাঙায়। ইলমা সেসব তোয়াক্কা করেনা। পুনরায় বলে, “ফেলে দাও।”
“পারব না।”
“কসম খোদার। সিগারেট না ফেলে মসজিদে প্রবেশ করলে মাথা ফাটিয়ে দেব।”
“এ্যাই! একদম কথায় কথায় হুমকি দিবি না।”

“পকেট থেকে সিগারেট ফেলো।”

আদনান বিরক্ত হয়। ইলমার কথা মতো,আদনান লাইটার আর সিগারেটের প্যাকেট বের করে সেগুলো ছুঁড়ে ফেলে। দু’জন দু’দিকে অযু করতে চলে যায়। ইলমা অযু সেরে দোতালায় চলে যায়। আদনান নিচতলায় অযু সেরে মসজিদে প্রবেশ করতে দেহটা জেনো হালকা হয়ে যায়। আলাদা একটা শান্তি অনুভব করছে সে। একবারে আলাদা শান্তি। গত তিন-চার বছরেও এই শান্তি অনুভব হয়নি তার। বলা যায় মসজিদে আসেনি সে। নামাজ পড়েনি। প্রাণভরে শ্বাস নিয়ে জামায়াতে নামাজ আদায় করে নেয়। জায়নামাজে বসে মুচকি হেঁসে মোনাজাত ধরে।

বাসায় ফিরতে হবে সেজন্য নামাজ শেষ হতে বেরিয়ে আসে আদনান। ইলমাও তখন দোতালার সিঁড়ি বেয়ে নামছিলো। আদনানকে একনজর দেখে মুচকি হাসে ইলমা। মাথায় টুপি দেওয়াতে অন্যরকম লাগছে। আদনান নামাজ আদায় করেছে। এ জেনো অলীক ধ্রুব। দু’জন মুখোমুখি হতে আদনান বলে, “তাড়াতাড়ি চল। তোর বাপ জানলে আমাকে শাসাবে।”

“আসছি তো।”
দু’জনে বাইকে উঠে বোসে।
এবার আদনান একটু জোরেই বাইক টান দেয়। মিনিট পাঁচের মাঝে তারা পৌঁছে যায় বাসায়। আদনান ইলমাকে দরজার চাবি দিয়ে বাইক জায়গায় রেখে দেয়। ইলমা দরজা খোলে পা টিপে টিপে হেঁটে নিজের রুমে চলে যায়। দরজা লক করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ে। মূহুর্তে চোখে ঘুম ভীড় করতে বিছানায় গা এলিয়ে দেয়।

❝একটা সুন্দর সকালের গল্প, স্মৃতির পাতায় জমা থাকবে;নাহয় ধূলো বালিতে আবছা হয়ে যাবে। তবুও মনের একটা কোণে একরাশ মুগ্ধতায় ঘেরা থাকবে। সেই সুন্দর সকালের নাম, —একটি অলীক ধ্রুব।❞

#চলবে

যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1
গ্রুপ লিংক
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here