#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|১৫|
#শার্লিন_হাসান
ইলমা রুমে যাওয়ার পেছন দিয়ে আদনান নিজের রুমে প্রবেশ করে দরজা লক করে দেয়। ফোন হাতে নিয়ে গ্যালারীতে যেতে একটাও ছবিও পায়না তৃপ্তি এবং ইলমার। মূহুর্তে টনক নড়ে তার। সব ডিলিট করে দিয়েছে ইলমা। কিন্তু মেয়েটা বড্ড বোকা। তার হোয়াটসঅ্যাপে গেলেই তো ছবি সব পেয়ে যাবে। সেজন্য আদনান ইলমার আইডিতে যায়। ছবিসব কিছু গেছে, আবার কিছু যাচ্ছে। আদনান একে,একে ইলমার সবগুলো ছবি সেভ করে নেয়। ব্যালকনিতে বসে বসে ইলমার ছবিগুলো দেখে সে।
ঘড়ির কাটা সকাল সাতটার ঘর ছুঁয়েছে। আদনানের এলার্ম সেই সাড়ে ছয়টা থেকে বেজেই যাচ্ছে। আদনান সেটা বন্ধ করে আবার নির্দিষ্ট সময়ে চলতে থাকে এলার্ম। প্রচুর বিরক্তি নিয়ে বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হতে চলে যায় আদনান। আজলে ভার্সিটি যাবে সে।
রুমে এসে নিজেকে তৈরি করে নাশতা খাওয়ার জন্য লিভিং রুমে আসে। তারেক মাহমুদ এবং ইনান শেখ মাত্র এসেছে নাশতা খাওয়ার জন্য। তারা তিনজন, একসাথে বসে নাশতা সেরে নেয়। খেতে বোসে তেমন কথা হয়নি তাঁদের মাঝে।
আদনানের খাওয়া শেষ হতে বাইকের চাবি নিয়ে আসে। ইলমা,তৃপ্তি সবে নাশতা খেতে এসেছে। আদনান দু’জনকে আঁড়চোখে পরখ করে। বেরিয়ে যাওয়ার আগ মূহুর্তে তারেক মাহমুদ আদনানকে শুনিয়ে বলেন, “আম্মা, তোমার নাতিকে বলে দিও, আর চৌদ্দদিন।”
আদনানের কানে আসে সে কথা। বাকীরা তার যাওয়া দেখছে। আদনান সূক্ষ্ম দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বাইক নিয়ে বেরিয়ে যায়। তারেক মাহমুদ আদনানের যাওয়া দেখে বিরক্ত হোন। ফরিদা পারভীন তারেক মাহমুদকে বলেন, “আর কিছু বলার দরকার নাই। শোন, বিকেলে আমি আর তৃপ্তি ফাতিহার (তার মেয়ে) বাসায় যাব।”
মায়ের কথায় ইনান শেখ জিজ্ঞেস করেন, “হুট করে কেন?”
“অনেক দিন ধরেই বলছে। ফারিশের (ফাতিহার ছেলে) জন্য মেয়ে দেখতে যাবো।”
“এতো বেশ ভালো খবর।”
ইনান শেখের কথায় তারেক মাহমুদ তৃপ্তিকে বলেন, “ভালো মেয়ে দেখবে ফারিশের জন্য। ছেলেটা যথেষ্ট ভদ্র।”
ইলমা সবার কথা শ্রবণ করে। নাশতা শেষ করে সবার উদ্দেশ্য বলে, “বিয়েতে যাবে না তোমরা?”
তারেক মাহমুদ জবাব দেন, “ইনান তো কোর্টে যাবে। বাকীরা যারা আছে যাবে আরকী।”
ফাইজা, ইজাজকে বকছিলো তখন। পড়ালেখা ঠিকঠাক করেনা। এই সেই। হাবিজাবি কত ব্যপার নিয়ে। ইজাজ নাশতা খেয়ে রুমে চলে যায়। তৃপ্তি তার আম্মুকে রান্নার কাজে হেল্প করতে যায়। ইলমা উঠে নিজের রুমে আসে। তার রুম অনেকটা অগোছালো হয়ে আছে। ইলমার তেমন সময় হয়না রুম গোছানোর। আজকে যেহেতু কলেজ যাবেনা, রুমটা গোছানো যাক। টেবিলে একাডেমিক বইয়ের সাথে কিছু গল্প/উপন্যাসের বইও ছিলো। যেগুলো পড়ার জন্য বুক সেলফ থেকে নামিয়েছিলো ইলমা। যেহেতু সামনে টেস্ট এক্সাম, উপন্যাসের বই পড়ার মানেই হয়না। বইগুলো সুন্দর করে সেলফে তুলে রাখে সে। রুম ক্লিন করে, লিভিং রুমটাও গুছিয়ে নেয়।
রান্নাবান্না শেষ হতে কিছু কাজে হেল্প করে ইলমা। ফাইজার সাথে তার কথা হয়না। বলা যায়, ফাইজা তাকে ইগনোর করে। সেজন্য ইলমাও আগ বাড়িয়ে কথা বলতে যায়না।
★★★
ভার্সিটিতে দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সাথে কথা বলছে আদনান। একহাতের আঙুলের ফাঁকে জলন্ত সিগারেট। যেটা কিছুক্ষণ পরপর মুখে তোলছে আর ধোঁয়া টানছে। অপজিটে আবরণ মেয়েদের র্যাগ দিচ্ছে। আদনানের চোখের আড়াল হয়নি সেসব ব্যপার। রিয়ানার সাথে তেমন একটা যোগাযোগ হয়না আদনানের। বলা যায়,নিজে থেকেই কথা বলা কমিয়ে দিয়েছে। দেখা হলে ব্রেক আপ করে নিবে।
আদনানের হাব-ভাব ভালো ঠেকছেনা নির্মাণের কাছে। সেজন্য বেশিক্ষণ নিজের কৌতূহল ধরে রাখতে পারেনি। নির্মাণ আদনানের দিকে শান্ত স্বরে প্রশ্ন ছুঁড়ে মারে, “তোর হয়েছে টা কী?”
আদনান সিগারেটে একটা টান দিয়ে বলে, “সময় খারাপ যাচ্ছে।”
বাকীরা কিছুটা অবাক হয়। শেজান জবাব দেয়, “তোর অল্পস্বল্প পরিবর্তনের জন্য?”
আদনান শূন্যে তাকায়। সূক্ষ্ম দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে বলে, “আমি খারাপ। ভালোর সংস্পর্শে এসে দেখছি, আমার সব নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি জেনো আমায় বাস্তবতার কাঠগড়ায় আসামী হিসাবে দাঁড় করাচ্ছে। আমাকে আঁধারে মানায়,আলোতে নয়। কিন্তু কী বলতো, জীবনে কিছুকিছু সময়,প্রতিক্ষা,মোহ-মায়ার তাড়নায় আলোতে আসতেই হয়। এই আলো আমার শ্বাসরুদ্ধ করে হৃদয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে। আমার নতুন সৃষ্টি কিংবা শেষ ধ্বংস এই আলোতে দেখতে পাচ্ছি।”
আদনানের কথায় নির্মাণ জবাব দেয়, “এই আলোটা কী কাউকে ভালোবাসার মতো সর্বনাশি ব্যপারস্যপার?”
নির্মাণের কথার প্রতিত্তোরে কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়না আদনান। বাকীরাও আর প্রশ্ন করার সাহস পায়নি।
তবে ঘটনা ঘটে অন্য। আদনান যখন আবরণের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলো তখন আবরণের দলের একটা ছেলে টিটকারি মে’রে বলছে, “জয় ভাই, আপনার শালা যাচ্ছে।”
কথাটা বলে ছেলেটা হাসে। সাথের ছেলেপেলে গুলোও হাসে। আদনানের কর্ণকুহর হয় সে বাক্য। কিন্তু ঝামেলায় যেতে চায়না। সেজন্য কিছু বলেনি। তার বোনকে সে সামলে রাখতে পারবে। মুখে বললেই বিয়ে হয়ে যায়না আর না শালা হয়ে যায়। কিন্তু জয় সেই কথাটা কাউন্ট করে জবাব দেয়, “একবারে দেশি মাল। দেখলেই জিভে জল চলে আসে।”
ব্যাস! আদনানের টেম্পার গরম হয়ে যায়। শার্টের হাতা ফোল্ডার করতে করতে এগিয়ে আসে আবরণের দিকে। আবরণ আদনানকে ক্ষেপিয়ে জেনো তৃপ্তি পেলো। আদনান এসেই আবরণের কলার চেপে ধরে। নিজের শক্ত মাথা দিয়ে আবরণের কপালে জোরে বা’রি দেয়। হাত মুষ্টি বদ্ধ করে আবরণের নরম গালে আঘাত করে। পা তুলে আবরণের পেটে আঘাত করে। যার ফলস্বরূপ আবরণের মুখ দিয়ে রক্ত বেয়ে পড়ে নিচে লুটিয়ে পড়ে। এগিয়ে আসে আবরণের দলের ছেলেপেলেগুলো। আদনান তাঁদের সাথে মারামারিতে ব্যস্ত। তবে নিজেও দু’চার ঘা খেয়েছে। যার ফলে কপাল,ঠোঁট ফেটে রক্তে টইটুম্বুর। নির্মাণ, শেজান মুহিত এসে আদনানকে ছাড়ায়। জয় উঠে আদনামের পিঠে কয়েকটা লা’থি বসায়। তাতেই আদনান পুনরায় ক্ষিপ্ত হয়ে, আবরণের অণ্ডকোষ বরাবর লাথি বসিয়ে দিয়ে বলে, “শূ^য়রের বাচ্চা। এই মেশিন নিয়ে এতো তেজ না তোর? এরপর আমার বোনকে নিয়ে বা’জে কথা মুখে আনলে একবারে অকাজের বানিয়ে ফিউচারে বাপ হওয়া ছুটিয়ে দেব।”
আবরণ ব্যাথায় দম যায়-যায় অবস্থা। তবুও ঠোঁটের কোণে তার হাসি। আদনান বেশ বিরক্ত হয়। আবরণ সর্বশক্তি দিয়ে চিৎকার করে বলে, “তোর বোনকে তো আমি দেখে নেব। যেখানেই পাব। ফিউচারের কথা চিন্তা করিস।”
আদনান তেড়ে আসতে গেলে নির্মাণ তাকে ঠেকায়। আদনান চোখমুখ শক্ত করে বা’জে গালি দেয় আবরণকে। আদনানকে টেনেটুনে একসাইডে নিয়ে আসা হয়। মুখের অবস্থা রক্তমাথা। রাগে শরীর অসম্ভব কাঁপছে তার। কপালের রগ সুস্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে। হাত দু’টো মুষ্টি বদ্ধ।
অন্যদিকে আবরণকে হসপিটালের উদ্দেশ্য নেওয়া হয়। নির্মাণ আদনানকে পানির বোতল এগিয়ে দিতে দিতে বলে, “তোদের ঝামেলা আর শেষ হবেনা। হসপিটালে চল।”
“ওই শূ^য়রের বাচ্চা আমার বোনকে নিয়ে বা’জে কথা বলবে কেন? ওর ঝামেলা আমার সাথে, আমার পরিবার টানবে কেন?”
“জানি না। আবরণকে বিশ্বাস নেই। তৃপ্তিকে সাবধানে রাখিস।”
নির্মাণের কথায় আদনান পানি পান করে উঠে দাঁড়ায়। শরীরের সর্বাঙ্গ ব্যাথায় বিষিয়ে উঠছে। আদনানের অবস্থা বুঝে নির্মাণ এবং শেজান তাকে ধরে গাড়িতে নিয়ে বসায়। পাশের হসপিটালে নিয়ে যায়।
আদনান চুপচাপ হসপিটালে আসে। কাটা জায়গা ড্রেসিং করিয়ে ব্যান্ডেজ করে নেয়। ব্যাথার ঔষধ সহ আরো কিছু ঔষধ লিখে দেওয়া হয়। হসপিটাল থেকে বেরিয়ে তিন বন্ধু একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকে দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য। দুপুর বলতে আড়াইটা বেজে গেছে প্রায়। তিনজন মিলে লান্স সেরে বাইরে আসে। আদনান এই অবস্থা নিয়ে বাসায় যাবেনা। সেজন্য ঠিক করে দু’টো দিন নির্মাণের বাসায় কাটিয়ে দিবে।
★★★
অবন্তীর বিয়েতে এসেছে শেখ পরিবারের সদস্য। তৃপ্তি ইলমা দু’জনে সারারা পড়ে হিজাব বেঁধে মাথা ঢেকেছে। ঈশিতা এবং ফাইজার সাথে সাথেই ছিলো দু’জন। গিফ্ট দিয়ে, বরকে দেখে পিকচার তোলে তারা। অবন্তীকে বউ সাজে মাশাআল্লাহ সুন্দর লাগছে।
খাবার খেয়ে দেরি করেনি তারা। নিজেদের ফ্লাটে চলে আসে। বিকেলে ফরিদা পারভীনের সাথে তৃপ্তি তার ফুফির বাসায় যাবে। ফরিদা পারভীনের কথামতো দুই-তিনদিন সেখানেই থাকবে তারা। সেজন্য তৃপ্তি ব্যাগে দুটো থ্রি-পিস সহ দরকারি জিনিসপত্র নিয়ে নেয়। কিছুক্ষণ রেস্ট করে দাদী নাতনি বেরোয় ফারিশদের বাসার উদ্দেশ্য। তারেক মাহমুদের পার্সোনাল কারে করে যাবে। ড্রাইভার তাঁদেরকে বাসার সামনে নামিয়ে দিবে।
তৃপ্তি চলে যাবে। ইলমা দুই-তিনদিন একা কাটাবে। একা বলতে আর কী! কলেজেই তার সময় কেটে যাবে। তবে দাদীকে আর তৃপ্তিকে সে তিনটা দিন মিস করবে।
সন্ধ্যায় ঈশিতা নাশতা বানাচ্ছে ইলমাও হেল্প করেছে। ফাইজা আশেপাশেও ঘেঁষেনি। কিচেনে তারা দু’জন। আদনান তখনো ফিরেনি। কল দিয়েছে ফোন বন্ধ বলছে। ঈশিতা চিন্তিত ছেলেকে নিয়ে। ইলমাকে বলে, “আদনানের হলো টা কী? সেই সকালে বেরিয়েছে, বাসায় আসার নাম নেই।”
“মনে হয় এখনি এই বাসা ছেড়ে দিচ্ছে।”
“আরে না। কোন সমস্যায় পড়েছে মনে হয়।”
“যে নিজে সমস্যার সৃষ্টি করে,তার আবার কিসের সমস্যা?”
ইলমার কথায় ঈশিতা নিরব চাহনি দেয়। ইলমা চায়ের ফ্লাক্সে চা চেকে নিচ্ছে। ঈশিতা সূক্ষ্ণ দীর্ঘ শ্বাস ছাড়ে। এই ছন্নছাড়া ছেলেটার হবে কী? কীভাবে ঠিক হবে? ভবিষ্যৎ কী? এখনো নেশা ছাড়তে পারেনি, ভালো হওয়ার নাম-গন্ধ তো বহু দূরে।
ইলমা চায়ের ফ্লাক্স নিয়ে লিভিং রুমে আসে। ইজাজ তখন রুম থেকে বেরোয়। ইলমাকে দেখে বলে, “গুড ইভিনিং বনু।”
“শুভ সন্ধ্যা।”
কথাটা বলে ইজাজকে এককাপ চা ঢেলে দেয় ইলমা। ইনান শেখ এসে চেয়ার টেনে বসেন। তারেক মাহমুদ চা পান করছেন। ঈশিতা এসে বলেন, “আদনান এখনো ফিরেনি। ফোন বন্ধ।”
“দেখো নেশা করে কোথায় টাল হয়ে পড়ে আছে।”
কন্ঠস্বরে বিরক্ত সুস্পষ্ট। ইনান শেখ কোন প্রতিক্রিয়া দেখাননি। আদনানকে এমনিতেও তার পছন্দ না। ভদ্রতার রেশ মাত্র নেই ছেলেটার মাঝে। এমনিতে নিজের ক্লায়েন্ট আর বউ দুটোই কন্ট্রোল করতে হিমশিম খান। সেখানে আদনানের ব্যপার নিয়ে মাথা ঘামিয়ে পাগল হতে চাননা তিনি।
তাঁদের কথার মাঝে তারেক মাহমুদের ফোন বেজে উঠে। ফাতিহা ভিডিও কল দিয়েছে। তারেক মাহমুদ রিসিভ করতে ফরিদা পারভীনের মুখ ভেসে উঠে। তারেক মাহমুদ মা’কে সালাম দিয়ে তৃপ্তির কথা জিজ্ঞেস করেন।
তাদের কিছুক্ষণ খোশগল্প হয়। ঈশিতা সেখান থেকে উঠে এসে আদনানের বন্ধু নির্মাণকে কল দেয়।
কল বাজলেও কেউ কল তোলে না। ঈশিতা বিরক্ত হয় নির্মাণের কাজে। শেজানের ফোনে ট্রাই করলে সেটা বন্ধ বলে। পুনরায় নির্মাণের ফোনে কল দিলে রিসিভ হয়। ঈশিতাকে সালাম দিলে সালামের জবাব নিয়ে জিজ্ঞেস করেন, “আদনান কোথায়?”
“আন্টি, আদনান আমাদের বাসায়। আম্মু অনেক দিন ধরে বলছিলো, এসে ঘুরে যেতে। হুট করেই এসেছে। চলে যাবে দু-এক দিনের মাঝেই।”
“সত্যি তো?”
“আপনি কথা বলবেন ওর সাথে?”
“দাও।”
নির্মাণ ফোনটা আদনানকে দেয়। আদনান সাধারণ ভঙ্গিতে ‘হ্যালো’ বলে। ঈশিতা জবাব দেয়, “ফোন বন্ধ কেন?”
“চার্জ নেই।”
“বাসায় চলে এসো।”
“এতো তাড়া কিসের? আর তো তেরো টা দিন। এরপর এমনিতেও বাসা ছেড়ে চলে আসব।”
“যখনকার টা তখন।”
“আমাকে ছাড়া থাকার অভ্যেস করে নেও।”
“করব। সমস্যা নেই। খাবার খেয়েছ?”
“হুম। তুমি?”
“বাসায় চলে এসো।”
“যাব সময় হলে।”
ঈশিতা আর কিছু বলেনি। আদনান কল কেটে দেয়। ফোমটা নির্মাণের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে, “সব নাটকবাজ। বাসায় থাকলে শান্তি দেয়না, চলে এসছি তাতেও কল দিয়ে ডাকে।”
“মায়ের মন তো।”
#চলবে
যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1
গ্রুপ লিংক
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

