গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২০| #শার্লিন_হাসান

0
33

#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২০|
#শার্লিন_হাসান

“তোমার গল্পে আমি ভিলেন আমার তুমি রানী
যখন আমি প্রেমে সিরিয়াস তোমার কাছে ফানি
গোলাপ ফুলের জায়গায় আমি দিলাম তোমায় জবা
বলো তুমি এইবার কি আমার প্রেমিকা হবা..

আদনানের গান গাওয়া শেষ হতে কেউ কেউ শব্দ করে হাসে তো কেউ কেউ বাহবা দেয়। নির্মাণ চট করে বলে, ” গানটা তোর সাথে খাপে খাপ মিলেছে। কিন্তু গোলাপ ফুলের জায়গা জবা ফুল কাকে দিলি ভাই?”

আদনান নিচের দিকে তাকিয়ে হাসে। জবাব দেয়, “এই বিল্ডিংয়ের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েকে দিয়েছি।”

আদনানের কথায় বাকীরা হেঁসে মজা নেয়। শেজান জিজ্ঞেস করে, “মেয়েটা কে?”

তখন তৃপ্তি জবাব দেয়, “শিমুল নাকী?”

বাকীরা তাকায় আদনানের দিকে। এই নামটা শোনে আদনান বেজায় বিরক্ত হয়। জবাব দেয়, “এই সুন্দর মানে কী সাদা চামড়া নাকী? সবার চোখে সাদা চামড়া সুন্দর কিন্তু আমার কাছে সেটি না। আমার মনে গেঁথেছে যে মেয়ে, সে কুৎসিত;অসুন্দর হলেও আমার চোখে সে বিশ্ব সুন্দরী।”

“তাহলে তোর পছন্দ করা মেয়ে এই বিল্ডিংয়ের?”

নিশাতের কথায় আদনান জবাব দেয়, “না। ওটা তো কথার কথায় বলেছি। আমার পছন্দের নারী তোদের আশেপাশেও নাই।”

নির্মাণ চিন্তিত ভঙ্গিতে জবাব দেয়, “তাহলে কে সেই মেয়ে?”

“তোর নানী।”

“ফাজলামি ছাড়। মেয়েটা কে সেটা বল।”

“এই তোরা আমার বাসা ছাড়বি কখন সেটা বল? আসলে তো যাওয়ার নাম গন্ধ থাকেনা।”

আদনানের এমন কথায় ইলমা হতবাক হয়ে যায়। অতিথিদের কেউ এভাবে তাড়িয়ে দেয়? কত বড় অসভ্য ভাবা যায়!! নিশাত মুখ বাঁকিয়ে জবাব দেয়, “আজকে থাকব। তোর কোন সমস্যা?”

“অবশ্যই সমস্যা। তোদের না তাড়ানো পর্যন্ত আমার শান্তি নেই।”

“নিজেই তো ডেকে আনলি। এখন তাড়িয়ে দিচ্ছিস?”

শেজানের কথায় আদনান জবাব দেয়, “তোদের নজরের প্রতি আমার বিশ্বাস নেই। সেজন্য তাড়িয়ে দিচ্ছি।”

নির্মাণ জোরেশোরে বলে, “আসতাগফিরুল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ এই দিন দেখার জন্য খোদা বাঁচিয়ে রেখেছে?”

আদনান নির্মাণের পিঠে কিল বসিয়ে বলে, “নাটক বন্ধ কর নাহলে লা’থি মেরে নাটক করা বের করে দেব।”

“আল্লাহ তোকে হেদায়েত দান করুক। আমিন।”

আদনান কথার ফাঁকে ইলমাকে একবার পরখ করে। সে তৃপ্তির পাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। আদনান আকাশের দিকে তাকায়।
সময়টা গোধূলির শেষলগ্নে। সূর্যের রশ্মি ধীরে ধীরে মিইয়ে যাচ্ছে। আকাশে লাল, গোলাপী, এবং কমলা রঙের মিশ্রণ ছড়িয়ে পড়েছে ইতোমধ্যে । পরিবেশে এক ধরনের নিস্তব্ধতা চলে এসেছে। কিছু,কিছু পাখি ঝাঁক বেঁধে বাসায় ফিরে যাচ্ছে এবং প্রকৃতি ও কিছুটা শান্ত হয়ে পড়েছে। এই শান্ত প্রকৃতি,রক্তিম আকাশ জেনো জীবনের অস্থিরতা এবং সময়ের গতির স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে প্রকৃতিতে আলাদা একটা সৌন্দর্য প্রকাশ পাচ্ছে।

যেহেতু মাগরিবের আজান পড়বে চারদিকে সেজন্য সবাই একে একে ছাঁদ পরিত্যাগ করছে। নিশাত,রায়া শেজান কথা বলতে বলতে আগে যাচ্ছে। পেছনে নির্মাণ এবং তৃপ্তি। তাঁদের পেছনে ইলমা এবং ইলমার পেছে আদনান নামছে ছাঁদ থেকে।
ইলমা আনমনা হয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামছে। আদনান ইলমাকে পাশ কাটিয়ে নির্মাণের পেছনে আসে। কাঁধে হাত রেখে বলে, “নাশতা খেয়ে চলে যাবি কিন্তু।”

“শালা, এরকম কেন তুই? এভাবে কেউ তাড়ায়?”

“তোদের নজরে বিশ্বাস নেই। যত তাড়াতাড়ি বিদায় হবি তাতেই মঙ্গল।”

“দিলাম না নজর।”

“তাহলে তো ভালোই।”

“এই ম্যালিসা কী সিঙ্গেল?”

আদনান বিরক্ত হয়। জবাব দেয়, “যদি সিঙ্গেল হতো তাহলে কী সদরঘাটের প্রেমিকনারী বলে ডাকতাম?”
নির্মাণ না বোধকে মাথা নাড়ায়। আদনান বলে, “ওর ছেলেফ্রেণ্ড আছে।”
“ছেলেফ্রেণ্ড আর বয়ফ্রেণ্ড আলাদা।”

“ওর কথা আমায় বলিস না তো।”

বিরক্ত হয়ে বলে আদনান। নির্মাণ টপিক চেঞ্জ করে বলে, “তোর বোনের সাথে লাইন লাগিয়ে দে।”

“তোর মতো বারো ব্যাটারীর সাথে আমার বোনের লাইন লাগানো তো দূরে থাক, রাস্তাটাই ভে’ঙে দেব।”

“তোর মতো ভাই থাকলে ওদের দু’জনের আর প্রেম করা লাগবে না। শালার ভাই, নিজে তো একশটা প্রেম করিস ওদের বেলায় এমন বেঈমানী কেন?”

“তৃপ্তি আমার বোন। সেজন্য প্রেম ভালোবাসার মায়রে বাপ। কিন্তু মেলিচা তো আরেক বেডার বউ। ওর প্রেম করা না করা নিয়ে আমার কিছু যায় আসেনা। দেখিস না ওর ছেলেফ্রেণ্ড আছে। তৃপ্তির নেই।”

নির্মাণ সন্দিহান দৃষ্টিতে তাকায় আদনানের দিকে। কথার কোন ঠিক নেই। মানে যাই হোক ঘুরেফিরে ম্যালিসার ছেলেফ্রেণ্ড নিয়ে কথা আসবেই। ঘুরেফিরে একই কথা, ম্যালিসার ছেলেফ্রেণ্ড আছে। আদনানের কথার ধরণ দেখে নির্মাণ আশা ছেড়ে দিয়েছে। এই বিষয়ে কথা তোলাই বন্ধ করে দিয়েছে। ম্যালিসার ছেলেফ্রেণ্ড নিয়ে আদনানের অনেক সমস্যা। ভেতরে ভেতরে জ্বলছে-পুড়ছে কিন্তু মুখে বলছেনা। তবে জায়গা বুঝে খোঁচা মারছে।
কিন্তু এসব ব্যপারে ইলমার কোন হেলদোল নেই। এটা সত্যি তৃপ্তির ছেলেফ্রেণ্ড নেই। ইলমার আছে। ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গেছে। সব মানুষ তো আর খারাপ হয়না। তেমনি রিহান এবং মাহিম ও ভালো ছেলে। ইলমা যখন হেল্প চায় পায়। বিপদে পাশে পায়। এরকম কয়জন করে?
তাঁদের নিজের ও গার্লফ্রেন্ড আছে। কিন্তু আদনানের মাথায় সেই একই পোকা ইলমার ছেলেফ্রেণ্ড আছে।

ইনান শেখ এবং তারেক মাহমুদের সাথে দেখা করে একসাথে বোসে নাশতা করে আদনানের বন্ধুমহল। অনেকক্ষণ গল্পগুজব করে। কিন্তু আদনানের জ্বালায় বেশিক্ষণ থাকতে পারেনি। এই সময়ের মাঝে কতবার যে নির্মাণকে তাড়িয়েছে হিসাব ছাড়া। বলা যায় তার এলার্জি ছুটে গেছে নির্মাণ, শেজান,রাহা,নিশাত এতোক্ষণ তার বাসায় থাকায়।
আদনামের জ্বালা যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়ে আটটার দিকে সবাই বিদায় নেয়। তাদেরকে বিদায় দিয়প আদনান জেনো হাফ ছেড়ে বাঁচে। মনে মনে শপথ নিয়েছে তৃপ্তি ইলমার বিয়ের আগে ওদের আর এই বাসায় আনছেনা।

ছাঁদ থেকে এসে মাগরিবের নামাজ আদায় করে নাশতা খেয়েছে ইলমা। এরপর পড়ার টেবিলে যে বসেছে দশটার দিকে এসে ডিনার সেরেছে সবার সাথে। আগামী কালকে তার ইংলিশ এক্সাম। সেজন্য পড়ছে মনোযোগ দিয়ে। ইংলিশ এক্সামের পর বাংলা এক্সাম। সব উল্টাপাল্টা রুটিন দিয়ে রেখেছে।

★★★

কেটে গেছে পাঁচদিন। ফাইজা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছে। ইলমার এক্সাম চলছে জোর দমে। সে তার পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত। খাওয়ার সময় ছাড়া লিভিং রুমে আসেনা সে। সারাক্ষণ বইয়ে মুখ গুঁজে রাখে। ইলমার পড়াশোনা নিয়ে এতো সিরিয়াসনেস দেখে আদনান বিরক্ত হয়। এতো খাটনি করে লাভ কী? সেই তো বিয়ে করে বাচ্চা সামলাবে। তারচেয়ে কোনরকম টাইপের পড়ালেখা করা ভালো। প্যারা নাই চিল। দুইদিন পর রেজাল্ট দিলে দেখা যাবে ইলমা ফাস্ট বা সেকন্ড হয়েছে। কিন্তু তাতেও সে খুশি না। কেঁদেকেটে মুখ লাল-নীল বানাবে। তাতেও আরেকটা নাটক সৃষ্টি হবে। আদনান আছেই তার পরিবারের একেকজন সদস্যের নাটক উপভোগ করার জন্য। এছাড়া আরকী!

আদনানের জ্বর ভালো হয়েছে তবে শরীর কিছুটা দুর্বল। তাতে আদনানের কী যায় আসে!! সে বিন্দাস বাইক নিয়ে ঘোরাঘুরি করছে।
মাঝেমধ্যে মেয়েদের ইভটিজিং করছে। বেশ চলছে তার দিন।

আজকেও তার ব্যাতিক্রম না। সকালে নাশতা সেরে ভার্সিটির উদ্দেশ্য রওনা হয়েছে আদনান। মেইন রাস্তার জ্যাম ঠেলে বাইক নিয়ে বেরিয়ে আসে। এই রাস্তায় তেমন জ্যাম নেই। রাস্তায় স্টুডেন্টরা কলেজ যাচ্ছে। স্কুল যাচ্ছে। আদনান বাইকের গতি কমায়। সামনে দলবেঁধে যাচ্ছে কিছু কলেজের স্টুডেন্ট। পেছনে একটা মেয়ে। সে একাই যাচ্ছে। আদনান মেয়েটার সোজাসুজি এসে বলে, “চুমকি চলেছে একা পথে। সঙ্গি হলে দোষ কী তাতে।”

আদনানের এরকম গান শোনে মেয়েটি তার দিকে তাকায়। মেয়েটার তাকানো দেখে আদনান বিরক্ত হয়। সামনে নজর দেয়। তখন মেয়েটি কিছুটা জোরে বলে, “ভাইয়া রাইড শেয়ার করুন।”

মেয়েটির কথায় আদনানের হাসি পায়। তবে হাসেনা। জবাব দেয়, “আমার বাইকের পেছনে মেয়েমানুষ নেইনা।”

“তাহলে গানে কেন বললেন সঙ্গি হলে দোষ কী তাতে? এখন রাইড শেয়ার করেন।”

“চুমকি পথে একা চলছে সেজন্য বলেছি। আমার বাইকে মেয়েমানুষ উঠাই না। আপনি চাইলে ওভারকল করে নিতে পারেন।”

কথাটা বলে আদনান বাইকের স্পিড বাড়ায়। সোজা চলে আসে ভার্সিটিতে। এসেই একটা সিগারেট ধরায় আদনান। জলন্ত সিগারেট হাতের ফাঁকে নিয়ে সামনে হাঁটে এবং কিছুক্ষণ পরপর সেটা মুখে নিয়ে টান মারে।

তার বন্ধুদের কাছে আসতে নির্মাণ খবর দেয়। জয় আবরণের সাথে বাইক রেস করার জন্য। তারা প্লানিং করেছে বাইক রেসের। বাইকাররা অংশগ্রহণ করতে পারে। তবে জিতলে অন্যরকম সুবিধা সেটা হলো গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ট্যুরে যেতে পারবে। সব খরচ যারা হারবে তারা বহন করবে।
আদনান এরকম পুরষ্কারের কথা শোনে মৃদু হাসে। বাকীরা তার দিকে তাকিয়ে আছে। আদনান বলে, “জয় যেমন বলদ। ওর বুদ্ধিও তেমন মাথামোটা। কীরে? ওর জয় বাংলায় সেদিন যেভাবে লা’থি মেরেছিলাম এতো তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে গেলো?”

আদনানের কথায় নির্মাণ বলে, “ট্রিটমেন্ট নিয়েছে এতোদিন সেজন্য জয় পাকিস্তানের মূলব্যান সম্পদ জয় বাংলা সুস্থ হয়ে গেছে।”

ওদের কথাবার্তা শোনে বাকীরা হাসছে। আদনান জয়ের মেশিনে লা’থি মেরেছিলো। যেটাকে এখন জয় বাংলা বলে সম্মোধন করছে। তখন শেজান মুহিত বলে, “আচ্ছা ভাই, সেদিন তো গান গাইলি, আমি প্রেমিক, আমি কবি। বুঝলাম প্রেমিক কিন্তু কবি হলি কবে?”

“মনের কবিতাই আসল কবিতা। সেই হিসাবে কবি আছি। শোন, প্রেমিক মানেই তো কবি তাইনা?”

“তাহলে একটা কবিতা শোনা?”

শেজানের কথায় রাহা বলে, “বল একটা কবিতা?”

নিশাতও চেপে ধরে। নির্মাণ তো খুশিতে বলে, “প্লিজ ভাই একটা কবিতা শোনা। যদি শোনাস তাহলে আমার বর্তমান গার্লফ্রেন্ডের সাথে একদিন ডেট করতে দেব তোকে।”
অতি আবেগে কথাটা বলেছে নির্মাণ। আদনান বাঁকা হাসে। সিগারেটে শেষ টান দিয়ে সেটা ফেলে দেয়। নির্মাণ আদনানের ভাব দেখে ঢোক গিলে। সত্যি তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে ডেটে যাওয়ার জন্য এই অসভ্য কবিতা বলবে না তো? হায়হায়! তাহলে তো তার গার্লফ্রেন্ড তার কপালে লা’থি মেরে আদনানের সাথে ছুটবে। আদনান নির্মাণের কথাটা সিরিয়াস নেয়। একটা কবিতা সে বলবে সমস্যা নেই। কিন্তু একদিনের ডেটের জন্য যে গিফট নিবে সেখানে যা টাকা খরচ হবে সেটাও নির্মাণের পকেট থেকেই নিবে। শেজান আগ্রহ নিয়ে বলে, “নির্মাণ তার গার্লফ্রেন্ড দিবে তোকে। আমার দেওয়ার মতো কিছু নেই। তবে তোর বিয়েতে কাপ-পিরিচ দেবো।”

শেজানের কথা শেষ হতে নিশাত বলে, “আমি পিংক কালার ডিনার সেট দেব।”

তখন আদনান ধমকে বলে, “তোরা থাম। নির্মাণ একদিনের জন্য ডেটে যাওয়ার জন্য তার গার্লফ্রেন্ড দিবে। সাথে একদিনে ডেটে গেলে যা টাকা খরচ হবে সেটাও দিবে।”

“হ্যাঁ দিবে সমস্যা কোথায়?”

নিশাতের কথায় নির্মাণ চোখ রাঙায়। আদনান নির্মাণের চেহারা দেখে হাসে। মূহুর্তে সিরিয়াস হয়ে যায়। আনমনা হয়ে বলে,

❝তুমি কাব্য, তুমি গল্প, তুমিই উপন্যাস,
তুমি বিচ্ছেদ, তুমি দহন, তুমিই গভীর যন্ত্রণা।
তুমি আবেগের প্রশ্রয়,
তুমি আমার গল্পের সূচনাবিহীন উপসংহার।
মনহরিণী নাকি আমার হৃদয়েশ্বরী,
তুমি যে চিরন্তন প্রেরণা।
তুমিতো অশ্রুজলে সিক্ত সুখী পিয়া।
তুমি রাতের নীরব আকাশ,
তুমি স্বপ্নের অভিজ্ঞান, চিরকালই অমল।
তুমি একেকটি রহস্যময় দৃষ্টি,
তুমি প্রেমের অদৃশ্য সুর, অবিরত বয়ে চলা।
আমার গুপ্ত প্রেমের সুপ্ত পিয়াসা।❞

আদনানের প্রেমময় কবিতা শোনে সবাই অবাক হয়। সাথে হাত তালি দেয়। প্রশংসা করে। আদনান যে সত্যি কাউকে ভালোবাসে এই বিষয়ে বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই।
এদিকে নির্মাণ মনে মনে গালি দিচ্ছে আদনানকে। সে তো আবেগের ঠেলায় বলেছিলো কথাটা। কে জানতে আদনানের মতো মেয়েবাজ,বজ্জাত ছেলে সেটা সিরিয়াস নিয়ে প্রেমময় কাব্য শোনাবে। নির্মাণ নাক-মুখ কুঁচকে তাকায়। বিড়বিড় করে বলে,
“শালা, একজনকে ভালোবেসে অনুভূতি পুষছে অন্যদিকে বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ডেটে যেতেও একপায়ে রাজী আছে।”

#চলবে

যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1

(আর একটা দিন আদনানকে ইভটিজিং করতে দিন। স্পেশাল পার্সনকে ইভটিজিং করা হলেই সে ভালো হয়ে যাবে🥲 গেস করুন সে স্পেশাল পার্সন টা কে?)

আমার গ্রুপ লিংক,
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here