গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|৯| #শার্লিন_হাসান

0
35

#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|৯|
#শার্লিন_হাসান

(প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত)

ধরিত্রীতে আলোর রেখা টানতে সুপ্রভাতের সূচনা ঘটেছে। স্নিগ্ধ বাতাস,সতেজ প্রকৃতি সবমিলিয়ে মিষ্টি একটা সকাল। ফজরের নামাজ শেষ করে সবার জন্য চুলায় চা বসিয়েছে ইলমা। একটু পর রেডি হয়ে প্রাইভেটের জন্য ছুটবে। বাকীরা কেউ উঠেছে কেউ উঠেনি। ফরিদা পারভীন নামাজ পড়ে শুয়েছিলেন।

ইলমা চা ফ্লাক্সে ভরে ডাইনিং টেবিলের উপর রাখে। নিজের কাপ নিয়ে রুমের দিকে এগোতে যাবে তখন ঈশিতা আসে লিভিং রুমে। ইলমা তাকে দেখে আওড়ায়, “সবার জন্য চা বানিয়েছি। বলে দিও ফ্লাক্সে আছে।”

“তুমি বোসো আমি নাশতা বানাচ্ছি।”

“মা উঠেনি?”
কন্ঠস্বর কাঁপছে ইলমার। ঈশিতা মাথা নাড়িয়ে বলে, “তাড়া নেই।”

“ইজাজের স্কুল অফ নাকী?”
“মনে হয়।”
“আচ্ছা। আমি বাইরে খেয়ে নেব,তোমার এখন তাড়াহুড়ো করে কষ্ট করতে হবেনা।”

“আরেহ্। তৃপ্তি,আদনানও তো নাশতা করবে।”

ইলমা কথা বাড়ায়না। মাথা নাড়িয়ে সোজা নিজের রুমে যায়। চায়ের কাপ নিয়ে ব্যালকনিতে আসতেই একটা হিমশীতল বাতাস গায়ে বা’রি খায়। ইলমা প্রাণ ভরে শ্বাস নিয়ে আকাশের দিকে তাকায়
সূক্ষ্ম দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে চায়ে চুমুক দেয়। অজানা কারণে মনটা ভার হয়ে আছে তার। দুফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়তে ইলমা হু হু করে কেঁদে উঠে। চায়ের কাপটা টেবিলের উপর রেখে ব্যালকনির গ্রিলে হাত রাখে। আকাশের দিকে তাকিয়ে আওড়ায়, “মিস ইউ মা। আই রিয়েলি মিস ইউ।”

কথাটা বলে চোখের অশ্রু ডান হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে মুছে নেয়। নিজেকে স্বাভাবিক করে অর্ধ চা ভর্তি কাপটা নিয়ে রুমে আসে। টেবিলের উপর সেটা রেখে তৈরি হতে চলে যায়।

কলেজ ড্রেস গায়ে গলিয়ে হিজাব বেঁধে নেয়। ব্যাগ গুছিয়ে ঘড়িতে সময় দেখে সে। রুম থেকে বের হবে এমন সময় ইনান শেখ ইলমার রুমে আসে। মেয়েকে দেখে একগাল হাসেন ইনান শেখ। ইলমা বাবাকে দেখে মলিন মুখে হাসি টানে। কন্ঠস্বর খাদে নামিয়ে বলে, “গুড মর্নিং বাবা।”

“গুড মর্নিং ইলমা। নাশতা করেছ মা?”

ইলমা হাত ঘড়ি দেখে বলে, “নাহ্। বাইরে করে নেব,সময় নেই এখন।”

“না। নাশতা করে বের হবে।”
ইলমা সূক্ষ্ম দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে, “নাশতা এখনো তৈরি হয়নি। বড় আম্মু একা নাশতা তৈরি করতে সময় লাগছে।”

ইনান মাহমুদ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলেন, “আজকে একটা প্রাইভেট পড়তে হবেনা।”

“আরেহ্, ব্যপার না। অভ্যেস আছে। তুমি নাশতা করে অফিস যেও। আমি গেলাম।”
কথাটা বলে তাড়া দেখিয়ে ইনান মাহমুদকে পাশ কাটিয়ে ইলমা রুম থেকে বেরুতে আদনানের মুখোমুখি হয়। ইলমার রুমের অপজিটের রুমটা আদনানের। ব্যালকনি প্রায় পাশাপাশি। যদিও রুম নিয়েও তাঁদের ঝামেলা হয়েছিল। কারণ সবার রুমের থেকে ইলমার রুমটা আলাদা এবং সুন্দর। আদনানের সেই রুমটা পছন্দ হয়েছিল। কিন্তু ইলমা রুমটা নেওয়ায় বেশি কিছু বলতে পারেনি। চাইলে আদনান জেদ করে সেই রুমটা নিতে পারত, কিন্তু নেয়নি।
দু’জনের চোখাচোখি হতে ইলমা দ্রুত পায়ে মেইন ডোরের সামনে আসতে আদনান চেঁচিয়ে বলে, “নাশতা না করে চোরের মতো পালাচ্ছিস কেন?”

ইলমার হাঁটা থেমে যায়। ঠোঁট অসম্ভব রকমের কাঁপছে। আদনান এগিয়ে আসে। ইলমা পেছন ঘুরতে আদনানের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এসে ইলমার মুখশ্রীতে স্থির হয়। আদনান তখন চিৎকার করে বলে, “আম্মু নাশতা হয়নি? মেলিচা তো না খেয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তৃপ্তি কোথায়?”

আদনানের চিৎকার শোনে তৃপ্তি চুলে বিনুনি করতে করতে লিভিং রুমে আসে। ইনান শেখ আদনানকে দেখে বিরক্ত হয় কিছুটা। ফরিদা পারভীন এসেই বলেন, “জেরাডা খাওন নিয়া এতো ফাঁকিবাজি করে। নাশতা না কইরা কিয়ের পড়ালেখা?”

ইলমা বিপাকে পড়ে যায়। ইনান শেখ মেয়ের দিকে তাকান। ইলমা অস্বস্তি নিয়ে বলে, “আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।”

ঈশিতা কিচেন থেকে বেরিয়ে এসে বলে, “ইলমা বোসো,নাশতা হয়ে গেছে।”

ইলমা মাথা নাড়িয়ে পা বাড়াতে গেলে আদনান ধমকে বলে, “মেলিচার বাচ্চা, বেশি পড়ালেখা দেখাতে আসলে বিদ্যাসাগরে নিয়ে চুবিয়ে আনব।”

ইলমা জবাব দেয়না। বলা যায়,জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনা।
কেন জেনো আদনানের সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হয়না তার। মানুষ বুঝি এভাবেই মন থেকে উঠে যায়? ইনান শেখ ইলমাকে আদেশের সুরে বলেন, “টেবিলে বোস। একটা প্রাইভেট না পড়লে কিছু হবেনা।”

ফরিদা পারভীন বলেন, “জেরা আয় তো।”
কথাটা বলে ইলমার হাত ধরে টেনে চেয়ারে নিয়ে বসান। বাকীরাও একে একে চেয়ার টেনে বসেছে। আদনান বসেছে ইলমার মুখোমুখি চেয়ারে। একটা চায়ের কাপ নিয়ে ফ্লাক্স থেকে চা ঢেলে সেটা মুখে তোলে। আজকের চা টা অন্যরকম লাগল। আদনান আড়চোখে ইলমাকে দেখে জিজ্ঞেস করে, “আজকের চা কে বানিয়েছে?”

ইলমা মৌনতা বজায় রেখে জবাব দেয়, “আমি বানিয়েছি।”

আদনান আর কিছু বলেনা। তারেক মাহমুদ আসেন,ইজাজও আসে। সবাই বোসতে নাশতা খাওয়া শুরু হয়। এর মাঝে তৃপ্তি বলে, “বাবা আমি আর ইলমা মেলায় যাব।”

তারেক মাহমুদ মেয়ের কথায় ভ্রুদয় কোঁচকান। রুটি ছিঁড়তে ছিঁড়তে জবাব দেন, “আমি ব্যস্ত,তোমার চাচ্চুও ব্যস্ত। একা,একা কীভাবে যাবা?”

তৃপ্তি সাথে সাথে জবাব দেয়, “ভাইয়াকে বলো না?”

ইনান শেখ আদনানের দিকে তাকান। আদনান ভাবলেশহীন হয়ে নাশতা খাচ্ছে। তৃপ্তির কথায় কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি সে। তারেক মাহমুদ বলেন, “আদনান তো প্রেমকোম্পানির ম্যানেজার,ওর সময় আছে নাকী তোমাদের নিয়ে মেলায় যাওয়ার?”

আদনান বিরক্ত হয়। কাঠখোট্টা কন্ঠে জবাব দেয়, “সুন্দর ভাবে বলতে পারোনা? দিলে তো মেজাজ চড়িয়ে।”

তখন তৃপ্তি জবাব দেয়, “প্লিজ ভাইয়া, চলো না?”

আদনান জবাব দেয়না। বাকীরা তার দিকে তাকিয়ে আছে। ফরিদা পারভীন বলেন, “আদনান নাতি রাজী হও। তৃপ্তি একটা আবদার করলো।”

আদনান ফোঁস করে নিঃশ্বাস ছাড়ে। জবাব দেয়, “বেশ তো! কবে যাবে তৃপ্তি?”

“আগামী কালকে।”

“কার নাকী ট্রেন?”
আদনানের কথায় তৃপ্তি ইলমার দিকে তাকায়। আদনানও ইলমার দিকে তাকায়। ইলমা কিছুক্ষণ চুপ থাকলে তৃপ্তি বলে, “ইলমা বল?”

“ট্রেন দিয়ে যাব।”

ইলমার কথায় তৃপ্তি জবাব দেয়, “ট্রেনে যাব।”

বাকীরা আর তেমন কিছু বলেনি। ইনান শেখও তেমন কিছু বলেননি। আদনান যে রাজী হয়েছে সেটাও অষ্টম আশ্চর্যের ব্যপারস্যপার। কিন্তু হুট করে রাজী হলো কেন? ভাবছেন ইনান শেখ। আদনান নাশতা খেয়ে রুমে চলে যায়। তৃপ্তি ইলমা একসাথেই বেরোয় কলেজের উদ্দেশ্যে।

আদনান রুমে এসে জেভিনকে কল দেয়। রিসিভ হতে ঘুম জড়ানো কন্ঠে জেভিন শুধায়, “কী হয়েছে আদনান?”

“জেভিন মেলায় যাবা?”

“কীহ্! ওই যে ভীড় আর থার্ডক্লাশদের মাঝে?”
কন্ঠস্বরের বিরক্তি সুস্পষ্ট। আদনান মেজাজ হারায়। বাজখাঁই কন্ঠে বলে, “রাতে কয়প্যাক গিলেছ?”
“কী?”
“মা’ল।”
“খাইনি। তুমি আসোনি তাই।”
জেভিনের কথায় আদনান মনে মনে তাকে বিশ্রী কয়েকটা গালি দেয়। কল কেটে ফোনটা বিছানায় ছুঁড়ে মারে। বিরক্ত লাগছে সবকিছু।
রেডি হয়ে বাইক নিয়ে বেরোয় একটা রেস্টুরেন্টের উদ্দেশ্য। আজকে একটা মেয়ের সাথে দেখা করবে সে। ফেসবুক আলাপ। মেয়েটা এই শহরেই থাকে, তেমন করে দেখা হয়নি। বলা যায় ফাস্ট ডেইট আজকে। যেহেতু ফাস্ট ডেইট এই মেয়েটার সাথে সেজন্য, চকলেট এবং ফুলের একটা বড় বাকেট বানিয়ে নেয়। সেটা নিয়ে ছুটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।

আদনান যেতে যেতে দেখে মেয়েটাও এসেছে সবে। পিক দেখায় চিনতে অসুবিধা হয়নি। আদনানকে দেখে মেয়েটা মুচকি হাসে। ছবির আদনান আর বাস্তবের আদনানের মাঝে পার্থক্য বলতে, ছবির থেকে বাস্তবে নেশি সুদর্শন ছেলেটা। ফর্সা মুখ ভর্তি ছোট খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি। ধূসর রাঙা আঁখি যুগল। জিম করে পেটানো শরীর, ভীষণ সুন্দর লাগছে তাকে। আদনান মেয়েটাকে দেখে বলে, “হাই ইস্পি।”
ইস্পি হাত তুলে “হ্যালো” বলে। আদনান ফুল এবং চকলেটের বাকেটটা ইস্পির দিকে এগিয়ে দেয়। গিফট পেয়ে ইস্পি খুশি হয়ে ধন্যবাদ দেয়। দু’জন পিচার তোলে। কথাবার্তা বলে সুন্দর একটা সময় কাটায়।

★★★

জয় আবরণ! তার দলের কয়েক টাকে আদেশ দিয়েছে আদনানের চৌদ্দ পুরুষের ঠিকুজি বের করার জন্য। পরিবারের একেকটা সদস্যের সব ডিটেইলস তার চাই। অনেক তো হলো আদনানের জিতের খেলা। এবার আবরণ বড়সড় গেম খেলতে চলেছে। আদনান কল্পনাও করতে পারবেনা ঠিক কী হতে চলেছে সামনে।

সকাল বেলা গার্ডেনে বেতের চেয়ারে বোসে সিগারেট টানতে টানতে জেভিনকে ম্যাসেজ দেয় আবরণ। তার সাথে একরাত ক্লাবে কাটানোর জন্য। কী রিপ্লাই আসবে তার জানা নেই। যদি রিজেক্ট করে তো জোর করে হলেও জেভিনকে তার বেডে আনবে।

পাশাপাশি রিয়ানার উপরও তীব্র নজরদারি রাখা হচ্ছে আবরণের। জহির আহমেদ আসেন সিগারেট হাতে। ছেলের সামনের চেয়ারে বোসতে,বোসে জহির আহমেদ বলেন, “রায়হানকে বলেছিলাম, প্রোপার্টিটা দিয়ে দিতে। রাজী হয়নি, তোমার প্লান কী?”

জয় কপালে ভাঁজ ফেলে বলে, “কী আবার! কেড়ে নেব।”

“কেস করলে?”
“তোমার পাওয়ার কী ভুলে গেছ বাবা? ওনাকে শহর থেকে হটানো কোন ব্যপার না জয়ের কাছে।”

“তুমি শিওর ওখানে বার দিলে চলবে?”

“আমার বারের স্পেশাল গেস্ট তুমি হলে, নিশ্চিয়ই চলবে।”

“আমার একটা প্রেস্টিজ আছে। উল্টাপাল্টা বলছ কেন?”

“উমম্ মদ গেলার সময় মনে থাকেনা?”
“হুঁশ। মাল ছাড়া চলা যায় নাকী?”
“মাল আর মহিলা দু’টোর একটা ছাড়াও চলা যায়না বাপ। দু’টোই পুরুষের জন্য অপরিহার্য।”

ছেলের কথায় কী জেনো মজা পেলেন জহির আহমেদ। ওনার সাথে দু’জন হো হো করে হেঁসে উঠে। জয় সিগারেট শেষ টান দিয়ে সেটা ঘাসের উপর ফেলে ভেতরে চলে যায়। মেইম ডোর দিয়ে প্রবেশ করতে একটা কাজের মেয়ে চোখে আসে তার। জয় তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে মেয়েটার শরীরের প্রতিটা ভাঁজে ভাঁজে। মেয়েটার বয়স চব্বিশ বা পঁচিশ হবে। মেয়েটার নাম, রাহেলা। বিবাহিত, একটা বাচ্চাও আছে। মাঝেমধ্যে বাচ্চাটা নিয়ে আসে আবার মাঝেমধ্যে রেখে আসে। আজকে আনেনি বাচ্চাকে। জয় আশেপাশে তাকিয়ে মেয়েটাকে বলে, “তোমার বাচ্চা কোথায়?”

রাহেলা টেবিল মুছছিল। জয়ের কথায় চকিত তাকায়। জবাব দেয়, “জ্বী না স্যার। অসুখ বাঁধছে এরজন্য আনিনাই।”

“ওহ্, ডক্টর দেখাওনি?”

“বিকালে নিমু স্যার।”
“বাবার কাছে রেখে এসেছ নাকী?”
“হ,দু’জনেই অসুস্থ স্যার।”

জয় আবরণ ঠোঁট কামড়ে হেঁসে উঠে। রাহেলা নিকের কাজে মনোনিবেশ করতে জয় আদেশ করে, “আমার কফিটা নিয়ে রুমে আসো রাহেলা।”
শেষের নাম উচ্চারণের সময় কন্ঠস্বর কিছুটা টান মারে জয়। জয় রুমে এসে পায়চারি করছে অবিরত। রাহেলা এসে কফি টেবিলের উপর রাখতে জয় দরজা লক করে। রাহেলা পেছন ফিরে কেঁপে উঠে। জয় এগিয়ে আসে। পরণে শুধু একটা টাউজার। উদোম গা। রাহেলার কাছাকাছি এসে তার হাত দু’টো খপ করে ধরে নেয় জয়। রাহেলা কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলে, “কী করছেন স্যার?”

“হুঁশ!”
জয়ের কন্ঠস্বর অন্যরকম শোনালো। রাহেলা এবার কেঁদেই দেয়। জয় বিরক্ত হয়ে বলে, “বিনিময়ে তোমার মেয়ের চিকিৎসার টাকা দেব। সাথে তোমার জামাইয়ের চিকিৎসার একমাসের খরচ বহন করব।”

“আমার এসব কিছুই লাগবেনা। ছাড়ুন আমায়।”

“চোপ। জয় যেটা চায় সেটাই হয়। মুখ খুলবি তো গু*ম করে দেব। জয় কী জিনিস সেটা নিশ্চয়ই জানিস।”

রাহেলা কাঁদছে। ছোটার জন্য ছটফট করছে। বারবার অসুস্থ স্বামী এবং অসুস্থ বাচ্চার চেহারা চোখে ভাসছে। এই মালিক গুলো এমন কেন? কাজ করে বলে কী কিনে নিয়েছে? জয় ধীরে ধীরে রাহেলার বিভিন্ন অঙ্গে হাতের স্পর্শ দিচ্ছে। খুব অল্প সময়ের মাঝে জয়ের স্পর্শ গভীর হয়ে যায়। রাহেলা ছোটার জন্য ছটফট করে। কিন্তু পারেনা! ন’রপি-চা”শের সাথে সে ক্ষুদ্র একটা পিঁপড়ে মাত্র।

#চলবে

( কয়েকটা পার্ট পরেই মেইন কাহিনী শুরু হবে। মেইন নায়ক/নায়িকা কে সেটা ক্লিয়ার হবেন)

যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1

আমার গ্রুপ লিংক,
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here