#বেলতুলি – [১২]
লাবিবা ওয়াহিদ
[অন্যত্র সম্পূর্ণ নিষেধ]
অনাকাঙ্খিতভাবে রিমঝিমের বিয়ে ঠিক হয়ে গেল বিএনপির এক নেতা কায়সারের সাথে। নেতার বয়স আনুমানিক বত্রিশ, রিমঝিমের থেকে ছয় বছরের ব্যবধান। রাজনীতির পাশাপাশি একটা নিজস্ব কারখানা আছে তাদের, তাই আর্থিক ভাবেও স্বচ্ছল।
এবারের পাত্র রিয়াজ সাহেবের পূর্ব-পরিচিত। তার গ্রামের এক পরিচিতর ছেলে। ছেলে রাজনীতি করলেও মন্দ নয়। আচার-ব্যবহার ভালো, বিয়ের জন্য উপযুক্ত। পরিবারও দীর্ঘদিনের পরিচিত। বর্তমানে রাজনৈতিক কারণে ঢাকার আগারগাঁওতে ফ্ল্যাট কিনে থাকছে। রিমঝিমও আগে থেকেই চিনত কায়সারকে, ছোটোবেলায় গ্রামে গেলে তাদের বাড়িতে আসা-যাওয়া হতো। মৌনোর ঝাপসা খেয়াল আছে, যখনই ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যেত, কায়সার ভাইয়ের মা তাদের পিঠা বানিয়ে খাওয়াত। তার হাতে বানানো পিঠার স্বাদই ছিল অন্যরকম।
কায়সারদের বাড়ি থেকে কোনো তাড়াহুড়ো দেখা যায়নি। টেলিফোন করে জানাল আগামী সপ্তাহে জুম্মার দিনে বিয়ের তারিখ পাকা করে যাবে। এতে অবশ্য রিমঝিমেরই ভালো হলো। সে চাপ ছাড়াই হাসপাতালে যাওয়া-আসা করতে পারবে। কায়সার তার পূর্ব পরিচিত বলেই সম্ভবত সে আর ‘না’ করেনি। অবশ্য, কায়সারের সাথে তার আলাদা করে কথা হয়নি, ওই বড়োদের সামনেই যতটুকু আলাপ হয়েছে। এছাড়াও কায়সারদের বাড়ি থেকে তাকে ডাক্তারির পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। তাই এখান দিয়েও স্বস্তি।
এশা, জুনায়েদকেও মায়ের ধমকে মেহমানদের সামনে থাকা লেগেছে। কিন্তু এশা বারবার করে খাবারগুলোর দিকে তাকাচ্ছে। প্রতিবারের মতো এবার কেন খাবার বেঁচে যাচ্ছে না? মেহমান দেখছি যা মিষ্টি, দই এনেছে সব খেয়ে ফেলছে। মা কী তাদের জন্য কিচ্ছুটি রাখেনি? তার খিদেতে পেটে বুদবুদ করছে, কেউ কেন কিছু সাধছে না? মায়ের কঠিন চোখের চাহনির জন্যে সে খাবারগুলোর দিকে হাত অবধি বাড়াতে পারছে না। হঠাৎ নিবিড়ের চোখে চোখ পড়তেই মেরুদণ্ড সোজা করে বসল। নিবিড়কে সে ভয় পায় না, তবে সে নেভি মানুষ। নেভিকে তো বুঝতে দেওয়া যাবে না সে কত্ত বড়ো ছ্যোচা!
গতবারের মতো এবারও মশিউর সাহেব এবং নিবিড় এসেছে। মশিউর সাহেব খুব ভদ্রতার সাথে আলাপ করছেন পাত্রের বাবার সাথে। এই পর্যায়ে নিবিড় নীরব, শুধু এক দুটো প্রশ্ন করলে তার উত্তর দিচ্ছে। মৌনো তার থেকে গা বাঁচিয়ে চলছে না, সে নীরবে মাকে সাহায্য করছে। গতকাল বহু কষ্ট করে বেঁচে গিয়েছিল সে। নয়তো এক মুহূর্তের জন্য যদি জাবির আর নিবিড় মুখোমুখি হতো মৌনো সেখানেই প্যানিক এট্যাক করে বসত। জাবির তো সুবিধার নয়ই, নিবিড় আরও বড়ো ত্যাড়া ধরণার মানুষ। এরা একে অপরকে যতটা এড়িয়ে চলবে, ততই সবাই ভালো থাকবে। শত্রু পাতালেই দুই পরিবারেই বিপদ ডেকে আনবে। আর মৌনো কখনোই চায় না শুধুমাত্র তার জন্য কারো ওপর বিপদ আসুক। এমনিতেও রিমঝিমের কথামতো পরিস্থিতি এখনো বিগড়ায়নি। তাই কিছুটা হলেও স্বস্তি পাওয়া যায়।
মৌনো কি দরকারে যেন একটু বাইরের দিকে গিয়েছে। আবার ঘরে ঢুকতেই দরজার সামনে নিবিড়ের জুতো জোড়া চিনতে পারল। এটা সেই শুজ যা গতকাল সে নিবিড়কে কিনে দিয়েছিল। গতকাল কিনে দিয়েছে আর আজই ব্যবহার শুরু করে দিয়েছে? বাহ, কী উন্নতি।
–“কী দেখছিস?”
মৌনো চমকে পিছে ফিরে তাকাল। নিবিড় প্যান্টের পকেটে হাত গুজে দাঁড়ানো। এর শক্ত, চওড়া কাঁধ দেখলে মনে হয় মুখের সামনে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড়িয়ে। এত লম্বা কেউ হয়? অবশ্য না হলে ডিফেন্সে জায়গা পেত কেমন করে? শুনেছে ডিফেন্সে নাকি উচ্চতা অনেক ম্যাটার করে।
জুতো নষ্ট করার কথা কীভাবে যেন রিমঝিম জেনে গিয়েছে। সেজন্য গতকাল কী যে বকাবকি করেছে তাকে, সে কী এশার বয়সী? যথেষ্ট বড়ো হয়েছে, তার ক্ষেত্রে এমন ধাওয়া-পালটা ধাওয়া মানায় না। এরপর আরও কত কি। তাইতো সে থেকে মৌনোও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নিবিড় যা খুশি করুক কিংবা বলুক, আর এই ধরণের অকাজ করবে না। যদি তাকে বেশি বিরক্ত লাগে তবে এড়িয়ে চলবে, ব্যাস!
মৌনো গলা নামিয়ে বলল,
–“ছাদে জামা-কাপড় দিয়েছিলাম। নিয়ে আসব কিনা ভাবছি। যদি মায়ের আবার আমাকে দরকার হয়?”
নিবিড়কে আজ বেশ শান্ত লাগছে। অতি পরিচিত বিরক্তির ভাঁজ কপালে পড়েনি। মৌনোকে এক পলক দেখে ভারী কণ্ঠেই বলল,
–“জুনায়েদকে ডেকে আন তো।”
মৌনো ভ্রু কুঁচকাল,
–“কেন? আপনি এখানে কী করবেন?”
–“আমি বের হবো, তুই ঘরেই থাক আর জুনায়েদকে পাঠা।”
মৌনো ভদ্র মেয়ের মতো তাই করল। মিনমিন করে আওড়ায়,
–“এর ছুটি এখনো শেষ হয় না কেন? একেবারে বেলতুলি থেকে চলে যাক।”
জুনায়েদ কিছুক্ষণ পর ফিরে এলো, তার হাত ভর্তি শুকনো কাপড়। মৌনো অবাক হলো, জুনায়েদকে কখনো ধমকেও ছাদে পাঠানো যায় না, আর আজ নাকি মুখেই বলার আগেই নিয়ে আসল? এত উন্নতি? ভ্রু কুঁচকে চাইতেই জুনায়েদ বিরক্ত হয়ে সব কাপড় মৌনোর হাতে হস্তান্তর করল,
–“নে ধর।”
–“তুই এগুলা আনলি কী ভেবে?”
জুনায়েদ মুখ কুঁচকে বলল,
–“নিজে আনতে চেয়েছি নাকি? নিবিড় ভাই বলল এজন্য গিয়ে নিয়ে আসছি। তোরা নাকি ব্যস্ত। যেতে যেতে খাটিয়ে দিয়ে গেল। ধুর!”
ওহ! এজন্যই তবে জুনায়েদকে ডেকে নিয়েছে? যাক, লোকটা তবে ভালো কাজও করতে জানে। মৌনো কাপড়গুলো আবারও জুনায়েদের হাতে ফেরত দিয়ে বলল,
–“আমি তোর মতো আজারে নই। যা সব গিয়ে আম্মার ঘরে রেখে আয়। একটাও যদি মাটিতে পড়তে দেখি একদম তোকে দিয়ে ধোঁয়াব।”
পরেরদিন রিমঝিম দ্রুতই হাসপাতাল চলে গিয়েছে। মৌনো তখন বাইরে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে। হাতে তার বাজারের ব্যাগ। আজকাল শীত উপলক্ষ্যে বাজারে নতুন নতুন সবজি উঠেছে। রিয়াজ সাহেব তা লক্ষ্য করে তখনই বাসায় টেলিফোন দিয়ে জানাল কি কি লাগবে সব লিষ্ট করতে, সে ছেলে পাঠাবে বাজারের ব্যাগ আর ফর্দ নিতে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ীই মৌনোর দাঁড়িয়ে থাকা। তার মাঝেমধ্যে খুব ইচ্ছে হয় বাজারে যেতে। স্মৃতিতে ভেসে ওঠে ছোটোবেলায় কী সুন্দর রিয়াজ সাহেব তাকে বাজারে নিয়ে যেত, বিভিন্ন মাছ দেখিয়ে তাদের নাম বলত। তিনি বরাবরই মাছে ভাতে বাঙালি, মাছ ভীষণ পছন্দ। সেই থেকে ছেলে-মেয়েদেরকেও মাছ সম্পর্কে ভুড়ি ভুড়ি তথ্য বলতেন। তার ভাষ্যমতে ছেলে-মেয়ের সবকিছু নিয়েই জ্ঞান থাকা জরুরি। চার ছেলে-মেয়ের মধ্যে প্রথম তিনজনের সেই সময় শেষ। এখন সেই স্তরে আছে এশা। তাকেও সুযোগ পেলেই বাজারে নিয়ে গিয়ে মাছের নাড়ি-ভুড়ি শোনাতে থাকেন। সম্ভবত এই এক কাজেই তিনি কোনোদিন ক্লান্ত কিংবা বিরক্ত হন না। পছন্দের কাজে কেই বা বিরক্ত হয়?
নিবিড় আর কামরুল পথ দিয়েই যাচ্ছিল। নিবিড় মৌনোকে দেখতেই থেমে যায়। ভ্রু কুঁচকে বলল,
–“কোথায় যাচ্ছিস?”
মৌনো তাকাল নিবিড়ের দিকে। লোকটা জগিং স্যুট পরেছে। এগুলো সিনেমাতেই দেখত সে, নিবিড়কে দিয়েই এসব সরাসরি দেখা। সে ঝামেলায় জড়াতে চাইল না। মৌনো তার মিত্রের প্রতিজ্ঞায় অটল থেকে বলল,
–“বাজারে..”
মৌনো তার পুরো কথাটুকু শেষ করার আগেই নিবিড় কামরুলের উদ্দেশে বলল,
–“ফর্দ আর বাজারের ব্যাগটা নে।”
–“কিন্তু বাবা চেম্বার থেকে রইসুলকে পাঠাবে।”
–“রইসুলকে রাস্তায় দেখলে ব্যাগ নিয়ে নিবে। কামরুল, যা বলছি কর।”
কামরুল আবার বরাবরই নিবিড়ের বাধ্য। সে মাথা নেড়ে দ্রুত মৌনোর দিকে আগায়।
–“দেন আপা, আমারে দেন। আমিই যাই, রইসুলরে দেখলে দিয়া দিমুনে। আপনে আর রইদ্দে দাঁড়াই থাইক্কেন না।”
নিবিড় বলল,
–“তুই যা কামরুল, তোর আপা নাহয় তোকে শরবত করে খাওয়াবে।”
কামরুল চলে গেল, নিবিড় তাকাল মৌনোর দিকে।
–“ভার্সিটি নেই?”
–“আছে, যাব না।”
–“কেউ তোকে বিরক্ত করছে নাকি?”
–“না, এমনিই যাব না। মায়ের সাথে থাকব।”
নিবিড় চলে যেতে নিলে মৌনো পিছুডাক দিল।
–“আপনিও কি শরবত খাবেন নাকি? না মানে, বেশি করে বানাতাম।”
নিবিড় ঘাড় বাঁকিয়ে মৌনোর দিকে ফিরল। কেন যেন তার এই ভালোমানুষি সন্দেহজনক লাগছে।
–“আমাকেই বললি?”
–“বলতে পারি না?”
নিবিড় কিছু একটা ভেবে গলার গাম্ভীর্য একই রেখে বলল,
–“না, আমি ফিরতে দেরী হবে। অন্য একদিন।”
মৌনোর দিক থেকে সরে নিবিড় গেল আরেকটু হাঁটতে। পথিমধ্যেই তার প্রণভের সাথে দেখা। প্রণভ নিবিড়ের দুই বছরের সিনিয়র, তবুও তাদের মাঝে খুব ভালো একটা সম্পর্ক। তাদের আলাপের মাঝেই প্রণভ বলল,
–“ডাক্তার সাহেবের বাড়ি থেকে তোমায় বের হতে দেখলাম যে?”
নিবিড় থমথমে সুরেই বলল,
–“রিমঝিমকে দেখতে এসেছে, বিয়ে পাকা।”
প্রণভকে অবাক হতে দেখা গেল। সে তো জানেই না, তাই তো বলে গতকাল সকালে রিয়াজ সাহেব এত বাজার-সদাই তার হাত ধরে পাঠাল কেন। নিবিড় থেমে বলল,
–“কোথাও যাচ্ছ?”
প্রণভ বাস্তবে ফিরে এলো।
–“হুঁ, একটা চাকরির খোঁজ পেয়েছি। সেখানেই ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছি। দোয়া করো ভাই, বেকার থাকতে ভালো লাগছে না।”
–“শুনেছি তোমার আগের চাকরিটা চলে গিয়েছে? আসো একসাথেই যাই, দেখি কোথায় কিসের চাকরি। সিএনজি ডাকছি, অনেকদিন আলাপ হয় না।”
————————————
রাতের বেলা মৌনোদের বাড়ির কাছের খালি মাঠে ব্যাডমিন্টন নেট লাগানো হয়েছে। খেলার কোর্টও বিকালেই করিয়েছে। এরপর কার বাড়ি থেকে যেন বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা করে অন্ধকারে আলো ফোটাতে পেরেছে। মৌনো রুমের আলো বন্ধ করে জানালার সামনে দাঁড়িয়ে খেলা দেখছে। তার ব্যাডমিন্টন খুব পছন্দের। কিন্তু তারা বিকাল অবধি খেলারই অনুমতি পায়, সন্ধ্যার পর মেয়েদের বাড়ি থেকে বের হওয়া নিষেধ। অথচ মৌনোর বড্ড শখ সে রাতের বেলা, ঠান্ডা কুয়াশার মাঝে খেলবে। একটু পরপর মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হবে, কী দারুণ অনুভূতি। প্রায়ই আফসোস করে ভাবে, ইশ! সে যদি ছেলে হতো! কিন্তু এই আফসোস আর কাটে না।
মৌনো খেয়াল করে দেখল নিবিড়ও অনেকক্ষণ যাবৎ খেলছে। তার গলায় মাফলার, বাম হাত জ্যাকেটের পকেটে। তার খুব একটা নড়চড় নেই, এক স্থানে দাঁড়িয়েই কি সুন্দর খেলে যাচ্ছে। কিন্তু খেলার মাঝেও লোকটা মুখ কেমন গম্ভীর করে রেখেছে! কেউ না হাসে থাকে কেমন করে সেটাই সে ভেবে পায় না। কিন্তু তার এই শক্ত মুখের দক্ষতার সাথে খেলা দেখতে তার মন্দ লাগছে না। মৌনো আরেকটা ব্যাপারও লক্ষ্য করেছে, সে মনে মনে চাচ্ছে খেলায় নিবিড় জিতুক। নিজের অজান্তেই চমকে গেল সে, এ কি ভয়াবহ কাণ্ড!
রিমঝিমের বিয়ে ঠিক হয়ে যাওয়া শুনে সোফিয়া খানম বেশ চটে আছেন। তিনি খুব করে চান যেন রিমঝিমের আগে তার ছেলের বিয়েটা হোক, কিন্তু সে গুড়ে বালি। উলটো রাজিয়া শেখের পাঠানো মিষ্টি দেখে তার গা পিত্তি জ্বলে যাচ্ছে। মৌনোর জন্য প্রত্যাখ্যানের পর ওই বাড়ির সবাইকেই তার চরম শত্রু মনে হয়। তার চেয়েও বেশি মনে হচ্ছে রিমঝিমের বিয়ে হয়ে গেলেই রাজিয়া শেখ জিতে যাবে। কিন্তু সোফিয়া খানম তো আর বসে থাকার মতো মহিলা নন। তাই তিনিও হুট করে ঘোষণা দিলেন আগামীকালই রত্নাকে আংটি পরিয়ে আসবেম। যেই ভাবা সেই কাজ, তখনই রত্নার জন্য স্বর্ণের আংটি কিনতে চলে যান মার্কেটে, তার চেনা-জানা দোকান আছে।
ফেরার পর থেকেই মা-ছেলের মধ্যে আবারও দ্বন্দ্ব শুরু হয়। নিবিড় কিছুতেই এখন বিয়ে টিয়ে করবে না, প্রশ্নই আসে না। যাকে তাকে আংটি পরানো তো দূর। মশিউর সাহেব চা খেতে খেতে বসেছেন মা-ছেলের দ্বন্দ্বে কে বিজয়ী হয় তা শেষ অবধি দেখতে। তিনি ছেলের এই সম্বন্ধে যে খুব রাজি এমনও নয়, সে নিজেও মনে মনে ছেলেকে সাপোর্ট করেন। আর উপরে উপরে বউয়ের মান রাখেন। সে সর্বদাই জোরপূর্বক বিয়ের বিপক্ষে। পুরুষ মানুষকে জোর করে বিয়ে দেওয়া যায় নাকি?
মশিউর সাহেবের সেই ধারণাকেই সত্য প্রমাণিত করে নিবিড় এঙ্গেজমেন্টের আগেরদিন রাতেই বাড়ি ছেড়ে একপ্রকার পালাল। যার খবর কোনো এক কাকপক্ষীও পায়নি, সোফিয়া খানম তো দূর।
®লাবিবা ওয়াহিদ
চলবে—
[যারা পড়বেন অবশ্যই রেসপন্স করবেন যেন অন্যান্য পাঠকদের ফিডেও পর্বটি পৌঁছাতে পারে।]
বিঃদ্রঃ চোখ-ভর্তি ঘুম, তাই আগামীকাল রিচেক দিব। কেমন লেগেছে অবশ্যই জানাবেন। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। অনেকদিন পর রাইটিং ব্লক থেকে নিস্তার পেয়েছি, কিছু লিখতে পেরে মনে হচ্ছে প্রাণ ফিরে পেল। অবশ্য আপনাদের ভালোবাসার কাছে এই রাইটিং ব্লক তুচ্ছ, বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। এইযে দেখুন, কীভাবে আপনারা ঠিকই আমাকে বের করে আনলেন। আজ শান্তিতে ঘুমাতে পারব গল্প দিয়ে। মনে রাখবেন পাঠকরা, আপনাদের আমি প্রচণ্ড সম্মান করি, সবসময়ই।❤️

