#এক_মেঘলা_দিনে
#পর্ব_১২
#আনিকা_আফসা
চোখ ফেটে বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম আমার। এই ছিলো রুদ্রের মনে? রুদ্র কথাটি বলে আমার উত্তরের অপেক্ষায় রইলেন না। ঝুঁকে এসে ঠোঁটে আলতো করে চুমু এঁকে দিলেন আমার। তারপর ঝট করে সরে এসে আবারো লিপস্টিক লেপ্টে দিলেন। আমি হা করে তাকিয়ে রইলাম। কি বলা উচিৎ, কি করা উচিৎ সব বুদ্ধি লোপ পেয়েছে। কয়েক ন্যানো সেকেন্ডে কি হলো আমি কিছুই বুঝলাম না। রুদ্র বললো,
“হয়ে গেছে , চল!!”
আমি অবাক হয়ে বললাম,”আপনি এটা কি করলেন?”
রুদ্র কাঁধ উঁচিয়ে বলল,”কি করলাম”
আমি নিজের দিক আঙ্গুল উঁচিয়ে বললাম,”আপনি আমাকে,,”
আর বলতে পারলাম না কিছু , চুপ করে গেলাম। কি বলবো ? আপনি আমাকে চুমু খেয়েছেন কেন? কিভাবে উচ্চারণ করবো এই কথা? রুদ্র বলল,
“কি তোকে? কি করেছি?”
আমার চোখ কপালে। কি করেছে সেটাই জানে না। রাগে মাথাটা ফেটে গেল যেন তবুও কিছু বলতে পারলাম না। চোখ রাঙিয়ে আঙ্গুল উঁচিয়ে বললাম রুদ্রকে,
“আমার থেকে দূরে থাকুন। খারাপ লোক!!”
এই বলে ধুপধাপ পা ফেলে চলে বেরিয়ে গেলাম ঘর থেকে। রুদ্র ঠোঁট কামড়ে হেঁসে আমার পিছু ধরলো।
বাইরে এসে আপুকে দেখতে পেলাম না। আমি এদিক ওদিক তাকালাম। তখনই রুদ্র গাড়ি নিয়ে এলো। আমি তাকে দেখেও না দেখার ভান করে দাঁড়িয়ে রইলাম। রুদ্র বলল,
“দাঁড়িয়ে না থেকে উঠ জলদি”
আমি কপাল কুঁচকে এদিক ওদিক তাকাতে তাকাতে বললাম,
“আমি আপুর সাথে যাবো, আপনার গাড়িতে উঠবো না আমি”
রুদ্র বললেন,”তোর আপু চলে গেছে। আমার সাথেই যেতে হবে তোকে”
আমি অবাক হয়ে বললাম,”আমাকে ছেড়ে চলে গেল?”
রুদ্র বিরক্ত হয়ে বলল,”তো সবাই কি তোর জন্য চৌদ্দ ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকবে? সবাই কি আমি যে তোর জন্য সারাজীবনের অপেক্ষা করবে ? জলদি উঠে পড়”
আমি ভেংচি কেটে উঠে বসলাম চুপচাপ। এই লোকের বিশ্বাস নেই , না উঠলে দেখা যাবে আরো কি উল্টাপাল্টা কাজ করবে। আমি সিটবেল্ট বাঁধতেই রুদ্র গাড়ি চালাতে শুরু করলেন। আমি চুপচাপ বসে আছি , বাইরে জানালার দিকে তাকিয়ে। আমাকে আরেকটু জ্বালাতেই হয়তো রুদ্র গাড়ির মিউজিক সিস্টেমে গান ছাড়লো। একটা ইংলিশ গান ছেড়েছেন, আমি যেহেতু এসব গান শুনি না তাই আমার বিরক্ত লাগলো। বাঁকা চোখে রুদ্রের দিকে তাকালাম, তখনই দেখলাম রুদ্রের মুখের মিটিমিটি হাঁসি। আমি ঢেড় বুঝলাম আমাকে জ্বালাতে এসব করা হচ্ছে। আমি হাত বাড়িয়ে গান অফ করে দিই তাই। রুদ্র বলল,
“অফ কেন করলি?”
“আমার ইচ্ছা, আমি ইংলিশ গান শুনি না। এসব বিরক্তিকর ”
“আমিতো শুনি”
“তো আমি কি করবো?”
“তুইও শুনবি ”
এই বলে আবার ছাড়লো গানটা। আমি রেগে আবার বন্ধ করে দিলাম। রুদ্র আবার ছাড়লো। আমি হাত বাড়িয়ে আবার বন্ধ করতেই যাবো তখনই রুদ্র আমার হাত খপ করে ধরে নিজের হাতের মুঠোয় পুড়লো। আমি হাত মুচড়ে বললাম,
“হাত ছাড়ুন আমায়।”
“হাত ছাড়া যাবে না সুইটহার্ট”
আমি নাকের পাটা ফোলালাম, ফোঁস ফোঁস করে শ্বাস ছেড়ে হাত মুচড়াতে লাগলাম। আমাকে এমন করতে দেখে রুদ্র বলল,
“তুই যদি এমন করিস আমি কিন্তু তোকে বেঁধে রাখবো আনি।”
“এর থেকে ভালো কিছু আপনার থেকে আশা করি না”
“নাহ্, একটু আশা করতে পারিস এখন। আমি ভালো হয়ে গেছি। দেখিস না তোকে কি সুন্দর করে আদর করলাম। ”
আমি হা করে তাকিয়ে বললাম,”আপনি একটা নির্লজ্জ ”
রুদ্র দায়সারা হয়ে বলল,”হুম, শুধু তোর জন্য ”
এই বলে রুদ্র আমার হাত তার বুকের সাথে চেপে ধরলো। আমি চুপ করে রইলাম। খানিক লজ্জা পেলাম । এই রুদ্র এতো বেফাঁস কথা বলছে আজকাল। মাথা এর সত্যিই খারাপ হয়ে গেছে।
তখনই রুদ্র বলল,”হুম, তোর জন্য”
আমি তার দিকে তাকিয়ে বললাম,”কি?”
রুদ্র গাড়ি চালাতে চালাতে বলল,”এইযে, মাথা খারাপ।”
আমি অবাক হয়ে বললাম,”আপনি আমার মনের কথা কিভাবে বুঝেন?”
রুদ্র এক ভ্রু কুঁচকে বলল,”তোর মনের ভিতর আমি আছি তাই আমি বুঝে যাই তুই কখন কি ভাবিস”
আমি হাত ছাড়িয়ে নিলাম , রুদ্রই ছাড়লো বলতে গেলে। আমি বললাম,
“বাজে কথা বন্ধ করুন”
রুদ্র খানিক হাঁসলো। আমি আবার বললাম,
“বলুন না কিভাবে বোঝেন”
রুদ্র বলল,”কাছে আয় , তারপর বলছি”
আমি জানালার দিকে মুখ করে বললাম,”হয়েছে , বলতে হবে না”
রুদ্র আর কথা বললেন না আর না আমি
নিজের মুখ খুললাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই রুদ্র গাড়ি থামালো। আমি বাইরে তাকিয়ে দেখলাম এটা একটা সুন্দর রেস্টুরেন্ট। নিহান ভাইয়ার গাড়িটি দাঁড়িয়ে আছে। আমি দরজা খুলে বাইরে বের হলাম। অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখলাম। মানতেই হবে রেস্টুরেন্টটি খুব সুন্দর। ওপেন-এয়ার রেস্টুরেন্ট যাকে বলে। রেস্টুরেন্টের পিছনে একটা সুন্দর লেক। রেস্টুরেন্টে সবুজ ঘাসের কার্পেট তার উপর চেয়ার – টেবিল সাজানো। টেবিলের সাথে আবার ছাতা আছে তবে এটা সিমেন্ট দিয়ে বানানো ছাতা। সেটাতে আবার সুন্দর করে রং করা হয়েছে। আমি এগিয়ে যেতে ধরতেই একটা ছোট পথশিশু আমার সামনে দাঁড়ালো। হাতে তার বালতি এবং বালতিতে অনেকগুলো লাল গোলাপ ফুল। আমাকে দেখেই মিষ্টি করে হেসে বলল,
“আপু ফুল নিবা?”
আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই রুদ্র বলল,”ফুল কত করে?”
মেয়েটি বলল,”বেশি না , দশ টাকা ”
রুদ্র ভ্রু কুঁচকে বলল,”কতগুলো ফুল আছে এখানে?”
মেয়েটি কিছুটা ভেবে বলল,”১০০ হইবো ভাইয়া”
রুদ্র পকেট থেকে ১০০০ টাকার নোট বের করলো তারই সাথে আরো ৫০০ টাকার কচকচে নোট বের করলো। মেয়েটিকে বলল,
“এই নাও হাজার টাকা তোমার ফুলের দাম আর এই ৫০০ টাকা নেও এটা তোমার উপহার”
মেয়েটি অবাক হয়ে বলল,”আপনি সবটি নিবেন?”
রুদ্র মাথা নাড়লো । তারপর সবফুল আমার হাতে ধরিয়ে দিলো। মেয়েটি অবাক হয়ে বলল,
“আর এই উপহার কিসের জন্য?”
রুদ্র মেয়েটির মাথায় হাত বুলিয়ে বলল,”এইযে এতো সুন্দর ফুল তোমার জন্যই তো পেলাম আমরা। তাই তোমাকে তো উপহার দিতেই হতো”
মেয়েটি দেখলাম আনন্দে লাফিয়ে উঠলো। রুদ্র ও আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে দৌড়ে চলে গেল কোথাও। মেয়েটির আনন্দ দেখে আমার মুখে হাঁসি ফুটে উঠলো। তারপর হাতে থাকা ফুলের ঘ্রাণ নিলাম চোখ বুজে। মিষ্টি একটা ঘ্রাণ নাসারন্ধ্রে প্রবেশ করলো তখনই। চোখ খুলে দেখলাম রুদ্র আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ঝট করে মুখের হাঁসি গায়েব করে ফুল গুলো রুদ্রের দিকে বাড়িয়ে বললাম,
“আপনার ফুল”
রুদ্র সেখান থেকে একটা ফুল তুলে আমার কানে গুঁজে দিয়ে ফিসফিসিয়ে বলল,
“আমার নিজস্ব ফুল এসব ফুলের থেকেও সুন্দর, তাই আমার এসবের দরকার নেই। এসব বরং তুইই রাখ”
এই বলে এগিয়ে গেল। আমি রুদ্র যেতেই হালকা হাসলাম। তারপর রুদ্রের পিছু পিছু যেতে লাগলাম। রুদ্র একটা টেবিলে এসে থামলো। টেবিলটা দখল করে আগে থেকেই বসে আছে আপু, নিহান ভাইয়া, নিকি আপু, নিকি আপুর হাসব্যান্ড আহাদ ভাইয়া আর ছোট্ট কেয়া ও নিকি আপুর ছেলে তপু। রুদ্র গিয়ে নিহান ভাইয়ার পাশে বসলো। আমি গিয়ে বসলাম রুদ্রের অপর পাশের মুখোমুখি চেয়ারে। আপু টিপ্পনী কেটে বলল,
“কিরে আনি? তুই না আসবি না? আমাকে না করে দিলি তো এখন আবার এলি যে?”
আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই নিহান ভাইয়া বলল,
“আহ্ আনিশা তুমি এসব বুঝবে না। নিয়ে আনার জন্য বিশেষ মানুষ দরকার, এমন মানুষ যার কথা ফেলতেই পারে না”
সবাই দেখলাম মিটিমিটি হাসলো। রুদ্র ফোন ঘাটছে, মনে হচ্ছে আকাশ ভেঙ্গে পড়লেও আজ ফোন ছাড়বে না। নিহান ভাইয়ার কথায় ঠোঁট হালকা প্রসারিত করে হাসলো। নিহান ভাইয়া আবার আমাকে জিজ্ঞেস করলো,
“ঠিক বলেছি না শালীকা?”
আমি চোখ ছোট ছোট করে বললাম,”না একটুও ঠিক বলোনি। যে দজ্জাল পাঠিয়েছো না এসে উপায় আছে? তুলে নিয়ে এসেছে আমায় , আমি নিজ ইচ্ছায় আসিনি”
রুদ্র চোখ তুলে তাকালো তার এই সম্মোধনে। সবাই হেসে উঠল আমার কথায়। ছোট্ট কেয়া ও তপুও কি বুঝে হাসলো যেন । নিকি আপু গলা ঝেড়ে বললেন,
“তা আনি, এতো গোলাপ কে দিলো?”
আমি তার দিকে এগিয়ে বললাম,”দিয়েছে কেউ, তোমার লাগবে?”
নিকি আপু মাথা নেড়ে বলল,”না তো”
আমি বললাম,”তাহলে ঠিক আছে”
তখনই ওয়েটার এলো। আহাদ ভাইয়া ওয়েটারকে খাবার অর্ডার দিলো। নিকি আপু ও আনিশা আপু তো তাদের বাচ্চা নিয়ে ব্যস্ত। আমি বারবার ফুল নিয়ে নাড়াচাড়া করছি। ছোটবেলা থেকেই আমার এই ফুলগুলো খুব প্রিয়। হঠাৎ খেয়াল করলাম নিজের পায়ের উপর কেউ তার আঙ্গুল দিয়ে আঁকিবুঁকি করছে। আমি প্রথমেই চমকে তাকালাম রুদ্রের দিকে। রুদ্রের ধ্যান এখনো মোবাইলে , কিন্তু মুখে মিটিমিটি হাঁসি। আমি পা সরাতে নিলাম কিন্তু তার আগেই তার পা দিয়ে আমার পা দুটো ঠেসে চেপে ধরলো। আমি সরাতে না পেরে তার দিকে রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। তখনই রুদ্র আমার দিকে তাকালো, পকেটে ফোন গুঁজে ও হাত দুটো গুঁজে চেয়ারে হেলান দিয়ে আমার দিকেই তাকিয়ে রইলো। আমি চোখ দিয়ে ইশারা করলাম পা ছাড়তে। রুদ্র আমার দিকে একভাবে তাকিয়েই মাথা নাড়লো আস্তে করে অর্থাৎ সে ছাড়বে না। আচ্ছা মুশকিল তো। ওয়েটার তখনই আহাদ ভাইয়ের অর্ডার করা চটপটি নিয়ে এলো। নিহান ভাইয়া আমার দিকে এগিয়ে দিলো। রুদ্রকে দিতে নিলে রুদ্র মানা করে দিলো, সে এসব খায় না। আমি কোনমতে কষ্ট করে নিজের পা দুটো মুক্ত করলাম । চোখ রাঙিয়ে শাসালাম রুদ্রকে কিন্তু জনাব তো হেসে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। এতো হাসে কেন? আগে তো শুধু ঝগড়া করতো আর ধমকাতো আমায়। ডায়নোসর থেকে গিরগিটি হয়ে গেছে, মিনিটে মিনিটে রং পাল্টায়। খাওয়া শেষে নিহান ভাইয়া একটা বোতল নিলো এবং দাঁড়িয়ে বলল,
“চলো সবাই মিলে ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলি”
রুদ্র মুখ কুঁচকে বলল,”এটা বাচ্চাদের খেলা। আমি নেই”
নিহান ভাইয়া বলল,”তুই-ই তো আমাদের প্রধান টার্গেট। তুই নেই মানে কি? তুইও আছিস!”
নিকি আপু বলল,”হ্যাঁ রুদ্র , তুই কিন্তু খেলবি। ইনফ্যাক্ট আমরা সবাই খেলবো”
আহাদ ভাইয়াও বললো,”হ্যাঁ রুদ্র ভাই ,চলুন খেলি”
আমি মুখ কুঁচকে বললাম,”এতো তেল মাখানোর কি আছে? যে খেলার খেলবে নাহলে খেলবে না”
রুদ্র আমার দিকে তাকিয়ে বলল,”তুই খেলবি?”
আমি মাথা নেড়ে বললাম,”আমাকে ছাড়া খেলা হবে? আমি খেলতে দিবো?”
আপু বললো,”হয়েছে এবার থাম, সবাই খেলছি এটাই ফাইনাল। নিহান বোতল ঘুরা তো”
নিহান ভাইয়া টেবিলের মাঝে বোতল রেখে বোতল ঘোরালো। প্রথমেই বোতল পড়লো আহাদ ভাইয়ের উপর। আহাদ ভাইয়াকে নিকি আপু জিজ্ঞেস করলো,
“ট্রুথ অর ডেয়ার?”
আহাদ ভাইয়া বলল,”ট্রুথ”
নিকি আপু ভ্রু কুঁচকে বলল,”নিজের বউকে ছাড়া অন্য কাউকে কখনো ভালোবেসেছো?”
আহাদ ভাইয়া মুচকি হেঁসে বললেন,”হ্যাঁ বেসেছি, আমার গার্লফ্রেন্ড নিকিকে ”
নিকি আপু হেসে ফেললেন সাথে আমরাও। নিহান ভাইয়া আবার বোতল ঘোরালেন। এবার বোতলের মাথা গিয়ে পড়লো রুদ্রের উপর। রুদ্রকে আপু জিজ্ঞেস করলেন,
“ট্রুথ অর ডেয়ার?”
রুদ্র আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,”ডেয়ার ”
আপু হেসে বললেন,”আমাদের একটা গান শোনাতে হবে”
রুদ্র সাথে সাথেই বললো,”গিটার ছাড়া গান গাইবো না আমি।”
নিহান ভাইয়া বললো,”কোনো সমস্যা নেই। আমি আগেই সব বন্দোবস্ত করে এসেছি। গাড়িতে আছে গিটার , নিয়ে আসছি দাঁড়া ”
এই বলে নিহান ভাইয়া চললেন গিটার আনতে। কিছুক্ষণের মধ্যেই গিটার আনা হলো। নিহান ভাইয়া নিজের চেয়ারে বসে গিটার এগিয়ে দিলেন রুদ্রের দিকে। সবাই মনোযোগ দিলো , আমি রুদ্রের দিকে তাকালাম। রুদ্র গিটার নিজের কোলের উপর রেখে নজর আমার দিকে তাক করেই গিটারে সুর ধরলেন,
♪♪পৃথিবী একদিকে,,,,তুমি আরেকদিকে আমার।
আমি তোমার কাছেই যাবো, এই পথে যতই নামুক আঁধার ♪♪
♪♪আমি দুনিয়া ছাড়তে পারি, আমি জিতেও হারতে পারি । পারবো না শুধু, বাঁচতে কভু ,,,,তুমি ছাড়া,,,♪♪
হোওওওও
♪♪আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো তুমি ছাড়া,
আমি পাগল হয়ে যাবোওও তুমি ছাড়া,
আমি ধ্বংস হয়ে যাবো তুমি ছাড়া,
আমি সময়কে থামিয়ে দেবোওওওওও♪♪
,,,,তুমিইই ছাড়া,, হুমমমম
তুমিই ছাড়া,,,তুমিই ছাড়া ,,,হুমমম,,
তুমি ছাড়া,,, হোওওও
রুদ্র সম্পূর্ণ গানটাই আমার চোখের দিকে তাকিয়ে শেষ করলেন। আমিও তার দিকেই তাকিয়ে রইলাম। রুদ্র গান শেষ করতেই সবার করতালিতে ধ্যান ছুটলো আমাদের। আমার মনে হলো, গানের প্রতিটা লাইন রুদ্র আমার জন্য গেয়েছেন। প্রতিটা কথায় আমি মিশে ছিলাম তার। এক দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো ভেতর থেকে। চুপচাপ বসে রইলাম আর অনুভব করলাম একজোড়া চোখ আমার দিকেই নিবদ্ধ।
#চলবে
আমাদের কুহেলিকায় জয়েন হয়ে জমিয়ে তুলুন আড্ডা।
গ্রুপ লিংক:-
https://www.facebook.com/share/g/18RPuWXLZB/

