মেজর_ওয়াসিফ #লেখনীতে_ঐশী_রহমান পর্ব (২৭)

0
2

#মেজর_ওয়াসিফ
#লেখনীতে_ঐশী_রহমান

পর্ব (২৭)

বিছানায় এপাশ ওপাশ করার পরও ধারার ঘুম আসেনা। ঘরের মৃদু আলোয় ঘাড় ঘুরিয়ে তাকায় একবার ওয়াসিফের দিকে। লোকটা লম্বা সটান চিত হয়ে শুয়েছে। একটা হাত বুকের উপর রেখে অন্য হাত তুলেছে কপালে। মানুষটার নড়াচড়া টের না পেয়ে বুঝলো ঘুমিয়েছে বোধহয়। আচমকা ওয়াসিফ ওর ধারণা কে ভুল প্রমাণ করে বিপরীত দিকে ঘুরে শুতে শুতে বলে।

‘ খাটের ওতো কর্নারে গিয়েছিস কেনো? এদিকে এগো, পড়ে যাবি’

ধারা মেজাজ দেখিয়ে আরো খানিকটা সরে গিয়ে বলে।

‘ পড়বোনা, আপনি ঘুমান’

‘ আমি তো ঘুমাচ্ছি…’

ওয়াসিফের কথা পুরোপুরি শেষ হলোনা, এরমধ্যেই আচমকা কারো পড়ে যাওয়ার শব্দ কানে যেতেই তড়াগ করে শোয়া থেকে উঠে বসে বাম পাশের খাটের নিচে ঝুঁকে বসে ওয়াসিফ।

বক্স খাট থেকে পড়েছে, ব্যথা ওতোটা না পেলেও পরান চমকেছে বেশ, ভয় ও পেয়েছে বেশ। তবে আপাতত সেই ভয় কাতুরে চেহারা লুকিয়ে বড়ো বড়ো চোখ করে তাকিয়ে থাকে ওয়াসিফের দিকে। আপাতত ধারা চুপ, ওয়াসিফ ও চুপ। ওয়াসিফ চোখ মুখ কড়া করে শুধু তাকিয়ে আছে ওর দিকে। মুখে কিছু না বললেও ওর কড়া চোখের দৃষ্টি ধমকে বলছে।
‘ বড়দের কথা শুনতে এতো সমস্যা তোর? এখন পড়েছিস, ওভাবে পড়েই থাক’
তবে ওয়াসিফের চাহনি কড়া হলেও গম্ভীর কণ্ঠে জানতে চাইলো।

‘ ব্যথা পেয়েছিস’?

এতক্ষণ দাঁত চেপে বসে থাকা ধারা ওমন দরদ সুলভ আচারণ পেতেই চোখে নোনাপানি ছলছল করে ওঠে, দু’পাশে মাথা নাড়িয়ে বোঝায় ‘ না’

ওয়াসিফ বিছানা ছেড়ে নিচে ওর কাছে হাঁটু গেড়ে বসে বলে।

‘ আমি টের পাচ্ছি তুই ব্যথা পেয়েছিস, কোথায় পেয়েছিস, পায়ে? কোমরে? সত্যি বল। বকবো না’

ধারা একটু নড়েচড়ে বসে বলে।
‘ সত্যি বলছি, তেমন ব্যথা পাইনি। আচমকা পড়েছি তো, তাই একটু ভয় পেয়েছি’

ওয়াসিফ ওর দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে থেকে বলে।

‘ তাহলে একা একা উঠে দাঁড়া ‘

‘ এখনি’?

‘ তা কখন? সারারাত এখানে বসে থাকবি’?

‘ না’

‘ তাহলে ওঠ’

ধারা নিজেকে সামলে, ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ায়। ওয়াসিফ ওকে ভালো করে খেয়াল করে বলে।

‘ এবার একটু হাটাহাটি কর’

‘ কেনো’?

‘ এতো কেনোর জবাব দিতে পারবোনা। হাঁটতে বলেছি এবার হেঁটে দেখা’

ওয়াসিফের গলার আওয়াজ গম্ভীর। তবুও ধারা মিনমিন করে বলে।

‘ আমার পায়ে কোনো খুত নেই তো’

‘ জানি। তোকে হাঁটতে বলেছি’

ধারা আর কথা বাড়ায়না। ও ওয়াসিফের পাশ কাটিয়ে চার/পাঁচ কদম হেঁটে দাঁড়িয়ে রইলো। জিজ্ঞেস করলো।

‘ আরো হাঁটতে হবে’?

‘ না হয়েছে’

বলেই ওয়াসিফ খাটের এপাশে এগিয়ে দু’হাতে একে একে বিছানার বালিশ, তোশক নামিয়ে মেঝেতে রেখে খাট টেনে একেবারে দেয়ালের সঙ্গে এঁটে দিলো। বাম সাইড থেকে এবার পড়ে যাওয়ার আর কোনো অপশন নেই। বিছানায় তোশক, বালিশ উঠিয়ে ধারাকে বলে।

‘ বিছানার চাদর সুন্দর করে বিছিয়ে শুয়ে পড়’

ওয়াসিফ একটু সরে দাঁড়াতেই ধারা এগিয়ে সুন্দর মতো বিছানা গুছিয়ে চুপচাপ বসে থাকে খাটের উপর। ওয়াসিফ এক গ্লাস পানি খেয়ে বসলো বিছানায়। ধারার দিকে তাকিয়ে বলে।

‘ তোকে শুয়ে পড়তে বলেছি, বসে থাকতে বলিনি’

ধারা বসে বসে শাড়ির আঁচল নিয়ে টানাটানি করছিলো। আরচোখে তাকিয়ে ওয়াসিফের ভাবগতি নরম রেখে আস্তে করে বলে।

‘ আমি একটু রুমে যাবো। শাড়ি পাল্টে আসি’?

ওয়াসিফ শুয়ে পড়েছে, চোখের উপর থেকে হাতটা সরিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে বলে।

‘ অসুবিধা হচ্ছে ‘?

‘ জি’

‘ আচ্ছা যা’

যা, শুনেই ধারা লাফিয়ে, তড়িঘড়ি করে বিছানা থেকে নেমে দরজার কাছে যেতেই পেছন থেকে ওয়াসিফ আবার বলে।

‘ এক মিনিট, ও ঘরে তো আজ ওরা আছে। ওদের বিরক্ত করিস না। তোর যদি খুব অসুবিধা হয় তবে আমার আলমারিতে দেখ টিশার্ট পাবি, সফট আছে। তোর হাঁটু অবধি হয়ে যাবে ‘

উৎফুল্ল মন আবার ধুপ করে নিভে গেলো ধারার । ধূর ছাতার মাথা। কতদিনের শখ ওর, আপার বিয়ের পর ওর বাসর ঘরে আড়ি পাতবে। ওর সেই শখে এই লোক এক বালতি কাঁদা ঘোলা পানি ঢেলে দিলো। ধারা মুখটা ভার করে চুপচাপ আবার বিছানায় উঠে শুয়ে পড়লো নিজের জায়গায়।

‘ কি হলো? টিশার্ট নিতে বললাম তো একটা ‘

‘ লাগবেনা, অসুবিধা হচ্ছে না ‘

ওর একরোখা কথা শুনে ওয়াসিফ সামান্য হেঁসে শুয়ে পড়ে। মিনিট খানেক চুপচাপ থেকে ওয়াসিফ বলে।

‘ হাসবেন্ড ওয়াইফের ঘরে কান পাতা ঠিকনা মুমতাহিনা। তাদের ও প্রাইভেসি দেওয়া উচিত। তাছাড়া এই কাজটা তোর সঙ্গে একদমই যায়না, বিকজ তুই সম্পর্কে ওদের বড়ো ভাবি হোস এখন। ‘

ধারা শুনলো কথা গুলো, তবে জবাব দেয় না। ওর শখ এই লোকের বুঝে হারিয়ে যাবেনা। ওর মন বুঝবেনা তার জ্ঞান দেওয়া কথা।

_______________

সামান্য গোলাপ আর রজনীগন্ধার মিশেলে এই ঝড় বাদলে যতটুকু যা পারে ধারা এই ঘরটা সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছিলো সেই সন্ধ্যা রাতে। খাটের মধ্য বিন্দু হয়ে বসে আছে লুইপা। দেয়াল ঘড়ির কাটা ঠিকঠিক শব্দ করে মিনিটের কাটা পার হচ্ছে ও সেই শব্দ গভীর মনোযোগ দিয়ে শুনছে। চোখ জোড়া স্থির করে রেখেছে হাতের সোনার চুড়ি জোড়ার উপর। ঝড়, বৃষ্টি থেমেছে, খোলা জানালা দুটো থেকে এখন শীতল বাতাস ক্ষণে ক্ষণে গা ছুঁয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় মাথা নিচু করে রেখে ধীরে ধীরে মাথা তুললো লুইপা। এ ঘরে আজ যার আসার কথা, ও পাশে যার বসার কথা সে এখনো আসেনি। আর কতক্ষণ ও মাথা নুইয়ে রাখবে?

আরিয়ান আর সামিরের এক প্রকার মৃদু ধস্তাধস্তি হলো দোলাতার করিডোরে। সামির ওকে ঝাটকা মেরে সরিয়ে বলে।

‘ সর শা/লা, আমাকে বাসর ঘরে যেতে দে’

আরিয়ান পেছন থেকে আবারও দু’হাতে শক্ত করে ওর কোমর জড়িয়ে রেখে বলে।

‘ হবে না। তুই আমার কলিগ কম বন্ধু বেশি। তুই কিভাবে পারিস আমার মতো এক অভাগা সিঙ্গেল কে ফেলে রেখে বাসর করতে’

সামির বিরক্ত হয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে নিতে বলে।

‘ তোকে কে বললো আমি বাসর করবো? আরে ভাই, বাসর ঘরে ঢোকা মানেই বাসর করা না। সবে বিয়ে করলাম, মেয়েটির সঙ্গে এখনো আমার ভালো মন্দ কথা হলোনা। সর, পরিচয় পর্ব সারতে সারতে আজ সারারাত লেগে যাবে’

কে শোনে কার কথা। সামির যতো নিজেকে ছাড়াতে চায় আরিয়ান ততো শক্ত করে ওকে আঁটকে ধরে।

‘ হবেনা। তুই যাবিনা’

শেষমেষ হলো কি? একটু ছাড়া পেতেই সামির দিলো ভো দৌড়। ওর পেছন আর আরিয়ান পায়না, অবশ্য আরিয়ান ওর পেছনে দৌড়ায়নি। দৌড় যা দেওয়ার ঐ সামির দিয়েছে। সেই এক দৌড়ে সামির জ্ঞান শূন্য হয়ে নির্দিষ্ট সেই ঘরে ঢুকে স’জোরে দুয়োর আঁটকে ছিটকিনি তুলে দিতে দিতে পেছন ঘুরতেই বড়োসড়ো ঝটকাটাতে তখন খায় যখন দেখলো এক জোড়া ভয় কাতুরে চোখ ওর দিকে স্থির হয়ে তাকিয়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে সামিরের হুশ ফেরে।
হায় সর্বনাশ! ও করে বসলোটা কি? শেষমেষ কেউ এভাবে দৌড়ে বাসর ঘরে ঢোকে? আল্লাহ নতুন বৌ মনে মনে ভাবলোটা কি? সামির নিজের নার্ভাসনেস টুকু গিলে সামান্য হাসার চেষ্টা করে বলে।

‘ সরি আসলে! আমাকে এমন ভাবে ধাক্কা দিলো যে আমি একেবারে এভাবে ঢুকে গেলাম’

চমকেছে লুইপা ভীষণ। আচমকা এভাবে সামির ঘরে ঢোকবে ও বুঝতে পারেনি। সামিরের ও কথার জবাবে লুইপা কিছু ই বলেনা, চুপচাপ মাথা নুইয়ে রেখে দিলো।

সামির নিজেকে সামলে গায়ের পানজাবি কুঁচকে যাওয়া টেনেটুনে ঠিক করে আস্তে ধীরে গিয়ে বসলো বিছানার এক কোণায়। বৃষ্টি, বাদলের রাতে ওয়েদার শীত শীত হলেও এই শীতের মধ্যে সামির টের পেলো ও ঘেমে যাচ্ছে। কথা কিভাবে কি শুরু করবে বুঝে উঠতে পারছেনা না। সামির একবার আড়চোখে তাকায় লুইপার দিকে। তারপর তাকায় সিলিং এর দিকে। একহাত দিয়ে কপালের ঘাম মুছে নিতো এক ফাঁকে। বললো।

‘ আপনাদের এই ফ্যানটা কি ভালো? মানে চালালে কি চলে? আসলে আমার ভীষণ গরম লাগছে’

আচমকা এমন কথা শুনে লুইপা একবার মাথা তুলে চাইলো সামিরের দিকে। দুজনের দৃষ্টি তিন সেকেন্ডের জন্য মিলে গেলেই লুইপা চোখ সরিয়ে নেয়। সামির বলে।

‘ ফ্যানটা চালাই?’

লুইপা আস্তে করে জবাব দেয়।

‘ কারেন্ট নেই ‘

‘ ওও তাইতো’
সামির টের পাচ্ছে, ও আসলে বোকামির চরম লেভেল চলে গেছে। আবারও কপাল, মুখের ঘাম মুছতে মুছতে ভাবে। এই বিয়ে, এই বাসর, এই বৌ এসবের থেকে মেজর শাহেদ ওয়াসিফের কড়া কড়া ধমক খেয়ে ঐ কঠিন কঠিন মিশনই ভালো। খুব ভালো। সেখানে তো অকারণে এতো ঘামতে হয়না, ওর যে আজ কি হয়েছে কে জানে? বাসর ঘরের কোনো আগাম প্রস্তুতি ছাড়া এভাবে কেউ আগে পরে ঢুকেছে বলে তো ওর মনে হয়না। ও ই বোধ হয় প্রথম পুরুষ। আর কি ভাবে এই বৌ নামক মেয়েটির সঙ্গে কথা বলা যায়? সেও তো কিছু জিজ্ঞেস করছে না? ও অনেক কিছু জিজ্ঞেস করলে মেয়েটা যদি ওকে গায়ে পড়া পুরুষ ভাবে? তাই আপাতত সামির আর কথা বলবে না, কিছু জিজ্ঞেস ও করবেনা। সামির এবার কন্ঠ শিথিল করে জানতে চায়।

‘ আমার আজকে ভীষণ ঘুম পাচ্ছে। কোথায় ঘুমাবো?

লুইপা সঙ্গে সঙ্গে বিছানার মাঝ থেকে সরে বসে একটা সাইড করে দেয়।

‘ এখানে’

সামির সটান হয়ে শুয়ে পড়ে, বলে।

‘ একটা হাতপাখা হবে? অনেক গরম’

‘ জি হবে’

‘ একটু কষ্ট করে দিতে পারবেন’?

‘ জি’

‘ দিন তাহলে ‘

লুইপা বিছানা ছেড়ে নেমে ওর পড়ার টেবিলের উপর থেকে একটা তাল পাতার হাতপাখা এনে বাতাস দিতেই সামির সঙ্গে সঙ্গে শোয়া থেকে উঠে বসে ওর কাছ থেকে হাতপাখা টেনে নিয়ে বললো।

‘ আপনার কষ্ট করতে হবে না। আমি পারি, খুব সুন্দর বাতাস করতে’

সামির হাতপাখা ঘুরিয়ে দুই বাতাস করতেই লুইপা বলে।

‘ আমার শীত করছে, আমার লাগবেনা’

‘ ওকে’

_____

‘ তুমি এখানে কি করছো আরিয়ান’?

কথাটা কানে যেতেই আরিয়ান তড়িৎ বেগে লাফিয়ে উঠে এক ঝটকায় হাতের সিগারেট টা দোতালার খোলা বারান্দার রেলিঙ থেকে নিচে ফেলে ঘুরে দাড়িয়ে অহেতুক হাত উঠিয়ে মুখ মুছতে মুছতে বলে।

‘ স্যার! ঘুম আসছিলোনা, তাই হাওয়া খাচ্ছি ‘

ওয়াসিফ দুহাত বুকে আড়াআড়ি বেধে ওর দিকে তাকিয়ে বলে।

‘ নিচে কি ফেললে ওটা’?

আরিয়ান মনে মনে বলে ‘ শকুনের চোখ একেবারে, কিচ্ছু এড়ায় না’
মুখে বললো।

‘ কি যেনো! এই মুহূর্তে মনে পড়ছেনা’

‘ কিন্তু আমার পড়ছে’

‘ কি স্যার’

ওয়াসিফ হাতের বাঁধন খুলে হেঁটে এগিয়ে রেলিঙের সঙ্গে হেলান দিয়ে দাড়িয়ে বলে।

‘ এখান থেকে গিয়ে আধা খাওয়া সিগারেট টা টোকাও এবং সেটা পায়ে ঢলে নিভিয়ে দূরে কোথাও ফেলো। আমাদের বাড়িতে স্মোক করা বড়রা বেয়াদবি মনে করে। নাউ গো’

‘ ইয়েস স্যার, যাচ্ছি ‘

আরিয়ান মুখটা চুপসে যাওয়া বেলুনের মতো করে রেখে গটগট পায়ে যেতে একা একা বিড়বিড় করে।

‘ এরপর থেকে আমাকে একটু সাবধানে থাকতে হবে কারণ আপনার আরো একটা বোন অবিবাহিতা। কোনোদিন যদি সামিরের মতো আমাকেও আচমকা কল দিয়ে বলেন বোনকে বিয়ে করতে হবে তবে আমি আরিয়ান সেদিন পালিয়ে যাবো এসব চাকরি বাকরি ছেড়ে। আমার পক্ষে আপনার মতো কড়া মেজাজী লোকের বাড়ির আত্মীয় হওয়ার শখ নেই। ঐ সামির করেছে এখন ঐ ব্যাটা বুঝুক কত ধানে কত চাল’

সিগারেটে টুকরোর কাছে দাড়িয়ে আরিয়ান মাথা উঁচু করে তাকায় দোতলায়। ওয়াসিফ ওর দিকে তাকিয়ে আছে।

‘ আগুন নিভিয়ে দূরে ফেলো’

‘ আগুন নিভে গেছে স্যার বৃষ্টির পানিতে’

‘ দূরে ফেলো’

‘ ওকে স্যার’

আরিয়ান ঝুঁকে বাম হাতে দুই আঙুলে করে তুললো সিগারেটের টুকরোটা। নিয়ে ফেললো দূরে।

‘ শা/লা এবাড়িতে আর আসা যাবেনা, সিগারেট ও শান্তি মতো খাওয়া যায় না ‘

#চলবে

আপনাদের খুশি রাখতে পুনরায় আবার ও গল্পটি ভিন্ন ভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অবশ্যই রেসপন্স করে যাবেন। সুন্দর সুন্দর মন্তব্য জানাবেন।
আর হ্যা, #আজ_আড়ি_কাল_ভাব ও পড়া শুরু করুন। ওটা একটা ছোট গল্প হবে। ওটা আগামীকাল দিবো ইনশাআল্লাহ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here